Author: banglarmukh official

  • স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী!

    স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিলেন স্বামী!

    জাঁকজমকভাবে পারিবারিক পছন্দে বিয়ে করেছিলেন সুজিত এলিয়াস গোলু। কিন্তু কয়েকদিন পরই জানতে পারেন স্ত্রীর আগের সম্পর্কের কথা। বিয়ের আগে অন্য এক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার স্ত্রীর। তাকে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল জোর করে। এখনও ভালোবাসার মানুষটিকে ভুলতেই পারেননি তিনি।

    এমন ঘটনা জেনে বেশিরভাগ মানুষেরই যেখানে ক্ষোভে ফেটে পড়ার কথা, তবে সুজিত জন্ম দিলেন নতুন ঘটনার। স্বেচ্ছায় স্ত্রীকে তার প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

    ভারতের কানপুরের চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ান গ্রামে ঘটেছে এই অদ্ভূত ঘটনা। গত বুধবার সুজিত এলিয়াস গোলু নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রী শান্তির সঙ্গে প্রেমিক রবির বিয়ে দেন।

    সনিগ্বোয়ান বাসিন্দা সুজিত চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৯ তারিখে শ্যামনগরের শান্তিকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দু’সপ্তাহ শ্বশুরবাড়িতে থাকার পরে শান্তি বাপের বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু তার পরে অনেকদিন পর্যন্ত শান্তির কোনও খোঁজ না পাওয়ায় সুজিত স্ত্রীকে বাড়ি না ফেরার কারণ জিজ্ঞেস করেন। স্ত্রী প্রথমে সোজাসুজি কোনও উত্তর দিতে না চাইলেও পরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান সুজিতের সঙ্গে বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিলেন না তিনি।

    বাড়ির লোকজন জোর করে সুজিতের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছে। লখনৌ-এর গোসাইনগঞ্জ নিবাসী রবির সঙ্গে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ শান্তি। কিন্তু জোর করে সুজিতের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তার কিছুই করার ছিল না।

    সুজিত স্বাভাবিকভাবেই খুব বিচলিত হয়ে পড়েন শান্তির অতীত কাহিনী শুনে। এর পরে তিনি শান্তির প্রেমিক রবির সঙ্গে দেখা করেন এবং রবির মুখ থেকেও একই কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেন শেষ পর্যন্ত রবি আর শান্তির বিয়ে দিতে পারলেই তিনি নিজেও সুখে থাকবেন।

    জানা যায়, সম্পূর্ণ ঘটনাটি তিনি চাকেরি থানার পুলিশকে জানান। এর পরে গত বুধবার চাকেরি জেলার সনিগ্বোয়ানের একটি হনুমান মন্দিরে তারা পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। এই বিরল ঘটনার সাক্ষী ছিলেন বহু মানুষ। সবাই সুজিতের সিদ্ধান্তে খুশি হয়ে তাকে আশীর্বাদ করেন।

    চাকেরি থানার পুলিশ জানান, সুজিতের এই সিদ্ধান্ত ভীষণই উদার ও মিষ্টি। মানুষ ওকে মনে রাখবে।

  • রাবিতে হলের পাশেই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করল রিকশাচালক

    রাবিতে হলের পাশেই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করল রিকশাচালক

    হলে ফেরার সময় হলের পাশেই যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের দক্ষিণ পাশে রীতা পরিবহনের এক চালকের কাছে ওই ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন।

    ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী  খালেদা জিয়া হলে থাকেন। যৌন হয়রানীকানির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা  বলেন, ‘ভুক্তভোগী ছাত্রী আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তবে সে রিকশার নম্বর জানাতে পারেনি। যদিও সে আমাদেরকে জানিয়েছে রিকশাটি ছিল রীতা পরিবহনের। আমি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে ওই রিকশার খোঁজ নিতে বলেছি। তারা আমাদেরকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। আশা করছি দ্রুতই সেই রিকশা চালককে খোঁজে বের করা যাবে। আর চালককে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশ প্রশাসনকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।’

    ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বলেন, ‘শনিবার বিকেল ৬ টা ২০ মিনিটের দিকে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবন থেকে খালেদা জিয়া হলের দিকে যাচ্ছিলাম। এসময় চারুকলার পথ হয়ে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে একটি অটোরিকশা খালেদা জিয়া হলের দিকে আসছিল। অটোরিকশা বেপরোয়াভাবে আসছিল ভেবে আমি রাস্তার কিনারা ঘেষে হাঁটছিলাম। অটো রিকশাটা খালেদা জিয়া হলের পাশে যেখানে সকাল বেলা কাঁচাবাজারে দোকান বসে সেখানে আমার কাছাকাছি পৌঁছলে চালক রিকশা থেকে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে। আমি নিজেকে সেভ করার চেষ্টা করলে গাড়ির চালক আমার গালে ও পিঠে কষে থাপ্পর মেরে অটো রিকশা নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    নগরীরর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মাহবুব আলম  বলেন, প্রোভিসি স্যার আমাকে লিখিত অভিযোগটি দিয়েছেন। সেই চালককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

    এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান  বলেন, ‘ক্যাম্পাসে এসে যারা এ ধরনের ঘটনার ঘটাচ্ছে তারা কোনোভাবেই ছাড় পাবে না। অপরাধকে শনাক্ত করতে পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়েও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

    রাজশাহী মহানগর পুলিশের এডিশনাল ডিপুটি কমিশনার মো. হাতেম আলী জানান, ‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। সিটি কর্পোরেশনের সহায়তা পেলে চালককে খুঁজে বের করা সহজ হবে। আশা করছি সেটা দ্রুত সম্ভব হবে।’

  • চুমু খেয়ে দুইদিনের সন্তানকে ফেলে গেলেন বাবা

    চুমু খেয়ে দুইদিনের সন্তানকে ফেলে গেলেন বাবা

    চতুর্থ সন্তান জন্মের পর চিন্তায় পড়ে যান বাবা-মা। সমাজে তো এবার মুখ দেখানো যাবে না! আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরা ছিঃ ছিঃ করবে। তা হলে উপায়?

    উপায় অবশ্য বের করে ফেলেছিলেন স্বামী-স্ত্রী মিলে।পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধুদের পরিহাস থেকে বাঁচতে তাই জন্মানোর পরই নবজাতককে রাতের অন্ধকারে ফেলে রেখে এলেন একটি গির্জার বাইরে। ওই দম্পতি ভেবেছিলেন, যাক রক্ষা পাওয়া গেল। আর কৈফিয়ত দিতে হবে না, পরিহাসের মুখোমুখি হতে হবে না। কিন্তু শেষ রক্ষা হল কোথায়! ‘একজন’ অলক্ষ্যে নজর রাখছিল তাদের ওপর। আর তা হলো গির্জার সিসিটিভি ক্যামেরা। সেই ক্যামেরার ফুটেজই রহস্য উদঘাটন করল।

    ঘটনাটা দক্ষিণ ভারতের কেরালার কোচির। ওয়াড়াক্কানচেরির বাসিন্দা বিট্টু ও তার স্ত্রী প্রতিভা। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। ফের গর্ভবতী হন প্রতিভা। ত্রিশূরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

    গত বুধবারেই ফুটফুটে একটি সন্তানের জন্ম দেন তিনি। পরিবারে নতুন অতিথি আসায় আনন্দের থেকে আশঙ্কাই ঘিরে ধরে বিট্টু ও প্রতিভাকে। বাড়ি ফিরলেই বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনতে হবে নানা রকম কথা। তাই হাসপাতালে বসেই দু’জনে শিশুটিকে কোথাও রেখে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। পুলিশের কাছে অন্তত তেমনটাই দাবি করেছেন বিট্টু।

    লোকলজ্জার হাত থেকে বাঁচতে তাই হাসপাতাল থেকে সকলের নজর এড়িয়েই শুক্রবার রাতে তারা সোজা চলে আসেন এরাপল্লির সেন্ট জর্জ ফোরেন গির্জায়। সে সময় গির্জায় আশপাশটা পুরো নির্জনই ছিল। সুযোগও এসে যায়। শিশুটিকে খুব সন্তর্পণে গির্জার সামনে রেখে দেন তারা। রাখার আগে শিশুটির কপালে ‘স্নেহভরা’ চুম্বনও করেন বিট্টু। তারপর নিঃশব্দে সেখান থেকে সরে পড়েন।

    রাত তখন সাড়ে ৮টা। গির্জার নিরাপত্তারক্ষী হঠাতই শিশুর কান্নার আওয়াজ পেয়ে এগিয়ে আসেন। দেখেই চমকে ওঠেন। একটি সদ্যোজাত শিশুকে যত্ন করে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে শোয়ানো রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শিশুটির মা-বাবার খোঁজ করে পুলিশ। তবে তাদের খোঁজ পেতে অবশ্য বেশি বেগ পেতে হয়নি পুলিশকে।

    গির্জার সিসিটিভি ফুটেজে সংগ্রহ করে সংবাদ মাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে তারা। তারপরই বিট্টু ও প্রতিভার খোঁজ পাওয়া যায় ত্রিশূরের ওয়াড়াক্কানচেরিতে।

    পুলিশ ওই দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। বিট্টু জেরায় পুলিশকে জানিয়েছেন, বারবার গর্ভবতী হওয়ায় এলাকায় প্রতিভাকে অনেকেই উপহাস করতেন। বন্ধু-বান্ধবরাও কটাক্ষ করতে ছাড়ত না। এগুলোর হাত থেকে মুক্তি পেতেই সদ্যোজাত সন্তানকে রেখে আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। কিন্তু শুধুই কী লোকলজ্জার কারণ, নাকি এর পেছনে আরও কোনও কারণ আছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • বিএনপির আগেই জামায়াত মাঠে, লক্ষ্য সংসদ নির্বাচন

    বিএনপির আগেই জামায়াত মাঠে, লক্ষ্য সংসদ নির্বাচন

    জানা গেছে, সিটি নির্বাচনে আগাম মেয়র প্রার্থী ঘোষণার মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও জামায়াত একই ধরনের কৌশল নিয়েছে। দলটি ৭০ থেকে ৮০টি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করে তাঁদের এলাকায় কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। এসব প্রার্থীর কেউ কেউ ইতিমধ্যে নিজ নিজ এলাকায় পোস্টার ছেপে প্রার্থিতা জানান দিয়েছেন।

    রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। দলটি এখন আর নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে পারবে না। তাকে হয় জোটগতভাবে ধানের শীষ প্রতীকে, অথবা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করতে হবে। জোটগত রাজনীতিতে থাকলেও জামায়াত স্বতন্ত্রভাবেও ভোট করার একটা প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে দলটির একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।

    এর আগে সিটি নির্বাচনে আগাম মাঠে নেমে মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদেরও প্রস্তুত করার চেষ্টা রয়েছে বলে জানা গেছে।

    সিলেটে এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, বরিশালে মুয়ায্‌যম হোসাইন (হেলাল) ও রাজশাহীতে সিদ্দিক হোসেনকে প্রার্থী মনোনীত করেছে জামায়াত। প্রার্থীদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে রোজার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নগরীতে পোস্টার লাগিয়েছেন। আবার কেউ ইফতার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মী সংযোগ শুরু করেছেন। সিলেটের জোবায়ের ও বরিশালের মুয়ায্‌যম মহানগর জামায়াতের আমির। আর সিদ্দিক হোসেন রাজশাহী মহানগর কমিটির সেক্রেটারি।

    জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানায়, সিটি নির্বাচনে আগেভাগে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ঘোষণার অন্য উদ্দেশ্যও আছে। একদিকে বিএনপির ওপর স্নায়ুচাপ সৃষ্টি করা, যাতে মেয়র পদে দলের সমর্থনের বিনিময়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে বিএনপি সমঝোতায় বসে। এ ছাড়া আগাম প্রার্থী ঘোষণার রাজনৈতিক কৌশলও আছে। তা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে প্রায় নিষিদ্ধ হয়ে পড়া দলীয় কার্যক্রম প্রকাশ্যে আনা। তাই বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত মাঠে থেকে দলীয় প্রচারণার সুযোগটি নিতে চায় জামায়াত।

    জামায়াতের লক্ষ্য দুটি: তিন সিটিতে মেয়র প্রার্থী দিয়ে কাউন্সিলর পদে বিএনপির সঙ্গে দর-কষাকষি, জাতীয় নির্বাচনে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্র প্রস্তুত।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে আগাম প্রার্থী ঘোষণা দিলেও জামায়াত শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে না-ও থাকতে পারে। বিএনপির সঙ্গে জোটগতভাবেই অংশ নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে জামায়াত মেয়র পদে প্রার্থিতা তুলে নেবে।

    এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে বরিশালে জামায়াতের মেয়র পদপ্রার্থী মুয়ায্‌যম হোসাইন প্র বলেন, ‘সবে তো শুরু, শেষের কথা কি এখনই বলতে পারি? আমরা দলীয় সিদ্ধান্তেই কাজ করছি। পরে বসে যেয়ো, এ রকম কোনো ম্যাসেজ দল দেয়নি।’

    এর আগে ঢাকা উত্তর সিটি ও গাজীপুরে মেয়র পদে প্রার্থী দিয়েছিল জামায়াত। ঢাকায় মহানগর উত্তর কমিটির আমির সেলিম উদ্দিন ও গাজীপুরে মহানগর আমির এস এম সানাউল্লাহকে মেয়র পদে প্রার্থী করেছিল। ঢাকার নির্বাচন আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে। আর ১৫ মে গাজীপুরের স্থগিত নির্বাচন ২৬ জুন হবে। এই নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আগেই জামায়াত গাজীপুরের মেয়র প্রার্থী তুলে নিয়ে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারকে সমর্থন দেয়। এর পরদিনই এক ঘরোয়া বৈঠক থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী জামায়াতের নেতা সানাউল্লাহসহ দলের ৪৫ জন নেতা-কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ আনা হয়।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী ও বরিশালের চেয়ে সিলেটে জামায়াতের প্রার্থীকে নিয়ে নেতা-কর্মীরা বেশ সক্রিয়। অন্য সিটি করপোরেশনগুলোতে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে তারা সিলেটে মেয়র পদটি চাইবে।

    এ বিষয়ে সিলেটে জামায়াতের মেয়র পদপ্রার্থী এহসানুল মাহবুব জোবায়ের  বলেন, ‘সিলেটের ব্যাপারটা আলাদা। আমরা নির্বাচন করব। প্রস্তুতি চলছে।’

    অবশ্য বিএনপি জামায়াতের আগাম প্রার্থিতাকে খুব গুরুত্ব দিতে চাইছে না। তারা মনে করছে, সব রাজনৈতিক দলের অধিকার আছে নির্বাচন করার ও প্রার্থী দেওয়ার। জামায়াতও সেভাবে হয়তো আগাম প্রার্থী দিয়েছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী  বলেন, জামায়াত তাদের কৌশল থেকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা কী করে, সেটাই দেখার বিষয়। মানুষও জানে, কার সঙ্গে কার নির্বাচন হবে, কার সঙ্গে কার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

  • অডিও হাতে এসেছে, তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    অডিও হাতে এসেছে, তদন্ত চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কক্সবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত অডিও হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তদন্ত চলছে।

    আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। দেশব্যাপী মাদকবিরোধী ফেস্টুন বিতরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী ঘোষণা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যত দিন না পর্যন্ত মাদক নির্মূল হবে, তত দিন মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা হালনাগাদ হতে থাকবে, অভিযানও চলবে।

    মাদকবিরোধী অভিযানে টেকনাফে গত ২৬ মে একরামুল হক নিহত হন। তাঁকে বাসা থেকে ডেকে নেওয়ার পর হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁর পরিবার অভিযোগ করেছে।

    একরামুল নিহত হওয়ার ঘটনা অডিও ইউটিউবে প্রকাশ হওয়ার পর তা সামাজিক নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক নেটওয়ার্কে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    র‍্যাব বলেছে, প্রকাশ হওয়া অডিও তারা খতিয়ে দেখছে।

    সিদ্ধেশ্বরীতে আজকের অনুষ্ঠানে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ যুদ্ধ মাদকের বিরুদ্ধে। মাদকের আগ্রাসন সবাইকে ভাবিয়েছে।

    আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বন্দুকযুদ্ধে যারা নিহত হচ্ছে, তাদের কিছুতেই আমরা কন্ট্রোল করতে পারছিলাম না।’

    বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেউ নিহত হোক বা আহত হোক তা তাঁদের কাম্য নয়।

    আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যুবসমাজকে বাঁচাতে হবে। মেধা নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। সে জন্যই মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের জয়ী হতেই হবে।’

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ আলী নকী বলেন, সারা বিশ্বেই মাদকের ব্যবহার বাড়ছে। প্রবৃদ্ধি বাড়লে এর প্রবণতাও বেড়ে যায়। এ অবস্থায় দুর্নীতি, মাদক, জঙ্গিবাদ হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যায়। এটাকে থামাতে হবে। মাদক সরবরাহকারীদের প্রতিহত করতে হবে।

  • মিতু হত্যার অভিযোগপত্র জমার জন্য অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের

    মিতু হত্যার অভিযোগপত্র জমার জন্য অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের

    সম্প্রতি মাহমুদার মা শাহেদা মোশাররফ  বলেন, তাঁর মেয়ে খুন হওয়ার কয়েক দিন আগেই বাবুল আক্তার বদলি হয়ে ঢাকায় আসেন। তবে তিনি মাহমুদাকে জানিয়েছিলেন, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য তাঁরা আরও কিছুদিন চট্টগ্রামে থেকে যাবেন। তাঁরা চট্টগ্রামের যে ফ্ল্যাটে আছেন, সেটি বদলে ফেলবেন। বাবুল মাহমুদাকে নির্মাণাধীন একটি ভবনে ফ্ল্যাট দেখতে যাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করেন। তবে মাহমুদা রাজি হননি। তাঁর এখন মনে হচ্ছে, হয়তো সেদিনই মাহমুদাকে খুন করা হতো। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ওয়াসিম এবং আনোয়ারও জানিয়েছেন, তাঁরা হত্যাকাণ্ডের তিন-চার দিন আগে খুনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

    বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। তবে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের দুই সপ্তাহের মধ্যেই তাঁরা বাবুলের সম্পৃক্ততার ব্যাপারে ইঙ্গিত পান। স্ত্রী খুন হবেন বিষয়টি বাবুল জানতেন। অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার জন্য তাঁদের অপেক্ষা এখন জুতসই সময়ের।

    ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে মাহমুদাকে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে মাহমুদা একই সড়কে অবস্থিত তাঁদের বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। স্ত্রী খুন হওয়ার পর বাবুল এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর স্ত্রী খুন হয়ে থাকতে পারেন।

    বাবুলের সম্পৃক্ততা নিয়ে সন্দেহের কারণ
    হত্যার পর পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসি ক্যামেরাগুলোর ফুটেজ সংগ্রহ করে। ফুটেজ ধরে তাঁরা হত্যাকারীদের চেহারাগুলো আলাদা করেন। ফুটেজে আসামিদের ধূমপান করতে দেখা যায়। মোটরসাইকেলের সামনে ছিলেন মুসা, এরপর আনোয়ার ও একদম পেছনে মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম। তিনজনই পেশাদার সন্ত্রাসী। মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম মিতুকে গুলি করেন, আগে থেকে ওত পেতে থাকা নবী তাঁর বুকে, হাতে ও পিঠে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। পুরো সময়টা বাবুল আক্তারের ছেলেকে আটকে রেখেছিলেন মুসা।

    তদন্তে যুক্ত ছিলেন এমন একজন কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গি দমনে সাহসী ভূমিকা রাখায় বাবুলের স্ত্রী জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন, এমন ধারণা প্রচার পাওয়ায় পুলিশ চট্টগ্রাম কারাগারে আটক জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। ভিডিও ফুটেজ দেখানো হলে তাঁরা এককথায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করে দেন। ফুটেজে আসামিদের ধূমপান করার দৃশ্য দেখে তাঁরা জানিয়ে দেন, হত্যাকারীরা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য নন। তা ছাড়া তাঁদের হত্যার কায়দা আলাদা।

    ফুটেজের একটি অংশে দেখা যায়, খুনিরা প্রথমে মাহমুদাকে মোটরসাইকেল দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন। তাঁকে খুনিরা কোপ দিচ্ছেন, আর মাহমুদার প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের একজন ছেলেটির হাত টেনে ধরে আছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ দুটি; বাবুলের মনোবল ভাঙতে হলে জঙ্গিদের টার্গেট হতো তাঁদের সন্তান। সেটা হয়নি। দ্বিতীয়ত, এই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী এই ছেলে। পেশাদার খুনিরা খুনের সাক্ষী রাখেন না। তাহলে কি কেউ তাঁদের ছেলেটি অক্ষত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন?

    হত্যাকাণ্ডের এক দিন পর পুলিশ খুনিদের মোটরসাইকেলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পাঁচলাইশ থানার বাদুড়তলা এলাকা থেকে খুঁজে পায়। ইঞ্জিনের নম্বর মিলিয়ে তাঁরা মালিককে বের করেন। কয়েক দফা হাতবদলের পর মোটরসাইকেলটি ছিল সাইফুল ইসলাম ওরফে সাকুর কাছে। জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল জানান, ওই দিন মোটরসাইকেলটি নিয়ে মুসা বেরিয়েছিলেন। পুলিশ জানতে পারে এই মুসা হলেন বাবুলের সোর্স। হত্যাকাণ্ডের আগে মুসা ও বাবুল দুজনই নতুন দুটি নম্বর থেকে কথা বলেছেন। হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল আর ওই ফোন ব্যবহার করেননি।

    পুলিশ সদর দপ্তর ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, বাবুল ও মাহমুদার দাম্পত্য সম্পর্কটা কোনো রকমে টিকে ছিল। তাঁরা মনে করেন, এ কারণেই খুন হয়েছিলেন মাহমুদা।

    জঙ্গি হামলার ধুয়া তুলে বাঁচতে চেয়েছিলেন বাবুল?
    ২০১৬ সালে ধারাবাহিকভাবে বিদেশি নাগরিক, হিন্দু পুরোহিত ও খ্রিষ্টান যাজক হত্যার ঘটনা ঘটে। ওই সব হত্যাকাণ্ডে জঙ্গিরাই ছিল মূল সন্দেহভাজন। মাহমুদার মা শাহেদা মোশাররফ বলেন, ‘বাবুল আমার মেয়েকে খুন করে জঙ্গি জঙ্গি খেলা খেলতে চেয়েছিল। আমার মেয়েকে খুন করার পর ছয় মাস আমারই বাসায় থেকে গেল।’ তিনি আরও বলেন, বাবুল তাঁর শ্বশুরের সঙ্গে সাধারণত যোগাযোগ করতেন না। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের আগে ঘন ঘন যোগাযোগ করেছেন। এখন তাঁদের মনে হয়, আস্থা অর্জনের জন্যই বাবুল হয়তো এমন আচরণ করেছিলেন।

    হত্যাকাণ্ডের পরপর বাবুল আক্তারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, মেয়ের সঙ্গে বাবুল আক্তারের বনিবনা ছিল না ২০১৩ সাল থেকে। কিন্তু সে জন্য বাবুল খুন করবেন, এমনটা তাঁরা ভাবতে পারেননি।

    কেন বনিবনা হচ্ছিল না জানতে চাইলে শাহেদা বলেন, কক্সবাজারে কর্মরত থাকার সময় বাবুল একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার নারী কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। ওই কর্মকর্তার সঙ্গে বাবুল আক্তারের যেসব খুদে বার্তা চালাচালি হয়, সেগুলো মাহমুদা একটি সাদা কাগজে তুলে রেখেছিলেন। বাবুলের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে। ঘনিষ্ঠতার বিভিন্ন তথ্যের পাশাপাশি রামুর বৌদ্ধমন্দিরে ১২ অক্টোবর দুজন একসঙ্গে প্রার্থনা করেছেন।

    বাবুল চুপ, বিচার চায় পরিবার
    বাবুল আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সাক্ষাৎ চাওয়া হয়। তিনি জবাব দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে মিতু কেন টার্গেট, তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাঁকে সন্দেহ করছেন এ ব্যাপারে তাঁর মন্তব্য কী, স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল সে কারণে হত্যা বলে মাহমুদার পরিবারের দাবি ও ২০১৩ সাল থেকে সম্পর্কের অবনতি হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন পাঠানো হয়। তিনি প্রশ্নগুলো দেখেও কোনো জবাব দেননি।

    মাহমুদার মা-বাবা মেয়ে হত্যার বিচার চান। তাঁরা বলেছেন, পুলিশের অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট হতে না পারলে তাঁরা পাল্টা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

    কিন্তু অভিযোগপত্র কবে দেওয়া হবে, বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুজ্জামানের বক্তব্য কী? জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আন্ডার ইনভেস্টিগেশন, মন্তব্য করব না।’

  • ঢাকায় ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ গ্রেপ্তার ৯৬, মাদকদ্রব্য জব্দ

    ঢাকায় ‘মাদকবিরোধী অভিযানে’ গ্রেপ্তার ৯৬, মাদকদ্রব্য জব্দ

    রাজধানী ঢাকায় আজ রোববার মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে ৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ সময় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) সুমন কান্তি চৌধুরী  বলেন, আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করে।

    এ সময় ৫ হাজার ৯৪৭টি ইয়াবা, ১ কেজি ২০২ গ্রাম হেরোইন, ১৯ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ১০০ বোতল ফেনসিডিল, ১২৫ বোতল দেশি মদ ও ৬২টি ইনজেকশন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫৩টি মামলা করা হয়েছে।

    এদিকে র‍্যাব-২ রাজধানীর তেজগাঁও এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • ঢাবির ২০৬ শিক্ষার্থীর মার্কশিটে ভুল

    ঢাবির ২০৬ শিক্ষার্থীর মার্কশিটে ভুল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৬-১৭ সেশন মাস্টার্সের সব (২০৬জন) ছাত্র-ছাত্রীর মার্কশিটেই ভুল সিজিপিএ দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুল সিজিপিএ সংশোধনের জন্য শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর দরখাস্তও দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টপক্ষ মার্কশিটে ভুল সিজিপিএ থাকার কথা স্বীকার করে সেগুলো সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন।
    পরীক্ষার টেবুলেটর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক গোবিন্দ চক্রবর্তী ও সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম মার্কশিটে ভুল সিজিপিএ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, হিসেব ভুলের কারণে সিজিপিএ ভুল হয়েছে।
    জানা যায়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স ২০১৬-১৭ সেশনে ২০৬জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল। সিমেস্টার সিস্টেমে তাদের দুই সিমেস্টারে ৪টি করে মোট ৮টি কোর্স ছিল। শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স প্রত্যেক সিমেস্টারে ১২.৫ করে দুই সিমেস্টারে মোট ২৫ নম্বরের ভাইভা ছিল। মার্কশিটে উল্লেখ আছে, ২৫ নম্বরের ক্রেডিটস হলো ১ আর প্রত্যেক ১০০ নম্বরের কোর্সের ক্রেডিটস হলো ৪। সব মিলিয়ে মোট ক্রেডিটস ৩৩।
    প্রকৃত সিজিপিএ হিসেব করার নিয়ম হলো প্রথম সিমেস্টারের রেজাল্ট গুণ ১৬, যোগ দ্বিতীয় সিমেস্টারের রেজাল্ট গুণ ১৬, যোগ ভাইভা রেজাল্ট ভাগ ৩৩। কিন্তু পরীক্ষার টেবুলেটর গোবিন্দ চক্রবর্তী ও মনিরুল ইসলাম ভাইভার ২৫ মার্ককে ৪ ক্রেডিটস ধরে মোট রেজাল্টকে ৩৬ ক্রেডিটস দিয়ে ভাগ দিয়েছেন। এতে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য সিজিপিএ থেকে কম সিজিপিএ এসেছে। একাধিক শিক্ষার্থীর মার্কশিট পর্যালোচনা করে ভুল সিজিপিএ পাওয়া গেছে।
    একজন ছাত্র জানান, প্রকৃত নিয়মে তার ৩.৭১ সিজিপিএ আসছে। কিন্তু মার্কশিটে তার সিজিপিএ দেয়া হয়েছে ৩.৬৭। প্রকৃত সিজিপিএ চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুল হিসেবের বেশি সিজিপিএও তাদের প্রয়োজন নেই।
    ভুল সিজিপিএ এর বিষয়ে টেবুলেটর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, ভাইভার ২৫ নম্বরকে টেবুলেশন বইয়ে ১০০ তে কনভার্ট করা রয়েছে। বইতে ভাইভার ১০০ মার্ক দেখানো হচ্ছে। এ কারণে ভুল হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি দেশের বাইরে থেকে বুধবার রাতে এসেছেন। তার অনুমতি নিয়ে রেজাল্ট সংশোধন করা হবে। অধ্যাপক গোবিন্দ চক্রবর্তীও একই কথা বলেন।
    পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিক বলেন, ভুল সিজিপিএ না। রেজিস্ট্রার ভবন থেকে যেভাবে গণনা করার কথা বলা হয়েছিল সেই নিয়মে করা হয়েছে। পাঁচ বছর ধরে এই নিয়মে সিজিপিএ হিসেব করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্ররা এবার কোনো একটি পেপারে খারাপ করেছে। এ কারণে কিছুটা গরমিল হয়েছে। কিন্তু গরমিল হওয়া উচিত নয়। সিজিপিএ সংশোধন করা হবে বলে জানান তিনি।
  • সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    সালমানকে মারধর করলেই মিলবে ২ লাখ টাকা!

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে মারধর করলে ২ লক্ষ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ‘হিন্দু হি আগে’ নামের একটি হিন্দু সংগঠন। সংগঠনের নেতা গোবিন্দ পরাশর জানিয়েছেন, সালমানকে শারীরিক নিগ্রহের বিনিময়ে ২ লক্ষ টাকা দেবে তাদের সংগঠন। কিন্তু হঠাৎ কী এমন কাজ করলেন সালমান?

    ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সলমনের উপরে তাদের এমন ক্ষোভের কারণ হলো সালমানের নতুন প্রযোজনা সংস্থার একটি ছবি। সেই ছবির নাম ‘লাভরাত্রি’। আগামী অক্টোবরে (সম্ভবত ৫ অক্টোবর) ওই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা। শোনা যাচ্ছে, ছবি মুক্তি পাবে নবরাত্রির সময়েই। হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করছেন সালমান— এমন বিচিত্র অভিযোগেই সালমানকে পেটানোর পরিকল্পনা করেছে ‘হিন্দু হি আগে’। তবে নিজেরা সেই কম্মোটি করার কথা না ভেবে অন্যকে এগিয়ে দিতে চায় তারা।

    এই সংগঠনের নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ছাড়ার পরে এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন তিনি। সেই প্রবীণেরই কাছের লোক বলে পরিচিত গোবিন্দ। গোবিন্দ জানিয়ে দিয়েছেন, জনসমক্ষে সালমানকে নিগ্রহ করলেই পুরস্কার দেবেন তাঁরা। পাশাপাশি সেন্সর বোর্ডকে তিনি ছবিটি নিষিদ্ধ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।

  • সিগারেট তৈরির একটি মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!

    সিগারেট তৈরির একটি মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!

    সিগারেটের পেছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়। জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুরে সিগারেট তৈরি করা হয়।

    তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, সিগারেটের মুল উপাদান গুলির একটি ইঁদুরের বিষ্ঠা। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে। যেমনটি ভারতে কফি তৈরি হয় বিড়ালের মল থেকে!

    যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডস এর এক গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

    নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাজবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।