Author: banglarmukh official

  • আমি মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছি : জাফর ইকবাল

    আমি মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছি : জাফর ইকবাল

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিরে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, আমি জানতাম না দেশের মানুষ আমাকে এতো ভালোবাসে। এ আঘাত না পেলে বিষয়টি আমার অজানাা থাকতো।

    বুধবার দুপুর দেড়টায় ক্যাম্পাসে ফিরে নিজ বাসভবনের নীচে এসে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন তিনি।

    এ সময় তার সাথে থাকার জন্য গণমাধ্যম কর্মীদেরও ধন্যবাদ জানান তিনি। এসময় তার সাথে অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক ও তার মেয়ে ইয়েশিম ইকবালও উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে অধ্যাপক জাফর ইকবালকে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শাবিপ্রবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এসময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। এরপর এয়ারপোর্ট থেকে সোজা শিক্ষক কোয়ার্টারে নিজ বাসভবনে পৌঁছান তিনি।

    এ সময় জাফর ইকবাল বলেন, আমি আমার পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। কারো প্রতি তার কোনো ধরনের ক্ষোভ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এসেছি।

    এদিকে, ড. ইকবালের ক্যাম্পাসে ফেরা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা করে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে দেখা হচ্ছে। তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

    অল্প পরিসরের মাধ্যমে স্যারকে বরণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক রিতেশ্বর তালুকদার বলেন, ‘সবাই আলাদাভাবেই স্যারের কাছে চিঠি লিখছে। এছাড়া স্যারকে নিয়ে আাঁকা বিভিন্ন ছবিও দেওয়া হবে। মুক্তমঞ্চে স্যার সবার সঙ্গে কথা বলবেন এবং পরবর্তীতে নিজ বিভাগে আসবেন।’

    প্রসঙ্গত, গত ৩ মার্চ বিকেলে ইইই ফেস্টিভাল চলাকালীন সময়ে ছুরিকাহত হন ড. জাফর ইকবাল। ওই দিন রাত থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজকে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়।

  • শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা- বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার,আটক-২

    শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা- বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার,আটক-২

    কাশিপুরে ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিমা কাশিপুর ২ নং ইউনিয়নের গণপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংরক্ষিত কাউন্সিলার রাশিদা বেগমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া।

    গতকাল গণপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ গজ পিছনে হাওলাদার বাড়ীর পারিবারিক গোরস্থান থেকে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বস্তাভর্তি শিমার লাশ উদ্ধার করে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোসামৎ লিমা আক্তার জানান, স্কুলের ৩য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিমা আক্তার। রোল নং ২৫। তিনি আরো জানান, একই ক্লাসে পড়য়া শিমার ভাই আবু সায়েম ও স্কুলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে জানিয়েছেন গত সোমবার শিমা আক্তার টিফিন পিরিয়ডে পার্শ্ববতী দোকানে বসা ছিলেন। এর পরে আর শিমা স্কুলে আসেননি।

    শিমার ভাই আবু সায়েম বাড়ীতের গিয়ে বোনকে না দেখে মায়ের কাছে বলেন শিমা লেইজারের সময় ক্লাস থেকে বের হয়েছেন এরপরে আর ক্লাসে ফিরে নাই। শিমার মা স্কুলে এবং বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোঁজি করে শিমাকে না পেয়ে স্কুলের পক্ষ থেকে বরিশাল এয়াপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গতকাল স্কুলের মাত্র ২শ গজ দূর থেকে শিমার বস্তা বন্দি লাশ স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থাল থেকে লাশ উদ্বার করে বরিশাল শের- ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্ত করার জন্য প্রেরণ করেন। এদিকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ করে হত্যার অভিযোগে স্কুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা কালু ও পারভেজ নামে দুইজনকে আটক করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    আজ শিমা হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে কাশিপুর গণপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করবেন বলে জানান স্কুলের প্রধান শিক্ষক লিমা আক্তার। এদিকে স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে স্থানীয় এবং স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, কোন শিক্ষার্থীকে স্কুলের টয়লেট ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না। স্কুলের টয়লেট তালা দিয়ে রাখে শিক্ষকরা। স্কুলের পাশে জনাজীর্ন টয়লেট ব্যবহার করার জন্য শিক্ষার্থীদের পাঠান। টয়লেট ব্যবহারের উপযুক্ত না বিধায় মেয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলের পার্শবত্বি বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে যেতে হয় আর প্রতিনিয়ত মেয়ে শিক্ষার্থীরা যৌনহয়রানীর শিকার হয়ে আসছেন।

    স্থানীয় এবং স্কুলের একাধিক অভিভাবকদের দাবী, শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনার কারনেই শিমা প্রতিদিনের নেয় সোমবারও টিফিন পিরিয়ডের বিরতির সময় পাশ্ববর্তী বাড়িতে বাথরুমে যাওয়ার কারনেই আজ এই হত্যাকান্ড ঘটনা ঘটে। স্কুল কর্তৃপক্ষকে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীরা জানালেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারনে মুখবুঝে থাকতে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা।

    এ অভিযোগ প্রধান শিক্ষক অস্বিকার করে বলেন, স্কুলে পাশের মসজিদের টয়লেট বন্ধ থাকে; আর স্কুলের টয়লেট সব সময় খোলা রাখেন।

  • ৫ সিটি কর্পোরেশনে ভোটে আপত্তি নেই সরকারের

    ৫ সিটি কর্পোরেশনে ভোটে আপত্তি নেই সরকারের

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, কোনো মামলা না থাকলে নির্বাচন করার দিকেই এগোতে বলবেন ইসিকে।

    গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের মেয়াদ এই বছরই শেষ হচ্ছে। গাজীপুরের ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর ও বরিশালের ২৩ অক্টোবর মেয়াদ ফুরোচ্ছে।

    স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যে কোনো সময় ভোট করতে হবে।

    সেই সময় চলে আসায় ইতোমধ্যে ইসির পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়ে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।

    তারই পরিপ্রেক্ষিতে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “আইনের বাধ্যবাধকতা আছে। আমরা যদি নির্বাচন না করি, তবে আইন পরিবর্তন করতে হবে।

    “আমরা চিন্তা করছি বাধাটা কোথা থেকে আসতে পারে। আমরা ডিভিশনাল কমিশনারদের কাছে জানতে চেয়েছি- এসব সিটি কর্পোরেশনে কোনো মামলা-মোকদ্দমা আছে কি না? কেউ যদি মামলা-মোকদ্দমা করে থাকে তবে তো আমরা নির্বাচন করতে পারব না।”

    এরপরই তিনি বলেন, “আমরা এই রিপোর্টটি পেলে নির্বাচন কমিশনকে বলব তাদের সুবিধামতো সময়ে নির্বাচন করতে। তারা যদি পারে একসঙ্গে পাঁচটাতেই করুক। তারা যদি পর্যায়ক্রমে করতে চায়, তাতেও আমাদের তো কোনো আপত্তি থাকবে না।”

    বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই প্রতিবেদন পেয়ে যাওয়ার আশা করছেন খন্দকার মোশাররফ।

    চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরে পৌরসভার কর্মীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা চাকরি নিল পৌরসভায়। স্থানীয় সরকারের সেলফ গভর্নিং বডি তারা। নিজস্ব আয়ে চলে, নিজস্ব বাজেট আছে। সরকার তাদের নিয়ন্ত্রক।

    “এখন তারা কোন উদ্দেশ্যে, কী জন্য এটা করছে, আমার বুঝতে একটু অসুবিধা হয়। সরকারের শেষ সময়, রাস্তায় দাঁড়ালাম, চাপ দিলাম, সরকার রাজি হয়ে গেল। এই রাজি হওয়া কি সম্ভব? আইন-কানুন পরিবর্তন না করে এটা কি করা যাবে?”

    তবে মন্ত্রী পৌরসভার কর্মীদের অসুবিধার বিষয়টিও স্বীকার করেন। “জাতীয় সব গ্রেডের বেতন প্রায় ডাবল হয়ে গেছে। কিন্তু পৌরসভাগুলোতে এখনও অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য আসেনি, ইনকামও বাড়েনি। আমরা একটা কাজ করতে পারতেছি যে একটা সিড মানি তাদের দেওয়া যায় কি-না।

  • বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

    বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় এসআইসহ ৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

    বরিশাল মেট্রো পলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) কর্তৃক সাংবাদিক হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ৮ পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন কমিশনার এস.এম রুহুল আমিন।

    ডিবির নির্যাতনে গুরুত্বর আহত সুমন শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতিত সুমন বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি’র বরিশাল অফিসের ক্যামেরাপারর্সন।

    সুমন জানিয়েছেন, নির্যাতনের সময়ে তার গোপনাঙ্গে মারাত্মক আঘাত করেছেন ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার।

    ঘটনার বর্ননায় বলেন, সুমনের ভাগ্নেকে আটক করা হয়েছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল বিউটি সিনেমার গলিতে বিষয়টি জানতে যান ডিবিসি নিউজরে ক্যামেরাপার্সন সুমন। তখন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে হঠাৎ ক্ষেপে যান এসআই আবুল বাশার। তিনি সুমনের ভাগ্নেকে আটকে রেখে মারধর করতে শুরু করেন সুমনকে। এসময়ে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে সন্ত্রাসী স্টাইলে পিটাতে থাকে বলেও দাবী সমুনের।

    সুমন জানায়, ডিবিসি চ্যানেলের কার্ড দেখালে মারধরের পরিমান আরও বেড়ে যায়।

    তিনি বলেন, আমার গোপনাঙ্গে বারবার আঘাত করছিল আর বাশার বলছিল ‌তোরে আজ স্পট ডেট কইরা ফালামু। ঘটনাস্থলে স্থানীয়রা ভিড় করলে দ্রুত সুমনকে গাড়িতে তুলে নেয় এসআই বাশার ও তার সঙ্গীয় ফোর্স। গাড়িতে তুলেও পিটাতে পিটাতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে।ডিবি অফিসে নিয়েও তার হাত-পা বেধে পেটায়।

    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, চিকিৎসার জন্য সুমনকে নিয়ে আসার সময়ে ওই ডিবি টিম কর্তৃক লাঞ্ছনার শিকার হন আরও কয়েকজন সাংবাদিক।

    এ ঘটনায় এসআই আবুল বাশারসহ ৮ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের সহকারি কমিশনার (এসি) মো. শাখায়াত হোসেন।

  • বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়ে যা বললেন পুলিশ কমিশনার

    বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতনের বিষয়ে যা বললেন পুলিশ কমিশনার

    বরিশালে বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কতিপয় সদস্য কর্তৃক অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে কথা বললেন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন।

    তিনি বলেন,  সুমন হাসানকে নির্যাতনের ঘটনায় বুধবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এডিসি রুনা লায়লাকে প্রধান করে এই কমিটিকে বৃহ্ষ্পতিবারের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বুধবার দুপুরে একটি হত্যাকান্ডের ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সুমনের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানান।

    এসময় তিনি বলেন, তদন্তে কার কতটুকু দোষ এটা দেখে অপরাধ অনুযায়ী বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশাল পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কিছু খারাপ থাকতে পারে। আমরা চাইবো তারা সংশোধন হবে তারা থাকবে নয়তো চলে যাবে। তিনি বলেন, আমি সাধারণ মানুষের অপরাধ যে চোঁখে দেখি, পুলিশ সদস্যদের অপরাধও একই দৃষ্টিতে দেখি। কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি হবে। ভালো খারাপ সব জায়গাতেই রয়েছে।

    এদিকে নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাব ও বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি। আলাদা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনদুটির নেতৃবৃন্দ সুমনের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে তদন্ত পূর্বক দোষী পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

    অপরদিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ক্যামেরাপার্সন সুমান হাসান নির্যাতনের বিষয়ে বলেন, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিউটি রোডের অভিযান শেষে হঠাৎ করেই ডিবি পুলিশের এসআই আবুল বাশারসহ তার টিমের সদস্যরা আমার ওপর চড়াও হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা (ডিবি পুলিশ) আমাকে বেধড়ক মারধর শুরু করে এবং গায়ের জামা-কাপর ছিড়ে ফেলে। একপর্যায়ে জোর করে লাঠি দিয়ে মারধর করে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে টানতে টানতে খালি শরীরেই ওই গাড়িতে তোলা হয় আমাকে। পরে আমাকে গাড়ির ভেতরে তুলে আমার প্যান্টের বেল্ট দিয়ে গলা পেছনের দিকে টেনে ধরা হয় এবং স্পর্শকাতর স্থান চেপে ধরে। তারপর ডিবি অফিসে নিয়েও আমার বুকের ওপর লাথি দেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে মারধর করে।

  • সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধ

    বরিশালে কর্মরত বেসরকারী ইলেক্টনিক্স মিডিয়া ডিবিসি চ্যানেলের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসানকে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা ছাড়াই নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে মারতে মারতে ডিবি অফিস কার্যালয়ে নিয়ে পুনরায় অমানুষিক নির্যাতন করার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ইয়াবা সেবনকারী ডিবি পুলিশ কনেষ্টবল মাসুদ,এস আই আবুল বাসার সহ পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা ডিবির ৮ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা সহ চিরস্থায়ীভাবে চাকুরীচ্যুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবীতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সাংবাদিক সমাজ।

    আজ সকাল ১১টায় নগরীর সদররোডে বরিশাল ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
    ফটো সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি দিপু তালুকদারের সভাপতিত্বে অভিযুক্ত ডিবি পুলিশের বিচারের দাবী জানিয়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বরিশাল প্রেস ক্লাব কার্যকরী পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্বা নুরুল আলম ফরিদ,সাংবাদিক মুরাদ আহমেদ,বরিশাল টেলিভিশন মিডিয়া এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি হুমাউন কবীর,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি নজরুল বিশ্বাস,বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ- সভাপতি বিধান সরকার,বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ,সম্পাদক কাজী আল- মামুন,নিউজ চ্যানেল (২৪) ও বাংলাদেশ প্রতিদিন এর প্রতিনিধি রাহাত খান, সাংবাদিক মিথুন সাহা,সাংবাদিক সৈয়দ মেহেদী হাসান,এন টিভি ক্যামেরাপার্সন গবিন্দ সাহা,এম জহির।

    মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে জাতীয় ও ইলেক্টনিক্স মিডিয়া সহ স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়া ও বরিশাল ফটো সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি এম সালাউদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক শাকিউজ্জামান মিলন সংহতি প্রকাশ করে অংশগ্রহন করে।

    এসময় তারা বলেন, অভিযুক্ত ডিবি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টন্তমূলক বিচার করা না হলে সাংবাদিক সকল সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হবে।

  • হাতকড়া ফসকে পালালো আসামি

    হাতকড়া ফসকে পালালো আসামি

    পুলিশের পরানো হাতকড়া ফসকে পালিয়েছে আলামিন ওরফে রুহেল আমিন (২০) নামে একাধিক ডাকাতি মামলার এক আসামি। মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সিলেটে আদালত পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আসামি আলামিন সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাগেরগাছা গ্রামের শফিউল আলম সুমনের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, শাহপরান থানার একটি ডাকাতি মামলায় (নং-১৯ (১১) ১৫) পরবর্তী দায়রা ৩৪৮/১৭ মঙ্গলবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জননিরাপত্তা ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় আসামি আলামিন ও বাবুলকে।

    ট্রাইব্যুনালে হাজিরা শেষে হাতকড়া পরিয়ে তাদের হেঁটে কাস্টডিতে নিয়ে রওয়ানা হয় পুলিশ। পথিমধ্যে আদালতের জনাকীর্ণ স্থানে হাতকড়া রেখে পালিয়ে যায় আলামিন। আসামি পলায়নের ঘটনায় আদালত পুলিশের মধ্যে তুলকালামা সৃষ্টি হয়। পুলিশ তাৎক্ষণিক আসামিকে ধাওয়া করেও ধরতে ব্যর্থ হয়। সিলেট আদালতের কোর্ট পরিদর্শক (ওসি) আবুল হাশেম বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাতকড়া ডিলা থাকার কারণে ডাকাতি মামলার ওই আসামি পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে সিলেটের বিশ্বনাথ ও শাহপরান থানায় চারটি ডাকাতি মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার প্রণব কুমার রায়কে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    এরইমধ্যে কর্তব্য অবহেলার কারণে আদালতের কাস্টডিতে কর্তব্যরত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এরপর দু’জনকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের নাম দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। যোগাযোগ করা হলে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মুহম্মদ আব্দুল ওয়াহাব বাংলানিউজকে বলেন, ঘটনাটি জানতে কোর্টে কর্তব্যরতদের একাধিকবার ফোন দিয়েছি। কিন্তু কেউ ফোন না ধরায় তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেননি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পলাতক আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের কর্মকর্তারা

  • “”তদন্তে সব কিছু জানা যাবে””

    “”তদন্তে সব কিছু জানা যাবে””

    নেপালের কাঠমাণ্ডুতে ইউএস-বাংলার বিএস২১১ ফ্লাইট বিধ্বস্তের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে সব কিছু জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল।

    দুর্ঘটনার বিষয়ে মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় নেপালে সাংবাদিকরা মন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমি এখন হাসপাতালে যাচ্ছি। যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের দেখবো, খোঁজ খবর নেবো।

    ককপিটের ভয়েস রেকর্ডার থেকেই সব জানা যাবে। মরদেহগুলো কিভাবে নিয়ে যাওয়া যাবে সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় যোগাযোগ রাখছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

  • নেপালে বিমান বিধ্বস্ত; বেঁচে আছেন ৯ বাংলাদেশি

    নেপালের কাঠমুন্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নয় বাংলাদেশি নাগরিক বেঁচে আছেন।

    বর্তমানে তারা নেপালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ২৩ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

    জানা গেছে, ৬৭ জন যাত্রী, দু’জন পাইলট এবং দু’জন ক্রু নিয়ে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের চেষ্টা করছিল বিমানটি। তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১ জন।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম জানান, বাংলাদেশি যে নয়জন বেঁচে আছেন তারা হলেন,  শেখ রাশেদ রুবায়েৎ, সৈয়দা কামরুন্নাহার স্বর্ণা, শাহরিন আহমেদ, আলমুন নাহার, মো. শাহিন ব্যাপারি, মো. রেজওয়ানুল হক, মেহেদি হাসান, ইমরানা কবির হাসি এবং কবীর হোসেন।

  • বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

    তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের  উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

    ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

    তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।