Author: banglarmukh official

  • একরাম নিহতের ঘটনায় জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না

    একরাম নিহতের ঘটনায় জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ স্থানীয় কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় যদি কেউ জড়িত থাকে, তার যথোপযুক্ত বিচার হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিস উদ্বোধনের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে একটি দল মাদক বিরোধী অভিযানের বিরোধিতা করছে। তা ছাড়া এ অভিযানে দেশের মানুষ খুশি।

    এ সময় সেতুমন্ত্রী ‘দোলন চাঁপা’ বাস সার্ভিস সম্পর্কে বলেন, বাসটিতে প্রাথমিক চিকিৎসা, সিসিটিভিসহ নিরাপদ ও আরামদায়ক ব্যবস্থা আছে। বাসগুলো মিরপুর সার্কেল থেকে আজিমপুর, মিরপুর ১২ থেকে মতিঝিল রুটে চলাচল করবে।

    অনুষ্ঠানে র‌্যাংগস গ্রুপের চেয়ারম্যান রব চৌধুরী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর সোহানা রব চৌধুরী, এস এস গ্রিল, ঢাকা পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান বক্তব্য রাখেন।

  • ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে কথা কাটাকাটি :যুবলীগ নেতা খুন

    ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে কথা কাটাকাটি :যুবলীগ নেতা খুন

    মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রতিপক্ষের হামলায় সামছুল ইসলাম (৫৫) নামে এক যুবলীগ নেতা খুন হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সামছুল ইসলাম উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে এবং তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের সামছুল ইসলামের সাথে প্রায় মাসখানেক আগে একই এলাকার সমছ উদ্দিনের কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। এ নিয়ে সমছ উদ্দিনের এক আত্মীয় সম্প্রতি ফেসবুকে সামছুল ইসলামকে জড়িয়ে মন্তব্য করেন।

    ফেসবুকের ওই মন্তব্য নিয়ে শুক্রবার দুপুরে সামছুল ইসলাম সমছ উদ্দিনের চাচাতো ভাই বদরুল ইসলাম বদইয়ের কাছে বিচার দেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় এবং ধাক্কা-ধাক্কি হয়। পরে খবর পেয়ে বদরুল ইসলাম বদইয়ের স্বজনরা দেশী অস্ত্র নিয়ে সামছুল ইসলামের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে সামছলু ইসলামের মাথায় ও বুকে আঘাত লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদের উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হবে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

  • এভারেস্টের সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করল চীন!

    এভারেস্টের সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করল চীন!

    এভারেস্টের চূড়ায় আরোহনের সময়ে আবর্জনা ফেলে আসেন পর্বতারোহীরা। এসব বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কারে হাত দিয়েছে চীন। এভারেস্টের চূড়া থেকে ইতিমধ্যে সাড়ে আট টন আবর্জনা পরিষ্কার করেছে বেজিং।

    জানা গেছে, চীন গত এপ্রিল মাস থেকে এভারেস্টের চূড়ায় জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে৷ আর এই কাজে নিযুক্ত ছিল ৩০ সদস্যের একটি দল৷ এই কাজে নিয়োজিত লোকেরা বলছেন, এভারেস্টের চূড়া থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করা ভীষণ কষ্টসাধ্য।

    পরিসংখ্যান বলছে, তিব্বতের দিক থেকে ২০১৭ সালে এভারেস্টে আরোহন করেছিলেন ২০২ জন অভিযাত্রী। নেপালের দিক থেকে এভারেস্টে উঠেছিলেন ৪৪৬ জন। অন্য দিক থেকেও সহস্রাধিক অভিযাত্রী এভারেস্টে উঠেছেন বা ওঠার চেষ্টা করেছেন। তাদের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র ফেলে আসার কারণেই এভারেস্ট চূড়ায় দূষণ ছড়িয়েছে।

    তিব্বতীয় প্রশাসন ২০১৫ সাল থেকে প্রত্যেক অভিযাত্রীকে ৮ কিলোগ্রাম আবর্জনা ফেরত আনার জন্য দুটি ব্যাগ দেয়। ২০১৪ সাল থেকে নেপাল সরকারও এই নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে, দূষণের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। এদিকে, এভারেস্টের পথে পরিবেশবান্ধব শৌচাগার নির্মানের বিষয়ে ঘোষণা দিয়েছে বেজিং।

  • শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    ঢালিউডের নবাব শীর্ষনায়ক শাকিব খান এখন শান্তির সন্ধানে ছুটছেন। তার কথায়, দেখতে দেখতে বেলা ঢের গড়াল। পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম আর ঈশান কোণেও কম ঘোরা হলো না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যশ, খ্যাতি, অর্থ, বিত্ত সবই দিয়েছেন। বলতে পারেন তার ইচ্ছায় আমার জীবন এখন পূর্ণতায় ভরা। তারপরও একটা শূন্যতা আর একাকিত্ব আমাকে গ্রাস করছে। সময় তো কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবনের পরিধি বড়ই ছোট। সেই ছোট জীবনে কিছু বড় কাজ মানুষকে মৃত্যুর পরও অমর করে রাখে।

    শীর্ষ নায়কের কথায়, আমি এখন আমার জীবনকে নতুন করে সাজাতে চাই। স্থির মানুষ হতে চাই। এর জন্য দরকার একজন রিয়েল লাইফ পার্টনার। ক্ষোভ ঝরা কণ্ঠে তিনি বলেন, আগেও যে আমি এই চেষ্টা করিনি তা কিন্তু নয়। মিডিয়াকে ভালোবাসি বলে এই জগতের মানুষের সঙ্গে চিরদিনের বাঁধনে নিজেকে বেঁধেছিলাম। না, শান্তি পাইনি, প্রতারিত হয়েছি। যাদের বেশি বিশ্বাস করেছি তারাই আমার পিঠে ছুরি বসিয়েছে। হৃদয়ে রক্ত ঝরিয়েছে।

    দৃঢ়প্রত্যয়ী শাকিব বলেন, এভাবে আর নিজের রক্তক্ষরণ হতে দিতে পারি না। এবার পার্সোনাল আর প্রফেশনাল লাইফের মধ্যখানে দৃশ্যমান বিভক্তি টানতে চাই। কাজের জন্য শোবিজ দুনিয়া আর ব্যক্তিজীবনে অন্য ভুবনে বাস করতে চাই। এবার আমি যার সঙ্গে জীবন বাঁধব সে হবে শোবিজ নয়, অন্য ভুবনের বাসিন্দা। তার সুখের জন্য আমার সব প্রাচুর্য আর ভালোবাসা নিংড়ে দেব। বিনিময়ে চাইব একটু শান্তি আর সুখ। হতাশা নিয়ে নবাব শাকিব বলেন, হয়তো ফেলে আসা জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতাকে প্রশ্রয় দিতে গিয়ে কখন কোথায় গতিরোধ করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারিনি। আর এই না পারার দুর্ঘটনা আমাকে অনেকটা আহত আর পঙ্গু করেছে। সেই ক্ষত সারাতে চাই। এ জন্য প্রয়োজন বুদ্ধিদীপ্ত মন আর উজাড় করা ভালোবাসায় ভরা জীবনসাথী। যে আমার পথচলাটা শুধরে দেবে। দিনশেষে আমাকে একবিন্দু শান্তি দেবে, ভালোবাসায় আমার ভুবনটা ভরিয়ে দেবে। আমার পাশে বসে হাতপাখার বাতাসে পরম মমতায় সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেবে। আমি কি পাব না এমন ভালোবাসার মানুষের সন্ধান? আমি তো বড় বেশি অপরাধ করিনি। যা হয়েছে সবই দুর্ঘটনা।

    শান্তি সন্ধানী শাকিবের প্রশ্ন, নাটোরের বনলতা সেনের মতো কেউ কি আমাকে একদণ্ড শান্তি দেবে না। আগামী দিনের পরিকল্পনার ছক এঁকে শীর্ষনায়ক বলেন, বর্তমান সময়ে আমার হাতে থাকা সব কাজ গুছিয়ে এনে আগামী বছর নতুনরূপে নিজেকে সাজাতে চাই। অন্য এক শাকিব খানে পরিণত হতে চাই। এর জন্য দরকার মন বোঝার মতো একজন পথচলার সাথী। যে সারাদিন আমার মনটাকে শান্তিতে ভরিয়ে রাখবে। আবারও শাকিবের প্রশ্ন, কোথায় পাব তারে? আমি এখন সেই শান্তির সন্ধানে আছি। সেই শান্তির হাত ধরে নতুন বছরে নতুন করে পথচলার হিসাব-নিকাশটা করতে চাই। অভিনয় নিয়ে দিনরাত এক নিঃশ্বাসে আর দিগ্বিদিক ছোটাছুটি নয়। এবার স্থির হব। নিজের প্রযোজনার ঘর থেকে একনাগাড়ে মানগত ছবি নির্মাণ দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্র ভাণ্ডারকে পূর্ণতা দিয়ে যাব। আর সবই সম্ভব হবে যদি মনের মতো একজন পথচলার সাথী পেয়ে যাই। আল্লাহর কাছে এখন আমার এই একটিই প্রার্থনা—

  • বর্ণবিদ্বেষের আশঙ্কায় ভুগছে রাশিয়া বিশ্বকাপ

    বর্ণবিদ্বেষের আশঙ্কায় ভুগছে রাশিয়া বিশ্বকাপ

    জমে উঠেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রস্তুতি। আলোয় মুড়ে ফেলা হয়েছে মস্কোর লুজিনিক স্টেডিয়াম থেকে সরানস্ক শহরের মরডোভিয়া এরিনা। পুরো বিশ্ব অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছে ফুটবলে সবচেয়ে বড় লড়াইয়ের জন্য। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও মাঠে রাশিয়ান হুলিগানসদের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করার রেওয়াজ চিন্তায় ফেলছে ইংরেজ ফুটবলারদের।

    রাশিয়ান ফুটবলের উগ্র সমর্থক হুলিগানস। এর আগে একাধিকবার ঝামেলায় জড়িয়েছেন ইংল্যান্ড এবং রাশিয়ান হুলিগানসরা। ২০১৬ ইউরো কাপে দুই দেশের উগ্র ফুটবল সমর্থকদের লড়াইকে কেন্দ্র করে স্টেডিয়ামের গ্যালারি কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। রাশিয়াতে বিশ্বকাপ শুরুর আগে হুলিগানসরা বেশ চিন্তায় রাখছে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের।

    বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফুটবলার অ্যাসলে ইয়ং বলেন, ‘আমরা যখন মাঠে থাকব, জানিনা আমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে! আমরা এই বিষয়টা নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা বলেছি। আশা রাখছি ফিফা যেকোনো ধরনের বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যকে কঠোরভাবে সামলাবে।’

  • ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী

    ভারতে স্ত্রীকে বাজি রেখে জুয়ায় হার, ধর্ষণের শিকার নারী

    ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের বালেশ্বর জেলার এক বাসিন্দা বন্ধুর সঙ্গে জুয়া খেলতে নেমেছিলেন স্ত্রীকে বাজি রেখে। সেই জুয়া খেলতে গিয়ে হেরেও যান তিনি। আর খেলার শর্ত হিসাবে স্ত্রীকে তুলে দেন জয়ী ব্যক্তির হাতে। পরে জয়ী ব্যক্তি বন্ধুর সামনেই তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।
    ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, ‘‘সেদিন রাত ১১টা নাগাদ স্বামী বাড়িতে ফেরে। বলে তার সঙ্গে যেতে হবে। অত রাতে কোথায় যেতে হবে, বাচ্চারা ঘুমোচ্ছে – এসব বলেছিলাম আমি। কিন্তু স্বামী শোনে নি। কোনও জবাব না দিয়ে একরকম জোর করেই নিয়ে যায় গ্রামের বাইরে। সেখানে তার এক বন্ধু আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল।’’
    ওই নারী আরো জানান, সেই ব্যক্তিকে স্বামীর বন্ধু হিসাবে তিনি ভাই বলে সম্বোধন করেন। সেই ব্যক্তি তার হাত ধরে টানছিল। অনেক মিনতি করেছিলেন নির্যাতিতা। শেষে তার স্বামীই ওই ব্যক্তির হাতে জোর করে তুলে দেয়। তারপরে স্বামীর সামনেই তাকে ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি, জানাচ্ছিলেন ওই নির্যাতিতা।
    ঘটনাটি গত সপ্তাহের হলেও সম্প্রতি সামনে এসেছে, যখন স্থানীয় থানা অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে আর জেলার পুলিশ সুপারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। কিন্তু ততদিনে নির্যাতিতার স্বামী এবং ধর্ষণে অভিযুক্ত- দুজনেই পলাতক।
  • বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম রাজনীতির মাঠ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম রাজনীতির মাঠ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশাল রাজনীতির মাঠ। বৃহৎ দু’টি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি ছাড়াও নড়েচড়ে বসেছে উভয়জোটের শরিকদলগুলো।

    ইতিমধ্যেই নির্বাচন কৌশল নির্ধারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঠে থাকারও নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা।

    আর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই বরিশালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করেছে।

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপির একাধিক প্রার্থী দলীয় প্রতীক প্রত্যাশী হলেও মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত হবে প্রার্থীতা। তবে স্থানীয়ভাবে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ, সিপিবি-বাসদ প্রার্থীতা চূড়ান্ত বলে দাবি করছে। কিন্তু বিএনপি প্রায় চুপচাপই রয়েছে এখনও।

    সেইসঙ্গে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস। তাদের দাবি বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষতার মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হবে।

    নির্বাচন কমিশন অফিসের তথ্যানুযায়ী, ২৫ বর্গ কিলোমিটারের পৌর এলাকাকে নিয়ে ২০০২ সালের ২৪ জুলাই বিসিসি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ২০০৩ সালে প্রথম মেয়র হন বর্তমান কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় পরিষদে মেয়র নির্বাচিত হন সাবেক বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক প্রয়াত অ্যাডভোকেট শওকত হোসেন হিরন। তবে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তাকে পরাজিত করে বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র আহসান হাবিব কামাল নির্বাচিত হন।

    চলতি বছরের ২৩ অক্টোবর মেয়াদোত্তীর্ণ হবে বিসিসি মেয়রের কার্যকাল। গত ২৯ মে নির্বাচনের তারিখও ঘোষণা করে দিয়েছে কমিশন। আগামী ৩০ জুলাই হবে বিসিসি নির্বাচন।

    নির্বাচনের বিষয়ে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় আমরা যেমন আনন্দিত, তেমনি বরিশাল মহানগরের মানুষ উৎফুল্ল। প্রায় দুই বছর আগ থেকে তৃণমূল পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে প্রার্থীর বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে মিটিং
    করেছি। তৃণমূল পর্যায়ে রোজার আগে থেকে আমরা ইউনিট কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছি। বরিশালে ১০৪টি কেন্দ্র রয়েছে, সে অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

    তিনি বলেন, নৌকার যখন বিজয় হয়, তখন মানুষ কিছু পায়। আর নৌকার যখন পরাজয় হয়, তখন মানুষ হতাশায় পরে যায়। আমরা বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বরিশালের জনগণ নৌকার পক্ষে আসন্ন ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে সমর্থন দেবে।

    এদিকে, নির্বাচনী কৌশলগত কারণে অনেক কিছুই খোলাসা করে বলতে নারাজ বিএনপি। তবে সিটি নির্বাচনের ভোটযুদ্ধে বিএনপি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন বিএনপি’র বরিশাল জেলা দক্ষিণের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী এবায়েদুল হক চাঁন।

    তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সেন্টার কমিটি গঠন করা শুরু করে দিয়েছি। আমাদের কিছু নির্বাচনী কৌশল রয়েছে, সবকিছু আমরা আগাম বলতে পারছি না। আমরা নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। তবে খুলনার দিকে যদি তাকাই তবে নির্বাচন ফেয়ার আশা করতে পারি না। বাইরের বিভিন্ন এলাকার লোকজন এই শহরে আসবে প্রচার-প্রচারণা চালাবে এটা হয় না। আমাদের দাবি ভোটারের বাইরে কোনো লোক এখানে আসতে পারবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী দিতে হবে।

    বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল বলেন, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পার্টি ৩০টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের ভোটের কেন্দ্র কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ার মধ্য দিয়ে এবার নির্বাচনী যুদ্ধে জাতীয় পার্টি থাকবে এবং আমরা জয়লাভ করব বলে বলেন তিনি।

    জেলা নির্বাচন অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন খান  বলেন, মাঠ পর্যায়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ভোটার তালিকা আমরা হাতে পেয়েছি। ভোট কেন্দ্রের খসরা আমরা প্রস্তুত করেছি। কমিশনের নির্দেশনা পেলে আমরা এটা প্রকাশ করব। শুনানি গ্রহণের মাধ্যমে যা চূড়ান্ত করা হবে। আশাকরি আমরা সুষ্ঠু, সুন্দর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সক্ষম হবো।

    ২০১৩ সালের বিসিসি নির্বাচনে বরিশালের ভোটার ছিলেন দুই লাখ ১১ হাজার ২৫৭ জন, আর বর্তমানে হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটারের সংখ্যা দুই লাখ ৪১ হাজার ৯৫৯ জন। যা গতবারের চেয়ে ৩০ হাজার ৭০২ জন বেশি।

  • পরকীয়ায় ধরা, দৌড়ে বাঁচলেন জামায়াত নেতা

    পরকীয়ায় ধরা, দৌড়ে বাঁচলেন জামায়াত নেতা

    ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা শওকত হোসেন অসামাজিক কার্যকলাপের সময় এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যদের কাছে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। এ সময় তাদের ধাওয়া খেয়ে দৌড়ে পালিয়ে বাঁচেন তিনি। ঘটনার পর শুক্রবার বিকেলে ওই জামায়াত নেতার তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালা মেরে দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, উপজেলা জামায়াতের সাবেক কোষাধ্যক্ষ শওকত হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে তারাবির নামাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। পরে মোটরসাইকেলে এক বিধবা নারীকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী লোহারটেক গ্রামের জয়নাল সর্দারের বাড়িতে যান। ওই বাড়ির একটি ঘরে তারা অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হন। এ সময় পাশের বাড়ির এক গৃহকর্ত্রী বিষয়টি দেখতে পেয়ে শওকতের স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে তার স্বামীর অপকর্মের কথা জানান। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে শওকতের স্ত্রী রূপসানা আক্তার ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়ে ফাতেমা বেগম ওই বাড়িতে উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে জামায়াত নেতা পালিয়ে যান।

    শুক্রবার দুপুরে শওকতের স্ত্রী রূপসানা তার স্বামীর বিভিন্ন কুকীর্তি ও একাধিক পরকীয়ার ঘটনা উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চরভদ্রাসন সদর ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে শুক্রবার বিকেলে উপজেলা সদর বাজারের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হাসান ট্রেডার্স নামে জামায়াত নেতার রড, সিমেন্ট ও ঢেউটিনের তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন চরভদ্রাসন সদর ইউপির চেয়ারম্যান আজাদ খান।

    জামায়াত নেতার বড় ভাই শেখ আবুল কালাম জানান, শওকতের এ রকম পরকীয়া সম্পর্কের বহু ঘটনা তাদের সামাল দিতে হয়েছে। তার একের পর এক অপকর্মে তারা অতিষ্ঠ।

    রূপসানা আক্তার বলেন, শওকত ওই বাড়ির মালিক জয়নাল সর্দারকে মাসিক টাকা দিয়ে এই অপকর্ম চালিয়ে আসছিল।

  • ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিলের কে কত নম্বর জার্সি পেলেন?

    ব্রাজিল দলে ডাক পাওয়া বড় ব্যাপার। বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাওয়া আর স্বপ্ন ছোঁয়া তো অনেকটা সমর্থক। দলটা ব্রাজিল বলেই তাদের জন্য জার্সি নম্বরটাও গুরুত্বপূর্ণ। ‘দশ নম্বর’ কিংবা ‘নয় নম্বর’ জার্সিটা যে কেউ গায়ে চাপাতে পারেন না। আর তাই ব্রাজিলের নাম্বার টেন, নাইন জার্সিগুলো কারা পরবেন তা ঠিক থাকলেও দেশটির ফুটবল কনফেডারেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্সি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

    তাতে পেলে, রিভালদো, জিকোদের মতো দশ নাম্বার জার্সি পরে মাঠে নামবেন নেইমার। জেসুস ব্রাজিলের প্রথম একাদশে খেলবেন না ফিরমিনো এটা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। জেসুসের শুরুর একাদশে খেলা অবশ্য মোটামুটি নিশ্চিতই ছিল। এবার তিনি বিশ্বকাপের নাম্বার নাইট হচ্ছেন তা ঠিক হয়ে গেছে। গোলরক্ষক আলিসন এক নম্বর জার্সি পরবেন। আর থিয়াগো সিলভা ফিরে পেয়েছেন তার দুই নম্বর জার্সিটা।

    জার্সি নম্বরের ক্রম অনুযায়ী নাম:

    ১. আলিসন       ২. থিয়াগো সিলভা      ৩. মিরান্দা

    ৪. জেরোমেল      ৫. কাসেমিরো         ৬. ফিলিপে লুইস

    ৭. ডগলাস কস্তা    ৮. রেনাতো আগুস্তো     ৯. গ্যাবিয়েল জেসুস

    ১০. নেইমার      ১১. কৌতিনহো         ১২. মার্সেলো

    ১৩. মারকুইনস    ১৪. দানিলো           ১৫. পাউলিনহো

    ১৬. ক্যাসিও      ১৭. ফার্নান্দিনহো        ১৮. ফ্রেড

    ১৯. উইলিয়াম     ২০. ফিরমিনো          ২১. তাইসন

    ২২. ফাগনার      ২৩. এদেরসন।

  • তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    তারা এক গোল করলে ১০ হাজার শিশু খাবার পাবে

    রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম দুই তারকা মেসি এবং নেইমার। সবার চোখ থাকবে তাদের দিকে। আর শিশুদের জন্য তো দুই তারকা অনুপ্রেরণার নাম, অনুসরণীয় নাম। রাশিয়া বিশ্বকাপের আসরে মেসি-নেইমারকে নিয়ে তাই নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

    এই দুই তারকার একজন একটি করে গোল করলে ১০ হাজার স্কুল পড়ুয়া শিশুকে খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাস্টারকার্ড। দক্ষিণ আমেরিকা এবং ক্যারিবিও অঞ্চলের ক্ষুধা পিড়ীত শিশুদের মধ্যে চালু থাকবে এই কার্যক্রম।

    মাস্টারকার্ড এই দুই তারকার গোল প্রতি এই খাদ্য অনুদান দেবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিকে (ডব্লিউএফপি)। বিষয়টি মেসি এবং নেইমারের কানে পৌঁছেছে। তারা দু’জনই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া তাদের করা গোলের বিনিময়ে কিছু ক্ষুধার্ত শিশু খাবার পাবে ব্যাপারটাই তাদেরকে উচ্ছ্বসিত করেছে।

    এ বিষয়ে মেসি বলেন, ‘আমি এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। এটা হাজারো শিশুর জীবনে পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে। আমাদের গোল অনেকের মুখের হাসি হয়ে ফুটবে বলে আশা করছি।’

    ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার এই কর্মসূচির অংশ হতে পেরে খুশি বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে এই অঞ্চলের প্রতিটি শিশুর এক প্লেট খাবার থাকবে এবং অনেক আশা থাকবে। আমরা দক্ষিণ আমেরিকানরা জানি এক সঙ্গে থাকলে অনেক বড় কিছু করতে পারি আমরা। আমরা এক সঙ্গে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারি।’