বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীণ দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে বাঁধা এবং হুমকি দিচ্ছেন ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানো বিএনপি নেতাকর্মীদের। বুধবার বরিশাল নগরীর সদর রোডে গনসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে টুকিটাকি সমস্যা হবে। এনিয়ে আমরা মাথা ঘামাচ্ছি না। এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকা রয়েছে। বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার সদর রোডে গনসংযোগ শেষে পোর্ট রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন।
এদিকে নগরীর বর্ধিতাংশ রসূলপুরে গনসংযোগকালে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে এখন পর্যন্ত কিছু হয়নি। তাছাড়া নির্বাচনে কিছু সমস্যা হবেই। সেই সমস্যাগুলো অতিক্রম করে আমরা নির্বাচনে জয়ী হব।
নগরীর মল্লিক রোডে গনসংযোগ কালে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ জানান, বিএনপি প্রার্থী যে অভিযোগ করেছেন সেটা ভিত্তিহীণ। এরকম কোনো ঘটনা ঘটলে সেটা সবার আগে সাংবাদিকরাই আগে জানবে। সেরকম যদি কোনো খবর পেয়ে থাকেন তাহলে সেটার প্রমান দিতে অনুরোধ করা হয়। তিনি জানান, নগরীতে বেকারত্ব নিরসনের জন্য আমি কাজ করব। এটাই আমার প্রধান উদ্দেশ্যে। তাছাড়া তরুণদের জন্য ডিজিটালভাবে নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Author: banglarmukh official
-

প্রচারণায় বাঁধা দেয়া হচ্ছে সরোয়ারের অভিযোগ : ভিত্তিহীণ বললেন সাদিক
-

আ’লীগ মেয়র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহ’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন
বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে আছেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় উপদেস্টা মাহবুবু উদ্দিন আহম্মেদ (বীর বিত্রক্রম), মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু ও অ্যাডভোকেট আফজালুল করীম, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অ্যাডভোকেট মুনসুর আহম্মেদ, সাধারন সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তারিক বিন ইসলাম, গৌরনদীর পৌর মেয়র হারিছুর রহমান।
এছাড়া ৬ সদস্যের দপ্তর উপ কমিটির প্রধান হলেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুনসুর আহম্মেদ, প্রচার উপ কমিটির প্রধান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, গণমাধ্যম উপ কমিটির প্রধান আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য গোলাম রাব্বানী চিনু। এছাড়া দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব পেয়েছেন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাছ চৌধুরী দুলাল। আওয়ামীলীগ সদর রোডের সোহেল চত্বরের দলীয় কার্যালয়কে প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করবে। এছাড়াও প্রধান কার্যালয়ের আরও ৩টি শাখা প্রচার ক্যাম্প স্থাপন করা হবে জানিয়েছেন গোলাম আব্বাছ চৌধুরী দুলাল।
-

বিএনপির মেয়র প্রার্থী সরোয়ারের নির্বাচন পরিচলানা কমিটি গঠন
বরিশাল সিটি নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচন পরিচলানা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান হয়েছেন মজিবর রহমান সরোয়ার এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে দক্ষিন জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন। মঙ্গলবার রাতে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়ায় মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে নগর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এবং ৩০ ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদের সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।
মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, উত্তর জেলার সভাপতি মেজবাহউদ্দিন ফরহাদ, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মনিজরুজ্জামান ফারুক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার। নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন জানান, সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে সদর রোড অশিনী কুমার হল সংলগ্ন বিএনপি কার্যালয়কে প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় হিসাবে ব্যবহত হবে। এছাড়া নির্বাচনী আচরন বিধি অনুযায়ী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩ থানার অধীনে ৩টি নির্বাচনী কার্যালয় থাকবে। -

বরিশাল সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে যাওয়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মাওলানা ওয়ায়দুর রহমান মাহবুব নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে ইশতেহারের ১৭টি বিষয় তুলে ধরেন।
এছাড়া সিটি নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রার্থী মাওলানা ওয়ায়দুর রহমান মাহবুব বলেন তাদের দলের শীর্ষ নেতারা খুলনা ও গাজীপুরে সাম্প্রতিকালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দেখে হতাশ হয়েছেন। ফলে বরিশাল সিটিতেও গভীর শঙ্কা কাজ করছে। কিন্তু ভোটের দিন কোন অনিয়ম হলে বিষয়টির জোর প্রতিবাদ জানানো হবে।
বরিশাল সিটি ইসলামী আন্দোলনের অনেক ভোট রয়েছে দাবি করে আরও বলেন- শান্তিপূর্ণ ভোট হলে এই সিটিতে তাদের প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এজন্য তিনি সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম ও ৫ নম্বর চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুফতি সৈয়দ মো. আবুল খায়ের প্রমুখ।
এই প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহারগুলো হুবহু তুলে ধরা হলো
১. নগরীতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২. মৌলিক অধিকারবঞ্চিত সকল নাগরিকের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।
৩. নগরীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সুন্দর ও মনোরম রাখার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪. নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষে সব ধরনের কলকারখানা স্থাপনের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করা।
৫. জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সকল সড়ক ও লেন পর্যায়ক্রমে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৬. নগরীর সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও তা দ্রুত সমাধানের লক্ষে নগরপরিকল্পনাবিদ, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী পরিকল্পনাবিদ, শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবি ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সিটি প্লানিং টিম গঠন করা ও তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া এবং বাজেট প্রণয়নে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদগণের মতামত গ্রহণ করা।
৭. সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নবীণ-প্রবীণদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি গঠন করা।
৮. সিটি কর্পোরেশনের সকল কার্যক্রম আধুনিকায়নের লক্ষে যথাযথ প্রযুক্তি ব্যবহার করা। (যাতে নগরবাসী প্রয়োজনীয় সংবাদ, পেপার্স সময়মত পেয়ে নগর ভবনের সাথে সংশ্লিষ্ট লেনদেন আদান-প্রদান করতে পারে)।
৯. দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষে এ কাজের উৎস খুঁজে বের করা, গডফাদারদের চিহ্নিত করা, অতপর ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, কাউন্সিলর ও প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ টিম গঠন করে বিভিন্ন সভা-সমাবেশের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভুতি ও বিবেকবোধ জাগ্রত করা ও অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমনের চেষ্টা করা।
১০. বিদ্যুতের সুব্যবস্থার লক্ষে দৃষ্টিনন্দন সাশ্রয়ী সড়কবাতি স্থাপন করা ও নগরীর অন্ধকার দূরীকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।
১১. সংখ্যালঘু ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মানোন্নয়নে প্রশাসনের সহযোগিতায় সকল প্রকার নাগরিক অধিকার, মানবিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। সকল ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় শিক্ষা ও নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ প্রদান করা। অসহায় এবং আশ্রয়হীন পথশিশু ও মহিলাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা। বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।১২. ভোলা থেকে বরিশাল নগরীতে গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে নগরবাসীকে গ্যাস ব্যবহারের সুবিধা প্রদানের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।
১৩. ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য মনিটরিং সেল শক্তিশালী করা, প্রয়োজনে নতুন টিম গঠন ও এর আধুনিকায়ন করা।
১৪. নিরাপদ সড়ক গঠন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার, ফুটপাতবিহীন রাস্তার ফুটপাত তৈরি করা, বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোড়াখুড়ি বন্ধ করা ও যানজট নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা।১৫. পয়:নিষ্কাষণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও ২৪ ঘন্টা সুপেয় পানি সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৬. নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নাগরিকদের জন্য অভিযোগ ও পরামর্শ বক্স স্থাপন করা এবং তাদের বিভিন্নমুখী অভিযোগ ও পরামর্শের ভিত্তিতে নগরীকে সার্বিকভাবে সুন্দরকরে গড়ে তোলা।
এছাড়া আরও একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাদের প্রার্থী নির্বাচিত হলে বরিশাল শহরে ইমামদের থাকার জন্য একটি ভবন তৈরি করা হবে।
-

গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে কে?
জমে উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। যোগ্য দলগুলো এরইমধ্যে সেরা চার নিশ্চিত করেছে। বিশ্বসেরা হওয়ার লড়াইয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সাফল্যের লড়াইও চলছে ফুটবলারদের মধ্যে। চলতি আসরে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এখন রয়েছেন শুধু ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন আর বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন হ্যারি কেন। চার ম্যাচে ইতিমধ্যেই ৬ গোল করা হয়ে গেছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের। যার মধ্যে পেনাল্টি থেকে তিনটে গোল করেছেন তিনি। অন্যদিকে, চার ম্যাচে চার গোল করে গোল্ডেন বুট পাওয়ার দৌড়ে কেনের পরেই আছেন রোমেলু লুকাকু।
সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে গোল করে হ্যারি কেনকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে লুকাকুর কাছে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হ্যারি কেনের সামনে।
উল্লেখ্য, ৪ গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর রাশিয়ার চেরিশেভও। তবে পর্তুগাল আর রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ায় এই দুই ফুটবলারের গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ নেই।
-

খুনি নিজেই ছিলেন হত্যার প্রতিবাদ আন্দোলনে সোচ্চার!
হত্যার পর অত্যন্ত কৌশলে খুনি নিজেই নেমে পড়ে নিখোঁজ বন্ধুকে খুঁজতে। পরিবারকে দিতে থাকে নানা সান্ত্বনা। নিখোঁজ বন্ধুকে খুঁজে পেতে থানা পর্যন্ত যান খুনি নিজেই। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।
খুন হওয়া ব্যক্তির মোবাইলের সিম উদ্ধারের পরেই বের হয়ে আসে খুনির আসল চেহারা। ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ শহরের। নিখোঁজের ২১ দিন পর শহরের আমলাপাড়া এলাকার বন্ধুর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে কালিরবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর চন্দ্র ঘোষের ৫ টুকরা খন্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত ১১টার দিকে আমলাপাড়ার ১৫ কে সি নাগ রোডের রাশেদুল ইসলাম ওরফে ঠান্ডু মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে অভিযান চালায় পুলিশ। তারা সেপটিক ট্যাংক খুলে ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে ৩টি বস্তায় প্রবীর ঘোষের ৫ টুকরো খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে। তবে খণ্ডিত লাশ উদ্ধার হলেও উদ্ধার হয়নি দুই পায়ের হাটুর নিম্নাংশ। এ বাড়ির ২য় তলায় প্রবীর চন্দ্র ঘোষের বন্ধু পিন্টু দেবনাথ ভাড়া থাকতেন। পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রবীর চন্দ্র ঘোষের বন্ধু পিন্টু দেবনাথ ও বাপন ভৌমিককে গ্রেফতার করেছে।
এদিকে প্রবীর ঘোষ নিখোঁজের পরেই জেলাজুড়ে এই ব্যবসায়ীকে ফিরে পেতে আন্দোলেন নামে তার পরিবারসহ বিভিন্ন সংগঠন।
পুলিশ সূত্র জানায়, সেই আন্দোলনেই খুনি পিন্টু সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। প্রত্যেকটি কর্মসূচিতেই সে যোগ দিয়ে নিজেকে কৌশল খাটিয়ে বাঁচার চেষ্টা অব্যাহত রাখে। কিন্তু প্রবীর ঘোষের মোবাইল সিম সব রহস্যের উদঘাটন করে দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানিয়েছে, গত ১৮ জুন রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর বালুর মাঠের বাসা থেকে কালিরবাজার এসে নিখোঁজ হন স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রবীর চন্দ্র ঘোষ। নিখোঁজের ঘটনায় ১৯ জুন প্রবীরের বাবা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এরপর প্রবীর ঘোষকে উদ্ধার অভিযানে নামে পুলিশ।
প্রবীর ঘোষের সন্ধানকালে তার ব্যবহৃত মোবাইলটি কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় ব্যবহার হওয়ার সন্ধান পায় পুলিশ। তারা মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে এর বাহক বাপন ভৌমিককে গ্রেফতার করে। বাপন ভৌমিক পুলিশকে জানায় পিন্টু তাকে এ মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে দিয়েছে। পুলিশ বাপনকে গ্রেফতার করে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসে। এরপরপরই গ্রেফতার করা হয় প্রবীরের বন্ধু পিন্টু দেবনাথকে।
জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দেবনাথ ও বাপন ভৌমিক জানায়, প্রবীর ঘোষের লাশ আমলাপাড়ার ১৫ কে সি নাগ রোডের রাশেদুল ইসলাম ওরফে ঠান্ডু মিয়ার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে রয়েছে। এ তথ্য পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাড়িটিকে ঘিরে রাখে। পরে ডোম নিয়ে এসে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে তল্লাশি অভিযান চালায়। অনেক দিন হয়ে যাওয়ায় লাশটির খণ্ডগুলো বিকৃত হয়ে গেছে। পচে গলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
প্রবীরের পারিবারিক সূত্র জানায়, কিছু দিন আগে ভারতের কলকাতায় প্রবীর ঘোষের বন্ধু পিন্টু দেবনাথের ওপেন হার্ট সার্জারী হয়। এই প্রবীর ঘোষই ভারতে পিন্টুর চিকিৎসার জন্য সকল সহযোগিতা করে।
পুলিশ বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছে, প্রবীর ঘোষের এক ভাই দীর্ঘদিন থেকে বিদেশে অবস্থান করছে। ওই ভাইয়ের দেয়া টাকা নিয়েই প্রবীর ও পিন্টু স্বর্ণ ও সুদের ব্যবসা করছিলেন। এই টাকার একটি বিশাল অংশ পিন্টুর কাছে গচ্ছিত ছিলো। প্রবীর এ টাকার জন্য কিছুদিন ধরে পিন্টুকে চাপ দিয়ে আসছিলো।
পুলিশ সুপার মঈনুল হক জানান, পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই প্রবীর ঘোষকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার কারণ এখনো সুস্পষ্ট নয়। গ্রেফতারকৃত পিন্টু দেবনাথ এবং বাপন ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা শুধুমাত্র লাশটি কোথায় আছে তা বলেছে। কিভাবে হত্যা করা হয়েছে, কারা কারা জড়িত, কেনোই বা হত্যা করা হয়েছে এ ব্যাপারে তারা পুরোপুরি মুখ খোলেনি। যেহুতু লাশ উদ্ধার হয়েছে পুরো ঘটনাটি এখন পরিষ্কার হয়ে যাবে।
ভাই হারিয়ে শোকে মূহ্যমান ইতালি প্রবাসী ছোট ভাই সৌমিক ঘোষ লেন জানান, আমার ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর খুনীরা তাকে খোঁজার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যায়। আমরা ঘুনাক্ষরেও টের পাইনি এরাই খুনী। অথচ এই খুনীরা আমাদের প্রতিদিনই সমবেদনার বাণী শুনিয়ে আসছিল।
এই ঘটনার পেছনে অন্যকারো হাত আছে দাবি করে কালীবাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী মার্কেটের সভাপতি সঙ্কর ঘোষ বলেন, ওরা দুজন মিলে হত্যা করেনি। এই হত্যার পেছনে অন্য কারো হাত আছে। আমরা চাই, হত্যার রহস্য উন্মোচন করে হত্যাকারী এবং হত্যার পরিকল্পনাকারী সকলের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক।
-

বেলজিয়াম-ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে কী বলছে জ্যোতিষী উট! (ভিডিও)
রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথম ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ও বিশ্বকাপের ডার্ক হর্স বেলজিয়াম। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১২টায়।
তবে ম্যাচটি নিয়ে ইতোমধ্যে জ্যোতিষীদের ভবিষ্যদ্বাণী শুরু হয়ে গেছে। আরব আমিরাতের ভবিষ্যৎবক্তা উট ‘শাহীন।’ উটের সামনে দুটি পতাকা রাখা হয়। তারপর উটটি একটি পতাকাকে বেছে নেয়। এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়ে থাকে ম্যাচটি আসলে কোন দেশ জিতবে।
আর সেমিফাইনালে উট ‘শাহীন’ বিজয়ী হিসেবে বেছে নিয়েছে ফ্রান্সকে। উটের ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হবে লুকাকুদের।
চলতি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বেলজিয়াম হারাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল উট ‘শাহীন। সেই ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল। এবার দেখা যাক সেমিফাইনালে কতুটুক সত্য হয় তার কথা।
-

থাই ফুটবলারদের উদ্ধারে বাধা দিচ্ছে মিডিয়া!
বিশ্বে এই মুহূর্তে অন্যতম সংবেদনশীল বিষয়ে পরিণত হয়েছে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া ফুটবলারদের উদ্ধার অভিযানের বিষয়টি। এ নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমেরও আগ্রহের কমতি নেই। থাইল্যান্ডের পাশাপাশি ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরাও গুহা এলাকায় জড়ো হয়েছেন। এবার তাদের বিরুদ্ধেই উঠেছে চরম অপেশাদারিত্ব ও নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ।
ব্যাংকক পোস্ট জানিয়েছে, কার আগে কে খবর সংগ্রহ করতে ও ছবি তুলবে কয়েকটি টিভি চ্যানেল, সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিকদের মধ্যে এ প্রতিযোগিতা লেগে গেছে।

রবিবার সাংবাদিকদের দুটি আচরণ জনসম্মুখে তাদের দায়িত্বশীলতাকে প্রশ্নের মুখে ঠেছে দিয়েছে। তা হল ড্রোনের ব্যবহার যা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া হেলিকপ্টার চলাচলে বাধা তৈরি এবং উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া অফিসারদের কাজের মধ্যে সরাসরি সম্প্রচার যা তাদের কাজে বাধা তৈরি করেছে!
গত ২৩ জুন থাম লুয়াং নামের ওই গুহায় ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ আটকা পড়েন। এর মধ্যে ৮ ফুটবলারকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার তৃতীয় ও চূড়ান্ত ধাপের অভিযান শুরু হয়েছে।
-

ঢাবি ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/প্রক্টরের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে অবস্থান, ঘোরাফেরা এবং কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।গত ৫ জুলাই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহের প্রভোস্ট কমিটির মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত হয়। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলসমূহে সাম্প্রতিককালে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষাপট বিবেচনা ও সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির এক সভা গত ৫ জুলাই ২০১৮ বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তসমূহ হলো ছাত্রত্ব নেই এমন অছাত্রকে কর্তৃপক্ষ হলে অবস্থান করতে দেবেন না এবং অনতিবিলম্বে অছাত্রদের (যদি থাকে) হল ছাড়ার নির্দেশ সম্বলিত নোটিশ প্রদান করবেন। এতদিবষয়ে প্রয়োজনে হল কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেবেন। হল প্রশাসনের পূর্বানুমতি ব্যতীত কোনো অভিভাবক ও অতিথিও হলে অবস্থান করতে পারবেন না।বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা ও নিরাপত্তা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সদয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিবেন বলে বলা হয়। -

জেলে যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে হুড়োহুড়ি!
কারাগার আরামের জায়গা নয়, বুদ্ধিমানরা সর্বদা সেই সব কাজ এড়িয়ে চলতে বলেন, যা করলে জেলের ঘানি টানতে হয়। তবে শুনতে অবাক লাগলেও জেলে যাওয়ার জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি পড়ে গেছে। তাও আবার মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে।
নেলসন ম্যান্ডেলার জেলের কুঠুরিতে একটি রাত কাটানোর জন্য পর্যটকদের মধ্যে এই হুড়োহুড়ি। বার্ষিক ‘স্লিপআউট’ নামের একটি প্রোগ্রামের দৌলতে এবার রাত কাটানো যাবে রবেন আইল্যান্ডের জেলের কক্ষে। তবে তার জন্য দিতে হবে বিশাল অঙ্কের ভাড়া।
বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রায় তিন দশক জেলে কাটিয়েছেন ম্যান্ডেলা। তার মধ্যে কেপ টাউনের রবেন আইল্যান্ডের জেলে ১৮ বছর বন্দি ছিলেন সাউথ আফ্রিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট।ম্যান্ডেলার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে খুলে দেওয়া হয়েছে ৮ ফুট বাই ৭ ফুট কুঠুরির দরজা। ওই সেলেই এক রাত কাটানোর জন্য নিলাম ডাকা হয়েছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে নিলামের টাকা যাবে সেবামূলক কাজে। এখনও পর্যন্ত উঠেছে ৩ লাখ মার্কিন ডলার। জুলাইয়ের ১৬ তারিখ নিলামের শেষ দিন। ‘সেল নম্বর-৭’-এ রাত কাটাবেন নিলামে জয়ী ব্যক্তি। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ৬৬ জন ওই জেলের অন্যান্য কামরায় থাকতে পারবেন।
জানা গেছে, নিলাম থেকে পাওয়া টাকা জেলবন্দিদের শিক্ষায় খরচ করা হবে। ‘প্রিজন টু পাইপলাইন’ প্রকল্পের আওতায় জেলবন্দিদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ দিতেই এই পদক্ষেপ।