Author: banglarmukh official

  • বিএনপিকে দিল্লির সাফ বার্তা জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ুন

    বিএনপিকে দিল্লির সাফ বার্তা জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ুন

    চার দিনের ভারত সফরের পর স্পষ্ট বার্তা নিয়েই ফিরতে হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিনিধি দলকে। তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলটি মিলিত হয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম জে আকবর, জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী এবং শাসক বিজেপি সমর্থক ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ফাউন্ডেশনের’ অধিকর্তা অনির্বাণ গাঙ্গুলির সঙ্গে। তবে এই সাক্ষাৎকারগুলো বিএনপি প্রতিনিধি দলের কেউ স্বীকার করেননি। কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দফতর, রাহুল গান্ধীর সচিবালয় এবং বিজেপি দলের থেকে বৈঠকগুলোকে নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতের শাসক বিজেপি দল বাংলাদেশের বিএনপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বার্তালাপের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল শ্রী গাঙ্গুলিকে। সভাপতি অমিত শাহই জানিয়ে দিয়েছিলেন দলীয় বার্তা বিএনপিকে পৌঁছে দিতে। বিজেপি এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে বিএনপিকে বর্তমানে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ পরিত্যাগ করতে হবে এবং সাধারণ নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ করতে হবে। তবেই তাদের দলের গণতান্ত্রিক চরিত্র পরস্ফুিট হবে। এই স্পষ্ট বার্তা নিয়েই বিএনপির তিন নেতা স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব হুমায়ুন কবীর শনিবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা। এরা দিল্লির পাঁচতারা লে মেরিডিয়ান হোটেল থেকে লন্ডনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছেন। বিএনপি নেতাদের কাছে আকস্মিক ছিল বিজেপি নেতৃত্বের প্রতিনিধি অনির্বাণ গাঙ্গুলির স্পষ্ট কথোপকথনে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বর্তমানে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী মোর্চা গড়লে বিজেপির পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। বিজেপি পার্টির পক্ষে এমন কোনো পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়, যাদের সঙ্গে উগ্র মৌলবাদীদের সম্পর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংস্থার সঙ্গে জামায়াতের যোগসাজশ রয়েছে বলে ভারতীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্ট রয়েছে। এই তথ্য প্রতিনিধি দলকে সাবেক গোয়েন্দা প্রধানরা আইডিএসএ বৈঠকেও জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া জামায়াত নিষিদ্ধ করার আবেদনে মামলা চলছে বাংলাদেশে। নির্বাচনে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কি না সন্দেহ। তবে অন্য নামে নির্বাচন কমিশনে নাম নথিভুক্ত করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। প্রতিনিধি দলটি বিজেপি নেতাকে বোঝাবার চেষ্টা করেন, যেহেতু জামায়াতের প্রায় সাত শতাংশ ভোট রয়েছে তাই তারা নির্বাচনী কৌশলগত সমঝোতা করেন। আদর্শগতভাবে কোনো মিল নেই। অনির্বাণ পাল্টা যুক্তি দেন, নির্বাচনী কৌশল করলেও জামায়াতকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ২০০১ সালে নির্বাচনের পরে বেগম খালেদা জিয়া জামায়াত আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে কৃষিমন্ত্রী এবং মহাসচিব আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীর পদ দিয়েছিলেন। তাতে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে মৌলোবাদ প্রসারিত হয়। সবাই জানেন, এই নিজামি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান সমর্থক আল বদরের নেতা এবং বহু মানুষ খুন করার অপরাধে তার আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচার হয় এবং মৃত্যুদণ্ড হয়। আলী আহসান একই রকমের যুদ্ধাপরাধী। তারও ফাঁসি হয়। তিনি ছিলেন আল বদরের সেকেন্ড ইন কমান্ড। এসব ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিলে ভারতের কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে সমর্থন করা সম্ভব নয়। এই কথাটি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও বুঝিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক ইউপিএ মন্ত্রী আনন্দ শর্মা। কিছুদিন আগে রাহুল গান্ধীর সভাপতি পদে অভিষেক সমারোহে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দীপু মনিসহ এক প্রতিনিধি দল এসেছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি বোঝানোর চেষ্টা করেন, অতীত ভুলে যান, সামনের দিকে তাকান। এই কথাটা বেগম জিয়া তাঁর সর্বশেষ ভারত সফরে এসে বলেছিলেন। কিন্তু তারপরে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি যখন বাংলাদেশ সফর করেন তখন বেগম জিয়া জামায়াত হরতাল ডেকেছে বলে ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকার চেয়েও দেখা করেননি। এটা ভারতের কোনো সরকার ভুলবেন না। এটাই তাঁদের বোঝানো হয়েছে। এই কারণে বিশ্বাস যোগ্যতার নিরিখে আওয়ামী লিগ অনেক নির্ভরযোগ্য। ভারতের প্রধানরাজনৈতিক দলগুলো কোনো দিনই এসব তথ্য ভুলবেন না। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের একমাত্র সান্ত্বনা ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বাস রয়েছে তারা চান অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। যেমনটা ভারতে হয়ে থাকে। তবে কোনোভাবেই ভারতের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়। বুদ্ধিজীবীরা বুঝিয়েছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের স্বার্থেই বিএনপির উচিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং জামায়াতের সঙ্গে মোর্চা না করেই। জিততেই হবে এই ধারণা ত্যাগ করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করাই গণতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচায়ক। বয়কট কোনো কারণেই গণতান্ত্রিক নয়। অনেকের প্রশ্ন নির্বাচনের প্রাক মুহূর্তে বিএনপি নেতাদের এমন সৌজন্য দেখানোর প্রয়োজন কি? উত্তর হলো—ভারত সবসময়েই প্রত্যেক দেশের গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। কিন্তু বহুবার চেষ্টা করলেও কখনই জামায়াত নেতাদের সঙ্গে গোপনেও ভারত সরকারের কেউ বৈঠক করেন না। করবেনও না। ফলে বল এখন বিএনপির কোর্টে। নিজেদের গণতান্ত্রিক পরিচয় বজায় রাখতে হলে নির্বাচনে জামায়াত ব্যতীত লড়াই করা ভিন্ন অন্য কোনো পথ নেই।

    লন্ডনে তারেক-ফখরুল আজ এক অনুষ্ঠানে : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লন্ডনে অবস্থান করছেন। আজ লন্ডন বিএনপির এক ইফতার পার্টিতে যোগ দেবেন তিনি। উত্তর লন্ডনের হোটেল রয়েল এজেন্সিতে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া করা হবে বলে জানিয়েছেন লন্ডন বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক।

    জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাংকক থেকে লন্ডনে যান বিএনপি মহাসচিব ও তার স্ত্রী রাহাত আরা। গতকাল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখাও করেন তিনি। এ সময় দেশের চলমান পরিস্থিতি, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা ও কারাগারে যাওয়ার প্রেক্ষাপটসহ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে কথাবার্তা হয়।

  • সরকারি চাকরিতে আসছে ডোপ টেস্ট

    সরকারি চাকরিতে আসছে ডোপ টেস্ট

    সরকারি চাকরিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সঙ্গে ডোপ টেস্ট সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই সরকারি পর্যায় থেকে এ সিদ্ধান্ত আসছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি বলেন, তরুণরা আমাদের কর্মশক্তি। কিন্তু মাদকের কারণে তরুণ সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শুধু তরুণ নয় বিভিন্ন বয়সী পেশাজীবী মানুষের মধ্যে বাড়ছে মাদক গ্রহণের প্রবণতা। তাই মাদক বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সঙ্গে ডোপ টেস্টকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে সরকারি চাকির প্রত্যাশীর ডোপ টেস্ট ফলাফল নেতিবাচক হলে চাকরির জন্য সে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাদক সেবনের প্রবণতা কমবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • জামিন আবেদন প্রত্যাহার করলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ

    জামিন আবেদন প্রত্যাহার করলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জামিন আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তার আইনজীবী। তবে প্রত্যাহারের কারণ জানা যায়নি।

    আজ রবিবার আসিফের পক্ষে তার তার আইনজীবীরা তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার অভিযোগে ৫৭ ধারায় দায়ের করা মামলায় জামিন আবেদন প্রত্যাহার করেন। আদালতের তেজগাঁও থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা তাহেরা বেগম বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।

    রবিবার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ আবেদন করা হয়েছিল। জামিন আবেদনের ওপর আজই শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

    এর আগে গত সোমবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় আরেক সঙ্গীতশিল্পী শফিক তুহিন আইসিটি আইনে আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেন। এতে আসিফ ছাড়াও আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।

    এরপর গত বুধবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মগবাজারে আসিফ আকবরের স্টুডিও থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। সেদিন দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কেশব রায় চৌধুরী আসিফের জামিন ও রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।

  • বায়িং হাউজের নিবন্ধনের বিধান রেখে বস্ত্রবিল উত্থাপিত

    বায়িং হাউজের নিবন্ধনের বিধান রেখে বস্ত্রবিল উত্থাপিত

    টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের বস্ত্রখাতকে সুসংহত ও সম্প্রসারিত করতে সংসদে নতুন বস্ত্রবিল-২০১৮ উত্থাপিত হয়েছে।বিলে বৈদেশিক ও বহুজাতিক কোম্পানির বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে রপ্তানিমুখী বস্ত্রশিল্পে ব্যবহার বা প্যাকেজিংয়ের জন্য আমদানি করা কাঁচামাল রপ্তানি বহির্ভূত বস্ত্রশিল্পে ব্যবহার বা বাজারজাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিধান রাখা হয়েছে।একইসঙ্গে আইনে বায়িং হাউজের নিবন্ধনের বিধান রাখা হয়েছে।

    সংসদের বাজেট অধিবেশনে আজ বিলটি উত্থাপন করেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

    প্রস্তাবিত আইনে বস্ত্র শিল্পের জন্য আমদারি করা রং, রাসায়নিকসহ অন্য যেকোনো উপাদান যেকোনো পর্যায়ে বাজারজাত করার সময় আমদানিকারকের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করার বিধান রাখা হয়েছে।মিলগুলোর ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও আধুনিয়কায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া উৎপাদন উপকরণের মান নিয়ন্ত্রণ, তদারকি ও সমন্বয়, কাঁচামাল আমদানি ও রপ্তানি, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বস্ত্রখাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, ডিপ্লোমা ও ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, ফ্যাশন ইনস্টিটিউট, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকার প্রয়োজনে বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও শর্তে বস্ত্র শিল্পকে প্রণোদনা দিতে পারবে সেই বিধানও রাখা হয়েছে।

  • অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হলে ঈদের প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে

    অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হলে ঈদের প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে

    অতিমাত্রায় বৃষ্টিপাত হলে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের পরিবর্তে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন।

    রবিবার দুপুরে নগর ভবনে ঈদের জামাত নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সভায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    পুরো বিষয়টি ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালনা করবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ঈদের জামাতের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। থাকবে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    সাঈদ খোকন বলেন, আগামী ১৪ জুন (বৃহস্পতিবার) সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্তভাবে জানানো হবে, ঈদের কয়টি জামাত কখন অনুষ্ঠিত হবে। এবার একসঙ্গে ৮৫ হাজার মানুষ জামাতে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আগামী ১৪ জুন স্পেশাল ফোর্সের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • সিঙ্গাপুরের রাস্তায় একসঙ্গে ঘুরছেন ট্রাম্প-কিম

    সিঙ্গাপুরের রাস্তায় একসঙ্গে ঘুরছেন ট্রাম্প-কিম

    ট্রাম্প-কিম বৈঠক ঘিরে উত্তেজনায় একদিকে ফুটছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সেই উত্তেজনার ছোঁয়া লেগেছে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের মধ্যেও। শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প ও কিমকে। অবাক হবেন না, সত্যিকারের নয়, সবই ‘লুক এলাইক’।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট যখন এক মঞ্চে আসবে তখন যে ইতিহাস তৈরি হবে, সে কথা নিশ্চিত ভাবে জানেন সিঙ্গাপুরের নাগরিকরাও। সেই ধারণা থেকেই ‘নকল ট্রাম্প’ সেজে নেমে পড়েছেন হাওয়ার্ড এক্স নামের এক ব্যক্তি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন ড্যানিস এল্যান। ইনি সেজেছেন ‘নকল কিম’। দু’জনেই হংকংয়ের বাসিন্দা। আর এই নকল ট্রাম্প ও কিমকে দেখতেই শহরের রাস্তায় ভিড় জমাচ্ছেন সিঙ্গাপুরের সাধারণ মানুষ। কেবল দেখাই নয়, সুযোগ রয়েছে ছবি তোলারও। যার জন্য মাত্র দিতে হবে ১১ ডলার।

    এদিকে, ঐতিহাসিক বৈঠকের দু’দিন আগেই সিঙ্গাপুরে পৌঁছে গেলেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে এয়ার চায়নার ফ্লাইট সিএ-৬১ করে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক।

    কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সেখানে থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরের বিলাসবহুল সেন্ট রেজিস হোটেলে। সেখানেই নিজের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে থাকবেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর চলতি বছরেই প্রথম বিদেশ সফর করেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উন। নিজের গাড়ি, জাহাজ, হেলিকপ্টার, ট্রেন ছাড়া কোনও কিছুতেই তিনি চড়েন না। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হচ্ছে উত্তর কোরিয়া থেকে প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দূরে সিঙ্গাপুরে। এই পথ কেবলমাত্র বিমানেই যাওয়া সম্ভব। কিন্তু সে ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় ছিল উত্তর কোরিয়া। তবে দূরত্ব মিটিয়ে কাছাকাছি আসতে ইচ্ছুক যুযুধান দু’পক্ষ, অর্থাৎ ট্রাম্প ও কিম।

  • নারী ক্রিকেট দলকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    নারী ক্রিকেট দলকে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

    এশিয়া কাপে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের এমন অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রবিবার এক বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি মেয়েদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তাদের অসাধারণ সাফল্য ও দলের এমন স্পৃহায় আমি সত্যিই গর্ববোধ করছি।

    মেয়েদের অভাবনীয় সাফল্যে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, মেয়েদের অসাধারণ নৈপুণ্য ও দলীয় স্পৃহায় পুরো জাতিই আজ গর্বিত।

    প্রধানমন্ত্রী এ সময় মেয়েদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন। তিনি আরও আশা করেন মেয়েদের জয়ের ধারা এভাবেই অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য, কোনও ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের এটাই সেরা সাফল্য।

  • মধ্যরাতে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগে আটক কে এই রনি?

    মধ্যরাতে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগে আটক কে এই রনি?

    রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় এক তরুণীকে জোর করে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে ধর্ষণকালে মাহমুদুল হক রনি নামের এক বখাটেকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় তার গাড়ি চালককেও প্রাইভেটকার থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করে বেদম প্রহার করা হয়। শনিবারের মধ্যরাতের এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

    কিন্তু এই রনি? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত রনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার জিমের ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গেছে।

    রনি একজন মাদকসেবী। ঘটনার রাতে রনি গাজীপুরের কাপাসিয়ায় যাওয়ার জন্য ধানমণ্ডির ঝিগাতলার বাসা থেকে গভীর রাতে নিজ গাড়ি নিয়ে বের হন। এদিনও তিনি গাড়ির মধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করেন, স্থানীয় জনতার হাতে ধরার পড়ার পর তার মুখ থেকে বাজে মদের গন্ধ বের হচ্ছিলো বলে অনেকে জানিয়েছেন।

  • রাশিয়ায় উষ্ণতার পারদ বাড়াচ্ছে সুন্দরী ভক্তরা

    রাশিয়ায় উষ্ণতার পারদ বাড়াচ্ছে সুন্দরী ভক্তরা

    এক ধাক্কায় বিশ্বকাপের উষ্ণতার পারদ কয়েক ধাপ বেড়েছে মস্কোতে। গতকয়েক দিন ধরে রাশিয়ার রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়েছে ফুটবল ভক্তদের আনাগোনা। সেখানে রাশিয়ানদের আধিপত্য অনেকটাই যেন ম্লান করে দিয়েছেন বিদেশি সমর্থকরা।

    মস্কোর রাস্তায় দেখা গেল প্রচুর বিদেশি সমর্থকদের। যাদের মধ্যে আর্জেন্টিনা, জার্মানি এবং পর্তুগাল সমর্থকদের সংখ্যা বেশি। এবং সমর্থকদের মধ্যে আবার প্রচুর নারীও রয়েছেন।

    এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিল তাদের বেসক্যাম্প মস্কোয় করেনি। তাদের বেসক্যাম্প সোচিতে। মস্কোতে বেসক্যাম্প করেছে গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরর পর্তুগাল। এই তিন দেশের সমর্থকরাই মস্কোয় বিশ্বকাপের উত্তেজনা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই তিন দেশের সুন্দরী নারী সমর্থকরা উপস্থিত হলেও জার্মানি, আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগালের ফুটবল দল এখনও মস্কোতে পা রাখেনি।

    মেসি-রোনালদোরা উপস্থিত না হলেও তাদের সমর্থকরা কিন্তু মস্কোয় পা রেখেই বিশ্বযুদ্ধের দামামা কার্যত বাজিয়ে দিলেন। তবে ইতিমধ্যেই জার্মানির কোচ জোয়াকিম লো তাদের দলের ফুটবলারদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।

    তিনি পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, বিশ্বকাপ চলাকালে কোনও রকম নারী সঙ্গ নিষিদ্ধ। তবে পর্তুগাল বা আর্জেন্টিনা শিবির থেকে এই ধরনের কোনও নিষেধাজ্ঞা আসেনি। তবে এই সমস্ত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নারী সমর্থকদের মধ্যে কোনও মাথাব্যথা নেই।

    শোনা যাচ্ছে, এই সমস্ত সুন্দরী নারী সমর্থকদের মধ্যে অনেকেই আবার ফুটবলারদের বান্ধবী। ফলে যতই নিষেধাজ্ঞা থাকুক, তা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে কতক্ষণ। এখন দেখার বিষয়, জার্মানির টিম ম্যানেজমেন্ট কোচের নিষেধাজ্ঞা কতটা পালন করতে পারে।

    এদিকে, বিশ্বকাপের উদ্বোধনের প্রস্তুতিও চলছে জোর কদমে। রাশিয়ার পুতিন সরকার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে উদ্বোধনে উপস্থিত হওয়ার জন্য। তাদের মধ্যে অনেকেই উদ্বোধনে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন। যেমন চীনের রাষ্ট্রপ্রধান জানিয়ে দিয়েছেন তিনি আসছেন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে মস্কোতে প্রচুর স্যুভেনিয়ার শপ তৈরি হয়েছে। যেখানে বিক্রি শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের নানা ধরনের মেমেন্টো।

    বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে বেশিরভাগই রাশিয়ায় এসে পৌঁছায়নি। তবে এরই মধ্যে পৌঁছেছে ইরান। উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়েও তৈরি হয়েছে উন্মাদনা। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসবেন। তাই নিরাপত্তা আরও কঠোর করা হয়েছে। চারিদিকে রাশিয়ান নিরাপত্তারক্ষীরা টহল দিচ্ছেন। যাতে কোনও রকম সমস্যা তৈরি না হয়।

    নাইজেরিয়াসহ বেশ কিছু টিম ইতিমধ্যে খেলোয়াড়দের সঙ্গে রুশ নারীদের দেখা-সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু দেশের বহু সুন্দরী একে একে মস্কোয় আসছেন। খেলার অবসরে জার্মান বা পর্তুগালের খেলোয়াড়রা এদিন রাশিয়ায় পা-রাখা বান্ধবীদের সঙ্গে যে মেলামেশা করবেনই তা বলাই বাহুল্য।

  • ভারতেই আত্মগোপনে ‘লাদেন

    ভারতেই আত্মগোপনে ‘লাদেন

    ভারতের আসামের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত দু’বছর ধরে ত্রাস সৃষ্টি করেছে লাদেন। ২০১৬ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত তার হামলায় শিকার হয়েছে অন্তত ৩৭ জন। তবে এই লাদেন কিন্তু আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেন নয়। গোয়ালপাড়ার ফরেস্ট ডিভিশনের একটি দাঁতালের নাম লাদেন। তারই অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার বাসিন্দারা।

    এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাদেন জুন মাসের এক তারিখ শেষ হামলাটি করে পাটপাড়া পাহাড়তোলি গ্রামে। সেখানে মনোজ হাজং নামে এক ব্যক্তি তুলে আছাড় দিয়ে মেরে ফেলে লাদেন। তার পরেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়।

    এ ব্যাপারে ওই এলাকার এক বন কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ জনকে লাদেন মেরে ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে নেমে এসে গোয়ালপাড়া ফরেস্ট ডিভিশনের মধ্যে কোনো এক জায়গায় আত্মগোপন করে রয়েছে লাদেন।

    গোয়ালপাড়ার ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার এ গোস্বামী জানান, লাদেন বেশির ভাগ হামলা বিকেল বেলা কিংবা রাতের বেলাই করে থাকে। তিনি আরও জানান, ওই এলাকায় এমনিতেই অনেক হাতির দল রয়েছে। তবে সমস্যা অন্য জায়গাতে। এলাকার গ্রামবাসীরা চায় হাতির দলগুলোকে অাসমের দিতে পাঠিয়ে দিতে। তাই জন্য ড্রাম বাজিয়ে, চিৎকার দিয়ে হাতির দলগুলোকে তাড়িয়ে অাসমের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু এতেই হিতে বিপরীত হয়ে যায়। মাঝে মধ্যে এতে অতিষ্ঠ হয়ে হাতিও পালটা হামলা করে থাকে।

    ইতিমধ্যে লাদেনের গতিবিধি উপর নজর রাখার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। সাধারণত কোনো হামলার ১০-১৫ দিন পর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না লাদেনের। এ গোস্বামী জানান, হামলাগুলো সাধারণত মাসের শেষের দিকেই হয়ে থাকে।