Author: banglarmukh official

  • রইলো বাকি ছয়

    রইলো বাকি ছয়

    রাজধানীর ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই নারীর গর্ভে জন্ম নেয়া সাত নবজাতকের একজন মারা গেছে। আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় নিউনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুইটি খাতুনের গর্ভে জন্ম নেয়া ৭০০ গ্রাম ওজনের মেয়ে নবজাতকটি মারা যায়।

    হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. রোজিনা আক্তার নবজাতক শিশুটির মৃত্যর খবর নিশ্চিত করে বলেন, বেঁচে থাকা ৯০০ গ্রাম ওজনের অপর দুই নবজাতকের অবস্থাও ভালো নয়।

    অন্যদিকে অপর গৃহবধূ সনিয়া আক্তারের গর্ভে জন্ম নেয়া চার নবজাতক (৩ জন ছেলে ও ১ জন কন্যা) এখন মিনি লাইফ সাপের্টে রয়েছে।

    ডা. রোজিনা আক্তার জানান, দুই গৃহবধূর গর্ভে জন্ম নেয়া নবজাতক শিশুগুলো এখনও ঝুঁকিমুক্ত বলা যাবে না। নবজাতকরা শ্বাস-প্রশ্বাস জটিলতা ও রক্তের সংক্রমণজনিত সমস্যায় ভুগছে।

    উল্লেখ্য, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমার অধীনে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সনিয়া আক্তারের গর্ভে চার নবজাতক জন্মগ্রহণ করে।

    একইদিন বিকেলে অধ্যাপক ডা. রুমানা শেখের অধীনে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সুইটি খাতুনের গর্ভে জন্ম নেয় তিন নবজাতক।

  • কানাডিয়ান আদালত বিএনপিকে সঠিকভাবেই মূল্যায়ন করেছে : জয়

    কানাডিয়ান আদালত বিএনপিকে সঠিকভাবেই মূল্যায়ন করেছে : জয়

    কানাডিয়ান আদালত বিএনপিকে সঠিকভাবেই বারবার মূল্যায়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

    বুধবার নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা লিখেছেন।

    JOY

    একটি সংবাদ শেয়ার করে তার সঙ্গে লিখেছেন, ‘২০১৩ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাত যাত্রীবাহী পরিবহনে নিরীহ জনগণের ওপর নির্বিচারে অগ্নিসন্ত্রাস চালায়। বাস, ট্রেন, গাড়ি ও অটোরিকশায় তাদের পেট্রল বোমা আক্রমণে নিহত হয় শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু। আরও হাজারো মানুষজন আহত হয়, যাদের মধ্যে অনেকেই আজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘অন্য যেকোনো দেশেই বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যায়িত করে তাদের সব সদস্যদের জেলে ভরা হতো। কানাডিয়ান আদালত তাদেরকে সঠিকভাবেই বারবার মূল্যায়ন করেছে : একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে।’

  • মন্ত্রীদের বেতন ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা মাহাথিরের

    মন্ত্রীদের বেতন ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা মাহাথিরের

    মন্ত্রীদের বেতন ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিলেন আধুনিক মালেশিয়ার জনক হিসেবে পরিচিত দেশটির সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। পুত্রজায়ায় তার মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠকের পর বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, আমরা দেশের অর্থনৈতিক সমস্যার দিকে মনযোগ দিচ্ছি। সরকারি ঋণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নতুন সরকার এ ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ঋণের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্থ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬৫ শতাংশ।

    মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, দেশটিতে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর বেতন ২২ হাজার ৮২৭ রিঙ্গিত, উপ-প্রধানমন্ত্রীর ১৮ হাজার ১৬৮ রিঙ্গিত, মন্ত্রীর ১৫৯০৭ রিঙ্গিত ও উপ-মন্ত্রীর ১০৮৪৮ রিঙ্গিত।

    তবে দেশটির উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন কাট-ছাঁট করা হবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, ১৯৮১ সালে আমি যখন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন প্রথম কাজ হিসেবে মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ আমলাদের বেতন কাট-ছাঁট করেছিলাম।

    তিনি বলেন, মন্ত্রীদের চেয়ে জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা বেতন বেশি পান। দেশ পরিচালনার জন্য তারা যদি অবদান রাখতে চান তাহলে বেতন কাট-ছাঁটের ব্যাপারটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা এটি করতে পারে। কিন্তু আমরা তাদের বাধ্য করবো না।

    এদিকে, বারিশান ন্যাসিওনাল জোট নেতৃত্বাধীন দেশটির সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, তার সরকার এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিচ্ছে।

    তিনি বলেন, এটা এখন বিরোধীদলের অঙ্গীকার। তারা নির্বাচনে জয়ী হতে পারে নাই। আমরা তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে বাধ্য নই।

  • দুই মন্দির কমিটি দ্বন্দ্বে দুর্গা মন্দির ভাঙচুর

    দুই মন্দির কমিটি দ্বন্দ্বে দুর্গা মন্দির ভাঙচুর

    ঝালকাঠিতে দুই মন্দির কমিটি দ্বন্দ্বে দুর্গা মন্দির ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। খবর শুনে ঝালকাঠি সদর থানার এসআই আশিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি সুব্রত হাওলাদার বলেন, বিগত আট বছর ধরে এই স্থানে দুর্গা মন্দির স্থাপন করে পূজা করে আসছি। কিছুদিন যাবত পার্শ্ববর্তী ৬/৭ হাত দূরে লোকনাথ মন্দিরের সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। তারা দুর্গা মন্দিরটি ভেঙে ফেলতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছিল। এনিয়ে এলাকায় একাধিক বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু আমরা মন্দিরটি ওই স্থানেই রাখার পক্ষে বলে আমাদের মতামত জানিয়ে দিয়েছি। বুধবার দুপুরে লোকনাথ মন্দির কমিটির সমর্থক সুজিত মিন্ত্রী দুর্গা মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। আমরা থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

    অপরদিকে অভিযুক্ত সুজিত মিন্ত্রী মন্দিরটি ভাঙার কথা স্বীকার না করলেও তিনি পরিত্যক্ত মন্দিরটি ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করেন। বলেন পার্শ্ববর্তী নির্মানাধীন লোকনাথ মন্দিরের এক পার্শ্বে দুর্গা মন্দিরের জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ করে দেয়ায় ওই পরিত্যক্ত ঘরটি দরকার ছিল না। তাই ওই ঘরটা সরিয়ে ফেলেছি। দুর্গা মন্দিরের টিন দিয়ে লোকনাথ মন্দিরে ছাউনি দেয়া হবে।

    লোকনাথ মন্দিরের সভাপতি জীবন কৃষ্ণ ব্যাপারী বলেন, আমার উপস্থিতিতে সুজিত পরিত্যক্ত দুর্গা মন্দিরটি সরিয়ে ফেলেছেন।

    এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সদর থানা ওসি তদন্ত মো. তাহের বলেন, খবর পেয়ে আমি এসআই আশিকুর রহমানকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আগামীকাল দুই পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

  • আবাসিক হোটেলে অভিযানে আটক ৫

    আবাসিক হোটেলে অভিযানে আটক ৫

    বরিশাল নগরীর দুই আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে খদ্দের ও পতিতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

    বুধবার দিনভর অভিযানে তাদের আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন উপপরিদর্শক (এসআই) হেলাল উদ্দিন।

    আটককৃতরা হলেন- রাসেল হাওলাদার, জাফর হাওলাদার, সঞ্জয় সরকার, লিজা আক্তার ও বাদশা বেপারী।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে এসআই হেলাল উদ্দিন জানান, পতিতাবৃত্তির অভিযোগে নগরীর ‘হোটেল চিল’ থেকে ৪ জন ও ‘হোটেল গালিব’ থেকে ১ জনকে আটক করা হয়।

    এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • লাইসেন্স ছাড়া চলছে ড. ইউনূসের কোম্পানি

    লাইসেন্স ছাড়া চলছে ড. ইউনূসের কোম্পানি

    কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর থেকে রেজিস্ট্রেশন-লাইসেন্স গ্রহণ না করেই চলছে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকম। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন-লাইসেন্স গ্রহণ করতে বলা হয়। কিন্তু পাঁচ মাসেও তা গ্রহণ করেনি গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে রেজিস্ট্রেশন-লাইসেন্স নেয়ার ব্যর্থতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয় থাকলেও তা এখনও নেয়নি অধিদফতর।

    তবে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা রেজিস্ট্রেশন-লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছেন। অধিদফতর থেকে রেজিস্ট্রেশন লাইসেন্স নিতে হবে, তা আগে জানা ছিল না।

    এছাড়া ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিন পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এবং বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫ এর বিধির আরও ১২টি লঙ্ঘন দেখতে পান কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর।

    লঙ্ঘিত আরও ১২ বিধি হলো

    ১. প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক/কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত নিজস্ব নিয়োগবিধি থাকলেও তা মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়।

    ২. আইনের বিধান মোতাবেক শ্রমিকদের স্থায়ী করা হয়নি।

    ৩. বিধি মোতাবেক কর্মচারীদের নিয়োগপত্র ও ছবিসহ পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়নি।

    ৪. বিধি মোতাবেক কর্মচারীদের জন্য সার্ভিস বইয়ের ব্যবস্থা করা হয়নি।

    ৫. প্রতিষ্ঠানে বিধি মোতাবেক পদ্ধতিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি।

    ৬. নির্ধারিত ফরম-৩৪ ছক অনুযায়ী শ্রমিক/কর্মচারীদের দৈনিক হাজিরা ও অধিকাল কাজের রেজিস্টার রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি।

    ৭. নির্ধারিত ফরম-৩৭ ছক অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের প্যাডে কর্মচারীদের কাজের সময়সূচির নোটিশ পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়।

    ৮. শ্রমিক/কর্মচারীদের আইনের বিধান অনুযায়ী ছুটি নগদায়নের সুবিধা প্রদান করা হয়নি।

    ৯. বিধি অনুযায়ী কর্মচারীগণকে মজুরিসহ প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য একদিন বাৎসরিক ছুটি প্রদান করা হয় না।

    ১০. বিধি মোতাবেক নির্ধারিত ফরম-৯ ছক অনুযায়ী ছুটির রেজিস্টার রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় না।

    ১১. অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি এবং নিট লভ্যাংশের পাঁচ শতাংশ দুটি তহবিল ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন-২০০৬ অনুযায়ী গঠিত তহবিলে নির্দিষ্ট হারে (৮:১০:১০) জমা প্রদান করা হয় না।

    ১২. কোম্পানির পলিসি অনুযায়ী সাপ্তাহিক ছুটি দুদিন প্রদান করা হলেও অফিস আদেশের মাধ্যমে শুধুমাত্র সার্ভিস বিভাগে যারা কর্মরত আছেন, তাদের সাপ্তাহিক ছুটি দুদিনের পরিবর্তে একদিন করা হয়েছে।

    বিধিসমূহ বাস্তবায়নের জন্য গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক এস এম হুজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, নুরজাহান বেগম, শাহজাহান, পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মহাব্যবস্থাপক (জিএম) নাজমুল ইসলাম ও সিনিয়র ম্যানেজার অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচ আর ফারজানা রফিকে নোটিশ দেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের পুরানা পল্টন কার্যালয়ের সহকারী মহাপরিদর্শক (সাধারণ) আবুল হাজ্জাত সোহাগ।

    নোটিশে বলা হয়, আপনাদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে ১৩টি বিধির লঙ্ঘন দেখা যায়। লঙ্ঘনসমূহ নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করে দফতরকে অবহিত করার জন্য বলা হলো। ব্যর্থতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

    এ বিষয়ে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের অতিরিক্ত সচিব সামছুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ‘পরিদর্শনকালে দেখা যায়, শ্রম বিধিমালার ১৩টি বিধি লঙ্ঘন করেছে নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকম। এত বড় প্রতিষ্ঠানের এত লঙ্ঘন মানা যায় না। বিধি লঙ্ঘনের জন্য ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’

    তবে তিনি এ-ও বলেন, ‘রেজিস্ট্রেশন লাইসেন্স গ্রহণের জন্য তারা ইতোমধ্যে একটি আবেদন করেছে। তা যাচাই-বাছাই চলছে।’

    গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান এ বিষয়ে জাগো নিউজকে বলেন, ‘কলকারখানা জন্য আগে এ আইনটা ছিল; এখন এ আইনে প্রতিষ্ঠান যোগ করা হয়েছে। আইনের বিষয় আমাদের আগে জানা ছিল না। আমরা এখন রেজিস্ট্রেশন-লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছি। অন্যান্য লঙ্ঘনের বিষয়েও আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির আইনে লভ্যাংশ প্রদানের ব্যবস্থা নেই। লভ্যাংশের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিধিমালা অনুমোদনের জন্য মহাপরিদর্শকের কার্যালয় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ টেলিকমের প্রতিটি কর্মী স্থায়ী কর্মী হিসেবে বিবেচিত এবং সেই সুবিধা পেয়ে আসছেন।’

  • মাদক সম্রাট সংসদেই আছে, তাদের ফাঁসি দেন

    মাদক সম্রাট সংসদেই আছে, তাদের ফাঁসি দেন

    মাদক নির্মূলের নামে বন্দুকযুদ্ধে নির্বিচারে হত্যার কঠোর সমালোচনা করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, মাদক নির্মূলের নামে যাদের হত্যা করা হচ্ছে তারা কারা আমরা জানি না। মাদক সম্রাট তো সংসদেই আছে। তাদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝোলান।

    বুধবার কাকরাইলে ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন, এভাবে বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করতে পারেন না। প্রত্যেক নাগরিকেরই সাংবিধানিকভাবে বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। কোথাও এর (ক্রসফায়ার) নজির নেই। বিশ্ব এটা মেনে নেবে না। মাদক নিমূর্লে আগামী সংসদ অধিবেশনই সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে আইন করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।

    ঢাকা শহরের যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যানজটের কারণে প্রতিদিন ৫১ লাখ ঘণ্টা অপব্যয় হচ্ছে। হাজার হাজার কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে দেশ। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। প্রাদেশিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে হবে। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে এগুলো বাস্তবায়ন করে ঢাকাকে যানজট মুক্ত করব।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলের নেতা ও দলের সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, জহিরুল আলম রুবেল প্রমুখ।

  • নিজেই অকার্যকর ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’

    নিজেই অকার্যকর ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’

    প্রতিষ্ঠার তিন বছর পার হলেও জনবল ও সরঞ্জাম সংকটে কার্যকর হতে পারছে না বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। এতদিনে সারাদেশের জন্য মাত্র ৩৬৫ জনবলের অনুমোদন পেয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া ল্যাবরেটরিসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জামও নেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাটির।

    সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, সারাদেশে কর্তৃপক্ষের জন্য এক হাজার চারজন জনবল চেয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু অনুমোদন মিলেছে ৩৬৫ জনের। কর্তৃপক্ষের আইনে থাকা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শকের পদটি বাদ দিয়ে জনবল কাঠামোর অনুমোদন দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে সাংগঠনিক কাঠামোতে সাতটি বিভাগের প্রস্তাব করা হলেও তিন বিভাগের অনুমোদন মিলেছে। ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ এ থাকা জনবলের সম্মতিও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া যায়নি। আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের অভাবে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।

    ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়। আইনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, সরবরাহ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ এবং এজন্য একটি দক্ষ ও কার্যকর কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এ আইন করা হয়েছে।

    ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়। একদিন পর ২ ফেব্রুয়ারি ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ গঠন করে গেজেট জারি করা হয়।

    কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া এ প্রসঙ্গে  বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়েছে। আমরা সবাই এটি চাচ্ছিলাম। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি তাদের যেভাবে কাজ করার কথা তারা সেভাবে কাজ করতে পারছে না। কারণ তাদের লোকবল নেই, নেই লজিস্টিক সাপোর্টও।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে বিজ্ঞপ্তি দেয়াসহ বিভিন্ন কাজ তারা (কর্তৃপক্ষ) করছে। আমরা মনে করি কর্তৃপক্ষকে ইফেক্টিভ (কার্যকর) করতে যত ধরনের সাপোর্ট আছে সরকার তা দেবে।’

    নিরাপদ খাদ্য আইনের অধীনে ২৩টি বিভিন্ন অপরাধে এক থেকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা চার থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। বর্তমানে রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবনে ভাড়া করা ফ্লোরে কর্তৃপক্ষের অফিস চলছে।

    বর্তমানে কর্তৃপক্ষের জনবলের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান, চারজন সদস্য, একজন সচিব, চারজন পরিচালক, চারজন উপ-সচিবসহ মোট ১৬ সদস্য রয়েছেন। কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়, আটটি মেট্রোপলিটন ও ৬৪টি জেলা কার্যালয়ের জন্য যে জনবল অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তাতে এটি আইনের উদ্দেশ্য পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবে না বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা।

    নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক  বলেন, ‘আমাদের ৩৬৫ জনবলের একটি প্রস্তাব সরকার অনুমোদন দিয়েছে। আমরা এক হাজার চারজন জনবল চেয়েছিলাম। এখন আমরা নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করছি। বিধিমালাটি এখন আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ে (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) আছে। ভেটিং হয়ে আসলে আমরা নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করব।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লোকবল অপর্যাপ্ত। আমরা সরকারের কাছে পুনরায় আবেদন করছি যাতে আমাদের (পদ সৃষ্টি সংক্রান্ত) প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করা হয়। আমরা শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব দেব। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি কমিটিও করা হয়েছে, তারা আমাদের সাংগঠনিক কাঠামোটা পর্যালোচনা করবে, সুপারিশ করবে।’

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন করা জনবল কাঠামোতে খাদ্য পরিদর্শকের পদটিও নেই জানিয়ে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বলেন, ‘নিজস্ব খাদ্য পরিদর্শক ছাড়া কীভাবে কাজ চলবে? এটা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

    কর্তৃপক্ষের নিজস্ব কোনো ল্যাবরেটরি নেই জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিজস্ব রেফারেন্স ল্যাবরেটরি করার জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব আমরা তৈরি করছি। এটি সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে করা হবে।’

    নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় কর্তৃপক্ষ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান মাহফুজুল হক।

    প্রয়োজনীয় লোকবল ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করা হলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে যে ভূমিকা রাখার কথা, কর্তৃপক্ষ সেটা রাখতে সক্ষম হবে বলেও জানান তিনি।

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদ  বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রাথমিকভাবে জনবল নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এটি যাত্রার খুব বেশিদিন হয়নি। আমরা চেষ্টা করছি, নানাভাবে উদ্যোগ নিয়ে এটাকে আরও কীভাবে কার্যকর করা যায়। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটু সময়ও তো দিতে হবে।’

    কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে তিন হাজার ৩৬৫ জনের জনবল কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছিল। পরে উপদেষ্টাপরিষদ (খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন জাতীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা পরিষদ) জনবল কমিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী এক হাজার চারজনের প্রস্তাব করা হয়।’

    তিনি বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়, মেট্রোপলিটন ও জেলা কার্যালয়ের জন্য ৪২২টি পদ রাজস্ব খাতে অস্থায়ীভাবে সৃজনে সম্মতি দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পরবর্তী সময়ে অর্থ বিভাগ থেকে আরও কমিয়ে ৩৬৫ জনের সম্মতি পাওয়া যায়।’

    আরও জানা গেছে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামোতে সাতটি বিভাগের প্রস্তাব করে সাতজন পরিচালক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়। ‘নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩’ এর ১৪ (৪) ধারায় পাঁচটি বিশেষায়িত বিভাগের নেতৃত্বে পাঁচজন পরিচালক নিয়োজিত থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে তিনজন পরিচালকের নেতৃত্বে তিনটি বিভাগের সম্মতি দেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, ৭০ জন নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রস্তাবিত জনবলে পরিদর্শকের পদ নেই। অথচ আইনের ৫১ ধারায় নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক নিয়োগ ও দায়িত্ব প্রদানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। মাঠপর্যায়ে খাদ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন, নমুনা সংগ্রহ, সন্দেহজনক খাদ্যদ্রব্য জব্দ বা ধ্বংস করা; এককথায় নিরাপদ খাদ্য কার্যক্রম বাস্তবায়নে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যক।

    নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক মো. ইকবাল রউফ মামুন  বলেন, ‘যেগুলো করলে আইনটি (নিরাপদ খাদ্য আইন) সঠিকভাবে আমরা প্রয়োগ করতে পারব, এর সিংহভাগ লজিস্টিক সাপোর্ট আমাদের দেশে নেই। আমাদের নিজস্ব ল্যাবরেটরি নেই। দেশে অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবও নেই।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের লোকবল নেই, এছাড়া ইন্সট্রুমেন্ট না থাকলেও তো আমরা কাজ করতে পারব না।’

    ‘আমাদের নিজস্ব ইন্সপেক্টর নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকারের সাড়ে ৭০০ স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ইন্সপেক্টরদের কাজ আর নিরাপদ খাদ্য ইন্সপেক্টরদের কাজ এক নয়। আমরা তাদের ট্রেনিং দিচ্ছি।’

    কর্তৃপক্ষের দুটি বিধিমালা ও চারটি প্রবিধানমালা প্রকাশিত হয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক ইকবাল রউফ বলেন, ‘এছাড়া আরও তিনটি প্রবিধানমালা প্রণয়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কাজ করার জন্য এগুলো জরুরি। আমাদের সামর্থ্যের মধ্যে আমরা কাজ করছি।’

    কর্তৃপক্ষের সদস্য বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে আমাদের বলতে গেলে কিছুই নেই। একটি মোবাইল ল্যাবরেটরি কেনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। এটা কিনতে পারলে বাজারে গিয়ে কুইক টেস্টের মাধ্যমে স্ক্রিনিং করা যাবে। লজিস্টিকগুলো হাতে পেলে কাজে গতি আসবে এবং আমাদের তৎপরতা দৃশ্যমান হবে।’

    আইন অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করা সব কর্তৃপক্ষের মধ্যে কো-অর্ডিনেশনের দায়িত্ব নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জানিয়ে ইকবাল রউফ মামুন বলেন, ‘সবার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার বিষয়টি একটি চ্যালেঞ্জ। ইতোমধ্যে আমরা মৎস্য অধিদফতর, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, কৃষি বিপণন অধিদফতর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। আরও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে এমওইউ খসড়ার পর্যায়ে রয়েছে। এতে বলা থাকবে, তারা কোন কাজগুলো করবেন এবং আমাদের কীভাবে সহযোগিতা করবেন।’

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে জানান, কাজের ধরন, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে জনবল অনুমোদন দেয়া হয়। সরকারের যাতে ভালো হয় সে বিষয়টি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনবল অনুমোদনের ক্ষেত্রে যাতে একই কাজের জন্য দুই ধরনের জনবল না হয়ে যায়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া হয়।

  • লোক প্রশাসন বিভাগে SWAP নির্বাচন সম্পন্ন

    লোক প্রশাসন বিভাগে SWAP নির্বাচন সম্পন্ন

    অনুপ চক্রবর্তী:

    বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মাধ্যমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের Student Welfare Association of Public Administration (SWAP) নির্বাচন আজ সম্পন্ন হয়েছে।

    বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের নানামুখী উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে এই প্রতিষ্ঠান। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য বিভাগ গুলোতেও এ ধরণের কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান থাকলে কোন বিভাগেই এভাবে শতভাগ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই এই প্রথম। গত ১৯ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কর্তৃক নির্বাচনী বিধিমালা এবং তফসিল ঘোষণা করে বিভাগের ছ’টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পদের জন্য মনোনয়নপত্র আহ্বান করেন।

    মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ২২ মে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সকাল ১২ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এর ২০১৭ নম্বর কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জনাব রিফাত মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ এবং নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য শিক্ষক মহোদয়ের উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

    বিভাগের সকল ব্যাচের সকল শিক্ষার্থী এ নির্বাচনের বৈধ ভোটার হিসাবে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য ভোট দেন। বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলা এই নির্বাচনে বিভাগের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীদের ভিতর ৩১৭ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

    আগামি ২৭ তারিখ, রবিবার বিভাগের ইফতার মাহফিলের দিনে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

  • বাপ-ছেলে মিলে পালাক্রমে যৌন নির্যাতন: অতঃপর…

    বাপ-ছেলে মিলে পালাক্রমে যৌন নির্যাতন: অতঃপর…

    বাবার পর ছেলে। ছেলের পর ফের বাবা। পালাক্রমে নির্যাতন। নিষ্ঠুর পাশবিকতা! একই বাড়িতে বাপ-ছেলে মিলে যৌন নির্যাতন। অতঃপর ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা। এখন জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে হাসপাতালের বেডে শুয়ে দিন পার করছেন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশের নারী শ্রমিক তানিয়া।

    জানা গেছে, গত ১৭ এপ্রিল সৌদি আরব যান তানিয়া। অভাবের সংসারে আলো জ্বালাতে দেশ ছেড়ে প্রবাসে গেলেও সে আলো আর জ্বালানো হয়নি। এখন প্রায় নিভু নিভু জীবন প্রদীপও।

    সূত্র জানায়, এক আদম ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সৌদি আরবে যান তানিয়া। রিয়াদে গিয়ে এক স্কুল অধ্যক্ষের দুই শিশু সন্তানকে দেখভাল করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সে চাকরি আর ভাগ্যে জোটেনি। তাকে রাখা হয় এক নির্জন বাড়িতে। সেখানেই নেমে আসে জীবনের অন্ধকার অধ্যায়।

    যে বাড়িতে তানিয়াকে গৃহপরিচারিকা হিসেবে রাখা হয় সে বাড়িতে অন্য কোনো নারী ছিলেন না। বাবা আর তিন ছেলের ওই বাড়িতে তানিয়া একাই নারী। যাওয়ার পর থেকেই নির্যাতনের খড়ক নেমে আসে তানিয়ার ওপর। প্রবাস জীবন। ভিনদেশি ভাষা। আপনজনকে না পাওয়া। এমনকি নালিশের জায়গাও না মেলা। এক বর্বর অন্ধকার যুগের অভিজ্ঞতা যেন। বাপ এবং ছেলেরা মিলে পালাক্রমে নির্যাতন। আট দিনের অসভ্য অভিজ্ঞতায় মুক্তির কোনো নিশানা ছিল না এই অসহায় নারীর।

    বাপ-ছেলেদের টানা-হেচড়ার সময় একদিন আত্মরক্ষার্থে বাসার ছাদ থেকে লাফ দেন তানিয়া। মুক্তির ঠিকানা পেতে লাফ দিলেও ঠিকানা হয় হাসপাতালে। মারাত্মক আহত অবস্থায় দারোয়ানের সহায়তায় ভর্তি করা হয় কিং খালেদ হসপিটালে।

    ওই হাসপাতালের বাংলাদেশি নার্সের মোবাইল ফোন থেকে স্বামী রাসেলকে ফোনে সব ঘটনা খুলে বলেন তানিয়া। এরপর রাসেল আদম ব্যবসায়ী ইকবালের সূত্র ধরে ঘটনার নায়ক ও মূল আদম ব্যবসায়ী এম এইচ ট্রেড ইন্টারন্যাশাল (রিক্রুটিং লাইসেন্স নং-আরএল১১৬৬) এর মালিক মকবুল হোসেনকে খুঁজে বের করেন। তানিয়ার সাথে মকবুল হোসেন ও ইকবালের লোকেরাও কথা বলেন।

    কিন্তু ভরসা মেলেনি এখনও। ঘটনার পর থেকেই স্বামী রাসেল সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির দুয়ারে ধর্না দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। বিভিন্ন দফতরেও ঘুরছেন স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে। তানিয়ার স্বামী রাসেল বলেন, ‘বিচার পরে, আগে আমার স্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।’