Category: জাতীয়

  • ট্রাফিক আইন অমান্য করায় পটুয়াখালীতে ৬৪৩ মামলা

    ট্রাফিক আইন অমান্য করায় পটুয়াখালীতে ৬৪৩ মামলা

    ট্রাফিক সপ্তাহের তৃতীয় দিনে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় পটুয়াখালীতে মোট ৬৪৩টি যানবাহন ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে জেলা ট্রাফিক বিভাগ।

    রোববার থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

    ট্রাফিক বিভাগ সূত্র জানায়, ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, গাড়িরর কাগজপত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ, যত্রতত্র গাড়ি পাকিং, অতিরিক্ত যাত্রী আরোহন করা, হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করারসহ বিভিন্ন অপরাধে ৩০টি বাস, ২৫টি ট্রাক, ৫টি প্রাইভেটকার, ৭টি মাইক্রবাস, ১১টি পিকাপ, ১টি ট্যাংক লড়ি, ৯টি ইজি বাইকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা অমান্য করার কারণে ৫৫৫টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

    পটুয়াখালী ট্রাফিক পুলিশের (টিআই) হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা গত তিনদিনে রোবারস্কাউট, বিআরটির সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন স্থানে চেক পোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চেক করছি। ট্রাফিক সপ্তাহ ১১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এ উপলক্ষে শহরে ট্রাফিক সচেতনতামূলক মাইকিং করেছি। তিন দিনে আমরা মোট ৬৪৩টি যানবাহন ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।

  • বরিশালে ২৮ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশালে ২৮ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

    বরিশাল ও পটুয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে ২৮ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা। মঙ্গলবার (০৭ আগস্ট) বিকেলে ভোলা কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, অভিযানে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কালিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে ১২ লাখ মিটার ও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া বাজার এলাকা থেকে ১৬ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

    পরে স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দ করা জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

  • বরিশালে বিনা সুদে ঋণ দেয়ার আশ্বাসে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও

    বরিশালে বিনা সুদে ঋণ দেয়ার আশ্বাসে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও

    বরিশালের মুলাদী উপজেলায় বিনা সুদে ঋণ দেয়ার কথা বলে জামানত সংগ্রহের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে এসকেএস নামে একটি এনজিও উধাও হয়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সাধারণ গ্রাহকরা ঋণ নিতে এসে এনজিও এসকেএসের অফিসে তালা দেখে এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারে এবং মুলাদী থানায় অভিযোগ করেন।

    এর আগে গত সোমবার রাতে মুলাদী বাঁধের উপর বয়াতি মার্কেটের একটি কক্ষের সঙ্গে রাখা সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলে এবং গা ঢাকা দেয় এসকেএসের কর্মীরা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে প্রতারণার শিকার কয়েক জন গ্রাহক মুলাদী থানায় অভিযোগ করেছেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২ সপ্তাহ আগে পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুর উপজেলা থেকে দুই জন প্রতারক মুলাদী, হিজলা উপজেলা ও কাজিরহাট থানার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিনা সুদে ঋণ দেয়ার কথা জানায়। ওই সময় প্রতারকরা কয়েকটি বাড়ি নিয়ে ২৫ জনের একটি ইউনিট গঠন করে ঋণ দেবে বলে ঘোষণা দেয়।

    এসময় তারা সাধারণ মানুষের কাছে ৫০ হাজার টাকা ঋণ দেয়ার জন্য ৫ হাজার টাকা এবং এক লাখ টাকা ঋণ দেয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা জামানত চায়। বিনা সুদে ঋণ পাওয়ার আশায় কোনো কিছু না জেনেই সরল বিশ্বাসে তথা কথিত এনজিও এসকেএফের কর্মীদের কাছে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দেয়। কর্মীরা সাধারণ মানুষের কাছে টাকা প্রাপ্তির একটি টোকেন দিয়ে মুলাদী বাঁধের উপর বয়াতি মার্কেটে অফিস রয়েছে বলে ঠিকানা লিখে দেয় এবং ৭ জুলাই ঋণের টাকা দেয়ার কথা জানায়।

    এভাবে এসকেএফের দুই কর্মী মাত্র ১৫ দিনে মুলাদী, হিজলা উপজেলা এবং কাজিরহাট থানার প্রায় ৮শ’ মানুষের কাছে থেকে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

    মুলাদী সদর ইউনিয়নের ভাঙ্গারমোনা গ্রামের বলু হাওলাদারের ছেলে নূর মোহাম্মাদ জানান, ভাঙ্গারমোনা গ্রামের ২৫ জনের একটি ইউনিট গঠন করে এসকেএস জনপ্রতি ৫ হাজার করে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে। উত্তরচর ডাকাতিয়া গ্রামের আসমা বেগম জানান, তার এলাকায় ২৫ জনের একটি ইউনিট গঠন করেছে এসকেএস। প্রত্যেককে বিনা সুদে ৫০ হাজার টাকা ঋণ দেয়ার জন্য ইউনিট থেকে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা জামানত নিয়েছে এসকেএসের ২ কর্মী।

    কাজিরহাট থানার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের সিকিম আলী হাওলাদারের ছেলে মনির হোসেন জানান, ওই এলাকায় তাকে দল নেতা করে ২৫ জনের একটি ইউনিট গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেককে বিনা সুদে এক লাখ টাকা করে ঋণ দেয়ার জন্য ইউনিট থেকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে এসকেএসের দুই কর্মী।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে জামানতের টাকা প্রদানকারী গ্রাহকরা ঋণ নেয়ার জন্য মুলাদী বাঁধের উপর বয়াতি মার্কেটে গিয়ে কোনো সাইনবোর্ড বা অফিস দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়ে বিক্ষোভ করেন। গ্রাহকরা ভবন মালিককের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় যে, কোনো এনজিওর কাছে কক্ষ ভাড়া দেয়া হয়নি। এনজিও’র কাছে ভাড়া না দেয়া হলেও একটি কক্ষের সামনে এনজিও’র সাইনবোর্ড কি করে এলো এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

    এ বিষয়ে বয়াতি মার্কেটের মালিক মোশারফ হোসেন বয়াতি জানান, এসকেএস নামের এনজিও’র দু’জন কর্মী কিছুদিন আগে মার্কেটের একটি কক্ষ ভাড়া নেয়ার জন্য আসে। কিন্তু এনজিও’র মূল কাগজপত্র এবং চুক্তিপত্র ও অগ্রিম ভাড়া ছাড়া অফিস ভাড়া দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলে এসকেএসের কর্মীরা তাদের ‘বড় অফিসার’ আসার কথা বলে সময় ক্ষেপণ করে এবং কক্ষের সামনে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতি চাইলে তাদের নিষেধ করা হয়। পরে এনজিও কর্মীরা ৬ আগস্ট অর্থাৎ সোমবার চুক্তিপত্র সম্পাদনের কথা জানিয়ে রোববার সন্ধ্যায় একটি কক্ষের সামনে এসকেএফের সাইনবোর্ড লাগায়। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এসকেএস কোনো চুক্তিপত্র সম্পাদন না করায় অন্য একজনের কাছে অফিস ভাড়া দেয়া হয় এবং এসকেএস সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয়। প্রতারণার শিকার কয়েক জন গ্রাহক এ বিষয়ে মুলাদী থানায় অভিযোগ করেছেন।

    এ ব্যাপারে মুলাদী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল আহসান জানান, টাকা দেয়ার আগে এনজিও এসকেএস’র সম্পর্কে খোঁজ নেয়ার প্রয়োজন ছিল। একটু সচেতন হলে এভাবে তাদের প্রতারণার শিকার হতে হতো না।

    তিনি জানান, কয়েক জন গ্রাহকের অভিযোগ পেয়েছি। এনজিও এসকেএস’র কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্ধানে আশপাশের থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।

  • চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

    চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

    ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি নেতারা। মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বিকেল সোয়া চারটায় শুরু হওয়া বৈঠক চলে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী। বৈঠক নিয়ে কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।

    তবে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকায় অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকদের অবহিত করেছে বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে তাদের লিখিত তথ্য দেয়া হয়েছে।

    বিএনপির পক্ষ থেকে বিদেশি কূটনীতিকদের যে বিষয়ে অবহিত করা হয়, তার মধ্যে সদ্য সমাপ্ত বরিশাল, সিলেট এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তার সুচিকিৎসা ছাড়াও আসে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গ।

    এ সময় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অনিয়ম, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সুচিকিৎসায় সরকারের বাধা এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সরকারের দমন পীড়নের অভিযোগ করেন বিএনপি নেতারা।

    বিএনপির এই বৈঠকে বিদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে ফ্রান্স, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, স্পেন, কুয়েত, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য ও জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন, এ জে মোহাম্মদ আলী, মীর হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য রুমিন ফারহানা, জেবা খান ও তাবিথ আওয়াল উপস্থিত ছিলেন।

  • তিন দিনে ৭৪ হাজার মামলা দিল ট্রাফিক পুলিশ

    তিন দিনে ৭৪ হাজার মামলা দিল ট্রাফিক পুলিশ

    চলমান ট্রাফিক সপ্তাহের প্রথম তিন দিনে সারাদেশে মোট ৭৩ হাজার ৯৩৮টি মামলা করেছে ট্রাফিক পুলিশ। ট্রাফিক আইন অমান্য, যানবাহন নিবন্ধনের কাগজ না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ কাগজপত্র, লাইসেন্স না থাকাসহ নানা অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দেয়া হয়েছে।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সহকারী মহা-পরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ট্রাফিক সপ্তাহের আজ তৃতীয় দিন। এই অভিযানে ফিটনেস/ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই এবং অন্যান্য আইন অমান্য করায় মোট ৫৮ হাজার ৫৪৯টি যানবাহন ও ১৫ হাজার ৩৮৯ জন চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ সময়ে এক কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৯৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে এক হাজার ৮৭০টি যানবাহন আটক করা হয়েছে।

    week

    গত রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে ট্রাফিক সপ্তাহের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ট্রাফিক সপ্তাহ চলবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত।

    গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহন লিমিটেডের একটি বাসের চাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সেদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছে। এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে পুলিশকে হটিয়ে শিক্ষার্থীরা গাড়ির কাগজপত্র যাচাই ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করে। এরপরই শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার অনুরোধ করে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে ট্রাফিক পুলিশ।

  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার ২২ ছাত্র দুই দিনের রিমান্ডে

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার ২২ ছাত্র দুই দিনের রিমান্ডে

    পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের পৃথক দুই মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ ছাত্রের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আবদুল্লাহ আল মাসুদ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

    গ্রেপ্তার আসামিরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থ সাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাকের ছাত্র। এর মধ্যে বাড্ডা থানা-পুলিশ ১৪ জন ছাত্রকে এবং ভাটারা থানা-পুলিশ ৮ জন ছাত্রকে আদালতে হাজির করে প্রত্যকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

    বেলা ৩টার দিকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে স্বজনদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্ররা। তাঁদের আইনজীবীরা আদালতের কাছে দাবি করেন, পুলিশ ধরে নিয়ে থানায় ফেলে নির্যাতন করেছে। ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার পথে কয়েজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    তবে বাড্ডা থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া রিমান্ড আবেদনে বলেন, গতকাল (সোমবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আফতাব নগর মেইন গেটের রাস্তায় যান চলাচলে বাধা দেয়। লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল দিয়ে রাস্তার গাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে আসামিরা। এ ঘটনার ইন্ধনদাতা এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

    পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে, আসামিরা বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়ি ভাঙচুর করেছে। তাঁরা বাড্ডা পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন ধরাতে গেলে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার ২২ শিক্ষার্থীকে ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় অনেককেই রশি দিয়ে বেঁধে আনতে দেখা যায়। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশঅন্যদিকে ভাটারা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদ রিমান্ড আবেদনে বলেন, আসামিরা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতাল ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় লোহার রড, লোহার পাইপ ও ইট দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। আসামিরা বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলের আশপাশের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসার দরজা, জানালা ভাঙচুর করে। পলাতক আসামিরা জঙ্গি গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য। তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী এ কে এম মুহিউদ্দিন ফারুক আদালতকে বলেন, পুলিশ নিরপরাধ ছাত্রছাত্রীদের ধরে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিদওয়ান আহমেদের আইনজীবী কবির হোসেন আদালতকে বলেন, ‘পুলিশ ধরে নিয়ে থানায় ফেলে মেরে তাঁর হাতের একটি আঙুল ভেঙে দিয়েছে। তৃতীয় পক্ষের যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাঁদের পুলিশ গ্রেপ্তার না করে নিরীহ ছাত্রদের ধরে এনেছে।’

    এ ছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেপ্তার করা ছাত্রদের পরীক্ষা চলছে। ৯ আগস্ট তাঁদের পরীক্ষা আছে। জামিন না পেলে তাঁদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    গ্রেপ্তার ছাত্র মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান এবং আজিজুল হাকিমের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, পুলিশ থানায় ফেলে এই ছাত্রদের বেধড়ক পিটিয়েছে। তবে এই তিনজনের ব্যাপারে পুলিশ আদালতকে প্রতিবেদন দিয়ে দাবি করছে, গ্রেপ্তার করার সময় ধস্তাধস্তির কারণে তাঁরা সামান্য আহত হন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    বাড্ডার মামলায় গ্রেপ্তার ১৪ ছাত্র হলেন, রিসালাতুল ফেরদৌস, রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান। আর ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্ররা হলেন, আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন ও আমিনুল এহসান।

  • বুধবার থেকে স্মার্ট কার্ড পাবেন ২৭ জেলার নাগরিক

    বুধবার থেকে স্মার্ট কার্ড পাবেন ২৭ জেলার নাগরিক

    ২৭ জেলার নাগরিকদের মধ্যে উন্নত মানের জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) বিতরণের কাজ বুধবার (৮ আগস্ট) শুরু হচ্ছে।

    বেলা ১১টায় রাজধানীর নির্বাচন কমিশনের সম্মেলন কক্ষ হতে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

    ইসির যুগ্ম-সচিব (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, উদ্বোধনের মাধ্যমে ২৭ জেলায় একযোগে স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

    যেসব জেলায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ হবে:

    মানিকগঞ্জ সদর, মুন্সিগঞ্জ সদর, নরসিংদী সদর, শেরপুর সদর, জামালপুর সদর, ময়মনসিংহ সদর, টাংগাইল সদর, কিশোরগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, লক্ষ্মীপুর সদর, চাঁদপুর সদর, ফেনী সদর, নাটোর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ সদর, নওগাঁ সদর, চুয়াডাংগা সদর, মাগুরা সদর, ঝিনাইদহ সদর, সাতক্ষীরা সদর, কুষ্টিয়া সদর, যশোর সদর, রাজবাড়ী সদর, মাদারীপুর সদর, ভোলা সদর, মৌলভীবাজার সদর এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা।

    এর আগে ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর এক যোগে ৩৭ জেলায় ভিডিও কনফারিন্সিংয়ের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।

  • প্রয়োজনে আহতদের বিদেশে পাঠানো হবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রয়োজনে আহতদের বিদেশে পাঠানো হবে : প্রধানমন্ত্রী

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অান্দোলনের সময় অাওয়ামী লীগ অফিসে দুর্বৃত্তদের হামলায় দলের অাহত কর্মীদের দেখতে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সেখানে চিকিৎসা নিতে যাওয়া অাহত কর্মীদের প্রয়োজনে বিদেশে নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান তিনি। হাসপাতালে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক চোখ বিকল হয়ে যাওয়া সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পিসহ চারজনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে তাদের বিদেশে পাঠাতে নির্দেশ দেন তিনি।

    এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম ও ডা. হাবিবে মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচনে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না : সিইসি

    নির্বাচনে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না : সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ‘পাবলিক নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। বড় বড় পাবলিক নির্বাচনে কিছু কিছু অনিয়ম হয়ে থাকে। আমরা সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়ে থাকি। বরিশালে বেশি অনিয়ম হয়েছে সেখানে আমরা বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছি।’

    বুধবার রাজধানীর নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিবন্ধী ভোটাররা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ার সময় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে সে বিষয়ে এক কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি।

    এ আয়োজনে যৌথভাবে অংশ নিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএফইএস। প্রতিবন্ধীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গেলে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হন, যারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তাদের জন্য আলাদা ব্যালট পেপার ছাপানো যায় কি না? এসব বিষয়ে ২০/২৫ জন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

  • রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফখরুলসহ ৩ জনের নামে মামলা

    রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফখরুলসহ ৩ জনের নামে মামলা

    রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাত ও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    সোমবার (৬ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম এইচ এম তোয়াহার আদালতে মামলাটি করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। আদালত বাদীর জবানবন্দী গ্রহণ করে তেজগাঁও থানাকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

    বাদী পক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার অপর দুই আসামি হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৪ আগস্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি অডিও ক্লিপ সোশ্যাল গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যেখানে শোনা যায় কুমিল্লায় অবস্থানরত নওমী নামে এক কর্মীর সঙ্গে কথা বলছেন তিনি। নওমীকে তিনি বলছেন ঢাকা এসে লোকজন নিয়ে নেমে পড়তে।

    অপরদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভীর হুকুমে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ছাত্রদলের লোকজন ঢুকে পরে।

    এছাড়াও মির্জা ফখরুল ও রুহুল কবির রিজভীর হুকুমে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের মাঝে ছাত্রদলের কর্মীদের ঢুকিয়ে দিয়ে উত্তরায় এনা পরিবহনের দুই বাসে অগ্নিসংযোগ, জিগাতলায় আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর ও হামলা করে কর্মীদের আহত করেছে, মিরপুরে মারপিট, হামলা ও গুলিবর্ষণ ঘটিয়েছে ছাত্রদলের কর্মীরা।

    মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে আসামিরা সরকারের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাত ও ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়ে এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। যার ফলে আসামীরা ১৫৩ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।