Category: জাতীয়

  • মা হয়ে ছাত্রদের ক্ষমা করুন, প্রধানমন্ত্রীকে এরশাদ

    মা হয়ে ছাত্রদের ক্ষমা করুন, প্রধানমন্ত্রীকে এরশাদ

    নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের দাবিতে রাস্তায় নেমে গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদের ‘নিঃশর্ত’ মুক্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

    মঙ্গলবার জাতীয় পার্টির পাঠানো এক বিবৃতিতে সরকারপ্রধানের প্রতি এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূত।

    এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মাতৃজ্ঞানে’ গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিয়ে ‘মহানুভবতা’ দেখাবেন বলে আশা করছেন এরশাদ। একইসঙ্গে নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে যারা ‘ভিন্ন খাতে’ নিতে চেয়েছে- তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ করেছেন তিনি।

    এরশাদ বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের কাছে মায়ের সমান। তিনিও যথার্থ উপলব্ধি করে বলেছেন, ‘আমাদের সন্তানরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে’। তিনি মাতৃজ্ঞানে কোনো কালবিলম্ব না করে ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছেন। তার এই মহানুভবতাকে সম্মান দেখিয়ে হলেও গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদের মুক্তি দেওয়া উচিত।”

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের গত ৫ আগস্ট থেকে রাস্তা ছেড়ে দিলেও পরদিন থেকে রাস্তায় নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। ৬ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং রামপুরায় তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এরপর আটক করা হয় ২২ জন শিক্ষার্থীকে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে তারা এখন কারাগারে।

    এই শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিতে বিভিন্ন সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হলেও সরকার তাতে সাড়া দেয়নি।

    আন্দোলন থেমে আসার পর এক বৈঠকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা নিরাপদ সড়কের আন্দোলনে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীদের জন্য সাধারণ ক্ষমার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ তার এখতিয়ারের নয় বলে জানিয়ে দেন।

    এরশাদ আরও বলেন, ‘এদেশের সর্বস্তরের মানুষ এবং দলমত নির্বিশেষে যে ছাত্রদের অভিনন্দন জানিয়েছে- এখন তাদের মধ্যে আর কাউকে গ্রেপ্তার করে রাখা ঠিক হবে না।’

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ‘সফল এবং যৌক্তিক’হিসেবে বর্ণনা করে জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আন্দোলনের মধ্যে কোথাও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে যেতেই পারে। তার মধ্যে কোনো কোনো আন্দোলনকারী ছাত্র অবুঝের মতো হয়ত নিজেদের জড়িয়ে ফেলেছে। কিন্তু যখন তাদের ঘরে এবং ক্লাসে ফিরে যাবার জন্য বলা হয়েছে- তখন তারা ফিরেও গেছে।’

    ‘এখানে কেউ (শিক্ষার্থী) যদি কোনো ভুল করে থাকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেন তাদের মাতৃজ্ঞানে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন।’

  • চাকরিতে কোটা উঠিয়ে দেয়ার সুপারিশ করব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    চাকরিতে কোটা উঠিয়ে দেয়ার সুপারিশ করব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা তুলে দিয়ে মেধাকে প্রাধান্য দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে কোটা পর্যালোচনায় গঠিত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। এখন মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়ে উচ্চ আদালতের মতামত চাওয়া হবে।

    আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কোটা নিয়ে সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি। আমরা মেরিটকে প্রাধান্য দিয়ে অলমোস্ট কোটা উঠিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করব।

    তিনি আরো বলেন, কোটা বাতিল, সংস্কার ও পর্যালোচনায় গঠিত ৫ সদস্যের এই কমিটি তাদের প্রাথমিক মতামত আরো বলেছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে আদালতের অবজারভেশন চাওয়া হবে।

    মুক্তিযোদ্ধা কোটা সম্পর্কে সচিব বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের বিষয়ে কোর্টের আদেশ আছে, সে অনুযায়ীই তা চলবে।

    পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি সম্পর্কে জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, দেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী অগ্রসর হয়ে গেছে। এখন আর অনগ্রসর নাই। তাই এ ক্ষেত্রে কোটার দরকার হবে না বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

    কোটা ব্যবস্থা সংস্কারে গত জুলাইতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়। ওই কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।  কমিটি গঠনের এক মাসের বেশি সময় পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ এ তথ্য জানালেন।

  • যুদ্ধাপরাধের মামলায় পটুয়াখালীর ইসহাকসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    যুদ্ধাপরাধের মামলায় পটুয়াখালীর ইসহাকসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পটুয়াখালীর ইসহাক সিকদারসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন।

    মামলার অপর আসামিরা হলেন আব্দুল গণি হাওলাদার, আব্দুল আওয়াল ওরফে মৌলবী আওয়াল, আব্দুস সাত্তার প্যাদা ও সুলাইমান মৃধা।

    ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পরে পাঁচজনকেই গ্রেফতার করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ ৬ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। গত ৩০ মে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষামাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

  • ‘যে শিশু মায়ের কোলে উঠতে চেয়েছিল তার নিথর দেহ চোখের সামনে’

    ‘যে শিশু মায়ের কোলে উঠতে চেয়েছিল তার নিথর দেহ চোখের সামনে’

    খোকন আহম্মেদ হীরাঃ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল কাল রাতে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকের নির্মম বুলেটে শহীদদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাহান আরা বেগমের অতি আদরের বড় পুত্র সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাত।

    ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট ঘাতকের সামনে মা সাহান আরা বেগমের কোলে উঠতে চেয়েছিল চার বছরের শিশু সুকান্ত বাবু। কিন্তু তাকে আর কোলে নিতে পারেননি হতভাগ্য মা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘাতকের ছোড়া বুলেটে নিহত বাবুর নিথর দেহ দেখতে পান গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণে বেঁচে যাওয়া মা সাহান আরা বেগম। ৪৩ বছর পরেও সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি এই হতভাগ্য মা। স্মৃতি হাতড়ে সাহান আরা বেগম বলেন, সব শোক সইবার নয়। আজও বাবুর কথা মনে করে ডুকরে কাঁদি।

    সূত্র মতে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল রাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে মিন্টো রোডের ২৭ নম্বরে তাঁর (বঙ্গবন্ধু) বোন জামাতা ও তৎকালীন পানিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতেও হামলা করে ঘাতকরা। যেখানে খুনীরা নির্মমভাবে হত্যা করে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, তার ভাইয়ের ছেলে সাংবাদিক শহীদ সেরনিয়াবাত, মেয়ে বেবী সেরনিয়াবাত, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাত এবং বরিশালের ক্রিডেন্স শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য আব্দুর নঈম খান রিন্টুকে। এছাড়াও ওই ঘটনায় আহত হন আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের সহধর্মিণী ও বঙ্গবন্ধুর বোন আমেনা বেগম, পুত্রবধূ বেগম সাহান আরা বেগম, কন্যা বিউটি সেরনিয়াবাত, হেনা সেরনিয়াবাত, পুত্র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, ক্রিডেন্স শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য খ.ম জিল্লুর রহমান, ললিত দাস, রফিকুল ইসলাম ও সৈয়দ মাহমুদ।

    সে দিনের বিভীষিকাময় রাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি’র সহধর্মিণী সাহান আরা বেগম বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ফজরের সময় অতর্কিত হামলায় কেঁপে উঠে ঢাকার ২৭ নম্বরের মিন্টো রোডের বাড়ি। সেদিন ফজরের আযানের সময় গুলির প্রচন্ড শব্দে হঠাৎ আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। আমার শাশুড়ি (বঙ্গবন্ধুর বোন আমেনা বেগম) বলেন, বাড়িতে ডাকাত পড়েছে, আমার ভাইকে (বঙ্গবন্ধু) ফোন দাও। তখন আমার শ্বশুর আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বঙ্গবন্ধুকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু কি কথা হয় তা আমরা জানি না।

    সাহান আরা বেগম আরও বলেন, এরই মধ্যে আমি শেখ ফজলুল হক মণি ভাইকে ফোন করলাম। ফোনে তাকে বললাম, আমাদের বাড়ির দিকে কারা যেন গুলি করতে করতে আসছে বুঝতে পারছি না। মণি ভাই বলেন, কারা গুলি করছে দেখ। বললাম বৃষ্টির মতো গুলি হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে না। হঠাৎ আমাদের দরজা ভাঙ্গার শব্দ পেলাম। ঘাতকরা বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা রুমে প্রবেশ করে হ্যান্ডস আপ বলে আমাদের সবাইকে কর্ডন করে নিচ তলার ড্রইংরুমে সারিবদ্ধ করে দাঁড় করিয়ে রাখে।

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাহান আরা বেগম বলেন. সিঁড়ির অর্ধেক নেমেই বাবু (সুকান্ত বাবু) বলে, মা আমি তোমার কোলে উঠব। আমি ওকে কোলে নিতে পারলাম না। পরে নিচে নামার পর অস্ত্র ঠেকিয়ে ওরা আমাকে জিজ্ঞাসা করে, ওপরে আর কে কে আছে? এমন সময় আমার শ্বশুর আমার দিকে এমনভাবে তাকালেন তার চোখের ইশারায় আমি বললাম, ওপরে আর কেউ নেই। যে কারণে ওপরের রুমগুলো তল্লাশি না হওয়ায় আমার স্বামীকে (আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ) খুঁজে পায়নি ঘাতকরা।

    তিনি আরও বলেন, আমার শ্বশুর ঘাতকদের বলেছিল, তোমাদের কমান্ডিং অফিসার কে? কিন্তু উত্তরে ওরা বলে, আমাদের কোন কমান্ডিং অফিসার নেই। এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ঘাতকরা ব্রাশ ফায়ার শুরু করে। আমরা মাটিতে পরে যাই। আমি আমার শ্বশুরের পেছনে ছিলাম, আমার কোমরে গুলি লাগে। ব্রাশ ফায়ারে ছয়জন মারা যায়। আমরা গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কয়েকজন কাতরাচ্ছিলাম। এর মধ্যে আবার একদল লোক গাড়ি নিয়ে আসে। তখন ভাবলাম এই বুঝি শেষ। কিন্তু পরে দেখি রমনা থানার পুলিশ এসেছে।

    পুলিশ আসার পর বাবুকে শহীদ ভাইয়ের বুকের নিচ থেকে উঠানো হলো। দেখলাম ওর নাক দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। কিছু সময় আগে যে সন্তান আমার কোলে উঠতে চেয়েছিল, তাকে কোলে নিতে পারি নাই। সেই আদরের সন্তানের নিথর দেহ আমার চোখের সামনে। বলেই কান্নাজুড়ে দেন হতভাগ্য মা সাহান আরা বেগম।

    সাহান আরা বেগমের ঘনিষ্ঠজন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী জানান, সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাতের জন্ম একাত্তরের ২২ জুন। সে সময় আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ মুজিব বাহিনীর প্রধান হিসেব মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। মা সাহান আরা বেগম শিশু সুকান্ত বাবুকে নিয়ে প্রাণের ভয়ে গ্রামকে গ্রাম পাড়ি দিয়েছেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হল ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। সুকান্ত বাবুর পরিবারে খুশি নেমে আসে। এরই মধ্যে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট হঠাৎ ঘাতকের আগমনে চার বছরের শিশুটি অনেকটাই ভয় পেয়ে আশ্রয় চায় মা সাহান আরা বেগমের কোলে। কিন্তু মমতাময়ী মা তার আদরের ছোট্ট শিশুপুত্রকে আর কোলে নিতে পারেননি। তার আগেই ঘাতকের তপ্ত বুলেটের আঘাতে মায়ের চোখের সামনেই নির্মমভাবে হত্যা করা হয় সুকান্ত বাবুকে। একজন গর্ভধারিণী মায়ের কাছে এর চাইতে কষ্টকর, বেদনাদায়ক আর কি হতে পারে। সেইদিন ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। সন্তানের মুখটা শেষবারের মতো দেখারও সুযোগ হয়নি তার। সেই কষ্ট এখনও তাড়িয়ে ফেরে হতভাগ্য পিতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহকে।

    তিনি (মেরী) আরও বলেন, সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাত জন্মগ্রহণ করেছিলেন ’৭১ সালের ২২ জুন। বাংলাদেশ স্বাধীনও হয়েছিল ১৯৭১ সালে। সুকান্ত বাবুর জন্মের সময় মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। নয় মাসের যুদ্ধে আমরা পেয়েছিলাম নতুন স্বাধীন দেশ। সুকান্তও দেখেছিল নতুন বাংলাদেশকে। কিন্তু নতুন দেশের গর্বিত নাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠা হয়নি তার। স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে স্বাধীন দেশ থেকে চিরতরে চলে যেতে হয়েছে চার বছরের শিশু সুকান্ত বাবু সেরনিয়াবাতকে।

    প্রকাশিত : ১২ আগস্ট ২০১৮

     

  • নিজ উদ্যোগে সড়কে জেব্রা ক্রসিং ও সতর্ক সাইনবোর্ড স্থাপন করলেন মেয়র সাদিক

    নিজ উদ্যোগে সড়কে জেব্রা ক্রসিং ও সতর্ক সাইনবোর্ড স্থাপন করলেন মেয়র সাদিক

    শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবী মেনে নেওয়ার পাশাপাশি তা বাস্তবায়নের লক্ষে ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে কাজ শুরু করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। আজ (১২-৮-২০১৮) সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে বরিশাল জিলা স্কুলের সামনের সড়কে জেব্রা ক্রসিং ও সতর্কতা সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন তিনি। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনের ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ শিক্ষকবৃন্দরা। বরিশাল শহরের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সড়ক দূর্ঘটনা এড়াতে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, বরিশাল শহর আমাদের তাই এই শহর সুন্দর ও নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্বও আমাদের। গত ৫ আগষ্ট আমার আশ্বাসে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন প্রত্যাহর করে বরিশালের শিক্ষার্থীরা। তাই তাদেরকে দেওয়া প্রতিটি আশ্বাস পূরন করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। যার প্রথম ধাপ এই জেব্রা ক্রসিং ও সতর্কতা সাইনবোর্ড স্থাপন করা। আমি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে তাই নিজ উদ্যোগেই প্রতিটি স্কুল-কলেজের সামনে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীরাই আগামীর ভবিষ্যত, তারা যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। শিক্ষার্থীদের জন্য আরো বেশ কিছু কার্যক্রম পরিকল্পনায় রয়েছে যার মধ্যে উলে¬খযোগ্য নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ফুট ওভার ব্রিজ, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে সড়ক গুলোতে স্পিড ব্রেকার নির্মান, শিক্ষার্থীদের যান-বাহন ও লঞ্চে চলাচল করার জন্য অর্ধেক ভাড়া নির্ধারন, সতর্কতা মূলক ক্যাম্পেইন করা সহ অন্যান্য। তার এমন উদ্যোগকে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অবিভাবকরাও স্বাগত জানিয়েছে।

    উলে¬খ্য গত ২৯ জুলাই কুর্মিটোলায় জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ছাড়া আহত হন বেশ কয়েকজন। নিহত শিক্ষার্থীরা হল শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী দিয়া খানম মীম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজীব।

    এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে সাড়া দেশে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। তার ধারাবাহিকতায় ৫ আগষ্ট বরিশাল শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ নিজে উপস্থিত হয়ে তাদের দাবি পূরণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি তুলে ধরার পাশাপাশি বরিশাল শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

  • পটুয়াখালীর পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর রায় সোমবার

    পটুয়াখালীর পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর রায় সোমবার

    ইসহাক সিকদার পটুয়াখালীরসহ পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর বিরু‌দ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় সোমবার ঘোষণা করবে আন্তর্জা‌তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    র‌বিবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ঠিক করে দেন।

    এ মামলায় ইসহাক সিকদার ছাড়া বাকি চার আসা‌মি হলেন, আব্দুল গণি হাওলাদার, আব্দুল আওয়াল ওরফে মৌলভী আওয়াল, আব্দুস সাত্তার প্যাদা ও সুলাইমান মৃধা। আসা‌মিরা সবাই গ্রেফতার র‌য়ে‌ছেন।

    আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনা‌নি ক‌রেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ ছয় ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা ও ১৭ জনকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এখনও আটজন বীরাঙ্গনা জীবিত আছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়।

  • রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ‘নো অর্ডার’, খালেদার জামিন বহাল

    রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ‘নো অর্ডার’, খালেদার জামিন বহাল

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলায় নিহতের ঘটনায় দায়ের বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা নাশকতার মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া ৬ মাসের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদনে `নো-অর্ডার’ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া ৬ মাসের জামিন বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

    প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বিচারপতির বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেন।

    আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল মো. মমতাজ উদ্দিন ফকির, মুরাদ রেজা। তাদের সঙ্গে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও ড. বশির উল্লাহ।

    অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভেকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, এ কে এম এহসানুর রহান, অ্যাডভোকেট মাসুদ রানা, সালমা সুলতানা সোমা প্রমুখ।

    বৃহস্পতিবার শুনানি শেষ করে এ বিষয়ে আদেশের জন্য রোববার (১২ আগস্ট) দিন ধার্য করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

    এর আগে গত ৭ আগস্ট চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আবেদনটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। তার আগে গত ৬ আগস্ট বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস.এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন জানালেও এ বিষয়ে তারা কোনো আদেশ দেননি। ফলে এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন বহাল থাকছে। এছাড়াও এর আগে এ মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। সেই আবেদন এখন শুনানি অবস্থায় রয়েছে।

    আইনজীবী এহসানুর রহমান বলেন, এ মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার দেখিয়ে জামিন আবেদন শুনানির জন্য বেশ কয়েকবার দিন ধার্য করেন কুমিল্লার আদালত। কিন্তু বারবার দিন নির্ধারণ করায় গত ২৩ জুলাই খালেদা জিয়ার করা জামিন আবেদন ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্ট নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দিয়েছিল। পরে এ মামলায় গত ২৫ জুলাই কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ কেএম সামছুল আলম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আপিল এবং জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেয়ে গত ৬ আগস্ট হাইকোর্ট এ মামলায় খালেদা জিয়াকে ছয় মাসের জামিন দেন। আজ আপিল বিভাগের নো-অর্ডারের ফলে তার জামিন বহাল রইলো।

    উল্লেখ্য গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড হওয়ার পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া।

  • রমিজ উদ্দিন কলেজের কাছে আন্ডারপাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    রমিজ উদ্দিন কলেজের কাছে আন্ডারপাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিকটে আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সাকল ১০টায় বিমানবন্দর সড়কে বীরসপ্তক ক্রসিং পয়েন্টের কাছে ‘পথচারী আন্ডার-পাস’ প্রকল্পের এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন তিনি।

    গত ২৯ জুলাই বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় মিম ও রাজিব নামের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। আহত হয় আরও ১০ শিক্ষার্থী। ওই ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন।

    media

    প্রতিষ্ঠানটির ওই দুই শিক্ষার্থীর সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী তার অঙ্গীকার অনুযায়ী এ আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে সঞ্চয়পত্র প্রদান করেছেন।

    এছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাসও হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িকে বাসের ধাক্কা

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাড়িকে বাসের ধাক্কা

    রাজধানীর কলেজগেট এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বহনকারী গাড়িকে ধাক্কা দিয়েছে নিউভিশন পরিবহনের একটি বাস। এতে গাড়ির ক্ষতি হলেও মন্ত্রী রক্ষা পেয়েছেন।

    ট্রাফিক সপ্তাহ চলাকালে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ বাসটিকে জব্দ এবং চালক ও হেলপারকে আটক করে।

    শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক ইয়াদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

  • শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে চমস্কি-অরুন্ধতীর বিবৃতি

    শহিদুল আলমের মুক্তি চেয়ে চমস্কি-অরুন্ধতীর বিবৃতি

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কঠোরভাবে দমন ও প্রখ্যাত ফটো সাংবাদিক শহিদুল আলমকে ‘বেআইনিভাবে গ্রেফতারের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একদল বুদ্ধিজীবী। এই তালিকায় রয়েছেন একাধারে আমেরিকান দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, রাজনীতি ও গণমাধ্যম বিশ্লেষক নোয়াম চমস্কি, ভারতীয় লেখিকা ও রাজনৈতিক সক্রিয়তাবাদী অরুন্ধতী রায়, কানাডিয়ান লেখক নাওমি ক্লেইন, একাধারে আমেরিকান নাট্যকার, অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক ইভ এন্সলার এবং ভারতীয় বুদ্ধিজীবী বিজয় প্রসাদ উল্লেখযোগ্য।

    এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, তথ্য উপস্থাপন ও সমালোচনা মানব জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনো রাষ্ট্র যদি তার নাগরিককে যা ঘটছে তা বলতে না দেয় এবং এজন্য কঠোর অবস্থান নেয়, তাহলে তা মানুষের মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘনের শামিল। এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শহিদুল আলমকে জেলহাজতে নির্যাতন করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শহিদুল আলম বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে শিল্পকলা পদক পেয়েছেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। শহিদুল আলমকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে সব ধরনের অভিযোগ বাদ দিতে হবে। একইসঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যস্থতা করতে হবে।