Category: জাতীয়

  • শোকের মাসে বিজয়ের কোন শুভেচ্ছা নিচ্ছেন না সাদিক আবদুল্লাহ্

    শোকের মাসে বিজয়ের কোন শুভেচ্ছা নিচ্ছেন না সাদিক আবদুল্লাহ্

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ শোকের মাস আগষ্টে কোন ধরনের বিজয় মিছিল ও আনন্দ র‌্যালী করেননি। এমনকি হাজার হাজার নেতাকর্মি ও ৩০ জুলাইর ভোটে নির্বাচিত কাউন্সিলরবৃন্দসহ নগরীর বিভিন্ন পেশার মানুষের পক্ষ থেকে নিয়ে আশা ফুলের শুভেচ্ছাও গ্রহন করেননি তিনি। এ বিষয়ে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ বলেন এই শোকের মাস আগষ্টেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার দাদা শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সহ বঙ্গবন্ধু ও আমার পরিবারের অসংখ্য ব্যক্তিকে স্বপরিবারে ঘাতকরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট এসব হত্যাকান্ড চালায় ঘাতকরা। তাই এই শোকের পুরো মাসটাই আমাদের জন্য শোকের ও কষ্টের। সেজন্যই ৩০শে জুলাই সিটি নির্বাচনে আমি বিজয়ী হয়েও কোন ধরনের বিজয় র‌্যালী ও আনন্দ মিছিল করিনি। পাশাপাশি আমাদের আওয়ামী লীগের কোন দলীয় কাউন্সিলর বৃন্দদেরকেও এসব কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন নির্বাচিত হওয়ার পরে অর্থাৎ আগস্টের প্রথম দিনেই আমি আমার নব নির্বাচিত কাউন্সিলর ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে টুঙ্গিপাড়ার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কবর জিয়ারত করেছি। তাই আমাদের সকল নেতাকর্মিকে এই শোকের মাসে দোয়া মোনাজাত করে শহীদ হওয়া সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করতে বলা হয়েছে।

  • পটুয়াখালীতে পেশাদার চোর মনির আটক

    পটুয়াখালীতে পেশাদার চোর মনির আটক

    চুরি করার সরঞ্জাম, চোরাই স্বর্নালঙ্কার ও নগদ লক্ষাধিক টাকাসহ এলাকার চিহ্নিত পেশাদার চোর মনিরকে আটক করেছে কলাপাড়া থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে চোরাই স্বর্নালঙ্কার বিক্রিকালে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

    এসময় তার স্বীকারোক্তি অনুসারে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারার ভাড়া বাসা থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। এসআই নাজমুল হোসাইনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মনিরকে আটক করে। মনির পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের নাচনাপাড়া এলাকার সুলতানের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, মনিরের কাছ থেকে দুটি স্বর্নের বালা, এক জোড়া কানের দুল, একটি চেইন, নগদ এক লাখ তেইশ হাজার পাঁচ শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও চুরির কাছে ব্যবহৃত প্রায় বিভিন্ন তালার অর্ধশতাধিক চাবি, প্লায়ার্স, ড্রিল মেশিন, চাকু, স্ক্রু ড্রাইভার, লোহার তৈরি শাবল, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবইলসেটসহ দরজা ও তালা কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    চোর মনির আটকের খবর পেয়ে কলাপাড়া পৌর শহরের বিভিন্ন সময়ে চুরি হওয়া মালামাল ফেরত পেতে লোকজন থানায় ভিড় করে।

    এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মনিরের বিরুদ্ধে আমতলী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

  • বরিশালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরিক্ষা চালুর দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বরিশালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরিক্ষা চালুর দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বিভাগীয় শহর বরিশালে একান্ত মানবিক প্রয়োজনে দরিদ্র ও চাকুরী প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের জীবন ধারার তাগিদে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরীক্ষা কার্যক্রম অনতিবিলম্বে শুরু করার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আহবান জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

    আজ শুক্রবার (৩ই আগস্ট) সকাল ১১টায় নগরীর প্রানকেন্দ্র সদররোডে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

    মানববন্ধন কর্মসূচির মূখপাত্র শিক্ষাথী মোঃ সাইফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী বক্তরা বলেন,২০১৬-১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ এর তিনটি ব্যাচের সঠিক সময়ে পরিক্ষা না হওয়ার কারনে সারা বাংলাদেশে কয়েক হাজার প্রশিক্ষনার্থীর ভাগ্য অনিশ্চতার মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে।

    গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানের এই শিক্ষা কোর্সটি একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ। এ কোর্সটি ১বছর মেয়াদের কারনে সাধারন গরীব,মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের বেকার যুব সমাজের সন্তানেরা চাকুরীর প্রত্যাশায় এই কোর্সে ভর্তি হয়ে থাকে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত এস.টি.ইনষ্টিটিউট বগুড়া ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকতার যোগসাজসে অনুমোদিত আসনের চেয়ে অতিরিক্ত ভর্তি করে।একারনেই পরিক্ষার প্রবেশ পত্র না পাওয়ার কারনে এস.টি. ইনষ্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি মামলা দায়ের করার কারনে দীর্ঘদিন যাবৎ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কয়েক হাজার বেকার যুব সমাজের শিক্ষার্থীদের চাকুরীর বয়ষসিমা পাড় হয়ে যাচ্ছে।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী মোঃমহসিন,তপন কুমার দাশ,মোঃ শহিদুল ইসলাম,মোঃ সোহাগ,মোসাঃ সেলিমা বেগম,মোসাঃ হালিমা,মোঃ হালিম প্রমুখ। তারা আরো বলেন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত বরিশাল সহ পঁচিশটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০১৫-১৬ সনের পর আর কোন পরিক্ষা না হওয়ার কারনে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভাগ্য বিধাতার দিকে তাকিয়ে আছে।
    তৎকালীন সরকার ২০০২ সালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সটি চালু করেন।

    উল্লেখ্য উক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিকট ভর্তি ও আনুসাঙ্গিক ফি-বাবদ আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠানগুলো সামগ্রিক কার্য়ক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বন্ধ থাকা পরিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে ক্ষুদ্র বৃত্তি মূলক প্রশিক্ষনার্থীদের সমস্যার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • বরিশাল বরিশালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে মোমবাতি প্রজ্জলন

    বরিশাল বরিশালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে মোমবাতি প্রজ্জলন

    দেশের সড়ক ও মহাসড়কে ঘাতক যন্ত্র দানব লাইসেন্স ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক পথে নিহত শিক্ষার্থীদের স্বরনে এবং ৯দফা দাবী আদায়ের দাবীতে নগরীতে মোমবাতি প্রজ্জলনসহ মর্মিতা সভা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা শাখা।

    আজ শুক্রবার নগরীর প্রানকেন্দ সদররোডে সন্ধা ৭টা একমিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিটব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করে তারা।

    বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা শাখা কমিটির আয়োজনে সহ-সভাপতি জাহাঙ্গির আলম জামানের সভাপতিত্বে সহমর্মিতা সভায় শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবী মেনে নেয়ার দাবী জানিয়ে ও নিহত শিক্ষার্থীসহ সড়ক পথে নিহতদের স্বরনে মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কমিউনিস্ট পার্টি সাধারন সম্পাদক অধ্যাক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম,বরিশাল ছাত্র ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সম্পা দাশ,শাকিব,রাহাত,আশা,আছমা,মিম,রাহুল ও নিমাই প্রমুখ।

    এর পূর্বে ছাত্র ইউনিয়নের বরিশাল শাখার সদস্যরা সন্ধা ৭ টা এক মিনিটে সদররোড সড়কে মোমবাতি প্রজ্জলনের আয়োজন করে।

  • বরিশালে নির্বাচনী পোস্টার অপসারনের কার্যক্রম শুরু

    বরিশালে নির্বাচনী পোস্টার অপসারনের কার্যক্রম শুরু

    বরিশাল :  বরিশাল সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার চার দিন পরে পোস্টার অপসারন কার্যক্রম শুরু করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ।

    শুক্রবার (৩রা আগষ্ট) নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়ক সদর রোড থেকে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের  কর্মীরা এই পোস্টার অপসারন কার্যক্রম শুরু করে। এছাড়াও অপসারনকৃত পোস্টার পরিবহনের জন্য একটি ট্রাক ও একটি ভ্যান রয়েছে।

    তবে আগামীকাল থেকে আরো কিছু কর্মী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা।

    শহর ঘুরে দেখা গেছে, গত ৩০ জুলাই বিসিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা বরিশাল ছেয়ে যায় প্রার্থীদের প্রচারণামূলক পোস্টার আর ব্যানারে।

    তবে নির্বাচন শেষ হয়ে চারদিন অতিবাহিত হলেও নগরীর অধিকাংশ জায়গায় অসংখ্য পোস্টার সাটানো রয়েছে।
    আর স্বচ্ছ পলিথিন যুক্ত এই পোস্টার গুলোর যদি অতি দ্রুত অপসারন না করা না হলে এর প্রভাব নগরীর ড্রেনেজ  ব্যবস্থার উপর পরবে ।  পাশাপাশি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে বলে দাবী করেছেন সচেতন মহল।

    নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  আবুল হোসেন জানান, নির্বাচন শেষ হলেও প্রতিটি রাস্তায় ঝুলছে পোস্টার। কখনো বৃষ্টিতে ভিজে পোস্টার গুলো ছিড়ে রাস্তায় পরে থাকতে দেখা যায়।

    তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারনার কাজে ব্যবহৃত এই পোস্টার গুলোর সাথে স্বচ্ছ পলিথিন রয়েছে। আর এর ফলে এই পলিথিন ড্রেনে চলে গেলে ড্রেন ব্লক হয়ে যাবে। পানি চলাচলে ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে।

    আবুল হোসেন আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের উচিত নির্বাচনের পরবর্তী পোস্টার গুলো অপসারন করা। কিন্তু অনেকেই সেটা করছে না। অতি দ্রুত অপসারন করার আহবান জানান তিনি।

    এদিকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাঁরা শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের উপর নির্ভর না করে তাঁদের লোকজন ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে বিভক্ত হয়ে অপসারণ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই পোস্টার অপসারন করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব।

    এই বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা জানান, পোস্টারগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। অনেকেই ইলেকট্রিক লাইনের উপর পোস্টার লাগিয়েছে, সেগুলো খুবই বিপদজনক। এগুলো সরাতে আমাদের সময় লাগছে। তবে যেসব জায়গায় রশি দিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে, সেগুলো আমরা অপসারণ করতে অতি দ্রুতই সক্ষম হবো।

    তিনি আরো বলেন, প্রথমত নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোর  পোস্টার অপসারন করা হবে। এর পরে অন্যান্য ওয়ার্ডের বাকি পোস্টার গুলো সরিয়ে ফেলবে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীবৃন্দ।

    এই বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জান বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে চারদিন হলো। এখনো নগরীতে নির্বাচনের আমেজ রয়েছে। তাছাড়া করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে অতি দ্রুত এই পোস্টার অপসারন করার জন্য। তাই আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই অপসারন কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।

  • জামায়াত ছাড়তে বিএনপির হাইকমান্ডকে তৃণমূলের সবুজ সংকেত

    জামায়াত ছাড়তে বিএনপির হাইকমান্ডকে তৃণমূলের সবুজ সংকেত

    ২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিতে বিএনপির হাইকমান্ডকে মত দিয়েছেন দলটির তৃণমূল নেতারা। শুক্রবার (৩ আগস্ট) বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে তৃণমূল বিএনপি নেতারা জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দেওয়ার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    দুদিনব্যাপী তৃণমূল বিএনপির সঙ্গে দলটির হাইকমান্ড বৈঠকে বসেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিএনপির ১৯টি সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করে দলের হাইকমান্ড। এই সেশনে ২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে বাদ দিতে তৃণমূল নেতারা পরামর্শ দেন।

    বৈঠক সূত্র জানায়, বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, “সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতের প্রার্থী থাকার পরও বিএনপির মেয়র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এতে প্রমাণিত হয় ভোটের রাজনীতিতে জামায়াত বিএনপির জন্য কোনও সমস্যা নয়। ফলে আগামী নির্বাচনের আগে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ডাক দেওয়া ‘জাতীয় ঐক্য’ করতে জোট থেকে জামায়তকে বাদ দেওয়া দরকার।”

    জাতীয় ঐক্যের প্রসঙ্গ টেনে দুলু বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ আরও অনেকে বিএনপির সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতকে বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য করতে রাজি আছেন। ফলে এখন দলের নীতিনির্ধারকদের উচিত হবে জামায়াতকে বাদ দিয়ে সরকারের বাইরে থাকা ডান-বাম সব দলকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য করা।’

    রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর এ বক্তব্যকে সমর্থন করেন রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনে এখন জোট থেকে জামায়াতকে বাদ দিতে হবে।’

    ২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে বাদ দিতে জেলার নেতারাও এই দুই সাংগঠনিক সম্পাদকের বক্তব্যকে সমর্থন দেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটি এক সদস্য বলেন, ‘তৃণমূল নেতারা জামায়াতকে বাদ দিতে পরামর্শ দিয়েছেন। পরে আমরা স্থায়ী কমিটির নেতারা বৈঠকে বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।’

    বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান  বলেন, ‘তৃণমূল নেতারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। তাদের বক্তব্যে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন প্রধান বিষয় ছিল।’

    কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

    সকালের সেশনের পর বেলা সাড়ে ৩টা থেকে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ২২টি সাংগঠনিক ইউনিটের নেতাদের সঙ্গে বিএনপি হাইকমান্ডের বৈঠক শুরু হয়।

  • বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়েই পার পেয়েছেন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকরা।

    আর যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিলোনা, তাদের দাড়িয়ে থেকে মামলার বোঝা নিয়ে যেতে হয়েছে গন্তব্যে।

    বৃহষ্পতিবার (০২ আগষ্ট) বেলা ১১ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত টানা ২ ঘন্টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনে শতাধিক গাড়ির কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করেন শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বেলা ১১ টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন তারা। এসময় যান চলাচল স্বাভাবিক রেখে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সড়কে চলাচলরত প্রত্যেকটি গাড়ির চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কাগজপত্র প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়।

    যারা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পেরেছেন তাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে আর যারা পারেননি তাদের গাড়ি আটকে রেখে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শফিক জানান, আমরা নিরাপদ সড়কের দাবীতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও আমাদের সহায়তা করেছে। ইচ্ছে করলে যে কোন কাজ করা সম্ভব তা দেখতেই গাড়ির চালকদের বৈধ লাইসেন্স দেখতে চাওয়া হয়। যেখানে বেশে কিছু গাড়ির চালকের লাইসেন্স না পেয়ে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে মামলা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    যাদের মধ্যে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়িও ছিলোও বলে জানান তিনি।

  • খুদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : ঘাতক বাসের ৪ চালককে বরিশাল থেকে গ্রেফতার

    খুদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : ঘাতক বাসের ৪ চালককে বরিশাল থেকে গ্রেফতার

    রাজধানীতে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ঘাতক বাস জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেনকে সাতদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নাহার ইয়াসমিন।

    এর আগে গতকাল গ্রেপ্তার শাহাদাতকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম।

    ঘাতক বাস জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তবে কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানায়নি র‌্যাব।

    দুই বাসের রেষারেষির কারণে দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাসচালক মাসুম বিল্লাহর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গত বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম এ এইচ এম তোয়াহা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত সোমবার তিনটি বাসের চালক এবং দুইজন সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে চালক মাসুম বিল্লাহকে বরগুনা থেকে ও সহকারী এনায়েতকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    আরেক চালক জুবায়েরকে পটুয়াখালী এবং অন্য একটি বাসের চালক সোহাগকে মুন্সীগঞ্জ ও সহকারী রিপনকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

  • মন্ত্রী-এমপিদেরও সংসদের ভেতরে বাইরে আটকে দেয়া হলো

    মন্ত্রী-এমপিদেরও সংসদের ভেতরে বাইরে আটকে দেয়া হলো

    প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া সংসদে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করতে ও বের হতে পারেননি এমপি-মন্ত্রীরাও। এক পৌর মেয়রকেও আটকে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির বিরুদ্ধে করা হয়েছে মামলা। অবস্থা বেগতিক দেখে সংসদ থেকে বের হয়ে আবারও তাড়াতাড়ি ঘুরিয়ে সংসদে প্রবেশ করেছে গাড়ি।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেলে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সংসদ ভবন, আসাদগেট, মানিক মিয়া এভিনিউ, মনিপুরী পাড়া সরেজমিন ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। গাড়ির কাগজপত্র ছাড়া সংসদে ঢুকতে না পেরে বাতিল করা হয়েছে সংসদীয় কমিটির বৈঠকও।

    এদিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ছিল। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের ড্রাইভারের কাগজপত্র ছিল না। এজন্য আসাদগেটে তার গাড়ি আটকে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে বাধ্য হয়ে মন্ত্রী গাড়ি রেখে হেঁটে সংসদে প্রবেশ করেন। এই কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১) এর গাড়ির সব কিছু ঠিক থাকায় তিনি সংসদে প্রবেশ করতে পারেন। তবে কমিটির ১০ জন সদস্যের মধ্যে আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩) আর কেউ সংসদে প্রবেশ করতে পারেননি। ছিলেন না মন্ত্রণালয়ের হর্তাকর্তারাও। তাই কমিটির বৈঠক বাতিল করা হয়।

    জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, অনেকে বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি। তাই বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। আগামী বৈঠকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়েও আলোচনা হবে।

    MinisterGari-3

    এদিকে সংসদে এক মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসে ফেঁসে যান ঝিনাইদহের পৌর মেয়র সাইদুল কবির মিন্টু। তার গাড়ির (ঢাকা মেট্রো-ঠ, ১৬-০০৭৭) ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই, ছিল না প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। এজন্য তাকেও আটকে রাখা হয়। এমনকি সংসদের অনেক কর্মকর্তাও কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি নিয়ে সংসদে যাতায়াত করতে পারেননি।

    তবে সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরার গাড়ির কাগজপত্র থাকায় ওই গাড়ি সংসদে ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

    রেজাউল করিম হীরা পরে  বলেন, ‘বিষয়টি ভালো। তবে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না গেলেই হয়। অনেকের দেখলাম স্কুল কলেজের ইউনিফর্ম নেই। এরা আসলে কারা?’

    Minister-Gari

    সংসদ চত্বরে থাকা একাধিক গাড়ির ড্রাইভার  বলেন, ‘স্যার (এমপি) ভেতরে আছেন। সকালে আন্দোলন শুরুর আগে তারা ঢুকছেন। এখন বের হতে চাচ্ছেন না। পরিস্থিতি দেখে বের হবেন।’

    দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ঢাকা মেট্রো-চ ৫১-৬২৬৪ নম্বর গাড়িটি আটকে চালকের লাইসেন্স দেখতে চায় আদ-দ্বীন ও ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা। ড্রাইভার লাইসেন্স দেখাতে না পারায় গাড়িতে মার্কার দিয়ে ‘লাইসেন্স নাই, সরকারি গাড়িতে লাইসেন্স লাগে না’ লিখেছে শিক্ষার্থীরা।

    একই সময় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ঢাকা মেট্রো-চ ৫৩-৫১৯৬ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়ি আটকে চালকের লাইসেন্স না পেয়ে এতেও মার্কার দিয়ে ‘লাইসেন্স ছাড়া সরকারি গাড়ি রাস্তায়’ লিখে দেয় শিক্ষার্থীরা। এ সময় অর্ধশতাধিক গাড়ি আটকে দেয় তারা।

    Minister-Gari-1

    এছাড়াও উত্তরায় চালকের লাইসেন্স না থাকায় দু’টি বেসরকারি টেলিভিশনের তিনটি গাড়ির চাবি নিজেদের জিম্মায় নেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি আইন সবার জন্য সমান। কে মন্ত্রী, কে এমপি আর কে বড় কর্মকর্তা তা আমরা দেখতে চাই না।

    এর আগে সোমবার বাংলামোটরে উল্টোপথে চলতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের গাড়ি। মন্ত্রীর সামনেই শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেয়- ‘আইন সবার জন্য সমান’।

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথা হলো মিমের বাবার

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে কথা হলো মিমের বাবার

    সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কলেজছাত্রী দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর ফকির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে তার মনের কথা খুলে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীও তার সঙ্গে প্রায় ৩০ মিনিট কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে শেখ হাসিনা সম্পর্কে তার ধারণা পাল্টে গেছে। মিমের বাবা অাগে জানতেন না শেখ হাসিনা এত সহজ, সরল, সাধারণ মানুষ, একেবারেই গ্রামের মানুষ, মাটির মানুষ।

    বাংলার মুখের সঙ্গে আলাপকালে মিমের বাবা জাহাঙ্গীর তার এই অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০টি দাবি করেছি। বিশেষ করে ঢাকা শহরের স্কুল-কলেজের সামনে ওভারব্রিজ অথবা অান্ডারপাস দেয়ার কথা বলেছি। ঢাকার ভেতরে এবং বাইরের কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য অালাদা বাস সার্ভিস, দ্বিতলবিশিষ্ট বাস সার্ভিস দাবি করেছি। এটা হলে অভিভাবকদের অার কোনো টেনশন থাকবে না।

    ‘প্রধানমন্ত্রী অামাকে বলেছেন, ড্রাইভার ও মালিককে অাটক করা হয়েছে। ওনাদের বিচার হবেই। ইতোমধ্যে গাড়ির রুট পারমিট বাতিল করেছি।’

    ‘অামি প্রধানমন্ত্রীকে অারও বলেছি, লাইসেন্স ছাড়া কোনো ড্রাইভার যেন গাড়ি না চালায়, ছোট ছোট বাচ্চাদের দিয়ে লেগুনা চালানো হয়, যাদের বডির ফিটনেস গাড়ির ফিটনেস ও লাইসেন্স কোনোটাই নেই। যতদিন স্কুল-কলেজের সামনে ফুটওভারব্রিজ না হবে ততদিন বিশেষ ট্রাফিক পুলিশ শিক্ষার্থীদের পার করে দেবে। অামার মেয়ে দিয়া ও অপর শিক্ষার্থী করিম যে জায়গায় অ্যাকসিডেন্ট করেছে, সেখানে দ্রুত একটি ওভারব্রিজ করলে অার দুর্ঘটনা ঘটবে না। যে ১০টি দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে করেছি তার প্রত্যেকটি দাবি মেনে নেবেন বলে অামাকে কথা দিয়েছেন তিনি’,- বলেন মিমের বাবা।

    pm

    এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর বলেন, শেখ হাসিনা গ্রামের মানুষ, মাটির মানুষ, তার ব্যবহারে খুব খুশি হয়েছি। অাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দীর্ঘায়ু দান করুক।

    অারেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অামি যে সন্তান হারিয়েছি তাকে তো অার ফেরত পাবো না। তবে অামার মেয়ের সহপাঠীরা যারা অান্দোলন করছে, তাদের বলবো বাবারা তোমরা ফিরে যাও। তোমাদের অান্দোলনে কেউ ঢুকে অন্য কারও মায়ের কোল খালি হোক তা অামি চাই না। তোমাদের যে দাবি, অামি প্রধানমন্ত্রীকে সব বলেছি। প্রধানমন্ত্রী অামাকে অাশ্বাস দিয়েছেন। তোমরা ঘরে ফিরে গিয়ে লেখাপড়ায় মনোযোগ দাও। অার অামার মিম ও করিমের জন্য দোয়া কোরো। আল্লাহর রহমতে অামরা ভালো বিচার পাবো। অামি এক সন্তান হারিয়েছি। যারা অাছে তাদের যেন মানুষ করতে পারি এজন্য প্রধানমন্ত্রী অামাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী অামাদের দুই পরিবারকে ২০ লাখ টাকা করে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কিনে দিয়েছেন। গুলশানের একটি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করে দিয়েছেন। ওখান থেকে প্রতি মাসে ১৮ হাজার টাকা পাবো, যা দিয়ে অামার সন্তানদের লেখাপড়া করাতে পারবো। এ ছাড়া অামার বাকি সন্তানরা লেখাপড়া শেখার পর চাকরির অাশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    জাহাঙ্গীর বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, অামাকে এত সময় দেবেন ভাবতেই পারিনি। এছাড়া অামাদের জন্য দুপুরে খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। অামার এই দুঃসময়ে অামাদের দুটি পরিবারের পাশে উনি যেভাবে দাঁড়িয়েছেন তাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।