Author: banglarmukh official

  • ফরাসি বিপ্লবে মেসির স্বপ্নভঙ্গ

    ফরাসি বিপ্লবে মেসির স্বপ্নভঙ্গ

    ইতিহাসে ফরাসি বিপ্লবে পতন হয়েছিল বাস্তিল দুর্গের। আর শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ব সাক্ষী থাকল এক অন্য ফরাসি বিপ্লবের। যেখানে পতন হল আর্জন্টিনার। স্বপ্নভঙ্গ মেসির।

    সম্প্রতি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন মেসি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বকাপ না জিতে অবসর নিতে চাই না। এই কথা থেকেই অনেক কিছু বোঝা যায়। আর্জেন্টিনার জন্য বিশ্বকাপ কেমন তা এটা থেকেই বুঝে নেওয়ার কথা। আমার জন্যও তাই। বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন আমার মধ্যে সব সময়ই ছিল। শিরোপাটা জয়ের অনুভূতি কেমন আমি তা ছুঁয়ে দেখতে চাই।

    কিন্তু সেটা আর হলো। মাঝ পথেই পতন ঘটল নক্ষত্রের। যার হাতে কাপ দেখার স্বপ্নে বুঁদ ছিল গোটা দুনিয়া, সেই মেসি আর বিশ্বকাপেই নেই। সেই মেসি জ্বলে ওঠার আগেই নিভে গেলেন। সেই মেসি আজ দেশের জার্সি গায়ে আরও একবার ব্যর্থ। সেই মেসি আজ হেরে গেলেন একজন ফুটবলার, অধিনায়ক এবং সর্বোপরি একজন আর্জেন্টাইন নাগরিক হিসেবে। জীবনের কোনও পর্বে এসে ঈশ্বরকেও হয়তো পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়। আর সেই পরীক্ষাতেই এদিন মাথা নত হল ফুটবল ঈশ্বরের। ভক্তকূলের দীর্ঘদিনের প্রার্থনায়, প্রত্যাশায় ছেদ টানলেন এলএম টেন।

    চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েও নক-আউটে কখনও গোলের দেখাই পাননি আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। সমর্থকদের জন্য সান্ত্বনা পুরস্কারও যে রইল না। মার্কাডোকে দিয়ে একটা গোল করালেন। কিন্তু তা তো যথেষ্ট ছিল না মেসির জার্সি গায়ে ফুটপাতে শুয়ে থাকা সেই ছেলেটার জন্য। যে ঈশ্বরের বাঁ-পায়ের শটের অপেক্ষায় ছিল।

    দ্বিতীয়ার্ধে মেসির গোলমুখী শটও তো পারল না নীল-সাদা জার্সি গায়ে তোলা ওই সমর্থকদের চোখের জল আটকাতে। আজ তো গোটা আকাশ যেন ভেঙে পড়ল মাথার উপর। হাজার গঞ্জনা, হাজার অপমান সহ্য করেও যে ভক্তদের বিশ্বাস ছিল, দেশকে ঠিক ট্রফি এনে দেবেন মেসি। তাদের তো আর তর্ক করার কিছু রইল না। একরাশ শূন্যতাই দিয়ে গেলেন মেসি। নিজেকে ও তার ভক্তদের।

  • দুঃশ্চিন্তায় বিসিসির জনপ্রিয় কাউন্সিলররা

    দুঃশ্চিন্তায় বিসিসির জনপ্রিয় কাউন্সিলররা

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলরগণ দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন। সুষ্ঠ-সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে ছিটকে পড়তে পারেন তারা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির প্রায় দেড় ডজন কাউন্সিলর তাদের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। ফলে একটানা ১০ বছর কিংবা তার বেশি সময় ধরে কাউন্সিলর হিসেবে জনগণের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও তারা ওই সকল ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী। তাদের জনপ্রিয়তায় পূনরায় নির্বাচিত হতে পারেন বলে মনে করছেন স্ব-স্ব ওয়ার্ডের জনগণ। তবে গাজীপুর ও খুলনার মতো নির্বাচন নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছে ভোটার ও প্রার্থী উভয়ই।

    জনপ্রিয়তায় র্শীষে থাকা বিএনপির কাউন্সিলরগণ হলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও ২৫ নং ওয়ার্ডের একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি ও বিসিসির ২ নং ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর এড. একেএম মুরতজা আবেদীন,

    মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ১২ নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর কেএম শহিদুল্লাহ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ২৪নং ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ফিরোজ আহম্মেদ, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ও ২১ নং ওয়ার্ডে তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার,

    মহানগর বিএনপির কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও ২৬ নং ওয়ার্ডে তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর হুমায়ুন কবির, ৮নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর সেলিম হাওলাদার,

    ৫ নং ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর মাইনুল হক, ১৫ নং ওয়ার্ডে দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর সৈয়দ জাকির হোসেন জেলাল, বরিশাল মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ১৮ নং ওয়ার্ডে ৩ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মীর একেএম জাহিদুল কবির।

    এ ব্যাপারে বরিশাল মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া জানান, আমরা মোটেও সঙ্কিত নই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা নির্বাচিত হবো। তবে সরকার কি ধরণের নির্বাচন করবে এটা সরকারের ব্যাপার।

  • মাকে বিবস্ত্র করে পেটালো ছেলে ও পুত্রবধূ

    মাকে বিবস্ত্র করে পেটালো ছেলে ও পুত্রবধূ

    পটুয়াখালীর বাউফলে ছেলের কাছে ভরণপোষণ চাওয়ায় জমিলা খাতুন নামে এক মাকে বিবস্ত্র করে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে তার ছেলে ও পুত্রবধূ।

    আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বাউফল ইউনিয়নের পশ্চিম বিলবিলাস গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মা জমিলা খাতুন একই এলাকার বাসিন্দা।

    আহত জমিলা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছেলে জালাল তার কোনো ভরণপোষণ দিচ্ছে না। সকালে ভরণপোষণের কথা বলতে গেলে ছেলে জালাল সর্দার (৪২) ও তার স্ত্রী শারমিন (২৫) উত্তেজিত হয়ে প্রথমে মুগুইর (মুগ ডাল ছাড়াতে কাঠ দিয়ে বানানো এক ধরনের গাবগাছের তৈরি মোটা লাঠি) দিয়ে উপর্যুপরি পিটিয়ে জখম করে। এর পর ছেলে ইট দিয়ে আঘাত করে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

    এ সময়ে জমিলা খাতুনের এক নাতি আমিনুল (২৪) এগিয়ে এলে তাকেও বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে ছেলে ও তার বধূ। পরে বাড়ির আঙিনায় কাঁদার মধ্যে তাকে বিবস্ত্র করে ফেলে দা দিয়ে গলা কাটতে গেলে জমিলা খাতুনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি- এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ‘ভয়ঙ্কর যাত্রী’ওরা সাত

    ‘ভয়ঙ্কর যাত্রী’ওরা সাত

    অভিযান চালিয়ে সাত ‘ভয়ঙ্কর যাত্রী’কে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। সংঘবদ্ধ হয়ে যাত্রী সেজে বাসে উঠে ছিনতাই করাই তাদের পেশা। তারা সকলেই নারী।

    শুক্রবার (২৯ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে সীতাকুণ্ডের ফকিরহাট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোছাম্মদ রাহেলা (৪০), মোছাম্মদ আফিয়া বেগম (১৮), ফুলতারা বেগম (২২), শাহার বানু (৫৫), সুলতানা বেগম (২৩), নাজমা বেগম (৩৫) ও মরিয়ম বেগম (২৫)।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, কোতোয়ালী এলাকায় একটি বাসে করে যাচ্ছিলেন রুমু নামের এক মেয়ে। কিছুদুর যেতেই দেখেন পাঁচ ছয়জন মহিলা হুড়োহুড়ি করে বাসে উঠল। এরপর বাস চলা শুরু করলেই রুমু এসব মহিলার অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পান। পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও গায়ে লেগে থাকা, ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেওয়া, কৃত্রিম ভিড় সৃষ্টি করা। এর ফাঁকেই হঠাৎ তিনি তার ঘাড়ে একটা স্পর্শ অনুভব করেন। হাত দেওয়ার সাথে সাথেই দেখেন তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন উধাও। সাথে সাথেই তিনি চিৎকার করে পাশে থাকা একজনকে ধরে ফেলেন। অন্য যাত্রীরা এসময় ছুটে এলে সুযোগ বুঝে কিছু মহিলা পালিয়ে যায়।’

    তিনি আরও বলেন, আটক ওই মহিলা সবকিছু অস্বীকার শুরু করে। এক পর্যায়ে সবাই মিলে সেখানকার টহল পুলিশের সহযোগিতা গ্রহণ করে। টহল পুলিশ প্রথমেই আটককৃত মহিলার কাছ থেকে ছিনতাইয়ের স্বীকারোক্তি গ্রহণ করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নগরী এবং সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রা ভয়ঙ্কর করা সাত ‘ভয়ঙ্কর যাত্রী’কে আটক করে। এসময় ছিনতাই হওয়া চেইনটিও উদ্ধার করা হয়।

    ওসি বলেন, ওরা সাতজনই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র। সাতজনই মহিলা। সবাই যাত্রী। সবসময়ই যাত্রী। দিনেও যাত্রী। রাতেও যাত্রী। সারাদিনই যাত্রা’র ওপরে থাকেন তারা। কখনো বাসে। কখনো বা রাইডারে। যাত্রাতেই পার হয় তাদের রাত ও দিন। সাধারণত যেসব গাড়িতে মেয়ে কম কিন্তু ভিড় বেশি সেসব গাড়িতে উঠতেই তারা বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। আর সেই মেয়ে যদি দাঁড়ানো থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই। এসব গাড়িতে উঠে প্রথমেই তারা দাঁড়ানো মেয়েটির চারপাশে দাঁড়িয়ে যায়। এরপর গাড়ির লক্কড়ঝক্কর লাফ, যাত্রীদের ভিড় সাথে এসব মহিলার ঠেলাঠেলি পেরিয়ে যখন মেয়ে গন্তব্যে পৌঁছায় তখন দেখে হয়ত তার ব্যাগ নতুবা মোবাইল নেই।

    গ্রেফতারকৃতদের বিরূদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

  • সিটি নির্বাচনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে :মজিবর রহমান সরোয়ার

    সিটি নির্বাচনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে :মজিবর রহমান সরোয়ার

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে নিশ্চিন্তে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সেদিকে নেতাকর্মীদের খেয়াল রাখতে হবে। ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটের দিন নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মাঠে থাকতে হবে।

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসভবনে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় এসব কথা বলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

    মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে নানা অনিয়ম, কারচুপি, নৌকার পক্ষে সিল মারা ব্যালট পেপার সরবরাহসহ কেন্দ্র দখলের বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। তবে বরিশাল সিটি নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীরা নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় থেকে কাজ করতে পারলে ভোট ডাকাতির সাহস পাবে না কেউ। ভোট কারচুপি ঠেকাতে নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে। তা হলে বিএনপির বিজয় কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না।

    কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, মহানগর বিএনপি উপদেষ্টা নুরুল আলম ফরিদ, মহানগর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক, মহানগর বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আনায়ারুল হক তারিন ও জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন প্রমুখ।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে নবীন-প্রবীণ লড়াই!

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে নবীন-প্রবীণ লড়াই!

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে এবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে ১৪ জনই আগে নির্বাচন করেননি। অন্যদিকে মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি অভিজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এবার আওয়ামী লীগের নবীন প্রার্থীদের প্রতিপক্ষ হচ্ছেন বিএনপির অভিজ্ঞরা।

    আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহও তরুণ। তিনিও আগে নির্বাচন করেননি। অন্যদিকে বিএনপি মেয়র পদে সাবেক মেয়র ও সাংসদ মজিবর রহমান সরোয়ারকে প্রার্থী করেছে।

    আওয়ামী লীগ ২৫ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের ২৮টিতে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। ২০ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমানে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত দুজন কাউন্সিলর থাকলেও কৌশলগত কারণে এ দুটি ওয়ার্ডে কোনো প্রার্থীকে দলীয় সমর্থন দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে বিএনপি এখনো দলীয়ভাবে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেনি। তবে দলটি পুরোনো কাউন্সিলরদের ওপরই ভরসা রাখছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    জানতে চাইলে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘কাউন্সিলর পদে এখনো আমরা মনোনয়ন চূড়ান্ত করিনি। আলাপ-আলোচনা চলছে। তবে গতকাল শেষ দিনে সবাই যে যাঁর মতো মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বর্তমানে যাঁরা দলীয় কাউন্সিলর আছেন, তাঁরা দলীয় সমর্থন পাবেন এটা অনেকটা নিশ্চিত।’

    ২০১৩ সালের ১৫ জুনের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে বিএনপির ১৯, আওয়ামী লীগের ৫, জামায়াতের ১, জাতীয় পার্টির ২ ও স্বতন্ত্র ৩ জন প্রার্থী জয়ী হন। আগামী ৩০ জুলাই এবার সিটি নির্বাচনে ভোট নেওয়া হবে।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে পরপর তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর বিএনপির জাকির হোসেন। এখানে আওয়ামী লীগ সমর্থন দিয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন খানকে। লিয়াকত এর আগে কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি। ২১ নম্বর ওয়ার্ডে নগর যুবলীগের সদস্য শেখ সাঈদ আহমেদকে সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই ওয়ার্ডে সাঈদ আহমেদের প্রতিদ্বন্দ্বী নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরপর তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর আলতাফ মাহামুদ সিকদার। ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পরপর তিনবার জয়ী হন নগর জাতীয় পার্টির সভাপতি এ কে এম মুরতজা আবেদীন। এখানে মুরতজার সঙ্গে ভোটযুদ্ধে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন পেয়েছেন নিখোঁজ যুবলীগ নেতা মোনায়েমের ভাই মো. আহসান উল্লাহ। একইভাবে ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও পরপর তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর বিএনপি নেতা সেলিম হাওলাদারের বিপক্ষে প্রার্থী করা হয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিত দত্তকে। তিনিও এর আগে সিটি নির্বাচনে অংশ নেননি। ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর হাবিবুর রহমানের বিপরীতে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের আকতারুজ্জামানকে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর সৈয়দ আকবরের বিপরীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত বিএনপির কাউন্সিলর মীর জাহিদের বিপরীতে সমর্থন দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের মো. কামরুজ্জামানকে। ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারের বিপরীতে আওয়ামী লীগ সমর্থন দিয়েছে এম সাইদুর রহমানকে।

  • বরিশালে প্রতারণা ও অপ-চিকিৎসা করে ডাঃ রফিকুল বারী কোটিপতি

    বরিশালে প্রতারণা ও অপ-চিকিৎসা করে ডাঃ রফিকুল বারী কোটিপতি

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশন এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় একেরপর এক রোগি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। সাধারণ মানুষ ডাক্তারদের এই অপচিকিৎসার কারনে ‘কসাই ডাক্তার’ আখ্যা দিলেও প্রতিকার মিলছে না কিছুই। এর সর্বশেষ ঘটনা ঘটে বরিশাল নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকার রয়েল সিটি প্রাইভেট হাসপাতালে।

    কসাই ডাক্তার নামে খ্যাত রফিকুল বারির অপচিকিৎসায় সত্তুর বছরের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছে প্রভাবশালি একটি মহল। মৃত ওই বৃদ্ধের নাম কবির উদ্দিন। শুধুমাত্র কবির উদ্দিনই নয় এর আগে রফিকুল বারির অপচিকিৎসায় আরও কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এমনকি রোগিদের সাথে প্রতারণা করায় পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। এতসব ঘটনার পরও ধরাছোয়ার বাইরে থেকে গেছেন কসাই রফিকুল বারি। জানা গেছে ২০১৪ সালের ২৬ জুলাই মৃত কবির উদ্দিনের মতো একই অপারেশন করতে গিয়ে ডাঃ মোখলেছুর রহমান ডায়গনস্টিক সেন্টারে মৃত্যুবরণ করেন সত্তুর বছরের বৃদ্ধ কেরামত আলি। কেরামত আলির প্রসাবের রাস্তায় মাংস হয়েছিল।

    একই ভাবে চলতি বছরের ২৬ জুন রয়েল সিটি হাসপাতালে কবির উদ্দিনেরও একই অপারেশন করা হয়। এছাড়াও ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ অন্ডকোষহীন এক শিশুকে চিকিৎসার মাধ্যমে অন্ডকোষ সংযুক্ত করে দিবেন এমন প্রলোভন দেখিয়ে পঞ্চাশ হাজার টাকা আদায় করেন দেড় বছরের শিশু বেল্লালের পিতা ভান্ডারিয়ার বাসিন্দা সরোয়ার খানের কাছ থেকে। এ ঘটনায় একপর্যায়ে টাকা ফেরৎ দেন রফিকুল বারি। আর বাকেরগঞ্জের কেরামত আলীকে অপচিকিৎসা দিয়ে মারার ঘটনায় এই ডাক্তারকে আটক করেছিল কোতয়ালি থানা পুলিশ।

    তবে ম্যানেজ প্রক্রিয়ার বদৌলাতে রক্ষা পান তিনি। স্থানীয় ভাবে খোজ নিয়ে জানা গেছে, সু-চিকিৎসার চেয়ে অপ-চিকিৎসা আর প্রতারণা করে অল্পতেই বিশাল বিত্ত-বিভৈবের মালিক হয়েছেন রফিকুল বারি। সাম্প্রতি নিজের স্ত্রী কাজি আফরোজাকে পরিচালক করে চালু করেছেন রয়েল সিটি হাসপাতাল। সেখানে নুন্যতম চিকিৎসার সরঞ্জামাদি না রেখে অপারেশনের মতো জরুরি ও ঝুকিপূর্ণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন জোর-জবরদস্তি করে। রয়েল সিটি হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের সদস্য ফয়সাল জানান, কবির উদ্দিনের মৃত্যু মুলত ডাক্তারের অপচিকিৎসায় নয়।

    এই কর্মকর্তার দাবি, অপরেশনের পর রোগিকে আইসিইউতে রাখলে কোন সমস্যা হতো না। কিন্তু রয়েল সিটি হাসপাতালে আইসিইউয়ের ব্যবস্থা না থাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। অপারেশন সফল করতে প্রয়োজনিয় উপকরণ ছাড়া কিভাবে ঝুকিপূর্ণ অপারেশন করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুই বলতে পারেননি ফয়সাল। তিনি স্বিকার করেন, অপারেশন থিয়েটারে বসে অপারেশনের ফি নেওয়াটা অন্যায়।

    রয়েল সিটি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কবির উদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনার পর জরিমানা দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন জানান, লোকমুখে রয়েল সিটি হাসপাতালে রোগিমৃত্যুর ঘটনা শুনেছি। কেউ আমাদের কাছে কোন অভিযোগ দেয় নি। অভিযোগ পেলে আবশ্যই দোশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ওদিকে মৃত কবির উদ্দিনের স্বজনরা এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলতে রাজি হননি।

  • বরিশালে মেয়র হতে চায় ৮ প্রার্থী

    বরিশালে মেয়র হতে চায় ৮ প্রার্থী

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৌড়ে রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ ৮ প্রার্থী। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এছাড়া মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২০ দলীয় জোটের শরীক খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী এ কে এম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    অবশ্য এর একদিন আগে অর্থাৎ বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন তাপস, একই দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আহ্বায়ক বশির আহমেদ ঝুনু, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা কমিটির সভাপতি এ কে আজাদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তী এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা ওবায়েদুর রহমান মাহবুব। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বিকেল পর্যন্ত ৮ মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফলে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বির সংখ্যা ৮ জনে দাঁড়িয়েছে।’ অন্যদিকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা ১৪২ জনের মধ্যে ১১৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪৩ জনের মধ্যে ৩৮ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বেলা আড়াইটার দিকে নগরীর নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার। এ সময় তার সঙ্গে দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে মনোনয়নপত্র জমা দেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ । এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

    বিকেল ৪টার দিকে মনোনয়নপত্র জমা দেন খেলাফত মজলিসের বরিশাল মহানগর সেক্রেটারী অধ্যাপক এ কে এম মাহবুব আলম। বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মেয়র পদে ৮ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা ১৪২ জনের মধ্যে ১১৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৪৩ জনের মধ্যে ৩৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    গত ৩১ মে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১ ও ২ জুলাই। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জুলাই। ১০ জুলাই দেয়া হবে প্রতীক বরাদ্দ। ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জুলাই। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৩৩২ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৭ জন।’’

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে  ধানের শীর্ষের প্রার্থী -উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে প্রার্থীরা তাদেরর সমর্থকদের সাথে নিয়ে স্বতঃফুর্তভাবে  দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন।

    আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ধানের শীর্ষের মনোনিত প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রথম বারের মত নির্বাচিত মেয়র এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার তার মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যলয়ে আসেন।
    এসময় তার সাথে কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন ফরহাদ, কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, কেন্দ্রীয় সদস্য এ্যাড.কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নু,বরিশাল মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান খান ফারুক,মহানগর সাধারন সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার,জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আবুল কালাম শাহিন সহ দলীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সরোয়র তার মনোনয়ন পত্র আঞ্চলিক নির্বাচন ও রিটানিং অফিসারের হাতে দাখিল করেন।

    এসময় মজিবর রহমান সরোয়ার গন মাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, খুলনা ও গাজীপুরের দুটি নির্বাচন দেখে জনগন বিস্মিত হয়েছে।এছাড়া বরিশালের সিটি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রধানমন্ত্রীর আত্বীয় তাছাড়া তার বাবা এ অঞ্চলের একজন মন্ত্রী সেখানে নির্বাচন করা মানেই হাত-পা বাধা সাতার কাটার মত।তারা দলীয় ক্ষমতা অপব্যাবহার করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কাজে লাগিয়ে জনগনের ভোট কেড়ে নিতে চাইবে।ভেবে ছিলাম গত ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের পর সরকারের শুভবুদ্ধি হবে কিন্তু আমরা ৫ বছরে কি দেখতে পেয়েছি সরকার দেশের গনতন্ত্র আর জনগনের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে এক নায়কতন্ত্র ভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।তিনি আশা করেন সরকার বরিশালে একটি শান্তি পূর্ণ নির্বাচন উপহার দেবেন যাতে এখানকার মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার করতে পারেন।

    বরিশালের সিটি নির্বাচনে খুলনা ও গাজীপুরের মত জনগনের ভোট কেড়ে নিয়ে বিজয়ী হতে চায় তাহলে এখান থেকে গনতন্ত্র উদ্বারের আন্দোলন আরো বেগবান করা হবে।
    এছাড়া তিনি তার নির্বাচনের ইস্তেহারের কথা বলেন সে নির্বাচিত হলে বরিশাল সিটির বর্ধিত এলাকা এলাকার মানুষের উন্নয়নের কাজ করা হবে।
    নগরীর উন্নয়নের পাশাপাশি নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য নগর থেকে হারিয়ে যাওয়া খালগুলো পূর্ণ উদ্ধার করার জন্য কাজ করবেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টার দিকে সহস্রাধিক আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে বরিশাল শহরের নথুল্লাবাদস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।
    এসময় নির্বাচন অফিসের বাহিরে নেতা-কর্মীরা ‘নৌকা, নৌকা’ বলে শ্লোগান দিতে থাকেন।

    মনোনয়নপত্র জমাকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন এবং আ’লীগ নেতা মাহবুব উদ্দিন (বীর বিক্রম)।’