Author: banglarmukh official

  • প্রথম ভারতীয় হিসেবে প্রিয়াঙ্কার রেকর্ড

    প্রথম ভারতীয় হিসেবে প্রিয়াঙ্কার রেকর্ড

    প্রথম ভারতীয় হিসেবে ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর দিক দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এখানে তার অনুসারীর সংখ্যা ২৫ মিলিয়ন। দ্বিতীয় স্থানে আছেন বলিউডেরই আরেক অভিনেত্রী, দীপিকা পাড়ুকোন। তার অনুসারীর সংখ্যা ২৪.৯ মিলিয়ন।

    টিভি সিরিজ ও চলচ্চিত্রে কাজের সুবাদে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হলিউডেও পরিচিতি পেয়েছেন। এছাড়া হলিউড গায়ক-অভিনেতা নিক জোনাসের সঙ্গে তার প্রেম নিয়েও চলছে আলোচনা। শুধু ইনস্টাগ্রামেই নন, টুইটার ফেসবুকেও জনপ্রিয় প্রিয়াঙ্কা। টুইটারে তার অনুসারীর সংখ্যা ২৩ মিলিয়ন এবং তার ফেসবুক পেজে লাইকের সংখ্যা ৩৭ মিলিয়ন।

    ভারতে ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে প্রিয়াঙ্কা-দীপিকার পরে আছেন ক্রিকেটার বিরাট কোহলি, বলিউড তারকা আলিয়া ভাট ও শ্রদ্ধা কাপুর।

  • মোহাম্মদ রফিকের নামের পাশে জায়গা করে নিলেন মিরাজ

    মোহাম্মদ রফিকের নামের পাশে জায়গা করে নিলেন মিরাজ

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রই বলা চলে মোহাম্মদ রফিককে। দীর্ঘ ১৩ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে বাংলাদেশকে দুহাত ভরে দিয়েছেন মোহাম্মদ রফিক। ব্যাটে-বলে দলকে দিয়েছেন অসংখ্য উপহার। ১২৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ১২৫টি উইকেট। ২০টি টেস্টে দর্শক হয়ে থাকার পরও ৩৩টি টেস্ট থেকে নিয়েছেন ১০০টি উইকেট।

    সেই মোহাম্মদ রফিকের নামের পাশে জায়গা করে নিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। মোহাম্মদ রফিক নিজের ১৩ তম টেস্ট ম্যাচেই ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান টেস্টে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন মিরাজও। তিনিও ম্যাচ খেললেন ১৩ টি।

    টেস্টে বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্রুততম ৫০ উইকেট মোহাম্মদ রফিক ১৩ টেস্ট, মেহেদী হাসান মিরাজ ১৩*, তাইজুল ইসলাম ১৪, সাকিব আল হাসান ১৫, মাশরাফি মুর্তজা ২০ ও শাহাদাত হোসেন ২১ টেস্ট ম্যাচ খেলে পেয়েয়েছেন।

  • মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল আর্ট মিউজিয়াম

    মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল আর্ট মিউজিয়াম

    বিশ্বের আর সব জাদুঘরের মতো এ জাদুঘরে কোনো মানচিত্র নেই, কোনো শিল্পকর্ম সম্পর্কে কোনো ধরনের বর্ণনা নেই, শিল্পকর্মে হাত দেয়া যাবে না-এ জাতীয় কোনো সতর্কতা বাণীও লেকা নেই।

    আর সরসরি বলতে গেলে এই জাদুঘরে প্রচলিত অর্থে শিল্পকর্ম বলতে যা বোঝায় তার কিছুই নেই। বলা হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল আর্ট মিউজিয়ামের কথা।

    জাপানের টোকিওতে সম্প্রতি জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। এতে প্রবেশের পরপরই দর্শনার্থীরা এক অন্য ভুবনে প্রবেশ করছেন।

    এক লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই মিউজিয়ামে ৫০টি-র মতো ক্যালাইডোস্কোপিক ইনস্টলেশন রয়েছে। ডিজিটাল আর্টকে আকর্ষণীয় করে তুলতে আলোকে চমকপ্রদ ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে।

    মিউজিয়াম গ্যালারির কুচ-কালো দেওয়ালে, অদ্ভূত মায়াবী এক পরিবেশ।

    জাদুঘরের বয়স্কদের জন্য প্রবেশ মূল্য ২৯ ডলার এবং শিশুদের জন্য ৯ ডলার। শিল্পকর্ম দেখতে দেখতে ক্লান্ত দর্শনার্থীদের জন্য আছে চায়ের ব্যবস্থাও।

    সাড়ে চার ডলারে জাদুঘরেই মিলবে ‘শৈল্পিক চা। কাপ যতক্ষণ চা থাকবে ততক্ষণই দেখবেন তাতে নানা রঙের ফুল ফুটছে!

  • ম্যারাডোনাকে কড়া জবাব ফিফার

    ম্যারাডোনাকে কড়া জবাব ফিফার

    রাশিয়া বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসছে ফুটবল জগত। এরইমধ্যে শেষ আট নিশ্চিত করেছে দলগুলো। প্রতি ম্যাচেই চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা। তবে কিছু বিষয় জন্ম দিয়ে বিতর্কের। যার মধ্যে নক আউট পর্বের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের পাওয়া পেনাল্টিকে পুরোপুরি অযৌক্তিক বলে দাবি করেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা।

    টেলেসুরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা বলেন, ‘রেফারির পেনাল্টি আদেশ সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে। এটি পেনাল্টি ছিল না। নিজের ভুলেই পড়ে গেছেন হ্যারি কেন। কলম্বিয়া আপিল করা সত্ত্বেও রেফারি কেন ভিএআর ব্যবহার করেননি তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। এ রকম পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্তের জন্যই ভিএআর প্রযুক্তির সংযোজন ঘটেছে বিশ্বকাপে। কিন্তু রেফারি এড়িয়ে গেলেন। এ ধরনের ঘটনা দেখার পর চুপ থাকলে চলবে না। প্রতিবাদ করতে হবে।’

    এদিকে এ ঘটনার পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ম্যারাডোনাকে জবাব দিয়েছে ফিফা। জানিয়েছে, ‘কলম্বিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচটি ছিল খুবই কঠিন ও আবেগপূর্ণ। এমন ম্যাচে রেফারির পারফমেন্স নিয়ে সমালোচনা করা পুরোপুরি অমূলক ও বাহুল্য। যেখানে ফিফা সর্বাত্মক চেষ্টা করছে বিশ্বকাপটি সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে আয়োজন করতে, সেখানে ম্যারাডোনার মতো ইতিহাস সৃষ্টিকারী একজন খেলোয়াড়ের এমন মন্তব্য সত্যিই হতাশাজনক।’

  • লন্ডনের আকাশে উড়বে ‘ট্রাম্প বেলুন’

    লন্ডনের আকাশে উড়বে ‘ট্রাম্প বেলুন’

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে তিনদিনের সফরে যুক্তরাজ্য সফরে যাবেন। সেই সফর চলাকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উপরে আকাশে উড়ানো হবে দৈত্যাকার একটি বেলুন। এই বেলুনটি তৈরি করা হয়েছে ট্রাম্পের চেহারার আদলে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বর্তমান চেহারা ঠিক রেখে ‘শিশু ট্রাম্প’ হিসেবে তৈরি বেলুনটি উড়ানোর অনুমতি দিয়েছেন লন্ডনের মেয়র সাদিক খান। ৬ মিটার (১৯ ফুট) উচ্চতার কমলা রঙের বেলুনটিতে সেফটিপিন দিয়ে একটি ডায়াপার পরানো রয়েছে।

    ট্রাম্পের ব্রিটেন সফরের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভের অংশ হিসেবে আন্দোলনকারীদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে এই বিশালাকার বেলুন। বেলুনটি নিয়ে লন্ডনে ব্যাপক কৌতুহল তৈরি হয়েছে।

    এই বেলুন উড়ানোর আবেদনে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ একটি পিটিশন স্বাক্ষর করেন এবং প্রায় ১ হাজার মানুষ ক্রাউডফান্ডিং প্রচারণায় প্রায় ১৬ হাজার পাউন্ড অর্থ দেন।

    শুক্রবার সকালে দুই ঘণ্টার জন্য এই বেলুন উড়ানো হবে। ঠিক সেই সময়টাতেই সেন্ট্রাল লন্ডনে ‘স্টপ ট্রাম্প’ বিক্ষোভ মিছিল হবে।

  • চূড়ান্ত পরিণতির পথে সিরিয়া, ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ দফা বিমান হামলা

    চূড়ান্ত পরিণতির পথে সিরিয়া, ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ দফা বিমান হামলা

    সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেরা প্রদেশে ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির সরকার ও তার মিত্র রাশিয়া। বুধবার বিদ্রোহীদের সাথে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে দেরায় ১৫ ঘণ্টায় ৬০০ বারেরও বেশি বিমান হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

    এ ব্যাপারে বৈরুত থেকে আলজাজিরার রিপোর্টার জেইনা খোদর জানান, এ বিমান হামলার ফলে বৃহস্পতিবার সরকারি বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ পুনর্দখলের দিকে আরও এগিয়ে গেছে। বিদ্রোহীদের সাথে শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর লড়াই এখন চূড়ান্ত পরিণতির দিকে এগোচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, সিরিয়ার সরকারি ও রাশিয়ার বিমানগুলো এখন দেরার বিদ্রোহী ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। মূলত দেরার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তাফাসকেই লক্ষ্য করে হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে রিপোর্টে জানানো হয়।

    এদিকে ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, রাতভর অভিযানে সিরিয়া ও রাশিয়া শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও বেআইনি অস্ত্র ব্যারেল বোমা হামলা চালায়। অভিযানটি বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত চলে।

    অন্যদিকে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিরীয় সরকারের অভিযানের মুখে গত দুই সপ্তাহে ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষ দেরা ছেড়ে জর্দান ও ইসরাইল সীমান্তের দিকে পালিয়েছেন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার গোলান মালভূমি ও ইসরাইল সীমান্তের দিকে ছুটে গেছেন।

    দেরাতে সরকারি বাহিনীর অভিযানে দুই শতাধিক বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।

  • প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগেরও

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলীয় পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন জরিপের ভিত্তিতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের বেছে নেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এমনটা ধরে নিয়েই প্রার্থী তালিকা করা হচ্ছে। নানা কারণে বিতর্কিত হয়েছেন কিংবা দল ও সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন এমন শতাধিক এমপি-মন্ত্রী দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হতে পারেন। জনপ্রিয়তায় যারা এগিয়ে রয়েছেন, তাদেরই নৌকায় তুলছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে মনোনীত প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    দলীয় সূত্রমতে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য ২১০টি আসন। বাকি ৯০টি আসন মহাজোটের জন্য রাখা হবে। ২১০টি আসনকে লক্ষ্যমাত্রা ধরে এরই মধ্যে ১৩৫টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন। তারা বলছেন, সেপ্টেম্বরের আগেই দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। জোটের প্রার্থীদের আসনও বণ্টন করা হবে তফসিল ঘোষণার আগেই। মনোনয়নবঞ্চিতরা যেন দলের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে না পারে, সে জন্য কেন্দ্র থেকে নানা বিকল্প দেখিয়ে তাদের সন্তুষ্ট করা হবে এবং সবাইকে দলের মনোনীত প্রার্থীকে পাস করানোর জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করার কথা বলা হবে। ১৩৫টি আসনের মধ্যে ১১টি আসনে দুজন করে প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় নেওয়া হচ্ছে।

    দলীয় সুত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় যারা রয়েছেন, পঞ্চগড়-২ আসনে নুরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, লালমনিরহাট-১ উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল অথবা মহাজোট থেকে কেউ, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-৪ টিপু মুন্সী, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৩ ইউনুচ আলী সরকার। জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ আসনে ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাহ মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব-উল আলম হানিফ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, ঝিনাইদহ-২ তাহজীব আলম সিদ্দিক, যশোর-৩ কাজী নাবিল, যশোর-৫ পীযূষকান্তি ভট্টাচার্য, মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন সিকদার, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার খালেক, খুলনা-৪ এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাতক্ষীরা-৪ এস এম জগলুল হায়দার, বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ বেগম জেবুন্নেছা আফরোজ, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, টাঙ্গাইল-১ ড. আবদুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ মশিউজ্জামান খান রুমেল, জামালপুর-১ নূর মোহাম্মদ, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণালকান্তি দাস, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক অথবা সাবিনা আক্তার তুহিন, ঢাকা-১৭ ওয়াকিল উদ্দিন আহমেদ অথবা মহাজোটের প্রার্থী, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ অ্যাডভোকেট রহমত আলী, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, নরসিংদী-৪ নুরুল মজিদ হুমায়ুন, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ এ কে এম শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, ফরিদপুর-২ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুর-৩ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফরউল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম। গোপালগঞ্জ-৩ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর ই আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ সদর আসনে আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসীন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হবিগঞ্জ-৩ আবু জাহির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ সংগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৫ আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন, কুমিল্লা-৮ নাসিমুল আলম চৌধুরী নজরুল অথবা জোটের কেউ, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১০ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৪ ড. মোহাম্মদ শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম, ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন, নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল, চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আফসারুল আমিন, চট্টগ্রাম-১২ সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল, পার্বত্য বান্দরবানে বীর বাহাদুর উশৈ সিং ও রাঙামাটিতে দীপঙ্কর তালুকদার। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তালিকায় দুজন করে প্রার্থী রাখা আছে কয়েকটি আসনে। সে আসনগুলো হলো— গাইবান্ধা-৫ আসনে ফজলে রাব্বী মিয়া অথবা মাহমুদ হাসান রিপন, চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী অথবা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, নওগাঁ-৫ আবদুল মালেক অথবা নিজাম উদ্দিন জলিল জন, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেন মিলন অথবা লুত্ফর রহমান দিলু, পাবনা-১ শামসুল হক টুকু অথবা অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ অথবা ডা. মোজাম্মেল হক, খুলনা-৩ বেগম মন্নুজান সুফিয়ান অথবা এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা-২ কামরুল ইসলাম অথবা শাহীন আহমেদ, গাজীপুর-৫ বেগম মেহের আফরোজ চুমকি অথবা আখতারুজ্জামান, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অথবা এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি অথবা সুজিত রায় নন্দী,  সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান অথবা আজিজুস সামাদ ডন, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ অথবা অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম অথবা দেলোয়ার হোসেন ফারুক। তাদের ব্যাপারে সর্বশেষ জরিপ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে।

  • হলুদ কার্ডের জেরে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ বঞ্চিত ৪ ফুটবলার

    হলুদ কার্ডের জেরে ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’ বঞ্চিত ৪ ফুটবলার

    ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোয়ার্টার ফাইনালের আগে দুটি হলুদ কার্ড  দেখলে ঠিক পরের ম্যাচে বাইরে বসে থাকতে হবে খেলোয়াড়কে। যার ফলে রাশিয়া বিশ্বকাপে শেষ ষোলো রাউন্ড পর্যন্ত যারা দুটি হলুদ কার্ড দেখে ফেলেছেন তারা কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে পারবেন না।

    বেলজিয়ামের বিপক্ষে ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে আজ কাসেমিরো কেবলই দর্শক। চার ম্যাচে দুই হলুদ কার্ড নিয়ে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পোহাচ্ছেন কাসেমিরো। শেষ ষোলো রাউন্ডে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার কারণে খড়গ নামে তার উপর।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখার কারণে কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞা পোহাচ্ছেন ফরাসি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদি। আজ ফ্রান্স একাদশে তার পরিবর্তে জায়গা নিতে পারেন উইংগার নাবিল ফেকির।

    ক্রোয়েশিয়ার মার্সেলো ব্রোজোভিচও দুই হলুদ কার্ড  দেখার কারণে আজ রাশিয়ার বিপক্ষে দর্শক হয়ে থাকছেন ব্রজোভিচও। তার জায়গায় আজ একাদশে আসতে পারেন মিলান বাদেল বা মাতেও কোভাচিচের একজন।

    সুইডেনের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার পেছনে রাইটব্যাক মিকায়েল লাসতিগের অবদান পরিষ্কার। দুই হলুদ কার্ডের কারণে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে পারছেন না লাসতিগও।

  • যেভাবে আত্মহত্যার প্রস্তুতি নেয় দিল্লির সেই ১১ জন

    যেভাবে আত্মহত্যার প্রস্তুতি নেয় দিল্লির সেই ১১ জন

    দিল্লির একটি বাড়ি থেকে গত রোববার (১ জুলাই) সকালে একই পরিবারের ১১ জনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। তাদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং বাকি চারজন পুরুষ। বাড়িটি থেকে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করে পুলিশ। বাড়ির বাইরে বসানো সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ ও ডায়েরিতে লেখা থেকে তারা গণ-আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

    এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত শনিবার যখন পুরো ভারতে নিজেদের নৈশভোজ নিয়ে ব্যস্ত ছিল, ঠিক সে সময়ে উত্তর দিল্লির বুরারির চুন্দাওয়াত পরিবার তখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা করা গণ-আত্মহত্যার! দড়ি, টুল, নিজেদের শেষ খাবারের অর্ডার দেয়ায় ব্যস্ত ছিল পরিবারের সদস্যরা। ওই বাড়ির বাইরে বসানো সিসিটিভি ফুটেজ এবং ১১ বছর ধরে লেখা ১১টা ডায়েরি থেকেই জানা যায়, এই হত্যা বা আত্মাহত্যার সঙ্গে বাইরের কারও কোনো হাত নেই।

    পরিবারের একজন সদস্যও ভাবতে পারেননি যে, এ ‘ক্রিয়াকর্মের’ ফলে তাদের মৃত্যু হবে বা হতে পারে। তারা হয়তো ভেবেছিলেন এর ফলে আরও বেশি ‘শক্তি’ নিয়ে ফিরে আসবেন। চুন্দাওয়াত পরিবারের বাইরের গেটের সামনে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এ বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত তদন্ত কর্মকর্তারা।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, পরিবারের একজন মহিলা, তার কন্যা এবং ওই পরিবারের দুই কিশোর ‘গণ-আত্মহত্যা’র জন্য ব্যবহার করা টুল আর দড়ি নিয়ে বাড়ি ভেতরে আসছেন। পরিবারের সকল সদস্যের রাত একটার কাছাকাছি সময়ে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

    সিসিটিভি ফুটেজ থেকে আরও জানা যায়, ওই পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত নিমগ্নভাবে ৪৫ বছরের ললিত চান্দওয়াতের নির্দেশ অনুসরণ করে চলেছেন। ৭৭ বছরের নারায়ণী দেবীর ছোটো ছেলে তিনি। ডায়েরির সমস্ত নোটগুলোই ললিতের লেখা। ললিত তার মৃত বাবার থেকে নির্দেশ পেয়েই ডায়েরিতে লিখে রাখতেন এবং সেই নির্দেশ মেনেই কাজ করতেন। ললিত ছাড়াও ওই ডায়েরিটিতে আরও একজনের লেখা পাওয়া গেছে, তিনি হলেন- ললিতের ত্রিশের আশেপাশের বয়সী ভাগ্নি প্রিয়াঙ্কা চুন্দাওয়াত। গত ১৭ জুন যার বাগদান হয়েছিল।

    ডায়েরির নোট থেকে আরও জানা যায়, ওই পরিবারের সদস্যরা মন থেকে বিশ্বাস করতেন যে, ললিতের বাবা এবং নারায়ণী দেবীর স্বামীর ‘আত্মা’ই তাদেরকে বাঁচিয়ে দেবেন। একদম শেষ ডায়েরিতে লেখা শেষ বাক্যটি ছিল- ‘…একটা কাপে জল রেখে দেবে। ওই জলের রঙ যখন বদলাতে থাকবে, তখনই জানবে যে আমি উপস্থিত হবো এবং তোমাদের সবাইকে বাঁচাব’। ওই ‘ক্রিয়াকর্ম’ হয়ে যাওয়ার পর প্রত্যেকের বাঁধন খুলে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু…

    সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজে যা দেখা যায়- রাত ১০টা- বাড়ির এক বয়স্ক গিন্নি কিছু তুলে নিয়ে ভেতরে ঢুকলেন। রাত ১০টা ১৫ মিনিটি- দুই ছেলে ধ্রব ও সোহম তার নিয়ে বাড়িতে ঢুকলেন। রাত ১০টা ৩৯ মিনিট- দোকানে অর্ডার দেয়া ২০টি রুটি বাসায় পৌঁছলো। রাত ১০টা ৫৭ মিনিট- কুকুর নিয়ে হাঁটতে বের হন বাড়ির বড় ছেলে ভুবনেশ এবং রাত ১১টা ৪ মিনিটে তিনি আবার বাড়িতে ফেরত আসেন। সবশেষ ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে বাড়ির সামনে দিয়ে একটি দুধের গাড়ি চলে যায়।

    সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ এবং ডায়েরির নোট হাতে আসায় পুলিশ এক প্রকার নিশ্চিত ওই ঘটনা কোনো খুনের নয়। নেহাতই আধ্যাত্মিক কারণেই তারা আত্মহত্যা করেছেন।

  • বরিশালের ২১ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকায় মনোনীত হয়েছে যারা…

    বরিশালের ২১ আসনে বিএনপি প্রার্থীদের তালিকায় মনোনীত হয়েছে যারা…

    নানা প্রতিকূল পরিবেশেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি। যে কোনো পরিস্থিতিতেই দলটি নির্বাচনে যেতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ৩০০ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পৌঁছেছে। কয়েক দফা জরিপ চালিয়ে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও শুরু করেছেন।
    দলটি আশা করছে- ভোটের আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারামুক্তি লাভ করবেন। কোনো কারণে তিনি মুক্তি না পেলেও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে দলটি। হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরপরই মাঠে ঝাপিয়ে পড়বেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

    তারেক রহমানের টেবিলে যাওয়া দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৪২ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। সেখানে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বরিশাল-৫ আসনে একক বিবেচনা করা হয়েছে।

    যদিও সরোয়ারকে বিএনপি থেকেই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও পরাজয় মেনে নিয়েছে।

    তালিকা সূত্রে জানা গেছে- বরগুনা-১ মতিউরর রহমান তালুকদার, ফিরোজ আহমেদ ও মাহবুবুল হক ফারুক মোল্লা, বরগুনা-২ অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নূরুল ইসলাম মনি।

    পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ মো. শাহজাহান খান, হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক।

    ভোলা-১ বিজেপির আন্দালীব রহমান পার্থ, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম ও নূরুল ইসলাম নয়ন।

    বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন, আকন্দ কুদ্দুসুর রহমান, আবদুস সোবাহান ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, ইলিয়াস খান ও রওনাকুল আলম টিপু, বরিশাল-৩ বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও শাহ আবুল হোসাইন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান।

    ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীরোত্তম, ঝালকাঠি-২ ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, মাহবুবুল হক নান্নু ও জেবা খান।

    পিরোজপুর-১ জামায়াতের দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-২ নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ শাহজাহান মিয়া এবং কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহজাহান মিলন।