Author: banglarmukh official

  • প্রতিদিন জমজমের পানির ১০০টি নমুনা পরীক্ষা

    প্রতিদিন জমজমের পানির ১০০টি নমুনা পরীক্ষা

    সারা বিশ্বে মুসলিমদের কাছে পবিত্র জমজমের পানি। রমজান মাস উপলক্ষ্যে প্রতিদিন জমজমের পানির ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। দর্শনার্থী ও হাজীরা মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফ) নামাজ আদায় করতে এসে জমজমের পানি পান করেন।

    তাদের পানের জন্য এ পানি নিরাপদ এবং জীবানুমুক্ত কি না- তা নিশ্চিত করতেই প্রতিদিন এ পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেসব জায়গায় জমজমের পানি পাওয়া যায় সব জায়গা থেকে এসব নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে ।

    মক্কায় ৬৬০টি স্থানে জমজমের পানি পানের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া ২৫ হাজার কনটেইনারে করে করে জমজমের পানি সরবরাহ করা হয়। মসজিদুল হারামের ভেতরে ৩৫২টি স্টেইনলেস স্টিলের ট্যাংকে পবিত্র এ পানি সংরক্ষণ করা হয়। সূত্র: সৌদি গেজেট

  • ২৩ কেন্দ্রে শূন্য ভোট, জাপার মেয়র প্রার্থীকে অব্যাহতি

    ২৩ কেন্দ্রে শূন্য ভোট, জাপার মেয়র প্রার্থীকে অব্যাহতি

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমানকে পার্টিরও সকল পদ-পদবী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর ইতোমধ্যে জাতীয় পার্টি (জাপা) খুলনা মহানগর কমিটি ভেঙে দেয়া হয়েছে।

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৩টি কেন্দ্রে শূন্য ভোট পেয়ে ৪র্থ হয়েছে। তার প্রাপ্ত মোট ভোটের সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৭২টি।

    খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান ২৩টি কেন্দ্রে শূন্য ভোট পেয়েছেন। ৪৬টি কেন্দ্রে ১টি করে, ৫৭ কেন্দ্রে ২টি, ৩৯টি কেন্দ্রে ৩টি , ৪১টি কেন্দ্রে ৪টি, ২০টি কেন্দ্রে ৫টি , ১৮টি কেন্দ্রে ৬টি, ১৩টি কেন্দ্রে ৭টি, ৮টি কেন্দ্রে ৮টি, ৬টি কেন্দ্রে ৯টি, ৬টি কেন্দ্রে ১০টি, ১টি কেন্দ্রে ১১টি, ৪টি কেন্দ্রে ১২টি ও ২টি কেন্দ্রে ১৩টি ভোট পেয়েছেন।

    তবে তিনি ইউসেফ মহাসিন খুলনা টেকনিক্যাল স্কুল (উত্তরপাশ) কেন্দ্রে ৫২টি ভোট পেয়েছেন। মোট ২৮৬টি কেন্দ্রে তিনি ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৭২টি।

  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে।  রবিবার এই দল ঘোষণা করে বিসিবি।

    স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন তাসকিন আহমেদ ও ইমরুল কায়েস।  অন্যদিকে, দলে ডাক পেয়েছেন দীর্ঘদিন দূরে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও আবু হায়দার রনি।

    বাংলাদেশ স্কোয়াডের ১৫ সদস্য হলেন- 
    সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, লিটন দাশ, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদি হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু হায়দার রনি, আবু যায়েদ রাহি ও আরিফুল হক।

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের টি-টোয়েন্টি খেলতে ২৯ মে ভারতের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে টাইগাররা।  সিরিজের সূচি অনুযায়ী ৩, ৫ ও ৭  জুন ভারতের দেরাদুনের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ তিনটিতে আফগানদের মোকাবেলা করবে টাইগাররা।

  • কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী

    কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে নির্বাচনের বিশাল সম্পর্ক আছে।  কাদেরের বক্তব্য, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার গভীর ষড়যন্ত্র।  এটা জবরদস্তিমূলক, একতরফা নির্বাচনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাবে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    এ সময় রিজভী বলেন, আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশে বলতে চাই-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মানেই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক, খালেদা জিয়া মানেই বিএনপি, খালেদা জিয়া মানেই গণতন্ত্র।  তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে।  খালেদা জিয়াবিহীন কোনো জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আসাদুল করীম শাহীন, মুনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

  • ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন

    ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিন মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। রবিবার সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বিভাগে এ জামিন আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

    বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল জানান, নিম্ন আদালতে এসব মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়েছিলাম। কিন্তু জামিন আবদনের শুনানি গ্রহণ করলেও অধিকতর শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। যা সচরাচর অন্য মামলার ক্ষেত্রে দেখা যায় না। এ কারণে হাইকোর্টে আমরা জামিন চেয়েছি।

    তিনি আরও জানান, কুমিল্লার ২টি নাশকতার এবং নড়াইলের একটি মানহানির মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ছেন খালেদা জিয়া। বিচারপতি এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চে জামিন আবেদন শুনানির জন্য অনুমতি চান খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরে আদালত আবেদন দাখিলের অনুমতি দেন।

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। এ মামলার অপর আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানাও করা হয়। বর্তমানে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

  • সত্যিই কী অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছিল সৌদি আরবে

    সত্যিই কী অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছিল সৌদি আরবে

    সৌদি আরবের রাজ প্রাসাদে গত ২১ এপ্রিল রাতে হঠাৎ করেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওইদিন বাদশাহ আবদুল আজিজ বিন সালমান দিরিয়ায় তার অবকাশযাপন কেন্দ্রে ছিলেন বলে দাবি সৌদি কর্তৃপক্ষের। পরে সেখান থেকে তাকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। ইরানসহ সৌদি বিরোধী কয়েকটি জোট ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ওই রাতের ঘটনাকে একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ছিল বলে উল্লেখ করেছে।

    বিপরীতে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে রাজ প্রাসাদের পাশে একটি খেলনা ড্রোনের উপস্থিতি ছিল এবং এ জন্যই গোলাগুলি হয়েছে বলে উল্লেখ করে। কিন্তু ওই ঘটনার পর থেকে বর্তমান সময়ের সৌদি রাজপ্রাসাদের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। তাকে মিডিয়ার সামনে বা কোনও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেও দেখা যায়নি। ফলে এ ঘটনা নিয়ে সন্দেহের দাঁনা তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। এমনকি ইরানি গণমাধ্যম ‘কায়হান’ জানিয়েছে ক্রাউন প্রিন্স সালমান অভ্যুত্থানে মারা গেছেন। যদিও ইরানের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি।

    জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল শনিবার রাতে রিয়াদে বাদশাহ আবদুল আজিজ বিন সালমানের প্রাসাদের বাইরে গোলাগুলির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিকট গুলির শব্দ নানা গুঞ্জনের জন্ম দেয়। পরে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, গুলি করে একটি ড্রোন নামানো হয়েছে। ড্রোনটি খেলনা বলে চিহ্নিত করেছে তারা। আসলে এটি অভ্যুত্থান চেষ্টা ছিল নাকি এমন সম্ভাবনা ধাপাচাপা দিতেই ড্রোনের নাটক সাজানো হয়েছে- তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে দেশটির বিভিন্ন মহলে। শুধু সৌদি আরবেই নয় সারা বিশ্বেই এ ঘটনাকে অভ্যুত্থান ষড়যন্ত্রের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    সৌদি পুলিশের মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে ওইসময় বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে প্রাসাদের কাছে একটি ‘অননুমোদিত ড্রোনের’ উপস্থিতি ধরা পড়ে।

    ওই দিন রিয়াদ পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, আল খুজামা এলাকায় রিমোট কন্ট্রোল চালিত ক্ষুদে একটি খেলনা ড্রোন উড়তে দেখা যায়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই আকাশে ওই ড্রোন উড়ানো হচ্ছিল। নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ম অনুযায়ী সেটার ব্যবস্থা নিয়েছে। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি এবং বাদশাহ সালমান সে সময় প্রাসাদে ছিলেন না বলে এক সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। বাদশাহ দিরিয়ায় তার অবকাশযাপন কেন্দ্রে ছিলেন।

    ওই রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে অন্তত ৩০ সেকেন্ড ধরে গুলির শব্দ আর আলোর ঝলকানি দেখা যায়। ওই ভিডিওর সূত্র ধরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খবরও আসতে শুরু করে। সৌদি আরবে কোনো অভ্যুত্থান ঘটেছে কিনা। বিশ্বের শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশটির বাদশাহ বা যুবরাজের ভাগ্যে কী ঘটেছে এমন প্রশ্নও ঘুরতে শুরু করে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওতে বলা হয়েছে, রাজপ্রাসাদে বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ বিরোধী অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে। ওই সময় বাদশাহ সালমানকে রাজপ্রাসাদ থেকে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়া হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে।

    রয়টার্স লিখেছে, ওই ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে সৌদি আরবের এক কর্মকর্তা বলেন, একটি অজ্ঞাত ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছে। বিনোদনের জন্য ড্রোন উড়ানোর বিষয়ে সরকার একটি নীতিমালা তৈরিরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি আলজাজিরা।

    উল্লেখ্য, সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ গত বছর জুনে তার ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ ঘোষণার পর থেকে রক্ষণশীল এ মুসলিম দেশটি বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ৩২ বছর বয়সী যুবরাজ মোহাম্মদ সৌদি আরবের তেলনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কারের পাশাপাশি সাংস্কৃতিকভাবে তার দেশকে আরও বেশি উন্মুক্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু সরকারের সমালোচনার সুযোগও দিন দিন সঙ্কুচিত হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ছেলের অবস্থান সংহত করতে গিয়ে সৌদি আরবে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীতে কয়েক দফা বড় ধরনের রদবদল এনেছেন বাদশাহ সালমান। যুবরাজের নেতৃত্বে চালানো ‘দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে’ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, প্রিন্স আর ধনকুবেরকে কারাগারে যেতে হয়েছে। অবশ্য তাদের অধিকাংশকেই পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সৌদি প্রিন্সসহ সরকারি আমলা ও কর্মকর্তাদের ওপর যুবরাজের এমন হস্তক্ষেপের পরিণতি ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে যেতে পারে। আর ক্রাউন প্রিন্স সালমানের গত ১ মাস ধরে জনসম্মুখে না আসা প্রশ্ন তুলছে সত্যিই কী অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছিল সৌদি আরবে?

  • যে বাঙালি নারীর হাতের ইশারায় উঠ-বস করতো দু’টি বাঘ

    যে বাঙালি নারীর হাতের ইশারায় উঠ-বস করতো দু’টি বাঘ

    কলকাতার লালবাতি এলাকার রাম বাগানে ১৮৭৯ সালে এক বাঙালি হিন্দু পরিবারে সুশীলা সুন্দরীর। তিনি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস -এর সুশীলা সুন্দরী হিসেবে। এটা তার আসল নাম ছিল কিনা সেটা নিয়েও সংশয় আছে। ছোটোবেলা থেকেই সুশীলার নানা রকম ব্যায়ামের দিকে প্রবল আগ্রহ ছিল। কলকাতার সিমলা অঞ্চলে প্রফেসর প্রিয়নাথ বোস ব্যায়ামের আখড়া খুললে সুশীলা ও তার বোন কুমুদিনী সেখানে যোগ দেন এবং সার্কাসে যুক্ত হয়ে পড়েন। এবং খুব দ্রুতই অন্যান্য খেলার সঙ্গে বাঘের খেলা দেখাতে শুরু করেন।

    এর আগে সার্কাসে বাঘের খেলা দেখানো হলেও সেই বাঘগুলোকে চেন দিয়ে বেঁধে তবে খেলা দেখানো হত। গ্রেট ইন্ডিয়ান সার্কাসের শ্যামাকান্ত বন্দ্যোপাধায় ‘গোপাল’ নামের বাঘের সঙ্গে কুস্তি লড়তেন। কিন্তু এই খেলায় বাঘের গলায় চেন পরানো থাকত। এবং সেই চেনের শেষ প্রান্ত থাকত অন্য এক লোকের হাতে। বিপদের বিন্দুমাত্র আশঙ্কা থাকলে সেই চেন টেনে বাঘকে সরিয়ে দেওয়া হত।

    সে অর্থে বোসেদের সার্কাসে বাঘ খোলা রাখা হত। গ্র্যান্ড সার্কাসে বাদল চাঁদের পর যিনি এই খেলা দেখাতেন তিনি আর কেউ নন , এই বাঙালি মেয়ে সুশীলা। তার খেলা দেখাবার সময় বাঘেরা থাকত মুক্ত। খাঁচার ভেতর ঢুকে সুশীলা বাঘকে আদর করতেন , চুমু খেতেন। তাদের নিজের কথামতো দাঁড় করাতেন, বসাতেন , গর্জন করাতেন। এমনকি তিনি তাদের সঙ্গে বাহুযুদ্ধও করতেন , তাদের বিস্তৃত চোয়াল জনসমক্ষে দেখাতেন। এর পর এসব খেলা দেখানোর পর তিনি তাদের উপর হেলান দিয়ে দাঁড়াতেন ছবি তোলার উদ্দেশ্যে। টানা আধ ঘণ্টার খেলার শেষে ছবি তোলা হলে উচ্ছ্বসিত দর্শকদের করতালির মধ্যে তিনি এসে দাঁড়াতেন স্টেজে।

    বাঘের সঙ্গে খেলার জন্য সর্বাধিক আলোচিত হলেও তিনি আর একটি খেলা দেখতেন , সেটিও ছিল অতি বিখ্যাত -জীবন্ত সমাধি। সার্কাসের রিংয়ের এক কোণে সুশীলাকে গর্ত করে পুঁতে দেওয়ার পর সেই কবরের উপর বেশ কিছু দর্শক ঝাঁপাঝাঁপি লাফালাফি করে দেখতেন, ঠিকমতো কবর দেওয়া হয়েছে কিনা। তার পর সেখানে ঘোড়ার খেলা দেখানো হত। সেই শো শেষ হলে সুশীলা গর্তের মধ্যে থেকে হাসতে হাসতে স্টেজের উপর উঠে আসতেন।

    জানা যায় একবার সার্কাসে শো চলাকালীন সুশীলাকে কবর দেবার পর হঠাৎ ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টি নামে। সার্কাসের শো বন্ধ করে দিতে হয়। বাড়ি ফিরে প্রফেসর বোসের মনে পড়ে সুশীলাকে কবর থেকে তোলা হয়নি। তিনি দ্রুত ফিরে যান মাঠে। দেখেন সেই কবর থেকে সুশীলা গায়ের জোরে উঠে এসেছেন মাটি ফুঁড়ে।

    পুরনো কলকাতার ইতিহাসে কান পাতলে শোনা যায়, গ্রেট বেঙ্গলের খ্যাতনামা জাদুকর, প্রিয়নাথের ডানহাত ম্যাজিশিয়ান গণপতির সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়া হয়েছিল সুশীলার। ইনি সার্কাসে যোগ দেন বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকার জন্যে, কিন্তু অল্প সময়ে তার প্রতিভা প্রিয়নাথ বসুর নজরে আসেন। পরে গণপতি অন্য দলে যোগ দিলেও সুশীলা পুরনো দল ছেড়ে গণপতির নতুন দলে যোগ দেননি। কথিত আছে যে, সুশীলাকে ছাড়া নাকি নতুন দলে ভোজবাজি জমাতে পারতেন না গণপতি।

    যা হোক, এ শক্তিময়ী সুশীলা সুন্দরীর ভক্ত সংখ্যা ও জনপ্রিয়তা যে তুঙ্গে ছিল তাতে কোনও সন্দেহ ছিল না। সুশীলা সুন্দরীর খ্যাতি সেই সময়ে এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে সব সময় ভারতীয়দের নিন্দা করা ‘ইংলিশম্যান’ পত্রিকার সম্পাদকও লিখতে বাধ্য হন ‘হিন্দু স্ত্রীলোকদিগের দুর্নাম যে তাহারা বড় ভীরু, কিন্ত্ত এই সুশীলা সুন্দরী একগাছি ছড়ি পর্যন্ত না লইয়া, নির্ভয়ে ব্যাঘ্র -বিবরে প্রবেশপূর্বক দুইটি বাঘের সহিত খেলায় এরূপ অমিত সাহসের পরিচয় দেন, যে তাহা দেখিলে সত্যই চমকিত হইতে হয়।’

    খ্যাতির মধ্য গগনেই সুশীলাকে সার্কাস থেকে সরে যেতে হয় এক দুর্ঘটনার জেরে। সুশীলা যে বাঘদু’টিকে নিয়ে খেলা দেখাতেন তাদের একটি মারা গেলে নতুন এক বাঘ ‘ফরচুন ’কে নিয়ে খেলা দেখাতে যান তিনি। এই বাঘটি তখনও পুরোপুরি ট্রেনিং পেয়ে উপযুক্ত হয়ে ওঠেনি। শোনা যায় , এই বাঘটির উপযুক্ত খাবার না পাওয়ার কারণে সেদিন তাকে আধপেটা করে রাখা হয়েছিল। সব খেলা শেষ করে সুশীলা যখন বাঘের গায়ে হেলান দিয়ে শুয়েছিলেন তখন হঠাত্ বাঘটি থাবা দিয়ে জোরে আঘাত করলে ভীষণভাবে আহত হন তিনি। অতি কষ্টে সুশীলার প্রাণ রক্ষা হলেও ক্ষত বিক্ষত শরীর নিয়ে আর রিং -য়ে ফেরা সম্ভব হয়নি তার।

    ১৯২৪ সালের মে মাসে সুশীলার মৃত্যু হয়। আর তার সঙ্গেই অবসান ঘটে ভারতীয় সার্কাসের সর্বাপেক্ষা সাহসী, জনপ্রিয় , অপ্রতিদ্বন্দ্বী, কিংবদন্তি এক নায়িকার। আজ সার্কাসের মেয়েদের নানান খেলা দেখাবার সুযোগ থাকলেও ১২০-৩০ বছর আগে সুশীলা সুন্দরী যে সাহসিকতা দেখিয়েছিলেন, যুগের প্রেক্ষিতে তার তুলনা একমাত্র তিনিই। সূত্র: এই সময়

  • রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে হার্ডলাইনে প্রশাসন, চলছে অভিযান

    রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে হার্ডলাইনে প্রশাসন, চলছে অভিযান

    পবিত্র রমজান মাসে ইফতার সামগ্রীসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, অবাধ সরবরাহ অব্যাহত রাখা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে বরিশালে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন ও র‍্যাব-৮ এর কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠণ করা হয়েছে কমিটি। তাছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশনও বাজার স্থিতিশীল রাখতে দিয়েছে হুঁশিয়ারি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা নিজেরাও বাজার মনিটরিং করবেন।

    সূত্রমতে, প্রতিবছর রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়। অনেক ব্যবসায়ী রমজানের আগে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডাল, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্য মজুদ করে রাখে। রমজানে এসব পণ্য উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হয়। ফলে রমজানে লাগামহীন দ্রব্যমূলে নাভিশ্বাস ওঠে সাধারণ মানুষের। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরি করে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করা হয়। এবার যাতে এরকম অবস্থার তৈরী না হয় সেলক্ষ্যে প্রথম রমজান থেকেই কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

    বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠিত মনিটরিং টিমে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন (বিসিসি) ও পুলিশ প্রশাসনের অংশগ্রহণ রয়েছে। সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, রমজানে বাজার যাতে স্থিতিশীল থাকে, সে লক্ষে তারা তৎপর রয়েছে। বাজার মনিটরিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ অহেদুজ্জামান বলেন, সিটি করপোরেশন নিয়মিতোই বাজার মনিটরিং করে। তবে রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য যাতে নিয়ন্ত্রণহীন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হবে।

    র‍্যাব-৮ এর সদ্যযোগদানকৃত অধিনায়ক (সিও) আতিকা ইসলাম বলেন, পবিত্র মাহে রমজান মাসে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ক্রেতারা যেন কোন প্রকার প্রতারিত না হয়, সে বিষয় ছাড়াও পুরো মাসজুড়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি র‍্যাব সদস্যরা সর্বস্তরের মানুষের শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগীতা কামনা করে তিনি রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষার জন্য সকলের প্রতি আহবান করেন।

  • তৃতীয় তারাবিহর তেলাওয়াত নিয়ে আলোচনা

    তৃতীয় তারাবিহর তেলাওয়াত নিয়ে আলোচনা

    ১৯ মে শনিবার বাদ ইশা তৃতীয় তারাবিহতে কুরআনুল কারীমের ৪নং পারার শুরু সূরা আলে ইমরানের ৯২ নং আয়াত  ‘লান্তানালুল র্বিরা হাত্তা তুন্ফিকু মিম্মা তুহিব্বুন’ থেকে ৫নং পারার ১০নং পৃষ্ঠার শেষ সূরা নিসার ৮৭ নং আয়াতের শেষাংশ ‘ওয়া মান আস্দাকু মিনাল্লাহি হাদীসা’ পর্যন্ত তেলাওয়াত করা হবে।

    আমরা অনেক সময় অত্যন্ত পাতলা ও নামকাওয়াস্তে কমমূল্যে যাকাতের কাপড় বিতরণ করে থাকি। এমনকি আমরা যা ফেলে দেই সেরকম উচ্ছিষ্ট খাবার অপরকে দান করে থাকি। এসব বিষয়ে সূরা আলে ইমরানের ৯২ নং আয়াতে বলা হয়েছে, তোমরা কস্মিনকালেও কল্যাণ লাভ করতে পারবে না; যতক্ষণ না তোমরা তোমাদের প্রিয় বস্তু থেকে দান না কর। এ প্রসঙ্গে বুখারী শরীফে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে নবী কারীম (সা.) বলেন, তোমাদের কেহ ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের ভাইয়ের জন্য ওই জিনিস পছন্দ না করবে যা সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে।

    একই সূরার ১১০ নং আয়াতে উম্মতে মুহাম্মাদীর শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে বলা হয়েছে, ‘কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরিজাত লিন্নাস’ অর্থাৎ তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত। মানুষের কল্যাণের জন্য তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে, তোমরা সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে। এ প্রসঙ্গে বুখারী শরীফের ৪৫৫৭ নং হাদীসে বলা হয়েছে, তোমরা হলো শ্রেষ্ঠ উম্মত। মানুষের কল্যাণের জন্যেই তোমাদের বের করে আনা হয়েছে। যারা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে সেই উম্মত নিজেরা যদি অসৎ কাজে জড়িত হয় তবে দাওয়াতের কাজ বাধাগ্রস্ত হবে। আমরা অনেক সময় একটা ভাল কাজ করতে গিয়েও সাহস হারিয়ে ফেলি। পিছে কে কি বলবে, সে ভাবনায়।

    এ প্রসঙ্গে ১৩৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, ওয়ালা তাহিনু, ওয়ালা তাহযানু। অর্থাৎ তোমরা হীনবল ও বিষন্ন হয়ো না। যদি তোমরা মুমিন হও তাহলে তোমরাই বিজয়ী হবে। অতএব, ভাল কাজ করতে টেনশানের কোন কারণ নেই। সকল বিষয়ে আল্লাহই হেফাজত করবেন। তবে প্রকৃত মুমিন হতে হবে।

    দুনিয়ার ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে অনেকে মাওলাকে ভুলে রয়েছি। এটা আদৌ উচিৎ নয়। এ বিষয়ে সূরা আলে ইমরানের ১৯৭ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, মাতাউন ক্বালীল। তোমরা যে ভোগ বিলাস করতেছ তা একেবারে নগণ্য ও স্বল্প সময়ের জন্য। তারপর তোমাদের স্থান হবে জাহান্নাম। ওটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান! উত্তরাধিকারীরা কে কত অংশ পাবে সূরা নিসায় তা  সুস্পষ্ট বয়ান করা হয়েছে।

    ওই সূরার ১০ নং আয়াতে বলা হয়েছে যারা অন্যায়ভাবে ইয়াতিমের মাল ভক্ষণ করল তারা যেন নিজেই নিজের পেটে আগুন ভরল। যারা ইয়াতিমখানা চালান এমনকি যাদের হাতে ইয়াতিমের মাল বন্টিত হয় ওইসব নেতাদের এ আয়াত বিষয়ে অত্যন্ত চৌকান্না থাকতে হবে। অনেকে সুন্নাতকে এড়িয়ে যাওয়ার ফন্দি খোঁজে। অথচ সূরা নিসার ৮০ নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘মাইয়্যিত্বিউর রাসূলা ফাক্বাদ আতায়াল্লাহ।’ অর্থাৎ যে রাসুলের অনুগত হয় সে আল্লাহরই অনুগত হয়ে থাকে। কাজেই সুন্নাতকে এড়িয়ে চলা হবে বোকামীর নামান্তর।

    আমরা বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে ভাল ভাল কথা শুনেও আমলে নেই না। আল্লাহর কথা পর্যন্ত ভ্রুক্ষেপ করি না। অবলীলায় অমান্য করে চলা হয়ে থাকে কুরআনের বানী। এটা কতই না জঘণ্য আচরণ! আজকের তৃতীয় তারাবিহতে সর্বশেষ যে আয়াত তেলাওয়াত করা হবে তাতে বলা হয়েছে, ওয়া মান আসদাক্বু মিনাল্লাহি হাদীসা। অর্থাৎ আল্লাহর কথার চেয়ে আর কার কথা বেশি সত্য হতে পারে? এর আগের অংশে বলা হয়েছে, লাইয়াজমায়ান্নাকুম ইলা ইয়াওমিল ক্বিয়ামাতে লা রাইবা ফীহ্। অর্থাৎ ক্বিয়ামতে অবশ্যই সবাইকে জমায়েত করা হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই।

    এ কথা জানার পরও যারা উদাসীন হয়ে থাকবে তাদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, উলায়িকা কাল আনয়াম, বালহুম আদ্বাল। অর্থাৎ ওরা চতুষ্পদ প্রাণীর সমতুল্য এমনকি তার চেয়েও অধম। তৃতীয় তারাবীহতে তিলাওয়াতকৃত দেড় পারায় অনেক আলোচনার মধ্যে এতটুকুর উপর আলোকপাত করা হলো। আল্লাহ পাক আমাদেরকে এর উপর আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

    লেখক: খতীব, দিউ বায়তুস সালাম জামে মসজিদ, কলেজ রোড, ফুলপুর, ময়মনসিংহ।

  • ফের ভাইরাল প্রিয়া প্রকাশ

    ফের ভাইরাল প্রিয়া প্রকাশ

    চোখের ইশারায় আর ভ্রু নাচিয়ে রাতারাতি তারকা বনে যাওয়া দক্ষিণী অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার ফের আলোচনায় এসেছেন। বৃহস্পতিবার ‘উরু আদার লাভ’ ছবির নতুন মিউজিক্যাল টিজার ‘মুন্নালে পুন্নালে’ প্রকাশের পরেই ফের ভাইরাল আসেন তিনি।

    গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে কিশোর প্রেম নিয়ে ওমর লুলুর মালায়লম চলচ্চিত্র ‘উরু আদার লাভ’-এর ‘মানিকিয়া মালারইয়া’র ভিডিও প্রকাশের পর সামজিক মাধ্যমে ঝড় উঠেছিল। শুধু বিতর্ক, সমালোচনায় সীমাবদ্ধ না থেকে বিষয়টি মামলা পর্যন্তও গড়ায়। এতে রাতারাতি গোটা বিশ্বে রেকর্ড ছোঁয়া জনপ্রিয়তা পেয়ে যান দক্ষিণী অষ্টাদশী প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়র।

    বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল ছবিটির নতুন একটি মিউজিক্যাল টিজার। ‘মুন্নালে পুন্নালে’ শিরোনামের নতুন এই টিজার প্রকাশের পর ফের আলোচনায় এসেছে প্রিয়া এবং তার সহশিল্পী রোশন আবদুল রউফ।

    ১ মিনিটের এই মিউজিক্যাল টিজার ‘মুন্নালে পুন্নালে’তে ফের মন মজিয়েছে প্রিয়া ও রোশনের রসায়ন।

    ‘মুন্নালে পুন্নালে’ গানটির কথা লিখেছেন পারলে মানে এবং সুর দিয়েছেন শান রেহমান। এই টিজারেই ঘোষণা করা হয়েছে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে এই সেপ্টেম্বরেই।

    মালায়লম ছাড়াও তামিল এবং হিন্দি ভাষাতেও মুক্তি পাবে ‘উরু আদার লাভ’।