Author: banglarmukh official

  • ঘুষ গ্রহণকালে রেলওয়ে কর্মকর্তা আটক

    ঘুষ গ্রহণকালে রেলওয়ে কর্মকর্তা আটক

    ঘুষের টাকা গ্রহণকালে হাতেনাতে রেলওয়ের কুলাউড়া সেকশনের ঊর্ধ্বতন সহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোহাম্মদ এরফানুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে কুলাউড়া রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের রুমে রেলওয়ের এক কর্মচারীর কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

    এরফান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার নাওঘাট গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

    জানা যায়, এরফানুর রহমান ৫ বছর আগে রেলওয়ের কুলাউড়া সেকশনের ঊর্ধ্বতন সহকারী প্রকৌশলী (পথ) হিসেবে যোগ দেন। কুলাউড়ায় যোগ দিয়েই শুরু করেন ঘুষ বাণিজ্য। তার অধিনস্ত সকল কর্মচারীর কাছ থেকে বিভিন্ন দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে জিম্মি করে ঘুষ আদায় করতেন।

    jagonews24

    মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর তার অধিনস্ত কর্মচারী রেলের ওয়েম্যান আবুল হোসেনের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ (মাসোহারা) গ্রহণের সময় দুদক হবিগঞ্জ জেলা সম্মলিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় সাহার নেতেৃত্বে ৫ সদস্যের একটি দল গোপনে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে।

    দুদক হবিগঞ্জ জেলা সম্মলিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মলয় সাহা জানান, এরফান দীর্ঘ দিন থেকে তার অধিনস্ত কর্মচারীদের কাছ থেকে ঘুষ ও মাসিক মসোহারা আদায় করতেন বলে অভিযোগ ছিল। তাকে হাতেনাতে আটক করে কুলাউড়া রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    কুলাউড়া রেলওয়ে থানার ওসি আব্দুল মালেক জানান, দুদক কর্মকর্তারা এরফানুর রহমানকে রেলওয়ে থানায় হস্তান্তর করে দিয়ে গেছেন। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

  • কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি

    কোয়ার্টার ফাইনালে কে কার মুখোমুখি

    ৩২টি দল নিয়ে শুরু হয়েছিল রাশিয়া বিশ্বকাপ। ইতোমধ্যেই বিদায় নিয়ে ফেললো মোট ২৪টি দল। রইল বাকি আর ৮টি। এই ৮টি দল নিয়েই ৬ জুলাই শুরু হবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা। হবে সেমি ফাইনালে ওঠার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চিত হয়ে গেল কোয়ার্টারে কে কার মুখোমুখি হচ্ছে।

    দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিন মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স এবং উরুগুয়ে ও পর্তুগাল। আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে দিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করে ফ্রান্স। অন্যদিকে পর্তুগালকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে কোয়ার্টারে উঠে যায় উরুগুয়ে। কোয়ার্টারে মুখোমুখি হওয়ার কথা ফ্রান্স এবং উরুগুয়ের।

    দ্বিতীয় দিন মাঠে নামেন স্পেন-রাশিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া-ডেনমার্ক। ওইদিন নাটকীয়ভাবে টাইব্রেকারে স্পেনকে বিদায় করে দেয় স্বাগতিক রাশিয়া এবং একই নাটকীয় টাইব্রেকারে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে যায় ডেনমার্ক। শেষ আটে মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই ম্যাচের বিজয়ী দল।

    তৃতীয়দিন মুখোমুখি হয় ব্রাজিল-মেক্সিকো এবং বেলজিয়াম-জাপান। মেক্সিকোর বিপক্ষে নেইমার জাদুতে ২-০ গোলের দারুণ জয় পায় ব্রাজিল। অন্য ম্যাচে নাটকীয়ভাবে শেষ মুহূর্তে জাপানের স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় বেলজিয়াম। শেষ আটে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল এবং বেলজিয়াম।

    দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষ দিনের দুই ম্যাচের প্রথমটিতে মুখোমুখি সুইজারল্যান্ড এবং সুইডেন। এই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠে যায় সুইজারল্যান্ড। শেষ ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড এবং কলম্বিয়া। এই ম্যাচেও নাটকীয়তার পর নাটকীয়তা। রেফারির বদান্যতায় পেনাল্টিতে গোল পেল ইংল্যান্ড। খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার খানিক আগ মুহূর্তে হঠাৎ গোল দিয়ে বসে কলম্বিয়া।

    শেষ পর্যন্ত খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও আরও কেউ গোল করতে পারেনি। ফলে ফল নির্ধারে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই কলম্বিয়ার স্বপ্ন ভেঙে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড।

    কোয়ার্টার ফাইনালের সূচি
    ৬ জুলাই, রাত ৮টা, ফ্রান্স-উরুগুয়ে, নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম
    ৬ জুলাই, রাত ১২টা, ব্রাজিল-বেলজিয়াম, কাজান এরেনা
    ৭ জুলাই, রাত ৮টা, সুইডেন-ইংল্যান্ড, সামারা এরেনা
    ৭ জুলাই, রাত ১২টা, রাশিয়া-ক্রোয়েশিয়া, ফিশ্ট স্টেডিয়াম।

    *সূচি বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী।

  • সাঁতরাতে শিখছে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া ফুটবল টিম

    সাঁতরাতে শিখছে থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া ফুটবল টিম

    থাইল্যান্ডের গুহায় আটকে পড়া তরুণ ফুটবল টিমের ১২ সদস্যের কাছে পৌঁছেছে দেশটির নৌ-বাহিনীর সিল টিম। তারা ওই তরুণ ফুটবলারদের শেখাচ্ছে কিভাবে পানির নিচে সাঁতরাতে হয়। গুহা থেকে বের হওয়ার জন্য একটি সম্ভাব্য পদক্ষেপের জন্যই তাদেরকে এমনটা শেখানো হচ্ছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
    খবরে বলা হয়, থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে একটি গুহায় ১১ দিন আগে আটকা পরে ওই ফুটবল দল ও দলের কোচ। বাইরের বৈরি আবহাওয়ার কারণে গুহা থেকে তাদের একমাসের আগে উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
    আটকে পরা বালকদের কেউই সাঁতরাতে জানে না। তাই,তাদেরকে বের করে আনতে সাঁতরানো শেখাচ্ছে নৌবাহিনীর সিল টিমের সদস্যরা। আপাতত তাদের উদ্ধার করার সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এই পদ্ধতিকে। কেননা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে তাদের বের করে আনা দুঃসাধ্য হয়ে ওঠবে।
    বর্তমানে তারা সাঁতরানোর জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবহার শিখছে। কিন্তু কেউই সাঁতরে বের হওয়ার চেষ্টা করেনি। কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে গুহার ভেতর থেকে পানি সেঁচে তাদের বের হওয়ার রাস্তা সুগম করতে। যাতে করে তারা বেশিরভাগ পথ হেটে বের হতে পারে। তবে তা সত্ত্বেও কিছুটা পথ তাদের সাঁতরেই পাড়ি দিতে হবে।
    সোমবার রাতে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। আপাতত তারা উঁচু জায়গায় আছে। তাই বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু শুক্রবার ব্যাপক আকারে বৃষ্টি ও ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন তাদের বের হওয়া কঠিন হয়ে ওঠবে।
    নৌবাহিনীর সিল টিম তাদের ফেসবুক পেজে বালকদের নিয়ে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যায়, তারা এখনো সুস্থ ও নিরাপদ আছে। একজন থাই চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা করছেন। তাদের কাছে খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।
    এছাড়া, তাদের কাছে মুঠোফোন পাঠানোর চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ। সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের কাছে মুঠোফোন পাঠানো হলে, তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারবে। এতে অনেকটা চাপ কমে যাবে।
  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন যারা…

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন যারা…

    বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ৩০টি সাধারণ ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৫২ কাউন্সিলর প্রার্থী।

    এরমধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডে ১১৪ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এরমধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সাধারণ ওয়ার্ডে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন।

    কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ দলীয় সমর্থনের প্রার্থী দিলেও বিএনপি কিংবা অন্য কোনো দল প্রার্থীদের সমর্থনের ঘোষণা দেননি। তবে বিএনপিপন্থী নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলররা নির্বাচন করছেন।

    বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি নির্বাচনে ৩০ ওয়ার্ডের মধ্যে এক নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী মো. আউয়াল মোল্লা, বর্তমান কাউন্সিলর কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের শ্যালক সৈয়দ সাইদুল হাসান মামুন ও আমির হোসেন বিশ্বাস প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।

    দুই নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয়পার্টির মহানগর কমিটির সভাপতি ও বর্তমান কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট একেএম মুরতজা আবেদীন, তার স্ত্রী নাছিমা নাজনীন, আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী মো. আহসান উল্লাহ ও এসএম মাওয়ারদীসহ চারজন প্রার্থী রয়েছেন।

    তিন নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ সৈয়দ হাবিবুর রহমান ফারুক, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান মৃধা, শামিম খান, মো. মাহবুবুল আলম খান, হালিমা বেগম, মুহা. কামরুজ্জামান, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও মো. শাহজাহান সিরাজ।

    চার নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. ইউনুছ মিয়া, তার ভাই হারুন অর রশিদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, মো. ইলিয়াস তালুকদার, মো. এমরান হোসেন শরীফ, এসএম কাওছার হোসেন।

    পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. মাইনুল হক, আওয়ামী লীগ সমর্থিত শেখ আনোয়ার হোসেন ছালেক, মো. জাহিদুল ইসলাম সবুজ, মো. আলম বিশ্বাস, মো. মন্টু, মো. কেফায়েত হোসেন রনি, জিয়াউল হক চিশতি নাদির। ছয় নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর এমডি হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আকতার উজ্জামান, মো. আতাউল গণি ও তার ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম, খান মোহাম্মদ জামাল হোসেন।
    সাত নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ আকবর, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম খোকন ও শেখ মো. আলম। আট নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সুরঞ্জিত দত্ত লিটু, বর্তমান কাউন্সিলর মো. সেলিম হাওলাদার ও মো. আল আমিন। নয় নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা সৈয়দ জামাল হোসেন নোমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    বর্তমানে বৈধ তিন প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. হারুন অর রসিদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত এএসএম মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম ও মো. সমীম রহমান।

    ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত জয়নাল আবেদীন হাওলাদার ও সাবেক কাউন্সিলর এটিএম শহিদুল্লাহ কবির। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. মজিবর রহমান, মো. রাজা ও মারুফ আহম্মেদ। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-১) আলহাজ কেএম শহীদুল্লাহ ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. জাকির হোসেন । ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. মেহেদী পারভেজ খান, বিএনপির প্রার্থী মো. মতিউর রহমান, মো. মেজবাউল মোর্শেদ খান ও মারুফ খান।

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াত নেতা ও বর্তমান কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী তৌহিদুর রহমান ছাবিদ এছাড়াও রয়েছে মো. শাকিল হোসেন পালাশ। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খান ও মো. মাকছুদ আলম মাসুদ। ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর (প্যানেল মেয়র-২) ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোশারেফ আলী খান বাদশা, রুবিনা আক্তার ও বিএনপির প্রার্থী কামরুল হাসান। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর আকতার উজ্জামান গাজী হিরু ও মো. আনোয়ার হোসেন। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মীর একেএম জাহিদুল কবির, তার স্ত্রী শাহানা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান ও মনিরুল ইসলাম।

    ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে সুমন হাওলাদার আশিষের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে বৈধ দুই প্রার্থী হলেন বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গাজী নঈমুল হোসেন লিটু ও জাতীয়পার্টির মো. হানিফ চৌধুরী। ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এসএম জাকির হোসেন, জিয়াউর রহমান ও মো. সাইদুর রহমান। এরা সবাই আওয়ামীলীগপন্থী হলেও দলীয়ভাবে কাউকেই সমর্থন দেয়নি মহানগর আওয়ামী লীগ। ২১ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ আলতাফ মাহমুদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শেখ সাঈদ আহমেদ, মু. শাহরিয়ার সাচিব ও মো. তারিকুল ইসলাম। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিছুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর আ ন ম সাইফুল আহসান আজিম ও তানভীর হোসেন রানা। ২৩ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার, এমরান চৌধুরী জামাল, মো. মিজানুর রহমান ও মো. শামীম। এই ওয়ার্ডেও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সমর্থন করেনি।

    ২৪ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শরীফ মো. আনিছুর রহমান (আনিছ শরীফ), বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর মো. ফিরোজ আহমেদ, জাহাঙ্গীর মোল্লা, মো. জাকির হোসেন ও মো. আবদুল বারেক হাওলাদার। ২৫ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, সুলতান মাহমুদ, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এম. সাইদুর রহমান জাকির, মো. আবু হানিফ ও মো. ফজলুর রহমান হাওলাদার। ২৬ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ হাসান ইমাম।

    ২৭ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর মো. নূরুল ইসলাম, মো. গিয়াস উদ্দিন বাবুল মোল্লা, মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, মো. আলতাফ হোসেন সিকদার হারুন ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. আবদুর রশিদ হাওলাদার। ২৮ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বরিশাল জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. জাহিদ হোসেন ও মো. হুমায়ুন কবির। ২৯ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর কাজী মনিরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. ফরিদ আহমেদ ও মো. মনিরুজ্জামান খান। ৩০ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা খায়রুল মামুন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আজাদ হোসেন মোল্লা কালাম ও সাবেক কাউন্সিলর মো. নিয়াজ মাহমুদ বেগ।

    এছাড়া ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে এক নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-৩ শরীফ তাসলিমা কালাম পলি, আঞ্জুমান আরা সাথি, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মিনু রহমান ও নুরুন্নাহার বেগম পুষ্প। দুই নম্বর ওয়ার্ডে ফাতেমা রহমান, জাহানারা বেগম, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমতাজ বেগম, জ্যোৎনা রানি বনিক সুমা, কানন বেগম ও জোছনা বেগম। ৩ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর কহিনুর বেগম ও জোহরা। ৪ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাকসুদা আক্তার মিতু, আয়শা তৌহিদ লুনা এবং তাসমিমা আহম্মেদ। ৫ নং ওয়ার্ডে ইসরাত জাহান, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোসা. কামরুন্নাহার রোজী, সাহিনা পারভীন ও হোসনেয়ারা বেগম। ৬ নং ওয়ার্ডে নাসিমা হান্নান, মারিয়া ইসলাম মুন্নি, মোর্শেদা বেগম কাজল, সালমা আক্তার, বেবী জেসমিন, মজিদা বোরহান, বেলী রানি সাহা, হোসনে আরা বেগম ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গায়েত্রী সরকার। ৭নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সালমা আক্তার শিলা ও রোকসানা বেগম। ৮ নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রেশমী বেগম, পারুল আক্তার ও সাবিনা ইয়াসমিন। ৯ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ডালিম বেগম, বর্তমান কাউন্সিলর সেলিনা বেগম ও মোসা. আয়শা বেগম। ১০ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোসা. রোজী বেগম ও রাশিদা পারভীন প্রার্থীহয়েছেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রাধান্য পাচ্ছে ডিজিটাল প্রচারনা

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রাধান্য পাচ্ছে ডিজিটাল প্রচারনা

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৫ ভাগ ভোটারেরই বয়স হচ্ছে ২৩ বছরের নিচে। অর্থাৎ ২৫ ভাগ ভোটারই হচ্ছে তরুণ।

    এছাড়া প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার বৃদ্ধিতে বর্তমানে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের অধিকাংশ মানুষই এখন ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত। ফলে প্রায় ৮০ হাজার ভোটারের বরিশাল সিটি নির্বাচনে জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্ক গড়ে উঠছে ডিজিটাল মাধ্যমে।

    অনেক ক্ষেত্রেই একটা নির্বাচনী সভার চেয়ে ফেসবুকের একটি স্ট্যাটাসের বার্তা বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। তাই ডিজিটাল মাধ্যমকে যারা অবহেলা করবে নির্বাচনী প্রচারে পিছিয়ে পড়বে তারা।

    সম্প্রতি আমেরিকা ও ভারতের নির্বাচনেও ডিজিটাল প্রচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম এবং প্রযুক্তি নির্ভর জীবন যাত্রায় অভ্যস্ত বিশাল জনগোষ্ঠির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সহজ পন্থা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তাই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৃণমূলে ছড়িয়ে থাকা সাধারণ জনগণের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় করে তোলার জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই তাদের সকল কর্মকান্ডের তথ্য তুলে ধরতে হয় ফেসবুক, গুগল প্লাস ও টুইটার এ্যাকাউন্টে।

    আর এ ইস্যুটির আবশ্যকতা উপলব্ধি করে বর্তমানে সিটি নির্বাচনে পার্থীদের একাধিক তরুণ নেতা তৃণমূলে নিজেদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রচারকে প্রাধান্য দিচ্ছে। কেউ কেউ যুক্ত হয়েছেন ইউটিউব চ্যানেলে।

    এসব চ্যানেলে সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগের ভিডিও ছাড়াও আপলোড করা হচ্ছে বিশেষ তথ্য বা প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি)। ডিজিটাল প্রচারের ক্ষেত্রে বিসিসি নির্বাচনে ফেসবুক লাইভ বড় হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। রাজনৈতিক দলসহ নেতাকর্মীরা নিজেদেরকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ফেসবুকের বিশেষ এই ফিচার ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত বড় বড় সভা-সমাবেশের প্রচারের ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর কৌশল হতে চলেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর  মনোনীত আসন্ন বরিশাল সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মহানগর আ’লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে আপলোড দিয়ে বিশেষ তথ্য বা প্রামাণ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) কার্যক্রম শুরু করছেন। তার পেজ থেকে বিশেষ তথ্য বা প্রামাণ্যচিত্র কার্যক্রম জনসাধারণের নজর কেড়েছে।

    সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ জানায়, সর্ব প্রথম নগরবাসীদের সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণের পর বিশ্লেশনের মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করে নগরবাসীদের কাছে ভিডিও ডকুমেন্টারির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। নগরবাসীদের পুরোনো সকল অসুবিধা সমাধান   কারো পক্ষেই একার করা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে বরিশালবাসীর সার্থে উন্নয়নের স্বার্থে কথায় না বলে কাজে নগরবাসীদের সমাধানের জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

    অপর দিকে জনসমর্থন ক্রমশ তলানীতে নামতে থাকা মাঠের রাজনীতিতে নির্বাসিত দেশের অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপিও হৃত অবস্থান পুনরুদ্ধারে প্রযুক্তি ব্যবহারে ধীরে ধীরে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

    উন্নত বিশ্বের মতো ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারনা ক্রমশঃ দেশীয় সংস্কৃতিতে জায়গা করে মূলত তরুণ নেতারাই ডিজিটাল প্রচারে বেশ এগিয়ে।

    বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, বিসিসিতে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৯শ’ ৫৯ জন। গত নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ২শ’ ২৭। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৭টি। গত বছর এর সংখ্যা ছিল ১শ’টি। গতবার ভোটার বেড়েছিল ৩১ হাজার ৪৬২ জন। গতবারের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ৩০ হাজার ৭৩২ জন। এঁদের অধিকাংশই তরুণ। বাকিরা স্থানান্তরিত হয়ে শহরে এসেছেন।

  • সমৃদ্ধির বরিশাল গড়তে মেয়র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যতিক্রমী ডিজিটাল আহ্বান

    সমৃদ্ধির বরিশাল গড়তে মেয়র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যতিক্রমী ডিজিটাল আহ্বান

    সমৃদ্ধির পথে নগরবাসীদের নিয়ে আগামীর বরিশাল গড়ার প্রত্যয়ে ভিন্ন আঙ্গীকে অনলাইনে আহ্বান আ’লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্’র অঙ্গীকার। আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত এ মেয়র প্রার্থীর লিখিত কোন ইশতেহার না দিলেও সমৃদ্ধির পথে বরিশাল সিটি গড়ার রুপকল্পের ঘোষনা প্রদানে ভিন্ন মাত্রার যোগ হয়েছে। নগরবাসীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকের মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধির বরিশাল গড়ার রুপকল্পের ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রচারিত হওয়ায় ব্যাপকভাবে সারা জাগিয়ে তুলেছে মেয়র প্রার্থীর সম্ভাবনার নতুন আঙ্গীকের এ মাধ্যমটি। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে বরিশাল নগরীর চিহ্নিত সকল মৌলিক সমস্যা সমাধানের জন্য বার্তা পৌছে দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নগরবাসীর কাছে। নগরপিতায় আসীন হতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনরায় কুড়ানোর কৌশলী লিখিত অগ্রিম ইশতেহারের প্রথাকে বিদায় জানিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপে অগ্রসর হয়েছে মেয়র প্রার্থী সাদিক আব্দুল্লাহ্। বাংলাদেশ আ’লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল দেশ গড়ার অঙ্গীকারকে বাস্তবায়নের রুপদিতে ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন করে নগরমনে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে তুলেছে বরিশালের মেয়র প্রার্থী সাদিক। সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন প্রতিটা ওয়ার্ড থেকে শুরু করে পাড়া মহল্লার অলি গলির সমেস্যা সমূহ সরেজমিনে চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য নগরবাসীদের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। আসন্ন আগামি ৩০ জুলাই’র বিসিসি নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত মেয়র পদের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ নগরবাসীদের প্রতিটা চাহিদা পূরন করাই হবে তার নির্বাচনী ইশতেহার বলে লিখিত কোন ইশতেহার জমা দেয়নি। গতকাল রাতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকার মৌলিক সমস্যাসমূহ উপস্থাপন সহ সমাধানের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হবার একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি সামাজিক অনলাইন গনমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সমৃদ্ধির পথে আগামীর বরিশাল এমন শিরোনামের ডকুমেন্টারিতে উপস্থাপনে বরিশাল সিটির মধ্য ভাগে উন্নয়নের ছোয়া লাগলেও বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের অব্যবস্থাপনার কারনে বিসিসি’র আওতাধীন অনেক বর্ধিত এলাকাগুলোতে উন্নয়নের ছোয়া মাত্র পৌছায় নি। বর্ধিত অনেক এলাকাতে বিদ্যুৎ সংযোগ যায়নি শহরের ন্যায় অনেক এলাকাতে পিচ ঢালা রাস্তার দেখাও মেলেনা অনেক বর্ধিত এলাকায়। ফলে সিটির নাগরীকদের অধিকার আদায়েও হোচট খায় ইট ভাঙা রাস্তায় চলার পথে। বিসিসি’র অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে উপস্থাপন করা হয় বর্ধিত এলাকার মূর্মূর্ষ রোগীর চিকিৎসার জন্যও শহরের পানে ছুটতে হচ্ছে। সিটি’র মধ্যভাগে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হলেও বর্ধিত এলাকার শিক্ষার আলোর প্রসার ঘটেনি অনেক স্থানেই। ফলে বাল্যবিবাহ থেকে শরু করে বেকারত্বের অভিশাপে মাদকাসক্তির সমাজে রুপ নিচ্ছে আগামি প্রজন্মের ভবিষৎ। সামান্ন বৃষ্টিতেই গোটা শহরে জলাবদ্ধতার কারনে দুর্ভোগ ভোগান্তীতে জনজীবন অতিষ্ঠ শহর থেকে বর্ধিত এলাকাবাসীর। শিশু কিশোরদের জন্য নেই সবুজ খেলার মাঠ অনেক এলাকায়। বিসিসি’র অব্যবস্থাপনায় এমন হাজারো সমস্যার সমাধানে সমৃদ্ধির পথে আগামীর বরিশাল গড়ার অংশীদার হিসেবে নগরবাসীদের একযোগে কাজ করার আহবান জানায় বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্। তিনি নগরবাসীদের সমৃদ্ধি বরিশাল গড়তে সহায়তা প্রদান করার আহবান জানিয়ে অঙ্গীকার করে প্রতিটা ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিক গড়ার। প্রতিটা ওয়ার্ডে পরিবেশ বান্ধব সবুজ খেলার মাঠ উপহার দিতে চায় শিশুদের। শহর ও বর্ধিত এলাকার মধ্যকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি করনসহ নাগরীক অধিকার নিশ্চিত করা। প্রনাটা নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করন যাতে করে বরিশালের নারীরাও এগিয়ে যায় অন্যান্যদের ন্যায়। প্রতিটা ঘড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছানো কৃষি কাজে আধুনিকতার ছোয়া উন্নত শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার এবং প্রতিটা শিশুর জন্য সংস্তৃতি মৌল শিক্ষা প্রদানে আগামীর তরুন সমাজকে এগিয়ে রাখা প্রতিটা ওয়ার্ডে শিশুদের জন্য গ্রিন শিশু পার্ক গড়াসহ বরিশাল শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়াম কে আন্তজার্তিক হিসেবে ক্ষ্যাতী প্রদান করতে বরিশাল নগরবাসীদের তার সাথে একযোগে কাজ করার আহবান জানায়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সংগঠনের মনোনীত আসন্ন বরিশাল সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মহানগর আ’লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্ জানায়, সর্ব প্রথম নগরবাসীদের সমস্যাসমূহ চিহ্নিতকরণের পর বিশ্লেশনের মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করে নগরবাসীদের কাছে ভিডিও ডকুমেন্টারির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। নগরবাসীদের পুরোনো সকল সমস্যা সমাধান একার কারো পক্ষেই দেয়া সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে বরিশালবাসীর সার্থে উন্নয়নের স্বার্থে কথায় না হয়ে কাজে নগরবাসীদের সমাধানের জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রচারণায় এগিয়ে সাদিক, এখনো ‘নিস্তেজ’ সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে প্রচারণায় এগিয়ে সাদিক, এখনো ‘নিস্তেজ’ সরোয়ার

    শেখ সুমন :

    আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ১৪ দলীয় জোটেরও মনোনীত প্রার্থী। অর্থাৎ দল কিংবা জোট থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ কোনো প্রার্থী নেই। অন্যদিকে এক ধরনের অস্বস্তির মধ্যে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। কারণ নিজ দলের স্থানীয় শীর্ষ পর্যায়ের তিন নেতা এখনো তাঁর সঙ্গে ‘হাত মেলাননি’, যাঁরা কিনা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।

    এই তিন নেতা হলেন বর্তমান মেয়র আহসান হাবীব কামাল, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গতকাল রবিবার যাচাই-বাছাই পর্যন্ত এই তিন নেতার কাউকে সরোয়ারের পক্ষে দেখা যায়নি। জামায়াতে ইসলামী সরোয়ারকে সমর্থন দিলেও জোটের আরেক দল খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী দিয়ে রেখেছে। তাই সব দিক ঠিক করে এখনো সরোয়ারের পক্ষে পুরোদমে প্রচারণার মাঠে নামা সম্ভব হয়নি।

    গত বুধবার রাতে জেলা ও নগর ১৪ দলের এক সভায় সাদিককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এরপর ১৪ দলের নেতাকর্মীরা তাঁর পক্ষে প্রচারণা শুরু করে। গত শনিবার সাদিকের পক্ষে বৈঠক করেন তাঁর মা কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেতা সাহান আরা বেগম। বরিশাল জেলা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীদের নিয়ে তিনি বৈঠকটি করেন। সেখানে সবাই সাদিককে মেয়র নির্বাচিত করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এরপর তাঁর পক্ষে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতারা বৈঠক করেন এবং প্রচারণায় নামেন।

    গতকাল মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হন সাদিক। এরপর তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    তবে সরোয়ার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাননি। বরিশাল মহানগর এলাকায় কিছু নেতাকর্মী নিয়ে দু-একটি সভা করতে দেখা গেছে সরোয়ারকে। তিনি বাইরেও খুব একটা বের হন না। তবে বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বরিশাল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় তিন নেতার সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাঁরা সবাই সরোয়ারের পক্ষে মাঠে নামলেই তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম প্রাণ ফিরে পাবে। এর বাইরে জামায়াতে ইসলামী সরোয়ারের পক্ষে রয়েছে। আর খেলাফত মজলিস প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।

    বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, কেন্দ্র থেকে ২০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী করা হয়েছে মজিবর রহমান সরোয়ারকে। খেলাফত মজলিস যেহেতু জোটের শরিক, সে কারণে তাদের কেন্দ্রের সিদ্ধান্তই অনুসরণ করতে হবে।

  • মায়ের উপর অভিমানে ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    মায়ের উপর অভিমানে ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বরিশাল নগরীর কাউনিয়া আছমত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফারহানা (১১) নামের ৪র্থ শ্রেনীর এক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে।

    পরে কাউনিয়া থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে দুপুর সোয়া ৩ টার দিকে মৃত দেহ উদ্ধার করে। মৃত ফারহানার বাবা মো: ফারুক মিয়া। তিনি পেশায় একজন অটোচালক। ফারুকের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে হওয়ায় তারা স্ব-পরিবারে কাউনিয়ার ছোট মিয়ার বাড়ি দীর্ঘ দিন যাবৎ ভাড়া থাকতো।

    এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ শাহ আলম জানান, গোসল করতে দেরি হওয়ায় মৃত ফারহানাকে সকাল ১১ টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য তার মা রাগারাগি করেছিলো। পরে সকাল ১১ টার দিকে মৃতর মা অন্য বাসায় কাজ করতে যায়। দুপুর ১ টার দিকে বাসায় ফিরে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ পায়। সন্দেহ হলে জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ফারহানাকে নিজের ওড়না দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে থানায় সংবাদ পেলে পুলিশ এসে ফারহানার ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত দেহটি উদ্ধার করে।

    তিনি আরো জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেরইবাংলা মেডিকেল হাসপাতালের মর্গে নেয়া হবে।

  • হিরক রাজার দেশে বাস করছে আজ দেশের মানুষ

    হিরক রাজার দেশে বাস করছে আজ দেশের মানুষ

    শেখ সুমন :

    আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, মুক্তিযুদ্বের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্ঝন করা দেশের মানুষ আজ হিরক রাজার দেশে বাস করছে।

    মুক্তিযুদ্বের চেতনা হচ্ছে গনতন্ত্র প্রধান মন্ত্রী মুক্তিযুদ্বের দোহাই দিয়ে গনতন্ত্রের চেতনা থেকে সরে আসছে।
    সরকার আজ দেশের ব্যাংক লুঠপাটকারী,মাদক ব্যাবসায়ী সহ অযোগ্যহীনদের বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে রাখার কারনেই দেশ থেকে গনতন্ত্র হারিয়ে যাচ্ছে।

    আজ সোমবার সন্ধায় নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া মেয়র প্রাথী এ্যাড মজিবর রহমান সরোয়ারকে উত্তর জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতা-কর্মীদের উর্দেশ্যে একথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ,আগৈলঝাড়া বিএনপি আহবায়ক সাহাবুদ্দিন লাল্টু, যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন।
    মজিবর রহমান সরোয়ারকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উত্তর জেলা যুবদলের নব গঠিত কমিটির সভাপতি মোল্লা মাহফুজ,সাধারন সম্পাদক সালাউদ্দিন পিপলু,সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির দেওয়ান,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম হাওলাদার,হিজলা যুবদল আহবায়ক বেলাল জমাদ্দার,যুগ্ম আহবায়ক রিমন দেওয়ান,মুলাদী যুবদল যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন সিকদার,মিন্টু রাড়ি,ছাত্রদলের পাভেজ খন্দকার সহ হিজলা,মেহেন্দিগঞ্জ,মুলাদী,আগৈলঝাড়া ও গৌরনদীর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মজিবর রহমান সরোয়ার আরো বলেন বর্তমান অবৈধ সরকার ৫ই জানুয়ারী বিনা ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে ১৫৪জন সংসদ সদস্য পাশ করিয়ে ক্ষমতায় জেকে বসেছে।

    তারা শুধু উন্নয়নের কথা বলে গনতন্ত্রকে বাধাগ্রস্থ করছে। বর্তমান সরকার প্রধান নিজেই এক সময় বলেছিলেন দলীয় সরকারের অধিনে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে না।
    সরকার তার নিজের কথা ভঙ্গ করে এখন দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন করে ভোট ডাকাতীর মাধ্যমে জনগনের ভোটের অধিকার হরন করছে।

    তাই আগামী সিটি নির্বাচনের ভোট যুদ্বের মাধ্যমে দেশ মুক্তির আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্বভাবে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

  • বরিশালে একটু বেশি আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন

    বরিশালে একটু বেশি আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন

    সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলে বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরেই চলে আসছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নাম। ৩১ বছর বয়সী এই দলটি সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট রাজনীতি ও ভোটের খবরাখবর রাখেন—এমন মানুষের কাছে চমক সৃষ্টি করছে। দলটি এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নিজেদের শক্তি দেখাতে চায় বলে জানিয়েছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

    সদ্য শেষ হওয়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফলে দলটির অবস্থান তৃতীয়। এখানে তাদের মেয়র প্রার্থী মো. নাসিরউদ্দিন হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮১ ভোট। এবারই প্রথম তারা এই সিটিতে নির্বাচনে অংশ নেয়। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী পান ১৬৫৯ ভোট এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী পান ৯৭৩ ভোট।

    খুলনা সিটির নির্বাচনেও প্রথমবার অংশ নিয়ে ইসলামী আন্দোলন পায় ১৪ হাজার ৩৬৩ ভোট। এটি ছিল ওই নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট। খুলনা সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী পান ১ হাজার ৭২৩ ভোট। আর সিপিবির প্রার্থী পান ৫৩৪ ভোট।

    এর আগে ২০১৫ সালে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরেই তৃতীয় অবস্থানে ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ঢাকা উত্তরে তাদের প্রার্থী শেখ ফজল বারী মাসউদ পেয়েছিলেন ১৮ হাজার ভোট। আর দক্ষিণে আবদুর রহমান পান ১৫ হাজার ভোট।

    নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪০। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের বাইরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নীরবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে নিজেদের অবস্থান জানান নিচ্ছে। রাজনীতিতে তেমন কোনো আলোচনায় না থেকেও ইসলামী শাসনতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দলের ভোটের হিসাব চমক তৈরি করছে।

    ১৯৮৭ সালে চরমোনাই পীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এর আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তারা সাত দল মিলে ইসলামী ঐক্যজোটের অধীনে নির্বাচন করে। এ দুবারই তাদের দুজন প্রতিনিধি সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০০১–এর নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট বাঁধে এরশাদের সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জোট থেকে বের হয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়। সেবার ১৬০ আসনে প্রার্থী দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের বাইরে একমাত্র দল হিসেবে মোট ভোটের ১ শতাংশের বেশি ভোট পায়। দলটি বলছে, আগামী নির্বাচনে তাদের ভোট আরও বাড়বে। তবে এই দলের কোনো কোনো নেতা মনে করেন, ভোট বাড়লেও এককভাবে নির্বাচন করে সংসদে আসন পাওয়াটা কঠিন।

    ২০১৪ সালের নির্বাচনে দলটি অংশ নেয়নি। এ ব্যাপারে দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে একতরফা নির্বাচন হওয়ায় আমরা প্রত্যাখ্যান করি।’ তবে তাঁরা সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব কটিতেই অংশ নিচ্ছে।

    ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আলা উদ্দিন আলাল। নৌকার প্রার্থীকে ২১৮ ভোটে হারান তিনি।

    এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও দলটি চমক দেখিয়েছে। সেখানেও তাদের প্রার্থীরা অন্যদের চেয়ে ভালো ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এ জুলাইয়ে হতে যাওয়া বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহীতেও তাঁদের প্রার্থী রয়েছে। আশরাফ বলেন, ‘তিন সিটিতেই প্রার্থী দিয়েছি। আশা করি ভালো প্রতিযোগিতা হবে।’ তবে বরিশাল ও সিলেটের ব্যাপারে তাঁরা একটু বেশি আশাবাদী। তিনি বলেন, এই শহর দুটিতে তাঁদের ভালো জনসমর্থন রয়েছে।

    কোনো জোটে না থেকে এককভাবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির পরেই নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে আশরাফ বলেন- ‘মানুষ দেশে পরিবর্তন চায়। দূষিত কলঙ্কিত রাজনীতি আর দেখতে চায় না। আমরা মানুষের কথা বলতে পারছি। সে জন্যই মানুষ আমাদের ভোট দিচ্ছে।’

    দলটির এই রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন- ‘সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সবগুলোতে আমরা তৃতীয় হয়েছি। আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছি। ৩০০ আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে গেছে। তাঁদের নিয়ে আমরা কাজও শুরু করে দিয়েছি।’ তিনি জানান- ইতিমধ্যে তাঁরা রংপুরের ছয় আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন। খুব বেশি পুরোনো কোনো দল না হয়েও একক দল হিসেবে নির্বাচন করে নিজেরা রাজনীতির মাঠে শক্ত অবস্থানে আছে। তাঁদের আশা, সামনের নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে তাঁদের অবস্থান আরও পোক্ত হবে।