Category: জাতীয়

  • চাকরিতে প্রবেশ-অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক সরকার

    চাকরিতে প্রবেশ-অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক সরকার

    মেয়াদের শেষ সময়ে এসে চাকরিতে প্রবেশ ও চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে সরকার। কিছুদিন আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। ঈদুল আজহার পর এই সুপারিশের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রক্রিয়া শুরু করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে চাকরিতে প্রবেশ ও চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত দিতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

    বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। আর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরি থেকে অবসরের বয়স ৫৯ বছর। মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০ বছর। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ৬৫ ও বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়সে অবসরের সুবিধা পাচ্ছেন।

    দেশে বেকারত্বের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া, উচ্চশিক্ষার হার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেশনজট, গড় আয়ু বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি প্রত্যাশীরা দীর্ঘদিন ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দাবি আদায়ে কয়েকবার রাজপথেও নেমেছেন তারা। এই দাবি সংসদেও উঠেছিল, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ানোর দাবি নাকচ করে দেয়া হয়।

    অপরদিকে, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও চাকরি থেকে অবসরের বয়স বাড়ানোর দাবি রয়েছে। ক্রমেই এ দাবি জোরালো হচ্ছে। সরকারি চাকুরেরা বলছেন, আগের তুলনায় দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। সরকারের অর্থে কর্মকর্তারা দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ নিয়ে, লেখাপড়া করে পেশাগতভাবে সমৃদ্ধ হয়ে যখন অবসরে যাচ্ছেন, তখন অনেকেই কর্মক্ষম থাকছেন। শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্যের দিকে তাকিয়ে অনেকেই ৫৯ বছরকে চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার বয়স মনে করছেন না।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়স বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করলেও প্রধানমন্ত্রী ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তা নাকচ করে দেয়া হয়।

    অক্টোবরে গঠিত হবে নির্বাচনকালীন সরকার। এর তিন মাসের মধ্যেই হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই প্রেক্ষাপটে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দেয়া সুপারিশ সরকার ইতিবাচকভাবে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, ‘স্থায়ী কমিটির সুপারিশ আমাদের পর্যালোচনা করতে হবে। আমরা কতটুকু, কী বাস্তবায়ন করতে পারব বা বাস্তবায়ন করতে পারব কি না সেটা দেখব। আমরা এ ব্যাপারে পেপার্স তৈরি করছি। আমাদের কিছু সময় দিতে হবে। তারপর যথাযথ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তবে কোনো কিছু আমরা গুরুত্বহীনভাবে গ্রহণ করছি না।’

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সংসদীয় কমিটির কাছ থেকে একটা প্রস্তাব পেয়েছি। বয়স চাকরির এন্ট্রি লেভেলে ৩৫ ও এক্সিট লেভেলে ৬৫ বছর করার প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।’

    তিনি বলেন, ‘মূলত রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা থেকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সামনে নির্বাচন রয়েছে। সরকার চাকরি প্রত্যাশী ও চাকরিরতদের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ঈদের পরই এ বিষয়ে কার্যক্রম জোরালোভাবে শুরু হবে। হয়তো যেভাবে সুপারিশ করা হয়েছে সেভাবে হবে না। ২/১ বছর করে বাড়তে পারে।’

    এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান বলেন, ‘সেশনজটসহ নানা কারণে লেখাপড়া শেষ করতে অনেক বয়স হয়ে যায়। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ চায় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স আরও ৫ বছর বৃদ্ধি পাক। ভারতসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও চাকরিতে প্রবেশের বয়স আমাদের চেয়ে বেশি। অন্যান্য দশের সঙ্গে সমতা রেখে আমরা বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছি।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ ও অবসরের বয়স ৬৫ বছর করার সুপারিশ করেছি। এরসঙ্গে আসলে অর্থনীতির বিকাশের সম্পর্ক। আমাদের অর্থনীতির বিকাশ হচ্ছে। মধ্যম আয়ের দেশ হতে যাচ্ছি আমরা। এতে আমাদের কর্মসংস্থান বাড়ছে, মানুষের দক্ষতা বাড়ছে। তাই চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়স বাড়ানো যেতে পারে।’

    ‘এছাড়া এখন বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রও অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। মেধাবীদের সরকারি চাকরিতে আকৃষ্ট করতে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ও দক্ষ চাকরিজীবীদের বেশি সময় ধরে রাখতে অবসরের বয়স বাড়ানো দরকার’- বলেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

    সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়স বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে কি না- জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। কোন বিবেচনায় এটা করা হবে?’

    তিনি বলেন, ‘সেশনজট, বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতার কথা বলা হচ্ছে। তাহলে সেশনজট কমান, নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করুন। আমরা তো বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছি, এক বছরের মধ্যে সব শেষ হয়েছে।’

    বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ে বিসিএস (প্রশাসন, পুলিশ ও পররাষ্ট্র ছাড়া) ২৬ ক্যাডারের সমন্বয়ে গঠন করা বিসিএস সমন্বয় কমিটির মহাসচিব মো. ফিরোজ খান বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ও অবসরের বয়স সরকার যদি বৃদ্ধি করে, তবে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যে সামাজিক অবস্থা সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে ছেলে-মেয়েদের অনেকটা বয়স চলে যায়। কয়েকবার বিসিএস দেয়ার পরও অনেকে চাকরি পান না। সেক্ষেত্রে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সরকার নিতে পারে।’

  • বরিশালে বসছে অর্ধশত পশুর হাট

    বরিশালে বসছে অর্ধশত পশুর হাট

    অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায়সহ জেলায় স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে ৫১ টি পশুর হাট বসতে যাচ্ছে।

    স্থায়ীহাটের অনুমোদন আগে থেকে নেয়া থাকলেও অস্থায়ী হাটের অনুমোদনের বিষয়ে চূরান্ত সিদ্ধান্ত বৃহষ্পতিবারর (১৬ আগষ্ট) দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল জেলায় ১৬ টি স্থায়ী পশুর হাঁট রয়েছে। যারমধ্যে বরিশাল সদর উপজেলায় ১ টি, বাকেরগঞ্জে ৩টি, বানারীপাড়ায় ২ টি, গৌরনদীতে ২ টি, মুলাদীতে ৬ টি, হিজলায় ১টি ও মেহেন্দিগঞ্জে ১ টি।

    এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৩ টি, বরিশাল সদর উপজেলার ৮ টি, মুলাদীর ৫ টি, গৌরনদীর ২ টি, আগৈলঝাড়ার ৩ টি, বাবুগঞ্জের ৫ টি, বাকেরগঞ্জে ৩ টি ও উজিরপুরের ৪ টি অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। যারমধ্যে মুলাদীর ৫ টি বাদে বাকীগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ ৫ টিরও অনুমোদন দ্রুত সময়ের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অপরদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের হাটঁ-বাজার শাখা সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল নগরের বাঘিয়া এলাকায় ১টি ও পোর্টরোডে ১টি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এরবাহিরে বরিশাল নগরের রুপাতলী মোল্লা বাড়ির মাদ্রাসা মাঠ, কালিজিরা বাজার ও সিএন্ডবি রোড সেচ ভবনের পাশে তিনটি অস্থায়ী পশুর হাটের জন্য এ পর্যন্ত আবেদন পাওয়া গেছে।

    যারমধ্য থেকে নীতিগতভাবে তিনটি অস্থায়ী পশুর হাটকেই অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাটঁ-বাজার শাখার তত্ত্বাবধায়ক নুরুল ইসলাম।

    তিনি জানান, বিগত সময়ে অস্থায়ী হাট নিয়ে উদ্যোক্তদের মধ্যে ব্যাপক তোড়জোড় থাকলেও এবার দেখা যাচ্ছে না। গত বছরও ৫ টি অস্থায়ী পশুর হাট ছিলো বরিশাল নগরে কিন্তু এ বছর এ পর্যন্ত তিনটি অস্থায়ী হাটের জন্য আবেদন পরেছে, যার অনুমতি দেয়া হয়েছে। অপরদিকে স্থায়ী হাট কেউ ইজারা না নেয়ায় নিজস্ব জনবল দিয়ে স্থায়ী হাট দুটি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, এরবাহির নগরে কেউ পশুর হাট বসালে তার বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ লক্ষে শহরজুড়ে নজরদারী জোরদার করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনও বিষয়টি দেখভাল করবেন।

    এদিকে হাটগুলোকে ঘিরে চাঁদাবাজি রোধ, অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধ ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।পাশাপাশি প্রতিটি হাটে জাল টাকা সনাক্তকরণে মেশিন ও অনলাইন-মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখা হবে।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন : ৩০ ভোটকেন্দ্রের তদন্ত সম্পন্ন

    বরিশাল সিটি নির্বাচন : ৩০ ভোটকেন্দ্রের তদন্ত সম্পন্ন

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০টি ভোটকেন্দ্রের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তদন্তকারী দল। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) তদন্ত শেষ হয়েছে। চার সদস্যের তদন্ত কমিটি ১১ আগস্ট তাদের তদন্ত কাজ শুরু করে।

    আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং বিসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এ তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ওইসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে কিনা বা সরকারিভাবে ফল ঘোষণা করা হবে কিনা, সেসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তদন্তকারীরা শুধু সংগৃহীত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের বিবেচনার জন্য রিপোর্ট দেবেন।

    তদন্ত দলের আহ্বায়ক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) খোন্দকার মিজানুর রহমান মঙ্গলবার জানান, তারা রাতেই ঢাকা ফিরে যাবেন। ইতোমধ্যে তারা সহস্রাধিক ব্যক্তির সাক্ষ্য নিয়েছেন। তবে এর বাইরেও নির্বাচন কমিশনে আরও বেশ কিছু কেন্দ্রের বিষয়ে লিখিত এবং অডিও-ভিডিওসহ আরও অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই সেগুলোর বিষয়েও নির্বাচন কমিশন তদন্তের সিদ্ধান্ত নিলে ঈদের ছুটির পর সেগুলোর তদন্তে তদন্ত দল আবারও বরিশাল আসতে পারে।

    তিনি জানান, তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে তারা নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেবেন। এরপর ইসি তা পর্যালেচনা করে ফলাফল বাতিল, পুনরায় ভোটগ্রহণ অথবা চূড়ান্ত ফল ঘোষণার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেবে।

    তদন্ত কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন- কমিশনের উপসচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন, নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) শহিদ আব্দুস ছালাম, সিনিয়র সহকারী সচিব (সংস্থাপন-২) মো. শাহ আলম।

    এর আগে তদন্ত শুরুর দিন ১১ আগস্ট তদন্ত দলের আহ্বায়ক নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) খোন্দকার মিজানুর রহমান সংবাদকর্মীদের জানান, মোট ১৫টি ভোটকেন্দ্রের ফল স্থগিত এবং একটি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ থাকার পর, প্রার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আরও ১৪টি কেন্দ্রের তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ফল ও ভোটগ্রহণ, স্থগিত কেন্দ্রগুলোসহ অন্য কেন্দ্রগুলোতে কি অনিয়ম ঘটেছিল, সে ব্যাপারে বিভিন্ন অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী চারদিনে তারা মোট ৩০টি কেন্দ্রের তদন্ত করবেন। সে সময় অনিয়মের ধরন, তার জন্য দায়দায়িত্ব কার ছিল; সেটাও তারা খতিয়ে দেখবেন।

    তিনি বলেন, ‘এসব অনিয়মের তদন্তে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের ইনচার্জসহ দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও আনসার প্লাটুন কমান্ডারসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সাক্ষ্যও নেওয়া হবে। ওইসব কেন্দ্রের পোলিং এজেন্টদের বক্তব্যও আমরা নেবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘৩০টি কেন্দ্রের তদন্তের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের আমরা ডাকিনি। তবে প্রার্থীরা যদি কোনও বক্তব্য দিতে চান, তাহলে সেটা আমরা শুনবো। কোনও প্রার্থী যদি লিখিত অভিযোগও দিতে চান, তাহলে সেটাও আমরা নেবো।’

  • বরগুনায় চেয়ারম্যানের পরকিয়ায় বাধা : যুবককে চোখ তুলে হত্যা

    বরগুনায় চেয়ারম্যানের পরকিয়ায় বাধা : যুবককে চোখ তুলে হত্যা

    বরগুনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানকে পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় আল আমীন নামের এক যুবকের চোখ তুলে ফেলা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আল আমীন মারা যায়।

    আল আমীন হত্যার অভিযোগে তার মা রাশেদা বেগম বাদী হয়ে চেয়ারম্যানকে আসামি করে বরগুনা থানায় বুধবার (১৫ আগস্ট) একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামী হল বরগুনা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগসহ ১২ জন।

    মামলার বাদী জানান, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগের সঙ্গে একই ইউনিয়নের এক যুবতীর (নারগিস) সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে পরকিয়া প্রেম চলে আসছে। ওই ইউনিয়নের দক্ষিন হেউলিবুনিয়া গ্রামের ইউনুস মিয়া ও আমার ছেলে আল আমীন পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়। এতে ওই চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগ ও তার দলীয় লোকজন আল আমীনের প্রতি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আল আমীনকে রবিবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় হেউলিবুনিয়া ব্রিজের দক্ষিন পাশে আসামি মিজানের রিক্সার গ্যারেজে ঢুকিয়ে প্রথমে তার দুচোখে মরিচের গুড়া দেয়া হয়।

    পরে ১২ জন আসামীরা আল আমীনের দু’চোখ লোহার রড ও চাকু দিয়ে উপড়ে ফেলে। মুর্মূষু অবস্থায় আল আমীনকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। একদিন পর সোমবার (১৩ আগস্ট) দুপুর দুইটায় আল আমীন মারা যায়। মৃত আল আমীনের মা রাশেদা বেগম বলেন, `আমার ছেলেটা কাজ করে আমাদের ভরণ-পোষণ দিত। চেয়ারম্যান সোহাগের অবৈধ প্রেমে আল আমীন বাধা দিতে গিয়ে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন নির্মম ভাবে তাকে চোখ তুলে হত্যা করে।’

    এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাদ মুঠোফোনে বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা। আমার প্রতিপক্ষরা নির্বাচনে হেরে গিয়ে ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে।’

    বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস.এম মাসুদুজ জামান বলেন, ‘মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতার করার অভিযান চলছে।’

  • ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

    ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা

    প্রথমে আনাই মগিনি। এরপর আনুচিং মগিনি। দুই যমজ বোন। তারা দুজনেই গোল করেন। এরপর তহুরা খাতুন। তিনিও বাংলাদেশকে আরো একটি গোল উপহার দেন। ৩-০ গোলো এগিয়ে ভুটানের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ।
    এরপর দ্বিতীয়ার্ধ এসে মারিয়া মান্ডার গোলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। জয়ের আনন্দে ভাসতে থাকে লাল-সবুজের দল। এবার সেই ব্যবধানটা বাড়িয়ে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ। আর ৫-০ গোল হেরে যায় ভুটান।
    মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে আজ বাংলাদেশ মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ভুটানের বিপক্ষে। চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাতটায় খেলাটি হয়।
    এদিকে দিনের প্রথম সেমিফাইনালে ভারত ২-১ গোলে নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে।
  • হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

    হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

    ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখান থেকে ঢাকা ফিরছিলেন। পথে তিনি স্বপ্নের পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখেন। এ সময় তার মুখাবয়বে ফুটে ওঠে আত্মবিশ্বাসের ছাপ। আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    হেলিকপ্টারে বসা প্রধানমন্ত্রীর ওই ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ইলিয়াস রাসেল। আর ছবিটি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন ফটো সাংবাদিক ইয়াসিন কবির জয়।
    তিনি ফেসবুকে লিখেন, বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু। দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহলের হাজারো কূটপরিকল্পনা পায়ে দ’লে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে স্বপ্নের এই সেতু। যেন প্রমত্তা পদ্মায় মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে দুরন্ত এক বাংলাদেশ। আর তাই দেখে আবেগে আপ্লুত বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জাজিরা প্রান্তের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয়। এরপর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিয়ারে বসে দ্বিতীয় স্প্যান।
    ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিয়ারের ওপর তৃতীয় স্প্যান স্থাপন করা হয়। সবশেষে ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়।
  • ৯ দিনেও খোঁজ মিলেনি ঝালকাঠির মুক্তার

    ৯ দিনেও খোঁজ মিলেনি ঝালকাঠির মুক্তার

    ৯ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ দুই সন্তানের জননী মুক্তা বেগমের। ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠি শহরের পালবাড়ি এলাকায়।

    ঝালকাঠি পালবাড়ি এলাকার নজরুল ইসলাম মাসুমের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী মোসা. মুক্তা বেগম, পিতা-মৃত সুলতান কাজী, গ্রাম পশ্চিম ঝালকাঠি-এর সঙ্গে ১৭ বছর আগে শরিয়া মোতাবেক বিবাহ হয় তাদের। দাম্পত্য জীবনে দুটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে, বড় মেয়ের বয়স (১৪) বছর ও ছেলের বয়স (৬) বছর।

    গত ৮ আগস্ট বুধবার সকাল ৭টার দিকে বাসা থেকে কোথায় চলে যায় অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোথাও না পেয়ে দুদিন পরে ঝালকাঠি সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। যার নম্বর ৪২৪।

    নিখোঁজ মুক্তা বেগমের গায়ের রং ফর্সা ও উচ্চতা ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি। যদি কেউ তার সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে তার স্বামী মাসুমের ০১৭১৯৭৭৮৪৬৬/০১৬২৯৭৫৯২১৬ এই মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • বরিশালে ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে বিএমপি

    বরিশালে ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে বিএমপি

    ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বরিশালের নৌপথ, সড়কপথ ও পশুর হাটসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে হয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। আজ বৃস্পতিবার বেলা পৌঁনে ১২টায় নগরীর চাঁদমারী মেট্রোপলিটন পুলিশের অফিসার্স মেসের হল রুমে এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপত্বি করেন বিএমপি কমিশনার মোঃ মোশারফ হোসেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, বাস ও লঞ্চ মালিক-শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি, পশুরহাট ইজারাদার ও গণমাধ্যম কর্মীরা সভায় অংশগ্রহন করেন।

    সড়ক ও নৌপথে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ও ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, লাইসেন্স বিহীন চালক দিয়ে যান চলাচল না করানো, বেপরোয়া গতিতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রন, লঞ্চ-বাস ও টার্মিনালে মলম পার্টি, অজ্ঞান পার্টি, পকেটমার রোধ, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা, কোরবানীর বর্জ্য অপসারনসহ সার্বিক আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে দাবী জানান সভায় অংশগ্রহনকারীরা।

    পুলিশ কমিশনার জনভোগান্তি রোধসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানামুখি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান সভায়। ঈদ উল আযহা উপলক্ষে নগরীর আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে ৭৮০ জন পোশাকধারী এবং ২২১জন সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

    ঈদ উপলক্ষে যাতে মাদক নগরীতে প্রবেশ না করতে পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান, উপ-কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, আবু সালেহ মো. রায়হান, জাহাঙ্গীর মল্লিক, খইরুল আলমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে : রিজভী

    খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে : রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের অন্যায় আর জুলুমের শিকার হয়ে বেগম খালেদা জিয়া ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেগম জিয়াকে সব অধিকার থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি অসুস্থ এই নেত্রীকে সুচিকিৎসা না দিয়ে তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হচ্ছে।এছাড়া নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর সরকার প্রধান শিশু-কিশোরদের সঙ্গে নিষ্ঠুর প্রতিশোধের খেলায় মেতে উঠেছেন।
    আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব বলেন, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশারফ হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রসঙ্গে রুহুল কবির রিজভী লিখিত বক্তব্যে বলেন, উন্নতমানের যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তার সুচিকিৎসার অধিকারকেও বাধা দেয়া হচ্ছে। সরকার প্রতিহিংসার কারণে অন্যায়ভাবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে বানোয়াট অসত্য মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে।
    তিনি বলেন, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলাগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে। বাংলাদেশ এখন জুলুমের গ্যাসচেম্বারে পরিণত করা হয়েছে। দেশের সর্বত্র রক্ত ঝরছে। সারাদেশে জনপদের পর জনপদে অসংখ্য মিথ্যা মামলা এবং সেই মামলায় হাজার হাজার বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীকে আসামি করে গ্রেফতার করা এবং অনেকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
    তিনি বলেন, ঈদের আগেই সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে বেগম জিয়ার মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি এবং তার সুচিকিৎসার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অন্যায় সাজা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে জোর দাবি জানাচ্ছি। শিশু-কিশোরদের আন্দোলনে সরকারের বর্বরতার নিন্দা জানিয়ে তাদের মিথ্যা মামলা ও রিমান্ড প্রত্যাহার করে মুক্তি এবং বিএনপির নেতাকর্মীসহ দেশের রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।
    তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে বিনা চিকিৎসায় মরণাপন্ন অবস্থা। খুব দ্রুত অস্ত্রপচার না হলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়বেন। কিন্তু বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক কোনোক্রমেই শিমুল বিশ্বাসকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করছেন না। নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতে নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিএসএমএমইউ-এর কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো দলীয় চেতনায় ভরপুর বলে বিরোধী দলের মানুষরা সুচিকিৎসা পাওয়ারও অধিকারকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে।
  • বাংলাদেশে আর কোনোদিন খুনিদের রাজত্ব আসবে না : প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে আর কোনোদিন খুনিদের রাজত্ব আসবে না : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আর কোনোদিন খুনিদের রাজত্ব ফিরে না আসার ব্যাপারে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ আর কোনোদিন খুনিদের ক্ষমতায় আসতে দেবে না।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুনিদের রাজত্ব এ দেশে আর আসবে না, আসতে দেওয়া হবে না। মুজিব আদর্শের প্রতিটি সৈনিককেই এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে চলতে হবে, কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না।
    প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতার ৪৩তম শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির ভাষণে একথা বলেন।
    জাতির পিতার হত্যকাণ্ডের বিচার এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে যত বড়ই হোক, কেউ যদি কোনো অন্যায় করে তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবেই।
    তিনি বলেন, যারা বংশপরম্পরায় এই চক্রান্ত করে যাচ্ছে, বাংলাদেশের জনগণকে বলবো এদের সম্পর্কে আপনাদেরও সচেতন থাকতে হবে। কারণ, এরা বাংলাদেশের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ, মানুষের ভালো দেখতে চায় না। শুধু নিজেরাই ভালো থাকতে চায়।
    নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টার অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের দেশের উন্নয়ন সহ্য হচ্ছে না।
    তিনি বলেন, যারা শিশুদের নিয়ে খেলতে চায়, তাঁদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়, তারা বাংলাাদেশের জনগণের ভবিষ্যতকেই আসলে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়। আলোর পথে যাত্রায় বাধা দিতে চায়।
    অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বক্তৃতা করেন।
    দলের যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম, সিমিন হোসেন রিমি এমপি এবং কেন্দ্রীয় নেতা আনোয়ার হোসেন আলোচনায় অংশ নেন। সৈয়দ শামসুল হকের ‘আমার পরিচয়’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন আহকাম উল্লাহ। দলের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এবং উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম স্মরণ সভাটি পরিচালনা করেন।