Author: banglarmukh official

  • রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে বাংলায় কথা বললেন প্রিয়াঙ্কা

    রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে বাংলায় কথা বললেন প্রিয়াঙ্কা

    রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে বাংলায় কথা বললেন প্রিয়াঙ্কা

    কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে রোহিঙ্গা শিশুর সঙ্গে বাংলায় কথা বললেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা শিশু রিফাত হোসেনের হাত ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখেন তিনি।

    সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর মনাখালি ব্রিজের পাশে অস্থায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান এই বলিউড তারকা।

    এ সময় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া রোহিঙ্গা শিশু রিফাত হোসেনকে বাংলায় জিজ্ঞেস করেন, তোমাদের এখানে আমাকে ঘোরাবে? রিফাত হোসেন মাথা নেড়ে সম্মতি জানায়। এরপর হেসে দেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। পরে রিফাতের হাত ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘুরে দেখেন তিনি।

    jagonews24

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আরেকটি শিশুর সঙ্গে কথা বলেন। বাংলায় ছেলেটিকে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তোমার নাম কী? ছেলেটি বলল, মো. রফিক। তুমি স্কুলে যাও? ছেলেটি মাথা নেড়ে বলল, যাই।

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- ইউনিসেফ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    সোমবার সকালে ইউএস-বাংলার বিএস-১৪১ ফ্লাইটে করে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এর আগে সোমবার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি।

    জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে চারদিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন ভারতীয় এ অভিনেত্রী। এ খবর ছড়িয়ে যায় সর্বত্র।

    সোমবার কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছার পর তাকে দেখতে ভিড় করেন উৎসুক জনতা। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা কিশোর ও স্থানীয়রাও যোগ দেয়।

    jagonews24

    প্রিয় তারকাকে এক নজর দেখার জন্য মুহূর্তেই ভিড় বেড়ে যায়। প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকেই পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    পরে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে যাওয়া হয় ইউনিসেফ পরিচালিত হাসপাতালে। এ সময় হাসপাতালের ভেতরে বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। প্রিয়াঙ্কা সেখানে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালের চিকিৎসকদের কাছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেন।

    ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে বিকেল ৪টার দিকে গাড়িতে গিয়ে ওঠেন প্রিয়াঙ্কা। এ সময় হাত নাড়িয়ে সবার কাছ থেকে বিদায় নেন তিনি। সেই সেঙ্গ বলেন, ‘আবার আসব।’

  • সৌদিতে অভ্যুত্থানের ডাক : ক্ষমতা নিতে চাচাত ভাইকে যুবরাজের অনুরোধ

    সৌদিতে অভ্যুত্থানের ডাক : ক্ষমতা নিতে চাচাত ভাইকে যুবরাজের অনুরোধ

    সৌদি বাদশাহ সালমানকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে দুই চাচাত ভাইয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির নির্বাসিত এক যুবরাজ। ওই যুবরাজ বলেছেন, তিনি অভ্যুত্থানের ডাক দেয়ার পর এর সমর্থনে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অনেক সদস্যের কাছ থেকে ই-মেইলে সাড়া পেয়েছেন।

    প্রিন্স খালেদ বিন ফারহান অপর দুই যুবরাজ আহমেদ বিন আব্দুলআজিজ ও মুকরিন বিন আব্দুলআজিজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সৌদি রাজপরিবার ও দেশের যে ক্ষয়-ক্ষতি বাদশাহ সালমানের নিয়ন্ত্রণহীন, নির্বোধ ও খামখেয়ালিপনা শাসনের মাধ্যমে হয়েছে তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইকে দেয়া এক স্বাক্ষাৎকারে প্রিন্স খালেদ এসব মন্তব্য করেন। সৌদি আরবের এই যুবরাজ ২০১৩ সাল থেকে জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যদি যুবরাজ আহমেদ এবং মুকরিন ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে রাজপরিবার, নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর ৯৯ শতাংশ সদস্য তাদের পাশে দাঁড়াবে।’

    যুবরাজ খালেদ সৌদি রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এক সদস্য। ক্ষমতার উত্তরাধিকারী নির্ধারণের ব্যাপারে রিয়াদ অত্যন্ত সংবেদনশীল। রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও উত্তরাধিকারের লড়াইয়ে অংশ নিতে পারেন এবং খালেদে সেই চেষ্টা করছেন।

    সৌদি এই যুবরাজ বলেছেন, বাদশাহ সালমানের জীবিত বড় ভাই মাহমুদ বিন আব্দুলআজিজ সম্প্রতি এক বিবৃতিতে পুরো রাজপরিবারে বড় ধরনের অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেন।

    খালেদ বলেন, ‘রাজপরিবারের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। আমি এই তথ্য পাওয়ার পর বাদশাহ সালমানের উচ্চশিক্ষিত দুই ছেলে আমার চাচাত ভাই আহমেদ এবং মুকরিন; যারা ভালো বুদ্ধিমান এবং আরও ভালো পরিবর্তন আনতে সক্ষম তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। আমি বলেছি, আমরা সবাই তাদের সঙ্গে আছি এবং তাদের প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে।’

    সৌদি যুবরাজ আহমেদ আব্দুলআজিজ দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার প্রতি নিরাপত্তাবাহিনী ও উপজাতিদের গুরুত্বপূর্ণ অংশের সমর্থন এখনো রয়েছে। এছাড়া যুবরাজ মুকরিন ২০১৫ সালের এপ্রিলে মোহাম্মদ বিন নায়েফের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ক্রাউন প্রিন্স নিয়োগ পেয়েছিলেন। পরে ২০১৭ সালের জুনে তাকে সরিয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সৌদি এই যুবরাজ বিদেশি গণমাধ্যমে সংক্ষেপে ‘এমবিএস’ নামে পরিচিত।

    প্রিন্স খালেদ বলেছেন, ‘তিনি অভ্যুত্থানের ডাক দেয়ার পর এর সমর্থনে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অনেক সদস্যের কাছে থেকে ই-মেইল পেয়েছেন। আমি তাদের এসব মেইলে বুঝতে পেরেছি যে, সৌদি আরবের বর্তমান পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য তারা দাবি জানানোর পরিবর্তে প্রিন্স আহমেদ বিন আব্দুলআজিজের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

    রাজপ্রাসাদে গোলাগুলির রহস্য

    গত এপ্রিলে রাজধানী রিয়াদের রাজপ্রাসাদে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনার পর বাদশাহবিরোধী অভ্যুত্থানের যে ডাক উঠেছে তা নিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। ওই সময় রাজপ্রাসাদের সামনে বিনা অনুমতিতে উড়তে থাকা একটি ‘খেলনা ড্রোনে’ গুলি চালিয়ে ভূপাতিত করা হয় বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া হয়।

    কিন্তু সৌদি আরবের মুজতাহিদ ছদ্মনামের এক ব্লগার বলেছেন, ‘দুটি এসইউভি গাড়িতে করে ভারী অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে রাজপ্রাসাদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারী গোলাগুলিতে ছয় নিরাপত্তাকর্মী ও দুই হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

    রাজপ্রাসাদে গোলাগুলির এ ঘটনার পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যায়নি। রাশিয়া ও ইরানের বেশ কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়, অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় গুলিতে মারা গেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে মৃত্যুর গুঞ্জন উড়িয়ে দিতে সম্প্রতি যুবরাজের কার্যালয় থেকে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের তার একটি ছবি প্রকাশ করা হয়। তবে এই ছবি কত তারিখে কোন সময় তোলা হয়েছে সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দেয়নি যুবরাজের কার্যালয়।

    প্রিন্স খালেদ বলেছেন, ‘মূল ঘটনাকে আড়াল করতে ড্রোনের গল্প সাজানো হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, মোহাম্মদ বিন সালমানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটি প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা নয় বরং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মাত্র।’

    তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘এমবিএস’ যদি ক্ষমতায় থাকেন, তাহলে অভ্যুত্থান এড়ানো যাবে না। ‘আমি ইউরোপীয়দের বলতে চাই, সৌদি আরবের পরিস্থিতি আগ্নেয়গিরির রূপ ধারণ করেছে; যা বিস্ফোরণের মুখে রয়েছে। যদি এটি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে শুধু সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ অথবা আরব অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলবে না; ইউরোপের ওপরও প্রভাব ফেলবে।’

    খালেদ বলেন, সৌদি আরবে বিভিন্ন প্রজন্ম, উপজাতি, অঞ্চল ও ওয়াহাবীসহ বিভিন্ন মতাদর্শের সংমিশ্রণ রয়েছে। রাজপরিবারের বাইরে যদি অভ্যুত্থান শুরু হয়, তাহলে সৌদি কর্তৃপক্ষ ইসলামের কঠোর ওয়াহাবী ব্যাখ্যা অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করবে; যা সহজেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রে পরিণত হবে।

    তিনি আরো বলেন, ‘সৌদি আরবে সন্ত্রাসী সেল ঘুমন্ত অবস্থায় অাছে এবং ওয়াহাবী মতাদর্শ একটি মৌলবাদী মতাদর্শ। এরা হচ্ছে সেই ইসলামপন্থী, যারা সবচেয়ে বেশি ভয়ের কারণ ইউরোপীয় এবং মার্কিনিদের জন্য। সুতরাং সৌদি আরবে যদি গোলমাল শুরু হয়ে যায়, তাহলে বিশ্বজুড়ে গোলমাল শুরু হবে এবং সৌদি আরব এ ধরনের সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করায় পুরো বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের উৎস হবে দেশটি।’

    অপমানিত রাজপরিবারের সদস্যরা

    সৌদি আরবের দুর্নীতিবিরোধী ধরপাকড়ের সময় ব্যাপক নিপীড়নের ব্যাপারে কথা বলেছেন খালেদ। রাজপরিবারের অনেক সদস্যকে গ্রেফতারের পর অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছেন যুবরাজ এমবিএস।

    খালেদ বলেন, সাবেক বন্দিরা এখনো মুক্ত নয়। তাদের পায়ে মনিটরিং ডিভাইস বসানো হয়েছে। মোবাইল ফোন মনিটরিং করা হচ্ছে। এমনকি রাজ্যের বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না তাদের। তারা অপমানজনক পরিস্থিতিতে বসবাস করছেন।

    দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রিন্স খালেদ বলেন, ‘প্রতিনিধি নির্বাচনের একক ক্ষমতা বাদশাহর, এতে কারো কোনো ক্ষমতা নেই। তবে নতুন কোনো বাদশাহ এলে সব পরিস্থিতির পরিবর্তন আসবে।’

    বাদশাহ সালমানের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রিন্স খালেদ। তার মিসরীয় মাকে তালাক দিতে বাদশাহ সালমান খালেদের বাবাকে বাধ্য করেছিলেন বলে জানান তিনি। বাদশাহকে বর্ণবাদী হিসেবে উল্লেখ করে সৌদি এই যুবরাজ বলেন, তার বোনের কুয়েতি স্বামীকেও তালাক দিতে বাধ্য করেছিলেন বাদশাহ।

    যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সম্প্রতি বলেন, আগামী ৫০ বছর দেশ শাসন থেকে তাকে বিরত রাখতে পারে একমাত্র মৃত্যু। প্রিন্স খালেদ বলেন, আমি তাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই। সে কী সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে চুক্তি করে নিয়েছে যে, ৫০ বছর বেঁচে থাকবে। এটার নিশ্চয়তা সে কীভাবে দিতে পারে?

  • অপহরণের ১৪ দিন পর কলেজ ছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার-১

    অপহরণের ১৪ দিন পর কলেজ ছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার-১

    পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে অপহরণের ১৪ দিন পরে কলেজ ছাত্রী নারগিস আক্তার লাভলীকে (১৬) কলাপাড়া থানা পুলিশ বরিশাল পুলিশ লাইন এলাকার একটি বাসা থেকে উদ্ধার করেছে।

    এ সময় অপহরনকারী এনামুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। বরিশাল কোতয়ালী পুলিশের সহায়তায় কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে রবিবার মধ্যরাতে এনামুল হাসানকে গ্রেফতার করে উদ্ধার করা হয় নারগিসকে।

    উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পুর্ব হাজীপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র এনামুল। এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ ভিক্টিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালীতে প্রেরণ করেছে। আসামি এনামুল হাসান থানা হাজতে রয়েছে। আসামিকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।

    কলাপাড়া পৌর শহরের মাদ্রাসা সড়কের বাসা থেকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় ৬ মে বিকেলে অপহৃত হয় নারগিস। ৭ মে তার বাবা নজরুল ইসলাম কলাপাড়া থানায় একটি জিডি করেন। এরপর থেকে পুলিশ মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে অভিযান চালায়।

    এস আই নাজমুল আরও জানান, প্রতারক বখাটে এনামুল হাসান একইভাবে আরও একাধিক ঘটনা ঘটিয়েছে। একাধিক মেয়ে ও গৃহবধুর সর্বনাশ করেছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। কিন্তু গ্রাম্য একটি সালিশবাজ চক্রের কারনে তাকে আইনের আওতায় আনা যায়নি। চিহ্নিত বখাটে হিসাবে এনামুলের কুখ্যাতি আছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

  • গাছে বেঁধে কিশোরকে নির্যাতন

    গাছে বেঁধে কিশোরকে নির্যাতন

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার আউলিয়াপুরে মুগ ডালখেতে গরু বাঁধায় রশি দিয়ে দুই হাত গাছের সঙ্গে বেঁধে আরাফাত আকন (১৩) নামে এক কিশোরকে নির্যাতন করা হয়েছে।

    রোববার এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নির্যাতিত কিশোরের মা ফরিদা বেগম। আহত আরাফাত আকন উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের ইউনুস আকনের ছেলে।

    স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার আউলিয়াপুর গ্রামের বাদল তালুকদারের গরু একই গ্রামের ইউনুস আকনের খেতের মুগ ডাল খায়। এ সময় মুগ ডালখেত থেকে গরুকে তাড়িয়ে দেয় আরাফাত আকন।

    এ ঘটনা নিয়ে বাদল তালুকদার ও ইউনুস আকনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বাদল তালুকদার শনিবার বিকেলে আরাফাত আকনকে গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে দুই হাত বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে।

    আকনের মামা নয়ন খলিফা এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে বাদল তালুকদার তাকেও পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আহত আরাফাতকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, ওই কিশোরকে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জড়িতদের ধরতে জোর প্রচেষ্টা চলছে।

  • বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি ফোরলেন সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি ফোরলেন সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি সড়ক বরিশাল-ঢাকা মহা সড়কের অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের মাধ্যমে ফোরলেন সড়ক চালু করে দিয়েছে মডেল কোতয়ালী থানা পুলিশ।
    আজ সোমবার বৈরী আবহাওয়া বৃষ্টি উপেক্ষা করে কোতয়ালী মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার(এসি) শাহনাজ পারভীনের নেতৃত্বে ও মডেলর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ মোঃ আওলাদ হোসেন মামুনের উপস্থিতিতে নগরীর এক নং সিএন্ডবি পুল এলাকা শুরু করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত শতাধিক অবৈধ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের দখলদার উচ্ছেদ করে সিএন্ডবি সড়ক বরিশাল-ঢাকা ফোরলেন মহা সড়কটি চালু করে দিয়েছে মডেল কোতয়ালী থানা পুলিশ।এলাকাবাশীর অভিযোগ রয়েছে কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে ঢাকা-বরিশাল-পটুয়াখালী ও কুয়াকাটা চলাচলের জন্য নগরীর সিএন্ডবি সড়কে ফোরলেন সড়ক স্থাপন করা হয়।

    সড়কটি নির্মান কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অজ্ঞাত কারনে ফোরলেন সড়কটি আনুষ্টিকভাবে উদ্বোধন না করার ফলে এক প্রর্যায়ে দিনে দিনে এক শ্রেনীর অবৈধ ফুটপাত ব্যাবসায়ীদের দখলে চলে যায় ফোরলেন সড়কটি।এতে যানবাহন চলাচল সহ পথচারীদের চরমভাবে দূর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।এছাড়াও এলাকাবাশীর আরো অভিযোগ রয়েছে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা ফোরলেন সড়কটি দখল করে নির্মান সামগ্রী মালামাল রেখে তাদের বাড়ি নির্মান করার ফলে সড়কটি দিয়ে চলাচলের জন্য যেমন ঝুকিপূর্ণ সহ অযোগ্য হয়ে উঠার ফলে প্রায় সময় ঘটছে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

    নগরীর সিএন্ডবি সড়কের ফোরলেন সড়কটি দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত অবৈধ দখলদার নিয়ন্ত্রনে চলে যাওয়ার পরও সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিসিসি কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে নজর না দেয়ার কারনে কয়েককোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ফোরলেন সড়কটি সিটি কর্পোরেশনের নাকি সড়ক ও জনপথ বিভাগের এনিয়ে উক্ত এলাকার জনসাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে।মডেল কোতয়ালী পুলিশের হস্তক্ষেপের কারনে একদিকে ফোরলেন সড়কটির প্রান ফিরে এসেছে অন্যদিকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে উদ্বার করা হয়েছে নগরীর সিএন্ডবি সড়কের বরিশাল-ঢাকা ফোরলেন মহাসড়ক।

  • বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস

    বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন মোহাম্মদ ইউনুস। সোমবার (২১ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারি সচিব ফাতেমা তুল জান্নাত স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

    মোহাম্মদ ইউনুস মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্বরত রয়েছেন।

    ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে- পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

    এর আগে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হককে গত মাসে ঢাকা বোর্ডে বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যোগদানের পরে এই বোর্ডে চেয়ারম্যানের পদটি দীর্ঘদিন যাবত শূন্য ছিল বলে জনিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজের শিক্ষক। বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তাকে বদলিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    সোমবার (২১ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশকক্রেম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    দুই মাস শূন্য থাকার পর বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হল। গত ১৯ মার্চ বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হককে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলে বরিশাল বোর্ডের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়।

    বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকল্প সেসিপের বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক ছিলেন।’

  • খালেদার ৩ মামলার জামিন আবেদনের শুনানি কাল

    খালেদার ৩ মামলার জামিন আবেদনের শুনানি কাল

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কুমিল্লার নাশকতার দুইটি ও নড়াইলে মানহানির একটি মামলার জামিন আবেদনের শুনানি আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চ নতুন দিন ধার্য করে এ আদেশ দেন।

    এর আগে গতকাল রবিবার কুমিল্লার দুটি ও নড়াইলের একটি মামলায় জামিন আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখলেও কয়েকটি মামলায় গ্রেফতার থাকার কারণে এখনই তিনি কারামুক্তি পাচ্ছেন না। কুমিল্লা, নড়াইল ও ঢাকায় থাকা মামলায় জামিন নেওয়ার পরই কেবল তিনি জামিনে মুক্তি পাবেন বলে তার আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করেছেন।

  • তাসফিয়া হত্যায় ‘তৃতীয় পক্ষের’ ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের

    তাসফিয়া হত্যায় ‘তৃতীয় পক্ষের’ ইন্ধন নিয়ে সন্দেহ পরিবারের

    চট্টগ্রামের স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যার সাথে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মোহাম্মদ আমিন। সোমবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ দাবি করেন।

    লিখিত বক্তব্যে মোহাম্মদ আমিন বলেন, তাসফিয়াকে কিছু চিহ্নিত নরপশু মধ্যযুগীয় কায়দায় নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন আছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি।

    সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে তাসফিয়া মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মোহাম্মদ আমিন আরও বলেন, আপনি তো বুঝেন প্রিয়জন হারানোর বেদনা কতটা অবর্ণনীয়।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন ও চাচা নুরুল আমিনের নাম রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে ইয়াবা ব্যবসার বিরোধ নিয়ে তাসফিয়াকে ‘হত্যা’ করা হয়েছে- এমন সন্দেহ করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আমিন বলেন, ‘টেকনাফের সবার নাম ওই তালিকায় আছে। কেউ ইয়াবা ব্যবসা করে, কেউ করে না। ঘটনা ধামাচাপা দিতে এ অভিযোগটি সামনে আনা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মোহাম্মদ আমিন।

    তাসফিয়ার পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কর্ণফূলী জোনের সহকারি কমিশনার জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার তদন্তের স্বার্থে আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি।’

    প্রসঙ্গত, গত ২ মে নগরীর পতেঙ্গা সৈকত এলাকা থেকে শানসাইন স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পরিবারের অভিযোগ স্কুল ছাত্রীর ‘প্রেমিক’ নির্যাতনের পর হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোহাম্মদ আমিন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় কথিত প্রেমিক আদনান মির্জাসহ ছয় জনকে আসামী করা হয়।

  • মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি মিজানুরকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি মিজানুরকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ১২০ কোটি টাকা ফাঁকির মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমানকে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও তাকে পাসপোর্ট ইস্যু না করার জন্য পাসপোর্ট অধিদফতরকে অনুরোধ করা হয়েছে। সোমবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে, প্রতিষ্ঠানটির বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার আওতায় আমদানিকৃত পণ্য খোলা বাজারে বিক্রির দায়ে গত ১৫ মে প্রতিষ্ঠানের চেয়াম্যান সৈয়দ আবিদুল ইসলাম এবং পরিচালক খন্দকার সুরাত আলীকে গ্রেফতারপূর্বক মানি লন্ডারিং আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরদিন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে আদালত আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুল্ক গোয়েন্দার অনুকূলে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

    গত ২০ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে রাজধানীর ইসলামপুরে একটি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো ট-১৪-২৮২৩) আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পণ্য খালাসের প্রাক্কালে সে দিন চালানটি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের একটি গোয়েন্দা টিম। গাড়ির চালকের কাছে পণ্যের স্বপক্ষে চালান দেখাতে বলা হলে তিনি সঠিক কাগজ দেখাতে পারেননি। পরে ওইসব কাগজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কাস্টমস বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধার আওতায় (আই এম-৭ বি/ই) শুল্কমুক্তভাবে মেসার্স মাসটেক্স ইন্ডাট্রিজ’র অনুকূলে পলি সিনথেটিক ওভেন ফেব্রিক্স পণ্য/কাঁচামাল আমদানি করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইস্যুকৃত কাগজপত্র বিশ্লেষণ করে ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি উদঘাটন করে এ সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

  • বগুড়ায় ৬ শতাধিক ভিক্ষুককে পুনর্বাসন

    বগুড়ায় ৬ শতাধিক ভিক্ষুককে পুনর্বাসন

    বগুড়া জেলা ভিক্ষুকমুক্ত করতে এবং ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করতে পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। শারীরীকভাবে কাজ করতে পারে এমন ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি থেকে নিরুৎসাহিত করতে তাদের হাতে রিকশা ভ্যান তুলে দেওয়া হয়েছে। আবার কাউকে কউকে দেয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ গড়ে দেয়া হয়েছে মনোহারির দোকান।
    ভিক্ষার হাত হোক কর্মের হাতিয়ার, এ লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে ভিক্ষুক মুক্ত করার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বগুড়াকে ভিক্ষুক মুক্ত অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী। ইতিমধ্যেই ৬ শতাধিক ভিক্ষুককে পূনর্বাসন করা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, ৭ হাজার ২৯১ জন ভিক্ষুকের তালিকা করা হয়েছে। তাদের নিয়েই প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। এর বাহিরে কিছু ভিক্ষুক রয়েছে যাদের স্থায়ী কোন ঠিকানা নেই তারা একস্থান থেকে অন্য স্থানে ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে। তাদের তালিকা তৈরী হচ্ছে পর্যায়ক্রমে। পুরুষ সক্ষম ভিক্ষুকদের রিকশা-ভ্যান, মনোহারির দোকান করে দেওয়া হয়েছে। ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করতে নারী ও পুরুষ ভিক্ষুকদের ক্ষুদ্র ব্যবসা, গরু-ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি, সেলাই মেশিন প্রদান করে হচ্ছে এবং এটি চলমান থাকবে। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার পর উপকরণ সমূহ হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা বয়সের কারণে কোন কাজ করতে পারবে না তাদের বয়স্কভাতা সহ অন্যান্য ভাতা প্রদান করা হবে।
    এদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকীর উদ্যোগে জেলাকে ভিক্ষুুকমুক্ত করার মধ্যে দিয়ে ভিক্ষুকদের কর্মে ফিরে নিয়ে আসা, পুর্নবাসন করা এবং এই পেশাকে নিরুৎসাহিত করতে প্রশাসন কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে সরকারি যাকাত তহবিল থেকে ভিক্ষুক পূনর্বাসনে ভ্যান গাড়ি বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। ১২ জনকে ভ্যান গাড়ি প্রদান করে তিনি।
    বগুড়ার এনডিসি ডালিম সরকার জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সার্বিক তত্বাবধানে ভিক্ষুকমুক্ত বগুড়া গড়ার কাজ চলছে। জেলায় ৬ শতাধিক ভিক্ষুককে ইতিমধ্যেই পুনর্বাসন করেছে জেলা প্রশাসন।
    বগুড়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, ভিক্ষাবৃত্তি একটি স্বাধীন জাতির জন্য মর্যাদাহানিকর। বগুড়া জেলাকে ভিক্ষুক মুক্তকরণ কর্মসূচি চলছে। ভিক্ষুকদের স্বাবলম্বি করে গড়ে তুলতে সরকার বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাদের পুনর্বাসন কাজ অব্যহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে আরো ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হবে।