Author: banglarmukh official

  • বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণ মানুষ জানতে চায় : এরশাদ

    বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণ মানুষ জানতে চায় : এরশাদ

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, গত ৩-৪ মাসে দেশে ৭২টি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অথচ প্রতিটি মানুষের ছিলো বিচার পাওয়ার অধিকার। জাতি অাজ জানতে চায় কেনো এই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।
    আজ রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাপা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ অায়োজিত ইফতার মাহফিলের পূর্বে অালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    সৈয়দ অাবু হোসেন বাবলা এমপির সভাপতিত্বে ও জহিরুল অালম রুবেলের পরিচালনায় এসময় অারো বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল অামিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন অাহমেদ বাবলু, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, মীর অাব্দুস সবুর অাসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন অাহমেদ মিলন প্রমুখ।

    এরশাদ বলেন, রমজান মাস অাসলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য বৃদ্ধি হয়। অতি মুনাফার জন্য ব্যবসায়ীরা মানুষের রক্ত শোষণ করে। অথচ পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেই পবিত্র এ রমজান মাসে সরকারসহ সকল ব্যবসায়ীরা ভূর্তকি দিয়ে থাকেন। শুধু অামরাই ব্যতিক্রম

    তিনি বলেন, অামাদের নো ম্যানস ল্যান্ডে এখনও সাড়ে ৪ লাখ মিয়ানমানের রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা ইফতার ও সেহেরি ঠিকমত করেছে কিনা তার খোঁজ কেউ রাখে না। তাদেরকেও বাংলাদেশে নিয়ে অাশার জন্য সরকারের প্রতি অাহ্বান জানান এরশাদ।

    সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যাংকে টাকা নেই। এর হিসেবও নেই। টাকাগুলো গেলো কোথায়? কে দেবে এর হিসেব! অনেকেরই বিদেশে ৪-৫ বাড়ি। অথচ দেশের মানুষ ঠিকমত খেতে পারছে না। দেশের সর্বত্রই এ বৈষম্য। এ বৈষম্য দূরকরণ করতে হলে জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। অার জাতীয় পার্টি ক্ষমতা নিতে প্রস্তত।

  • ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এবার গ্রিন লাইন

    ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এবার গ্রিন লাইন

    ঢাকা থেকে বরিশালে সড়কপথে রুট বিস্তৃত করেছে গ্রীনলাইন পরিবহন। অত্যাধুনিক ম্যান হাইডেকার, স্কেনিয়া বাস দিয়ে ঢাকা থেকে দিনে চারটি বাস বরিশাল যাবে। রোববার (২০ মে) বিকেলে বরিশালে গ্রীনলাইন পরিবহনের ঢাকা-বরিশাল রুট উদ্বোধন করা হয়। বরিশালে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গ্রীনলাইন লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করবে। ওপারে আবার গ্রীনলাইনের বাস থাকবে। ৪০ সিটের বাসে প্রতিটি আসনের ভাড়া ৮০০ টাকা। দিনের প্রথম বাস ছাড়বে সকাল ৭ টায়, এরপর সকাল ১০টায় এবং পরে দুপুর আড়াইটায় ও শেষ বাস বিকেল ৪ টায় রাজারবাগ গ্রীনলাইন বাস কাউন্টার থেকে ছেড়ে যাবে। গ্রীনলাইন পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সাত্তার বলেন,‘বরিশালে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাসের যাত্রীদের লঞ্চ পারাপার করে আবার গ্রীনলাইনের বাসে তোলা হবে। আগের যে কোন বাস সাভিসের চেয়ে আরও আধুনিক ও আরামদায়ক সেবা দিতে তারা জার্মানির ম্যান ব্রান্ডের হাই ডেকার বাস দিয়ে এ সেবা দেবেন। এছাড়া স্কেনিয়া ভলবো বাসও চলবে ঢাকা-বরিশাল রুটে।

  • বাবাকে বলো আমার সঙ্গে যেন এ রকম না করে

    বাবাকে বলো আমার সঙ্গে যেন এ রকম না করে

    পৃথিবীতে মেয়েদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বাবা-মা। একমাত্র বাবা-রাই তার মেয়ে সন্তানদেরকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে আগলে রাখতে পারেন। কিন্তু সম্প্রতি এমন একটি ঘটনা ঘটেছে যা সত্যিই খুবই দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। মাঝে মাঝেই এত বাজে ঘটনা মেয়েদের সাথে ঘটে যায় যা ব্যাখ্যাতীত।

    ব্যাখ্যাতীত মনে হবার কারণ হলো- পৃথিবীতে যে বুকটি সবচেয়ে নির্ভরতার হবার কথা ছিলো মেয়েটার জন্য, সেটাও আজ এক শ্রেণির পিশাচের জন্য কলঙ্কিত। বয়স মাত্র ১৩ বছর। আর এই বয়সেই সৎ বাবার যৌন লালসার শিকার হতে হল ছোট্ট মেয়েটিকে। ভারতের হায়দরাবাদে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

    জানা গেছে, ৮ বছর আগে এক বিধবা নারীকে বিয়ে করে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি। এদিকে, সেই নারীর আগের ঘরে দুইটি মেয়ে সন্তান ছিল। সেই নারীর আগের ঘরের দুটি সন্তানকে দত্তক নেয় অভিযুক্ত বাবা নাম ওই পিশাচ। প্রথম দিকে সব কিছু ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু এ বছরের এপ্রিল মাস থেকে এই দৃশ্য বদলাতে শুরু করে। নির্যাতিতা ১৩ বছরের ওই কিশোরীর ওপর অত্যাচার শুরু করে সে। পুরো ঘটনাটি নিজের মুখে জানিয়েছে ওই কিশোরী। এ ঘটনার দিন ওই কিশোর মা বাড়িতে না থাকায় এই সুযোগ কাজে লাগায় সেই সৎ বাবা। এ সময় অভিযুক্ত সেই সৎ বাবা তার সঙ্গে ওই নারকীয় কাণ্ড ঘটায়।

    এখানেই শেষ নয়, এ ঘটনা তার মাকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ও দেখায় সে। তাই ভয়ের কারণে মাকে কিছু না জানিয়ে চুপ করে থাকে ওই কিশোরী। কিন্তু ওই ঘটনার চারদিন পর তার মা যখন আবারো বাড়ি থেকে বের হতে যায়, তখন ওই মেয়েটি তার মাকে বলে, ‘বাবাকে বলো আমার সঙ্গে যেন এ রকম না করে।’

    নিজের মেয়ের মুখ থেকে এই জঘন্য ঘটনাটি শোনার পর সেই ব্যক্তিকে (স্বামী) জিজ্ঞাসাবাদ করেন ওই নারী। তখন অভিযুক্ত সেই ব্যক্তি নিজের দোষ স্বীকার করে নেন। এরপরই নিজের মেয়েকে নিয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ওই মা। ইতোমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

  • আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতার মৃত্যুতে বাংলার মুখ ২৪ ডট কম পরিবারের শোক

    আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতার মৃত্যুতে বাংলার মুখ ২৪ ডট কম পরিবারের শোক

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতা মোঃ ছায়ীদুল্লাহ’র মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলার মুখ ২৪ ডট কম পরিবারের সম্পাদক মন্ডলী এবং সাংবাদিকবৃন্দ।

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ এর সহসভাপতি ও বিএম কলেজ এর প্রতিভাবান জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা মো:আতিকুল্লাহ মুনিম এর পিতা মোঃ ছায়ীদুল্লাহ গত শেষ রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে কলেজ রো তাঁর নিজস্ব বাস ভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিন)।

    মরহুমের নামাযে জানাযা বাদ জোহর বিএম কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আদায় করা হয়েছে।মরহুমের নামাযে জানাযায় অংশগ্রহন করেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সহ বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ সহ সর্বস্থরের জনগন।

     

  • আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতার মৃত্যুতে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতার মৃত্যুতে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি //

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিমের পিতা মোঃ ছায়ীদুল্লাহ’র মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। পাশাপাশি তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

  • গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি

    গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি

    আওয়ামী লীগের দূর্গ বলে খ্যাত শেখ হাসিনার নির্বাচনী গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি।

    এই আসন থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যতবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রায় ততবারই এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

    শুধু ১৯৮১ সালের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী লক্ষ্মী কান্ত বল ও ১৯৮৬ সালের উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    অপরদিকে ১৯৯৬সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে কোটালীপাড়া উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান হাওলাদার নির্বাচিত হন। তবে তিনি নির্বাচিত হয়ে পরবর্তীতে শপথ নেননি।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারের হত্যার পর দীর্ঘ বছর ধরে এ আসনের জনগন অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। আর এ সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এ আসনের তেমন কোন উন্নয়ন করেনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেন। এর পর এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে।

    তারপর ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আবারো উন্নয়ন বঞ্চিত হয় এ আসনের জনগণ। এরপর আবার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে। তাই দেশের অন্যান্য আসনের তুলনায় রাজনৈতিক কারনে গোপালগঞ্জ-৩ আসন একটু ব্যাতিক্রম।

    কারণ এ আসনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান। এলাকার মানুষ মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন, ভালবাসেন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকাকে। সে কারনে মানুষ তাঁর দল আওয়ামী লীগকে ভালবেসে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়।

    গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া -টুঙ্গিপাড়া) কোটালীপাড়া উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা এবং টুঙ্গীপাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন গঠিত।

    বিগত সংসদ নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বরারবরই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এ আসনে বিএনপি বা অন্য কোন দল থেকে যে বা যারা ভোটে অংশ নিয়ে থাকেন তারা শুধু নিয়ম রক্ষার নির্বাচনই করে থাকেন। আর তাই নির্বাচনী প্রার্থীতা নিয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে যেমন লবিং হয়ে থাকে তাও এখানে থাকে না।

    এক কথায় উত্তাপ বিহীন নির্বাচনই হয়ে থাকে এখানে। কিন্তু নির্বাচনী আমেজের কোন কমতি থাকে না। জেলার অন্য দুটি সংসদীয় আসনে মতই এ আসনের ভোটাররাও বাংলাদেশের তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও এ আসনের এমপি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মনে প্রাণে ভালবাসেন। তাকে বার বার সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী করে এমপি নির্বাচিত করেন। এখানকার ভোটার তাকে ভোট দিয়ে গর্ববোধ করেন। কেননা, এখানকার ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ আসনের ভোটারদের নিয়ে গর্ববোধ করেন।

    গোপালগঞ্জের নির্বাচনী এলাকা-০৩ টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের তৃনমূল পর্যায় থেকে শেখ হাসিনাকে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছেন বলে নেতাকর্মী সূত্রে জানাগেছে।

    এখানে আওয়ামী লীগের অন্য কোন প্রার্থী নেই। বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এসএম জিলানী। তবে, জোট-মহাজোট নির্বাচন হলে এ আসনে মহাজোটের একক প্রার্থী হবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আর জোটের প্রার্থী হতে পারেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম জিলানী। মহাজোট থেকে বেড়িয়ে জাতীয় পার্টি একক ভাবে নির্বাচন করলে সে ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হবেন এ জেট অপু শেখ। ২০১৪ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ জেট অপু শেখ জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

    এস এম জিলানী রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক কারণে ঢাকায় অবস্থান করেন। তবে মাঝে মধ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন। নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন । তবে এ আসনের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এস এম জিলানীর যথেষ্ঠ কদর রয়েছে।

    নির্বাচন নিয়ে কথা হলে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি এস, এম জিলানী বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিবে। আর আগামী নির্বাচনে এ আসনে দল আমাকে মনোনয়ন দিবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদী। আর জনগণ যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তবে এই আসনে বিএনপি এবার চমক দেখাবে।

    জাতীয় পার্টির সম্ভব্য প্রার্থী এ জেট অপু শেখ বলেন, গত নির্বাচনে এ আসন থেকে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। আগামী নির্বাচনে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি প্রার্থী হবো। ১৯৮৬ সালে উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদ জয়লাভ করেছিলেন। এখানে জাতীয় পার্টির অনেক ভোট রয়েছে। আমি প্রার্থী হলে জয়লাভ না করতে পারলেও একটি সন্মানজনক ভোট পাবো।

    উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-০৩ আসন থেকে তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন করবেন। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

    জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৪র্থ বারের মত সরকার গঠনে সর্বাত্বক ভুমিকা পালন করবে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার জনগন।

    তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে কোটালীপাড়াবাসী এলাকার উন্নয়নে জননেত্রীর কাছে কোন কিছু চাইলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে তা পূরণ করেন। যে কারণে এ এলাকার ভোটাররা এবারও তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা আবরও প্রধানমন্ত্রী হবেন। উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এ দেশে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দরকার।

    কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম বাদল বলেন, গোপালগঞ্জ-০৩ আসন থেকে বরাবরই বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। আর বরাবরই তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। আগামী নির্বাচনেও তিনিই আমাদের একমাত্র ভরসা।

    জেলা পরিষদ সদস্য দেবদুলাল বসু পল্টু বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিনই এ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে আমরা আশা রাখি। কারণ এখানকার ভোটাররা তাকে মনে প্রাণে ভালবাসেন। আর এ কারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেন।

    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যুব লীগ নেতা মৃনাল কান্তি বিশ্বাস স্বপ্নীল বলেন, কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার ভোটারদের প্রাণের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। নেত্রীর বাইরে এই অঞ্চলের মানুষ ভুল করেও কিছু চিন্তা করে না। তিনি ব্যতিত আমাদের অন্য কোন প্রার্থী নেই বা সম্ভাবনাও নেই। বঙ্গবন্ধু যেমন এ এলাকার মানুষদের মনে প্রাণে ভালবাসতেন। তিনিও একই ভাবে আমাদের ভোটারদের ভালবাসেন।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাবুল হাজরা বলেন, জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের এ আসন থেকে নির্বাচন করেন এটা আমাদের গর্বের। তিনি এ আসন থেকে এবারও নির্বাচন করবেন এটাই আমরা আশা করছি এবং এ বছর তাকে স্মরণ কালের স্মরণীয় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করবো।

    উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান হাজরা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি এখন বিশ্বনেত্রী। দেশের উন্নয়নে আমাদের সকলের উচিৎ তাকে ভোট দিয়ে আবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা।

     

  • বরিশাল কলোনি থেকে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩

    বরিশাল কলোনি থেকে ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩

    চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানার বরিশাল কলোনিতে থেকে ৬২৩ পিস ইয়াবা, ৪ রাউন্ড গুলিসহ ১টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি কিরিচসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    রোববার (২০ মে) ভোররাতে কলোনির মালিপাড়া রেলওয়ে ৯ নম্বর কোয়ার্টারের ভেতরে চলাচলের সড়কের ওপর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন জানান, গ্রেফতার তিনজন হলেন ফেনীর সোনাগাজী থানার দুর্গাপুর কুটিরহাট বাজারের হোসেন বেপারির বাড়ির মো. আবদুর রউফের ছেলে মো. হানিফ ওরফে খোকন (৩৫), সাতকানিয়া উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজ সওদাগরের বাড়ির কাজী গোলাম মাওলার ছেলে কাজী মো. আবদুল্লাহ (২৮) ও পটিয়া উপজেলার ৯ নম্বর ইউনিয়নের অজিত ড্রাইভারের বাড়ির রঞ্জিত কুমার দাসের ছেলে খোকন কুমার দাস (৩২)।

    ওসি জানান, গ্রেফতার তিনজন মাদক ব্যবসা সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য। খোকন কুমার দাস মাদক সম্রাট খ্যাত ‘বস ফারুক’র চালক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে বরিশাল কলোনিতে তারা দীর্ঘদিন ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজা পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করছিল। তারা কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লা ও ফেনী থেকে মাদক এসে বিক্রি করত। তারা বিপক্ষের মাদক ব্যবসায়ীদের ঠেকাতে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করত।

  • বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ রাকিব আটক

    বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ রাকিব আটক

    বরিশাল শহর থেকে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ রাকিব হাওলাদার (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়িকে আটক করেছে মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার (১৯ মে) বিকেলে শহরের আমতলার মোড়স্থ মানিক মিয়া কলেজের সম্মুখ থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটক রাকিব হাওলাদার বরিশাল সদর উপজেলার জাগুয়া মসজিদ বাড়ি এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তবে তিনি শহরের রুপাতলী মান্নান প্লাজা এলাকায় ভাড়া থাকেন।

    অভিযান পরিচালনাকারী বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাকিবকে আমতলার মোড় থেকে আটক করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রুপাতলী মান্নান প্লাজা এলাকায় ভাড়া বাসায় অভিযান করে আরও ৩০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

    এই ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

  • লিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত নিহত, গুলীবিদ্ধ পুলিশ

    লিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত নিহত, গুলীবিদ্ধ পুলিশ

    বরিশালের সদর উপজেলার শায়েস্থাবাদ এলাকায় বরিশাল মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। রবিবার রাত আড়াইটায় এই বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এসময় উদ্ধার করা হয় রামদা, পাইপগান ও গুলি।
    ডিবি পুলিশ জানায়, সম্প্রতিকালে শায়েস্থাবাদে ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় রবিবার রাত আড়াইটার দিকে দক্ষিন চর আইচা গ্রামে ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ নাসির মল্লিকের নেতেৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক(প্রশাসন) কাজী মাহবুবুর রহমান, এস আই দেলোয়ার হোসেন (পিপিএম) সঙ্গীয় ফোর্স সহ একটি টিম টহল দিচ্ছিল। পথিমধ্যে দশ/বারজন সদস্যকে দেখতে পেয়ে পরিচয় জানতে চাইলে পুলিশকে লক্ষ করে বেপরোয়াভাবে গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশও নিজেদের আত্মরক্ষা ও সরকারী অস্ত্র-গুলি রক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। ডিবি পুলিশ এসময় সতেরো রাউন্ড সটগানের গুলি বর্ষন করে।

    একপর্যায় ডাকাতদল গুলি ছুড়তে-ছুড়তে উত্তর দিক দিয়ে পালিয়ে যায়। এক প্রর্যায়ে তারা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে একজনের লাশ পরে থাকতে দেখে এবং সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়- একটি রামদা, একটি দেশীয় পাইপগান ও আট রাউন্ড গুলির কার্তুজ । তাৎক্ষনিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা যায়নি। তবে সে ডাকাত দলের সদস্য এমন দাবী করছে পুলিশ।
    ডাকাত দলের সাথে ডিবি পুলিশের গুলি-বিনিময়ের ঘটনায় এস আই মোঃ দেলোয়ার হোসেন (পিপিএম), কনস্টেবল মোঃ হাফিজুর রহমান, কনস্টেবল মোঃ রফিকুল ইসলাম ডাকাতের ছোড়া গুলিতে আহত হয়। তাদেরকে বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে বলে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার জানান।

    আজ দুপুর বারটায় নগরীর আমতলারমোড়স্থ অস্থায়ী পুলিশ কমিশনার কার্যলয়ে এক ব্রিফিংয়ে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান বলেন নিহত ডাকাত সদস্য এর নাম তাৎক্ষনিক জানা না গেলেও পরবর্তীতে জানা গেছে নিহত ডাকাত সদস্য আবুল কাসেমের বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রিপুর। কাসেমের বিরুদ্বে ডাকাতি ও ধর্ষন সহ সাতটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায়।

    এব্যাপারে কাউনিয়া থানায় ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের প্রতি আক্রমন, হত্যা ও অস্ত্র উদ্বারের ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চালাচ্ছে।

    এসময় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান মাদক সংক্রান্ত নিমূল করা প্রসঙ্গে বলেন সিমান্ত থেকে মাদক দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় আসছে ওখান থেকে যত সময় পর্যন্ত সেল করা না গেলে একেবারে মাদক নিমূল করা সম্ভব হবেনা।
    তারপরও আমরা মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছি যতদূর পর্যন্ত নিয়ন্ত্রন রাখা সম্ভব। মাদক বাহিনীর সাথে মহানগর পুলিশ বাহিনীর কোন আপোষ নেই।

    তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও মাদক নির্মূলের ক্ষেত্রে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারনের সহযোগীতা কামনা করেন পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

  • হিমালয়ের রহস্যময় গুহায় আত্মমগ্ন রজনীকান্ত

    হিমালয়ের রহস্যময় গুহায় আত্মমগ্ন রজনীকান্ত

    রজনীকান্ত। ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক প্রতীক।

    ভারতীয় শহর বেঙ্গালুরুতে বেড়ে উঠেন, রজনীকান্ত অসচ্ছল জীবনের সাথে লড়াই করে কাটিয়েছেন তার শৈশব। বেঙ্গালুরু মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের বাসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    এই জনপ্রিয় অভিনেতা প্রতিবছরে একবার উধাও হয়ে যান। পাড়ি জমান উত্তরাখণ্ডে। গন্তব্য এক গুহা। রীতিমতো ট্র্যাক করে পাহাড় ডিঙিয়ে সুপারস্টার পৌঁছন সেখানে। সেই যাত্রাপথে তিনি খুবই সাধারণ আহার করেন। খুবই সাধারণ জীবন যাপন করেন গোটা যাত্রায়।

    ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কুমায়ুন হিমালয়ের আলমোড়া জেলায় এক পাহাড়ি গ্রামে আশ্রয় নেন রজনীকান্ত। সেই গ্রামের কাছেই অবস্থিত তাঁর গন্তব্যস্থল। এই গুহা এক রহস্যময় যোগীপুরুষের আবাস হিসেবে পরিচিত। তাঁর নাম বাবাজি মহারাজ। ‘মহাবতার বাবাজি’ নামে তিনি সমাধিক পরিচিত।

    দুনাগিরির এক পাহাড়ে সমুদ্রতল থেকে ৫০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই গুহাতেই কখনও সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করছিলেন এই যোগী। এই যোগী বিখ্যাত যোগসাধক শ্যামাচরণ লাহিড়ি মশাইয়ের গুরু। তাঁর প্রকৃত নাম বা পরিচয়— সবই কিংবদন্তিতে আচ্ছন্ন। পরমহংস যোগানন্দ তাঁর আত্মজীবনী ‘অটোবায়োগ্রাফি অফ আ যোগী’-তে তাঁর কলকাতার বাড়িতে বাবাজি মহারাজের অতিলৌকিক অবস্থিতির কথা লিখেছেন।

    থালাইভা জানিয়েছেন, তিনি ১৯৭৮ সালে এয়ারপোর্টের বইয়ের দোকান থেকে সেই সময়ে পরমহংস যোগানন্দের বইটি কেনেন। কিন্তু তাঁর মতে, সেই সময়ে তাঁর ইংরেজি তেমন দুরস্ত না থাকায় তিনি বইটি পড়ে উঠতে পারেননি। পরে তিনি এই গ্রন্থ পাঠ করেন এবং বাবাজি সম্পর্কে পরিচিত হন।

    বাবাজির প্রকৃত পরিচয়ের মতো তাঁর সময়কালও রহস্যাবৃত। লোকবিশ্বাস, বাবাজি আজও অবস্থান করেন তাঁর গুহায়। ভক্ত রজনীকান্ত তাঁকেই গুরু বলে মানেন। তাই প্রতি বছর কুমায়ুনের গুহায় তাঁর তীর্থযাত্রা। এই গুহায় দীর্ঘ সময় তিনি ধ্যান করেন এবং আত্মমগ্ন হয়ে কাটান।

    সূত্র: এবেলা