Author: banglarmukh official

  • মাদকের পৃষ্ঠপোষক সাংসদের ভাই!

    মাদকের পৃষ্ঠপোষক সাংসদের ভাই!

     

    রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ চুয়াডাঙ্গায় ১১৯ জন নারী-পুরুষ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এই অবৈধ ব্যবসার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সাংসদ আলী আজগরের ছোট ভাই আলী মুনছুর। তিনি দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকও। দর্শনা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন ওরফে নফর তাঁর সহযোগী।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে এই জেলায় ১১১ জনকে মাদক পাচারকারী ও ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাতে পুলিশ ও বিজিবির ১৬ জনসহ সাতজন পৃষ্ঠপোষক এবং পাঁচ ভারতীয়ের নাম ছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ১১১ জনের মধ্যে ২৬ জনেরই নাম নেই। কিন্তু নতুন করে ৩৪ জনের নাম সংযোজিত হয়েছে তালিকায়। এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ প্রতিবেদনে থাকা পুলিশ ও বিজিবির সদস্য এবং সাত পৃষ্ঠপোষকের পাঁচজনেরই নাম নেই।

    আবার জেলা পুলিশের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী আলমডাঙ্গা উপজেলায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা ২১। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় এদের মাত্র তিনজনের নাম আছে। আবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের প্রতিবেদনে ওই তিনজনের মধ্যে মিজানুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনকে কৃষক বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত ৭ মে আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ মিজানুরকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করেছে এবং তিনি এখন জেলা কারাগারে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নাম আসার বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন আলী মুনছুর। তিনি  বলেন, ‘আমার ভাই সাংসদ আলী আজগর তাঁর নির্বাচনী এলাকায় স্মরণকালে ব্যাপক উন্নয়ন করার কারণে জনপ্রিয়। তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র চলছে। যাঁরা তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁরা প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দেখিয়েছেন।’

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ ও বিজিবির কিছু অসৎ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির আত্মীয়স্বজন ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সহায়তায় মাদকদ্রব্য এনে সারা দেশে সরবরাহ করে আসছেন। এতে চুরি-ডাকাতি, অপহরণ ও খুনের মতো ঘৃণ্য সামাজিক অপরাধ বাড়ছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও ব্যক্তিনিরাপত্তা ক্রমশ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

    জেলা পুলিশের উদ্যোগে গত বছরের ৬ মার্চ চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠে করা মাদকবিরোধী সমাবেশে জেলার চার উপজেলার ৪৩০ জন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করেন। তাঁরা ভবিষ্যতে আর মাদক ব্যবসা করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। কিন্তু কয়েক মাস পর তাঁদের অনেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের পরনে ছিল মাদকবিরোধী সমাবেশে পাওয়া পোশাক। পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানও বিষয়টি স্বীকার করেন।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী সদর থানা এলাকায় ৪৪টি স্থানে মাদক বিক্রি হয়। জেলা থেকে প্রধানত সাতটি রুটে মাদক পাচার ও পরিবহন হয়ে থাকে। মাদকের সবচেয়ে বড় মোকাম সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া গ্রাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সদর উপজেলায় যে ২৩ জন মাদক পাচারকারী ও ব্যবসায়ী আছেন, তাঁদের সাতজনের বাড়ি এই আকন্দবাড়িয়ায়। তাঁরা হলেন রশিদা বেগম, রহিমা খাতুন, ওয়াসিম, সায়েরা বেগম ওরফে ছোটবুড়ি, ইমাম হোসেন, একরামুল হক ও মহিদুল।

    আকন্দবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) জামাল উদ্দিন বলেন, মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিরা একে আর দশটি পেশার মতোই স্বাভাবিক মনে করেন। অপরাধ মনে করেন না। তাই এটা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের সচেতনতা তৈরি করা দরকার। তিনি জানান, গ্রামটিতে গত চার বছরে মাদকের কারণে অন্তত তিনজন মারা গেছেন। অনেকেই অসুস্থ। সহজলভ্য হওয়ায় শিশুদেরও একটি অংশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।

    জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা ঘেঁষে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত সুইপার কলোনি। মাদকের বেচাকেনার একটি বড় জায়গা এই কলোনি।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে চুয়াডাঙ্গায় ১৯ ও ২০ মে রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জোনাব আলী ও কামরুজ্জামান খান নামের দুজন নিহত হয়েছেন। দুজনই জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। জেলা পুলিশের তথ্যমতে, কামরুজ্জামান খানের বাড়িতেই ছিল মাদকের আখড়া। জোনাব আলী ছিলেন শীর্ষ মাদক পাচারকারী। তাঁরা নিহত হওয়ার পর বাকি মাদক ব্যবসায়ীরা গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকায় এ দুজনের নাম নেই।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাকে অসম্পূর্ণ উল্লেখ করে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, ওই তালিকায় স্থানীয়ভাবে বড় অনেক মাদক পাচারকারীর নাম নেই। স্থানীয়ভাবে আরও ৯৬ জনকে চিহ্নিত করে ২১৫ জনের একটি সম্পূরক তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    পুলিশ সুপার বলেন, চলমান অভিযানের পর শীর্ষ ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ বিভাগ শূন্য সহনশীলতা নীতিই অনুসরণ করছে। প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

  • দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    দেশে কোনো বিদ্যুৎতের লোডশেডিং নেই বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

    বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের একটি হোটেলে বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এমন দাবি করেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো লোডশেডিং নেই। সম্প্রতি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত একটি পরিসংখ্যান চালানো হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে দেশের ৮৬ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষই বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট।

    ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে আমাদের খরচ হবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এরসঙ্গে ৪০০ একর জায়গা, সাড়ে তিন বছর সময়, ট্রান্সমিশন খরচ ইত্যাদি প্রয়োজন। ফলে বিদ্যুতের দাম আরও বেড়ে যাবে। ফলে সে তুলনায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে এ খরচটা অনেকাংশে কমে যাবে।

    আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে নেপাল ও ভূটান থেকেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে বলেও এসময় জানান প্রতিমন্ত্রী।

    এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যক্ষ ড. সায়েদ ফরহাত আনোয়ার প্রমুখ।

  • রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

    রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

    টানা কয়েক দিনের প্রচণ্ড গরমের পর আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে দমকা হাওয়ার সঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে।

    সকালে রাজধানীতে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি ফিরে আসে। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকায় এবং দমকা বাতাসও বয়ে যায়। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে এ বৃষ্টিপাত হয়েছে।

    এদিকে বৃষ্টিতে পথ চলতে গিয়ে অসুবিধায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে এর পরও সবার চোখেমুখে ছিল স্বস্তি।

    রাজধানীর বাড্ডা, শাহজাদপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। সপ্তাহ শেষে বৃষ্টিপাত আরও দু-একদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬২ শতাংশ। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকা এবং মেঘ না থাকায় রোদের তীব্রতা ও গরম বেশি অনুভব হয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা।

  • সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পায় : প্রধানমন্ত্রী

    সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পায় : প্রধানমন্ত্রী

    তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পেয়ে থাকেন। এটা নতুন কিছু নয়। কারো আকাঙ্ক্ষা থাকলে নিশ্চয়ই আসবে। তারা আমাদের দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, খেলাটাকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। পৃথিবীর সব দেশেই এটা দেখা যায়। তার মানে এই নয় যে তৃণমূলের নেতারা মনোনয়ন পান না। আমরা সবাই তৃণমূল থেকে এসেছি। স্কুলজীবন থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। আমরা সেলিব্রেটি হয়ে আসিনি। কাজেই আমরা তো আছিই।

    বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাস ভবন গণভবনে ভারত সফর শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসির সাবেক সভাপতি এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আগের দিনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের দল নেতা সাকিব আল হাসান।

    মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক সংবাদ সম্মেলনে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন মাশরাফি-সাকিব। একনেকের সভা শেষে মুস্তফা কামাল বলেছিলেন, ‘নড়াইল থেকে নির্বাচন করতে পারেন মাশরাফি, করলে আপনারা ভোট দেবেন। তাকে সহযোগিতা করবেন।’ আর সাকিব প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তার (সাকিব) বয়স হয়েছে। সে নির্বাচন করতেই পারে। অবশ্য মাশরাফি ও সাকিব দুজনই এখনও জাতীয় দলের নিয়মিত খেলোয়াড়। মাশরাফি এখনও ওয়ানডে খেলে যাচ্ছেন আর সাকিব তিন ফরম্যাটেই বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।

  • সাকা চৌধুরীর ‘গুডস হিলে’ হামলা

    সাকা চৌধুরীর ‘গুডস হিলে’ হামলা

    একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর পৈতৃক বাসভবন গুডস হিলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এই হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে গুডস হিলের কর্মচারী মো. নূরুল আবছার।

    তিনি জানান, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ৫০-৬০ জন যুবক গুডস হিলে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। এসময় তারা অফিস কক্ষ, গ্যারেজে থাকা মাইক্রোবাস, পাজরো জিপ ও প্রাইভেটকারসহ আটটি গাড়ি ভাংচুর করে। এছাড়া সালাহউদ্দিনের বাবা ফজুলল কাদের চৌধুরীর ছবি ভাংচুর করেন। পরে তারা বাড়ির দুটি গেটও ভাঙচুর করে। ভাঙচুর শেষে হামলাকারীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যায়।

    ভাঙচুর করা গাড়িগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছোট ভাই প্রয়াত সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের বলে জানান নূরুল আবছার।

    প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ভাঙচুর চালানো পর মূল সড়কে এসে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে হামলাকারীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে নগরের চকবাজারের দিকে চলে যায়।

    এ বিষয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, কে বা কারা এ হামলা চালিয়েছে তা এখনি বলা যাচ্ছে না। ঘটনার পর পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় গিয়েছিল। তবে মূল ফটক বন্ধ থাকায় তারা ওই বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানায় বুধবার সন্ধ্যায় সাকা চৌধুরীর ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন।

    অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন কাদের (গিকা) চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ। বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ মিছিলটি ফটিকছড়ি কলেজ গেট থেকে শুরু হয়ে বিবিরহাট বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি এক পথসভায় মিলিত হয়।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান রুপুর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক সাহেদুল আলম সাহেদ, সাদেক আলী সিকদার শুভ, মুহাম্মদ মিজান, সোহেল, রকি, আসিফ, কামরুল, রফিক, সাজ্জাত, জিকু চৌধুরী, শোয়েব, আজাদ, নয়ন, ইমরান,নাছির, রিপাত প্রমূখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে বিশ্বের সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। তিনি প্রতিনিয়ত বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এমন একজন প্রধনমন্ত্রীকে নিয়ে রাজাকার পরিবারের সন্তান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী নানা কটুক্তি করা এবং হত্যার হুমকি দেয়ার এ দুঃসাহস কোথা থেকে পেল? আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এ গিকা চৌধুরীকে ফটিকছড়ির মাটিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি।

    এসময় বক্তারা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

  • সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, অরণ্যদেব, ফ্লাশ গর্ডনের মতো সুপারহিরোদের প্যান্ট বা লেগিংসের ওপর অন্তর্বাস দেখা যায়। কিন্তু কেন? মহাতারকাদের ক্ষেত্রে এমন পোশাক স্বাভাবিক। যদি সাধারণ কোনো ব্যক্তি এমনটি করে তাহলে নির্ঘাত সবাই হাসবে। তবে কেন এমন বিচিত্র স্টাইল চালু হলো? আসুন জেনে নেই এর কারণ-

    জানা যায়, ত্রিশের দশক থেকে বিভিন্ন চরিত্রের কস্টিউম ডিজাইনের মধ্যে এ প্রবণতা শুরু হতে থাকে। এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।

    ঝকঝকে ছাপা
    এর পেছনে ছাপার প্রযুক্তিরও বড় ভূমিকা রয়েছে। সে সময়ে সস্তায় ঝকঝকে ছাপা অতোটা সহজ ছিল না। নানা সমস্যা দেখা দিত। সেসব এড়াতেই সচেতন থাকতে হতো। সাদামাটা ডিজাইনেও চরিত্রটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ দেখাতে এমন কৌশল প্রয়োগ করা হতে পারে। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস চাপিয়ে দেওয়া হয়তো তেমনই এক প্রচেষ্টা।

     

    শারীরিক দক্ষতা
    শারীরিক দক্ষতা ও পৌরুষের দিকটিও ধরা পড়ে এ ধরনের পোশাক ব্যবহারে। কারণ সুপারহিরোকে হতে হবে ‘সুপার-মাসকুলিন’! তাই তার অন্তর্বাসও থাকবে মানুষের চোখের ওপরে।

    সার্কাসের অনুরূপ
    বিশ-ত্রিশ দশকের কুস্তিগির বা সার্কাসের ট্র্যাপিজ খেলোয়াড়দের খাটো ও টাইট পোশাকের অনুকরণেই সুপারম্যানের এ পোশাকের শুরু। এমনকি অ্যাক্রোব্যাটিক স্কিলও সুপারহিরোদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য! তাই তাদের পোশাক হিসেবেও প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস ঠাঁই পেয়ে গেল।

    সুপ্যারম্যানের সমর্থক
    সুপ্যারম্যানের পোশাকের পর থেকে বাকি সুপারহিরোদের মধ্যে এ প্রবণতা ছড়িয়ে যায়। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস পরার প্রবণতা ডিসি কমিকসে যতটা, মার্ভেল কমিকসের ক্ষেত্রে ততটা নয়। চরিত্রগুলো সিনেমায় দেখানোর ক্ষেত্রেও তা লক্ষণীয় ভাবে কমছে।

    in

    বাংলা সুপারহিরো
    পুরোপুরি সুপারহিরো না হলেও সাধারণের চেয়ে অনেক গুণ শক্তিধর ‘বাটুল দ্য গ্রেট’। এ চরিত্রের নিম্নাঙ্গে না হোক ঊর্ধ্বাঙ্গে কিন্তু অন্তর্বাসই। যাকে বলে স্যান্ডো গেঞ্জি। যেন দেহচর্চার পোশাক।

    ব্যতিক্রমী শক্তিমান
    এক সময় ঝড় তুলেছিল ‘শক্তিমান’। অনেকটা বিদেশি সুপারহিরোদের মতো হলেও গুণগত মানে তাদের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি। তবে শক্তিমানের প্যান্ট ছিল, প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস ছিল না

  • দেখা মিলল সাদা কাকের!

    দেখা মিলল সাদা কাকের!

    কাকের সঙ্গে কালো রংটাই যেন মানানসই। কারণ কালো কাকই এখন পর্যন্ত দেখে এসেছে মানুষ। তবে এবার দেখা মিলল ধবধবে সাদা একটি কাকের। কাকটির পা এবং ঠোঁট গোলাপি রঙের। বিরল এই কাকটি ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার নন্দ মার্কেটে।

    crow-in-(1)

    জানা যায়, রামকৃষ্ণ মাইতি নামের এক ব্যবসায়ী দোকানের বাইরে একটি নারিকেল গাছের নিচে সাদা রঙের একটি পাখি দেখতে পান। সম্ভবত নারিকেল গাছের মাথায় থাকা বাসা থেকেই পড়ে গিয়েছে পাখিটি। কিন্তু দেখতে অবিকল কাকের মতো! তবে গায়ের রং ধবধবে সাদা।

    crow-in-(2)

    রামকৃষ্ণ মাইতি পাখিটিকে পানি ও বিস্কুট খেতে দেন। এরপর খবর দেন বন দফতরে। কিছুক্ষণের মধ্যে বন দফতরের একটি দল এসে পাখিটি উদ্ধার করে। বন দফতরের কর্মীরা জানান, এটি সাদা কাক। পাখি বিশেষজ্ঞরা জানান, পাখিটির পালকে পিগমেন্টের অভাবে রং সাদা হয়েছে। ঠিক যেভাবে সাদা বাঘ দেখা যায়।

     

  • আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে।

    তিনি বলেন, গাজীপুরে আওয়ামী লীগ নির্বাচন হতে দেয়নি। খুলানায় নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু ৩০০ আসনে নির্বাচন হলে ভোট ডাকাতির সুযোগ হবে না। চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

    বুধবার সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির একাংশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল তিনি এসব কথা বলেন।

    লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক এমপি এ্যানী বলেন, শুধু আইনিভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি রাজনৈতিক মামলা, তা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, হাফিজুর রহমান ও মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ।

    এদিকে, একই সময় জেলা বিএনপির অপরাংশের উদ্যোগে পৃথক শহরের উত্তর তেমুহনীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাহাবুদ্দিন সাবু, সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাইদুর রহমান চুট্টো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বেপারি ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাছিবুর রহমান প্রমুখ। এ সময় প্রয়াত জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

     

  • বুট কেনার টাকা ছিল না ফিরমিনোর!

    বুট কেনার টাকা ছিল না ফিরমিনোর!

    রবার্তো ফিরমিনোর গল্পটা একটু অন্য রকম। আর দশটা ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকার মতো সংগ্রাম করে উঠতে হয়ছে তারও। কিন্তু তার সংগ্রামটা ঠিক ব্রাজিলের সঙ্গে যায় না। এশিয়ার অনেক খেলোয়াড়ই চুরি করে ক্রিকেট-ফুটবল খেলে তারকা হয়েছেন। কিন্তু ব্রাজিলে তো ফুটবল বলতেই পাগল। সন্তানদের ফুটবল খেলতে খুব একটা বাঁধা দেয়না পিতা-মাতা। কিন্তু ফিরমিনোকে দিয়েছেন। কারণ ডাকাতের উৎপাত।

    নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ব্রাজিলের আলাগোয়াস প্রদেশের মাসেইও শহরে বেড়ে ওঠা ফিরমিনোর। কিন্তু ওই এলাকাতেই তখন ডাকাত সদস্যদের মধ্যে মারামারি হতো। চুরি, ছিনতাই তো প্রতিদানকার ঘটনা। বাধ্য হয়ে সন্তানদের আটকে রাখতো বাবা-মা। ফিরমিনোও পড়ে গেলেন সেই ঘেরাটোপে। বাড়ির বাইরে বের হওয়া মানা তার। ঘরের মধ্যে তালাবদ্ধ থাকতেন তিনি।

    কিন্তু রক্ত তার ফুটবল ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। মাসেইয়ের রাস্তায় তার ফুটবল খেলা চায়ই চায়। আর খেলতে গেলে ভাঙতে হবে তালা। ফিরমিনো তালা ভাঙার বোকামি না করে বরং তালা খোলার বুদ্ধি ফাঁদলেন। বানিয়ে ফেললেন নকল চাবি। ফিরমিনো খুলে ফেললেন বাড়ির দরজা, খুলে ফেললে সৌভাগের দরজা। পেয়ে গেলেন ব্রাজিল দলে ঢোকার চাবি। এমনকি বিরাট এক সম্ভাবনার দরজা খুলে ফেললেন নকল চাবি দিয়ে।

    ছোটবেলায় তাকে ঘরে আটকাতে ঘাম ঝরেছে তার বাবা-মায়েরও। আর এখন তাকে আটকাতে ঘাম ঝরে ডিফেন্ডারদের। শৈশবে ফিরমিনো বেশ নাম কামিয়েছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের হয়ে খেলার জন্য যে ধাপ তা মাড়ানো মোটেও সহজ ছিল না তার জন্য। তার ফুটবল প্রতিভা মাজা-ঘষা করতে দরকার ক্লাবে ভর্তি হওয়া। কিন্তু তার বাবা-মা সামর্থবান নন।

    তবে তিনি থামেননি। টাকা ধার করে অনুশীলন করেছেন। তার শৈশবের ক্লাবের কোচ লুইজ বেশ মনে করতে পারেন সে সময়ের কথা। তিনি বলেন, ‘ফিরমিনো যখন ক্লাবে আসল তার বাবার চাকরি ছিল না। বুট কেনার টাকার অভাবে খালি পায়ে অনুশীলন করেছে সে। ক্লাব যাতায়াতের ভার ছিল আমার। ওর প্রথম বুটগুলোও আমার কিনে দেওয়া। সে সময় ওর বয়সীরা মাদক পাচার এবং গাড়ি ছিনতাই করতো। কিন্তু আমি জানতাম ফিরমিনো কখনোই ওসব করবে না।’

    কিন্তু লুইজ কেন ওসব করতে গেলেন? কারণ তিনি ফিরমিনোকে চিনতে ভুল করেননি। লুইজ বলে চলেন, ‘মাঠে তাকে দেখেই বুঝে গিয়েছিলাম, ওর জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। একদিন সে বিশ্ব ফুটবলের তারকা হবে তা নিশ্চিত ছিলাম আমি। ওর জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবরে আমি আনন্দে কেঁদেছি। আমি ওর জন্য গর্বিত।’ ফিরমিনোকে নিয়ে ওই গর্ব করার অপেক্ষায় এখন সারা ব্রাজিলিয়ানরা।

  • মোমবাতি আর হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে: ফখরুল

    মোমবাতি আর হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে: ফখরুল

    কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে ন্যূনতম মানবিক আচরণও করা হচ্ছে না। পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে যেখানে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে, সেখানে কোনও জেনারেটর নেই। প্রায় বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমবাতি ও হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে। এই যে অমানবিকতা ও হৃদয়হীন আচরণ, এর কোনও তুলনা নেই।

    তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রতি রাতে জ্বরে অাক্রান্ত হচ্ছেন, হাঁটুর ব্যথায় হাঁটতে পারছেন না। তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

    বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে  মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর এসব কথা বলেন।

    কারাবন্দি দলীয় চেয়ারপারসনের শারিরীক অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা দেখা করেছেন। তারা দেখেছেন তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। এমন অসুস্থ যে তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না। কারাগারের স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানির অভাব, গুমোট আবহাওয়া ও নিয়মিত বিদ্যুৎহীনতার কারণে দেশনেত্রীর শ্বাসকষ্ট ও জ্বর লেগেই আছে। প্রতি রাত্রে তার জ্বর আসছে। এটা যে কোনো সুস্থ মানুষের জন্য অত্যন্ত এলার্মিং। জ্বরটা যাচ্ছে না। পরিত্যক্ত এই কারাগারে এখন কোনো জেনারেটর নেই; প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বাতি জ্বলে না, মোমবাতি ও হাতপাখা দিয়ে কাজ চালাতে হয়। এই যে অমানবিকতা, এই যে হৃদয়হীনতা- এটার তুলনা নেই!

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যখন কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলাম, সেখানে কখনও বিদ্যুৎ যেতে না। কারণ, সেখানে সার্বক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা ছিল। এখন খালেদা জিয়াকে যেখানে রাখা হয়েছে সেটা কোনও দিক দিয়ে কারাগারের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। সাধারণ প্রথম শ্রেণির বন্দি হিসেবে খালেদা জিয়ার যে প্রাপ্য অধিকার, সেটুকুও তিনি পাচ্ছেন না।

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।