Author: banglarmukh official

  • হিজলায় স্কুলছাত্রীকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে যুবক আটক

    হিজলায় স্কুলছাত্রীকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে যুবক আটক

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল:

    বরিশালের হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের ইন্দুরিয়া গ্রামে এক স্কুুল ছাত্রীকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্থানীয় বখাটে মো. সোলায়মান (২৫) গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ওই ছাত্রীর মুখমন্ডলে এসিড নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ তার পরিবারের। এ ঘটনার পর পরই বখাটে সোলায়মানকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।

    তবে স্থানীয় আরেকটি সূত্রের দাবি, এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ সত্য নয়। পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ওই ছাত্রীর মুখমন্ডলে অন্য কোন তরল পদার্থ মেখে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    ঘটনার শিকার ছাত্রীর নাম মুক্তা (১৬)। সে ইন্দুরিয়া গ্রামের আলী আহম্মেদ হাওলাদারের মেয়ে ও স্থানীয় মোস্তাফিজুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। মুক্তা হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় আটক হওয়া সোলায়মান একই গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।

    হিজলা থানার ওসি মাকসুদুর রহমান জানান, মুক্তা নামে এক স্কুল ছাত্রীকে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগে তার বাবা আলী আহম্মেদ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মুক্তা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অভিযুক্ত সোলায়মানকে ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আলী আহম্মেদের অভিযোগ পুলিশ তদন্ত করছে।

  • গোরক্ষার নামে মুসলমান হত্যার বিরুদ্ধে কঙ্কনা

    গোরক্ষার নামে মুসলমান হত্যার বিরুদ্ধে কঙ্কনা

    ভারতে গোরক্ষার নামে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকদের হত্যার বিরুদ্ধে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। অভিনেত্রীর ভাষ্য, দেশের জন্য যদি সত্যি কেউ কোনও অবদান রাখতে চান তাহলে সবার আগে পরিবার, বন্ধুবান্ধব; মানে ব্যক্তিগত জীবন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে। এর মাধ্যমেই একাগ্রভাবে ভাবতে হবে, কাজ করতে হবে। তাহলেই দেশের উন্নয়ন হবে।

    গোহত্যার নামে মানুষকে পিটিয়ে মারার বিরোধিতা করায় গুঞ্জন উঠেছে, তবে কী রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন কঙ্গনা? রুপালি জগৎ ছেড়ে রাজনীতিতে অনেকেই এসেছেন। কিন্তু সেই দলে যোগ দিতে চান না এই আলোচিত অভিনেত্রী।

    প্রসঙ্গত, ‘কুইন’ খ্যাত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত নানা সময়ে সাহসী বক্তব্যের জন্যে প্রশংসিত হয়েছেন। আবার বেফাঁস মন্তব্যের কারণে তাকে বিতর্কিত হতে হয়েছে বহুবার।

  • সরকারবিরোধী নেটওয়ার্ক সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের

    সরকারবিরোধী নেটওয়ার্ক সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের

    ডিজিটাল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এরই মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে সাবেক সেনা সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার বেশ কয়েকজনকে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সরকারকে উত্খাত করতে একটি শক্তিশালী ফেসবুক গ্রুপ গড়ে তুলে ষড়যন্ত্রের ছক আঁকছিলেন।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সরকারবিরোধী প্রতিক্রিয়া ও বিদ্বেষপূর্ণ মতামত এবং সিক্রেট চ্যাটিংয়ের তথ্য অনুসন্ধানের সূত্র ধরে আনিসুর রহমান চৌধুরী (৪১) নামের এক ব্যবসায়ীকে গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছিল। আনিসুরের সরকারবিরোধী অপতৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গত ২৩ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলে আনিসুর রহমান জানান, তিনি সামরিক বাহিনীতে একসময় সৈনিক পদে চাকরি করতেন। বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর তিনি ঢাকায় একটি বিদেশি দূতাবাসে যাতায়াত শুরু করেন। একপর্যায়ে ফেসবুকের সূত্র ধরে তার সঙ্গে র‌্যাব-৭-এর তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল (চাকরিচ্যুত) হাসিনুর রহমানের পরিচয় হয়। হাসিনুর তাকে সরকারবিরোধী মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশে উৎসাহিত করতেন। তার একেকটি সরকারবিরোধী প্রতিক্রিয়া ব্যাপকভাবে লাইক শেয়ার দিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হতো। এভাবেই তারা একটি সরকারবিরোধী শক্তিশালী ফেসবুক গ্রুপ গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে ধীরে ধীরে তারা সরকার উত্খাতের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের পথে পা বাড়ান। গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে হাজির হয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ষড়যন্ত্রের আদ্যোপান্ত স্বীকার করেন আনিসুর রহমান চৌধুরী। সেখানে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে মোহাম্মদপুরের জনৈক রাজনৈতিক নেতা ইব্রাহিম খলিল ওরফে বাবু মিশুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে বাবু মিশু তার মামা হিসেবে জনৈক ইকবাল চৌধুরীর সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে ওঠে। এই বাবু মিশু প্রায়ই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গভবনসহ বিভিন্ন দূতাবাসে যাতায়াত করেন। তিনিই চৌধুরী আনিস নামে তাকে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। এ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তিনি সরকারবিরোধী বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতেন। একপর্যায়ে বাবু মিশু ও ইকবাল চৌধুরী ডা. সেলিম নামের আরেক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় করিয়ে দেন। ডা. সেলিম আগে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও এখন নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা বলে পরিচয় দেন। এদিকে গাড়ি ব্যবসার সূত্রে আনিসুর রহমান চট্টগ্রামে যাতায়াত করতেন। তখন তার সঙ্গে র‌্যাব-৭-এর তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসিনের সখ্য গড়ে ওঠে। হাসিন তার ফেসবুক ফ্রেন্ড ছিলেন। ফেসবুকে সরকারবিরোধী কোনো মন্তব্য করতে হাসিন তাকে উৎসাহিত করতেন। এভাবে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শের মিল থেকে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে যায়। আনিসুর রহমানের জবানবন্দিতে আরও বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন ক্যাপ্টেন (অব.) মারুফ রাজু (নেভি), ক্যাপ্টেন (অব.) গনিউল আজম (নেভি), মেজর (অব.) ফেরদৌস, স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) ওয়াহিদুন নবী, ক্যাপ্টেন (অব.) আইয়ুব হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) ফেসদৌস আজিজ ও লে. কর্নেল (অব.) তৌহিদ। এর মধ্যে ক্যাপ্টেন গনিউল আজম ও লে. কর্নেল তৌহিদ খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দল সিএসএফের সদস্য। ক্যাপ্টেন মারুফও একসময় সিএসএফে ছিলেন। এদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে তোলেন বিডি পলিটিকো নামের একটি রাজনৈতিক ওয়েবসাইটের পরিচালক কামরুল ইসলাম। চলতি বছরের এপ্রিলে ইকবাল চৌধুরীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারকে উচ্ছেদের জন্য সামরিক, বেসামরিক ও অবসরপ্রাপ্তদের নিয়ে ৭০ জনের একটি টিম গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে আনিসুর রহমান চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে তিনি সৈনিক পদে চাকরি করতেন। কিডনি জটিলতার কারণে ২০০১ সালের এপ্রিলে তিনি মেডিকেল বোর্ড কর্তৃক আউট হওয়ার পর চাকরি ছেড়ে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির ব্যবসা শুরু করেন। এর মধ্যে মারুফ রাজু ওরফে রানা বিএনপির পক্ষে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকের নামে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে আলোচনায় আসেন। সর্বশেষ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক নিশা দেশাই ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারির ছবিসংবলিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছিলেন; যা পরে ভুয়া প্রমাণিত হয়। এ ঘটনার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া গত ৭ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন ইকবাল চৌধুরীও। র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক (সিও) হিসেবে কর্মরত থাকার সময় লে. কর্নেল হাসিনুরের বিরুদ্ধে জঙ্গিসম্পৃক্ততার অভিযোগ আসে। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত শুরু করে র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখা। তদন্তে প্রমাণিত হয়, হাসিনুরের সঙ্গে হিযবুতের প্রধান সংগঠক মহিউদ্দীনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তদন্তে উঠে আসে র‌্যাব-৭-এর কার্যালয়ে বসে তিনি হিযবুত নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। হিযবুত নেতা মহিউদ্দীন গ্রেফতার হওয়ার পর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হাসিনুরের নাম বলেন। মহিউদ্দীন আরও জানান, হিযবুতের নারী শাখার প্রধান ফারিয়া আফসানা ওরফে মুনমুন হাসিনুরের শ্যালিকা। র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার তদন্তে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসার পর কর্নেল হাসিনুরকে সেনাবাহিনীতে ফেরত পাঠানো হলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। একপর্যায়ে গ্রেফতার হয়ে তিনি জেলে যান। পাঁচ বছর কারাভোগ করে ২০১৪ সালে জামিনে ছাড়া পান। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে তিনি প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছিলেন। যে কারণে তিনি বর্তমান সরকার উত্খাতের ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়েন। হাসিনুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত বুধবার রাতে তাকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। এ অভিযোগের সুরাহা এখনো হয়নি। কোনো সংস্থার তরফ থেকে তাকে গ্রেফতারের তথ্যও জানানো হয়নি।

  • নাজনীন না নার্গিস

    নাজনীন না নার্গিস

    সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে থেকে ৩টি করে সাধারণ ওয়ার্ড যুক্ত করে গঠন করা হয়েছে নারীদের জন্য সংরক্ষিত একেকটি অাসন। সেই হিসেবে নগরীতে নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদ রয়েছে ৯টি। গত ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৮টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিজয়ীদের নাম বেসরকারিভাবে ইতোমধ্যে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কিন্তু সাধারণ ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুইজন প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পান। নাজনীন অাক্তার কণা ও নার্গিস সুলতানা রুমি দু’জনেই পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫৫টি ভোট। তাই সেখানে পুনঃনির্বাচনের প্রয়োজন দেখা দেয়। ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ জন নারী অংশ নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নাজনীন ও নার্গিস পান সমানসংখ্যক সর্বোচ্চ ভোট। তাদের প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ১৫৫।

    আজ শনিবার সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদে পুনঃনির্বাচন। এখন দেখার বিষয় অাজ ওয়ার্ডের ভোটাররা কাকে পছন্দ করেন। ‘সেভেনে’ কে হচ্ছেন ‘লাকি’?

    জানা গেছে, দু’জনেই এলাকাতে সমান জনপ্রিয় ও অাওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। নার্গিস সুলতানা রুমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। নাজনীন অাক্তার কণা এর অাগেও দ্বিতীয় সিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন। পরেরবার তিনি শামীমা স্বাধীনের কাছে হেরে যান। অার এবার শামীমা স্বাধীন ৩০ জুলাই নির্বাচনের দিন হেরে যান।

    চশমা প্রতীকে নার্গিস সুলতানা ও জিপগাড়ি প্রতীকে নাজনীন অাক্তার কণার নাম থাকবে ব্যালটে। ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড মিলিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৩ জন। ১৪টি কেন্দ্রে ভোটকক্ষ রয়েছে ৯৭টি।

    সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. অালীমুজ্জামান জানিয়েছেন, সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৬২৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ১০০ জন ও নারী ৫ হাজার ৫২৬ জন।
    এই ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলো হচ্ছে হাজী শাহমীর (রহ.) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের ভবন পুরুষদের জন্য; নারীদের জন্য পশ্চিম পার্শ্বের ভবন। বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পুরুষদের জন্য; নারীদের জন্য দর্জিপাড়া সার্ক ইন্টারন্যাশনাল কলেজের কেন্দ্র।

    ২০ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১০ হাজার ৫৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৪২৯ জন ও নারী ভোটার ৫ হাজার ১৩৫ জন। এই ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রসমূহ হচ্ছে টিলাগড় এমসি কলেজে পুরুষ ও নারীর জন্য পৃথক পৃথক কেন্দ্র। দেবপাড়া নবীনচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর দিকের ভবনে পুরুষদের জন্য ও দক্ষিণ পার্শ্বে নারীদের জন্য। সৈয়দ হাতিম অালী উচ্চ বিদ্যালয় নারী ও পুরুষ ভোটকেন্দ্র।

    ২১ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯৩৩ জন। পুরুষ ৬ হাজার ৩৪ জন ও নারী ৫ হাজার ৮৯৯ জন। ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রগুলো হচ্ছে সৈয়দ হাতিম অালী উচ্চ বিদ্যালয় নারী ও পুরুষ ভোটকেন্দ্র, কালাশীল চান্দুশাহ জামেয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসায় পুরুষ ও নারীদের জন্য। সোনারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিবগঞ্জ স্কলার্সহোম প্রিপারেটরি স্কুলে পুরুষ ও নারী ভোটকেন্দ্র।

  • ‘টেনশন ফ্রি’ কামরান,’সিরিয়াস’ আরিফুল

    ‘টেনশন ফ্রি’ কামরান,’সিরিয়াস’ আরিফুল

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের হিসেব নিকেশে এগিয়ে আছেন আরিফুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে জয়ের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। তবুও স্থগিত দুই কেন্দ্র নিয়ে ভিন্ন চিন্তাভাবনায় এই দুই প্রার্থী। আজ শনিবার পুনঃভোটে আরিফ এগিয়ে থেকেও ‘সিরিয়াস’ থাকছেন, আর হারানোর কিছু নেই জেনে অনেকটা ‘টেনশন ফ্রি’ মুডে আছেন কামরান।

    শনিবার বিকেল ৪টার পরেই সিলেট সিটি নির্বাচনের সকল হিসেব-নিকেশের চূড়ান্ততা পেতে যাচ্ছে। সেইক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা নির্ভার থাকলেও, চাপা চিন্তা বিরাজ করছে বিএনপির নেতাকর্মীর মাঝে।

    জয়ের হিসাবটা চূড়ান্ত করতে এখন পর্যন্ত বেশ গভীর মনোযোগী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। ইতোমধ্যে তিনি স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ভোটারদের মৃত ও প্রবাসী ভোটারদের সংখ্যা জানান দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সিলেটের রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘুরে এসেছেন।

    অন্যদিকে জয়ের আশা ছেড়ে আবারো দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হচ্ছেন কামরান। সম্প্রতি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেটে জাতীয় শোক দিবস কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    জয়ের আশা নেই জেনেও পুনঃভোটে অংশ নেয়ার ব্যাপারে কামরান এই প্রতিবেদককে জানান, ‘গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতেই পুনঃভোটে অংশ নিচ্ছি। ভোটের দিন দুই কেন্দ্রের ভোটারদের কাছেই আমি যাব।’

    অন্যদিকে ভোটকেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন আরিফ। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকেই আমি মাঠে থাকব, দুই কেন্দ্র মনিটরিং করব’।

    উল্লেখ্য যে, গত ৩০ জুলাইয় ২৪ ও ২৭ নং ওয়ার্ডের দু’টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

    ৩০ জুলাই ১৩২টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফ পেয়েছিলেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নৌকা প্রতীকে কামরান পেয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। দু’জনের ভোটের ব্যবধান ৪ হাজার ৬২৬।

    স্থগিতকৃত দুই ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭। এর মধ্যে মারা গেছেন ও প্রবাসে রয়েছেন ২৯৮ জন ভোটার। চাকুরির কারণে আরও ৩ জন বদলি হয়েছেন অন্যত্র।

  • গোপন ক্যাম্পে ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দী রেখেছে চীন : জাতিসংঘ

    গোপন ক্যাম্পে ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে বন্দী রেখেছে চীন : জাতিসংঘ

    চীনে ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে একটি গোপন ক্যাম্পে (চরমপন্থাবিরোধী কেন্দ্রে) আটক করে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছে জাতিসংঘ। চীন নিয়ে জাতিসংঘের দুই দিনব্যাপী এক বৈঠকে এই দাবি করেছেন জাতিসংঘের জাতিগত বৈষম্য নির্মূল কমিটির একজন সদস্য গে মকডোগাল। খবর বিবিসির।

    তিনি বলেছেন, বেইজিং ‘স্বায়ত্তশাসিত ‍উইঘুর অঞ্চলকে একটি বড় বন্দি শিবিরে পরিণত’ করেছে এমন খবরে তিনি উদ্বিগ্ন। এদিকে জাতিসংঘের এমন অভিযোগের পর চীনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    ৫০ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছে, তারা সোমবার জেনেভায় অধিবেশন চলাকালে এ বিষয়টি তুলে ধরবে। এর আগে অবশ্য বেইজিং এ ধরনের কোনও শিবিরের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছিল।

    জাতিগত সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানরা সাধারণত চীনের জিনজিয়াং প্রদেশেই বসবাস করেন। সেখানকার জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ ভাগই উইঘুর মুসলিম। তিব্বতের মতো জিনজিয়াং প্রদেশও আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের ভেতর অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।

    এদিকে ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস জানিয়েছে, বন্দিদের কোনও ধরনের অভিযোগ ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখা হয় এবং তাদের কমিউনিস্ট পার্টির স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয়। তারা আরো জানিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব বন্দিদের ঠিকমতো খাবার খেতে দেয়া হয় না এবং তাদের ওপর নির্যাতনও চালানো হয়।

  • শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে চমস্কি-অরুন্ধতীর বিবৃতি

    শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে চমস্কি-অরুন্ধতীর বিবৃতি

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কঠোরভাবে দমন ও প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমকে ‘বেআইনিভাবে গ্রেফতারের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একদল বুদ্ধিজীবী। এই তালিকায় রয়েছেন একাধারে আমেরিকান দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, রাজনীতি ও গণমাধ্যম বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি, ভারতীয় লেখিকা ও রাজনৈতিক সক্রিয়তাবাদী অরুন্ধতী রায়, কানাডিয়ান লেখক নাওমি ক্লেইন, একাধারে আমেরিকান নাট্যকার, অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক ইভ এন্সলার এবং ভারতীয় বুদ্ধিজীবী বিজয় প্রসাদ উল্লেখযোগ্য।

    এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, তথ্য উপস্থাপন ও সমালোচনা মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনো রাষ্ট্র যদি তার নাগরিককে যা ঘটছে তা বলতে না দেয় এবং এজন্য কঠোর অবস্থান নেয়, তাহলে তা মানুষের মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘনের শামিল। এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শহিদুল আলমকে জেলহাজতে নির্যাতন করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শহিদুল আলম বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে শিল্পকলা পদক পেয়েছেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। শহিদুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে সব ধরনের অভিযোগ বাদ দিতে হবে। একইসঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যস্থতা করতে হবে।

  • উত্তাপ ছড়িয়ে বিতর্কিত সাগরেই বিমানবন্দর নির্মান করছে চীন

    উত্তাপ ছড়িয়ে বিতর্কিত সাগরেই বিমানবন্দর নির্মান করছে চীন

    আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর। বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে ওই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে চীন। তারই জের ধরে এবার সামনে এলো চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। বিতর্কিত সেই এলাকায় বিমানবন্দর নির্মাণ করছে বেইজিং। এমনটাই দাবি করছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    এ ব্যাপারে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বিমান শুক্রবার দক্ষিণ চীন সাগরের ওই এলাকার প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ওই বিমানে সিএনএন’র সাংবাদিকও ছিলেন। তারা দেখেছেন, পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে কৃত্রিম দ্বীপে। বড় রানওয়ের পাশাপাশি রাডার, পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সামরিক বিমানের সহজ ওঠানামার জন্য সকল ব্যবস্থাই রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে, বিমানটি উড়ে যাওয়ার সময় চীনা সামরিক বাহিনী অন্তত ছয়বার সতর্ক করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় মার্কিন বিমানকে সতর্ক করে বলা হয়, ‘কোনো ভুল বোঝাবুঝির আগেই এলাকা ত্যাগ কর।’

    এ ব্যাপারে মার্কিন বিমানটির নেতৃত্বে থাকা লেফটেন্যান্ট লরেন কালেন বলেন, সাগরের মাঝখানে বিমানবন্দর দেখে অবাক হয়েছি।

    অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে উল্লেখ করে চীন বলেছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো খুবই জরুরি।

    সূত্র: সিএনএন

  • দেশি গরুতেই মজেছে কোরবানির হাট

    দেশি গরুতেই মজেছে কোরবানির হাট

    দুয়ারে আসছে ঈদুল আজহা। হাতে আর মাত্র ১০/১২ দিন। তাই ছুটির দিনে প্রথমবারের মত ভিড় বেড়েছে রাজশাহীর পশু হাটে। শুক্রবার সকাল থেকেই ক্রেতাদের পদচারণায় গমগম করছে রাজশাহীর সিটি পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দর কষাকষিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃৎ এ হাট।

    আগামী ২২ আগস্ট ঈদ ধরে সিটি হাটে পশুর আমদানি বেড়েছে। শুক্রবার (১০ আগস্ট) সকাল থেকে কোরবানির জন্য গরু-ছাগল কিনতে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা ভিড় জমাচ্ছেন। এদিন অন্যান্য পশু সরবরাহও বেড়েছে। হাটে ভারতীয় গরুর চেয়ে দেশি গরু কম হলেও চাহিদা ও দাম দুটোই বেশ চড়া।

    বিক্রেতারা বলছেন, গত তিন বছর থেকে রাজশাহীর সিটি হাটসহ বিভিন্ন পশুর হাটে ভারতীয় গরু কম আসছে। ক্রেতাদের কাছে দেশি গরুর চাহিদা বেড়েছে। শুধু তাই না, কয়েক বছর ধরে খামারিরা লাভবান হচ্ছেন। অনেকেই বাড়তি লাভের আশায় বাড়িতে ছোট আকারের খামার তৈরি করে ফেলেছেন। কিন্ত হঠাৎ করে গো খাদ্যের দাম বাড়ায় খামারগুলোতে গরু পালনের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তাই দেশি গরুর দাম এবার অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে।

    রাজশাহী সিটি হাট ছাড়াও নাওহাটা হাট, বানেশ্বর হাট, কেশরহাট, কাটাখালি হাট, গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট, মহিষাল বাড়ী হাট ও মাচমইল হাটে কোরবানির পশুর দামের তারতম্য একই।

    রাজশাহী সিটি হাটে গিয়ে দেখা গেছে ছোট সাইজের গরুর (৬০ কেজি মাংস) দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। মাঝারি সাইজের গরুর (৮০ কেজি মাংস) দাম ৬০ থেকে ৭০ হাজার ও বড় সাইজের গরুর (১০০-১৪০ কেজি মাংস) দাম ৯০ থেকে ১ লাখের ওপরে হাঁকানো হচ্ছে।

    অপরদিকে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের কোরবানির ছাগলের দাম ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা, ১৫ থেকে ১৮ কেজি ওজনের ছাগলের দাম ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা ও ২০ থেকে ২৫ কেজি মাংসহবে এমন ছাগলের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

    নাটোরের সিংড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামের গরু ব্যবসায়ী সোবাহান আলী জানান, তিনি প্রতি বছর গরু কিনতে রাজশাহী সিটি হাটে আসেন। এখান থেকে পাইকারি দামে গরু কিনে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করেন।

    তিনি বলেন, ভারতীয় গরুর দাম গত বছরের মতই রয়েছে। তবে দেশি গরুর দাম এবার তুলনামূলকভাবে বেড়েছে। এজন্য গোখাদ্যের দাম বাড়ার কথা বলা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মধ্যে পড়বে। তবে ভারতীয় গরু কম আসলে দেশীয় খামারিরা শেষ সময়ে কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পারবেন।

    পবার পারিলা থেকে আসা গরু বিক্রেতা গোলাম মোস্তফা  বলেন, স্বাভাবিক দিনের তুলনায় আজ গরু ও ছাগল আমদানি ও কেনাবেচা বেড়েছে। তবে হাটে দেশি গরুর চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি। কারণ, সারা বছর ধরে একজন খামারিকে গরু লালন-পালন করতে হয়। বাজারে গোখাদ্যের দাম বেড়েই চলেছে।

    এর ওপর কৃষি বিভাগের দেখানো স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণের খরচও রয়েছে। সব মিলিয়ে লালন-পালনের খরচ বাড়ায় গরুর দাম এবার কিছুটা বেড়েছে। তবে খরচ বাদে সামান্য লাভ পেলেই গরু ছেড়ে দিচ্ছেন বলে জানান বিক্রেতা গোলাম মোস্তফা।

    সিটি হাটে আসা মহানগরীর শালবাগান এলাকার ক্রেতা আবদুস সালাম বাংলানিউজকে বলেন, শহরে বাড়িতে আগেভাগে কোরানির গরু কিনে রাখা দায়। তবে কোনো কোনো সময় শেষ দিকে পশু সংকট দেখা দিলে দাম দ্বিগুণ হয়। তাই হাতে ১০/১২ দিন সময় হাতে রেখেই কোরবানির গরু কিনতে এসেছেন। কিন্তু গতবারে তুলনায় দেশি গরুর দাম বেশি।

    তার অভিযোগ গতবছর মাঝারি আকৃতির গরু ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যেই পাওয়া গেছে। কিন্তু এবার সেই গরুর দাম ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা হাঁকছেন বিক্রেতারা। তাই এবার তার মত অনেকেরই কোরবানির খরচ বাড়বে বলেও জানান এই ক্রেতা।

    রাজশাহী সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালু  বলেন, এবারের কোরবানির মৌসুমে প্রথম দিকে হাটে মহিষের আমদানি বেশি ছিল। কিন্তু সময় ঘনিয়ে আসায় এখন গরুর সরবরাহ বাড়েছে। তবে হাটে ভারতীয় গরু থাকলেও ক্রেতাদের মধ্যে দেশি গরুর চাহিদা বেশি। কিন্তু দেশি গরুর সরবরাহ কম থাকায় দাম একটু বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে। সেজন্য আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

    হাটের নিরাপত্তা প্রশ্নে আতিকুর রহমান বলেন, হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা রয়েছে। মাইকের মাধ্যমে সব সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের লেনদেন করতে সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তবে হাটে এখন পর্যন্ত অবৈধভাবে গরু মোটাতাজাকরণ করেছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য কোনো ডাক্তার নেই। আশা করা যাচ্ছে আগামী রোববার থেকে একজন ডাক্তার বসবেন। এছাড়া জালনোট শনাক্ত করার জন্য মেশিন রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে পশুর হাটে ধীরে ধীরে কেনাবেচা জমে উঠেছে বলেও জানান হাট ইজারাদার।

  • এবার বলিউড সিনেমায় হিরো আলম

    এবার বলিউড সিনেমায় হিরো আলম

    সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হঠাৎ করেই আলোচনায় আসা হিরো আলম একটা সাক্ষাৎকারে সানি লিওনের নায়ক হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। তার মিউজিক ভিডিও দেখার মতো এই সংবাদেও মানুষ ব্যাপক বিনোদন পেয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো বগুড়া থেকে ঢাকায় সমান তালে ওয়েভ নাটক ও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন তিনি। ‘মার ছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় হাজির হন।

    এবার সরাসরি ঢালিউড থেকে বলিউডে হাজির আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গুজব না, ঘটনা সত্য। বলিউডের পূর্ণদৈর্ঘ্য একটি চলচ্চিত্রে অন্যতম ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন হিরো আলম।

    বুধবার দুপুরে পরিচালক প্রভাত কুমার ও হিরো আলমের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তিও সম্পন্ন হয়েছে। ছবির নাম ‘বিজু দ্য হিরো’। আগামী ডিসেম্বর থেকে ছবির শুটিং শুরু হবে ভারতের রাঁচি শহরে। ছবিটি পরিচালনা করবেন প্রভাত কুমার।

    ছবির পরিচালক প্রভাত কুমার বলেন, ‘আমরা এমন একটি ছবি করতে যাচ্ছি যেখানে হিরো আলমের মতোই হালকা-পাতলা ধরনের একজন অভিনেতা দরকার। ছবিটিতে তিনি ‘মূক’ চরিত্রে অভিনয় করবেন। পুরো ছবিটার গল্প আবর্তিত হবে তাকে ঘিরে। আমরা হিরো আলমের খোঁজ পাই সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপর ভারতের বেশ কয়েকটি পত্রিকাতেও তার সম্পর্কে প্রতিবেদন দেখি। আমরা যে চরিত্র খুঁজছিলাম মনে হচ্ছিল এটা তিনি করতে পারবেন।’

    হিরো আলম বলেন,‘আমি খুবই আনন্দিত। ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। ঢাকায় এসে বড় অনুষ্ঠান করে সবাইকে জানাব।’ তবে এখনো জানা যায়নি এই ছবিতে হিরো আলমের বিপরীতে কোন নায়িকা থাকছেন। নির্মাতা জানিয়েছেন, ছবিতে একজন বলিউড অভিনেত্রীকেই দেখা যাবে হিরো আলমের বিপরীতে।