Author: banglarmukh official

  • মাটির নিচ থেকে গজিয়ে ওঠা গায়েবী মসজিদ নিয়ে রহস্য !

    মাটির নিচ থেকে গজিয়ে ওঠা গায়েবী মসজিদ নিয়ে রহস্য !

    বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের চরহোগলা তালুকদার বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় রহস্যে ঘেরা একটি ছোট গম্বুজের উপরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল একটি লাহর গাছ। স্থানীয়দের ধারণা, এটি একটি গায়েবী মসজিদ। কেউ কেউ আবার এটিকে কানা মসজিদ বলেও আখ্যায়িত করেন।

    স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, বহু বছর পূর্বে মাটির নিচ থেকে একটি গম্বুজ ওঠে। গম্বুজের উপরে বট গাছ আকৃতির একটি গাছ রয়েছে। আর ঐ গাছের শিকড় দিয়ে ঘেরা রয়েছে গম্বুজটি। গাছটির নাম দেয়া হয়েছে লাহর গাছ। যার পাতাটির মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে। অদ্ভুদ এই গাছের পাতাটি বিড়ল প্রজাতির।

    স্থানীয় কোন মানুষ ঐ গাছের পাতা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করেনা। কেউ যদি গাছের পাতায় আগুন দেয় তাহলে তার কোন না কোন সমস্যা ও দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিশ্বাস স্থানীয়দের। এমনকি ঐ গাছের ডাল কাটলে দুর্ঘটনা ঘটবেই বলে সাধারন মানুষের ধারণা। তবে এই বিশ্বাস পুরো চরমোনাই ইউনিয়নবাসীর।

    তারা বলছে, বেশ কয়েকবার কয়েকজন ব্যক্তি লাহর গাছের ডাল কাটে। তার পরই তাদের বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। বিভিন্ন সময়ে এলাকার সাধারন মানুষ ঐ স্থানটির সামনে দিয়ে যেতে ভয় পায়। অনেকেই গভীর রাতে সাদা পোষাকে কাউকে নামাজ পড়তেও দেখেছে।

    গায়েবী নামক এই মসজিদটিতে একটি গম্বুজ রয়েছে। প্রবেশ পথে রয়েছে ছোট একটি দরজা। উত্তর দিকে একটি ছোট জানালা। ভেতরে দুই থেকে তিন জন মানুষ একসাথে নামাজ আদায় করতে পারে। প্রবেশ পথের সামনেই একটি দান বাক্স রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এসে এখানে দান করে থাকেন।

    জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকা এই গায়েবী নামক মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেন চরহোগলা ইউনিয়নের চৌধুরী বাড়ীর মোতাহার হোসেন চৌধুরী (৭৬)। তিনি জানান, তার জন্মের পর থেকেই তিনি স্থানীয়দের দেয়া নাম (গায়েবী মসজিদ) দেখে আসছেন। তবে তার মতে এটি কোন গায়েবী সমজিদ না।

    রেকর্ডীয় প্রায় ২১ শতাংশ জমিতে নাম দেয়া আছে মসজিদ বাড়ী। তবে বাস্তবে রয়েছে ৯ শতাংশ। তিনি জানান, এখানে এটি মাটি ভেদ করে উঠেছে কিনা তা আমার জানা নেই। আমার জানা মতে, বিরাট নগরের শাসক দরবেশ শাহ্ সিকান্দারের পুত্র গাজী। কালু সিকান্দারের পোষ্য পুত্র।

    তিনি এখানে এ ধরনের কিছু একটা তৈরী করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে আমি পুরোপুরি জানিনা। আমার বাপ দাদারাও এভাবেই দেখে আসছে। এটি বহু বছরের পুরোনো। তবে এটা সত্যি এখানে কিছু একটা আছে। অনেকে অনেক কিছু দেখেছে।

    অনেকে ভক্তি করে এখানে মুরগী, ছাগল, টাকা, পয়সা দিয়ে যায়। মোতাহার হোসেন চৌধুরী জানান, একই এলাকার ইমাম শামসু তালুকদার লাহর গাছের ডাল কাটে তার কিছু দিন পরই তিনি মারা যান। আর একজন হাফেজ আবুল কালাম ডাল কাটে। এর সাত দিনের মাথায় তিনি প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হন।

    এখানের একটি পাতাও কেউ পুড়ে না। সব পাতা জমা করে পাশের একটি গর্তে ফেলে দেয়া হয়। বছর শেষে দান বাক্স খুললে অনেক টাকা পাওয়া যায়। আর সেই টাকা দিয়ে এটিকে রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে। একটা নতুন দান বাক্স বসানো হয়েছে।

    মানুষ রাতের বেলা এখান থেকে হেঁটে যেতে ভয় পায় তাই লাইট পোষ্ট দিয়ে লাইট দেয়া হয়েছে। জ্বীন আছে এটা সত্য কথা আবার অনেকে দেখেছে বলেও জানান মোতাহার হোসেন চৌধুরী।

    স্থানীয় মোশারফ আলী (৮৩ ) জানান, এখানে মাঝে মধ্যে মানুষ নামাজ পড়ে। আগে তো সবাই ভয়ে যেতে পারতো না, এখন আর কেউ ভয় পায়না। অনেকেই আসে এখানে। এখান থেকে উপকার পায় বলেই মানুষ আসে। তবে এখানে আসলে কি আছে তা বলতে পারবো না। প্রতি বছর দানের টাকায় গোস্ত ছাড়া খিচুরী পাক করে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিলি করা হয়।

  • সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে যা যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে যা যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনা বাহিনী মোতায়েন করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নূরুল হুদা।

    বুধবার (০৬ জুন) দুপুরে বরিশাল সাার্কিট হাউসে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানিয়েছেন।

    কর্মশলার প্রধান অতিথি সিইসি বলেন- প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা আর পুরানো পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের বিড়ম্বনা পোহাতে চাই না। ২০০৮ সালে এই পদ্ধতি নিয়ে নিরীক্ষা করার পর এর সুফল পাওয়ায় আমরা চাচ্ছি পর্যায়ক্রমে এর ব্যবহার প্রসারিত করার। আমরা চাচ্ছি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার। এজন্য ইভিএম পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম। এই পদ্ধতির সুফল ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রচারে জন্য সবার প্রতি আহবান যানান তিনি।

    বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। দিনভর এই কর্মশালায় বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • যে কারণে আসিফের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি

    যে কারণে আসিফের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা একটি মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের পাচঁ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সিআইডির উপ-পরিদর্শক প্রলয় রায় এই রিমান্ড আবেদন করেন।

    দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম কেশব রায়ের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। রিমান্ড আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ্য করেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে। মামলার আসামি আসিফকে জামিন দিলে পলাতক হতে পারে।ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং মূল হোতাকে খুঁজে বের করার জন্য আসামি আসিফকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন রয়েছে। স্বল্প সময়ে আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আসিফের সহযোগীদের নাম ও ঠিকানা সংগ্রহের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

    রিমান্ড আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ্য করেন, এই কাজে ব্যবহার করা ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইসের পরিচিতি এবং আসিফের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। এর আগে মঙ্গলবার (৫ জুন) দিবাগত রাত দেড়টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে।

    সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম জানান, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিনের তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তেজগাঁও থানার দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১৫। শফিক তুহিন মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ১ জুন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে চ্যানেল ২৪-এর সার্চ লাইট নামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসিফ আকবর অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন। পরে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ আকবর আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে অন মোবাইল প্রা. লি. কনটেন্ট প্রোভাইডার, নেক্সনেট লি. গাক মিডিয়া বাংলাদেশ লি. ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে ট্রু-টিউন, ওয়াপ-২, রিংটোন, পিআরবিটি, ফুলট্রেক, ওয়াল পেপার, অ্যানিমেশন, থ্রি-জি কন্টেন্ট ইত্যাদি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে অসাধুভাবে ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

    এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরে ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২ জুন রাত ২টা ২২ মিনিটে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির এই ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেন। তার ওই পোস্টের নিচে আসিফ আকবর নিজের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অশালীন মন্তব্য ও হুমকি দেন। পরের দিন রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে আসিফ আকবর তার প্রায় ৩২ লাখ লাইকার সমৃদ্ধ ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। ৫৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড লাইভ ভিডিওর ২২ মিনিট থেকে তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দেন। ভিডিওতে আসিফ আকবর তাকে (শফিক তুহিন) শায়েস্তা করবেন-এ কথা বলার পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাকে যেখানেই পাবেন, সেখানেই প্রতিহত করবেন। এই নির্দেশনা পেয়ে আসিফ আকবরের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। আসিফ আকবরের এই বক্তব্য লাখ লাখ মানুষ দেখেছে। তিনি উসকানি দিয়েছেন। এতে তার (শফিক তুহিন) মানহানি হয়েছে।

    এজাহারে শফিক তুহিন আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি সংগীতাঙ্গনের সুপরিচিত শিল্পী, সুরকার ও গীতিকার প্রীতম আহমেদসহ অনেকেই জানেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে কৌশলী ভুমিকায় বিএনপি:দুই দলের তরুন প্রার্থীদের প্রচারনায় ধরাশায়ি অন্যরা

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে কৌশলী ভুমিকায় বিএনপি:দুই দলের তরুন প্রার্থীদের প্রচারনায় ধরাশায়ি অন্যরা

    নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষনার পর পরই নরেচড়ে বসেছেন বরিশাল- মহানগরের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সমার্থকরা। কোন আইনি জটিলতা না থাকলে চলতি বছরের ৩০ জলাই অনুষ্টিত হচ্ছে বহুল প্রত্যাশীত বরিশাল সিটিকর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন কে সামনে রেখে এরই মধ্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর বরিশাল নগরী।

    রমজানেরর ইফতার পার্টি ও আগাম ঈদ শুভেচ্ছা বিনীময়ে কৌশলে ব্যপকভাবে প্রচারনা যুদ্ধে নিজস্ব অবস্থান তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। বিগত নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী সমার্থকদের মধ্যে উৎসবে ভিন্নতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারদলের এবং সংসদের প্রধান বিরোধি দলের মধ্যে দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীই তরুন নতুন মুখ। এবারই তারা প্রথম কোনো ভোট যুদ্ধে অবর্তীন হচ্ছেন। সংসদের বাহিরে থাকা বিরোধি দল বিএনপির একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে থাকলেও দুই তরুনের প্রচারনায় আড়ালে পড়ছে তাদের প্রচার প্রচারনা। অবশ্য সব কিছু পরিস্কার হতে ভোটারদের আরো কিছু দিন অপেক্ষায় থাকতে হবে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

    সুত্রমতে,তফসিল ঘোষনার আগ থেকেই সক্রিয় ভাবে কর্মীসমার্থক গোছাতে সামার্থ হয়েছেন মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাদ সাদিক আবদুল্লাহ। দলের তরুন যুবসমাজ সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে দাবী করে আসছে। সাদিক ইতিমধ্যে যুবরত্ন খ্যাতি লাভ করেছেন। ব্যনার ফেষ্ঠুনসহ সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারনা চালাচ্ছে কর্মীরা।

    সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর থেকই সাদিক আবদুল্লাহ নগরের সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তিনি নৌকা প্রতিকের পক্ষে ভোট চেয়ে নগরকে চষে বেড়াচ্ছেন। কেন্দ্র থেকে সবুজ সংকেত সাদিকের দিকেই এমন একটি গুঞ্জনও সোনা যাচ্ছে। স্থানিয় সভাপতি সম্পদকসহ নেতাকর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে প্রচারনায় ব্যাস্ত এমন বাস্তবতায় পিছিয়ে নেই দলের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী কর্নেল (অব:)জাহিদ ফারুক শামিমও।

    প্রচার প্রচারনায় তিনিও বেশ সক্রিয় রয়েছেন দির্ঘদিন যাবত। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে রিতিমত ঘাম ঝড়াচ্ছেন দলের ত্যাগী নেতা হিসেবে খ্যাত জাহিদ ফারুক শামিম। দলের দুর্দিনে ভদ্র ইমেজের অধিকারী জাহিদ ফারুক শামিমের দারুণ ভুমিকা রয়েছে বলে মনেকরছে একটি অংশ। একটি সুত্র বলছে দলের উচ্চপর্যায় থেকে এখনও কাউকেই আনুষ্ঠানিক ভাবে মনোনয়ন ব্যাপারে ঘোষনা আসেনি।

    সিটি নির্বাচনের এবারের আর এক নতুন ট্রামকার্ড শিল্পপতি ইকবাল হোসেন তাপস। বেকার,গরীব সুভিধা বঞ্চিত মানুষের বন্ধু হিসেবে ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছেন ইকবাল হোসেন তাপস। বর্তমান সংসদের প্রধান বিরোধি দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন তাপস দলের একমাত্র মনোনীত মেয়র পদ প্রার্থী। বরিশাল মহানগরীকে আধুনিকায়ন করা,পরিচ্ছন্ন রাজনিতীতে সাধারন মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার স্লোগান নিয়ে ইকবাল হোসেন তাপস প্রচার প্রচারনায় বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

    লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করলেও মুলত তিনি দলমত নির্বীশেষে নগরের সর্বোসাধারনের সমার্থন আদায়ের চেস্টা করছেন। বেকার যুবসমাজের একটি বিরাট অংশ তাপসেরর প্রতি আকৃষ্ট বলে জানা গেছে। শহরকে নিয়ে নিজের কর্মপরিকল্পনা জনসাধারনের নিকট তুলে ধরছেন। ভোটারদের সাথে মতবিনিময় ও সোস্যাল মিডিয়ায়ও প্রচারনায় রয়েছেন তাপস। তিনি বরিশাল রাজনিতীতে নতুন মুখ হলেও ব্যবসায়, শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে বিগত দিনে অনেক লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করে দেয়ার সুবাধে বড় দুই দলের মধ্য তিনি এখন শক্ত প্রার্থী হয়ে হয়ে দাড়িয়েছেন।

    জাপার কেন্দ্রীয় সুত্র বলছে এবার তারা ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন প্রার্থী দিতে সক্ষম হয়েছেন। ভোট যুদ্ধে তাপসই হবে তিন দলের অন্যতম ট্রামকার্ড।

    এদিকে সরকারিদল ও সংসদের প্রধান বিরোধি দলের দুই তরুন নতুন মুখ যখন গোটা বরিশালকে প্রচারনা যুদ্ধে অবর্তীন হচ্ছে এমন প্রেক্ষাপটে সাধামাটা প্রচারনা চালিয়ে মাঠে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। সুত্র বলছে খুলনার সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনের পরিবেশের জন্য কেন্দ্রী কমিটি মনোনয়ন বিষয়ে কৌশলী ভুমিকা পালন করছে। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে থাকলেও দলের একজন নারী নেত্রীকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে ।

    একমসয়ের বৃহৎ এই দলটির নেতারা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের চেয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে দৈন্যদশায় রয়েছেন। তবে যথাসময় যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেয়া হবে এমনটি জানিয়ে অপর একটি অসমার্থিত সুত্র বলছে,ভোট যুদ্ধে বরিশাল বিএনপিতে দলের যুগ্ন-মহাচিব এ্যড.মুজিবুর রহমান সরোয়ারের বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে সকলে একত্রিত হয়ে সরোয়ারের পক্ষেই অবস্থান নিতে পারেন বলে সুত্রটি দাবী করছে।

    সিটি নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে এখন সবখানে তরুনদের জয়জয়কার। সেদিক বিবেচনায় এনে দলগুলোর উচিত তরুনদের সুযোগ করে দেয়া। ভিন্নমত পোষন করে অপর একজন বিশ্লেষক খুলনা সিটি নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন পুরান চাল ভাতে বলে। তাই দলের ত্যাগী নেতাদের বিষয়ে দলগুলো চিন্তাভাবনা করতে পারে।

    তবে রাজনৈতিক দলগুলো যাদেরকেই মনোনয়ন দেয় না কেনো,শান্তিপুর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃস্টির প্রতি সবাই একমত পোষন করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান।

  • এক স্বপ্নময় বালকের গল্প

    এক স্বপ্নময় বালকের গল্প

    পৃথিবীর বুকে যখন মানুষ জন্মগ্রহণ করে ,তখন শত শত স্বপ্ন নিয়ে এই পৃথিবীর বুকে আসে। যখন সে পৃথিবীর বুকে এসে নিজে কিছু বুঝতে শিখে এবং জ্ঞান অন্বেশনের জন্য বিদ্যালয় মুখী হয়,তখন থেকে সে তার স্বপ্নের জাল বিস্তীর্ণ করতে শেখে এবং স্বপ্ন পুরনের পথে হাটতে শিখে।

    এরকমই একজন স্বপ্ন পুরনের পথে এগিয়ে চলা পথিক মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ।১৮ বছর বয়সের এই ছেলেটি বরিশাল সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তারুণ্যের উদ্দীপনায় উদ্দীপ্ত এই যুবক আছমত আলী খান ( এ.কে ) ইনস্টিটিউট থেকে ২০১৬ সনে এস.এস.পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এই ছেলেটির ছোখে হাজারো স্বপ্ন। স্বপ্ন দেখে নিজেকে নিয়ে,নিজের পরিবারকে নিয়ে,সমাজ কে নিয়ে, দেশকে নিয়ে এবং এই পৃথিবী কে নিয়ে।

    কিন্তু কি পরিচয় এই ছেলেটির?

    মোঃ আবু সুফিয়ান শেখ একজন বিতার্কিক। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে তার বিতর্ক অঙ্গনে পথ চলা শুরু হয়। বরিশালের বিতর্ক অঙ্গনে নিজের মেধা দিয়ে মন জয় করে নিয়েছেন হাজারো বিতার্কিকদের মন। জাতীয় পর্যায়ে বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন এই বিতার্কিক। তার অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে প্রায় শতাধিক পুরষ্কার।

    বরিশাল বিভাগের বারোয়ারি বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন সহ বরিশালের বিতর্ক অঙ্গনে প্রায় শতাধিক বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা ছিলেন আবু সুফিয়ান।বর্তমানে ” ডিবেটার্স কমিউনিটি অফ বরিশালের ” যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।২০১৪ সালে সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উত্সবে বরিশাল জেলায় শ্রেষ্ঠ বিতর্কিক।এন .ডি.এফ বিডি বিডিএ বরিশাল বিতর্ক উত্সবে পরপর দু বার বরিশাল বিভাগে ২য় স্থান অধিকার করেন।ছিলেন একে ইন্সটিটিউট ডিবেট ক্লাবের সভাপতি।

    শুধু বিতর্ক নয়। বক্তৃতায় রয়েছে তার পারদর্শিতা। একাধিক বার বরিশালের শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। জাতীয় বিদ্যুত্ সপ্তাহ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ আঠারো জন বক্তার মধ্যে তিনি একজন।

    শুধু এই অঙ্গনে কেন , শিশুদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করে চলেছেন এই শিশুটি। এই অল্প বয়সে অর্জন করেছিলেন বিভিন্ন পদমর্যাদার আসন। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় শিশু সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠি ছিলেন। সাউথ বাংলা রিজন শিশু ফোরামের সহ সভাপতি ছিলেন। বরিশাল শিশু ফোরামের সভাপতি হিসাবে কাজ করেছেন । বর্তমানে সকল শিশু এবং সমাজে বন্চিত মানুষের সাথে কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন “অবাক” নামে একটি সংগঠন। রয়েছেন আইক্যান চেইন্জ দ্যা ওয়াল্ডের সাথে।

    এই ছেলেটি ছোট বেলা থেকেই কবিতা লেখার মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেন। তার লেখনীতে বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন চিত্র তুলে আসে।

    এই ছেলেটির চোখে একটি ঝলমলে স্বপ্ন রয়েছে। সে নিজেকে ডাক্তার হিসাবে দেখতে চান। তার বাবা মায়েরও স্বপ্ন যে সে  একজন ডাক্তার হয়।

    তার চোখে আরো একটি বড় স্বপ্ন রয়েছে। যানেনা এই স্বপ্নটি সে পূরন করতে পারবে কি না। তার স্বপ্ন হলো ভবিষ্যতে সে জাতি সংঘের মহাসচিব হতে চায়। সমগ্র বিশ্বকে সে একটি সুতায় বাঁধতে চায়। এই পৃথিবীর বুকে কোনও যুদ্ধ,হিংসা,সংঘর্ষ সে দেখতে চায়না। সে চায় এক সুন্দর স্বপনের পৃথিবী দেখতে।

  • উন্নয়নের ধারাকে ধরে রাখতে চান কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া।

    উন্নয়নের ধারাকে ধরে রাখতে চান কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া।

    প্রিন্স মুন্সি:

    ( জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলারমুখ ২৪ ডট কম পত্রিকার কাউন্সিলরদের উন্নয়ন নিয়ে করা প্রতিবেদন )

    আসছে আগামী ৩০ শে জুলাই বরিশাল সিটিকর্পোরেশন নির্বাচন।নির্বাচনকে নিয়ে সকল প্রার্থীর জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। প্রত্যেকে নিজেদের এলাকা গুছিয়ে নিতে শুরু করেছেন। নতুনরা নেমে পরেছেন অনেক আগ থেকেই। কিন্তু বর্তমান কাউন্সিলরগন দৃঢ় বিশ্বাসী তাদের নিজ নিজ কাজ নিয়ে।

    বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের চার নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া দৃঢ় বিশ্বাসী তার কাজ নিয়ে। ২০০৩ সালে প্রথম কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৩ সালে পূনরায় নির্বাচিত হন মোঃ ইউনুস মিয়া।

    নির্বাচিত হবার পরে মানুষের ভালবাসা অর্জনের জন্য এবং নিজ দ্বায়িত্ব পালনে যথাযথ চেষ্টা করে গেছেন তিনি। বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের অর্থনৈতিক বাধা থাকা সত্ত্বেও তিনি তার এলাকার উন্নয়ন করেছেন।

    ** প্রায় তিন কোটি টাকা খরচে পাকা করেছেন ভাটিখানা রোকেয়া আজীম সড়ক।

    ** দুই কোটি টাকা ব্যায়ে বর্ধিত এলাকায় আলোর ব্যাবস্থা করেছেন।

    **আট কোটি টাকা ব্যায়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন করেন।

    ** সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যায়ে টিবির পুকুরের চারিপাশে ওয়াকওয়ে এবং একটি শিশু পার্ক তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। যে কাজটি সম্পন্ন হলে সাতটি ওয়ার্ডের শিশুরা বিনোদনের সুযোগ পাবে।

    ** এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ঐতিহ্যবাহী মাহামুদিয়া মাদ্রাসার ভিতরের ড্রেনেজ ব্যাবস্থার কাজ সমাপ্ত করা হয়।

    কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া বলেন, আমি একজন সমাজসেবী মানুষ। আমি নির্বাচনে এসেছি মানুষের উন্নয়ন করার জন্য। আমি টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, পারহাউজ জামে মসজিদের সহ সাধারণ সম্পাদক, রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালের সদস্য,জামেয়া এবাদুল্লাহ মসজিদ কমিটির সদস্য, মাহামুদিয়া মাদ্রাসার হিতাকাঙ্ক্ষী সদস্য,বরিশাল ইসলামিয়া কলেজের অভিভাবক সদস্য।

    আমার পরিবারের সদস্যগন ছিলেন পূর্বের কমিশনার। আমার রক্তে মিশে আছে মানুষের সেবা করা।জনগণ আমাকে সুযোগ দিলে আমি আবারো তাদের সেবা করতে চাই।

  • মাহে রমজান গুনাহ মাফের নিশ্চয়তা দেয়

    মাহে রমজান গুনাহ মাফের নিশ্চয়তা দেয়

    রমজান হলো গুনাহ মাফের মাস। স্বয়ং রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সুসংবাদ দিয়েছেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘যে লোক রমজান মাসের রোজা রাখবে ইমান ও চেতনাসহকারে (সওয়ারের আশায়) তার পূর্ববর্তী গুনাহ মাফ হয়ে যায়।’ বুখারি, মুসলিম।

    এটি এমন এক পবিত্র মাস, যে মাসে আল্লাহর কৃপা বান্দার জন্য উন্মুক্ত হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে রমজান মাস উপস্থিত। এটি অত্যন্ত বরকতময় মাস। আল্লাহ এ মাসে তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করেছেন। এ মাসে আকাশের দরজাসমূহ উন্মুক্ত হয়ে যায়, এ মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এ মাসে বড় বড় ও সেরা শয়তানগুলো আটক রাখা হয়। আল্লাহর জন্য এ মাসে একটি রাত আছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। যে লোক এই রাতের মহাকল্যাণ লাভ থেকে বঞ্চিত থাকল, সে সত্যই বঞ্চিত ব্যক্তি।’ নাসায়ি, মুসনাদে আহমদ ও বায়হাকি।

    রোজাদারদের আখেরাতে পুরস্কৃত করা হবে নানাভাবে। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে লোক এক দিন আল্লাহর পথে রোজা রাখবে, আল্লাহ তার মুখমণ্ডল জাহান্নাম থেকে সত্তর বছর দূরে সরিয়ে রাখবেন।’ বুখারি, তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ ও মুসলিম।

    হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আখেরাতের জীবনে রোজা ও কোরআন চর্চাকারীদের জন্য আল্লাহর দরবারে শাফায়াতকারী হিসেবে আবির্ভূত হবে।

    আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘রোজা ও কোরআন রোজাদার বান্দার জন্য শাফায়াত করবে, রোজা বলবে, হে আল্লাহ! আমি এ ব্যক্তিকে দিনে খাবার ও অন্যান্য কামনা-বাসনা থেকে ফিরিয়ে রেখেছি। আপনি আমার সুপারিশ গ্রহণ করুন। কোরআন বলবে, হে আল্লাহ! আমি এ ব্যক্তিকে রাতের নিদ্রা থেকে ফিরিয়ে রেখেছি। আপনি আমাদের সুপারিশ গ্রহণ করুন। আল্লাহ তাদের সুপারিশ গ্রহণ করবেন।’ হাকিম, আহমদ। রমজানে গুনাহ মাফের জন্য আমাদের বেশি বেশি ইবাদত করতে হবে। আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজের মনকে আল্লাহমুখী করার প্রয়াস চালাতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রোজা পালন ও পাপমুক্ত হওয়ার  তাওফিক দান করুন।

    লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক।

  • ব্রিটিশ শ্রমিক ফুটবলারদের রাশিয়া সফরের গল্প

    ব্রিটিশ শ্রমিক ফুটবলারদের রাশিয়া সফরের গল্প

    গ্রীষ্মে রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গে গ্যারেথ সাউথগেটের দল যখন খেলতে যাবে, তার প্রায় এক শতাব্দি আগে ১৯২৭ সালে সেখানে গিয়েছিল আরেকটি ব্রিটিশ দল। রাশিয়ার আমন্ত্রণে ইংল্যান্ডের শ্রমিক শ্রেণির প্রতিনিধিত্বশীল সেই দলটি লিভারপুল স্ট্রিট স্টেশন থেকে রওনা দিয়েছিল।

    আর তাদের প্রস্তুতি, তাদের বাহন সবই ছিল সেই গ্রীষ্মের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দলের চেয়ে আলাদা। নিজের কাজের জায়গা থেকে ছুটি না পাওয়ায়, যাত্রার ঠিক আগের দিন চারজন খেলোয়াড়ের জায়গায় অন্য খেলোয়াড় নিয়োগ করতে হয়।

    আর ১৪ সদস্যের প্রাথমিক দল নির্বাচিত হয়েছিল যাত্রার তিনদিন আগে শহরতলীর কাছের এক পার্কে ‘সম্ভাব্য’ এবং ‘হতে পারে’ এমন দুটি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ম্যাচের মাধ্যমে।

    কিন্তু সেই যাত্রার উদ্দেশ্যও কম আকর্ষণীয় ছিলো না। এক মাসের বেশি সময় ধরে সাতটি ম্যাচ খেলা, আর মস্কো, সেইন্ট পিটার্সবার্গ, কারকিভ এবং কিয়েভের মত আধুনিক শহরে থাকা এসব ভাবনা ছিলো। কিন্তু এই দলটি মানব ইতিহাসের এক মর্মস্পর্শী এক অধ্যায়ের সাক্ষী হতে চলছিল।

    দশ বছর আগে ভ্লাদিমির লেনিন রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লব করের। কম্যুনিজমকে স্রেফ এক রাজনৈতিক তত্ত্বের বাইরে এনে বাস্তবে চর্চার পথ তৈরির মাধ্যমে, তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সাধারণ মানুষ দেশের অর্থনীতি এবং নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

    কিন্তু ১৯২৪ সালে লেনিনের মৃত্যুর পর জোসেফ স্ট্যালিন, বিশ্বে বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে তৈরি হচ্ছেন, পরবর্তীতে যিনি দ্য গ্রেট টেরর বা অত্যন্ত ভীতির কারণ হয়ে উঠেছিলেন।

    আর খেলাধুলার ক্ষেত্রেও ওই সফর ছিল ঐতিহাসিক। ইংল্যান্ড এর আগে কখনো রাশিয়ার সাথে কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি। আর এর পরেও ত্রিশ বছরের বেশি সময় খেলেনি পরস্পরের বিরুদ্ধে।

    খেলোয়াড় ও ম্যানেজার জর্জ সিনফেল্ড, যিনি কারখানায় পিয়ানোর যন্ত্রাংশ বানাতে বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন, তিনি পরে লিখেছেন, সোভিয়েত ফুটবলের মান সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না আমাদের।

    তারা ভেবেছিল, তারা অনেক ভালো মানের কোন ফুটবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে। আমরা ব্রিটেন মানে ফুটবলের তীর্থভূমি থেকে এসেছি, রাশিয়ানরা ভেবেছিলো আমরা সবাই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বা সেল্টিকের মানে খেলি। কিন্তু আদতে আমরা তা ছিলাম না।

    এই দল যখন বার্লিন হয়ে তিনদিনের রাস্তা পেরিয়ে মস্কো পৌঁছাল, তাদের স্থানীয় কয়েক শো মানুষজন অভ্যর্থনা জানালো। কিন্তু শুরুর ম্যাচে অন্তত ত্রিশ হাজার দর্শক ছিলো বলে ধারণা মিঃ সিনফেল্ডের।

    প্রচণ্ড গরম আর অমসৃণ মাঠে ঐ ম্যাচে মস্কো ট্রেড ইউনিয়ন দলের কাছে ব্রিটিশ দলটি ১১-০ গোলে হেরে যায়।

    বলের আকৃতি এবং রেফারির কঠোর আচরণকে এজন্য পরে দায়ী করা হয়েছিল। এরপরে ভেন্যু বদলাতে থাকে, কিন্তু ফল একই হতে থাকে। পরের পাঁচটি ম্যাচেও শোচনীয়ভাবে হেরে যায় ব্রিটিশ দলটি। শেষ ম্যাচটিতে ২-১ গোলে জয়ের দেখা পায় মিঃ সিনফেল্ডের দল।

    তবে খেলার মাঠে হারলেও শ্রমিকদের নিয়ে তৈরি দলটি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা এবং কলকারখানা ঘুরে দেখেন। তারা সফর নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট ছিলেন।

    এখনো এ বছরের গোঁড়ার দিকে রাশিয়ার সাথে ব্রিটেনের কূটনৈতিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় তখনো শ্রমিকদের সংগঠন রাশিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল।

    সাবেক রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার কন্যাকে বিষ প্রয়োগের ঘটনার উল্লেখ করে, ইংল্যান্ড থেকে যারাই রাশিয়া যাচ্ছেন, সবাইকে ব্রিটিশ বিরোধী সেন্টিমেন্ট বা হয়রানির ব্যপারে সাবধান করা হয়েছে।-বিবিসি বাংলা

  • কোয়ান্টিকোতে ‘দেশদ্রোহী’ প্রিয়াঙ্কা

    কোয়ান্টিকোতে ‘দেশদ্রোহী’ প্রিয়াঙ্কা

    বলিউডে তো বটেই হলিউডেও নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আর হলিউডে তাকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে টিভি সিরিজ কোয়ান্টিকো। কিন্তু এবার দেশদ্রোহিতার তকমা জুটল দেশি গার্লের। টুইটারে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে দেশবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    এমনকি সোশ্যাল মিডিয়াতে পিগ্গি চপসের কোয়ান্টিকোর এবারের সিজন নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে আমেরিকান এই টিভি সিরিজের শেষ সিজন চলছে। আগের দুটি সিজনের মতো সাফল্য না-পেলেও প্রিয়াঙ্কার অনুরাগীরা এই সিরিজ থেকে এখনও মুখ ফেরাননি। তবে কোয়ান্টিকোর সাম্প্রতিক এপিসোডে যে সন্ত্রাসবাদের আবহ তুলে ধরা হয়েছে, বিতর্ক বেঁধেছে তা নিয়েই।

    ওই এপিসোডে দেখানো হয়েছে, কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী ম্যানহাটন উড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছে। পরে জানা যায়, তারা ভারতীয়। আর গল্পে দেখানো হয়েছে, সেই ভারতীয় সন্ত্রাসবাদীরা দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের উপর। এই স্টোরিলাইনের জন্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় রোষের মুখে পড়েছেন প্রধান অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। নিজের দেশকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে তুলে ধরার গল্পে তিনি কীভাবে রাজি হলেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মানুষজন। তাঁর আচরণ দেশবিরোধী বলে সমালোচনা করেছেণ অনেকে।

  • উরুগুয়ের ভারসাম্যপূর্ণ দল ঘোষণা

    উরুগুয়ের ভারসাম্যপূর্ণ দল ঘোষণা

    জমে উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে চুড়ান্ত দল ঘোষণা করা শুরু করেছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। আর তারই জের ধরে এবার দল ঘোষণা করেছেন উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজ।

    রাশিয়া বিশ্বকাপে উগুরুয়ে দলে যারা সুযোগ পেয়েছেন তাদের ১১ জনই ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলেছেন। ফলে তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল সাজিয়েছে উরুগুয়ে।

    এবারও উরুগুয়ের মূল দুই ভরসা বার্সা তারকা লুইস সুয়ারেজ ও পিএসজির এডিনসন কাভানি। এই দুজনের সঙ্গে আক্রমণে বদলি হিসেবে থাকতে পারেন সেল্টা ভিগোর ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ানো গোমেজ ও গিরোনার ক্রিস্টিয়ান স্টুয়ানি।

    উরুগুয়ের ২৩ সদস্যের স্কোয়াড:

    গোলরক্ষক: ফার্নান্দো মুসলেরা, মার্টিন সিলভা, মার্টিন কামপানা।

    রক্ষণভাগ: সেবাস্টিয়ান কোতেস, মার্টিন ক্যাসেরাস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, দিয়েগো গোডিন, ম্যাক্সিমিলিয়ানো পেরেইরা, গ্যাস্টন সিলভা, গুইলারমো ভারেলা।

    মধ্যমভাগ: রদ্রিগো বেনটানকার, গিওর্গিয়ান ডি আরাসকায়েটা, দিয়েগো লাক্সাল্ট, নাহিটান নানডেজ, ক্রিস্টিয়ান রডরিগুয়েজ, কার্লোস সানচেজ, লুকাস টোরেইরা, মাটিয়াস ভেসিনো।

    আক্রমণভাগ: লুইস সুয়ারেজ, এডিনসন কাভানি, ম্যাক্সিমিলিয়ানো গোমেজ, ক্রিস্টিয়ান স্টুয়ানি।