Author: banglarmukh official

  • বরিশালে এইচএসসি’র দুই কেন্দ্র স্থগিত

    বরিশালে এইচএসসি’র দুই কেন্দ্র স্থগিত

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের আওতায় ২০১৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষার দুইটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে।

    স্থগিত হওয়া কেন্দ্র দুইটি হলো-বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কলেজ।

    পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত নোটিশে জানা গেছে, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অনুরোধে আগামী ২ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কলেজ কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে।

    বরিশাল ইসলামিয়া কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    ফলে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৪ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় সর্বোচ্চ ৪০ কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, সর্বনিম্ন বরগুনা জেলায় ১২ কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। এরপর ঝালকাঠি ১৩, ভোলা জেলার ১৪ কেন্দ্রে, পিরোজপুরে ১৬ ও পটুয়াখালীতে ১৯ কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে।

    এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. জিয়াউল হক জানান, দুই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম। তাই ওই দুই কেন্দ্র স্থগিত হওয়ায় তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

  • চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি

    চোখের সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি

    “গলায় রাম দা ধইরা মোর চোখের সামনে বসে নৃশংসভাবে ওই সন্ত্রাসীরা মোর বৃদ্ধ স্বামীরে কোপাইয়া মারছে। হেই সন্ত্রাসীরাই এ্যাহন মামলা উঠানোর জন্য মোগো মারার হুমকি দিতেছে। মুই মোর স্বামীর খুনিগো ফাঁসি দেইখা মরতে চাই। এইজন্য মোরা প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাই”। আবেগ আপ্লুত হয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন, জেলার মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত বাটামারা ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের বিধবা সিরিয়া বেগম (৫০)।
    সূত্রমতে, আধিপত্য বিস্তারের জন্য ওই এলাকার বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতা ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন থেকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। সন্ত্রাসীদের একের পর এক হামলা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড, অপহরণসহ মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানীর কারণে ওই এলাকার যুবক ও কিশোররা গ্রাম ছেড়ে দেশের বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছে। সন্ত্রাসীদের হাতে ইজ্জত হারানোর ভয়ে গ্রামের যুবতীরাও অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন রাতে সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় ব্যাপক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করেছে। এরপূর্বে গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীরা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আকবর হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে বিএনপি নেতাসহ অন্যান্য খুনীদের ছবিসহ ফাঁসির দাবিতে ব্যাপক পোস্টারিং করা হলেও টনক নড়েনি পুলিশ প্রশাসনের।
    সূত্রে আরও জানা গেছে, হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত প্রধান আসামিদের গ্রেফতার না করে উল্টো রহস্যজনক কারণে আসামিদের পক্ষালম্বন করে থানা পুলিশ স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে। পরবর্তীতে হত্যা মামলার আসামিদের দিয়ে পুলিশ একাধিক মিথ্যে মামলা দায়ের করিয়ে ওইসব মামলায় আটককৃতদের এজাহারভূক্ত আসামি দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। সেইসব মিথ্যে মামলায় এখনও কারাভোগ করছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক নিরিহ গ্রামবাসী।
    সরেজমিনে টুমচর গ্রামের বাসিন্দা হাজ্বী দুলাল মাতুব্বর, মনির বেপারী, মোকসেদ তালুকদার, আলী হোসেনসহ একাধিক বক্তিরা জানান, একই গ্রামের বাসিন্দা বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মজিবুর রহমান দুলাল ও তার ভাতিজা তারিকুল হাসান পলাশ দীর্ঘদিন থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠনের মাধ্যমে এলাকার একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। তাদের সহযোগী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে সবধরনের অপকর্ম করে আসলেও মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দেয়ার ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। তারা থানা পুলিশের সাথে আতাত করে নিরবে নিরিহ গ্রামবাসীর কাছ থেকে চাঁদাবাজি, প্রকাশ্যে বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে গবাদি পশুসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে।
    স্থানীয় আব্বাস বেপারী জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য তারা ৭/৮জন যুবক ঢাকা থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর বাড়িতে আসেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে (আব্বাস বেপারী)সহ স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হাওলাদার, মনির বেপারী ও হাজী দুলাল মাতুব্বরকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওইদিন গভীর রাতে পরিকল্পিতভাবে এলাকায় আতংক সৃষ্টির জন্য সন্ত্রাসীরা ৬৫ বছরের বৃদ্ধ আকবর হাওলাদারের বাড়িতে একাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটিয়ে তার বসত ঘর ভেঙ্গে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্রদিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে তাকে (আকবর হাওলাদার) নৃশংসভাবে হত্যা করে।
    একইদিন রাতে সন্ত্রাসীরা মনির বেপারী, দুলাল মাতুব্বর, সালাম মাতুব্বর, মোকসেদ তালুকদার, আলমগীর হাওলাদার, রাজ্জাক হাওলাদার, আলী হোসেন হাওলাদারের বসত ঘর ও একটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে ব্যাপক লুটপাট করে। আব্বাস বেপারী আরও জানান, পরেরদিন (১ জানুয়ারি) প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের এক সহযোগীর দায়ের করা একটি সাজানো মিথ্যে মামলায় তাদের (আটককৃত) চারজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
    ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহত আকবর হাওলাদারের স্ত্রী সিরিয়া বেগম ও মেয়ে সুমা বেগম নৃশংস হত্যাকান্ডের বর্ণনা করতে গিয়ে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। বিলাপ করে বলেন, দুলাল উকিলের ভাতিজা তারিকুল হাসান পলাশের নেতৃত্বে ৩০/৩৫জন সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমাদের চোখের সামনে বসেই কুপিয়ে (আকবর হাওলাদারকে) হত্যা করেছে। নিহতের স্ত্রী সিরিয়া বেগম অভিযোগ করেন, স্থানীয় গ্রামপুলিশ মন্টু চৌকিদার নিহত আকবর হাওলাদারের লাশ গুম করার জন্য একাধিকবার চেষ্ঠা চালিয়েছে। কিন্তু তিনি (সিরিয়া) তার মৃত স্বামীর পায়ের সাথে নিজের পরিহিত কাপরের একাংশ দিয়ে বেঁধে রাখার কারণে লাশ গুম করতে পারেনি।
    নিহতের পুত্র ও মামলার বাদি দিদার হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে তিনি ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে গত ৩ জানুয়ারি বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান দুলাল, তারিকুল হাসান পলাশসহ ২১জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১০/১২জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দাখিল করেন। রহস্যজনক কারণে থানা পুলিশ একটি সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নিয়ে মামলার প্রধান সাত আসামির নাম বাদ দিয়ে এজাহারভূক্ত করেন।
    তিনি আরও জানান, থানা পুলিশ মামলার প্রধান আসামিদের নাম বাদ দেয়ায় তিনি পূর্ণরায় ওইসব আসামিদের নাম অর্ন্তভূক্ত করে আদালতে মামলা দায়েরের জন্য আবেদন করেছেন। তিনি (দিদার) অভিযোগ করেন, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য আসামি ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা তাকেসহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকির মুখে তারা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ভূগছেন।
    ভূক্তভোগী এলাকাবাসী সঠিক তদন্তের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর আকবর হাওলাদারের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেফতারপূর্বক ফাঁসির দাবি ও এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • বরিশাল বাসীর স্বপ্নের পদ্মাসেতুর তৃতীয় স্প্যান দৃশ্যমান

    বরিশাল বাসীর স্বপ্নের পদ্মাসেতুর তৃতীয় স্প্যান দৃশ্যমান

    দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ। সবকিছু অনুকূল ও প্রকৌশলগত জটিলতা না থাকলে রোব অথবা সোমবারের (১১ ও ১১ মার্চ) মধ্যেই ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ওপর উঠবে তৃতীয় স্প্যান ৭-সি। এ নিয়ে সেতুর জাজিরা প্রান্তে এখন চলছে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেতুর ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারে দু’টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে ৩০০ মিটার কাঠামো দৃশ্যমান হয়েছে। তৃতীয় স্প্যানটি পিলারের ওপর বসলে জাজিরা প্রান্তের ৪টি পিলারে সেতু দৃশ্যমান হবে ৪৫০ মিটার। বর্তমানে স্প্যান ওঠানোর জন্য বিশেষজ্ঞ প্যানেল দ্বারা খুঁটিনাটি বিষয়গুলো যাচাই এবং পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    জানা যায়, রোববার সকাল থেকেই শুরু হবে স্প্যান বসানোর কার্যক্রম ও যদি কোনো জটিলতা না দেখা দেয় তাহলে সেদিনই পিলারের ওপর ওঠতে পারে স্প্যান বলে আশাবাদী দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা।

    শনিবার বিকেলে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্য ও তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যান বহনকারী তিন হাজার ৬০০টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ‘তিয়ান ই’ ক্রেনটি ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলার এলাকায় পৌঁছায়। এর আগে শুক্রবার (৯ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে যাত্রা শুরু করে স্প্যানটি। তবে নাব্যতা সংকট, তীব্র স্রোত এবং নকশা জটিলতায় পিছিয়ে মাওয়া প্রান্তের কাজ।

    পদ্মাসেতু প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় স্প্যান বসাতে বাড়তি একদিন সময় লেগেছিল। এসব বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা দিন তারিখ দেওয়া যায় না। রোববার পিলারের ওপর স্প্যান ওঠানোর জন্য প্রকৌশলীরা কাজ শুরু করবেন। যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয় সেক্ষেত্রে সোমবার গড়াতে পারে।

    বিকেলে স্প্যানটি ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের কাছকাছি এসে পৌঁছায়। এছাড়া দ্বিতীয় স্প্যানটি জাজিরা প্রান্তে যাওয়ার সময় পাইল ড্রাইভের কাজের জন্য রাখা ক্রেন ও ভারী যন্ত্রাংশের কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। কিন্তু এবার যাতে তখনকার মতো সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী : বরিশালে শিল্পমন্ত্রী

    শেখ সুমন :

    শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের জন্য স্বর্ণযুগের সৃষ্টি করেছেন। মেঘ না চাইতেই জল। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ কল্পনাও করতে পারেনি পায়রায় সমুদ্রবন্দর হবে। আজকে পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং মাওয়ায় পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। পায়রাবন্দর আর পদ্মা সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে এই দেশের মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে বলে আশা প্রবীণ রাজনীতিবিদ শিল্পমন্ত্রী আমুর।

    শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেম্বারের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কেএম হাবিব উল্লাহ।

    এর আগে শিল্পমন্ত্রী ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলার উদ্ধোধন করেন।

    বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ৭ দিনব্যাপী আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলা উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সার্কিট হাউজ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

    আঞ্চলিক এসএমই পন্য মেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের মোট ৫০টি স্টল স্থান পেয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

  • ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন আটকে যাওয়ার পর সময়মতো পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে পাঁচ সিটি নির্বাচনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে দুই ভাগে পাঁচ সিটিতে ভোট গ্রহণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটির সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ, নির্বাচন, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও অন্যান্য বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানানোর জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রধান উপকরণ ব্যালট পেপার। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজের প্রয়োজন হয়, তা ভোটের আগেই সংগ্রহ না করলে সংকট দেখা দিতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কাগজ কেনার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে থাকে। তারা বলেন, এপ্রিলের মধ্যে কেনা হবে পাঁচ সিটির ব্যালট পেপারের কাগজ। সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৮৫২ রিম গোলাপি মুদ্রণ কাগজের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৩৩৩ রিম কাগজ মজুদ রয়েছে, বাকি ৫১৯ রিম সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী,  সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ৮ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর। এক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাগজ সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতর। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। খুলনা সিটি ৩০ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই এই দুই নির্বাচন আগামী ঈদের আগে মে মাসের প্রথম দিকে করতে চায় ইসি। এ ছাড়া এককভাবে শুধু গাজীপুর সিটিতেও ভোট করতে পারে ইসি।

    অন্যদিকে ঈদের পর চার সিটি তথা মে-জুনের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটিতে ভোটের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। তবে গাজীপুরসহ পাঁচ সিটিতে একসঙ্গে ভোট করার কথাও ভাবছে কমিশন। ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সংসদের আগে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। তারাও সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। তবে তার আগে পাঁচ সিটি ও আটকে থাকা পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনও শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এক্ষেত্রে চলতি বছরের জুনের মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে লড়াই হবে পাঁচ সিটির ভোটের মাঠে। জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবে প্রধান দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সবার নজর থাকছে সিটির ভোটের দিকে।

    সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অবশ্যই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে। আমরা সব সময় বলছি নিরপেক্ষ থাকব। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল একই সুযোগ-সুবিধা পাবে।  জানা গেছে, দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনে মে-জুন মাসের মধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্য ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকার সিডি তৈরির কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

  • ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি পাঁচ সিটিতে

    ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন আটকে যাওয়ার পর সময়মতো পাঁচ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠানে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই সঙ্গে পাঁচ সিটি নির্বাচনের বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে দুই ভাগে পাঁচ সিটিতে ভোট গ্রহণ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনসহ রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটির সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ, নির্বাচন, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও অন্যান্য বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানানোর জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করা হলো।’

    ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রধান উপকরণ ব্যালট পেপার। এ জন্য বিভিন্ন ধরনের কাগজের প্রয়োজন হয়, তা ভোটের আগেই সংগ্রহ না করলে সংকট দেখা দিতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কাগজ কেনার জন্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে থাকে। তারা বলেন, এপ্রিলের মধ্যে কেনা হবে পাঁচ সিটির ব্যালট পেপারের কাগজ। সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য ৮৫২ রিম গোলাপি মুদ্রণ কাগজের প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৩৩৩ রিম কাগজ মজুদ রয়েছে, বাকি ৫১৯ রিম সংগ্রহ করতে হবে। এক্ষেত্রে গাজীপুর, খুলনা, রাজশাহী,  সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য সময় ৮ মার্চ থেকে ২৩ অক্টোবর। এক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের মধ্যে কাগজ সংগ্রহ করতে হবে বলে জানিয়েছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদফতর। ইসির কর্মকর্তারা বলেছেন, গতকাল থেকে গাজীপুর সিটির নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে। আর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। খুলনা সিটি ৩০ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই এই দুই নির্বাচন আগামী ঈদের আগে মে মাসের প্রথম দিকে করতে চায় ইসি। এ ছাড়া এককভাবে শুধু গাজীপুর সিটিতেও ভোট করতে পারে ইসি।

    অন্যদিকে ঈদের পর চার সিটি তথা মে-জুনের মধ্যে রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, সিলেট সিটিতে ভোটের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। তবে গাজীপুরসহ পাঁচ সিটিতে একসঙ্গে ভোট করার কথাও ভাবছে কমিশন। ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সংসদের আগে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন করে রাজনৈতিক দল ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে চায়। তারাও সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। তবে তার আগে পাঁচ সিটি ও আটকে থাকা পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনও শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এক্ষেত্রে চলতি বছরের জুনের মধ্যে পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।  আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে লড়াই হবে পাঁচ সিটির ভোটের মাঠে। জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে নির্বাচনী মাঠে থাকবে প্রধান দল আওয়ামী লীগ-বিএনপি। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় সবার নজর থাকছে সিটির ভোটের দিকে।

    সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। অবশ্যই রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান আছে। আমরা সব সময় বলছি নিরপেক্ষ থাকব। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দল একই সুযোগ-সুবিধা পাবে।  জানা গেছে, দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনে মে-জুন মাসের মধ্যে ভোট গ্রহণের লক্ষ্য ধরে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ভোটার তালিকার সিডি তৈরির কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে এসব নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।

  • চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    চরমোনাই মাহফিলগামী ট্রলারডুবির দু’দিন পর কীর্তনখোলায় ৬ মরদেহ

    বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই লঞ্চঘাট এলাকায় মুসল্লিবাহী ট্রলারডুবির দুই দিন পর সেখান থেকে ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৯ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চরমোনাই ইউনিয়ন সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে এ ছয় মরদেহ পাওয়া যায়।

    এরা হলেন- মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলার পাচনখোলা এলাকার মৃত খায়েরুদ্দিন ঢালীর ছেলে বাদশা ঢালী (৬৫), গাজীপু‌র সদরের আবদুল মা‌লে‌কের ছে‌লে ইফ‌তেখার (৯),  আমানউল্লাহ দেওয়া‌নের ছে‌লে শাহ আলী (২৮), একই জেলার ভবানীপু‌রের জা‌কির‌ হো‌সেন দিলদার (৩০), ময়মন‌সিং‌হের মকবুল হো‌সে‌নের ছে‌লে দে‌লোয়ার হো‌সেন (২৮) ও লক্ষীপু‌রের হেদা‌য়েত হো‌সেন ছে‌লে আবদুল কুদ্দুস (২৪)।

    বরিশাল সদর নৌ-থানা পুলিশের সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহাগ ফকির জানান, গত বুধবার (৭ মার্চ) যেখানে ট্রলার ডুবেছিলো, তার পাশ থেকেই ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বরিশাল নৌ-থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেল্লাল হোসেন জানান, বুধবার দুপুরে ট্রলারটি বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়ার প্রান্ত থেকে কীতর্নখোলা পাড়ি দিয়ে চরমোনাই লঞ্চঘাট যায়। ঘাটে থাকা কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের পেছনে নোঙ্গর করে চরমোনাই মাহফিলগামী মুসল্লিদের নামাতে গেলে ট্রলারটি কাত হয়ে যায়। এসময় পেছনে থেকে অন্য একটি ট্রলার ধাক্কা দিলে সেটি ডুবেই যায়।

    খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের সদস্যরা নদীতে বিভিন্নভাবে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় নদীর তলদেশে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া গেলেও নিখোঁজদের কোনো হদিস মেলেনি।

    থানা পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর আর কোনো মরদেহ না পাওয়ায় সন্ধ্যা নামতেই শুক্রবারের মতো উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

  • দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ: শিক্ষামন্ত্রী

    নিজেকে দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সরকারের যে ক’জন মন্ত্রী রয়েছেন, তাদের মধ্যে আমি বুড়া মন্ত্রী। আমি দুর্বল, নিরীহ একজন মানুষ। আজ রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউশনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ‘৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ১৭ মিনিটের ভাষণটি একটি দলিল। যাতে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতার সংগ্রামের ডাক দেওয়া হয়েছে। ডাক দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিক মুক্তির। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, এই ভাষণটিকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির জন্য ২০০৯ সালের ১২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ২৩ মার্চ আমি এই প্রস্তাবে স্বাক্ষর করি। আর এই প্রস্তাবে ৩০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। এরপর দীর্ঘ ৯ বছর যাচাই-বাছাইয়ের পর ২০১৭ সালে প্যারিসের অধিবেশনে ঘোষণা দেওয়া হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ।

  • সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন  প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ পদমর্যাদা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি (শান্তিচুক্তি) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণের জন্য গঠিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত এ পদে থাকাকালীন মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

    গত ১৮ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাতকে প্রধান করা হয়।

    এর আগে ২০০৯ সালে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মন্ত্রীর মর্যাদায় আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ কমিটি করা হয়।

  • খালেদা জিয়া জানতে চেয়েছেন, আমি জেলে কেন?

    খালেদা জিয়া জানতে চেয়েছেন, আমি জেলে কেন?

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাঁর আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন, তিনি জেলে কেন?

    বৃহস্পতিবার বিকেলে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তাঁর আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন।

    খোকন বলেন, ‘খালেদা জিয়া বারবার জানতে চেয়াছেন, তিনি জেলে কেন? আমি কোনো কাগজে স্বাক্ষর করিনি, কোনো অনুমোদন দিইনি, কোনো চেক সই করিনি। আমি জেলে কেন?’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের কথার ব্যাখ্যা আমরা দিয়েছি।’

    তিনি বলেন, তাঁরা (আইনজীবীরা) ১ ঘণ্টা ৫ মিনিট খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলাপ করেছেন।

    আরেক আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা ম্যাডামের সঙ্গে আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। গতকাল বুধবার রাজনৈতিক নেতারা আলোচনা করেছেন। আমরা দীর্ঘ এক মাস আইনজীবী হিসেবে তাঁর সঙ্গে কোনো আলাপ করতে পারিনি। আমরা অনুমতি নিয়ে দেখা করেছি। আপিল আবেদন থেকে শুরু করে, জামিনের বিষয়ে আলাপ–আলোচনা করেছি। ম্যাডাম জানতে চেয়েছেন যে জামিন আবেদনের কী হলো? সে বিষয়ে তাঁকে আমরা বলেছি।’

    ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতের ওপর খালেদা জিয়া আস্থাশীল বলেও জানান এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী রোববার আদালত জামিনের আদেশ দেবেন। দেশের মানুষ নিম্ন আদালতের ওপর আস্থাশীল না হলেও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল। তেমনি ম্যাডামও উচ্চ আদালতের ওপর আস্থাশীল।

    এর আগে আইনজীবীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কারাগারে প্রবেশ করেন। অন্য তিন আইনজীবী হলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, আবদুর রেজাক খান ও সানাউল্লাহ মিয়া।