Category: জাতীয়

  • সাবেক ভূমি কর্মকর্তার পাঁচ বছরের জেল

    সাবেক ভূমি কর্মকর্তার পাঁচ বছরের জেল

    দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যহার করার অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় রাজধানীর তেজগাঁও ভূমি অফিসের সাবেক ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আছাদ উল্লাহকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

    রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি রুহুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, আছাদ উল্লাহ তেজগাঁও ভূমি অফিসে সহকারী কর্মকর্তা থাকাকালীন নিজে লাভবান হওয়ার জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। এ ঘটনায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুদক বাদী হয়ে মামলা করে। এরপর তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় দুদক।

  • আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে সরকা

    আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসার খরচ বহন করবে সরকা

    শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে সমাপনী বক্তব্যে মন্ত্রী এই কথা জানান।

    গত শনি ও রোববার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলার শিকার হন কমপক্ষে ২৪ জন সাংবাদিক। হামলাকারীদের আটক করে আইনের আওতায় আনতে সরকারকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেধে দিয়েছেন সাংবাদিকরা। শনিবার সেই সময় শেষ হবে।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নির্যাতিত সাংবাদিকদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করবে। যারা হামলা চালিয়েছে তাদের আটক করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ভবিষ্যতে যেন গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা না হয় তাও নিশ্চিত করা হবে।’

    আহত সাংবাদিকদের চিকিৎসা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বৃহস্পতিবারই চিঠি দেয়া হবে বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

    হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে তারা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে চেয়েছে, এটা পরিকল্পিত চক্রান্ত। সাংবাদিকদের ওপর যারা হামলা করেছে তারা দুর্বৃত্ত, তাদের আটকসহ সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

    শনিবারের মধ্যে দুর্বৃত্তদের আটকের খবর সাংবাদিক নেতাদের দেয়ার চেষ্টা করবেন জানিয়ে ইনু বলেন, ‘আজই এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, উনি উদ্যোগও নিচ্ছেন।’

    কোরবানির ঈদের আগেই মহার্ঘ্য ভাতা ঘোষণার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা।

    সাংবাদিক নেতারা তথ্যমন্ত্রীকে জানান, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ২৪ জন সাংবাদিক হামলার শিকার হন, এদের মধ্যে ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বিএফইউজে’র সভাপতি মোল্লা জালাল ও মহাসচিব শাবান মাহমুদ এবং ডিইউজে’র সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে সংগঠন দুটির নেতারা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্যসচিব আবদুল মালেক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • পাঁচদিনে ১ লাখ ৩১ হাজার মামলা, জরিমানা ৩ কোটি

    পাঁচদিনে ১ লাখ ৩১ হাজার মামলা, জরিমানা ৩ কোটি

    চলমান ট্রাফিক সপ্তাহের প্রথম পাঁচদিনে সারাদেশে মোট এক লাখ ৩১ হাজার ৩৬৭টি মামলা দায়ের করেছে ট্রাফিক পুলিশ। জরিমানা হিসেবে আদায় হয়েছে তিন কোটির অধিক অর্থ।

    ট্রাফিক আইন অমান্য, যানবাহন নিবন্ধনের কাগজ না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ কাগজপত্র, লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে এসব মামলা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স জানায়, গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ট্রাফিক সপ্তাহের প্রথম পাঁচদিনের অভিযানে যানবাহনের ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন এবং ট্রাফিক আইন অমান্যের ঘটনায় মোট ৯৭ হাজার ৪৬টি যানবাহন; লাইসেন্স নয়া থাকায় ৩৪ হাজার ৩২১ জন চালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    এ সময়ে তিন কোটি ১১ লাখ ৩১ হাজার ৬৯৮ টাকা জরিমানা আদায় হয়েছে। এছাড়া আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে তিন হাজার ২৫৫টি যানবাহন জব্দ হয়েছে।

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হয় ট্রাফিক সপ্তাহ। ওইদিন দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে সাতদিনব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। প্রথমদিন সারাদেশে ১৯ হাজার ৩৬৬টি মামলা করে পুলিশ।

  • জরুরী ০১৭১৭৫০৯৯৬৫ নম্বরে কল করুন, মেয়র সাদিক

    জরুরী ০১৭১৭৫০৯৯৬৫ নম্বরে কল করুন, মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে অন্যায়ভাবে প্রভাব বিস্তার এবং ব্যক্তিস্বার্থ আদায়ের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাশাপাশি কোনো অভিযোগ থাকলে ০১৭১৭৫০৯৯৬৫ মোবাইল নম্বরে জানানোর অনুরোধ করেছেন তিনি।

    রোববার (৫ আগস্ট) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নবনির্বাচিত মেয়র অনিয়মের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান প্রকাশ করেন। গত ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে বিজয়ী হন সাদিক আব্দুল্লাহ। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণের বাকি।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, আমি বরিশাল নগরের সর্বস্তরের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিভিন্ন মাধ্যমে খবর আসছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার নাম ব্যবহার করে সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে অন্যায়ভাবে প্রভাব বিস্তার এবং ব্যক্তিস্বার্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। আমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, এ ধরনের কোনো অন্যায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ধরনের কোনো অভিযোগ থাকলে কিংবা ঘটনার শিকার হয়ে থাকলে ০১৭১৭৫০৯৯৬৫ নম্বরে জানানোর অনুরোধ করে মেয়র জানান, সঠিক অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন ও তার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবেন তিনি।

  • স্বজনদের বিদায় দিতে চায় না মন

    স্বজনদের বিদায় দিতে চায় না মন

    ইমিগ্রেশন শেষ হয়েছে ঘণ্টাখানেক আগেই। সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইট টাইম হলেও কাকডাকা ভোরেই হজযাত্রীরা আশকোনা হজ ক্যাম্পে হাজির হন। স্বজনরা চোখের জলে বিদায় জানান হজযাত্রীকে। কিন্তু বিদায় দিলেও মনটা মানতে চায় না। আর তাইতো হজ ক্যাম্প থেকে হজযাত্রীরা যখন বাসে উঠে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন, তখনও স্বজনরা কেউ বের হওয়ার রাস্তার মুখে কেউ রেলগেটের সামনে আবার কেউবা বিমানবন্দরে প্রবেশের মুখে অশ্রুসিক্ত নয়নে হজযাত্রীদের একনজর দেখতে অপেক্ষায় থাকেন।

    বাসে ওঠার ঠিক আগ মুহূর্তে হজযাত্রীদের একজন ৭-৮ বছর বয়সী ছেলেকে কাঁদতে দেখে সামনে এগিয়ে যেতে চাইলে নিরাপত্তাপ্রহরীরা আটকে দেন। বাসে উঠে বাবাও চোখের জলে বিদায় নেন।

  • প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে ‘জুডিশিয়াল ক্যু’তে জড়িত ছিলেন ড. কামাল

    প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে ‘জুডিশিয়াল ক্যু’তে জড়িত ছিলেন ড. কামাল

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সরাতে ড. কামাল হোসেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহার সঙ্গে জুডিশিয়াল ক্যু’তে জাড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের উদ্যোগে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ সফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতায় এমন মন্তব্য করেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সাবেক বিচারপতি এস কে সিনহাকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছেন তাদের সবার নাম কিন্তু আমরা জানি, ড. কামালের নাম আপনারা জানেন না। শেখ হাসিনা তো বাংলাদেশের উন্নয়ন করেই ফেলেছেন। এখন কি করার? প্রথম ষড়যন্ত্র হলো একটি জুডিশিয়াল ক্যু (বিচারিক অভ্যুত্থান)) করে শেখ হাসিনাকে কী করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে সরানো যায়। আপনারা দেখেছেন, প্রথমে শ্রীলঙ্কায় রাজাপাকশে যখন তার প্রধান বিচারপতিকে নামিয়ে দিয়েছিলেন তখন রাজাপাকশেকেও নেমে যেতে হয়েছে। তারপর পাকিস্তানের নওয়াজ শরিফকে নামিয়ে দিয়েছেন তার প্রধান বিচারপতি। এরপর নেপালে এবং আমাদের সাবেক বিচারপতি এস কে সিনহাকে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছেন তাদের সবার নাম কিন্তু আমরা জানি।’

    এ সময় উপস্থিত অতিথিরা উচ্চস্বরে ষড়যন্ত্রকারীদের নাম জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা তাদের তো চিনবেনই। ড. কামাল হোসেনকে আপনারা চিনেন না? তারপর এই ষড়যন্ত্র যখন বিফলে গেছে, আমি জানি আমাকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিটিং জাজেরা বলেছেন যে, তারা (জাজেরা) একটি অনুষ্ঠানের জন্য ড. কামাল হোসেনকে ডাকতে গিয়েছিলেন। তখন তিনি (ড. কামাল হোসেন) তাদেরকে (জাজদের) সিনহার (এস কে সিনহা) ব্যাপারে বকাঝকা করেন, ‘কেন সিনহার ব্যাপারে তারা (জাজরা) প্রতিবাদ করেননি, কেন সিনহাকে তারা সরিয়েছেন?’

    তিনি আরও বলেন, ‘তারপরে কোটা সংস্কারের আন্দোলনের কথা যেই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন, তিনি বলেছেন- ঠিক আছে। কোটার ব্যাপারে যদি এ রকম কিছু হয়ে থাকে, তাহলে আমি নিশ্চয়ই দেখবো। দরকার হলে কোটা সম্পূর্ণ বাতিল করে দেব। তারপরেও তো আন্দোলনের কোনো প্রয়োজন হয় না। এই আন্দোলন যাতে চলমান থাকে, এই আন্দোলনের ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করা যায়, সেইজন্য এই কামাল হোসেন (ড. কামাল হোসেন), এই ইউনূছ (ড. মুহাম্মদ ইউনূছ), এই খালেদা জিয়ার যারা সহযোগী তারা কিন্তু এটার মধ্যে নাক গলানো শুরু করেন।’

    a

    ‘তারপরে সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছে। তাদের যৌক্তিক দাবি কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়েছেন। ঠিক আছে, সব ঠিক করে দেব। তারাও ফিরে যেতে চেয়েছে এবং তারা ফিরে গেছে। এর মধ্যেও একটা ষড়যন্ত্র, সরকারকে ফেলে দিতে হবে।’

    আনিসুল হক বলেন, ‘এগুলো কিসের আলামত? এগুলো হচ্ছে, উনারা কোনো একটা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চান। যাতে আবারও যে উন্নয়নের পথ, যে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে, সেটাকে আবারও সেই জায়গা থেকে ফেলে দিতে হবে। পাকিস্তানের নিচে নামাতে হবে।’

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মওদুদ সাহেব বলেন, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের দরকার নাই, আমাদের সেইভ (নিরাপদ) বাংলাদেশ দরকার। ওনাদের সেইভ বাংলাদেশের নমুনা হলো- হত্যার বিচার হবে না, আর ক্যান্টনমেন্টে প্রত্যেক শুক্রবার হত্যাযজ্ঞ চলবে। এটা হচ্ছে ওনাদের সেইভ বাংলাদেশ। আর ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে উন্নত হয়ে যাবে। তাহলে তো ওনাদের ঘুম হবে না। এটা হচ্ছে ওনাদের নিয়মনীতি।’

    বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের সঞ্চালনায় এবং পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ. ম. রেজাউল করিম, সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান, আব্দুল বাসেত মজুমদার, বারের সাবেক সম্পাদক ও অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল মো. মমতাজ উদ্দিন ফকির, নজিবুল্লাহ হিরু, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল প্রমুখ।

  • সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তথ্যমন্ত্রীর চিঠি

    সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তথ্যমন্ত্রীর চিঠি

    শেখ সুমন : বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই ঢাকা সহ বাংলাদেশর সব জেলাতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা। We Want Justice এই শ্লোগান নিয়েই পথে নেমেছিল শিক্ষার্থীরা। রাজধানী ঢাকাতেই প্রথম শুরু হয়েছিল এই আন্দোলন। পরবর্তীতে এর রেশ সমস্ত দেশে ছড়িয়ে পরে। আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে ধাবিত করতে বিভিন্ন দুষ্কৃতী চক্র বিভিন্ন পন্থা অবলম্বনের চেষ্টা করে। আর রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে একদল দুষ্কৃতী চক্রের হাতে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হন সাংবাদিকগন। সাংবাদিকদের উপর বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করা হয়। আর ইতিমধ্যেই সাংবাদিকদের উপর করা হামলার বিচারের দাবিতে উত্থাল বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক মহল।

    ইতিমধ্যেই সমগ্র দেশে মানববন্ধন করেন সাংবাদিক মহল। আর এর মধ্যেই সাংবাদিকদের উপর করা হামলার বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা চাইলেন তথ্যমন্ত্রী। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কতৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কে প্রেরিত এক পত্রে ইনু বলেন, সাংবাদিকদের উপর করা হামলা দুঃখজনক। বর্তমান সরকার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় সদাসচেষ্ট। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সম্প্রতিকালে খবর সংগ্রহরত সাংবাদিকবৃন্দের আহত হবার বিষয়টি গভীরভাবে নজরে এনে তাদের উপর হামলাকারী দুষ্কৃতীকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য আপনার ব্যাক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

  • শহিদুল আলমকে বিএসএমএমইউয়ে নেয়া হয়েছে

    শহিদুল আলমকে বিএসএমএমইউয়ে নেয়া হয়েছে

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় রিমান্ডে থাকা আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএমএমইউয়ে নেয়া হয়।

    দৃক গ্যালারির মহাব্যবস্থাপক এ এস এম রেজাউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয় থেকে আজ (বুধবার) সকালে শহিদুল আলমকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বিএসএমএমইউয়ে ডিবির প্রহরায় কেবিন ব্লক ৫১২ নম্বরে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তার চিকিৎসার জন্য চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

    সাতিদিনের রিমান্ডে থাকা আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গতকাল মঙ্গলবার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের করা আন্দোলনের মধ্যে ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ বক্তব্য প্রচারের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে আদালত সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

  • হলি আর্টিসানে হামলা : অব্যাহতি পেলেন হাসনাত করিম

    হলি আর্টিসানে হামলা : অব্যাহতি পেলেন হাসনাত করিম

    রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিসানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় গ্রেফতার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর ফলে এখন তার মুক্তি পেতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

    আইনজীবী ছানোয়ার হোসাইন জানান, হাসনাত করিম দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতার রয়েছেন। চার্জশিটে নাম না থাকায় তাকে মুক্তির জন্য ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানানো হয়। বিচারক আর্জি মঞ্জুর করে তাকে মামলা থেকে অব্যাহিত দেন।

    বুধবার (৮ আগস্ট) বহুল আলোচিত গুলশানের হলি আর্টিসানে জঙ্গি হামলা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। চার্জশিটে তার নাম না থাকায় আইনজীবীরা তাকে অব্যাহতির আবেদন জানান। পরে সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারক মজিবুর রহমান আবেদন গ্রহণ করে তাকে অব্যাহতি দেন।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় তাদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।

    গত ২৩ জুলাই ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর।

    আসামিদের মধ্যে ছয়জন কারাগারে এবং দুইজন পলাতক রয়েছেন। কারাগারে থাকা ছয় আসামি হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং হাদিসুর রহমান সাগর।

    পলাতক দুইজন হলেন- শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন। অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতিদানের সুপারিশ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে তাদেরকেও অব্যাহতি দেন বিচারক। অব্যাহতি পাওয়া ১৩ জনের মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযানে ও পাঁচজন হলি আর্টিসানেই নিহত হয়েছেন।

    গুলশানের হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

    বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত ৮ জন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

  • হলি অার্টিসান মামলার চার্জশিট গ্রহণ

    হলি অার্টিসান মামলার চার্জশিট গ্রহণ

    রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টসানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বুধবার (৮ আগস্ট) সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারক মজিবুর রহমান এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। আলোচিত এ মামলা থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

    গত ২৩ জুলাই ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর। আসামিদের মধ্যে ছয়জন কারাগারে এবং দুইজন পলাতক রয়েছেন।

    কারাগারে থাকা ছয় আসামি হলেন- জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং হাদিসুর রহমান সাগর।

    পলাতক দুইজন হলেন- শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদ রিপন। অভিযোগপত্রে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চাওয়া হলে ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন। আগামী ১৬ আগস্ট গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    এছাড়াও বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতিদানের সুপারিশ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযানে ও পাঁচজন হলি আর্টিসানেই নিহত হয়েছেন।

    গুলশানের হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

    বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত ৮ জন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

    ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় তাদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।