Author: banglarmukh official

  • শোলাকিয়ায় ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

    শোলাকিয়ায় ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত

    দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলো কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায়। সকাল ৯টায় জামাত শুরু হয়। জামাতে ইমামতি করেন শহরের মারকাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ দিকে জামাতকে ঘিরে নেয়া হয় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    এবার শোলাকিয়া ছিল ১৯১তম ঈদুল আজহার জামাত। শোলাকিয়ার রীতি অনুযায়ী নামাজ শুরুর ১০ মিনিট ৫ মিনিট ও সব শেষ ৫ মিনিট আগে বন্দুকের গুলি ছুঁড়ে জামাতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি জানান দেয়া হয়।Top-(6)

    এর আগে সকাল থেকে মুসুল্লীরা আসতে থাকেন ঈদগাহের দিকে। প্রতি বছর ঈদের জামাতে এখানে লাখো মানুষের ঢল নামে। বড় জামাতে নামাজ আদায় করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, তাই এখানে প্রতি বছর ঈদের জামাতে দেশ-বিদেশের মুসুল্লীদের ঢল নামে।

    Top-(2)

    ঈদকে ঘিরে নেয়া হয় চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো এলাকাকে ৮টি সেক্টরে ভাগ করে দায়িত্ব পালন করে র্যাব-পুলিশ, এপিবিএনসহ ২ প্লাটুন বিজিবি। বসানো হয় ২৪টি চেকপোস্ট। মাঠের ভেতরে-বাইরে বসানো হয় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। মেটাল ডিটেক্টরে দেহ তল্লাসীর পর নির্ধারিত গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয় মুসুল্লীদের। মাঠের আশপাশের নিরাপত্তায় আকাশে নজরদারি করে শক্তিশালী ক্যামেরাযুক্ত দুইটি ড্রোন।

    Top-(3)

    পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম জানান, গত বছর এ মাঠে প্রায় ৫ লাখ মুসুল্লীর সমাগম হয়েছিল। এবার কোরবানির কারণে মুসুল্লী কম হয়েছে। তবে নিরাপত্তার কোনো কমতি ছিল না। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে জামাত শেষ হয়েছে।

    Top-(4)

    শোলাকিয়া মাঠের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ শেষ হয়েছে। তিনি জানান, কোনো নিরাপত্তা হুমকি না থাকলেও সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি। এছাড়াও দূরের মুসুল্লীদের জন্য ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জে দু’টি বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করে প্রশাসন।

  • গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

    গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

    গণভবনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।

    বুধবার সকাল ১০টার পরে এ শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে।

    শুভেচ্ছা জানাতে আসেন মন্ত্রী-এমপি, বিচারপতি ও কূটনীতিক, আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, বুদ্ধিজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষ।

  • জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা, দোয়া

    জিয়ার সমাধিতে বিএনপি নেতাদের শ্রদ্ধা, দোয়া

    বিএনপির নেতারা পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারা বুধবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর শের-ই বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে যান। এসময় তারা শ্রদ্ধা জানানোর পর সেখানে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মোনাজাত করেন।

    বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, আজিজুল বারী হেলাল, কাজী আবুল বাসারসহ দলের অসংখ্য নেতাকর্মী।

    পরে বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা দুর্নীতির মামলায় কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশ্যে যান।

  • বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

    বরিশালে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

    শেখ সুমন :

    বরিশালে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ৮টায় নগরীর হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল,নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার মো. শহীদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান,বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীরসহবিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা সহ নগরীর বিভিন্ন শ্রেনি পেশার কয়েক হাজার মুসল্লি কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দানের প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।নামাজ শেষে নেতৃবৃন্দ পরস্পরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    নামাজ শেষে সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামাল নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানীর জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে আজকের মধ্যে কোরবানীর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দেন সিটি মেয়র।নামাজ পরবর্তী ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামনা করে বলেন, ত্যাগের মহিমায় কোরবানি দিয়ে প্রত্যেকের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা করা।এসময় তিনি ১৫ আগস্ট জাতির জনকসহ অন্য শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। দেশের সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

    বরিশালে এবারও ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরীফের মাঠে সকাল ৯টায়। পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি মো. রেজাউল করিম ঈদ জামাতে ইমামতিত্ব করেন।বরিশালের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় পিরোজপুরের নেছারাবাদ ছারছিনা দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৮টায়।

    এছাড়া ঝালকাঠীর মরহুম কায়েদ সাহেব হুজুর প্রতিষ্ঠিত এনএস কামিল মাদ্রাসা মাঠে সকাল ৮টায়, পটুয়াখালীর মীর্জাগঞ্জ হযরত ইয়ারউদ্দিন খলিফা (রা.) মাজার শরীফ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং বরিশালের উজিরপুরের গুঠিয়ার দৃষ্টিনন্দন বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল নগরীর চক বাজারের জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল সকাল ৮টায় ও সাড়ে ৯টায়, হেমায়েত উদ্দিন রোডের জামে কসাই মসজিদে সকাল ৮টায় ও সাড়ে ৯টায় এবং সদর রোডের বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ও ৯টায়।

    এছাড়া গোরস্থান রোডের আঞ্জুমান-ই হেমায়েত-ই ইসলাম ময়দানে সকাল ৮টায়, পুলিশ লাইনস্ মাঠে সকাল পৌঁনে ৯টায়, নূরিয়া স্কুল মাঠে সকাল ৮টায় এবং কেন্দ্রিয় কারাগার জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় সহ বরিশাল নগরী এবং বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বড় ছোট সহস্রাধিক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।ঈদ জামাতের পর বিভিন্ন স্থানে পশু কোরবানী করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

  • মুহা: পলাশ চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা

    মুহা: পলাশ চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা

    বাংলারমুখ ২৪ ডটকমের প্রকাশক ও সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগরীর সভাপতি মুহা : পলাশ চৌধুরী পরিবারের সকল সদস্য, সকল সাংবাদিক ও সুভানুধ্যায়ীদের পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান।

    শুভেচ্ছাপত্রে তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন ।

  • নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    শেখ সুমন:

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র ,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের সর্বস্থরের জনগনকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানান।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক নগরীর প্রতিটি মানুষের জীবনে। কুরবানি উপলক্ষে মানুষ যে ত্যাগ করে ,এই ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হোক সবার জীবন।

    প্রতিটি মানুষের জীবনের সমস্ত দু:খ গুলো মুছে যাক। মহান রাব্বুল আলামিন সকল মানব জাতীকে ক্ষমা করে দিক।

  • গ্রেটদের তালিকায় এবার কোহলিও

    গ্রেটদের তালিকায় এবার কোহলিও

    অধিনায়ক বিরাট কোহলির ক্যারিয়ারের ২৩তম সেঞ্চুরিতে ভর করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এখন ভারতের হাতে। বলতে গেলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে তারা। কোহলি এই ম্যাচে দুটি ইনিংসে ২০০ রান করেছেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বার কোনো টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান সংগ্রহকারী একমাত্র কোহলি।

    টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি বার কোনো একটি টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান সংগ্রহের কৃতিত্ব রয়েছে শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ব্যাটসম্যান কুমার সঙ্গাকারা। তিনি ১৭ বার কোনো একটি টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান করেছেন।

    কোহলি এখনো পর্যন্ত বারোবার টেস্ট ক্রিকেটে এই কৃতিত্ব গড়েছেন। এই তালিকায় তার স্থান পঞ্চম। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাক্তন ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা। তিনি ১৫ বার কোনো একটি টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান করেছেন।

    ডন ব্র্যাডম্যান ১৪ বার কোনো একটি টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান করেছেন। রিকি পন্টিং ১৩ বার একটি টেস্টে ২০০ বা তার বেশি রান করে তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।

  • কেরালার বন্যা দুর্গতদের পাশে আফ্রিদি

    কেরালার বন্যা দুর্গতদের পাশে আফ্রিদি

    সামাজিক কার্যকলাপের জন্য মাঝে মাঝেই শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। এ ছাড়া তার স্বেছাসেবী সংগঠন ‘শাহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন’ নাম ফ্যানেদের কাছে অজানা নয়। ভারতের সঙ্গে বহুদিনের সখ্যতা হলেও কিছুদিন আগে কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুলে ভারতীয়দের তোপের মুখে পড়েছিলেন তিনি।

    সেই বিতর্ক আপাতত দূরে সরিয়ে বন্যা বিধ্বস্ত কেরালার জনগণের পাশে দাঁড়ালেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কেরলে বন্যা দুর্গত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসার বার্তা দিলেন প্রাক্তন পাক অলরাউন্ডার।

    গত ১০০ বছরে এমন বন্যা দেখেনি কেরালাবাসী। বন্যা ও ধসে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গেছে। বাস্তুহারা হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। জলবন্দি রয়েছে লক্ষাধিক। রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টি জেলা পানির নিচে। কেরালায় ইতোমধ্যে ক্ষতির পরিমাণ ১৯,৫০০ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে।

    এমন অবস্থায় কেরালার পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে সমবেদনা জ্ঞাপন করলেন আফ্রিদি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, কেরালার বিধ্বংসী বন্যায় আমি ভীষণভাবে মর্মাহত। শাহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন কেরালার ভাই-বোনেদের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তাদের সব দুঃখ ভাগ করে নেবে।

    এই ঘোষণায় স্বভাবতই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন এই পাক ক্রিকেটার। পাশাপাশি কাশ্মীর ইস্যুতে মুখ খুলে যে নেতিবাচক মনোভাব তার প্রতি তৈরি হয়েছিল, এই ঘোষণায় সেই ক্ষতে কিছুটা প্রলেপ পড়ল বলা চলে।

  • বায়তুল মোকাররমে রাজধানীর প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

    বায়তুল মোকাররমে রাজধানীর প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

    রাজধানীর প্রথম ঈদের জামাত বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ  বুধবার (২২ আগস্ট) সকাল ৭টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    জামাতের মোনাজাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় এবং দেশের সব সমস্যা দূর করতে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র জানায়, দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। তবে, আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে একই জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

    ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ সময় ‘আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো বায়তুল মোকাররম এলাকা। গুনাহ মাফের জন্য দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন মুসল্লিরা।

    জাতীয় মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন মুসল্লিরা। বড়দের পাশাপাশি ছোট শিশু-কিশোররাও শরিক হয় এ জামাতে। প্রথম জামাতে বায়তুল মোকাররম ও জাতীয় ঈদগাহের ভেতরে ও বাইরে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অত্যন্ত আনন্দ ও উৎফুল্লের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়।

    এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম জামাতের পর দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও শেষ জামাত সকাল পৌঁনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডের মসজিদ, মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে ৪০৯টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের একটি জামাত।

  • রাজধানীতে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে হটলাইন চালু

    রাজধানীতে কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে হটলাইন চালু

    ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রায় ২১ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী কাজ করবে।

    অন্যদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের জন্য এবার হটলাইন চালু করা হয়েছে। ডিএসসিসির হটলাইন নম্বর হলো ০৯৬১১০০০৯৯৯।

    এবারে নতুন সংযুক্ত ৩৬ ওয়ার্ডসহ ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে ১ হাজার ৫৪টি পশু জবাইয়ের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির পশু বর্জ্য অপসারণে দুই সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দ্রুত ও নির্ধারিত সময়েই বর্জ্য অপসারণে হটলাইন খোলা থাকবে এবং বর্জ্য অপসারণের প্রায় ৫ লাখ পলিথিন ব্যাগ সরবরাহ করবে দুই সিটি কর্তৃপক্ষ।

    সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,  ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে বর্জ্য অপসারণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র। আসন্ন কোরবানির ঈদে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ৫ লাখ পশু কোরবানি হতে পারে। এসব পশু থেকে কমপক্ষে ৩০ হাজার টন বর্জ্য বের হবে।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা খোন্দকার মিল্লাদুল ইসলাম জানান, বর্জ্য অপসারণে ২০ হাজার ৭৭১ পরিচ্ছন্নতা কর্মীর মধ্যে ডিএসসিসি’র ১১ হাজার ২৭১ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে মাঠে থাকবেন। এখানে ১০টি পে-লোডারসহ ৩৫০টি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে।

    তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের জন্য এবার হটলাইন চালু করা হয়েছে। ডিএসসিসির হটলাইন নম্বর হলো ০৯৬১১০০০৯৯৯। এ ছাড়া ১ লাখ ৭৫ হাজার বর্জ্যবাহী ব্যাগ বিতরণ করা হবে। এছাড়া কোরবানির বর্জ্য অপসারণে লিফলেট ও মাইকিং করা হবে।

    মিল্লাদুল ইসলাম বলেন, কোনো অবস্থাতেই রাস্তায় পশু জবাই করা যাবে না। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধায় এবং দুর্গন্ধ থেকে নগরকে মুক্ত রাখতে নির্ধারিত জায়গায় পশু জবাইকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

    তিনি জানান, বর্জ্য অপসারেণ এই সিটিতে বর্জ্যবাহী ট্রাক ১৫০টি, ডাম্প ট্রাক ১৯টি, ৫টি পে-লোডার, ৩টি হুইল ডোজার, ১১টি পানির গাড়ি (জেট স্প্রেসহ), স্কিড লোডার ৪টি, বেকহো লোডার ৪টি, ট্রাক (আউটসোর্সিং) ৮০টি, বর্জ্যবাহী ব্যাগ থাকবে ৪ লাখ পিস, ব্লিচিং পাউডার ৪০ হাজার কেজি, স্যাভলন ১০০ লিটার ও ফিনাইল ২০০ লিটার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি বুলডোজার, ২টি লং আর্ম স্কেভেটর, ৩টি চেইন ডোজার, ২টি হুইলডোজার কাজের গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য ভাড়া নেয়া হয়েছে।

    আশরাফুল ইসলাম জানান, ডিএনসিসি’র অঞ্চল-৩-এ (মহাখালী) অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হচ্ছে। হটলাইন নম্বর হলো ০২৯৮৩০৯৩৬। এর বাইরে ৫টি অঞ্চলে মোবাইল নম্বর সার্বক্ষনিক খোলা থাকবে। নম্বরগুলো হলো- উত্তরা ০১৭১৭১০২০২৫, মিরপুর ০১৭১১-৩১৩২৮৯, মহাখালী ০১৯২৩১১৩৬৩৬ মিরপুর (অঞ্চল-৪) ০১৭৩৩৮৯৫৫৩২ ও কারওয়ান বাজার ০১৭১১৫৭৭৪৭৪। নগরবাসীকে এসব মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।