Author: banglarmukh official

  • ৪০ মদাক বিক্রেতা নিহত, অন্যায়ভাবে গুলি হলে প্রতিকার মিলবে: এইচটি ইমাম

    ৪০ মদাক বিক্রেতা নিহত, অন্যায়ভাবে গুলি হলে প্রতিকার মিলবে: এইচটি ইমাম

    মাদকবিরোধী অভিযানে কাউকে অন্যায়ভাবে গুলি করা হলে তার স্বজনদের প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

    গত ৪ মে থেকে মাদকের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সাড়াঁশি অভিযানে ৪০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজন মাদক বিক্রেতা নিহতের ঘটনাটি নিয়ে বিবিসি বাংলাকে সাক্ষাৎকার দেন ইমাম।

    এই অভিযানে যারা নিহত হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনও নিরপরাধ মানুষ নেই- এটা কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন? এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আসামি নিহত হওয়ার প্রতিটি ঘটনার পর পরই মামলা করা হয়। এর ওপর তদন্ত চলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জবাবদিহি করতে হয়’।

    ‘যে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিয়েছেন তাকেও রিপোর্ট পাঠাতে হয়। পোস্টমর্টেম হয়।’

    ‘তবে কাউকে যদি অন্যায়ভাবে গুলি করা হয়, তাহলে তার আত্মীয় স্বজন সুবিচারের জন্য আইনের আশ্রয় চাইতে পারেন।’

    মাদক চোরাচালানী, বিক্রেতা বা মাদক ব্যবহারকারীই হোক, সংবিধানে সব নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সংবিধান অনুযায়ী সবার ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে- এ প্রসঙ্গে ইমাম জানান, ২২০০ জনকে আদালতের মাধ্যমেই বিচারে মুখোমুখি করা হয়েছে। ছয়শ মাদক কারবারি ও মাদক সেবনকারীকেও স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে।

    ‘তবে যদি কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে থাকে, কোন নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে যদি এরকম হয়ে তাকে, তাহলে অবশ্যই তার বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। তেমন ঘটনা ঘটলে সরকার অবশ্যই তা দেখবে।’

    অন্য এক প্রশ্নে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাবেক সচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ভেতরে কেউ যদি মাদকের সাথে যুক্ত থাকে তাকেও ছাড় দেয়া হবে না।’

    এই অভিযান হঠাৎ করে হয়নি

    মাদক নির্মূলে অভিযান হঠাৎ করে হয়নি জানিয়ে ইমাম বলেন, এর পেছনে রয়েছে মাদক সমস্যার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান গ্রহণ করার জন্য ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অভিপ্রায়।

    এই অভিযানের পটভূমি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এ বছর অন্তত তিনটি বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলেছিলেন। তার ধারাবাহিকতাতেই এ অভিযান চলছে।’

    মাদকের সামাজিক ঝুঁকি বর্ণনা করে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘মাদক পাচারের সাথে মানবপাচার এবং বেআইনি অস্ত্রের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। প্রথমে আসে মানবপাচার, মানবপাচারের হাত ধরে আসে মাদকপাচার এবং এই দুটিকে রক্ষা করার জন্য বেআইনি অস্ত্র আসে।’

    এই অভিযানের সাফল্য বর্ণনা করে ইমাম জানান, প্রথম ১৮ দিনে ২২০০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট এবং বিচারিক আদালতে ৬০০ জন মাদক বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে মোট ৪৮৬টি মামলা করা হয়েছে।

    এই অভিযান এর আগে শুরু হয়নি এবং মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে কেন এই অভিযান?- এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মেয়াদ এখনই শেষ হয়ে যায়নি।’

    ‘মাদক সমস্যা একটি রোগের মতো। রোগ যখন চরম আকার ধারণ করে তখন সবার টনক নড়ে। তাই একে এর বেশি বাড়তে দেয়া যায় না।’

    ইমাম বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য না এলে আগামী নির্বাচনে ওপর তার মারাত্মক ও প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে এই অভিযান চালানো হচ্ছে কি না, এই সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন তিনি সরাসরি নাকচ করে দেন।

    বলেন, চলতি বছরের গোড়া থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। জানুয়ারি মাসে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নানা ধরনের সামাজিক সমস্যার মধ্যে মাদককে গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন।

    ‘এরপর পুলিশের দ্বিতীয় আরেকটি অনুষ্ঠানে এবং তৃতীয়বার গত মাসে সারদায় পুলিশ ট্রেনিং একাডেমিতে ভাষণেও তিনি মাদক সমস্যার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।’

    গত ১১ মে ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের পাশাপাশি মাদক সমস্যা থেকে ছাত্র সমাজকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

    ‘ওই ভাষণেই তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জানান যে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তিনি ইতোমধ্যেই র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন।’

    গত ৩ মে র‌্যাব সদরদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদের মতো সমস্যার মোকাবেলায় র‌্যাব যেমন সাফল্য দেখিয়েছে, তেমনি মাদক চোরাচালানী বা মাদক কারবারের বিরুদ্ধে র‌্যাব কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।

    এইচ টি ইমাম বলেন, ‘মাদক তৈরি, বিক্রি, পরিবহন এবং সেবনের সাথে যারা জড়িত তাদের সবাই সমানভাবে দোষী বলে প্রধানমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন। মূলত এর পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়।’

  • বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৪

    বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৪

    বরিশাল জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মাদক বিরোধী অভিযানে গত ৫ দিনে ৯৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৩ মে) দুপুরে বরিশাল নগরের পলিটেকনিক রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএমপি’র মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা জানান, বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অপতৎপরতা রোধে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।

    অভিযানে গত ৫ দিনে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, দেহজীবী ও খদ্দেরসহ গ্রেফতার হয়েছে ৬৫জন। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১ হাজার ৪০৯ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৪শত গ্রাম গাঁজা, ১টি পাইপগান, ১টি চাপাতি, ১টি রামদা ও ৮ রাউন্ড খালি কার্তুজ। তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বরিশাল নগরের কেডিসি এবং ঈদগাহ বস্তিসহ বিভিন্নস্থানে সাড়াশী অভিযান চালায় ৪ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ।

    তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ীসহ মাদকে সম্পৃক্ত পুলিশ এবং বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বরিশাল নগরে ২৬৭ জন মাদক ব্যবসায়ীর তালিকা করা হয়েছে। যাদের আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    অপরদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১লা রমজান হতে ৫ম রমজান পর্যন্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধারে বিভিন্ন থানা এলাকায় বরিশাল জেলা পুলিশ নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ২৯ জন ব্যক্তিকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

    যাদের বিরুদ্ধে বরিশাল জেলার ১০টি থানা এলাকায় মোট ২৩ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নিকট হতে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৪৮৭ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে জেলা পুলিশের দেয়া তথ্যানুযায়ী বরিশাল জেলায় ৩২৫ জনের মতো তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে।

  • ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    ঝালকাঠিতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    স্কুল থেকে ফেরার পথে ঝালকাঠিতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) বাগানে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বখাটে ফাহাদ সিকদারের নামে এ মামলা করেন।

    পুলিশ ও নির্যাতিত ছাত্রীর পরিবার জানায়, সদর উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ছয় মাস ধরে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতো ছত্রকান্দা গ্রামের হান্নান সিকদার হানুর ছেলে ফাহাদ সিকদার (২১)। বিষয়টি নিয়ে ওই ছাত্রীর বাবা ফাহাদের বাবার কাছে অভিযোগ করেন।

    এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফাহাদ গত ১৭ মে দুপুরে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে জোর করে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে পাশের একটি বাগানে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়া হয় ওই ছাত্রীকে। পরে মেয়েটি বাসায় গিয়ে তার পরিবারকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়। নির্যাতিত ওই ছাত্রীর বাবা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ঘটনা জানালেও কোনো সুরহা না পেয়ে থানায় মামলা করেন।

    ঝালকাঠি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মামলার রাতেই ফাহাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপন করায় তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

  • বরিশালে কোন মাদক ব্যাবসায়ীকে ছাড় দেবে না:মেট্রো ডিবি

    বরিশালে কোন মাদক ব্যাবসায়ীকে ছাড় দেবে না:মেট্রো ডিবি

    বরিশাল মেট্রোপলিটন (গায়েন্দা পুলিশ) ডিবি দেশব্যাপি মাদক সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ১লা রমজান থেকে ৫ই রমজান পর্যন্ত বরিশাল মডেল কোতয়ালী থানা, কাউনিয়া থানা, এয়ারপোর্ট থানা ও বন্দর থানার তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী,মাদক ব্যাবসায়ীদেরকে আটক করার লক্ষে নগরীতে সাড়াশী অভিযান চালিয়ে নিয়মিত ৪১টি মামলার ৩৪জন আসামী ও বরিশাল মেট্রোপলিটন আইনের ২২টি মামলার ৩১জনকে আটক করা সহ এসময় অভিযান কালে এক হাজার চার শত নয় পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট,এককেজি নয়শত গ্রাম গাঁজা সহ একটি পাইপগান,একটি চাপাতি,একটি রামদা ও আট রাউন্ড খালি কার্তুজ উদ্বার করা হয়েছে।

    আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর পলিটেকনিক্যাল সড়কস্থ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যলয়ে এক প্রেস ব্রিফিং কালে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি ডিবি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া নগরীতে অভিযানে মাদক ব্যাবসায়ীদের আটক ও সহ বিভিন্ন মালামাল উদ্বার সংক্রান্ত তথ্য প্রদান কালে বলেন,বরিশাল নগরীর মাদক ব্যাবসায়ীদের সাথে কোন আপোস নেই এদেরকে আর কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না সে যেই হোক। মাদক ব্যাবসায়ীরা বরিশালের জলে স্থলে যেখানেই থাকুক তাকে আটকের ক্ষেত্রে বরিশাল মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশ জিরো টলারেন্স ভূমিকা পালন করবে।

    এসময় তিনি আরো বলেন নগরীর মাদকের বিস্তার কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে যে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন ডিবি তাই করবে।
    এছাড়া নগরী বেশ কিছু আবাসিক হোটেলের বিরুদ্বে বিভিন্ন অভিযোক থাকার কারনে ডিবি এস আই হেলালুজ্জামান নগরীর কোতয়ালী থানাধীন পোর্টরোডস্থ আবসিক হোটের চিল ও দক্ষিন চক বাজার রোডস্থ হোটেল গালিবে অভিযান চালিয়ে তৃতীয় লিঙ্গ ব্যাক্তি বাদশা বেপারী,সঞ্চয় সরকার,মোঃ রাসেল হাওলাদার,মোঃ জাফর হাওলাদার ও মোসাঃ লিসা আক্তার নামের চার দালাল,খদ্দের সহ এক দেহ প্রসারিনীকে আটক করে।
    ডিসি ডিবি মোয়াজ্জেম হোসেন ভূইয়া আরো বলেন ডিবি সহ নগরীর চার থানার তালিকা ভূক্ত দুই শত ষাসট্রি জন মাদক ব্যাবসায়ী রয়েছে তাদেরকে শিঘ্রই আইনের আওতায় আসতে হবে।

    এছাড়া তিনি বলেন ইতি পূর্বে আমরা মাদককে না বলি এশ্লোগান ব্যাবহার করে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারনা করা সহ আমাদের উর্ধ্বতোন কর্মকর্তারা মাদক ব্যাবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যাপক সুযোগের সৃষ্টি করেছিল যারা গ্রহন করেছে তাদেরকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বেচে থাকা ও চলার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহন করেছে।
    প্রেস ব্রিফিংকালে আরো উপস্থিত ছিলেন মেট্রো ডিবি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রুনা লায়লা,মেট্রো ডিবির মুখপাত্র (এসি) সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ নাসির উদ্দিন মল্লিক ও পদায়নরত ডিসি খায়রুর ইসলাম।

  • আট জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯

    আট জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯

    দেশের ৮ জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দকযুদ্ধে ৯ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ও বুধবার ভোরে ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, জামালপুর, রংপুর, কুমিল্লা, ফেনী, গাইবান্ধা ও কুষ্টিয়ায় এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

    জামালপুর 
    শহরতলীর ছনকান্দা মাদ্রাসা বালুঘাট এলাকায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক অজ্ঞাত মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

    জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, ভোরে একদল মাদক ব্যবসায়ী মাদক ক্রয় বিক্রয় করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে এক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়। এ সময় অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাসিমুল ইসলামসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম হেরোইন, একটি পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    ঠাকুরগাঁও
    সদর উপজেলার ভাতারমাড়ী ফার্ম নামক স্থানে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আলতাফুর নামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, সে একজন মাদক ব্যবসায়ী। বুধবার ভোর ৪টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে টেলিফোনে জানানো হয়েছে।

    জেলা পুলিশ জানায়, পীরগঞ্জ ও বালিয়াডাঙ্গী দুই থানার পুলিশের এক যৌথ অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে আহত হয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমানসহ দুই পুলিশ সদস্য।

    গাইবান্ধা
    পলাশবাড়ী উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাজু মিয়া নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে গাইবান্ধার র‌্যাব-১৩ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিহত রাজু পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের রাইগ্রামের মৃত আব্দুল জোব্বারের ছেলে।

    র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে উপজেলার বিশ্রামগাছি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালান রাজু। এ সময় র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে রাজু নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন র‌্যাবের দুই সদস্যও। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। রাজুর বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব।

    কুমিল্লা
    জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর ব্রিজ সংলগ্ন সামারচর এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইসহাক ওরফে ইছা নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহউদ্দিন, এসআই মারুফ ও কনস্টেবল মিজানসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর ব্রিজ সংলগ্ন সামারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইছা একই উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।

    কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলাকালে মঙ্গলবার বিকালে ইসহাককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী সদর উপজেলার সামারচর এলাকা থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার শেষে ফেরার পথে ইছার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে ইছার সহযোগীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইছার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১১টি মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ফেনী
    জেলা শহরের কালিপাল নামক স্থানে র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদ ফারুক (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সে চট্টগ্রামের চন্দনাঈশ এলাকার অলি আহম্মদের ছেলে। র‌্যাবের দাবি, তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

    ফেনীস্থ র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক সাফায়াত জামিল ফাহিম জানান, মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব ফেনী ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর শহরের কালিপাল এলাকায় চেক পোস্ট স্থাপন করে। এসময় মাদক ব্যবসায়ী ফারুক চট্টগ্রাম থেকে মাদক নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল। ফারুক র‌্যাবের চেক পোস্ট ভেঙে প্রাইভেটকার নিয়ে চলে যাওয়ার সময় র‌্যাবের সাথে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ফারুক গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। র‌্যাব পরে তার গাড়ি তল্লাশি করে ২২ হাজার পিস ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটারগান, ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    কুষ্টিয়া
    মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় ও ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালী ইটভাটা মাঠে পুলিশের সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে ফটিক ওরফে গাফফার (৩৭) ও লিটন শেখ (৪০) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ফটিক কুমারখালী উপজলার এলেঙ্গীপাড়ার মৃত ওসমান গণির ছেলে এবং লিটন শেখ উপজেলার নওদাপাড়া এলাকার মৃত গোলবার শেখের ছেলে।

    কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা লাহিনীপাড়ার গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন ব্রিজের নিচে অবস্থান করছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য কর গুলি ছুড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ফটিক ওরফে গাফফার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ওসি আরও জানান, ফটিক ওরফে গাফফার পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ৭শ’ পিস ইয়াবা ও ৫শ’ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়েছে।

    এদিকে ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালী ইটভাটা মাঠে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লিটন নিহত হন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ৩ রাউন্ড গুলি, ৫০০ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে।

    লালমনিরহাট 
    সদর উপজেলার কুলাঘাট ধরলা সেতুর কাছে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নুর আলম এশা (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর রাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেনসিডিল, ৬টি রামদা ও কিছু গুলির খোসা উদ্ধারের দাবি করেছে।

  • বিশ্বকাপের আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

    বিশ্বকাপের আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা

    রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বাকি মাত্র ২২ দিন। তার আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা। হাঁটুতে চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো। শিগগিরই তার বিকল্প গোলরক্ষকের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।

    ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করা রোমেরা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে গোলরক্ষক হিসেবে সবচেয়ে বেশি (৮৩) ম্যাচ খেলেছেন। মঙ্গলবার বুয়েনস এইরসে অনুশীলনের সময় ডান হাঁটুতে চোট পান। পরীক্ষার পর তার ডান হাঁটুতে ‘ব্লকেজ’ ধরা পড়েছে। এজন্য অস্ত্রোপচার করাতে হবে।

    ২৩ সদস্যের আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রোমারোর পাশাপাশি আরও দুই গোলরক্ষক রয়েছেন। তারা হলেন চেলসির উইলি ক্যাবালেরো ও রিভারপ্লেটের ফ্রাঙ্কো আরমানি। তবে রোমেরোর বিকল্প হিসেবেও আরেক গোলরক্ষককে দলে নিচ্ছে আর্জেন্টিনা। তাইগ্রেসের গোলরক্ষক নাহুয়েল গুজম্যানকে দলে অন্তর্ভূক্তি করা হবে বলে জানিয়েছে এএফএ।

    আগামী ১৬ জুন বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হবে মেসিরা।  ‘ডি’ গ্রুপে তাদের বাকি তিন প্রতিপক্ষ নাইজেরিয়া ও ক্রোয়েশিয়া। সূত্র: গোল ডট কম

  • মুক্তামনির পরিবার ভেবেছিল আর লাভ হবে না : সামন্তলাল সেন

    মুক্তামনির পরিবার ভেবেছিল আর লাভ হবে না : সামন্তলাল সেন

    সাতক্ষীরায় বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামণির মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন তার চিকিৎসক বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী সামন্তলাল সেন।

    তিনি বলেন, মুক্তামনি কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিল। আমি বলেছিলাম ঢাকায় নিয়ে আসার জন্য। কিন্তু তার পরিবার ভেবেছিল আর কোনো লাভ হবে না। তাই তারা আসেনি।

    বুধবার সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় ১২ বছর বয়সী শিশুটির।

    সামন্তলাল সেন বলেন, আমি চিকিৎসক পাঠিয়েছিলাম মুক্তামনির বাড়িতে। অ্যাম্বুলেন্সও গিয়েছিল। আজ সকালে মারা যায় মেয়েটা। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে শোক প্রকাশ ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমাবেদনা জানাচ্ছি।

    পরিবারের সদস্যরা জানায়, কয়েকদিন ধরেই মুক্তামনির শরীর ভালো যাচ্ছিল না। হাতের তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণায় নির্জীব হয়ে পড়ছিল সে। টানা ছয় মাসের উন্নত চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া মুক্তামনির ক্ষতস্থানে ফের পচন ধরে। ডান হাতের ক্ষত স্থানের পচা জায়গা থেকে বেরিয়ে আসছিল ছোট-ছোট পোকাও।

    মুক্তামনির বাবা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, গত কয়দিন ধরেই মুক্তার অবস্থা খারাপ হচ্ছিল। আজ ভোরে বমি শুরু হয়। একবার পানি খেতে চাইল। ওর দাদি গেল পানি আনতে। পানি আনতে আনতে সব শেষ।

    প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরার ১২ বছরের শিশু মুক্তামণি দেড় বছর বয়সে হেমানজিওমা রোগে আক্রান্ত হয়েছিল। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়েও কোনও চিকিৎসা হয়নি। তার বিরল রোগের কারণে সংবাদ মাধ্যমে গত বছর তার সম্পর্কে ব্যাপকভাবে খবর প্রচার পায়। এরপর ঢাকায় কয়েকমাস ধরে তার চিকিৎসা চলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জটিল ও বিরল রোগী মুক্তামনির চিকিৎসা চলছিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে।

  • ফারুকী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ জুলাই

    ফারুকী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৮ জুলাই

    বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শায়খ নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৮ জুলাই নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    বুধবার মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করার ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক নতুন এদিন ধার্য করেন।

    ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের ১৭৪ নম্বর বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন করা হয় মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ফয়সাল ফারুকী শেরেবাংলা নগর থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন।

  • যাত্রীছাউনি দখল করে আ’লীগ নেতার দোকান নির্মাণ

    যাত্রীছাউনি দখল করে আ’লীগ নেতার দোকান নির্মাণ

    বরিশাল-ভোলা মহাসড়কের পাশে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় লাগোয়া যাত্রীছাউনি দখল করে দোকান দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা এমদাদুল হক সুরুজ মোল্লা। সুরুজ মোল্লা বরিশালের চারকাউয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও চরআইচার মৃত কাঞ্চন আলী মোল্লার ছেলে। এই বিষয়ে ইউএনও অফিস থেকে তাকে একাধিকবার ওই যাত্রীছাউনি ছেড়ে দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হলেও তিনি তা ছাড়েননি।

    এখন এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সদর উপজেলার ইউএনওকে নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিচালক। বরিশাল সদর উপজেলা কার্যালয় থেকে জানা গেছে- ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে সড়ক ও জনপথের জমিতে ৪০ ফুট লম্বা এবং ১৬ ফুট প্রস্থ যাত্রীছাউনি করার জন্য জেলা পরিষদ থেকে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

    ওই বরাদ্দ নিয়ে সেখানে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করেন সুরুজ মোল্লা। পাশাপাশি যাত্রীছাউনির কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে মর্মে পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে আরও ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই ২ লাখ টাকার ঠিকাদারি কাজ পান বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়ার খান ব্রাদার্সের মালিক মোনাবর হোসেন খান।

    কাজ শেষ করার পরপরই যাত্রীছাউনির বড় একটি অংশ দখল করে নেন আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ মোল্লা। দখল করে সেখানে বাসের কাউন্টার বসানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করে যাত্রীছাউনিতে শাটার লাগিয়ে ফলের দোকানিদের কাছে ভাড়া দেন। এভাবে দীর্ঘদিন চলার কারণে যাত্রীরা কোনোভাবেই ছাউনি ব্যবহার করতে পারছে না। বিষয়টি বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করা হলে ইউএনও অফিস থেকে সুরুজ মোল্লাকে যাত্রীছাউনির দখল ছেড়ে দেয়ার জন্য বলা হয়।

    কিন্তু যাত্রীছাউনি দখল না ছাড়ায় সর্বশেষ গত সোমবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মো. আব্দুস সালাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুমায়ুন কবিরকে সঙ্গে নিয়ে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনে তিনি দেখতে পান যাত্রীছাউনির বড় একটি অংশ দখল করে সুরুজ মোল্লা শাটার লাগিয়ে দোকান ঘর করেছেন।

    ওই স্থানে বসেই পরিচালক আব্দুস সালাম ইউএনওকে দ্রুত অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে যাত্রীছাউনি উদ্ধারেরও নির্দেশ দেন।

    অবশ্য যাত্রীছাউনিতে শাটার লাগিয়ে দোকানঘর করার বিষয়টি অস্বীকার করে সুরুজ মোল্লা বলছেন- যাত্রীছাউনি দখলের ক্ষেত্রে তার কোন যোগসূত্র নেই। যতটুকু জানি স্থানীয় নিজাম নামে এক ছেলে সেখানে শাকুরা পরিবহনের কাউন্টার করেছেন।

    বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হুমায়ুন কবির বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ওই স্থান থেকে অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে যাত্রীছাউনি জনগণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ দিনে ২৮ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

    পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪ দিনে ২৮ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪ দিনে ২৮ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করছে আইনশৃংখলা বাহীনি। সেই সাথে উদ্ধার হয়েছে ১২৪১ পিস ইয়াবা ও ১ কেজি ৪শ গ্রাম গাঁজা।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারি কমিশনার (এসি) নাসির উদ্দিন মল্লিক এই তথ্য  নিশ্চিত করেছেন।

    এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন- পুলিশ সদর দপ্তরের নিদের্শনা পেয়ে মাদক বিক্রেতাদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার ৪টি থানা পুলিশ। একযোগে বরিশাল গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশও কাজ করে।

    এই অভিযানে গত ৪ দিনে ২৮ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছে। সেই সাথে উদ্ধার হয়েছে ১২৪১ পিস ইয়াবা ও ১ কেজি ৪শ গ্রাম গাঁজা। তাছাড়া ডিবি পুলিশ মাদক উদ্ধারে গেলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আবুল কাশেম নামে এক ডাকাত নিহত হয়।’ এসময় উদ্ধার করা হয়, ০১ টি পাইপ গান, ০১ টি চাপাতি, ০১ টি রামদা ও ০৮ টি খালি কার্তুজ।

    এদিকে গত ৪ মে থেকে বরিশাল র‌্যাবও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দুটি বাহিনীর মাদকবিরোধী এই অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন- কেন্দ্রীয় পুলিশের নির্দেশনার আলোকে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কেন্দ্রের ম্যাসেজ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।’