Author: banglarmukh official

  • খালেদার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

    খালেদার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে একটি প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    মন্ত্রী বলছেন, প্রতিবেদন দেখে কারাবিধি অনুযায়ী এখন তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    শনিবার ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসায় কারা অধিদফতর কর্তৃক গঠিত চিকিৎসক কমিটির প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে, কিন্তু এটি এখনো আমার হাতে পৌঁছায়নি। প্রতিবেদন দেখে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডিত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারের ডে-কেয়ার সেন্টারে ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দির মর্যাদায় রাখা হয়েছে তাকে। তার উন্নত চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক মো. শামছুজ্জামানের (অর্থোপেডিক্স), অধ্যাপক মনসুর হাবীব (নিউরোলজি), অধ্যাপক টিটু মিয়া (মেডিসিন) ও সোহেলী রহমান (ফিজিক্যাল মেডিসিন)।

    গত ৫ মে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার পাঁচ আইনজীবী দেখা করে কারা ফটকের সামনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যাডাম বলেছেন, ‘আমি অত্যন্ত অসুস্থ। এটা কোর্টকে জানাবেন।’

    আসন্ন খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনায় গণগ্রেফতার চলছে- বিএনপির এমন অভিযোগের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনায় অ্যারেস্ট ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। কোনো সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে না।’

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইডিইবির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এ কে এম এ হামিদ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর কাছে প্রকৌশলীদের নানা সমস্যা ও কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়।

    দেশের উন্নয়নের স্বার্থে প্রকৌশলীদের যৌক্তিক দাবিগুলো সরকার মেনে নেবে বলে আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

  • আজ থেকে আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য

    আজ থেকে আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্পেসএক্স-এ দেয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজ থেকে আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য।’

    প্রথম চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় মহাকাশে সফল উড্ডয়ন করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে বঙ্গবন্ধু-১ এর সফল উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়।

    পুনর্নির্ধারিত সময়ে ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে রওনা হয় নিজস্ব কক্ষপথে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চপ্যাড ৩৯ এ থেকে মহাকাশের বুকে লাল সবুজের পদচিহ্ন আঁকে বঙ্গবন্ধু-১।

    প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আজ আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের একটি দিন। আজ আমরা মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণ করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় যোগ হয়েছে আরও একটি মাইলফলক। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে আজ আমরা মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছি।’

    ‘আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যিনি দীর্ঘ ২৪ বছর বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগ্রামে জেল-জুলম ও নির্যাতন সহ্য করে উপহার দিয়েছেন স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশকে। স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদকে।’

    ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশ উন্নত মর্যাদাশীল দেশ হিসেব বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি অনুধাবন করেছিলেন বহির্বিশ্বের সঙ্গে অব্যাহত যোগাযোগ রক্ষা করতে না পারলে প্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। এজন্য স্বাধীনতার মাত্র তিন বছরের মধ্যে ১৯৭৪ সালে তিনি রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করেন। যার সাহায্যে তথ্য-উপাত্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজ আমরা জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তাবায়নে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম নিজস্ব উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে আজ যুক্ত হচ্ছে স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ। আজ থেকে আমরা স্যাটেলাইট ক্লাবের গর্বিত সদস্য। প্রবেশ করলাম এক নতুন যুগে। এ স্যাটেলাইট দিয়ে ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজাকিস্তান, কাজাকিস্তান ও উজবেকিস্তানের অংশ বিশেষে আমরা সেবা দিতে পারব।’

    ‘ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বিটিআরসির থেকে প্রকল্প গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বিটিআরসি ও স্যাটেলাইট কোম্পানির কর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি স্যাটেলাইট নির্মাতা ও উৎক্ষেপণকারী উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও জনগণকে এ কাজে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাই রাশিয়াকে, তাদের কক্ষপথ আমাদের ভাড়া দেয়ার জন্য।’
    প্রধানমন্ত্রী সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করে আরও বলেন, ‘আপনারা সবাই দোয়া করবেন যাতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করতে পারি। সবাইকে আবারও ধন্যবাদ জানিয়ে সফল উৎক্ষেপণ ঘোষণা করছি।’

  • আনন্দে কাঁদলেন জয়

    আনন্দে কাঁদলেন জয়

    মহাকাশের বুকে লাল সবুজের পদচিহ্ন আঁকতে ছুটে চলেছে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১। দীর্ঘ স্বপ্নযাত্রার সফল বাস্তবায়ন হলো অবশেষে। কোটি বাঙালির আনন্দ প্রকাশের এক মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হলো শুক্রবারের রাত। যে রাতে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর সফল উৎক্ষেপণ হলো।

    অচেনা এক জগতে বিচরণ করবে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। যে মহাকাশের বুকে ঘুরছে বিশ্বের ৫৬টি দেশের দুই হাজারের বেশি স্যাটেলাইট, সেই মহাকাশের এলিট শ্রেণির ক্লাবে যুক্ত হলো এবার লাল-সবুজের বাংলাদেশ। শুক্রবার (১২ মে, ২০১৮) দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে রচিত হলো ইতিহাসের গৌরবোজ্জ্বল এক অধ্যায়।

    বাংলাদেশের এ স্বপ্নযাত্রায় অনেকেই আজ আনন্দে আত্মহারা। চোখে বইছে আনন্দ অশ্রু। মুষ্ঠিবদ্ধ হাত শূন্যে ছুড়ে আজ বিশ্বের বুকে বাংলাদেশিরা জানান দিচ্ছে মহাকাশে স্যাটেলাইট ক্ষমতাধর দেশের সদস্য এখন আমরাও।

    মহাকাশপানে বঙ্গবন্ধু-১ যখন সফল যাত্রা শুরু করে ঠিক তার কিছুক্ষণের মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্ঠা সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ধরে রাখতে পারেননি আবেগ। আনন্দ্র অশ্রু গাল বেয়ে পড়েছে তার।

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক নতুন যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। দেশের এ নতুন যাত্রাকে এগিয়ে নেবে তরুণ প্রজন্ম। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বঙ্গবন্ধু-১।

    বঙ্গবন্ধু-১ এর সফল উৎক্ষেপণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ৪৭ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড-৩৯ এ থেকে কক্ষপথে উড়াল দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও শেষ মুহূর্তে গ্রাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়ায় তা বাতিল করা হয়।

    পুনর্নিধারিত সময়ে ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে রওনা হয় নিজস্ব কক্ষপথে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯ এ থেকে মহাকাশের বুকে লাল সবুজের পদচিহ্ন আঁকতে ছুটে চলছে বঙ্গবন্ধু-১।

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স সফল উৎক্ষেপণের খবর দিয়ে টুইটে বলেছে, স্যাটেলাইটের প্রথম ধাপের পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফ্যালকন-৯ রকেট ইতোমধ্যে ভূপৃষ্ঠে ফিরে এসেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৪৭ মিনিটে সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছেছে বঙ্গবন্ধু-১।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে এক টুইট বার্তায় স্পেসএক্স জানায়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণে ফ্যালকন ৯ এর সব সিস্টেম ভালো রয়েছে। আজ উৎক্ষেপণের জন্য আবহাওয়া ৭০ শতাংশ অনুকূলে রয়েছে।

    প্রথম চেষ্টায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্সের ইঞ্জিনিয়ার মাইকেল হ্যামারসলি বলেছিলেন, ‘উৎক্ষেপণ বাতিল করাটা মানসম্মত প্রক্রিয়ার একটি অংশ। এটা নিশ্চিত করা ভালো যে, ফ্যালকন ৯ উড়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। গ্রাউন্ড এবং ভেহিকল সিস্টেম ভালো রয়েছে। উৎক্ষেপণের সময় কোনো সমস্যা এড়ানোর জন্য ডাবল চেকিং বেশি গ্রহণযোগ্য।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪মিনিট থেকে পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের কাজ আবারো শুরু হয়। বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ দেখার অপেক্ষায় ছিল আজ পুরো দেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

    বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে ফ্রান্সের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। গত ২৮ মার্চ (বুধবার) কানের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস প্ল্যান্ট ত্যাগ করে স্যাটেলাইটটি। পরে স্যাটেলাইট বহনকারী কার্গো বিমান অ্যানতোনোভ নাইস বিমানবন্দর থেকে ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

    ওই দিন ফ্রান্সের স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। ২৯ মার্চ বোস্টনে যাত্রাবিরতির করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বহনকারী কার্গোবিমান। ৩০ মার্চ এটি ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল পৌঁছায়।

    ২০১৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ নির্মাণের জন্য ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের সঙ্গে চুক্তি সই করে। ওই বছর মূল স্যাটেলাইট তৈরির কাজ শুরু হলেও এর প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে।

    বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্যে রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানি ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাশিয়ার কাছে থেকে মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি প্রায় ২১৯ কোটি টাকায) কেনা হয় এ স্লট। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উড়বে এখানেই।

  • কক্ষপথে পৌঁছেছে লাল সবুজের বঙ্গবন্ধু-১

    কক্ষপথে পৌঁছেছে লাল সবুজের বঙ্গবন্ধু-১

    বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণের সফল উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে মহাকাশপানে উড়াল দেয় বঙ্গবন্ধু-১।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ৪৭ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড-৩৯ এ থেকে কক্ষপথে উড়াল দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও শেষ মুহূর্তে গ্রাউন্ড সিস্টেমে সমস্যা দেখা দেয়ায় তা বাতিল করা হয়।

    পুনর্নিধারিত সময়ে ফ্যালকন-৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে রওনা হয় নিজস্ব কক্ষপথে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯ এ থেকে মহাকাশের বুকে লাল সবুজের পদচিহ্ন আঁকতে ছুটে চলছে বঙ্গবন্ধু-১।

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স সফল উৎক্ষেপণের খবর দিয়ে টুইটে বলেছে, স্যাটেলাইটের প্রথম ধাপের পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফ্যালকন-৯ রকেট ইতোমধ্যে ভূপৃষ্ঠে ফিরে এসেছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৪৭ মিনিটে সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছেছে বঙ্গবন্ধু-১।

    এর আগে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে এক টুইট বার্তায় স্পেসএক্স জানায়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণে ফ্যালকন ৯ এর সব সিস্টেম ভালো রয়েছে। আজ উৎক্ষেপণের জন্য আবহাওয়া ৭০ শতাংশ অনুকূলে রয়েছে।

    প্রথম চেষ্টায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্সের ইঞ্জিনিয়ার মাইকেল হ্যামারসলি বলেছিলেন, ‘উৎক্ষেপণ বাতিল করাটা মানসম্মত প্রক্রিয়ার একটি অংশ। এটা নিশ্চিত করা ভালো যে, ফ্যালকন ৯ উড়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। গ্রাউন্ড এবং ভেহিকল সিস্টেম ভালো রয়েছে। উৎক্ষেপণের সময় কোনো সমস্যা এড়ানোর জন্য ডাবল চেকিং বেশি গ্রহণযোগ্য।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪মিনিট থেকে পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের কাজ আবারো শুরু হয়। বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে মহাকাশে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ দেখার অপেক্ষায় ছিল আজ পুরো দেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

    jagonews24

    বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে ফ্রান্সের প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। গত ২৮ মার্চ (বুধবার) কানের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস প্ল্যান্ট ত্যাগ করে স্যাটেলাইটটি। পরে স্যাটেলাইট বহনকারী কার্গো বিমান অ্যানতোনোভ নাইস বিমানবন্দর থেকে ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

    ওই দিন ফ্রান্সের স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। ২৯ মার্চ বোস্টনে যাত্রাবিরতির করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বহনকারী কার্গোবিমান। ৩০ মার্চ এটি ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল পৌঁছায়।

    ২০১৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ নির্মাণের জন্য ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসের সঙ্গে চুক্তি সই করে। ওই বছর মূল স্যাটেলাইট তৈরির কাজ শুরু হলেও এর প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে।

    jagonews24

    বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্যে রাশিয়ার উপগ্রহ কোম্পানি ইন্টারস্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ (অরবিটাল স্লট) কেনে বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাশিয়ার কাছে থেকে মহাকাশের ১১৯ দশমিক ১ পূর্ব দ্রাঘিমায় ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি প্রায় ২১৯ কোটি টাকায) কেনা হয় এ স্লট। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উড়বে এখানেই।

    স্যাটেলাইটটি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগবে। সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে। গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি গ্রাউন্ড স্টেশনের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

  • বরিশাল নগরীতে আনসার বাহিনীর নেতৃত্বে জমি দখল

    বরিশাল নগরীতে আনসার বাহিনীর নেতৃত্বে জমি দখল

    স্টাফ রিপোর্টার:

    দু’দিনের সফরে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মহাপরিদর্শক যখন বরিশালে অবস্থান করছেন ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অর্ধশত সদস্যের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখলে নিয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডের কাজিপাড়া এলাকায় গভীর রাতের ওই দখলের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা শুরু হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিরোধীয় জমিতে টিন দিয়ে অস্থায়ী নিরাপত্তা ঘর নির্মাণ করে সেখানে আনসার সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে আছে। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত না করে আনসার বাহিনী কর্তৃক জমি দখলের খবরে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও হতবাক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল মেট্রো পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে আনসার কর্তৃক জমি দখল করতে গিয়ে তারা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে যে প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দাবি তুলছে তার স্বপক্ষে বাহিনীর কর্মকর্তা কোন প্রমাণপত্র গণমাধ্যমকে দেখাতে পারেনি। একইসাথে তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের দখলের চিত্র ও তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বরিশাল নগরীর বগুড়া আলেকান্দা মৌজার জে.এল নং ৫০, খতিয়ান নং- ১৪৯৪, ১৪৯৫, ৩৮৫৬, ৩৮৫৭ দাগ এস.এ- ৪০৪, ১১০২ বি.এস- ২৫৩২, ডিপি- ১১৩৫২ এর ১ একর ১২ শতাংশ জমি ২০১১, ১২ ও ১৩ সালের বিভিন্ন সময় স্থানীয় মৃত: মোসা: আনোয়ারা বেগমের ওয়ারিশ মোঃ হাবিবুর রহমান মল্লিক গংদের কাছ থেকে ক্রয় করেন একই এলাকার পশ্চিম বগুড়া রোডের বাসিন্দা এসাহাক মুন্সীর ছেলে আমিনুল ইসলাম মুন্সী।

    পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর স্থানীয় কাজী মাহাতাব হোসেন জমির মালিকানা দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ভাই কাজী মাহাতাব হোসেন ও কাজী আলতাফ হোসেন পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। যার নং এমপি-১২৪/১৭ এবং ১৭৬/১৭। আদালত ওই মামলা দুটির সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করা হলে উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন বিবাদী আমিনুল ইসলাম মুন্সীর পক্ষে যায়।

    এদিকে আদালতের রায়ের বিষয়টি বাদীরা উপেক্ষা করে দখলের পায়তারায় লিপ্ত হয়। পরবর্তীতে তার অপর ভাই আনসার ভিডিপির রংপুর জেলা কমান্ড্যান্ট কাজী শাখাওয়াত হোসেন টুলুর প্রভাব খাটিয়ে বরিশাল আনসার ক্যাম্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তায় ১০ সদস্যের আনসার টিম নিয়ে জমি দখল করে বৃহস্পতিবার রাতে। তারা বিরোধীয় জমিতে টিন দিয়ে অস্থায়ী নিরাপত্তা কক্ষ তৈরী করে সেখানে অস্ত্রসহ অবস্থান নেয়।

    আনসার ভিডিপির উপজেলা অফিসার আফজাল হোসেন জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি। ওই জমি সরকারি কিনা তা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। সরকারি জমি হলে তার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র দেখতে চাইলে তিনি আল হাদী ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠানের আবেদন দেখান। তিনি আরো জানান, শাখাওয়াত হোসেন টুলুর নির্দেশ, অপরদিকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরিশাল জেলা কমান্ড্যান্টের কার্যালয় থেকে গত ১০ মে করা এক অফিস আদেশ সংবাদকর্মীদের দেখানো হয়। আদেশে উল্লেখ আছে, সৈনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবং ক্যাম্পের মান-সমুন্নত রাখার স্বার্থে বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্ন বর্ণিত সংস্থার ১০ জন অঙ্গীভুত আনসার সদস্যকে বদলী করে আনসার ক্যাম্পে বদলী করা হলো। উল্লেখিত বিরোধীয় জমি আনসার ক্যাম্প কিনা জানতে চাইলে তার কোন সদুত্তর উপস্থিত আনসার কর্মকর্তারা দিতে পারেননি। এদিকে অফিস আদেশে আনসার ক্যাম্পে বদলী লেখা হলেও আনসার সদস্যরা জানান, ওই জমির নিরাপত্তায় তাদের নিয়োজিত করা হয়েছে।

    জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মুন্সী জানান, এ জমি আমার ক্রয়কৃত। বিবাদী পক্ষ জমি দখল দিতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করলেও আদালতের রায় আমার পক্ষে আসে। তারা আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে আনসারের ক্ষমতা ব্যবহার করে জোরপূর্বক জমি দখলে নিয়েছে।

    স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কবির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জমিটি আনসার সদস্যরা দখলে নিয়েছে। তারা সেখানে কাউকে প্রবেশ করতেও দিচ্ছে না।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহীদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তবে ক্রয় সূত্রে জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মুন্সী। তবে আনসার সদস্যরা এ জমিতে অবস্থান করার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ।

  • বাবুগঞ্জে বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

    বাবুগঞ্জে বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

    বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:

    বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহব্যবসা। যার ফলে স্থানীয় যুব সমাজসহ স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থীরা ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাড়িয়েছে । উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলা চত্ত্বর সংলগ্ন বেনামী একটি বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে এ অনৈতিক কার্যকলাপ। বুধবার রাতে সাড়ে এগারটার দিকে বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তার (২৭)কে খরিদ্দার পাশের দোকান মালিক সোহান (২৭)কে সহ হাতেনাতে আটক করে এলাকার জাফর আকন, আবদুল বারেক আকন, আলমগীর হোসেন খান, রফিকুল ইসলাম খান, মনির হোসেন খান, আসলাম খান, ওমর ফারুক, রোকেয়া বেগম, তাসলিমা আক্তার, রেশমা আক্তার, সালমা আক্তার, নুরভানু বেগমসহ দুইশতাধিক নারীপুরুষ।

    খরিদ্দার সোহান একই উপজেলার খানপুরা গ্রামের আবদুল হালিমের ছেলে। একাধিক বিবাহ বন্ধন আর বিচ্ছেদের সমীকরনের খেলায় মত্ত, বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তারও খানপুরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য সুলতান আহম্মেদের মেয়ে। দিনের বেলায় মৃদু আলোর ছোয়ায় বিউটি পার্লারে আর রাতের আধারে বিউটি পার্লারের সন্নিকটে সুলতান আহম্মেদের বাসায় খরিদ্দার নিয়ে এসে অবাধে মিনি পতিতালয় বানিয়ে রমরমা দেহব্যবসা চালিয়ে নেওয়াটা যেন এই ব্যবসার নতুন একটি মাত্রায় যোগ হয়েছে ।

    স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার অবৈধ প্রভাবসহ নানা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পপি আক্তার খরিদ্দারদের নিয়েই একটি আধুনিক ব্যবসা দাড় করিয়েছে, নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছে ভদ্র সমাজে রমরমা পতিতা ব্যবসা । আর এই পতিতালয়ের ভোক্তারা হচ্ছে স্থানীয় যুবক, স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ ভদ্র পরিবারের সন্তানেরা। যারা সম্পূর্ণ নিরাপদে, নির্ভয়ে মিটাচ্ছেন তাদের যৌন ক্ষুধা।

    পপি আক্তার বলেন, আমার ৬ বছরের ছেলে আকিল রাতে দরজা খুলে প্রসাব করতে গিয়েছিল, তখন সোহান এসে আমাদের ঘরে ঘুমিয়ে থাকে। স্থানীয় লোকজনের সাথে দীর্ঘদিনের শত্রুতা থাকায় তারা এসব কান্ড ঘটিয়েছে। পপি আক্তারের বাবা সুলতান আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি আমার মেয়েকে কোন কথা শুনিয়ে রাখতে পারি না, সে তার ইচ্ছা মতো চলে।

    এলাকার একাধিক নারী পুরুষ জানান, বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তার ওয়াকর্স পার্টির নেতা গোলাম হোসেনের আত্মীয় হওয়ায় বেপরোয়া, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হামলা মামলা হয়রানীর শিকার হতে হয়। স্থানীয় যুবক, স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদের বিপদগামী পথ থেকে ফেরাতে অতিদ্রুত দেহব্যবসা বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

  • পবিত্র কাবা শরিফের অজানা ৭টি তথ্য

    পবিত্র কাবা শরিফের অজানা ৭টি তথ্য

    • কাবা শরিফের সংস্কার : পবিত্র কাবা শরিফ বেশ কয়েকবার প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যা এবং আক্রমণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতএব কারণে পবিত্র কাবা বেশ কয়েকবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।

    • কাবার কিসওয়ার (গিলাপ) রং পরিবর্তন : কিসওয়া হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফ ঢেকে দেয়া হয়। এ কিসওয়া সব সময় কালো ছিল না।

      কাবার কিসওয়ার (গিলাপ) রং পরিবর্তন : কিসওয়া হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফ ঢেকে দেয়া হয়। এ কিসওয়া সব সময় কালো ছিল না।

    • কাবার আকৃতি পরিবর্তন : হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামের আগমনের পূর্বে কুরাইশরা যখন পবিত্র কাবাকে পুনঃনির্মাণ করেন।

      কাবার আকৃতি পরিবর্তন : হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামের আগমনের পূর্বে কুরাইশরা যখন পবিত্র কাবাকে পুনঃনির্মাণ করেন।

    • কাবার দরজা-জানালা : মূল কাবা শরিফে দুটি দরজা অন্তর্ভূক্ত ছিল। একটি দরজা ছিল প্রবেশের জন্য অন্যটি ছিল বাহির হওয়ার জন্য। এছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে একটি জানালাও ছিল।

      কাবার দরজা-জানালা : মূল কাবা শরিফে দুটি দরজা অন্তর্ভূক্ত ছিল। একটি দরজা ছিল প্রবেশের জন্য অন্যটি ছিল বাহির হওয়ার জন্য। এছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে একটি জানালাও ছিল।

    • হাজরে আসওয়াদ : পবিত্র কাবা শরিফের কোণে সংযুক্ত ‘হাজরে আসওয়াদ’ কালো পাথরটি বড় ছিল। বর্তমানে এ পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত। যা একটি সিলভার রংয়ের ফ্রেমে একত্র করে কাবা শরিফের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে লাগানো।

      হাজরে আসওয়াদ : পবিত্র কাবা শরিফের কোণে সংযুক্ত ‘হাজরে আসওয়াদ’ কালো পাথরটি বড় ছিল। বর্তমানে এ পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত। যা একটি সিলভার রংয়ের ফ্রেমে একত্র করে কাবা শরিফের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে লাগানো।

    • কাবা শরিফের চাবির জিম্মাদার : এটা আশ্চর্যজনক নয় যে, প্রাক ইসলামি যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কাবা শরিফের চাবি একটি পরিবারের কাছেই রয়েছে।

      কাবা শরিফের চাবির জিম্মাদার : এটা আশ্চর্যজনক নয় যে, প্রাক ইসলামি যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কাবা শরিফের চাবি একটি পরিবারের কাছেই রয়েছে।

    • কাবা শরিফের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম : বছরে দুই বার এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসের আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে।

      কাবা শরিফের পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম : বছরে দুই বার এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসের আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে।

  • ডায়াবেটিস রোগীর রোজা : খাদ্যাভ্যাসে আনতে হবে পরিবর্তন

    ডায়াবেটিস রোগীর রোজা : খাদ্যাভ্যাসে আনতে হবে পরিবর্তন

    ডায়াবেটিস আক্রান্তের রোজা রাখা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যা তার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে পুষ্টিমান ঠিক রেখে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনলে ও শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামসহ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চালালে ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। রোজা পালনরত অবস্থায় পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে বা ইনসুলিন নিলে রোজার ক্ষতি হবে না।

    রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘রোজা পালনরত অবস্থায় পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে বা ইনসুলিন নিলে রোজার ক্ষতি হবে না’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব তথ্য উঠে আসে।
    সুস্বাস্থ্য বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডিআরইউ এ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর আলম খান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম।

    তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমানের মধ্যে ৩৬ শতাংশ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। তাদের মধ্যে ৯-১২ কোটি ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখছেন। ডায়াবেটিস টাইপ-১ ৪৩ শতাংশ ও টাইপ-২ রোগীর ৭৯ শতাংশ রমজান মাসে রোজা রাখছেন।’

    তিনি আরও বলেন, মুসলমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সর্বসম্মতভাবে মতামত দিয়েছেন, ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা রাখা ক্ষতিকর। কুরআন শরীফেও রোগীদের বিশেষ করে যাদের ঝুঁকি রয়েছে তাদের রোজার বিকল্প কিছু (মিসকিনকে খাওয়ানো) করে রেহাই দেয়া হয়েছে। এরপরও ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখা একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, যা তার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। রোজা রেখে কম-বেশি ঝুঁকি তৈরি করেন ডায়াবেটিস রোগীরা।’

    রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর ঝুঁকি সমূহ
    খাদ্য গ্রহণে অনেকক্ষণ যাবত বিরতির কারণে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমতে (হাইপোগ্লাইসেমিয়া) থাকে। এতোটাই কমতে থাকে যে অনেককে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত হতে হয়। টাইপ-১ রোগীদের ক্ষেত্রে ৪.৭ গুণ ও টাইপ-২ রোগীদের ক্ষেত্রে ৭.৫ শতাংশ হাইপোগ্লাইসেমিয়া হবার সম্ভাবনা থাকে।

    দ্বিতীয়ত, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ (হাইপারগ্লাইসেমিয়া) বেড়েও যেতে পারে। এ ঝুঁকি টাইপ-১ এর ক্ষেত্রে বেশি। টাইপ-২ রোগীদের ক্ষেত্রেও রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। রমজান মাসের শেষের দিকে এ প্রভাব পড়তে শুরু করে।

    তৃতীয়ত, ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস হতে পারে। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ (হাইপারগ্লাইসেমিয়া) বেড়ে যাওয়া বা এর ধারাবাহিকতায় অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হতে পারে।

    চতুর্থত, দীর্ঘ সময় খাদ্য বিরতির কারণে পনি শূন্যতা ও থ্রম্বোঅ্যাম্বোলিজম দেখা দিতে পারে। গরম ও বেশি আর্দ্র আবহাওয়ায় ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে এমনটি হয়।

    রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয়
    এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, ‘যেসব রোগী মাথায় ঝুঁকি বিবেচনায় রেখেই রোজা রাখতে চান তাদের আগে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। ডাক্তারের সঙ্গে রমজানের এক মাস আগেই পরামর্শ নিতে হবে। মানসিক প্রস্তুতি আরও তিন মাস আগে থেকে শুরু করতে হবে।’

    রোজা রাখা অবস্থায় দিনে কমপক্ষে তিনবার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা দেখতে হবে। বিশেষ করে দিনের শেষভাগে রক্তের গ্লুকোজ দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ইফতারে সহজেই হজম হয় এমন খাবার ও প্রচুর পানি খেতে হবে। সম্ভব হলে ফলের জুস। আর সেহরিতে জটিল শর্করা জাতীয় খাবার খেতে হবে যা অনেকক্ষণ শরীরে সক্রিয় থাকে।

    শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামসহ স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চালালে ঝুঁকি কমবে। তবে বেশি ব্যায়াম না করাই ভাল। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। এটা দেখা দিলে অবশ্যই গ্লুকোজ ও চিনিযুক্ত খাবার খেতে হবে।

    ঔষধ খাওয়ার ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টায় যারা একবার খান তাদের জন্য ইফতারের শুরুতেই, আর যারা একাধিক সময়ে খান তারা সেহেরির আধা ঘণ্টা আগে খাবেন।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুস্বাস্থ্য বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম ভূইয়া।

  • সবজি বিক্রেতার বিদ্যুৎ বিল ৮ লাখ, চিন্তায় আত্মহত্যা

    সবজি বিক্রেতার বিদ্যুৎ বিল ৮ লাখ, চিন্তায় আত্মহত্যা

    পেশায় তিনি সবজি বিক্রেতা। অথচ এপ্রিল মাসে বিদ্যুৎ বিল হয়েছে ৮ লাখ ৬৪ হাজার রুপি। কীভাবে পরিশোধ করবেন এত বড় বিল? এই চিন্তায় ঘটে গেল এক দুর্ঘটনা। শেষমেশ গলায় ফাঁস লাগিয়ে নিজ ঘরে শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেছেন ওই সবজি বিক্রেতা। বৃহস্পতিবার ভারতের মহারাষ্ট্রের ভারত নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।

    পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘গলাকাটা এই বিল পেয়ে আমি নিজের জীবন শেষ করে দিচ্ছি।’

    মহারাষ্ট্র বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি (এমএসইডিসিএল) জানায়, ভুল করে এই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করায় ক্লার্ককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

    খবরে বলা হয়, জগন্নাথ শেলক গত ২০ বছর ধরে দুই রুমের একটি টিনশেড ঘরে তার পরিবার নিয়ে বাস করে আসছেন। গত এপ্রিলে বিদ্যুৎ অফিস থেকে ওই বিলটি আসে। এতে লেখা রয়েছে, ৫৫ হাজার ৫১৯ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় তার বিল হয়েছে ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৭৮১ রুপি।

    বিদ্যুৎ অফিস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, গারখেদা স্টেশনের শাখা প্রকৌশলী ভুল করে পাঞ্চ করলে মিটারে ৬ হাজার ১১৭ দশমিক আট কিলোওয়াট আওয়ারের পরিবর্তে ৬১ হাজার ১৭৮ কিলোওয়াট আওয়ার হয়ে যায়। ফলে মার্চে যাচাই-বাছাইয়ের সময় হিসাব করে বিদ্যুৎ বিল আট লাখ রুপি লেখা হয়।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঠিকমতো কাজ না করায় গত জানুয়ারিতে শেলকের মিটার বদলিয়ে দেয়া হয়।

    পুন্দানীনগর পুলিশ স্টেশন ঘটনাটিকে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বলে লিপিবদ্ধ করেছে।

  • মুক্তি পাচ্ছেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    মুক্তি পাচ্ছেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    দুই দশক ধরে কারাবন্দি নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করে দেয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার রাজা। সম্প্রতি শপথ নেয়া দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মাহাথির মোহাম্মদের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জের ধরে ১৯৯৮ সালে উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগ এনে তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    সবাইকে অবাক করে মাহাথির মোহাম্মদ স্বীকার করেছেন, তিনি জীবনে অনেক ভুল করেছেন, তার মধ্যে রয়েছে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করা। নিজের ভুল শুধরে নেবেন মাহাথির। রাজার ক্ষমা পেলে আনোয়ার কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন এবং মাহাথিরের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী দুই বছরের মধ্যে তিনিই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

    তবে আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে জোট বাধার পর তাকে এক নম্বর অভিনেতা বলে বিদ্রূপ করেছেন নাজিব রাজাক। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় নিয়ে লেখা একটি বইয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবদুল্লাহ বাদাইয়ি বলেছেন, মাহাথির তার নিজের পথেই চলেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন, তার পথই একমাত্র পথ।’

    ২২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৩ সালে অবসরে গিয়েছিলেন মাহাথির। কিন্তু তার ভাষায়, জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সংশোধন করার জন্য তিনি আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন।

    শুধুমাত্র তার এক সময়ের শিষ্য নাজিব রাজাককেই তিনি পরাজিত করেননি, তার দল ইউনাইটেড মালয়িস ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনকে হারিয়ে এক সময়ের প্রতিপক্ষ পাকাতান হারাপান কোয়ালিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

    মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তিনি দু’বছর ক্ষমতায় থাকতে চান। এরপর তিনি কারাবন্দী নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

    শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির বলেন, কেবল মুক্তি নয়, রাজা আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করে দেওয়ার আভাস দিয়েছেন। রাজা আভাস দিয়েছেন তিনি শিগগিরই আনোয়ার ইব্রাহিমকে মুক্তি দিতে ইচ্ছুক। ক্ষমা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তি পাবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।