Author: banglarmukh official

  • জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    তিনি মিডিয়াকর্মীদের হাতের নাগালে ধরা দেন না পারত পক্ষে। প্রেস কনফারেন্স থেকে কয়েকশগজ দূর দিয়ে তিনি চলে যান মার্সিডিজ বেঞ্জে করে। কিন্তু ম্যাচসেরা হলে যে সাংবাদিকদের সামনে আসতেই হবে। এটা নিয়ম। তাই তিনি এলেন। সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুললেন। লিওনেল মেসির মুখে হাসি দেখে স্বস্তি ফিরল আর্জেন্টাইনদের মধ্যেও। গত দুই ম্যাচে মলিন মুখে মাঠ ছাড়া মেসি সেদিন অনেকটা সময় ব্যয় করলেন জয়ের উৎসবে।

    এ ম্যাচ দিয়ে সত্যিকার অর্থে বিশ্বকাপ শুরু হলো আর্জেন্টিনার। মেসিরও। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক গোল করেছেন; আরেক ফ্রি-কিকে বল লেগেছে বারে। আরও কয়েক পাস দিয়েছেন। বিরতির সময় মাঠে নামার ঠিক আগ মুহূর্তে টানেলে সতীর্থদের শেষ উজ্জীবনী কথাও বলেছেন অধিনায়ক। কোচ নন।

    আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়া ম্যাচের অর্ধেক সময় শেষ। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হবে। টানেলে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে একটা ছোটখাটো বক্তব্য দিলেন লিওনেল মেসি। কী বলেছিলেন তিনি! ‘রোহো, তুমি উপরে উঠে আক্রমণে আসবে। মাসকারেনো, তুমিও উপরে উঠে যাবে। ভয়ঙ্কর আক্রমণ করবে। যাই ঘটুক, আক্রমণের চিন্তা থেকে কখনোই সরে যাবে না।’ মেসির এই একটা বক্তব্যই গোটা দলকে বদলে দিয়েছিল। আক্রমণের চিন্তাটা কখনোই বাদ দেননি আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। রোহো-মাসকারেনোরা ডিফেন্স লাইন ছেড়ে বার বারই বেরিয়ে আসছিলেন। যোগ দিচ্ছিলেন মেসিদের সঙ্গে।

    রোহো ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘মেসির মতো অধিনায়ক কেউ নয়। সে বিশ্বসেরা ফুটবলারই কেবল নয়, অধিনায়কও। তার বক্তব্যই আমাকে গোল করতে উৎসাহিত করেছে।’ রোহো গোল করার পর মেসি যেভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তা ছিল সত্যিই ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখার মতো।

    নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ জিতে মেসি বললেন, ‘ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ আমরা। তিনি আমাদেরকে কখনোই ভুলে যাননি।’ মেসির এই ঈশ্বর প্রীতির কথাও কী খুব বেশি মানুষের জানা ছিল! লিওনেল মেসি অবশ্য আরও একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলেছেন। ‘বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনা ছিটকে যাবে, তাই কী হয়!’ তা হয় না বলেই লিওনেল মেসি সব ভুলে নিজেকে উজাড় করে খেললেন। গ্রুপ পেরিয়েছে। আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে আর্জেন্টিনা। অতীত ভুলে এখন শুধু সামনে এগিয়ে যাওয়ার পালা। জ্বলে উঠা আর্জেন্টিনাকে ভয় পাবে না কে!

    এতে পুরনো প্রশ্ন নতুন করে উঠতে পারে—এই আর্জেন্টিনা কি সাম্পাওলির দল নাকি মেসির দল?

    এসব নিয়ে সাম্পাওলির অবশ্য কোনো মাথাব্যথা নেই। মেসির স্বস্তিতে থাকা যে তার দলের সাফল্যের পূর্বশর্ত, সেটি ঘোষণা দেন অকপটে, ‘যে কোচ লিওকে অনুশীলন করায়, সে জানে, ও যেন স্বস্তিতে থাকে—সেটি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা যদি লিওকে পাস দিতে পারি, তাহলে গোলের সুযোগ তৈরি হবে। নইলে ভুগতে হবে আমাদের। বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় আমাদের সঙ্গে আছে। বাকিদের এর ফায়দা নিতে হবে। সেটি ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে করতে পারিনি। এ কারণেই ওই ম্যাচের পর বলেছিলাম, এটি আমাদের সমস্যা, লিওর না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি ম্যাচের সময়ই মেসি দেখায় ও কী অসাধারণ খেলোয়াড়! অন্য সবার চেয়ে কত এগিয়ে। তবে সতীর্থদের কাছ থেকে ওর সমর্থন প্রয়োজন। তাহলেই শুধু ও নিজের সেরাটা খেলতে পারে। মেসির মানসিক দিক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে খারাপ সময়ে অন্যদের মতো ও কাঁদে; ও ভোগে। আবার জেতার পর আনন্দ করে। এই অনুভূতিগুলো সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াটাও বড় ব্যাপার। অনেকে বলে, আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা লিও উপভোগ করে না। আমি এর সঙ্গে একমত নই।’

    ম্যাচ শেষে মেসি গিয়ে জড়িয়ে ধরেন সাম্পাওলিকে। সেটি আবেগে ভাসিয়ে নিয়ে যায় কোচকে, ‘লিও যখন ম্যাচ শেষে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল, সেটি আমাকে খুব আনন্দিত ও গর্বিত করেছে। কারণ ও জানে, কত আবেগ দিয়ে আমি প্রতিদিন আর্জেন্টিনা কোচের দায়িত্ব পালন করি। ও আমাকে ভালোভাবে জানে। জানে, আমরা কী স্বপ্ন নিয়ে রাশিয়ায় এসেছি। স্বপ্নটা হচ্ছে, আর্জেন্টিনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জনের। আমাদের ফুটবলাররা হৃদয় দিয়ে খেলে। ওরা সত্যিকারের বিপ্লবী।’

    হাভিয়ের মাসচেরানো বলেন, নাইজেরিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টির কারণে বাদ হয়ে গেলে সে দায় আমারই হতো। কেননা আমি স্কোয়াডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ সদস্যদের একজন। তবে এখন আর কোনো কিছুকেই ভয় নাই।

    গনসালো হিগুয়াইন বলেন, ‘মার্কোসের গোল আমাদের অনেক আনন্দ ও স্বস্তি এনে দিয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়াটা আমাদের প্রাপ্য। এখন আমাদের জন্য বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে।’

  • পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে ভারতীয় সেনাদের হামলার সেই ভিডিও প্রকাশ

    পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে ভারতীয় সেনাদের হামলার সেই ভিডিও প্রকাশ

    ২০১৬ সালে ভারত শাসিত জম্মু এবং কাশ্মীর রাজ্যের উরি এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে ভারতের বেশ কয়েকজন সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়। পরে পাল্টা হামলা চালায় ভারতীয় সেনারাও। সার্জিকাল স্ট্রাইক নামের সেই অভিযানের ৬৩৬ দিন পর সেই হামলার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

    জি নিউজের খবর, যারা সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন, তাদের চুপ করিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট এই ভিডিও। কারণ কমান্ডোদের হেলমেট আর ড্রোন থেকে তোলা এই ফুটেজ। যাতে স্পষ্ট ৫ ঘণ্টার অপারেশনে অন্তত ৭টি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে অন্তত দুই থেকে তিন কিলোমিটার পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে এই আঘাত হানে ভারতীয় সেনা।

    খবরে আরও বলা হয়, খবর ছিল সীমান্তের ওপারে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্য নিয়ে জঙ্গিরা ভিড় জমিয়েছে। সেই মতো পাল্টা আঘাতের ব্লু প্রিন্ট তৈরি হয়। ২০১৬ সালের ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বরের রাতে প্যারা কমান্ডোর ফোর্থ ও নাইনথ ব্যাটালিয়ন এই অপারেশনে যায়। তাদের পাকিস্তান অধিকৃত ভূ খণ্ডে নামায় এএলএইচ নামের ধ্রুব হেলিকপ্টার। উরি হামলায় যে সেনারা হুমকির মুখে পড়েছিলেন তাঁদেরই এই অপারেশনে মাঠে নামানো হয়। লক্ষ্য ছিল একটাই, প্রতিশোধ। সেই মতোই প্রস্তুত হয় বাহিনী। তবে অপারেশনে যাওয়াটা যত না বিপজ্জনক, ফেরা ছিল আরও ভয়ঙ্কর। কিন্তু সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেই ফিরেছিল ভারতীয় সেনা।

  • বিকিনি ছবি শেয়ার করে তোপের মুখে হিনা খান

    বিকিনি ছবি শেয়ার করে তোপের মুখে হিনা খান

    হিনা খান। ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের এক জনপ্রিয় মুখ। টিভি সিরিয়াল ‘ইয়ে রিশতা কিয়া কেহলাতা হেয়’র মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। বিগ বস-১১-এর প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি বিকিনি পরিহিত বেশ কিছু খোলামেলা ছবি এনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তোপের মুখে পড়েছেন তিনি।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, বয়ফ্রেন্ড রকি জয়সওয়ালের সঙ্গে গোয়ায় গিয়েছিলেন হিনা খান। আর সেখানে গিয়ে কালো মনোকিনি পরে ছবি শেয়ার করেন হিনা খান। কখনও পুলে বসে নিজের বিকিনি ছবি শেয়ার করেন হিনা, আবার কখনও মনোকিনি পরে রকির সঙ্গে ছবি শেয়ার করতে দেখা যায় হিনাকে। আর এরপরই আক্রমণের মুখে পড়তে হয় বিগ বসের প্রাক্তন প্রতিযোগীকে।

    হিনা কীভাবে ওই ধরনের ছবি শেয়ার করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এটা কী ধরনের পোশাক এবং ছবি বলেও তোলা হয় প্রশ্ন। পাশাপাশি ‘ধর্মের উপর সম্মান প্রদর্শন করুন’ বলেও আক্রমণ করা হয় হিনাকে। সেই সঙ্গে চলে অপমান। যদিও এ বিষয়ে পরবর্তীতে কোনো কথা বলেননি তিনি।

  • চাকরিতে প্রবেশ ৩৫ অবসর ৬৫ বছর করার সুপারিশ

    চাকরিতে প্রবেশ ৩৫ অবসর ৬৫ বছর করার সুপারিশ

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে দ্রুত এই সুপারিশ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

    সংসদ ভবনে গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির  সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান। কমিটির সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুত্ফুল্লাহ, খোরশেদ আরা হক ও মো. আবদুল্লাহ বৈঠকে অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুত্ফুল্লাহ বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাবটি দীর্ঘ দিন ধরে বিবেচনাধীন ছিল। বিস্তারিত আলোচনা শেষে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার পাশাপাশি অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটি সূত্র জানায়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে বেশকিছু যুক্তিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

    কমিটির সদস্যরা বলেন, উন্নত দেশগুলো তাদের জনগণকে মানবসম্পদে রূপান্তরের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমারেখা নির্দিষ্ট করেনি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৪০ বছর, শ্রীলঙ্কায় ৪৫ বছর, ইন্দোনেশিয়ায় ৩৫ বছর, ইতালিতে ৩৫ বছর, ফ্রান্সে ৪০ বছর। বাংলাদেশে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ করা হয়েছে। আর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে আরও দুই বছর বেশি। কিন্তু প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়নি। বৈঠকে কমিটির সদস্যরা কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা ও অনিয়মের সুযোগ থাকায় এ পদ্ধতি বাতিল করে স্থানীয়ভাবে ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেন। একই সঙ্গে নিবন্ধিত শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে উপজেলার আকার, ইউনিয়ন সংখ্যা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবং স্কুল-কলেজ সরকারিকরণে বাস্তব অবস্থা বিবেচনায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

  • ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ কে?

    ব্রাজিল-সার্বিয়া ম্যাচের ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ কে?

    গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সার্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। ম্যাচে গত ম্যাচের মতো মাঝে মধ্যে ঝলক দেখিয়েছেন দলের সেরা তারকা নেইমার। স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেছেন আগের দুই ম্যাচের ম্যাচ সেরা কুতিনহোও (দুই গোল হওয়ার পর তুলে নেওয়া হয়)। তবে এদের কারও হাতে ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠেনি। পুরস্কারটি পেয়েছেন পওলিনহো।

    ৫ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সার্বিয়া গোলে দু’বার বল জড়াতে সক্ষম হয় ব্রাজিল। এদের মধ্যে একটি করেছেন পওলিনহো। অন্যটি থিয়াগো সিলভা।

    ম্যাচে তখন ৩৬ মিনিট। মাঝ মাঠ থেকে কুতিনহোর লম্বা পাস ধরে ফেলেন মিডফিল্ডার থেকে হঠাৎ আক্রমণভাবে ঢুকে পড়া পওলিনহো। এরপর গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে তার মাথার ওপর দিয়ে সোজা পাঠিয়ে দেন সার্বিয়ার জালে। ৬৮ মিনিটে নেইমারের কর্নার কিক থেকে রক্ষণে দুর্দান্ত খেলা সিলভা সার্বিয়ার জালে বল জড়ালেও পওলিনহোর ওই বুদ্ধিদীপ্ত শটের কারণেই তাকে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।

  • অন্তঃসত্ত্বা কি না জানতে পোশাক খুলে পরীক্ষা, তোলপাড়

    অন্তঃসত্ত্বা কি না জানতে পোশাক খুলে পরীক্ষা, তোলপাড়

    স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। এ কারণে বসার জন্য বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে একটি হুইল চেয়ার দাবি করেছিল স্বামী। এরপর শুরু হয় যত কাণ্ড। কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই নারী যে অন্তঃসত্ত্বা সেই প্রমাণ দিতে হবে। এমনকী, তাদের বোর্ডিং পাস দিতেও রাজি ছিলেন না বিমান কর্মীরা। এর পরই কোনো চিকিৎসক না এনে সিআইএসএফ(সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স)-এর এক নারী কর্মীই ওই পোশাক খুলে এবং পেট টিপে পরীক্ষা করেন বলে অভিযোগ।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, গতকাল বুধবার ন্যক্কারজনক এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের গুয়াহাটি বিমান বন্দরে। দিল্লি যাওয়ার জন্য ওই দম্পতি গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদোলয় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হাজির হয়েছিলেন।

    পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে সব ঘটনা খুলে লিখে ক্ষোভ উগরে দেন ওই নারীর স্বামী। এরপর জনমনে তা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে অবশ্য বিমান কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠির শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে।

  • ১০ জুলাই পর্যন্ত খালেদার জামিন

    ১০ জুলাই পর্যন্ত খালেদার জামিন

    জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার আদালতে মামলাটির যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির না করা এবং তার আইনজীবীদের জামিন বৃদ্ধির আবেদনের প্রেক্ষিতে বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। ওই দিন থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এ মামলায় তার জামিন হলেও অন্য মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় তিনি জামিনে মুক্ত হতে পারছেন না।

  • দুই নায়িকার ঝগড়ার মধ্যে সালমান

    দুই নায়িকার ঝগড়ার মধ্যে সালমান

    একই হোটেলে থাকছেন না ক্যাটরিনা কাইফ আর জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। তাঁরা একজন আরেকজনের মুখ পর্যন্ত দেখছেন না। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র আর কানাডায় শুরু হয়েছে ‘দা-বাং: দ্য ট্যুর রিলোডেড’ সফর। এই সফরে অংশ নিচ্ছেন সালমান খান, ক্যাটরিনা কাইফ, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, সোনাক্ষী সিনহা, প্রভু দেবা, ডেইজি শাহ, মনীষ পলসহ আরও অনেকে।

    এই সফরের শুরুতেই ক্যাটরিনা কাইফ আর জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়া এমন রূপ নেয় যে এক সময় তাদের মুখ দেখা দেখি বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনা গুরুতর বুঝতে পেরে এই ঝগড়ার মাঝে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হন সালমান খান। তিনি এই সফরের মূল আকর্ষণ।

    ক্যাটরিনা কাইফ আর জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের মাঝে এই ঝগড়ার শুরুটা কোথায়? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডিএনএ সূত্রে জানা গেছে, ‘দা-বাং: দ্য ট্যুর রিলোডেড’ সফরে সালমান খানের পর সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাচ্ছেন ক্যাটরিনা কাইফ। তিনি পাচ্ছেন ১২ কোটি রুপি। জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ পাচ্ছেন আট কোটি রুপি আর সোনাক্ষী সিনহা ছয় কোটি রুপি। ঝামেলার শুরুটা এখানেই। ক্যাটরিনার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়ার ব্যাপারটি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না জ্যাকুলিন।

    একসময় প্রকাশ্যেই তাঁরা ঝগড়া শুরু করেন। খবর পেয়ে সালমান খান সেখানে আসেন। ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। বলিউডের জনপ্রিয় এই দুই তারকার মুখ দেখাদেখি বন্ধ হয়ে যায়। যখনই তাঁরা একে অপরের সামনে আসেন, তখনই তাদের ঝগড়া শুরু হয়। তাঁরা প্রত্যেকেই চিৎকার করে কথা বলেন। এ সময় তাঁরা আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে সালমান খানের অনুরোধে এই দুই তারকাকে আলাদা দুই হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। এমনকি শোর সময় তাঁদের যাতে মুখোমুখি হতে না হয়, আয়োজকদের সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য বলেছেন সালমান খান।

    সবকিছু মিলিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় আয়োজকদের। ক্যাটরিনা কাইফ আর জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের এই ঝগড়া যাতে এই সফরে কোনোভাবেই প্রভাব না ফেলে, সেদিকটাই এখন তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাটরিনা কাইফ আর জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের মধ্যে ঝগড়া হলেও এই সফরে অংশ নেওয়া আরেক তারকা সোনাক্ষী সিনহা তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

    ২২ জুন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার ইনফিনিট এনার্জি অ্যারেনায় ‘দা-বাং: দ্য ট্যুর রিলোডেড’ সফরের প্রথম শো। দ্বিতীয় শো হয়েছে ২৩ জুন শিকাগোর সিয়ার্স সেন্টার অ্যারেনায় আর তৃতীয়টি ২৪ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসের দ্য ফোরামে।

    সফরের এর পরের শোগুলো হবে ২৯ জুন ডালাসে আমেরিকান এয়ারলাইনস সেন্টারে, ৩০ জুন স্যান জোসের স্যাপ সেন্টারে, ১ জুলাই ভ্যাঙ্কুভারে পেন কলোসিয়ামে, ৬ জুলাই ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটাল ওয়ান অ্যারেনায় এবং ৭ জুলাই নিউজার্সির প্রুডেন্সিয়াল সেন্টারে। এই সফরের শেষ শো হবে ৮ জুলাই কানাডার টরন্টোতে ফার্স্ট অন্টারিও সেন্টারে।

  • সার্বিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

    সার্বিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল

    ড্র করলেও চলতো। দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হতো ব্রাজিলের। তবে ইউরোপিয়ান দেশ সার্বিয়া আক্ষরিক অর্থেই ছিল কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে নেইমার অ্যান্ড কোং অনায়াসে খেলেই ২-০ গোলে জয় তুলে নিলো। কোনো বিপদের সম্ভাবনাই তৈরি হতে দিলেন না নেইমাররা। নিজে গোল করতে না পারলেও একটি গোলে অ্যাসিস্ট ছিল নেইমারের। কৌতিনহোও তৈরি করে দিয়েছিলেন অন্য গোলটি। পওলিনহোর পা এবং থিয়াগো সিলভার মাথা থেকে এলো ব্রাজিলের গোল দুটি।

    দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে সার্বিয়ার প্রয়োজন ছিল জয় আর ব্রাজিলের ড্র। এমন সমীকরণ নিয়ে মস্কোর স্পার্তাক স্টেডিয়ামে মাঠে নামে ব্রাজিল এবং সার্বিয়া। প্রথমার্ধে সার্বিয়ানদের জালে একবার বল জড়িয়ে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৩৬ মিনিটের সময় গোলটি করেন মিডফিল্ডার পওলিনহো। পরে ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন সিলভা।

    ৩৬তম মিনিটে সার্বিয়ার একটি আক্রমণ রুখে দিয়ে নিজেদের ডিফেন্সিভ থার্ড থেকে লম্বা ক্রস দেন কৌতিনহো। সার্বিয়ার ডিফেন্সের ওপর দিয়ে উড়ে তাদেরই রক্ষণে এসে পড়লো।

    সেই ক্রসকে শুধু দৌড়ে এসে বার্সেলোনা তারকা পওলিনহো পায়ের টোকা দিলেন। সেই টোকাতেই সার্বিয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে গিয়ে বল জড়িয়ে গেলো তাদের জালে। ১-০ গোলে এগিয়ে গেলো ব্রাজিল।

    ৬৭ মিনিটে অনেকদুর থেকে বল নিয়ে ছুটে আসেন নেইমার। সার্বিয়া ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে মাটি কামড়ানো শট নেন তিনি। কিন্তু বক্সের সামনে সেটিকে কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করে দেন মিলেনকোভিক। কর্নার কিক নেন নেইমার নিজে। কিকটা ছিল অসাধারণ। বল ফেলেন একেবারে পোস্টের মাঝে। লাফিয়ে উঠে সেটিতে মাথার সংযোগ ঘটান থিয়াগো সিলভা। গোল। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

    খেলার শুরু থেকেই অবশ্য আক্রমণের সূচনা করে ব্রাজিল। ২য় মিনিটেই মিডফিল্ডার ফিলিপ কৌতিনহো বল নিয়ে ঢুকে যান সার্বিয়ার রক্ষণের ভেতর। নেইমারের কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি শট নিলে সার্বিয়ার ডিফেন্ডাররা সেটা ক্লিয়ার করে দেন। ১৪ মিনিটে সার্বিয়ার ফিলিপ কোস্তিক বাম পায়ের শট নিলে ব্রাজিল ডিফেন্ডাররা সেটা ক্লিয়ার করে দেন।

    খেলার ৯ম মিনিটেই মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়েন মার্সেলো। খেলার মত অবস্থা ছিল না তার। দ্রুত তাকে তুলে নিয়ে ব্রাজিল কোচ তিতে মাঠে নামান ফিলিপ লুইজকে।

    ২৫ মিনিটে দারুণ একে সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার। বক্সের মধ্যে বল নিয়ে প্রবেশ করেন গ্যাব্রিয়েল হেসুস। কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি বল দেন নেইমারকে। দারুণ এক শট নিয়েছিলেন পিএসজি তারকা। কিন্তু সার্বিয়া গোলরক্ষক স্টোজকোভিক ঝাঁপিয়ে পড়ে এই যাত্রায় দলকে রক্ষা করেন।

    ২৯ মিনিটে গ্যব্রিয়েল হেসুসের দারুণ একটি চেষ্টা ব্লক করে দেয় সার্বিয়া। ৩৪ মিনিটে আক্রমণ করে সার্বিয়া। দুজান তাদিকের কাছ থেকে বল পেয়ে বাম পায়ের শট নেন আলেকজান্ডার মিতরোভিক। কিন্তু সেটা পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর দুই মিনিট পরই গোল। পওলিনহোর পা থেকে।

    ৪০ মিনিটে গোল শোধের সুযোগ পেয়েছিল সার্বিয়া। কিন্তু দুজান তাদিকের শট ডান কর্নারের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নেইমার একটা সুযোগ পেয়েছিলেন। ফিলিপ লুইজের কাছ থেকে বল পেয়ে অনেক দুর থেকে শট নেন তিনি। কিন্তু সেটা মিস হলো।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সার্বিয়ানরা। একর পর এক আক্রমণে ব্যস্ত করে তোলে তারা। এ সময় বেশ কিছু গোলের সৃষ্টি করে সার্বিয়ানরা। তবে তাদের সামনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ান ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। চারটি নিশ্চিত গোল থেকে ব্রাজিলকে বাঁচিয়ে দেন তিনি।

    ৬১ মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করে সার্বিয়া। এলজাজিক বিপজ্জনক একটি ক্রস করেন ব্রাজিল গোল লক্ষ্যে। অ্যালিসন পাঞ্চ করে দলকে রক্ষা করেন। মিত্রোভিক ছিলেন শুধু বক্সে। তিনি হেড করার চেষ্টা করেন কিন্তু ব্যর্থ হন। দারুণ সুযোগটা মিস হয় সার্বিয়ার।

  • কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আওলাদ হোসেন’র বদলী

    কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আওলাদ হোসেন’র বদলী

    অবশেষে বদলি হলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শাহ মু. আওলাদ হোসেন মামুন। বুধবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেয়া এক আদেশে তাকে খুলনা রেঞ্জে বদলী করা হয়েছে বলে জানাগেছে। তবে নতুন করে কোতয়ালী থানায় কোন ওসি’র দায়িত্ব দেয়া হয়নি। অবশ্য ওসি শাহ মো. আওলাদ এর বদলীর লিখিত আদেশ থানায় পৌছেনি বলে জানিয়েছে থানার দায়িত্বশীল সূত্র।

    দীর্ঘ দিন ধরেই বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালণ করে আসছে শাহ মো. আওলাদ হোসেন। দায়িত্বপালনকালিন সময় বিভিন্ন কারনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হন তিনি। অবশেষে ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেনকে বদলী হতে হয়েছে বলে থানা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সত্য রঞ্জন খাসকেল বলেন, বদলীর বিষয়টি মুখে মুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত দাপ্তরিক কোন চিঠি থানায় আসেনি।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার নাসির উদ্দিন মল্লিক জানান, শুনেছি ওসি আওলাদ হোসেনকে খুলনা রেঞ্জে বদলী করা হয়েছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত লিখিত আদেশ পাইনি। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।