Author: banglarmukh official

  • আজ ১০ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২০ জনের

    আজ ১০ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২০ জনের

    সারাদেশে সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও ঝড়ের সঙ্গে ঘটছে বজ্রপাতের ঘটনা। আজ সকাল থেকে এ পর্যন্ত ১০ জেলায় বজ্রপাতে প্রাণ গেছে ২০ জনের। এছাড়াও আর বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। এর মধ্যে নীলফামারীতে দু’জন, হবিগঞ্জে ছয়জন, মানিকগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, রাজশাহী ও কিশোরগঞ্জে দু’জন করে এবং সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জে এক জন করে নিহত হয়েছেন। আজ সকাল থেকে এ পর্যন্ত বজ্রপাতে নিহতরা হলেন-

    নীলফামারী: নীলফামারীর জলঢাকায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের শালনগ্রাম ডুগডুগি এলাকার মৃত ইসলাম উদ্দিনের স্ত্রী আসমা বেওয়া (৫৫) ও কাঁঠালি ইউনিয়নের উত্তর দেশিবাই গ্রামের সফর উদ্দিনের ছেলে নুর আমিন (৪০)।

    হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতে আহত হয়েছে ৪ জন। স্থানীয়রা জানান, সকাল ১১টায় বানিয়াচংয়ের মাকালকান্দি হাওড়ে প্রতিদিনের মতো কাজ করছিলেন ধানকাটা শ্রমিকরা। এসময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই সুনামগঞ্জের স্বপন দাস মারা যান। প্রায় একই সময়ে বানিয়াচংয়ের মাইচ্ছার বিল হাওড়ে বজ্রপাতে নিহত হন সিরাজগঞ্জের জয়নাল মিয়া। এসময় আহত হন অন্য ৪ ধানকাটা শ্রমিক।
    এদিকে লাখাই উপজেলার তেঘরিয়া হাওড়ে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন সফিক মিয়া। গুরুতর অবস্থায় তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    এছাড়া দুপুরে নবীগঞ্জের বৈলাকপুর হাওড়ে নারায়ন পাল ও আবু তালিব নিহত হয়। একই সময়ে মাধবপুরের পিয়াইম হাওড়ে নিহত হয় জহরলাল সরকার।

    মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে বজ্রপাতে এক স্কুলছাত্রসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহত স্কুলছাত্রের নাম সাইফুল ইসলাম আঙ্গুর (১২)। সে তালুকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
    নিহত অপর জনের নাম ইয়াকুব আলী শেখ (৪৮)। তিনি দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের হাসাদিয়া গ্রামের মৃত হাফেজ শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।

    সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ দু’জন হলেন- ধর্মপাশা উপজেলার সদর ইউনিয়নের দুর্বাকান্দা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে জুয়েল আহমদ (১৬) ও শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের ইসহাক আলীর ছেলে আলমগীর মিয়া (২২)।

    সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বজ্রপাতে সমতুল্লাহ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের পানাগাড়ি চরে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়াও একই উপজেলার খাসরাবাড়ীতে স্কুলে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে দগ্ধ হয়েছে শাকিল মিয়া (১৫) নামে এক ছাত্র।

    গাইবান্ধা: গাইবান্ধার ফুলছড়িতে বজ্রপাতে মহর আলী (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মহর উপজেলার আলী উড়িয়া ইউনিয়নের কাবিলপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে।

    রাজশাহী: রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই জন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের দুবইল নামোপাড়া গ্রামের সামসুদ্দীনের ছেলে সোহাগ আলী (১৮) ও বাতাসপুর গ্রামের লোকমান আলী ছেলে কৃষক আনছার আলী (৩০)।

    কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিকলী উপজেলার ছাতিরচর ইউনিয়নের পরিষদপাড়া মাঈন উদ্দিনের ছেলে শাহ জালাল (২৫) ও কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের আশুতিয়া এলাকার সুধীর চন্দ্র বর্মণের স্ত্রী দিপালী রানী বর্মণ (৩৮)।

    নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের তিলাব গ্রামে বজ্রপাতে কুলফি আক্তার (০৮) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। কুলফি ওই গ্রামের শাহ কামালের মেয়ে।

    ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চর নীলক্ষীয়ায় আলাল উদ্দিন (৬০) নামের এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছেন। আজ দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অপরদিকে, বিভিন্ন উপজেলায় আরও ৮ জন আহত হয়েছেন।

  • ছাত্রলীগের কারণে রাবি প্রশাসনের লক্ষাধিক টাকা লোকসান

    ছাত্রলীগের কারণে রাবি প্রশাসনের লক্ষাধিক টাকা লোকসান

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আম ও লিচুর ৩টি বাগান বিনা টেন্ডারে দখল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। শুধু দখলই নয় বাগানের সব লিচু স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে তারা। প্রতি বছর বাগানগুলোর টেন্ডার থেকে বেশ কিছু টাকা আয় করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কিন্তু এবছর ছাত্রলীগের অবৈধ দখলদারিত্বে প্রায় লক্ষাধিক টাকা লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এই বেআইনিভাবে যারা বাগানগুলো দখল করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটিও করা হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের ৭টি আম-লিচু বাগানের মধ্যে ৪টির টেন্ডার হলেও বাকি তিনটির টেন্ডারের জন্য পর পর তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। প্রথম বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয় গত ১৩ মার্চে। এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৮ এপ্রিল ও ২৫ এপ্রিল তারিখে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। তৃতীয় ও শেষ বিজ্ঞপ্তির আবেদনের সময়সীমা গত ৩০ এপ্রিলে শেষ হয়। এরপরও কোনো আবেদনপত্র জমা পড়েনি। যেহেতু তিনবারের বেশি কোটেশন বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নিয়ম নেই তাই টেন্ডারবিহীন থেকে যায় সেই তিনটি বাগান।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাগানগুলোর টেন্ডারের জন্য অনেকেই আবেদনের জন্য এসেছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে বাধা দেয়ায় বাইরের কেউ আবেদন করতে পারেনি। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৩টি বাগান লিজ নেয়ার জন্য ৩ হাজার টাকা জমা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের কাছে সেই আবেদন গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তৎক্ষণাত ফিরিয়ে দেয়। অবশেষে লিজ ছাড়াই সেই বাগানগুলো দখলে নেয় ছাত্রলীগ।

    কৃষি প্রকল্পের এক কর্মকর্তা বলেন, তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরেও কোনো আবেদনপত্র জমা না পড়ায় নির্বাহী আদেশের জন্য টেন্ডারের ফাইল উপ-উপাচার্যের কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত সেই ৩টি বাগান কেউ টেন্ডার পায়নি।

    এদিকে প্রশাসনের কাছে টেন্ডারের আবেদনপত্র ও জামানত কিছু জমা না দিলেও গাছের লিচু পেড়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে ছাত্রলীগের নেতারা। প্রতিদিনই বিভিন্ন গাছের লিচু পেড়ে স্থানীয় ছেলেদের দিয়ে বিক্রি করাচ্ছেন শাখা ছাত্রলীগের তিনজন নেতা। এর পাশাপাশি ছাত্রলীগের গার্ডরা গাছের নিচে অনুপস্থিত থাকলেই শিক্ষার্থীরাও লিচু পেড়ে খাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে ছাত্রলীগ নেতাদের চোখে ধরা পড়লেই শিক্ষার্থীদের নানা রকম হুমকি ও গালিগালাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন শিক্ষার্থীরা।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে মনির নামের স্থানীয় এক ছেলে লিচু বিক্রি করছে। প্রতি কেজি লিচু ২৪০ টাকা দামে বিক্রি করছে সে। তার বাড়ি বিনোদপুরেই।

    মনির জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা সারোয়ার আমাকে লিচু বিক্রির দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা কয়েকজন মিলেই লিচু বিক্রির কাজ করছি। এর বিনিময়ে প্রতিদিন লিচু ও মজুরি হিসেবে টাকা দেয়া হয়।’

    আম-লিচু বাগান দখলের সাথে জড়িত শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমরা বাগানগুলোর টেন্ডারের জন্য আবেদন করেছিলাম। যেহেতু অন্য কেউ টেন্ডার নেয়নি, তাই আমাদের আমাদের আবেদনই গ্রান্টেড হবে বলে মনে করেছিলাম।

    তবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বাগানগুলো থেকে প্রকাশ্যে লিচু পাড়তে দেখা গেলেও বরাবরই লিচু বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তারা।

    এ প্রসঙ্গে সারোয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের কেউ লিচু বিক্রির সাথে জড়িত না। স্থানীয় ছেলেরাই হয়তো এই কাজ করে ছাত্রলীগের নাম বলছে।’

    জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, বাগানগুলো দখল করার পরে আমাদের কাছে কয়েকজন আবেদন করেছিল। তাদের সেই আবেদনও আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তাদের ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। কারণ তারা আমাদের না জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাগানগুলো দখলে নিয়েছে। একজন শিক্ষার্থী কিভাবে একাজ করতে পারে তা আমাদের বুঝে আসে না। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলরকে আমি নোট দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

  • ছাত্রলীগ ‘সিন্ডিকেট’ শব্দের সঙ্গে পরিচিত নয় : সোহাগ

    ছাত্রলীগ ‘সিন্ডিকেট’ শব্দের সঙ্গে পরিচিত নয় : সোহাগ

    ছাত্রলীগ ‘সিন্ডিকেট’ শব্দের সঙ্গে পরিচিত নয়, এটা গুজব বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ। আগামী ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি তুলে ধরতে বুধবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ‘অভিযোগ আছে, সিন্ডিকেট দ্বারা ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রিত হয়। আসন্ন সম্মেলনে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব কি সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নেতৃত্ব তৈরি হবে নাকি অন্য পন্থায়?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ বলেন, ছাত্রলীগ ‘সিন্ডিকেট’ শব্দের সঙ্গে পরিচিত নয়। সিন্ডিকেট শব্দটি ব্যবহার হয় কেবল মাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে। দেশরত্ম শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডকে বিতর্কিত করতেই এই সিন্ডিকেট শব্দটি ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী। ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ম শেখ হাসিনা। তার নিদের্শেই ছাত্রলীগ পরিচালিত হয়। তিনি যে নির্দেশ দেন ছাত্রলীগ তা বাস্তবায়ন করে। দেশরত্ম শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীর নেতৃত্ব তৈরি হবে। এই নেতৃত্বই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। ছাত্রলীগ সিন্ডিকেট শব্দের সঙ্গে পরিচিতও নয়, তাই পরিচালিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না।

    এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি  ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক কাজী এনায়েত, এম আমিনুল ইসলাম, দফতর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শামীম, জগন্নাথ বিশ্বািবদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের নেতারা।

  • আমাকে কেউ বরখাস্ত করেনি : তুরিন আফরোজ

    আমাকে কেউ বরখাস্ত করেনি : তুরিন আফরোজ

    আমাকে নিয়ে একটি অতি উৎসাহী দৈনিক পত্রিকাতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত করা হলে সোশ্যাল মিডিয়াতে তা ভাইরাল করে আমাকে নিয়ে নানা কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। এটাও বলা হচ্ছে যে, আমাকে প্রসিকিউটর পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য :
    ১। আমি এখনও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদে বহাল আছি। আমাকে কেউ বরখাস্ত করেনি।
    ২। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ৮(২) ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটরের একজন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার এখতিয়ার রয়েছে। সুতরাং যে কোন মামলাতে তদন্ত করার এখতিয়ার আমার আছে। আর তদন্ত করতে গেলে নানা রকম কৌশল অবলম্বন করতে হয়। সুতরাং আমি তদন্তের স্বার্থে যে কোন প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণ করতে পারি।
    ৩। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমি এই পর্যন্ত প্রসিকিউটর হিসেবে যা কিছুই করেছি তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত ছিলেন।
    ৪। আমাকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সত্য নয়। যেহেতু বিষয়টি এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে দেখছেন তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। তদন্ত শেষ হলে আমি আমার বক্তব্য সর্ব সম্মুখে প্রকাশ করবো। আশা করি সেই পর্যন্ত আমার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমালোচকগণ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করবেন।

  • দীপিকাকে নিয়ে হাসাহাসি!

    দীপিকাকে নিয়ে হাসাহাসি!

    প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আর দীপিকা পাড়ুকোনের মধ্যে যে একটা রেষারেষি আছেই, তা জানা কথা! এ শুধু সংবাদমাধ্যমের দাবি নয়। বলিউডের অন্দরমহলে তাদের পেশাদার কারণে তৈরি হওয়া ঈর্ষা নিয়ে অনেকেই টিপুনী কেটে থাকেন!

    বিশেষ করে যেভাবে হলিউড নিয়ে টানাটানি চলছে দুই নায়িকার, তাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ব্যাপারটা অনেকটাই স্পষ্ট! কিন্তু এবার নিউইয়র্কে যা হল, তাতে প্রিয়াঙ্কার কাছে গুণে গুণে গোল খেলেন দীপিকা। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক মহল রীতিমতো হাসাহাসিও শুরু করল তাকে নিয়ে।

    হয়েছে কী, নিউইয়র্কের বিখ্যাত মেট্রেপলিটান মিউজিয়াম অব আর্টের বাৎসরিক সমাবেশ, যা কি না মেট গালা নামে পরিচিত, তার আসর বসেছিল সম্প্রতি। যা ডাকসাইটে তারকাদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টের জন্য বিখ্যাত। চোখ ধাঁধানো সাজে সেজে সেখানে নিজেদের মাহাত্ম্য জাহির করেন তারকারা। অবশ্যই হলিউডের এবং পাশ্চাত্যের ফ্যাশন দুনিয়ার সেলেব্রিটি তারা।

    এ বছরে সেখানে ভারতীয় বলতে ছিলেন কেবল প্রিয়াঙ্কা আর দীপিকা। প্রিয়াঙ্কা একদিকে বেছে নিয়েছিলেন কালচে লাল ভেলভেটের গাউন, সঙ্গে মধ্যযুগীয় টায়রা এবং ঘোমটার যুগলবন্দি। অন্যদিকে দীপিকা ধরা দিয়েছিলেন উজ্জ্বল লাল হাঁটুখোলা আধুনিক গাউনে। আর সেখানেই দেখা দিল বিপত্তি!

    কেন না, এই সমাবেশ প্রাচীন ফ্যাশনকে তুলে ধরার জন্য বিখ্যাত। পোশাক আধুনিক হলেও তাতে থাকতেই হবে ধ্রুপদী ছোঁওয়া। কিন্তু দীপিকার পোশাকে তা ছিল না। তাই শুরু হয়েছে হাসাহাসি- তিনি কি সামান্য নিয়মটুকুও জানেন না? তাছাড়া প্রিয়াঙ্কার পাশে যে তাকে নিতান্ত ম্লান দেখাচ্ছিল, তা তো ছবিই বলে দিচ্ছে!

  • খালেদার মামলায় আদালতে হট্টগোল, উত্তেজনা

    খালেদার মামলায় আদালতে হট্টগোল, উত্তেজনা

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। মামলার শুনানিতে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি এবং তীর্যক পার্শ্ব মন্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সাবমিশনে (বক্তব্য) সাময়িক ছেদ পড়ে।

    তবে আদালতের তাগিদ ও বিএনপির সিনিয়র আইনজীবীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, আপনার সমর্থকদের নিবৃত্ত করুন। খালেদা জিয়ার জামিনের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানিতে গতকাল এ ঘটনা ঘটেছে।

    এদিকে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলের অবস্থান ও এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, দুদকের মামলায় আইনে অ্যাটর্নি জেনারেলের জড়ানোর সুযোগ নেই। অ্যাটর্নি জেনারেল ও দুদকের আইনজীবী খালেদার জামিনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের শুনানি চলছে। অসমাপ্ত অবস্থায় শুনানি আজ পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

    প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ মামলা উপলক্ষে আপিল বিভাগের এক নম্বর বিচার কক্ষ আইনজীবী ও সাংবাদিকদের ভিড়ে ছিল জনাকীর্ণ। আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সাধারণ আইনজীবীদের চেয়ে আদালতে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের আধিক্য ছিল। শুনানিতে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, মীর মোহাম্মদ নাছির হোসেন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির সহস াধিক নেতা-কর্মী আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন।

    আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় খালেদা জিয়ার মামলাটি ৯ নম্বর ক্রমিকে ছিল। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এ মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। খালেদা জিয়াকে হাই কোর্ট যে চারটি যুক্তিতে জামিন দিয়েছিল, তিনি সেগুলো আদালতে পড়ে শোনান। তিনি এসব যুক্তি খণ্ডন করেন। তিনি হাই কোর্টের আদেশের নির্বাচিত অংশ আদালতে পড়ে শোনান। দুদকের আইনজীবী বলেন, খালেদা জিয়া সাজার পরে কারাগারে রয়েছেন। এই মামলায় এখন বিচারিক আদালতে বিচার চলছে না। বিচারিক আদালতে সাজার পরে তিনি জেলে আছেন। সাজা হওয়ার পরে আসামির বয়স ৭৩ বছর কোনো ফ্যাক্টর নয়। তাই এই পর্যায়ে এটি কোনো যুক্তি হতে পারে না। বিচারিক আদালতে বিচার চলাকালে এটি যুক্তি হতে পারে। কিন্তু সাজার পরে বয়স কোনো যুক্তি হতে পারে না। বিচারিক আদালতের বিচারক সাজা দেওয়ার সময় আসামির বয়সের বিষয়টি কিন্তু বিবেচনা করেছেন।

    দুদকের আইনজীবী বলেন, হাই কোর্ট আসামির সংক্ষিপ্ত সময়ের সাজা দেখে জামিন দিয়েছে। কিন্তু আসামি কতদিন জেল খেটেছেন, তা হাই কোর্ট বিবেচনায় নেয়নি। পাঁচ বছরের সাজার ক্ষেত্রে আড়াই বছর জেলে থাকলেও একটা কথা ছিল। তিনি বলেন, আসামির শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টিও এখানে বিবেচনায় আসবে না। কারণ জেলকোড অনুযায়ী তার ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে বিচারপতি মো. ইমান আলী বলেন, তাহলে সংক্ষিপ্ত সময়ের সাজা কি হাই কোর্ট বিবেচনা করতে পারবে না? দুদকের আইনজীবী বলেন, পারবে। তবে সেক্ষেত্রে শর্ট কাস্টডিও বিচেনায় নিতে হবে। বেলা ১১টা পর্যন্ত দুদকের আইনজীবী শুনানি করেন। এরপর আদালত বিরতিতে যায়।

    ১১টা ৪০ এ আবার আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১১টা ৫০ মিনিটে এই মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যায়ে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আবার শুনানি করেন। তিনি বলেন, যেসব ওষুধের তালিকা এখানে দেওয়া হয়েছে, আমার মনে হয় সেগুলো (রোগ) অতটা সিরিয়াস নয়। তারা কিছু পেপার কাটিং জমা দিয়েছেন। এতে চিকিৎসকের মতামত এসেছে। এই পর্যায়ে বেলা ১২টা ১ মিনিটে দুদকের আইনজীবীর বক্তব্য শেষ হয়। এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি শুরু করেন। তিনি জানান, হাই কোর্টে এ মামলার আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়েছে। যে কোনো সময় এ মামলার শুনানি হতে পারে। অ্যাটর্নি জেনারেল নিম্ন আদালতের নথির বিভিন্ন অংশ আদালতে পড়ে শোনান।

    এ পর্যায়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, তিনি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। এই মামলায় তিনি এসব (অপ্রাসঙ্গিক) কি বলছেন? আমরা এখানে জামিন শুনানির জন্য এসেছি। এ সময় বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা সমস্বরে ‘ইয়েস, ইয়েস’ বলে তাকে সমর্থন জানান। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য উপস্থাপন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে। তবে তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। পরে তিনি আবার মামলার নথি থেকে পড়ে শোনান। এ সময় খালেদা জিয়া নিম্ন আদালতে কতদিন উপস্থিত ছিলেন, কতদিন ছিলেন না, কতবার সময়ের আবেদন করেছেন; তিনি সে বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন।

    অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ ধরনের মামলায় পৃথিবীতে কেউ জামিন পায়নি। দুর্নীতির মামলায় ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলাকে ৭২ বছর বয়সে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক এক রাষ্ট্রপ্রধানকে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আইনের ক্ষেত্রে সবাই সমান। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ। তার বিশ্রাম দরকার। তিনি কারাগারে বিশ্রামে আছেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের এ বক্তব্যে আদালতে উপস্থিত আইনজীবীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

    অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, খালেদার এই মামলা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফেয়ার ট্রায়ালগুলোর মধ্যে অন্যতম। এ সময় আইনজীবীদের মধ্যে হাস্যরোলের সৃষ্টি হয়। জয়নুল আবেদীন দাঁড়িয়ে বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হয়ে তিনি এসব কথা বলতে পারেন না। এ পর্যায়ে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা ‘শেম, শেম’ বলে চিৎকার করেন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই মামলায় বিচারিক আদালতে পাঁচজন আইনজীবী শুনানি করেছেন, যুক্তিতর্ক করেছেন। আর কোনো ক্রিমিনাল মামলায় এমন হয়নি। এ সময় খন্দকার মাহবুব দাঁড়িয়ে বলেন, আমরা জামিনের শুনানির জন্য এসেছি। এসব কি? আইনজীবীরা সমস্বরে চিৎকারে তাকে সমর্থন দেন।

    প্রধান বিচারপতি বলেন, বলতে দিন। আপনারাও সুযোগ পাবেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, জেলকোডে জেলখানায় সেবক রাখার বিধান নেই। কিন্তু খালেদা জিয়াকে সেবক দেওয়া হয়েছে। এই পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য শেষ হয়। তখন বেলা একটা। পরে খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী শুনানি করেন। তিনি এই মামলায় অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

    দুদক আইনের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ উদ্দেশ্যে শুনানি দীর্ঘায়িত করেছেন। এ সময় আইনজীবীরা তাকে সমস্বরে সমর্থন জানান।

    বিচারপতি মো. ইমান আলী বলেন, আপনি শুনানি করছেন, আপনার সমর্থকদের নিবৃত্ত করুন। প্রধান বিচারপতিও অনুরূপ কথা বলেন। এ সময় এ জে মোহাম্মদ আলী ও খন্দকার মাহবুব আইনজীবীদের নিবৃত্ত করেন। আইনজীবীরা বলেন, আমরা সমর্থক নই, আইনজীবী। এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, হাই কোর্ট জামিন দিয়েছে, আপিল বিভাগ তাতে হস্তক্ষেপ করেছে এমন একটি মামলাও নেই। ডিএলআরে আসেনি এমন একটি মামলা ‘দুদক বনাম মশিউর রহমান’ এর রেফারেন্স দিয়ে তিনি বলেন, এই মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশ আপিল বিভাগ প্রথম দিনই বহাল রেখেছিল। হাই কোর্ট জামিন দিলে তাতে হস্তক্ষেপের ঘটনা ভারতের সুপ্রিম কোর্টেও নেই।

    উল্লেখ করা যায়, ১৯ মার্চ আপিল বিভাগ খালেদা জিয়াকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশ ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করে। ১২ মার্চ খালেদা জিয়ার আবেদনের শুনানি নিয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তাকে ৪ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয় হাই কোর্ট। ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। শুনানি করে ১৯ মার্চ খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগ। ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেয়। সেদিন থেকে তিনি কারাগারে।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার বিতরন

    সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার বিতরন

    বরিশাল মহানগরীর ১১ নং ওয়ার্ডে যুবরত্ন  সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে ,পবিত্র মাহে রমজান এর ইফতার,ও সেহরীর সময়সূচী সম্বলীত (হাদিয়া) ক্যালেন্ডার বিতরন করা হয়।

    ক্যালেন্ডার বিতরন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী সহ ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন এর নেতাকর্মীরা।

    এসময় যুবরত্ন  সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে যেন বিসিসি নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দেয়া হয় সেজন্য সকলের নিকট দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করা হয়।

  • ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের

    ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর করেছেন। ক্রেমলিন প্রেস-সার্ভিস একথা জানিয়েছে। এর আগে পুতিন ক্রেমলিনে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরবর্তী ছয় বছরের জন্য প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে শপথ গ্রহণ করেন। খবর তাসের।
    পুতিন দ্বিতীয় ছয় বছর মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর পুতিন ২০১২ সালের ৭ মে’র একাদশ ডিক্রির ঐতিহ্য অব্যাহত রাখতেই তিনি এটিতে স্বাক্ষর করেন। এতে আসন্ন বছরগুলোতে দেশটির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রধান কাজগুলোর ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়েছে।
    রাশিয়ার জাতীয় লক্ষ্য ও উন্নয়ন কৌশল বিষয়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের এ ডিক্রিতে বলা হয়, মস্কো ২০২৪ সাল নাগাদ বিশ্বের পাঁচটি বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের গ্রুপে যোগ দেবে। এতে রাশিয়ার উন্নয়নে বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। আর এসব লক্ষ্য রুশ সরকার ২০২৪ সাল নাগাদ অর্জন করবে। তাস।
  • আজ পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ ৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী দেশবরেণ্য বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার নবম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে আজ বুধবার উপজেলার ফতেপুরে তাঁর গ্রামের বাড়িতে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও ড. ওয়াজেদ মিয়া ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে দিবসটি পালিত হবে বলে জানা গেছে।
    পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পন করা হবে। এরপর ফতেপুরে ‘জয় সদন’ চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ৯ মে ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী উপজেলার নিজ গ্রাম ফতেপুরে মিয়াবাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আব্দুল কাদের মিয়া ও মাতা ময়জন্নেছার পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    আমি মো: হারুন বেপারি, সাধারন সম্পাদক বরিশাল জেলা লৌহ শ্রমিক ইউনিয়ন।গত ৮ই মে বরিশালের অনলাইন নিউজ সকালের সংবাদ সহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় ‘‘লৌহ শ্রমিক নেতার সরকারি খাল দখলে নতুন কৌশল “ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, আমি এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাচ্ছি।

    উল্লেখিত শিরোনামের সংবাদের সাথে আমার কোনও সম্পর্ক নাই।এটা একটি ভিত্তিহীন,ভূয়া এবং অসত্য সংবাদ।আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করার উদ্দ্যেশে একদল কুচক্রি মহল আমার প্রতি ইর্ষান্বীত হয়েেএই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করেছে।  আমি এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাচ্ছি।