Author: banglarmukh official

  • পিরোজপুরে ২৭ কোটি টাকার কষ্টিপাথরসহ গ্রেফতার ৩

    পিরোজপুরে ২৭ কোটি টাকার কষ্টিপাথরসহ গ্রেফতার ৩

    পিরোজপুরের নাজিরপুর থেকে ২৭ কোটি টাকা মূল্যের কষ্টিপাথরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৬) সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ভিমকাঠী গ্রামের ভিমকাঠী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৬ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এএমএম জাহিদুল কবীর।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নাজিরপুর থানার পূর্ব ভিমকাঠি গ্রামের মৃত সোবহান শেখের ছেলে আব্দুর রহমান (৫৫), একই থানার কাটাকানিয়া গ্রামের আজাহার আলী শেখের ছেলে কিবরিয়া শেখ (৪২) ও মধ্য জয়পুর কালীবাড়ী গ্রামের মৃত নির্মল বড়ালের ছেলে নিশিত বড়াল।

    নাজিরপুর থানা পুলিশের ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ এর ডিএডি মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ভিমকাঠী গ্রামে অভিযান চালিয়ে ২৭ কেজি ওজনের একটি কষ্টিপাথরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।

    জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেলে নাজিরপুর থানায় তাদের সোপর্দ করে এবং এই ঘটনায় নাজিরপুর থানায় একটি মামলা করা হয়ছে বলে জানান ওসি মো. হাবিবুর রহমান।

  • বরিশালে ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু

    বরিশালে ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যু

    বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশায় ট্রাক্টর উল্টে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪ টার দিকে মাধবপাশা ইউনিয়নের যাত্রাঘাটা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহতরা হলো, মাধবপাশার জমিদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা হানিফ ফকির (৩৫) ও তার ছেলে মাধবপাশা হাইস্কুলের ৬ ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র সাব্বির (১০)।

    নিহত দ্বয়ের স্বজন আরিফুর রহমান রাজিব জানান, ট্রাক্টরে চরে বাবা ছেলে বাড়ির দিকে আসছিলো। পথিমধ্যে যাত্রাঘাটা নামক এলাকায় ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে উল্টে যায়। এতে চাঁপা পরে ঘটনাস্থলেই হানিফ ফকিরের মৃত্যু হয়। তার ছেলে ছাব্বিরকে মুমর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক বিকেল ৫ টার দিকে মৃত ঘোষনা করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন।

  • চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর

    চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর

    শেখ সুমন :

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় খাদিজা আক্তার নামে নয় মাসের অন্তঃসত্বা এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে তার গর্ভে থাকা সন্তানটিরও মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলার গাইনি ওটিতে ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এসময় রোগীর ক্ষুব্ধ স্বজনরা ওটির প্রবেশদ্বার ভাঙচুর করলে রোগীর স্বজন ও ইন্টার্নি চিকিৎসকের সাথে মারামারি হয়।

    মৃত খাদিজা আক্তারের স্বামী পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ শাকিল বলেন, ‘আগামী ২৬ মার্চ আমার স্ত্রীর ডেলিভারির তারিখ ছিল। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকদের কাছে একটি ইনজেকশন না থাকায় খাদিজাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুর ১২টার দিকে ভর্তি করা হয়। ওই সময় থেকেই খাদিজা গুরুতর অসুস্থ থাকায় আমি একাধিকবার চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানাই। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত ও প্রয়োজনীয় ওষুধ জোগাড় করে রাখি। বিকাল ৩টায় থেকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার কথা বললেও তা নেয়া হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে খাদিজাকে অপারেশন থিয়েটারে নিতে বলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সেখানে গিয়েও কোনো চিকিৎসকের দেখা মিলেনি। অবস্থা বেগতিক হলে সেখানে থাকা সেবিকাদের বলা হলে তারা চিকিৎসকের কাছে যেতে বলেন। তৃতীয় তলায় গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে উপরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে তারা সিনিয়র চিকিৎসক ছাড়া যেতে পারবেন না বলে জানান। একপর্যায়ে চিকিৎসককে ধরে টান দিলে অন্য চিকিৎসকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারধর শুরু করেন। পা ধরে অনুরোধ করার পরও তারা আমাকে অনবরত মারধর করতে থাকেন। একপর্যায়ে আমার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পাই। এসময় আমার শ্যালক রিয়াজ উদ্দিন ক্ষুব্ধ হয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনের একটি দরজার গ্লাস ভেঙে ফেলে। তারপর শত অনুরোধেও শিশু সন্তানটিকেও বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি চিকিৎসকরা।’

    তিনি আরো বলেন, ‘অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার পর থিয়েটারের মধ্যে কয়েকজন সেবিকার দেখা পাওয়া যায়। তাদেরকেও বলা হয় বিষয়টি। তবে তারা ব্যস্ত ছিলেন লুডু খেলায়।’

    তবে এসব বিষয় অস্বীকার করেছেন ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. নাহিদ হাসান। বলেন, রোগীটি মূমুর্ষ অবস্থায় এখানে ভর্তি হয়। তার প্রেশার বেড়ে যাওয়ায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে প্রেশার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। কিন্তু রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকলে জরুরিভিত্তিতে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। আর অপারেশন টেবিলে ওঠানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। ফলে বাচ্চাটিকেও বাঁচানো যায়নি। কিন্তু এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রোগীর স্বজনরা অপারেশন থিয়েটার ভাঙচুর ও ইন্টার্নি চিকিৎসকদের মারধর করে।

    এই বিষয়ে শেবাচিম হাসাপাতালের গাইনি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন জানান, খাদিজা এ্যাটলামসিয়ার রোগী। তার প্রেশার অত্যাধিক বেশি ছিল। এই ধরনের রোগীর অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল হয়। চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল না।

  • রোনালদোই বিশ্বসেরা ফুটবলার!

    রোনালদোই বিশ্বসেরা ফুটবলার!

    বিগত ১০ বছর ধরেই চলে আসছে একই বিতর্ক- এই মুহূর্তে ফুটবল বিশ্বের সেরা পারফর্মার মেসি না রোনালদো?  যদিও বিশ্ববাসী আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির ড্রিবলিং, পাসিং ও পায়ের জাদুতে মুগ্ধ। এদিকে, পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কোন বিতর্ক-বিশ্লেষণ নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন। রোনালদো নিজেই জানিয়ে দিলেন, ‘এই মুহূর্তে আমিই বিশ্বসেরা’। রোনালদোর বিশ্বাস তার চেয়ে ভালো ফুটবলার বিশ্বে কেউ নেই। বছরের সেরা পর্তুগিজ ফুটবলারের পুরস্কার নিতে এসে একথা বলেন তিনি।

    এদিন লা লিগায় জিরোনার বিপক্ষে একাই চার গোল করা সদর্পে ঘোষণা করে সি আর সেভেন বলেন, ‘আমি সব সময় বলি যে, আমিই সেরা এবং সেটা আমি মাঠে প্রমাণও করে যাচ্ছি।’

    সেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে গর্বিত ভাবে রোনালদো আরও বলেন, ‘দারুণ একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। সতীর্থদের সঙ্গে এই আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিতে চাই। ব্যক্তিগত এবং দলগত- দুদিক দিয়েই ২০১৭ ছিল আমার এবং রিয়াল মাদ্রিদের জন্য দারুণ সফল একটা বছর। গত বছর পাঁচটা ট্রফি জিতেছে রিয়াল। আমি পঞ্চম ব্যালন ডি’অর জিতেছি। দ্বিতীয় বার ফিফার বর্ষসেরা হয়েছি। সব মিলিয়ে অসাধারণ একটা বছর।’

    পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে রোনালদোর সঙ্গে ছিলেন তার বান্ধবী জর্জিনা রদ্রিগেজ। ২০১৭ সালের সেরা পর্তুগিজ ফুটবলার বেছে নিয়েছেন ফুটবল ভক্ত, কোচ, ফুটবলাররা মিলে। একটি বিশেষ বিচারকদের দলও ছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন লুইস ফিগো। এই নিয়ে তৃতীয় বার তাদের দেশের সেরা ফুটবলারকে পুরস্কৃত করল পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন। তিন বারই সেই পুরস্কার জিতেছেন রোনালদো। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে খেলা বার্নার্দো সিলভা এবং স্পোর্টিং লিসবনের গোলরক্ষক রুই প্যাত্রিসিও। তারা দুজন যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সেরা হয়েছেন।

  • ১৫ দিন ধরে ২ কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৭

    ১৫ দিন ধরে ২ কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৭

    দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতের ছড়িশগড় পুলিশ৷ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ছড়িশগড় ও মধ্যপ্রদেশের সীমান্তবর্তী কোরিয়া জেলায়৷

    অভিযোগ, ১৫ দিন ধরে নয় যুবক মিলে সেই দুই কিশোরীকে লাগাতার গণধর্ষণ করে৷ পরে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে৷ বাকি দু’জনের খোঁজ করা হচ্ছে৷

    পুলিশ জানিয়েছে, আটকেরা হল অভিজিত পাল(২০), আসরাফ আলি(২৩), মনোজ কুমার(২৮), হেমরাজ পানিকা(২০), অবনীশ(২৮), জিতেন্দ্র কুমার রাই(২৬) এবং রাকেশ কুমার(২৩)৷ এদের মধ্যে অভিজিত এক কিশোরীর পূর্বপরিচিত৷

    ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা সেই কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে খোংগাপানি এলাকার একটি শুনশান জায়গায় নিয়ে যায়৷ কিশোরীর সঙ্গে তার বন্ধুও ছিল৷ তাকেও সঙ্গে করে নিয়ে যায় অভিজিত৷ সেখানে অভিজিতের আরও আট বন্ধু হাজির হয়৷ এরপর নয়জন মিলে ১৫দিন ধরে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ করে৷

    কোরিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিবেদিতা শর্মা জানিয়েছেন, গত ৪ মার্চ অভিজিত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই কিশোরীকে ডাকে৷ তাকে কোরিয়া থেকে নিয়ে যায় লেদরি ও বিজুরি গ্রামে৷ এই ১৫দিনে অভিজিত ও তার আট বন্ধুরা মিলে তাকে গণধর্ষণ করে৷ সেই কিশোরীর সঙ্গে এক বন্ধুও গিয়েছিল৷ তাকেও তুলে নিয়ে যায় তারা৷ সোমবার গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বিজুরি রেল স্টেশনের কাছে উদ্ধার করা হয়৷

    এই ঘটনায় পুলিশ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে৷ বাকি দু’জন পলাতক৷ তাদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ৷ আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির গণধর্ষণ, অপহরণ, জোর করে আটকে রাখা, বিয়ের জন্য বাধ্য করা ইত্যাদি এবং পসকো ধারায় মামলা দায়রে করেছে৷

  • হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠাতার টুইট ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    হোয়াটসঅ্যাপ প্রতিষ্ঠাতার টুইট ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    #DeleteFacebook ৷ এই হ্যাশট্যাগ রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছে টুইটারে ৷ ফেসবুক বন্ধ করার দাবিতে উঠেপড়ে লেগেছেন সকলে ৷ এমনকী, টুইটার ট্রেন্ডেও একেবারে প্রথমের সারিতে উঠে এসেছে এই হ্যাশট্যাগ বিপ্লব ৷

    বিপ্লবের সূত্রপাত বিরেইন অ্যাক্টনের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ৷ হোয়াটসঅ্যাপের সহ প্রতিষ্ঠাতা বিরেইন টুইটারে ‘It is time. #deletefacebook’ পোস্ট করেন ৷ বেরেইন টুইটারে তার ফলোয়ারদের উদ্দেশে বলেন, এটিই সঠিক সময় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করার ৷

    সম্প্রতি ফেসবুক নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রকাশ্যে আসে ৷ কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নামে একটি সংস্থা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক থেকে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার করছে ৷ গত দু’দিন ধরে একাধিক নিউজ চ্যানেলের স্টিং অপারেশনে উঠে এসেছে এই তথ্য ৷ প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষের তথ্য নিয়ে নয়ছয় করেছে ওই সংস্থাটি ৷

    একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা রিসার্চের প্রধান ক্রিস্টোফার উইলি সম্পূর্ণ বিষয়টি ফাঁস করেন ৷ কীভাবে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যই আপনার প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে তা শুনলে হতবাক হবেন ৷

  • ‘খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে নির্বাচনে জেতার স্বপ্ন দেখছে আ.লীগ’

    ‘খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে নির্বাচনে জেতার স্বপ্ন দেখছে আ.লীগ’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় আসতে চায়। তাই এ সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আওয়ামী লীগ জাতীয় নির্বাচনের যে স্বপ্ন দেখছে তাদের সেই স্বপ্ন বাংলার মানুষ কখনোই পুরন হতে দেবেনা।

    মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব কে এম ওবায়দুর রহমানের ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকেলে নগরকান্দার লস্করদিয়া শামা ওবায়েদ ডেইরি ফার্ম মাঠে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত নির্বাচনে কোন ভোটই হয়নি, হাসিনা তার শরীকদের নিয়ে আসন ভাগাভাগি করে নিয়েছে। তিনশ’ আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশী আসন আগেই ভাগ করে নেয়া হয়েছে। যেখানে ভোট হয়েছে সেখানে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল না। এই সরকার বিনা ভোটের সরকার। এই সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় রয়েছে।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু তার বক্তব্যে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত এক সাজানো মামলা দিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে।

    নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী খান বুলুর সভাপতিত্বে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, শরিয়তপুর-১ আসনের সাবেক এমপি নাসিরউদ্দিন কালু, ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইকবাল হোসেন সেলিম, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সালথা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান তালুকদার, শওকত আলী শরীফ, ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

    এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ অতিথিরা মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

  • ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ অমিতাভ

    ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ অমিতাভ

    সম্প্রতি টুইটার ব্লগে ভারতীয় আইন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিগ বি। স্পষ্ট ভাষায় লিখলেন, “বাবার মৃত্যুর পরে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সব কিছুর অধিকারই তাঁর”।  কড়া ভাষায় এভাবেঈ নিজের মতামত জানিয়ে দিলেন অমিতাভ বচ্চন।

    আসলে অমিতাভ আক্রমণ করেছে ভারতীয় ‘কপিরাইট ল’ আইন ব্যবস্থাকে। ১৯৫৭ সালে প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী, সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীত বা কোনও শিল্পকর্মের স্রষ্টার মৃত্যুর ৬০ বছর পরে তার কোনও সৃজনকর্মের অপরেই আর তার বা তার পরিবারের অধিকার থাকবে না। তা যে কেউ পুনরুপস্থাপন করতে পারবেন। এই আইনি ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ বিগ বি।

    প্রসঙ্গত, অমিতাভ বচ্চনের বাবা,স্বনামধন্য কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। তার রচিত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল ‘মধুশালা’, ‘অগ্নিপথ’, ‘রুকে না তুম’। উল্লেখ্য হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু হয় ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি।

    তাই বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনের রচিত কবিতাগুলিও আর তার পরিবারের থাকবে না। তার রচিত সমস্ত কবিতা হয়ে যাবে বিশ্ববাসীর। এবং তা নিয়ে যে যা খুশি করতে পারে। এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

  • শহিদ কাপুরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্ত্রী

    শহিদ কাপুরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্ত্রী

    শহিদ কাপুরকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন তার স্ত্রী মীরা রাজপুত। ভাবছেন, শাহিদ-মীরাকে বি-টাউনের অন্যতম ‘লাভ-কাপল’ বলা হলে তাদের মধ্যে এমনটা হওয়া সম্ভব নয়। অসম্ভব মনে হলেও এটি সত্যি ঘটনা ৷

    জানা গেছে, ‘পদ্মাবত’ ছবির শুটিংয়ের সময় কাজ শেষ করে শহিদ বাড়ি ফিরতেন সকাল ৮টায়। দুপুর প্রায় দুটো পর্যন্ত ঘুমোতেন শাহিদ। শুটিংয়ের কঠিন শিডিউল ছিল সেই সময়। ফলে সকাল ৮টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত যাতে শাহিদ ঘুমোতে পারেন, সেই চেষ্টাই করতেন মীরা।

    কিন্তু, শহিদ কন্যা মিশা সেই সময় খেলতে শুরু করত। শহিদের ঘরে গিয়েই চলত তার খেলা। মীরা অনেক চেষ্টা করেও মেয়েকেও থামাতে পারতেন না। যার জেরে শাহিদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটত। শহিদের যাতে কাজের ক্ষতি না হয়, সেই কারণেই তাকে বাড়িতে নয় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেন মীরা ৷ সেই কারণে গুরুগ্রামের একটি পাঁচতারা হোটেলে শহিদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ৷

  • দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

    দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর

    দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষার-প্রবাদটি তো সকলেরই জানা ৷ তবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের করা সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। দুধ ও কলা আলাদা আলাদাভাবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু একসঙ্গে খেলে তা বরং আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক হতে পারে ৷ জেনে নিন দুধ কলা একসঙ্গে খেলে কী হয়-

    ১। দুধ ও কলা আলাদা দুই ধরনের দুটি খাবার। দুধে প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২ এবং রিবোফ্লেভিন ও ক্যালসিয়ামের মত খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি ১০০গ্রাম দুধে রয়েছে ৪২ক্যালরি । যদিও ‘সুষম খাদ্য দুধ’ কথাটি এখন যথার্থ মনে হয় না কারণ দুধে ভিটামিন সি, হজম আঁশ নেই। সেই সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও কম।

    ২। অন্যদিকে, কলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন সি, পাচক আঁশ, পটাশিয়াম এবং বায়োটিন আছে। প্রতি ১০০গ্রাম কলায় ৮৯ ক্যালরি থাকে। কলা আমাদের পাকস্থলিকে ভারী করে রাখে এবং আমাদেরকে অনেকক্ষণ ‘পেট ভরা’ অনুভূতি দেয়।

    ৩। অনেকেই মনে করেন কলা ও দুধ একসঙ্গে খাওয়া ভাল। কিন্তু গবেষণা বলছে এমনটা ঠিক না। গবেষণাটির মতে, দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা যে শুধু আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা করে তাই নয়। তা আমাদের সাইনাসের শোষনকেও ব্যাহত করে। এটা আমাদের সাইনাসের সমস্যা সৃষ্টি করে এবং অ্যালার্জির কারণও হতে পারে। তাই

    ৪। অনেকে দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া অনেকেই সমর্থন করলেও দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে আমাদের বমি বমি ভাব আনতে পারে। এমনকী তা আমাশার কারণও হতে পারে।

    ৫। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রেও দুধ ও কলা একত্রে খাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। দুধ ও কলা একঙ্গে খেলে আমাদের দেহে টক্সিফিকেশন হতে পারে যা দেশের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। সেই সঙ্গে দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে তা আমাদের মধ্যে গুরুতর হতাশা তৈরি করতে পারে এবং আমাদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

    তাই গবেষকরা বলছেন দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া যাবে না। যদি আপনি কোন শারীরিক অনুশীলনের আগে বা পরে দুধ-কলা খেতে চান তাহলে দুধ খাবার অন্তত ২০মিনিট পর কলা খেতে পারেন। আর যদি দুগ্ধজাত কোনও খাবারের সঙ্গে কলা খেতে চান তবে দই এর সঙ্গে খেতে পারেন।