Author: banglarmukh official

  • রাজপথে বোনদের জন্য ভাইদের মানবপ্রাচীর

    রাজপথে বোনদের জন্য ভাইদের মানবপ্রাচীর

    গণপরিবহন শূন্য ঢাকার রাজপথে সার বেঁধে হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী কিশোরের দল। দুই পাশে ছেলেরা হাত ধরে রয়েছে, মাঝখানে নিরাপদে নিশ্চিন্তে চলছে স্কুল-কলেজের মেয়েরা। আজ শনিবার রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় এই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।

    গত ৬দিনের মতো আজ শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর রাজপথে নেমেছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। তারা যান চলাচলে বাধা দিচ্ছে না। শুধু কোনো গাড়ি পেলে লাইসেন্স চেক করছে। ঠিকঠাক থাকলে ছেড়ে দিচ্ছে, ঠিকঠাক না থাকলে আটকে রাখছে। এই আন্দোলনের মাঝে রাজধানীর মিরপুর এবং জিগাতলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।

    সংঘর্ষের পরপরই অনলাইনে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, আন্দোলনকারী চারজন স্কুল ছাত্রীকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। যদিও এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। তারপরেও আন্দোলনের সহযোদ্ধা বোনদের নিরাপদে রাখতে রাজপথে মানবপ্রাচীর তৈরি করে ফেলে ছেলেরা। জিজ্ঞেস করলে বলছিল, ‘আমরা ওদের নিরাপদে নিয়ে যাচ্ছি।’

  • গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানচাপায় কলেজছাত্রীর মৃত্যু

    গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানচাপায় কলেজছাত্রীর মৃত্যু

    গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানচাপায় এক কলেজছাত্রী নিহত নিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী চালকের সহকারীকে পিটিয়ে আহত করার পাশাপাশি গাড়িতে আগুন দিয়েছে।

    আজ শনিবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে ঢাকা-ময়মন‌সিংহ মহাসড়কের গাজীপুর বড়বাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতের নাম ফারজানা আক্তার মীম। তিনি গাজীপুর বড়বাড়ি এলাকার ফারুক হোসেনের মেয়ে এবং সরকারি সফিউদ্দিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

    গাজীপুর ট্রাফিকের জ্যেষ্ঠ এএসপি সালেহ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, রাস্তা পার হওয়ার সময় ওই ছাত্রীকে চাপা দেয় কাভার্ড ভ্যানটি। তাকে টঙ্গী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাভার্ড ভ্যানটিতে আগুন দেওয়ার পর তা নেভাতেও বাধা দেয় বলে এএসপি সালেহ উদ্দিন জানান।

  • সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রবিবার থেকে সারাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহ

    সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রবিবার থেকে সারাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহ

    আগামীকাল রবিবার (৫ আগস্ট) থেকে সারাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহ ঘোষণা করেছে পুলিশ। আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সপ্তাহে ফিটনেসবিহীন গাড়ি থেকে শুরু করে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি পর্যন্ত- যে কোনোভাবে আইন লঙ্ঘন হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

    শনিবার (৪ আগস্ট ২০১৮) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এ ঘোষণা দেন। নিরাপদ সড়কসহ ৯ দফা দাবিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনসহ সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ডিএমপি কমিশনার।

    তিনি বলেন, আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে উদ্দেশ্যে আন্দোলনে নেমেছেন তা অত্যন্ত মহৎ। কিন্তু এই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার জন্য, ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি গোষ্ঠী উসকানিমূলক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা চলতে দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীরা এভাবে রাস্তায় থাকার কারণে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে, অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে, এই অবস্থাও চলতে দেওয়া যায় না।

    শিক্ষার্থীরা আইন প্রয়োগে আমাদের নৈতিক ভিত্তি দিয়েছে, আমরা এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে এখন ট্রাফিক রুলের কঠোর প্রয়োগে উদ্যোগ নিয়েছি। এরই অংশ হিসেবে আগামীকাল (রবিবার) থেকে সারাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করবে পুলিশ। এখন আমরা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাই।

    গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের পাল্লাপাল্লিতে চাপায় পড়ে দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সেদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে নিরাপদ সড়কের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে। ‘নিরাপত্তাহীনতা’র অজুহাতে অলিখিত ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছে পরিবহন শ্রমিকরা, এতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।

    শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য মহৎ। সরকারের পক্ষ থেকে এ আন্দোলনের দাবিতে সাড়া দেওয়া হয়েছে। পুলিশও নৈতিকভাবে এতে সমর্থন করে। কিন্তু গোয়েন্দা প্রতিবেদন, সোশ্যাল মিডিয়া পর্যবেক্ষণে প্রাপ্ত রিপোর্টসহ বিভিন্ন তৎপরতা ঘেঁটে আমরা বুঝতে পেরেছি, এই আন্দোলনে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য, রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার জন্য উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী। এতে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এমনকি আমাদের হাতে যে তথ্য রয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় স্কুল ড্রেস তৈরিরও হিড়িক পড়ে গেছে।

    আন্দোলনে পুলিশ ও রাষ্ট্রকে নিয়ে নোংরা ভাষায় প্ল্যাকার্ড তৈরির অভিযোগ তুলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, যে নোংরা ভাষায় পুলিশ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে প্ল্যাকার্ড বানানো হয়েছে, সেটা আমরা বলতে পারছি না। কিন্তু শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কারা পুলিশকে হেয় করতে চাইছে সেটা আমাদের কাছে স্পষ্ট। ২০১২-১৩ সালের পুরনো ছবি এখন শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন বলে চালানো হচ্ছে।

    পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, পুলিশে আমার ৩১ জীবনের চাকরি জীবনে মিরপুর পুলিশ লাইনে বা রাজারবাগ পুলিশ লাইনে হামলা হবে, ধারণাও করতে পারিনি।

    শিক্ষার্থীরা রাস্তায় থাকার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের লাইসেন্স চেকিংয়ের তৎপরতার কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। কর্মস্থলে যাতায়াতে মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। হজযাত্রীদের ফ্লাইট মিস হচ্ছে, অ্যাম্বুলেন্স যেতে পারছে না।

    শিক্ষার্থীরা পুলিশের প্রতিপক্ষ নয় জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, তারা আমাদের পরিপূরক। তাদের আন্দোলনের ফলে ভবিষ্যতে ট্রাফিক আইনকে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের সাহস পেয়েছি আমরা। তাদের দাঁড় করানো নৈতিক ভিত্তির ওপর আমরা সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছি। সারাদেশে ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করবো আমরা। এই সময়ে ফিটনেসবিহীন গাড়ি, লাইসেন্স ছাড়া চালক, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলসহ কোনোভাবে ট্রাফিক আইনের ব্যত্যয় হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। আইন না মানার যে চেষ্টা, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

    ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সমস্যা দীর্ঘদিনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বহুবিধ কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমস্যা রয়েছে, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা চেষ্টা করছি এ আইন বাস্তবায়নের। অনেক সময় পেশাজীবীদের স্টিকার লাগিয়ে আইন লঙ্ঘন করা হয়। আরও একটি সমস্যা আমাদের ভৌত অবকাঠামো না থাকা। বাস টার্মিনাল নেই, যেসব আছে তা ডিপোতে পরিণত হয়েছে।

    ‘আইন না মানার সংস্কৃতি সবচেয়ে বড় সমস্যা। একটি এলাকায় গেলে আমরা খুব ট্রাফিক রুল মানি, কিন্তু সেখান থেকে বেরোলে আর মানি না। সবার কাছে আহ্বান জানাই সব জায়গায় ট্রাফিক রুল মেনে চলার। বিশৃঙ্খলা নয়, শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে এ অবস্থা থেকে উত্তরণ আনতে হবে। আইন মানতে হবে, যারা আইন মানে না, তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আইনের প্রয়োগ করতে হবে।’

    জনগণের উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ সারারাত জেগে থাকে বলে আপনারা নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারেন। সবার কর্মঘণ্টা আছে, পুলিশের কর্মঘণ্টা নেই ১৬-১৭ ঘণ্টাও আমাদের ডিউটি করতে হয়। তাপদাহ, শৈত্য প্রবাহ, ঝড়-বৃষ্টি, সবসময় পুলিশ আন্তরিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শৃঙ্খলা ধরে রাখার জন্য। আমাদের ত্যাগ খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

  • ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা

    ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ অফিসে ছাত্রের পোশাকে হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দলের ১৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    শনিবার বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্বৃত্তরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হেলমেট পরে হামলা চালিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন।
    আওয়ামী লীগ শিক্ষার্থীদের বর্তমান দাবির প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে জিগাতলা ও ধানমন্ডিতে শিক্ষার্থী ও আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দফায় দফায় হামলা করে দুর্বৃত্তরা।

    গত ২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের অদূরে বিমানবন্দর সড়কে (র‍্যাডিসন হোটেলের উল্টোদিকে) বাসচাপায় রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিব নিহত হয়।

    এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণ ও নৌমন্ত্রীর অনৈতিক বক্তব্যের প্রতিবাদসহ ৯ দফা দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে গত সাত দিন ধরে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে আসছে।

  • মেয়েদের হাতে বই দেখলেই জঙ্গীরা ভয় পায়: মালালা

    মেয়েদের হাতে বই দেখলেই জঙ্গীরা ভয় পায়: মালালা

    পাকিস্তানে উগ্রবাদীদের হামলায় ধ্বংস হওয়া স্কুলগুলো পুননির্মাণ করতে বলেছেন নোবেল জয়ী নারী শিক্ষা অধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাই। শনিবার এক টুইট বার্তায় এ দাবি জানান তিনি। এপি।
    মালালা বলেন, ‘বই হাতে থাকা মেয়েদেরকেই বেশি ভয় পায় জঙ্গীরা।’
    শুক্রবার পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে বোমা হামলা ও আগুন দিয়ে ১২টি গার্লস স্কুল পুড়িয়ে দেয়া হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
    ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের হবু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও। দ্বায়িত্ব নেয়ার পর নিরাপত্তা জোরদারের কথা বলেছেন তিনি।
    নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ হামলার নিন্দা জানিয়ে স্কুলগুলোকে নিরাপদ করার দাবি জানিয়েছে।
  • রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৮

    রাশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ১৮

    রাশিয়ায় একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে সাইবেরিয়ার ক্রাশনুইয়ার্স্ক অঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    রাশিয়ান সংবাদ সংস্থ তাস-এর বরাত দিয়ে দ্যা এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়- শনিবার ভোরে সাইবেরিয়ার ক্রাশনুইয়ার্স্ক অঞ্চলে এমআই-৮ হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। হেলিকপ্টারে ১৫ জন যাত্রী এবং তিনজন ক্রু ছিলেন। তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে।
  • প্রত্যেক নাগরিকের উচিত আইন মেনে চলা: তাসকিন

    প্রত্যেক নাগরিকের উচিত আইন মেনে চলা: তাসকিন

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে ইতোমধ্যে কথা বলেছেন ক্রিকেট তারকা সাকিব আল হাসান, সাব্বির, রুবেল হোসেন। এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সাধুবাদ জানিয়ে পরিস্থিতির খুব দ্রুত সমাধানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

    আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। নিচে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল-

    তাসকিন তিনি লিখেছেন, আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন সবাই, আমি এখন বাংলাদেশ “এ” দলের হয়ে আয়ারল্যান্ডে অবস্থান করছি। আমি আমার ইয়াং ফ্যানসদের উদ্দেশ্যে কিছু, বলতে চাই।

    গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাস চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী দিয়া ও আবদুল করিম নিহত হওয়ার খবরের ঘটনায় আমি অনেক মর্মাহত ছিলাম। ব্যাপারটি আমার খুব খারাপ লাগে, কিন্তু যখন দেখলাম তার সহপাঠী থেকে শুরু করে সারাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা দোষীদের শাস্তি দাবি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে, তখন গর্ববোধ করেছি, আমি যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে দেখেছি, তারা কিভাবে আমাদের কিছু ভুল ভ্রান্তি চোখে দেখিয়ে দিয়েছে। আমাদের প্রত্যেক নাগরিকের উচিত আইন মেনে চলা আমি তোমাদের সাধুবাদ জানাই এবং আশা করি নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এর মাধ্যমে খুব দ্রুত সমাধান হবে। সুশৃঙ্খল ও সুন্দর বাংলাদেশ কামনা করি। বাংলাদেশের সকলের জন্য রইলো দোয়া ও ভালোবাসা।

  • শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আমির খসরুর কথোপকথন ভাইরাল (অডিওসহ)

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আমির খসরুর কথোপকথন ভাইরাল (অডিওসহ)

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের রাজপথে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। আর এই বিক্ষোভের মাঝেই এক ব্যক্তির সাথে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপটি জন্ম দিয়েছে ফোনালাপ বিতর্কের।

    অডিও ক্লিপে নওমি নামের সেই ব্যক্তিকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় এসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সক্রিয় হতে অনুরোধ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পাঠকদের জন্য অডিও কথপোকথন লিখিত আকারে দেওয়া হলো :

    আমির খসরু: হ্যালো

    নওমি: হ্যালো, আঙ্কেল, নওমি বলছিলাম

    আমির খসরু: হ্যাঁ, নওমি ভালো আছো?

    নওমি: আপনি ভালো আছেন?

    আমির খসরু: হ্যাঁ, ভালো আছি। তোমরা কি একটু ইনভল্ড টিনভল্ড হচ্ছো এগুলোতে নাকি?

    নওমি: জ্বি, জ্বি। আঙ্কেল, আমি তো এই যে কুমিল্লায় আসলাম।

    আমির খসরু: কুমিল্লায় নামায় দাও না। তোমাদের মানুষজন সব নামায় দেও না।

    নওমি: হ্যাঁ.. হ্যাঁ.. হ্যাঁ… হাইওয়েতে নামছিল।

    আমির খসরু: মানুষজন নামায় দাও, হাইওয়েতে-টাইওয়েতে অসুবিধা নাই। ঢাকায় মানুষজন নামায় দাও ভালো করে। বুজছো? তোমাদের তো আর চেনে না।

    নওমি: না… না… না…

    আমির খসরু: তোমাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে তোমরা সব নেমে পড়ো না ঢাকায়…

    নওমি: জ্বি…জ্বি..জ্বি…, কনটাক্ট করতেছি সবার সঙ্গে

    আমির খসরু: কন্টাক্ট করো না। কখন আর কন্টাক্ট করবা? এখনই তো টাইম। আর কবে? এখন নামতে না পারলে তো আবার ডাউন করে যাবে। তুমরা নাইমা যাও না একটু বন্ধু-বান্ধব নিয়ে…

    নওমি: হ্যাঁ..হ্যাঁ..হাইওয়েতে নামছিল তো, ঢাকা-চিটাগাংয়ে। এখানে এসপি সাহেব ঝাড়ি দিছে সবাইকে।  সবাইকে উঠায়ে দিছে…

    আমির খসরু: হাইওয়ে টাইওয়ে অসুবিধা নাই। ঢাকায় নামায় দাও। ঢাকা হলে সারাদেশে এমনেই হবে। তোমরা ঢাকায় এসে…এখানে তো কুমিল্লা দরকার নাই আমার। তোমরা ঢাকায় এসে তোমাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ২০০-৫০০ জন ওদের সাথে জয়েন করে যাও।

    নওমি: জ্বি আঙ্কেল। এমনে সবাই সংগঠিত হচ্ছে।

    আমির খসরু: সংহতি দিয়ে কী হবে। তোমরা যারা আছো নাইমা যাও না।

    নওমি: আঙ্কেল একটা ছোট্ট বিষয়।

    আমির খসরু: ফেসবুক টেসবুকে পোস্টিং-টোস্টিং করো সিরিয়াসলি।

    নওমি: হ্যাঁ, এইটা করতেছি। এটাতে অ্যকটিভ আছে সবাই। আমি আসতেছি।

    আমির খসরু: হ্যাঁ করো। কুমিল্লা বসে থেকে লাভ কী! এখানে এসে জয়েন করো।

    অডিও ক্লিপ…

  • ক্যাপ্টেন এনাম তালুকদারের বিচিত্র জীবন

    ক্যাপ্টেন এনাম তালুকদারের বিচিত্র জীবন

    বাংলাদেশ বিমানের ক্যাপ্টেন এনাম তালুকদার। সিনিয়র বৈমানিক এবং প্রশিক্ষক। বছরের প্রতিটি দিন আকাশপথে থাকার বিরল রেকর্ডের মালিক তিনি। কর্মজীবনে সর্বমোট চৌদ্দ হাজার ঘণ্টা আকাশপথে থাকার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। জীবনের অনেকটা সময়জুড়ে যিনি কাটিয়েছেন আকাশপথে, তার জল এবং স্থলপথেও রয়েছে বেশকিছু বৈচিত্র্যময় কর্মকাণ্ড। বিভিন্ন পর্বতারোহণ, বঙ্গোপসাগরের সবগুলো দ্বীপে যাওয়া, মাছ ধরার ট্রলারে একটানা ১০ দিন ভ্রমণসহ, ফটোগ্রাফি করতে গিয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া, দৈনিক আট কিলোমিটার পায়ে হাঁটা, সপ্তাহে ১০০ কিলোমিটার সাইকেল চালানোর মতো গল্পগুলো জানাচ্ছেন    –

    ফটোগ্রাফির গল্প

    ঘটনা-১: বান্দরবানের জঙ্গল। জঙ্গলের ভেতরে বিরল প্রজাতির একটি পাখির ছবি তোলার জন্য ‘হাইড’ পেতে সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে দুপুর অবধি অপেক্ষা করছেন একজন ফটোগ্রাফার। মাঝে মাঝে বৃষ্টি নামছে। এরমধ্যে বিরল প্রজাতির পাখিটি দু’বার হঠাৎ করে দেখা দিয়ে পুনরায় হারিয়ে গেছে। পাখির ছবি তোলার সুযোগ পায়নি ফটোগ্রাফার। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ফটোগ্রাফারের হাইডের মধ্যে একটি সাপের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে আচমকাই হৃৎপিণ্ড নড়ে উঠলো তার! ভয়ে জড়সড় ফটোগ্রাফারের মনে তখন জীবন রক্ষার তাগিদ। হাইডের এক কোণ উঁচু করে ধরতেই দৌঁড়ে পালিয়েছে সাপটি। ফটোগ্রাফারের ভাষায়, ‘সাপটা মনে হলো আমার থেকে বেশি ভয় পেয়েছে!’ সাপের ভয় কেটে যাওয়ার পর পুনরায় অপেক্ষা পাখির ছবি তোলার জন্য। অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর অল্প সময়ের জন্য পাখিটি আসতেই এবার আর ক্যামেরার সাটারে ক্লিক করতে ভুল করেননি ফটোগ্রাফার। বাংলাদেশের দু’জন ফটোগ্রাফার বিরল প্রজাতির সে পাখির ছবি তুলতে পেরেছিলেন। একজন রোনাল্ড হালদার, পেশাদার ফটোগ্রাফার। অন্যজন এনাম তালুকদার, পেশাদার বৈমানিক, সৌখিন ফটোগ্রাফার।

    enam-in-(1)

    ঘটনা-২: সুন্দরবনের গহীন অরণ্য। দেশি-বিদেশি ছয়জন ফটোগ্রাফার তুমুল আগ্রহ নিয়ে বাঘের ছবি তোলার অপেক্ষায়। অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে একটা সময়ে বাঘ এলো। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সাথেই শেষ হলো বাঘের ছবি তোলার পর্ব। ক্যামেরার লেন্স যখন বাঘের ছবি ধারণে ব্যস্ত, তখন নৌকায় উপস্থিত বাস্তবে প্রথমবার বাঘ দেখে ফটোগ্রাফারদের কারো কারো ভয়ে সেন্স হারানোর উপক্রম! দু’টি ঘটনাই এনাম তালুকদারের ফটোগ্রাফির অন্যতম বৈচিত্র্যময় অধ্যায়।

    পর্বতারোহী: বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পর্বতসমূহে বিচরণ করার পাশাপাশি নেপাল, ভারত, ইউরোপের অল্পসংখ্যক পর্বতসমূহেও বিচরণ করেছেন তিনি। ইচ্ছে ছিল মাউন্ট এভারেস্ট জয়েরও। কিন্তু বৈমানিক পেশার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্যারিয়ার রক্ষার তাগিদে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়ের সুযোগটা হয়ে ওঠেনি। উল্লেখ্য, প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের শুরুটা হয়েছিল এনাম তালুকদারের হাত ধরেই। পর্বতারোহীদের সংগঠন নর্থ আলপাইন ক্লাবের একজন অন্যতম উপদেষ্টা এনাম তালুকদার।

    enam-in-(2)

    দ্বীপ ভ্রমণ: বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন সবগুলো দ্বীপ ভ্রমণের বৈচিত্র্য অভিজ্ঞতাও রয়েছে এনাম তালুকদারের ঝুলিতে। দ্বীপ ভ্রমণ করতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখিও হতে হয়েছে যে, একটানা দশদিনের মত থাকতে হয়েছে মাছ ধরার ট্রলারে। সাগরের উত্তাল ঢেউ কখনো কখনো তৈরি করেছে অজানা আতঙ্কও। কিন্তু সখের কাছে উত্তাল ঢেউয়ের আতঙ্ক খুব বেশি ধোপে টেকেনি।

    দৈনিক জগিং: কোয়ান্টাম মেথডের একটি জনপ্রিয় স্লোগান আছে, ‘সুস্থ দেহ সুন্দর মন, কর্মব্যস্ত সুখী জীবন’। সব সুখের মূল স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে প্রতিদিন সকালে জগিংয়ের অভ্যাস এনাম তালুকদারের দীর্ঘদিনের। এই অভ্যাসের ফলে এক সময়ে দৈনিক প্রায় দশ কিলোমিটারের জগিং পর্ব শেষ করতেন তিনি।

    enam-in-(3)

    সাইক্লিং: বৈমানিক পেশার অন্যতম শর্ত সুস্বাস্থ্য। আর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাইক্লিং এবং সাঁতার অন্যতম দুটো মাধ্যম হওয়ায় সাইক্লিং বেছে নিলেন এনাম তালুকদার। প্রথম আগ্রহ এবং আগ্রহের প্রয়োজন মেটাতে ধীরে ধীরে সাইক্লিংয়ের প্রতি ঝুঁকে পড়লে সপ্তাহে ১০০ কিলোমিটার সাইকেল চালানো এক প্রকার নিয়মিত রুটিনেই পরিণত করেছেন তিনি। সে হিসেবে মাসে ৪০০ কিলোমিটার এবং বছরে ৪ হাজার কিলোমিটার সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতাও তার দখলে।

    enam-in-(4)

    পরিচয়: এনাম তালুকদার বরগুনার আমতলী উপজেলার ঘটখালীর বিখ্যাত তালুকদার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা প্রয়াত আবদুল আজিজ তালুকদার। এনাম তালুকদার ১৯৮৬ সালে আমতলী একে পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি, ১৯৮৮ সালে একই বিভাগে আমতলী কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমিতে ১৯৮৯ সালে ভর্তি হন। ১৯৮৯ সালে ট্রেইনি পাইলটের মাধ্যমে বৈমানিক পেশায় কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে ক্যাডেট পাইলট এবং ১৯৯৬ সালে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য স্কটল্যান্ডের ব্রিটিশ অ্যারোস্পেস ফ্লাইং কলেজ থেকে ডিগ্রি নেন। বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানের সর্বোচ্চ পদ ‘ক্যাপ্টেন’, সিনিয়র প্রশিক্ষক এবং প্রশাসনিক পদ হিসেবে ‘ডেপুটি চিফ অব ফ্লাইট সেফটি’ পদেও কর্মরত তিনি। এনাম তালুকদার দীর্ঘ কর্মময় জীবনে যেসব বিমান নিয়ে আকাশপথে ছিলেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- Flew PA-38 single engine Aero Plane, ATP twin turboprop, Fokker-28, Airbus-310, Dc-10 and Boeing 737-800 and total flying approx, 14000hrs প্রভৃতি।

    enam-in-(5)

    স্বপ্ন: আকাশপথের রেকর্ড জয়ের পাশাপাশি জল এবং স্থলপথের বৈচিত্র্যময় কাজগুলোও সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন এনাম তালুকদার। ক্যারিয়ারের বাকি সময়টুকুও এমনিভাবে অতিবাহিত করতে চান বৈমানিক পেশায় থাকা বৈচিত্র্যময় কাজ করে যাওয়া এনাম তালুকদার।

  • ডিম ফ্রিজে রাখলে যে ক্ষতি হয়

    ডিম ফ্রিজে রাখলে যে ক্ষতি হয়

    ডিম রাখার জন্য সব ফ্রিজেই আলাদা তাক থাকে। বেশিদিন বাইরে রাখলে ডিম নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বলে ফ্রিজেই রাখা হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মোটেই সমর্থন করছেন না এই অভ্যাস। বরং, ফ্রিজের ভেতর ডিম রাখলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই মতপ্রকাশ করছেন তারা।

    ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্যরও অনেক নিচে থাকে বলে খাবার রাখা নিরাপদ। কিন্তু ডিমের বেলায় তা একটু আলাদা। ফ্রিজে ডিম রাখলে তার মধ্যে এক ধরনের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়।

    dim-2

    যেহেতু ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে অনেকক্ষণ বাইরের তাপমাত্রায় রেখে তা রান্না করা আমাদের স্বভাব নয়, বরং ফ্রিজ থেকে বার করেই আমরা রান্না করে ফেলি, তাই সেসব ব্যাকটিরিয়া জীবিত অবস্থায় থাকে। সেখান থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া ও নানা রকম সংক্রমণ ঘটতে পারে। হতে পারে পেটের সমস্যাও।

    আবার বেশিদিন বাইরে রাখলেও ডিম নষ্ট হয়ে যায়! সমাধান বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। উপায় খুব সহজ। ডিম সংগ্রহ করুন অল্প সংখ্যায়। যাতে দু-এক দিনেই তা রান্না করে ফেলা যায়। তাহলে বাইরে বেশিদিন রাখতে হবে না আর নষ্ট হওয়ার ভয়ও থাকবে না।