Author: banglarmukh official

  • বি. চৌধুরী ও ড. কামালকে শায়েস্তা করতে তারেকের ৫০ হাজার টাকার পুরষ্কার ঘোষণা

    বি. চৌধুরী ও ড. কামালকে শায়েস্তা করতে তারেকের ৫০ হাজার টাকার পুরষ্কার ঘোষণা

    যুক্তফ্রন্ট গঠন করার নামে বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতার কানে কুপরামর্শ দেওয়ার অপরাধে এবার বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং গণফোরামের সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনকে শায়েস্তা করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৫ আগস্ট গভীর রাতে রিজভী আহমেদকে ছাত্রদলের ভাড়াটিয়া গুণ্ডা দিয়ে এই দুই বৃদ্ধ নেতাকে শায়েস্তা করার আদেশ দেন তারেক।

    পল্টন বিএনপি পার্টি অফিস সূত্রে জানা যায়, এই মিশন বাস্তবায়ন করার জন্য ইতোমধ্যে পল্টন থানা ছাত্রদলের এক নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন রিজভী। এই দুই নেতাকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করে শারীরিকভাবে হেনস্থার পর সরকারের ওপর দায় চাপানোর জন্য ৫০ হাজার টাকার পুরষ্কারও ঘোষণা দিয়েছেন তারেক।

    লন্ডন বিএনপি সূত্র জানা যায়, বিগত কয়েক মাস ধরে যুক্তফ্রন্ট নামের রাজনৈতিক জোট গঠন করার জন্য রাজনীতির মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বারবার দল পাল্টানো এই দুই বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা। উন্নয়ন ও গণমানুষের রাজনীতির বিপরীতে ষড়যন্ত্রে বিশ্বাসী দুই পল্টিবাজ নেতা তৃতীয় শক্তির উত্থানে বিদেশি একটি দূতাবাসের হয়ে গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের এই অশুভ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য গোপনে বিএনপি, জামায়াতসহ ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলোর গুরত্বপূর্ণ নেতাদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করে আগামী নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে বিদেশি শক্তির সাহায্যে ক্ষমতায় বসলে মন্ত্রীত্ব দেওয়ার লোভ দিয়ে বৈঠক করেন। বয়োজ্যেষ্ঠ নেতাদের আকাশ-কুসুম বক্তব্যে আগামীতে মন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাস, আবদুল আউয়াল মিন্টুর মতো উচ্চাকাঙ্খি নেতারা। তাদের সাম্প্রতিক আচরণে ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়েছেন তারেক রহমান। এই তিন নেতা তারেক রহমানের কঠিন আদেশ অমান্য করে ইচ্ছামত দল পরিচালনা করছেন। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন যে তারেক রহমান বিএনপির রাজনীতিতে অচল। দেশের মানুষ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় বসাতে চায় না। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে সদ্য সমাপ্ত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। মির্জা ফখরুলদের এমন বেইমানির জন্য বি. চৌধুরী এবং ড. কামাল হোসেনকে দায়ী ভাবছেন তারেক। কারণ তাদের কুমন্ত্রণায় মির্জা ফখরুলরা বেঁকে বসেছেন।
    সুতরাং পালের গোদাদের সাফ করতে তাই নতুন মিশনে নেমেছেন তারেক। বৃদ্ধ দুই নেতাকে প্রকাশ্যে পিটুনী দেওয়া এবং লাঞ্ছিত করার জন্য রিজভীকে দায়িত্ব দিয়েছেন তারেক। তারেকের নির্দেশ পালন করতে পল্টন ছাত্রদলের কিছু নেতাকে ভাড়া করেছেন রিজভী। ছাত্রদলের নেতারা যেখানে বি. চৌধুরী এবং ড. কামালকে দেখবে সেখানেই মারধর করবে এবং সরকার দলীয় স্লোগান দিয়ে পালাবে এমন একটি মিশন ঠিক করা হয়েছে।
    তারেক রহমানের মতে, এই নেতাদের ষড়যন্ত্রের কারণে বিএনপিতে ভাঙন ধরেছে। মির্জা ফখরুলরা সরকারের সাথে আঁতাত করে আগামী নির্বাচনে বেগম জিয়াকে ছাড়াই অংশগ্রহণ করারও গোপন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তারেকের কাছে গোপন তথ্য আছে। তাই বিদ্রোহীদের সর্দারদের শায়েস্তা করে মির্জা ফখরুলদের সতর্ক করা ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় দেখছেন না তারেক। আর যারা এই মিশন সফল করবেন তাদের ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তারেক বলে জানা গেছে।

  • বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি নিয়ে উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে তালা

    বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের পকেট কমিটি নিয়ে উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে তালা

    বরিশাল ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটি নিয়ে নিজ দলে দ্বন্দ্ব প্রকট আকার ধারণ করেছে। পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিরাগভাজন হয়েছেন। বিশেষ করে সেই ক্ষোভের আগুন জলে উঠেছে রোববার (১৯ আগস্ট) রাতে কমিটি ঘোষণা আসার পরপরই। যে কারণে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে বিক্ষুব্ধদের একাংশ তালাও ঝুলিয়ে দিয়েছে। সেই সাথে রাজনৈতিক অভিভাবক কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়াকেও তুলোধুনা করা হচ্ছে। এমনকি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিব আহসান ও সাধারণ সম্পাদককেও বিষাদগার করা হচ্ছে।

    এমন বাস্তবতায় অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল জেলা ও মহানগরের ঘোষিত এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপি নেতা সরোয়ারের আস্থাভাজনরাই মূলে রয়েছে। মূলত সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। কারণ মাহফুজুল আলম মিঠু নামে যে ব্যক্তিকে জেলা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তাকে বিগত সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে দেখা যায়নি। এমনকি তিনি বরিশালের ছাত্র রাজনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য কোন ভুমিকাও রাখেন নি। তবে শোনা যাচ্ছে- তিনি অধিকাংশ সময়ে রাজধানীতে বরিশাল বিএনপির অভিভাবক সরোয়ারের সাথে অবস্থান করেন।

    এছাড়াও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সন্তান মিঠু বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি সরোয়ারের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছেন। মূলত এই বিশেষ কারণেই সরোয়ার তার পক্ষে সুপারিশ রাখায় সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার বিষয়টি তরান্বিত হয়। তাছাড়া ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসানও তাকে নেতা হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। কারণ এই দুই নেতা একই এলাকার বাসিন্দা। সেক্ষেত্রে এখানকার পদবঞ্চিত নোতাকর্মীদের অভিব্যক্তি হচ্ছে- কেন্দ্রীয় নেতা রাজিব আহসান আগামীতে মেহেন্দিগঞ্জ হিজলা আসনে সাংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মূলত সেই নির্বাচনে শক্তি সামর্থ যোগানোর বিষয়টি অনুমানে নিয়েই নিজ এলাকার ছেলেকে মনোনীত করেছেন।

    এই জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসানও বরিশালের রাজনীতিতে অপরিচিত মুখ। তাছাড়া সিনিয়র সভ-সভাপতি তারেক আল ইমরান ও যুগ্ম সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম ইমরানকেও বিগত সময়ে মাঠে থাকতে দেখা যায়নি। তবে এই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে ছিলেন। এমনকি সেই রাজপথে সাহসী পদক্ষেপ রাখতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার কারাবরণও করেছেন। যে কারণে তার পদটি নিয়ে কোন বিতর্ক না থাকলেও সোহেল রাঢ়ী তুষ্ট নন।

    কারণ তিনি চেয়েছিলেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে। ফলে এই কমিটিকে বৈধতা দিতে তিনি অসমর্থ বলে জানিয়েছেন। এই নেতার মতে জেলা পুরো কমিটিটি পকেট কমিটি হিসেবে আখ্যায়িত করতে হচ্ছে। অপরদিকে মহানগর কমিটির সভাপতি পদে রেজাউল ইসলাম রনি নামে যাকে রাখা হয়েছে তাকে নিয়েও রয়েছে ঢের বিতর্ক। বরিশার শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি এই রনি সাবেক ছাত্রনেতা রাফসান আহম্মেদ জিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। তাছাড়া সাধারণ সম্পাদক মহানগরের এই কমিটিতে হুমায়ুন কবির নামে যাকে মনোনীত করা হয়েছে তিনি বরিশাল শহরের সন্তান নন। এমনকি তার বাসাবাড়িও সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নে। ফলে তাকে নিয়েও বিতর্কের কমতি নেই। পদবঞ্চিত কেউ কেউ দাবি করছেন কবির বরিশাল শহরের ভোটারও নন। তবে দলীয় কর্মসূচিতে তার অবস্থান থকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে- যোগ্যতা বিবেচনায় তাকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। এই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি তারিকুর ইসলাম তারিক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক তছলিম বিগত সময়ে মাঠে থাকায় তাদের নিয়ে আলোচনা সমালোচনা কম রয়েছে। তবে কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মাহামুদুল হাসান তানজিলকে অনেকেই মাদক বিক্রেতা হিসেবে মিডিয়ার কাছে তুরে ধরছে। তবে খোঁজখবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে- মহানগরের এই কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আরিফুর রহমান মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আনিছুর রহমান জনি অধিষ্টিত হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বয়স বিবেচনায় তাদেরকে রাখা হয়নি বলে শোনা যাচ্ছে।

    একইভাবে জেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে সাইফুল ইসলাম সুজন এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রাঢ়ী আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সুজনকে কমিটিতে না রাখা হলেও সোহেল রাঢ়ীকে এই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়ছে। বিশেষ করে ত্যাগি নেতা সুজন বদবঞ্চিত ও সোহেল রাঢ়ীকে অবমূল্যায়ন করার বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি কর্মী সমর্থকরাও। কমিটি ঘোষণায় ক্ষুব্ধ সুজন ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।

    একইভাবে সোহেল রাঢ়ীও এই কমিটি মেনে নিতে নারাজ থাকার বিষয়টি অবহিত করে বলছেন- নেতা সরোয়ার স্বৈরাচ্চারি এরশাদের রুপ ধারন করেছেন। ফলে এখানকার নেতাকর্মীরা খুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমে পতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিএনপির কার্যালয়টি গভীররাতে তালাবদ্ধ করে দিয়েছে।

    এমতাবস্থায় পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা ঘোষিত কমিটি বাতিলের আহবান জানিয়েছেন। তবে পদধারী নেতারা বলছেন কেন্দ্রীয় নেতারা সকল কিছু বিবেচনা করেই কমিটি ঘোষণা দিয়েছে। এই কমিটির বিরোধিতা না করে বরং তদের সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।’

  • বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত ৫ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক “গুড়াগুড়া”

    বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত ৫ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক “গুড়াগুড়া”

    বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত ঈদুল আজহার ৫ পর্বের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক “গুড়াগুড়া” ঈদের দিন বুধবার থেকে ঈদের পঞ্চম দিন রবিবার পর্যন্ত নতুন চ্যানেল বাংলা টিভিতে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে প্রচারিত হবে।

    স্বনামধণ্য নির্মাতা ও নাট্যকার অনিমেষ আইচের রচনা এবং বরিশালের সন্তান নিয়াজ মাহবুবের পরিচালনা ও চিত্রায়নে বরিশাল নগরীর জেনারেল হাসপাতাল, শেবাচিম হাসপাতাল, বিবির পুকুর পাড়, সদর রোড, কাউনিয়া মনষা বাড়ি গলিসহ বিভিন্ন লোকেশনে নির্মিত “গুড়াগুড়া” নাটকটিতে খ্যাতিমান অভিনেতা আজাদ আবুল কালাম, বিজরী বরকাতুল্লাহ, এলেইন শুভ্র, মিঠু, সামিয়া সাইদ, জেসন পলাশ বিশ্বাস, বেলায়েত বাবলু, কাজী মিরাজ মাহমুদ, মাহাবুব মোর্শেদ শামিম, আজিজ শাহীন, অনিকেত মাসুদ, টিটু দাস, পাভেল, জিতু, জিসান, সোহাগ, শুভ, বাবু, সাহরিয়া, সুচি, কলি,সজল মাহমুদ,লিটু দত্ত,বাবু,আরিফ, উজ্জল, রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ, আরিফসহ বরিশালের সম্ভাবনাময় নাট্য কর্মীরা অভিনয় করেছেন। স্বনামধণ্য নির্মাতা ও নাট্যকার অনিমেষ আইচ গুড়াগুড়া নাটকটি চ্যানেল বাংলা টিভির জন্য লিখেছেন। যতোটা সম্ভব বরিশালের আঞ্চলিক ভাষাকে প্রাধান্য দিয়ে নাটকের সংলাপ তৈরী করা হয়েছে। নাটকটিতে দেখানো হয়েছে সকলের সম্বলিত প্রচেষ্ঠা আর ইচ্ছা থাকলে নিজেদের নগরীকে সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব। পরিচালক নিয়াজ মাহবুব প্রতিষ্ঠিত অভিনয় শিল্পীদের পাশাপাশি বরিশালের একদল নবীশ নাট্যকর্মী নিয়ে নাটকটি তৈরী করেছেন। নিজের পরিচালনা ও চিত্রায়নে তৈরী নাটক গুড়াগুড়া নিয়ে বেশ আশাবাদী নিয়াজ মাহবুব বলেন, নাটকটি এবারের ঈদে বাড়তি আনন্দ যোগ করবে। নাটকটিতে সহকারী পরিচালক ছিলেন তাহমিদ রহমান সিড, ইয়ামিন নাইম ও ইমতিয়াজ অমিত। নাটকটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মেঘডুবি’র ব্যানারে নির্মিত হয়েছে।

  • কলোনী এলাকার মানুষের সাথে দেখা করছেন লিপি আব্দুল্লাহ

    কলোনী এলাকার মানুষের সাথে দেখা করছেন লিপি আব্দুল্লাহ

    শেখ সুমন :

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত নগরপিতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সহধর্মিনী সেরনিয়াবাত লিপি আব্দুল্লাহ নগরীর কলোনী গুলিতে ঘুরে ঘুরে অসহায় , নিপিরীত, বঞ্চিত মানুষের সাথে দেখা করেছেন।

    নগরীর হিরন নগর কলোনী, রসুলপুর সহ বিভিন্ন কলোনীতে মানুষের ঘরে ,ঘরে গিয়ে তাদের সুখ দু:খের খোজ খবর নেন মেয়র পত্নী।

    মেয়র পত্নীর এই কাজের প্রশংসা করেছেন বরিশালের সর্বস্থরের জনগন। তারা বলছেন , এই হচ্ছে সেরনিয়াবাত পরিবার। যে পরিবারের জন মানুষের প্রান প্রিয় নেতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত আমৃত্যু কাজ করেছেন সাধারন মানুষদের জন্য। ছোট শিশু প্রান দিয়েছেন  ঘাতকদের হাতে দেশের জন্য।  এই পরিবারের সন্তান , আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ হলেন দক্ষিণ বঙ্গের সিংহ পুরুষ। পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার । আর  একই পরিবারের সন্তান সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ হয়েছেন নগর পিতা ।

    তিনি অঙ্গীকার করেছেন , আমৃত্যু মানুষের সেবা করবেন । আর মেয়র পত্নীও এখন মানুষের সেবা করার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন ।

    এটাই প্রমান করে যে , বরিশাল নগরী হবে ভালবাসা ও উন্নয়নের রোল মডেল।

  • খুুনিদের সাথে সংলাপের প্রশ্নই আসে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

    খুুনিদের সাথে সংলাপের প্রশ্নই আসে না : বাণিজ্যমন্ত্রী

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে একাধিকবার সংলাপের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু তা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন তারা আবার সংলাপ চায়। মন্ত্রী বলেন- খুনিদের সাথে সংলাপের কোন প্রশ্নই আসে না।

    ভোলা সরকারী কলেজের ৪টি একাডেমিক ভবন উদ্বোধন শেষে জাতীয় শোক দিবসের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে সংবিধান অনুুসারে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি না এসে যে ভুল করেছে। আবার যদি সে ভুল করে তাহলে সেটি হবে রাজনৈতিক আত্মহত্যার সামিল হবে এবং অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

    মন্ত্রী বলেন- পাকিস্থানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, করেছে খুনি মোস্তাক-জিয়া। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যদি না জন্মাতেন তবে এই দেশ স্বাধীন হতো না। তিনি জীবনের ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাবরণ করেছেন। পাকিস্থানীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারেনি, কিন্তু করেছে খুনি মোস্তাক-জিয়া।

    ভোলা সরকারি কলেজে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভীন আক্তার সভায় সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান তাদেরকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাকরি দিয়েছে। জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া খুনিদের জাতীয় সংসদের সদস্য করেছে। আর স্বাধীনতা বিরোধী নিজামী, মুজাহিদদের গাড়িতে তুলে দিয়েছে পতাকা।

    তোফায়েল আরও বলেন- কিছুদিন আগে নিস্পাপ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের জন্য আন্দোলন করেছিলো। আমি ব্যক্তিগতভাবেও তাদের সমর্থন করেছি। সেই ছাত্র আন্দোলনকেও বিএনপি দলীয়করণ করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি নিজেরা এখন আন্দোলন করতে পারে না।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন- ২০০১ সালের পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ’র সকল নেতা-কর্মীর ওপর ভয়াবহ অত্যাচার করেছে বিএনপি। তখন তারা বলত একটা আওয়ামী লীগ পিটাবা ২ টন গম পাবা। মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষণ করেছে তারা। এমনকি গরুর দড়ির খুটা দিয়ে লালমোহনে মানুষের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী তরুণ ছাত্রসমাজের উদ্দেশে বলেন- তোমাদের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিএনপি যদি আবার সুযোগ পায়, তবে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ লোককে হত্যা করবে। তাই স্বাধীনতার চেতনা, মূল্যবোধ বুকে ধারন করে আগামী নির্বাচনের জন্য কাজ করতে আহবান জানান।

    এর আগে মন্ত্রী কলেজ চত্তরে একটি বিজ্ঞান ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, প্রশাসনিক ও হোষ্টেল ভবনের উদ্বোধন করেন। পরে ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে কলেজের একটি হোষ্টেল ও অডিটোরিয়াম নির্মাণের ঘোষণা দেন।

    এই সভায় বক্তব্য রাখেন- মন্ত্রীপত্নী মিসেস আনাওয়ারা আহমেদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপিত ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মোশারেফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. ইউনুছ মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব ও সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব।

    পরে মন্ত্রী সদর উপজেলা পরিষদ চত্তরে মাধ্যমিক ও দাখিল পর্যায়ের ২৬৭ জন মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তি প্রদান করেন।’

  • ছাত্রদলের কমিটি চায় বরিশালের ত্যাগী নেতারা

    ছাত্রদলের কমিটি চায় বরিশালের ত্যাগী নেতারা

    কোনোভাবেই ‘আদু ভাইদের’ রাহুমুক্ত হচ্ছে না বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদল। তিন মাসের আহ্বায়ক কমিটি ৮ বছরেও পারেনি পূর্ণাঙ্গ করতে। তবুও ওই ব্যার্থ কমিটির অনেক নেতা পরবর্তী কমিটিতেও স্থান পেতে চাচ্ছেন।

    যদিও ইতিমধ্যে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদধারীরা দলের অন্য সংগঠনের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। এরপরও ওই ব্যার্থ নেতারা ছাড়ছেন না ছাত্র সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ। ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের আভাস পেয়ে ওই নেতারা তাদের অনুসারি নব্যদের পদ পাইয়ে দিতে তোরজোর শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতাদের মাঝে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ।

    ছাত্রদলে পদ প্রত্যাশী একাধিক মাঠ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটির আহ্বায়ক মাসুদ হাসান মামুন বর্তমানে মহানগর যুবদলের সভাপতি। যুগ্ম আহ্বায়ক এইচ.এম তসলিম উদ্দিন বর্তমানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান মঞ্জু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সস্পাদক হয়েছেন। এই তিন নেতা ছাত্রদলে থাকাকালে ব্যাপক দাপটের সাথে সংগঠনকে নিয়ন্ত্রন করেছেন। তাদের কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে বহু বিতর্ক। বয়স পার হওয়ায় ছাত্রদলের কমিটিতে পদ থাকা অবস্থাতেই তারা যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলে পদ পেলেও ছাত্রদলে তাদের আধিপত্য ধরে রাখতে সম্ভাব্য কমিটি নিয়ে কূটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

    দলীয় সূত্র জানায়, এরা সকলেই বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর সভাপতি অ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে বিভিন্ন সময় তারা সরোয়ারের নির্দেশনার বাইরে গিয়ে এবং পদের অপব্যবহার করে নান বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে বিভিন্ন উপজেলার কমিটি গঠনকে ঘিরে বাণিজ্যে মেতে ওঠে মাসুদ হাসান মামুন। গুরুত্বপূর্ণ পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে দলীয় নেতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে দেবো-দিচ্ছি করে আর কমিটিই করে দেয়নি। ওই সব নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিকাশের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার কারণে এক সময় তার নাম হয়ে ওঠে ‘বিকাশ মামুন’। টাকা দেওয়া পদ প্রত্যাশী নেতাদের তোপ থেকে রক্ষায় মামুন তার অনুসারী নেতাদের জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দিতে লবিং চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

    তার অনুসারীরা পদ পেলে যাদের কাছ থেকে মামুন টাকা নিয়েছে সেই উপজেলার নেতাদের আগামির কমিটিতে পদ দিতে পারবে বলে মনে করছে সে। অভিযোগ আছে, মামুন যাদের পক্ষে দৌড়ঝাপ করছে তারা কেউই গুরুত্বপূর্ণ পদের যোগ্য নয়। এরা মামুনের ডাকে মাঝে-মধ্যে দলীয় কর্মসূচিতে আসে, আবার আসেও না।

    জেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুবদল সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম তসলিম উদ্দিনকে নিয়ে রয়েছে ভিন্ন বিতর্ক। তার পরিবারের মধ্যে আছে বহুমুখী রাজনীতিক। সে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও তারই বড় ভাই জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন এবার। আরেক ভাই আছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে এবং অপরজন জামায়াত ইসলামীতে। অভিযোগ আছে, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল থেকে সুবিধা নিতেই এই কৌশলী পন্থায় তসলিমের পরিবার। সেও কিছু যুবককে ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
    মহানগর ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মঞ্জু বহু আগেই ছাত্র জীবন শেষ করলেও এবারের ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি পদ চাচ্ছিলেন। বয়সের কারণে তালিকাচ্যুত হয়েও ছাত্রদলে প্রভাব ধরে রাখতে মরিয়া সে। ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বিএনপির রাজনীতি থেকে বিদায়ের কথা জানালেও দল বা সংগঠনের কাছ থেকে অব্যাহতি নেয়নি। এরপর থেকে দলীয় কর্মসূচি এড়িয়ে চললেও স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়ে পুনরায় দলে কর্মকান্ডে দেখা যায় তাকে। চতুর মঞ্জু ছাত্রদলে গুরুত্বপূর্ণ পদে কখনই আসীন হতে না পারলেও সব সময়ই একটি নিজস্ব বলয় নিয়ে চলতেন। যে কারণে তার গ্রুপের দ্বারা বিভিন্ন সময় সিনিয়র নেতারাও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। এরা সকলেই ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে দলের ভিন্ন সংগঠনের পদে অবস্থান করলেও নানান কারণে ছাত্রদলের কমিটিকে হাতের মুঠোয় রাখতে নিজেদের অযোগ্য অনুসারীদের পদ পাইয়ে দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তাদের এ চেষ্টার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পদ প্রত্যাশী ত্যাগী নেতারা ক্ষুব্ধ এবং শংকিত আগামির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটি নিয়ে।

    তারা ‘আদু ভাই’র রাহুমুক্ত মুক্ত ছাত্রদল কমিটি দিতে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান।

  • বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আ.লীগ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার পথ রুদ্ধ করতে চায়’

    বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আ.লীগ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার পথ রুদ্ধ করতে চায়’

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এক-এগারোর আওয়ামী লীগের আরেকটি চক্রান্ত। সেই চক্রান্তটি হচ্ছে- বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার যে পথ, সেই পথকে তারা রুদ্ধ করতে চায়।

    রবিবার দুপুরে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    বিএনপি এক-এগারো নিয়ে চক্রান্ত করছে- ক্ষমতাসীনদের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি এক-এগারো করার প্রয়োজনটা কী? এর সঙ্গে বিএনপির তো কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না।

    তিনি বলেন, বিএনপি তো এখন ড্রাইভিং সিটে নেই। ড্রাইভিং সিটে আছে তারা (আওয়ামী লীগ)। আর এক-এগারো করার অভিজ্ঞতা তাদের। এক-এগারোর সুবিধাভোগী তারা। অযথা বিএনপিকে এর মধ্যে নিয়ে আসা মানে তাদের কোনো কুমতলব আছে।

    এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিএনপি নেতা নাজিমউদ্দিন আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফিলিস্তিনকে ইসরায়েলের জন্য জ্বলন্ত ভূখণ্ডে পরিণত করুন

    ফিলিস্তিনকে ইসরায়েলের জন্য জ্বলন্ত ভূখণ্ডে পরিণত করুন

    ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ইসরায়েলের অব্যাহত দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জোরদার করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    রামাল্লাহভিত্তিক ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলন বা পিএলও’র কেন্দ্রীয় পরিষদকে তিনি এ আহ্বান জানান।

    মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে জ্বলন্ত অবস্থায় রাখতে হবে। অনেকটা আপোষকামী নেতা হিসেবে পরিচিত মাহমুদ আব্বাসের কড়া ভাষার এই বক্তব্যকে নজিরবিহীন মনে করা হচ্ছে।

    ফিলিস্তিনের হামাস ও জিহাদ আন্দোলন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামের পথ বেছে নিলেও মাহমুদ আব্বাস বহু বছর ধরে কথিত শান্তি আলোচনার পথে হেঁটেছেন। কিন্তু তিনি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’কেও প্রত্যাখ্যান করছেন।

    গতকাল শনিবার কনভেনশনে তিনি বলেছেন, ডোনাল্ড প্রশাসন হচ্ছে ইসরাইলি দখলদারিত্বের অংশীদার; তারা সমস্যার অংশ, সমাধানের অংশ নয়।

    তিনদিনের এ সম্মেলন থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। জাতীয় পরিষদ বলেছে, ফিলিস্তিন বিষয়ে ট্রাম্প যে নীতি নিয়েছেন তা প্রতিরোধ করা হবে।

  • ঘিওরে কোরবানির পশুবাহী ট্রলারডুবি, ২২ গরুর মৃত্যু

    ঘিওরে কোরবানির পশুবাহী ট্রলারডুবি, ২২ গরুর মৃত্যু

    মানিকগঞ্জের ঘিওরে ধলেশ্বরী নদীতে কোরবানির পশুবাহী ট্রলার ডুবে ২২টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ১১টি গরু জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে উপজেলার ঘিওর সরকারি কলেজের পেছনে নদীতে ব্রিজের পিলারের সাথে ট্রলারটি ধাক্কা লেগে ডুবে যায়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি এলাকা থেকে কয়েক জন ব্যাপারী ৩৩টি গরু নিয়ে ঢাকার মিরপুর হাটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঘিওরের এলাকার ধলেশ্বরী নদীতে ব্রিজের পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ট্রলারটি ডুবে যায়।

    ট্রলারের মাঝি দাউদ জানান,  ৩৩টি গরু বোঝাই করে নদী পথে আসছিলাম। ঘিওর ব্রিজের নিজ দিয়ে পার হবার সময় স্রোতের কারণে হঠাৎ কিছু বুঝে উঠার আগেই পিলারের সাথে ধাক্কা লেগে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা বেপারী ও খামারিরা সাঁতরে উঠতে সক্ষম হলেও গরুগুলো নৌকার সাথে রশি দিয়ে শক্ত করে বাঁধা থাকার কারণে ট্রলারের সাথে ডুবে যায়।

    এ ব্যাপারে ঘিওর থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম  জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সাথে উদ্ধার কাজে অংশ নেই। এ সময় ৩৩টি গরুর মধ্য ১১টি গরু জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২২টি গরুর মৃত্যু হয়।

    মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনজন ডুবুরিসহ ১৫ জন সদস্য উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করে। গরুগুলো শক্ত রশি দিয়ে ট্রলারের সাথে বাঁধা থাকার কারণে নৌকার সাথে ডুবে যায়। আমাদের ডুবুরি দল অনেক খোঁজাখুঁজি করে ট্রলারটি শনাক্ত করেছেন। তবে নদীতে প্রবল স্রোত থাকার কারণে আমাদের পক্ষে ট্রলারসহ মৃত গরু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ জন্য আমরা বিআইডব্লিউটিএ’র সহযোগিতা চেয়েছি।

  • ছাত্র আন্দোলন: জামিন পেলেন ১৬ শিক্ষার্থী

    ছাত্র আন্দোলন: জামিন পেলেন ১৬ শিক্ষার্থী

    পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। ছাত্রদের পক্ষ করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিকী এবং সাইফুজ্জামান হিরু এসব শিক্ষার্থীকে জামিন দেন।
    বাড্ডা থানায় দায়ের করা মামলায় জামিন পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন-নুর মোহাম্মদ, জাহিদুল হক, মো. হাসান, রেদওয়ান আহম্মেদ, তরিকুল ইসলাম, এ এইচ এম খালিদ রেজা,  রেজা রিফাত আখলাক, রাশেদুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ।
    ভাটারা থানার মামলায় জামিন পাওয়ারা হলেন মাসাদ মর্তুজা বিন আহাদ, সাখাওয়াত হোসেন নিঝুম, শিহাব শাহরিয়ার, আজিজুল করিম অন্তর, মেহেদী হাসান, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান।
    গত ৯ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড শেষে এসব শিক্ষার্থীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলের ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার।
    বাড্ডা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া ও ভাটারা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদ দুই দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত তখন তাদের কারাগারে পাঠান।
    এসব শিক্ষার্থী বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থসাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সেমিস্টারে অধ্যয়নরত। যাদের প্রথম ১৪ জন বাড্ডা থানার মামলায় এবং শেষের ৮ জন ভাটারা থানার মামলার আসামি। এর আগে গত ৭ আগস্ট ২২ আসামির দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।