Author: banglarmukh official

  • চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ ৬ যুবক গ্রেফতার

    চট্টগ্রামে অস্ত্রসহ ৬ যুবক গ্রেফতার

    চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানার পলোগ্রাউন্ড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ ছয় যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ওরফে জিসান (২৩), খোকন (২২), রবিউল হোসেন ওরফে মামুন (২২), লায়েক হোসেন ওরফে হৃদয় (২০), মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ (২৪) ও জুনায়েদ (২০)। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও দু’টি ছুরি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, তারা রেল ও বাস স্টেশনগামী যাত্রী ও বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসের যাত্রীদের টার্গেট অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মালামাল ছিনতাই করে। মূলত তারা ভোর বেলায় এই ছিনতাই করে থাকে।

    মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, ভোরে কয়েকজন যুবক ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিল ছিনতাই করতে। এসময় পুলিশ গিয়ে তাদের ধাওয়া করে ছয়জনকে গ্রেফতার করে। আরও দুই-তিনজন পালিয়ে যায়। তাদের অস্ত্র আইনে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

    দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

    বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া অংশে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ফিজিবিলিটি স্ট্যাডির কাজও শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এই রুট দিয়ে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মিত হবে।

    তবে বাজেটে দ্বিতীয় পদ্মাসেতুর জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখা হয়নি।

    বাজেট বক্তব্যে মুহিত বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ অর্ধেকের বেশি হয়েছে। ভবিষ্যতে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণ করবে সরকার। দ্বিতীয় পদ্মাসেতুতে অর্থায়ন করছে এডিবি। এই সেতু নির্মাণে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

    এছাড়া দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতুর কাজ চলমান আছে বলে জানান তিনি।

  • বাংলাদেশের প্রধান কোচ হলেন স্টিভ রোডস

    বাংলাদেশের প্রধান কোচ হলেন স্টিভ রোডস

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্টিভ রোডস। ইংল্যান্ডের সাবেক এই উইকেটরক্ষকের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তার চুক্তি ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বহাল থাকবে। বৃহস্পতিবার ইএসপিএনক্রিকইনফো এ তথ্য জানিয়েছে।

    উল্লেখ্য, ৫৪ বছর বয়স্ক রোডস এই প্রথম কোনো জাতীয় ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। শ্রীলঙ্কার চন্দিকা হাথুরুসিংহের বিদায় নেওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য ছিল।

  • ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট

    ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট

    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আজ সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন।

    আজ বেলা ১২টা ৫২ মিনিটে তিনি বাজেট পেশ শুরু করেন। এটি হচ্ছে দেশের ৪৭ তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯ তম এবং অর্থমন্ত্রীর দশম বাজেট।

    প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। বৈদেশিক অনুদান থেকে ৪ হাজার ৫১ কোটি পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

  • সেই নার্সকে হত্যা ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ইসরায়েল

    সেই নার্সকে হত্যা ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলল ইসরায়েল

    দক্ষিণ গাজা শহরের খান ইউনিসের কাছে আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে নিহত হয় ফিলিস্তিনি নার্স রাজান আল নাজার। আর এ ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। এ ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। খবর রয়টার্স।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যায় যে, একটি ছোট গুলি তার গায়ে লাগে। ইচ্ছাকৃতভাবে বা সরাসরি তার দিকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। ইসরায়েল সেনাবাহিনীর এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, তদন্ত এখনও চলছে। সব কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

    এদিকে ফিলিস্তিনের গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, মেডিকেল টিমের সদস্য রাজান আল নাজারকে ইসরায়েলি সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করেছে।

    ৩০ শে মার্চ থেকে ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় গত শুক্রবার পযর্ন্ত ১২০ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে গাজার স্বাস্থ্য বিভাগ।

  • পতিতাবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে যেসব অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে

    পতিতাবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে যেসব অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে

    ভারতের অভিনেত্রীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে মাদক ব্যবসা ও পতিতাবৃত্তির অভিযোগ। এই তালিকায় রয়েছেন অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীও। যাদের নাম প্রকাশ হওয়ার পর কেঁপে উঠেছিল গোটা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এদেরই একজন সঙ্গীতা বালন। তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তিনি জনপ্রিয় মুখ। ‘বাণীরানি’ নামের একটা ডেলি সোপেও রোজ দেখা মিলছিল তাঁর। কিন্তু হঠাৎই যেন দমকা এক হাওয়ায় সব কিছু ওলটপালট হয়ে গেল তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনের।

    অভিযোগ, অভিনয়ের পাশাপাশি দিনের পর দিন মধুচক্র চালিয়ে এসেছেন সঙ্গীতা। আর তারই জেরে তামিল অভিনেত্রী সঙ্গীতা বালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের পানায়ূড়ের একটি রিসর্টে অভিযান চালানোর পরেই অন্য রাজ্যের বহু নারীকে উদ্ধার করে পুলিশ। আর তাঁরা সকলেই সঙ্গীতা পরিচালিত ওই মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেই অভিযোগ। সঙ্গীতার সঙ্গে পুলিশ তাঁর ছায়াসঙ্গী সুরেশকেও গ্রেফতার করেছে। সুরেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নানা বয়সের মহিলাদের টেলিভিশন আর সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ করিয়ে দেওয়ার টোপ দিয়ে তাঁদের এই পেশায় নিয়ে আসতেন।

    তবে এই প্রথমবার নয়। নানা সময়ে ভারতের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কেঁপে উঠেছে এমনই সব গুরুতর অভিযোগে। কখনও মধুচক্র তো কখনও আবার মাদকচক্র। কখনও খুব জনপ্রিয় মুখ বেরিয়ে আসে পর্দার আড়াল থেকে, তো কখনও আবার উঠতি কোনও অভিনেতা-অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ।

    যেমন ধরুন, শার্লিন চোপড়া। বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ে না অভিনেত্রী শার্লিনের। তাঁর হালফিলের ছবি ‘কামসূত্র থ্রি ডি’ রিলিজের আগেই ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হয় শার্লিনের অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলির ভিডিও। এ হেন শার্লিনের বিরুদ্ধেই একবার অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। বিষয়টি নিয়ে বিশেষ জলঘোলা হওয়ার আগেই মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন শার্লিন। অকপটে এও স্বীকার করে নিয়েছিলেন, যে পয়সার কারণেই তাঁকে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে বেডরুম অবধি ছুটতে হত।

    ‘মকড়ি’ আর ‘ইকবাল’ ছবিটির সেই ছোট্ট অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে বোধ হয় সকলেরই মনে আছে। বিয়ের পিঁড়িতেও যে বসতে চলেছেন সে কথাও জানিয়েছেন শ্বেতা নিজেই। এই শ্বেতার নামেই একবার অভিযোগ উঠেছিল মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের গোড়ায় হায়দরাবাদের একটি হোটেল থেকে যৌন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে শ্বেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সে সময় সংবাদমাধ্যমে হায়দরাবাদ পুলিশের তরফেই শ্বেতার একটি বিবৃতি পাওয়া গিয়েছিল।

    সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল যে, অভাবে পড়েই যৌনপেশায় জড়িয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। পরবর্তীকালে হায়দরাবাদের আদালত শ্বেতাকে ক্লিন চিট দেওয়ার পরক্ষণেই সংবাদমাধ্যমকে খোলা চিঠি লিখেছিলেন শ্বেতা বসু প্রসাদ। চিঠিতে তিনি দাবি করেছিলেন, যে ধরা পড়ার পরে তাঁর যে ‘স্বীকারোক্তি’র কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, তার আদ্যোপান্ত ভুয়া।

    ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ বললেই সকলের সামনে বিগ বস হাউসের ছবিটা ভেসে উঠবে। হাউসের ভিতরে পাক অভিনেত্রী আরশি খানকে ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ বললেই তেলে বেগুণে জ্বলে উঠতেন। কিন্তু কী এই ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’?

    বলি সূত্রের দাবি এই ‘গোয়া পুণে কাণ্ড’ আদতে যৌন ব্যবসা। আর পাক অভিনেত্রী আরশি খানই এই যৌন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রের আরও দাবি। তবে আরশি বরাবরই দাবি করে এসেছেন যে এই অভিযোগের পুরোটাই মিথ্যা। সংবাদমাধ্যমকে এক বার আরশি বলেছিলেন, “পুণেতে শো করতে এসে একটি হোটেলে আমি উঠেছিলাম। রাত পৌনে একটা নাগাদ হঠাৎই সেই হোটেলে আমার রুমের দরজা নক করতে থাকেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের জনা দশেক অফিসার। আমি পাকিস্তানি মুসলিম বলেই ওই অফিসাররা আমাকে গ্রেফতার করতে আসেন। আমার সমস্ত ডকুমেন্টস কেড়ে নেন অফিসারেরা। কিন্তু ততক্ষণে যে আমার ফোনের রেকর্ডার অন করে ফেলেছি, তার বিন্দুবিসর্গও টের পাননি ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসারেরা। পরে এই মিথ্যা কেসটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমার কাছেই উল্টে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে বসেন তাঁরা।” যদিও পুণে পুলিশ আরশির এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করে। সঙ্গে এও দাবি করে যে, তাঁদের কাছে আরশি এবং তাঁর এজেন্টের কথাবার্তার সম্পূর্ণ কল রেকর্ড রয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে স্বঘোষিত বিতর্কিত ধর্মগুরু রাধে মা জড়িয়ে আছেন বলেও দাবি করেন তাঁরা। গোয়াতেও একবার মধুচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আরশি খানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

    অভিনেত্রী দীপ্তি নাভালও নাকি যৌন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে গুজব রটেছিল বলিউডে। পরে দীপ্তি নিজে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, এটা একটা বানানো গল্প ছাড়া আর কিছুই নয়। আর সংবাদমাধ্যমই নাকি এই গুজব ছড়িয়েছে বলেও দাবি করেছিলেন দীপ্তি।

    তবে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এ হেন কেচ্ছা যে শুধু যে মধুচক্রেই সীমাবদ্ধ তাই নয়। মমতা কুলকার্নির মতো জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম জড়িয়েছে মাদকচক্রের সঙ্গে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক মাদক-পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার। তাঁর হেফাজত থেকে মাদক উদ্ধার হওয়ার অভিযোগও করেছিল পুলিশ। প্রথম থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও ঠাণের এক জেলা আদালত অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নি এবং তাঁর স্বামী ভিকি গোস্বামীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। যদিও পরে মমতা জানিয়েছিলেন যে, এই ড্রাগ মাফিয়া ভিকি নাকি তাঁর স্বামীই নন। দাবি করেছিলেন, “আমি যোগিনী! আমার বিরুদ্ধে ড্রাগ পাচারের সব অভিযোগই মিথ্যা।”

    ক্যারিয়ারের স্বার্থে কখনও উঠতি অভিনেত্রীর ‘কম্প্রোমাইজ’। কখনও আবার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আজীবন পুরনো লাইফস্টাইল ধরে রাখার চেষ্টা। তাতেই কি এই ধরনের ফাঁদে পা দিচ্ছে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি? এই ধরনের ফাঁদ কি অনন্তকাল ধরে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সামনে পাতা থাকবে? যতবারই এই ধরনের ঘটনা সামনে আসে নড়েচড়ে বসে ভারতের প্রশাসন। আর যেই না সেখান থেকে প্রচারের আলো নিভতে থাকে, আবার সেই যা কার তাই!

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • আয়াতুল্লাহ খামেনির হুঁশিয়ারি, তোলপাড় বিশ্ব গণমাধ্যমে

    আয়াতুল্লাহ খামেনির হুঁশিয়ারি, তোলপাড় বিশ্ব গণমাধ্যমে

    ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি সোমবার বিশাল এক জনসভায় ভাষণ দেন। সেই ভাষণ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো ফলাও করে প্রচার করেছে।

    পাকিস্তানের বহুল প্রচারিত দৈনিক ‘ডন নিউজ’ ও ‘জিও টিভি’ জানিয়েছে- ইউরোপকে সতর্ক করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, ইরানে একটা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করলে তার জবাবে ১০টা ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হবে।

    আজারবাইজানের বার্তা সংস্থা ‘ট্রেন্ড’ লিখেছে- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তার দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের একই সময়ে পরমাণু কর্মসূচি স্থগিত রাখতে বাধ্য করার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে ইউরোপকে সতর্ক করে দিয়েছেন।

    আনাতোলি বার্তা সংস্থা ও স্টার নিউজ চ্যানেলসহ তুরস্কের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম বলেছে- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কাজ পুনরায় শুরু করার যে নির্দেশ দিয়েছেন, তা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের সতর্ক বার্তা।

    এছাড়া, বিবিসি, আল-জাজিরা, রাশাটুডে, এএফপি, রয়টার্স, স্কাইনিউজ, আল-আরাবিয়া, আল-আলম, আল-মায়াদিনসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলেছে- ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইউরোপকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সহ্য করার একই সময়ে ইরান পরমাণু তৎপরতাও স্থগিত রাখবে বলে ইউরোপ যে স্বপ্ন দেখছে, তা কখনো বাস্তবায়িত হবে না।

    খামেনির সোমবারের ওই ভাষণে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা এক লাখ ৯০ হাজার এসডাব্লিউইউতে উন্নীত করার প্রস্তুতি নিতে জাতীয় আনবিক শক্তি সংস্থার প্রতি নির্দেশ দেন!

  • ‘বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি শুরু

    ‘বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি শুরু

    বাংলাদেশের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণের পর দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। যখনই বিশ্বে নতুন প্রযুক্তি আসবে, ঠিক তখনই আমরা যেন তা নিয়ে গবেষণা করতে পারি, ধারণ করতে পারি এবং ব্যবহার করতে পারি সেই চেষ্টা করবো। এখন স্যাটেলাইটের যুগ, স্যাটেলাইট আমরা পাঠিয়েছি। আমরা প্রস্তুত হচ্ছি স্যাটেলাইট-২ এর জন্য।

    বুধবার সকালে ১০ম জাতীয় সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলীয় এমপি ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কার্যকর থাকার মেয়াদ ১৫ বছর। তাই এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর রাখতে আমরা সেই মেয়াদ শেষ হবার আগেই বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করতে চাই। এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ অনেক সময় সাপেক্ষ। তাই বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট তৈরির কাজ শুরু করতে আমরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে দেশে বিদেশে সকল বাঙালি খুশিতে উদ্বেলিত। খুশিতে সকলের চোখে আনন্দ অশ্রু। আমরা খুশিতে চোখের পানি রাখতে পারিনি। কিন্তু যখন সব মানুষ যখন এত খুশি, বিএনপির কেন দুঃখ? পৃথিবীর বহুদেশ আমাদের বহু ‍পূর্বে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। আমরা কেন পারলাম না।’

    উল্লেখ্য, এ বছর ১১ই মে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।

  • রাজধানীকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা ডিএমপি কমিশনারের

    রাজধানীকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা ডিএমপি কমিশনারের

    রাজধানীকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ঢাকা মহানগরীতে সব মাদকের আখড়া ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাদক বিক্রেতা যেই হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। জঙ্গিবাদ দমনের মতো মাদককেও দমন করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    বুধবার দুপুরে মহাখালীর আইপিএইচ স্কুলে দুস্থ ও বস্তিবাসীদের ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।

    কমিশনার বলেন, দেশব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক বিক্রেতারা ধরা পড়ছে। যতোদিন মাদক নির্মূল করা না যাবে ততোদিন এ অভিযান চলবে। এ যুদ্ধে সফল হতে হলে অতীতের মতো সবার সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

  • মসজিদে’ বসে ইয়াবার কারবার, হাফেজ আটক: ৩৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    মসজিদে’ বসে ইয়াবার কারবার, হাফেজ আটক: ৩৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় পেট্রল পাম্পে নামাজ পড়ার স্থানে বসে ইয়াবার চালান হস্তান্তরের সময় আটক হয়েছেন কোরআনের এক হাফেজ। তার দেয়া তথ্যমতে আটক করা হয় আরও ছয়জনকে। জব্দ করা হয়েছে ৩৬ হাজার বড়ি।

    পুলিশ বলছে, কেউ সন্দেহ করবে না, এই ভরসায় মসজিদকে ঘিরে এই কারবার চালাতেন ওই হাফেজ। আর ব্যাগে ভরে অন্য একজনকে দেয়া ১৩ হাজার বড়ির পাশাপাশি তার দেয়া তথ্যে একটি ট্রাকের নিচের অংশে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে আনা ১৫ হাজার বড়িও জব্দ করা হয়।

    সোমবার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের দল এই অভিযান চালায়। এ সময় আটক হন হাফেজ শহীদুল্লাহ। সুরেলা কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াতের জন্যও তার সুনাম ছিল।

    আটক অন্য ছয়জন হলেন: স্বপন দত্ত, মাহবুর সরদার, মাহমুদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন, কালা হাসান ও বরকত আলী।

    ডিবির অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. শাহজাহান ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলাইনের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী এলাকায় এই অভিযান চলে।

    গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, একটি মিনি ট্রাকে করে রাজধানীতে ইয়াবা আসছে এমন খবরে সোমবার সন্ধ্যার পর অভিযানে যান তারা।

    সন্ধ্যা থেকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় অবস্থান নেয় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। রাতে খবর আসে যাত্রাবাড়ী থেকে পোস্তগোলার দিকে যেতে একটি সিএনজি পাম্পের কাছে হাত বদল হবে ইয়াবার।

    সে অনুযায়ী অবস্থান নেন গোয়েন্দা সদস্যরা। এ সময় এক পাম্পের পাশের নামাজের স্থানে প্রবেশ করেন হাফেজ শহীদুল্লাহ। তার পিছু পিছু আরেকজনকে আসতে দেখে সন্দেহ হয় গোয়েন্দা পুলিশের। অবশেষে সেখান থেকে ইয়াবার হাত বদলের সময় হাতেনাতে আটক হন দুই জন।

    শহীদুল্লাহর সঙ্গে আটক স্বপন দত্ত জানান ইয়াবার চালানটি তিনি মাদারীপুর নিতেন। আর শহীদুল্লাহ জানান, স্টেডিয়াম মার্কেট ছাড়াও মোট পাঁচ জায়গায় তিনি ইয়াবা সরবরাহ করতেন।

    পরে শহীদুল্লাহর দেয়া তথ্যে যে ট্রাকে টেকনাফ থেকে ইয়াবা নিয়ে আসা হয়েছিল জব্দ করা হয় সেটিও।

    পুলিশ বলছে, শহীদুল্লাহ ইয়াবার বড় চালান নিয়ে এর আগেও বেশকবার ঢাকায় এসেছিল। তার কিছু নিয়মিত ক্রেতাও রয়েছে। এখন সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানের মধ্যে কড়াকড়ির মাঝেও পুরনো গ্রাহকদের ধরে রাখতেই ইয়াবার এই চালান নিয়ে এসেছেন তিনি।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার মশিউর রহমান জানান, হাফেজ শহীদুল্লাহ এক লাখ ইয়াবা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন একেকটি চালানে।

    শহীদুল্লাহ বাড়ি টেকনাফে। হাফেজিয়া পাস করার পর তিনি ভারতের দেওবন্দ থেকে দাওরায়ে হাদিস পাস করেন। দ্রুত ধনী হওয়ার বাসনায় সন্দেহ করবে না ভেবে তিনি জড়িয়ে পড়েন ইয়াবার কারবারে।

    শহীদুল্লাহর পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে চার জনই কোরআনে হাফেজ বলেও জানায় পুলিশ।

    ডিবির অতিরিক্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম সাকলাইন বলেন, ‘এই চক্রটি বেশ কিছু দিন ধরে রাজধানীতে মাদক এনে বিক্রি করত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’