Author: banglarmukh official

  • স্যাটেলাইটে লেখা থাকছে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’

    স্যাটেলাইটে লেখা থাকছে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’

    মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটে সাধারণত স্মৃতি হিসেবে কোনো কিছুই লেখা থাকে না বা লিখে রাখার কোনো নিয়ম নেই। কিন্তু এক্ষেত্রে আরেকটি ইতিহাসের সাক্ষী হচ্ছে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের গায়ে লেখা থাকছে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’।

    স্থানীয় সময় বুধবার ফ্লোরিডার একটি হোটেলে এমনটিই জানালেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

    মাস কয়েক আগে সরেজমিনে স্যাটেলাইট কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখতে ফ্লোরিডা আসেন তারানা হালিম। তখন বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থালাস এলেনিয়া তারানা হালিমকে বলেন, সাধারণত স্যাটেলাইটের কোথাও কিছু লেখা যায় না। লেখার কোনো নিয়মও নেই। কিন্তু ৫৭তম স্যাটেলাইট দেশ হতে যাওয়া বাংলাদেশকে তারা স্মৃতি হিসেবে কিছু একটা লিখার সুযোগ দিতে চান।

    তখন তারানা হালিম তাদের উদ্দেশে বলেন, আমি এখানে কিছু লেখার সাহস দেখাতে চাই না। আর যদি এতে কারও নাম লিখতেই হয় তাহলে তা অবশ্যই আমাদের জাতির জনকের নাম লিখতে হবে। আর আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের স্লোগান হচ্ছে জয় বাংলা। তখন তিনি থালাসের বিশেষ অমোচনীয় কালিতে নিজ হাতেই স্যাটেলাইটের গায়ে লিখে দেন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। স্যাটেলাইটের পুরো মেয়াদকাল অর্থাৎ ১৫ বছরেও এ লেখা মুছেবে না।

    বুধবার ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সম্মানে স্পেস এক্সের দেয়া নৈশভোজে অংশ নিয়ে তারানা হালিম সাংবাদিকদের জানালেন এসব তথ্য। তারানাকে এ সময় বেশ আবেগাপ্লুত দেখা যায়।

    এর আগে ১০ মে উৎক্ষেপণের জন্য চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করে স্পেসএক্স। সংস্থাটির এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরাল থেকে প্যাড ৩৯-এ থেকে ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিটিআরসি স্পেসএক্স-এর বরাত দিয়ে দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করে। মঙ্গলবার বিকেলে স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত সময় হালনাগাদ করা হয়।

    এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেয়া হচ্ছে ১ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা। আর ঋণ হিসেবে এইচএসবিসি ব্যাংক বাকি ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে।

    বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে। বাকি ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির জন্য রাখা হবে।

    গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্লোরিডায় উৎক্ষেপণ কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত হবেন। আর ক্যাপ ক্যানাভেরালে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ৭ মে সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় ৮ মে) মহাকাশে যাত্রা করার কথা ছিল স্যাটেলাইটটির। তবে কারিগরি ত্রুটি ও আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় নির্ধারিত দিনে মহাকাশে যাত্রা করতে পারেনি স্যাটেলাইটটি।

    ৪ মে স্যাটেলাইটটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হওয়ার কথা জানায় যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। অরল্যান্ডোর কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়।

  • এত টাকা কখনো চোখে দেখিনি, কীভাবে দেব রাজীবের পরিবারকে

    এত টাকা কখনো চোখে দেখিনি, কীভাবে দেব রাজীবের পরিবারকে

    আমি দিন এনে দিন খাই। অভাবের সংসার। সারা জীবনের সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে ৬ মাস আগে কিস্তিতে একটি গাড়ি কিনেছি। দুর্ভাগ্যক্রমে সেটির সঙ্গে দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র রাজীবের মৃত্যু। হাইকোর্ট আমাকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাজীবের পরিবারকে দিতে বলেছে। আমি তো এত টাকা এক সঙ্গে কখনো চোখে দেখিনি। কীভাবে দেব তার পরিবারকে।

    বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বারান্দায় এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন স্বজন পরিবহনের মালিক আসাদুজ্জামান রাজু। তিনি বলেন, আমার যদি সমর্থন থাকত আমি রাজীবের পরিবারকে টাকা দিয়ে দিতাম। আদালতের নির্দেশকে তো কখনো অমান্য করা যায় না। স্বজন পরিবহনের মালিক বলেন, ৬ মাস আগে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়ে র‌্যাংগস মোটরস থেকে একটি গাড়ি কিস্তিতে নিয়েছি। স্বজন পরিবহনের ব্যানারে গাড়িটি রোডে চলে। এক শিফট আমি চালাই আরেক শিফট চালায় ড্রাইভার মো. খোরশেদ। সে এক শিফটের বিনিময়ে আমাকে দুই হাজার টাকার মতো দেয়। স্বজন পরিবহনের ব্যানারে গাড়িটি চলার জন্য প্রতি মাসে ব্যানারের মালিককে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিতে হয়। আর মাসে গাড়ির কিস্তি বাবদ দিতে হয় ৪২ হাজার টাকা। সব মিলে খরচ হয় ৫০ হাজার টাকার মতো।

    তিনি আরও বলেন, ছোটবেলা থেকে গাবতলীতে পরিবহনের সঙ্গে জড়িত আছি। সারা জীবনের সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে এ গাড়িটি কিস্তিতে কিনেছি। আমার এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে গাবতলীতে থাকি। কিস্তির টাকা আর পরিবার চালাতে আমাকে নিয়মিত হিমসিম খেতে হয়। আদালতের দেয়া ক্ষতিপূরণের টাকা আমি কীভাবে দেব। তিনি আরও বলেন, স্বজন পরিবহনের ব্যানারে রোডে চলে ৪০টি গাড়ি। ৪০টি গাড়ির মালিক ৪০ জন। অপরদিকে বিআরটিসি বাসটি জিম্মায় নেয়ার আবেদনকারী আজাহার আলী বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা দেয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানেন। আমি গাড়ি জিম্মায় নিতে এসেছি। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।

    এর আগে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রাজীব হাসানের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনকে ক্ষতিপূরণের অর্ধেক (৫০ লাখ) টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া রাজীবের খালা জাহানার পারভীন এবং রাজীবের গ্রামের বাড়ি বাউফলের সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের ছেলে কাস্টমস কর্মকর্তা ওমর ফারুকের নামে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল এবং পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ জুন শুনানির দিন ঠিক করেন আদালত।

    আদালতে রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি করেন। অন্যদিকে বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. মনিরুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অরবিন্দ কুমার রায়। আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দুই বাসের পাল্লায় না ফেরার দেশে চলে যাওয়া কলেজছাত্র রাজীবের দুই ভাইকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বিআরটিসি এবং স্বজন পরিবহনের মালিককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই এক কোটি টাকার অর্ধেক, অর্থাৎ ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য দুই পরিবহনের মালিককে এক মাসের সময় দিয়েছে আদালত।

    তিনি জানান, রাজীবের খালা জাহানারা পারভীন এবং রাজীবের গ্রামের বাড়ি বাউফলের সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের ছেলে কাস্টমস কর্মকর্তা ওমর ফারুকের নামে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। বিআরটিসি এবং স্বজন পরিবহনের মালিককে এক মাসের মধ্যে ২৫ লাখ টাকা করে মোট ৫০ লাখ টাকা জমা দিতে হবে ওই অ্যাকাউন্টে। টাকা জমা দেয়ার বিষয়টি ২৫ জুনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ২৫ জুন বিষয়টি আবার আদালতে এলে তখনই বাকি ৫০ লাখ টাকার বিষয়ে নির্দেশনা দিতে পারে আদালত।

    উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি’র একটি দ্বিতল বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন। বাসটি হোটেল সোনারগাঁওয়ের বিপরীতে পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ পেছন থেকে স্বজন পরিবহনের একটি বাস বিআরটিসি’র বাসটিকে ঘেঁষে অতিক্রম করে।

    এ সময় দুই বাসের প্রবল চাপে গাড়ির পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা রাজীবের ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এতে তার মাথায়ও প্রচণ্ড আঘাত লাগে। দুর্ঘটনার পর তাকে প্রথমে শমরিতা হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ১০ এপ্রিল ভোর পৌনে ৪টায় অজ্ঞান হয়ে পড়েন রাজীব। এরপর ওই দিন সকাল ৮টায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। ১৭ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রাজীব মারা যান।

    ৩ এপ্রিল রাজীব বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় পেনাল কোডের ২৭৯/৩৩৮- এর ক ধারায় মামলা দায়ের করেন। ২৭৯ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি তিন বছর ও ৩৩৮ ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছরের জেল। মামলার পরই বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ ও স্বজন পরিবহনের বাসের চালক মো. খোরশেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা কারাগারে আটক রয়েছেন। ২৩ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবীর আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক আফতাব আলী মূল মামলার ধারার সঙ্গে পেনাল কোডের ৩০৪ এর খ সংযোজন করার অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন, যার সর্বোচ্চ শাস্তি তিন বছরের কারাদণ্ড।

  • সিলেটে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় ৯ হাজার কেজি ক্লিনিক্যাল বর্জ্য

    সিলেটে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় ৯ হাজার কেজি ক্লিনিক্যাল বর্জ্য

    সিলেট নগরীতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক মিলিয়ে প্রতিদিন নয় হাজার কেজির বেশি বর্জ্য উৎপন্ন হয়। কিন্তু এসব বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, পৃথকীকরণ ও নির্ধারিত স্থানে ডাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না।

    বুধবার সকালে সিলেট নগরীর চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গভর্ন্যান্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এর গবেষক এসএম আরাফাত জুবায়ের। সিলেট নগরীর একটি হোটেলের বলরুমে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইজিডি এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এই কর্মশালার আয়োজন করে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের মধ্যে যদি দেশপ্রেম জাগ্রত না হয়, আমরা যদি এই শহরকে নিজেদের শহর বলে মনে না করি, তবে শহরকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারব না। তিনি আরো বলেন, সিলেটে রাজনৈতিক সহমর্মিতা রয়েছে। আমাদের মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু প্রশাসনের কাছ থেকে আমরা আরো বেশি সক্রিয়তা ও সহযোগিতা চাই।

    কর্মশালায় গবেষক এসএম আরাফাত জুবায়ের চিকিৎসা বর্জ্যরে প্রকারভেদ অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন ডাস্টবিন ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দান, পরিবহনের জন্য কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার এবং কিছু কিছু বর্জ্য যথাযথভাবে নিঃশেষ করার উপর জোর দেন।

    সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ জে এম নুরুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন সিটিজ অ্যালায়েন্সের এশিয় আঞ্চলিক উপদেষ্টা অজয় সুরী, বিআইজিডির গবেষণা ফেলো ড. শাহনেওয়াজ হোসেন, সিলেট মহিলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রেজাউল করিম, স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারি পরিচালক, ড. নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।

    কর্মশলার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন পরিবেশ আইনবিদন সমিতির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক এডভোকেট শাহ শাহিদা আক্তার, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম প্রমুখ। বক্তারা নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সাধন, বিদ্যমান আইন অনুসরণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করার প্রতি জোর দেন।

  • মেদ কমিয়ে দিতে পারে নিয়মিত প্রাণখোলা হাসি : গবেষণা

    মেদ কমিয়ে দিতে পারে নিয়মিত প্রাণখোলা হাসি : গবেষণা

    আপনার জীবন থেকে হাসি কমে গেলে সেটা বাড়ান। তাহলে অনেক উপকার পাবেন। এমন কি আপনার মেদ কমিয়ে দিয়ে পারে নিয়মিত প্রাণখোলা হাসি।

    আজকের দুনিয়ায় ওবেসিটি এখন সবার অসুখ। এ নিয়ে চিন্তাও কম নেই। কিন্তু গবেষণা বলছে খুব বেশি চিন্তার দরকার নেই। সম্প্রতি ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ওবেসিটি’-তে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছে, নিয়মিত হাসলেই ওবেসিটির মতো সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব।

    শুধু তাই নয়, সেই গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, হাসিই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ ওষুধ। হাসি শুধু মানুষের মন ভাল রাখে না, শরীরও ভাল রাখে। মানুষকে মানসিক ও শারীরিক ভাবে সুস্থ রাখে। কী কী সুবিধা মেলে হাসি থেকে, এই প্রতিবেদনে রইলো রাত একটি তালিকা-

    ১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে হাসি। হার্টের রোগীদের যেমন নিয়মিত হাসি দরকার তেমনই যারা এখন প্রাণখুলে হাসেন তাদের হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।

    ২। হাসি সবার অজান্তেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হাসির থেকে শরীরে ‘টি-সেল’-এর পরিমাণ বাড়ে। এটাই শরীরকে বাড়তি ক্ষমতা জোগায়।

    ৩। হাসিখুশি মানুষের আয়ু বেশি হয়। এমনটাই বলছে গবেষণা। হাসি ক্লান্তি দূর করে, জীবনের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।

    ৪। দিনে ১০ থেকে ১৫ মিনিট প্রাণ খুলে হাসলে পর্যাপ্ত ক্যালরি ক্ষয় হয়।

    ৫। মেদ ঝরানোর জন্য এক মাইল হাঁটায় যে কাজ হয় তার সমান কাজ হতে পারে প্রাণ খুলে হাসতে পারলে। হাসি প্রাকৃতিক ভাবে শরীরে মেটাবলিজম বাড়ায় যা শরীর থেকে বাড়তি ক্যালরি ক্ষয় করে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

  • চট্টগ্রামে কেরোসিন ঢেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    চট্টগ্রামে কেরোসিন ঢেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে জান্নাত নুর ফাহিমা (১৮) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ বুড়িশ্চরের কালামিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে মারা যায় মেয়েটি।

    ফাহিমা একই এলাকার শাহজাহান মিয়ার মেয়ে।

    জানা যায়, নিজ বাড়িতে গায়ে কেরোসিন ঢেলে ওই এইচএসসি পরীক্ষার্থী অগ্নিদগ্ধ হয়। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করান। মধ্যরাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মেয়েটি।’

    বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত নায়েক মো. আমির জানান, মেয়েটির সাথে কারো প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। বিষয়টি নিয়ে বাবা-মার সাথে মতানৈক্য দেখা দেয়। পরে মেয়েটি রাগান্বিত হয়ে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

  • বরিশালে মাদক মামলায় ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী’র কারাদণ্ড

    বরিশালে মাদক মামলায় ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী’র কারাদণ্ড

    মাদক বিক্রির দায়ে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের এক নেতার স্ত্রীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামীম আহম্মেদ আসামি লাবনী বেগমের উপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। দণ্ডিত লাবনী বেগম বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জনি জমাদ্দারের স্ত্রী।

    আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল নগরীর বান্দ রোড প্লানেট পার্ক শিশু পার্কের সামনে থেকে লাবনী বেগমকে প্রায় এককেজি গাঁজা সহ আটক করে নগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপ পরিদর্শক চিন্ময় মিত্র। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে একই বছরের ১০ মে লাবনীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা। ওই মামলা সাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামিকে দণ্ড দেন আদালত।

    জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, জনি জমাদ্দার জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন। তবে তার স্ত্রী মাদক মামলায় আদালতে দন্ডিত হয়েছেন কিনা তা তিনি জানেন না।

  • টাইগারদের সফরের আগে মুশতাককে নিয়োগ দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    টাইগারদের সফরের আগে মুশতাককে নিয়োগ দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    কিংবদন্তি পাকিস্তানি লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদকে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। আগামী জুন-জুলাইয়ে ক্যারিবীয় সফরে যাবেন মাশরাফি-সাকিব-তামিমরা। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সফরে টাইগারদের বিপক্ষে স্পিন সামলাতে এবং নিজেদের স্পিন শক্তিকে আরও ঝালিয়ে নিতেই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবর, স্বল্প মেয়াদের জন্য চলতি মাসের শেষের দিকে কোচিংয়ে যোগ দেবেন মুশতাক। যদিও পরবর্তীতে মেয়াদ বাড়িয়ে দীর্ঘকালীন কোচ করারও সম্ভাবনা রয়েছে।

    মুশতাক আহমেদ পাকিস্তানের হয়ে ৫২টি টেস্ট ও ১৪৪টি ওয়ানডে খেলে ৩৪৬টি উইকেট নিয়েছেন। এর আগে, পাকিস্তান দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন মুশতাক। ইংল্যান্ডের বোলিং পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেন তিনি। পিএসএল ও আইপিএলসহ বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

    এদিকে, ক্যারিবীয়দের কোচ হওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত মুশতাক বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ এমন একটি দল যাদের অতীত খুবই সমৃদ্ধ। আমি তাদের নিয়ে কাজ করতে খুবই উগ্রীব হয়ে আছি।’

  • মালয়েশিয়ায় ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

    মালয়েশিয়ায় ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

    মালয়েশিয়ার চতুর্দশ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। স্থানীয় সময় বিকাল পাঁচটায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। বর্তমানে ভোট গণনা চলছে। ফলাফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে মধ্যরাত পর্যন্ত।

    এর আগে বুধবার মালয়েশিয়ায় ৮ হাজার ২৫৩টি কেন্দ্রে স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা দেড় কোটি।

    এ নির্বাচনকে বলা হচ্ছে দেশের ইতিহাসের সব ‘নির্বাচনের জননী’। এতে বিরোধী দল জিতলে দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতার পালাবদল বাস্তবে রূপ নেবে। সর্বশেষ জনমত জরিপে নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেয়া হয়েছে।

    নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল বারিসান নাসিওনালের বিপক্ষে বিরোধী জোট পাকাতান হারপানের হয়ে লড়ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। প্রায় ৬১ বছর ধরে মালয়েশিয়া শাসন করছে বারিসান নাসিওনাল জোট।

    ৯২ বছর বয়সী মাথাথিরের প্রতিদ্বন্দ্বী তার একসময়কার রাজনীতিক শিষ্য ও মালয়েশিযার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক।

    মাহাথির নিজের ভোট প্রদানের পর জানান, নাজিব রাজাক যদি প্রতারণা না করেন তাহলে তিনি নির্বাচনের ফল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। আর মানুষও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে চায় না।
    সূত্র: স্ট্রেইট টাইমস

  • চীনে রেল লাইন ছাড়াই চলছে ট্রেন

    চীনে রেল লাইন ছাড়াই চলছে ট্রেন

    প্রযুক্তিতে চীন প্রতিদিনই নতুনত্বের বার্তা দিচ্ছে। একের পর এক তাক লাগানো আবিষ্কার দেশটির যোগাযোগ খাতকে করছে আরও সমৃদ্ধ। এবার ট্রেন চালানোর জন্য নতুন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে চীন। এ প্রযুক্তিতে আলাদা করে আর ট্র্যাক পাতার দরকার হবে না। রাস্তার ওপর দিয়েই ছুটবে ট্রেন।

    শুধু ঘোষণাই নয়, সম্প্রতি ট্রেনটি চালু করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে চীন। এবার লাইন ছাড়াই সেই ট্রেন চলাচল শুরু করেছে।

    ট্রেনটি চলছে ভার্চ্যুয়াল ট্র্যাকে। এর জন্য রাস্তায় থাকবে বিশেষ ধরনের সেন্সর। যার মাধ্যমে ট্রেন গন্তব্যের দিকে এগোবে। প্রয়োজনে সে ‘ট্রেন লাইনের’ ওপর দিয়ে চলবে সাধারণ গাড়িও। আর তাই রাস্তাতেও বাড়তি জায়গা নেবে না ট্রেনটি। সাশ্রয় হবে শহরের মূল্যবান স্থান।

    প্রায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের ট্রেনটির যাত্রীবহনের ক্ষমতা ৩০৭ জন। দুই থেকে চার কামরার এই ট্রেন মূলত স্বল্প দূরত্বে ব্যবহার হবে।

    চীনের অন্যান্য শহরে এ দূষণহীন ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাঁচ বছর আগে থেকে এর প্রস্তুতি শুরু হয়। বিশেষ এ ট্রেনের চাকা রাবারের, যা প্লাস্টিকে মোড়া।

  • কিমের জুতা নিয়ে গবেষণায় ৭ বিশেষজ্ঞ

    কিমের জুতা নিয়ে গবেষণায় ৭ বিশেষজ্ঞ

    ক্ষিণ কোরিয়ায় কিমের সফরের সময় আবার নতুন করে তার উচ্চতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের উচ্চতা পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি। কিন্তু উভয়ের সাক্ষাতের সময় কিমকে এক ইঞ্চি খাটো দেখা যায়।  তবে বাস্তবে তিনি আরো খাটো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র ‘দ্য চৌসান ইলবো’ বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে ৭ জন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে। তারা কিমের জুতা পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছেন, তার জুতা ভেতরে ‘ইন সোল’ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় এক ইঞ্চি উচ্চতা বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাস্তবে কিমের উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি বলেই অভিমত সেই বিশেষজ্ঞদের।