Category: জাতীয়

  • পেনশন পাবেন বেসরকারি চাকরিজীবীরাও

    পেনশন পাবেন বেসরকারি চাকরিজীবীরাও

    সরকারি চাকরিজীবীদের পাশাপাশি বেসরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় সরকারি পরিচালিত স্কিমে নিবন্ধন করে একজন কর্মজীবী মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাঁদা জমা করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ মাসে একটা নির্দিষ্ট টাকা সংশ্লিষ্ট কর্মজীবীর পেনশন হিসাবে জমা করবে।

    প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থ-বছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, হতদরিদ্র শ্রমজীবীদের ক্ষেত্রে তাদের অংশের অতিরিক্ত হিসেবে সরকার পূর্বঘোষণা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ওই হিসাবে জমা করবে। এ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গঠিত তহবিল বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত আয় সর্বজনীন পেনশন তহবিলে জমা হতে থাকবে। এছাড়া ক্রমপুঞ্জিভূত‚ চাঁদা ও আয়ের পরিমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবসরকালে মাসিক পেনশনপ্রাপ্ত হবেন। তবে, সর্বজনীন পেনশন প্রবর্তনের জন্য মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন হবে, যা সময় ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মচারী জনগণের মধ্যে সুযোগ ন্যায্যতা ও সামঞ্জস্য বিধান করার জন্য উপযুক্ত কর্মপরিকল্পনা, ধারাবাহিক কৌশলগত পরিবর্তন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সৃজন, কারিগরি সক্ষমতা ও যথাযথ নীতি-কৌশল প্রণয়ন করা প্রয়োজন। সার্বিক বিষয়ক বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত সব কর্মজীবী মানুষের জন্য একটি টেকসহ সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা প্রবর্তনের কাজ এ অর্থবছরেই শুরু করার আশা রাখি। অন্ততপক্ষে কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে সর্বজনীন পেনশনব্যবস্থা চালু করার ইচ্ছা আছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের মোট বয়স্ক জনসংখ্যার মধ্যে পেনশনভোগীর সংখ্যা অতিসামান্য। শুধু সরকারি কর্মচারী এবং কতিপয় বেসরকারি সংস্কার কর্মচারীর সর্বমোট প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ পরিবার বর্তমানে নিয়মিত পেনশন পেয়ে থাকেন। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের বাইরে হতদরিদ্র ৩৫ লাখ লোক মাসিক ৪০০ টাকা হারে বয়স্কভাতা পাচ্ছেন, যা মোট বয়স্ক জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশ মাত্র। এছাড়া তাদের ভাতার পরিমাণও মানসম্মত জীবনধারনের পক্ষে যথেষ্ট নয়।

  • বাজেটে দাম বাড়ছে জর্দা-সিগারেটের

    বাজেটে দাম বাড়ছে জর্দা-সিগারেটের

    ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে প্রতিবারের মতো এবারও বিড়ি-সিগারেটের ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    প্রস্তাবিত বাজেটে ১০ শলাকার নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ টাকা, এর সঙ্গে সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ করা হয়েছে। বর্তমানে নিম্নস্তরের মূল্য ২৭ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫২ শতাংশ আছে। বর্ধিত করারোপের ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম প্রতি শলাকা ৫০ পয়সা বাড়তে পারে।

    মধ্যস্তরের সিগারেটের মূল্য ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে উচ্চস্তরের সিগারেটের সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হয়নি। ৬৫ শতাংশে অপরিবর্তিত আছে। তবে মূল্য বাড়ানো হয়েছে। ১০ শলাকার দাম ৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করা হয়েছে।

    এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে ফিল্টারযুক্ত বিড়ির দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ফিল্টারবিহীন বিড়ির দাম। ১০ শলাকার ফিল্টারযুক্ত বিড়ির মূল্য ৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৭ টাকা এবং ২০ শলাকার বিড়ি ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অর্থাৎ আগামীতে ফিল্টারযুক্ত বিড়ি বেশি দাম দিয়ে কিনে খেতে হবে ধূমপায়ীদের।

    অন্যদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের মতো পানের স্বাদবর্ধক জর্দার মূল্য বেঁধে দেয়া হয়েছে। প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার দাম ২৫ টাকা বেঁধে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অর্থাৎ আগামীতে এ দামের নিচে আর জর্দা পাওয়া যাবে না। গুলের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ১০ গ্রাম ওজনের গুল কিনতে হবে ২৫ টাকায়।

  • দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

    দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

    বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া অংশে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ফিজিবিলিটি স্ট্যাডির কাজও শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এই রুট দিয়ে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মিত হবে।

    তবে বাজেটে দ্বিতীয় পদ্মাসেতুর জন্য নির্দিষ্ট বরাদ্দ রাখা হয়নি।

    বাজেট বক্তব্যে মুহিত বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ অর্ধেকের বেশি হয়েছে। ভবিষ্যতে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণ করবে সরকার। দ্বিতীয় পদ্মাসেতুতে অর্থায়ন করছে এডিবি। এই সেতু নির্মাণে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

    এছাড়া দ্বিতীয় কাঁচপুর, দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতুর কাজ চলমান আছে বলে জানান তিনি।

  • ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট

    ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট

    অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আজ সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন।

    আজ বেলা ১২টা ৫২ মিনিটে তিনি বাজেট পেশ শুরু করেন। এটি হচ্ছে দেশের ৪৭ তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৯ তম এবং অর্থমন্ত্রীর দশম বাজেট।

    প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে। বৈদেশিক অনুদান থেকে ৪ হাজার ৫১ কোটি পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

  • ‘বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি শুরু

    ‘বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইটের প্রস্তুতি শুরু

    বাংলাদেশের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণের পর দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাই। যখনই বিশ্বে নতুন প্রযুক্তি আসবে, ঠিক তখনই আমরা যেন তা নিয়ে গবেষণা করতে পারি, ধারণ করতে পারি এবং ব্যবহার করতে পারি সেই চেষ্টা করবো। এখন স্যাটেলাইটের যুগ, স্যাটেলাইট আমরা পাঠিয়েছি। আমরা প্রস্তুত হচ্ছি স্যাটেলাইট-২ এর জন্য।

    বুধবার সকালে ১০ম জাতীয় সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলীয় এমপি ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কার্যকর থাকার মেয়াদ ১৫ বছর। তাই এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর রাখতে আমরা সেই মেয়াদ শেষ হবার আগেই বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করতে চাই। এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ অনেক সময় সাপেক্ষ। তাই বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট তৈরির কাজ শুরু করতে আমরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে দেশে বিদেশে সকল বাঙালি খুশিতে উদ্বেলিত। খুশিতে সকলের চোখে আনন্দ অশ্রু। আমরা খুশিতে চোখের পানি রাখতে পারিনি। কিন্তু যখন সব মানুষ যখন এত খুশি, বিএনপির কেন দুঃখ? পৃথিবীর বহুদেশ আমাদের বহু ‍পূর্বে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে। আমরা কেন পারলাম না।’

    উল্লেখ্য, এ বছর ১১ই মে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।

  • সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে যা যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে যা যা বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনা বাহিনী মোতায়েন করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নূরুল হুদা।

    বুধবার (০৬ জুন) দুপুরে বরিশাল সাার্কিট হাউসে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা জানিয়েছেন।

    কর্মশলার প্রধান অতিথি সিইসি বলেন- প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা আর পুরানো পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের বিড়ম্বনা পোহাতে চাই না। ২০০৮ সালে এই পদ্ধতি নিয়ে নিরীক্ষা করার পর এর সুফল পাওয়ায় আমরা চাচ্ছি পর্যায়ক্রমে এর ব্যবহার প্রসারিত করার। আমরা চাচ্ছি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার। এজন্য ইভিএম পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম। এই পদ্ধতির সুফল ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রচারে জন্য সবার প্রতি আহবান যানান তিনি।

    বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। দিনভর এই কর্মশালায় বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে কৌশলী ভুমিকায় বিএনপি:দুই দলের তরুন প্রার্থীদের প্রচারনায় ধরাশায়ি অন্যরা

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে কৌশলী ভুমিকায় বিএনপি:দুই দলের তরুন প্রার্থীদের প্রচারনায় ধরাশায়ি অন্যরা

    নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষনার পর পরই নরেচড়ে বসেছেন বরিশাল- মহানগরের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী সমার্থকরা। কোন আইনি জটিলতা না থাকলে চলতি বছরের ৩০ জলাই অনুষ্টিত হচ্ছে বহুল প্রত্যাশীত বরিশাল সিটিকর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন কে সামনে রেখে এরই মধ্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের পদচারণায় মুখর বরিশাল নগরী।

    রমজানেরর ইফতার পার্টি ও আগাম ঈদ শুভেচ্ছা বিনীময়ে কৌশলে ব্যপকভাবে প্রচারনা যুদ্ধে নিজস্ব অবস্থান তুলে ধরছেন প্রার্থীরা। বিগত নির্বাচনের চেয়ে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী সমার্থকদের মধ্যে উৎসবে ভিন্নতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারদলের এবং সংসদের প্রধান বিরোধি দলের মধ্যে দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীই তরুন নতুন মুখ। এবারই তারা প্রথম কোনো ভোট যুদ্ধে অবর্তীন হচ্ছেন। সংসদের বাহিরে থাকা বিরোধি দল বিএনপির একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে থাকলেও দুই তরুনের প্রচারনায় আড়ালে পড়ছে তাদের প্রচার প্রচারনা। অবশ্য সব কিছু পরিস্কার হতে ভোটারদের আরো কিছু দিন অপেক্ষায় থাকতে হবে এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।

    সুত্রমতে,তফসিল ঘোষনার আগ থেকেই সক্রিয় ভাবে কর্মীসমার্থক গোছাতে সামার্থ হয়েছেন মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাদ সাদিক আবদুল্লাহ। দলের তরুন যুবসমাজ সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে দাবী করে আসছে। সাদিক ইতিমধ্যে যুবরত্ন খ্যাতি লাভ করেছেন। ব্যনার ফেষ্ঠুনসহ সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারনা চালাচ্ছে কর্মীরা।

    সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যুর পর থেকই সাদিক আবদুল্লাহ নগরের সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তিনি নৌকা প্রতিকের পক্ষে ভোট চেয়ে নগরকে চষে বেড়াচ্ছেন। কেন্দ্র থেকে সবুজ সংকেত সাদিকের দিকেই এমন একটি গুঞ্জনও সোনা যাচ্ছে। স্থানিয় সভাপতি সম্পদকসহ নেতাকর্মীরা সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে প্রচারনায় ব্যাস্ত এমন বাস্তবতায় পিছিয়ে নেই দলের অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী কর্নেল (অব:)জাহিদ ফারুক শামিমও।

    প্রচার প্রচারনায় তিনিও বেশ সক্রিয় রয়েছেন দির্ঘদিন যাবত। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে রিতিমত ঘাম ঝড়াচ্ছেন দলের ত্যাগী নেতা হিসেবে খ্যাত জাহিদ ফারুক শামিম। দলের দুর্দিনে ভদ্র ইমেজের অধিকারী জাহিদ ফারুক শামিমের দারুণ ভুমিকা রয়েছে বলে মনেকরছে একটি অংশ। একটি সুত্র বলছে দলের উচ্চপর্যায় থেকে এখনও কাউকেই আনুষ্ঠানিক ভাবে মনোনয়ন ব্যাপারে ঘোষনা আসেনি।

    সিটি নির্বাচনের এবারের আর এক নতুন ট্রামকার্ড শিল্পপতি ইকবাল হোসেন তাপস। বেকার,গরীব সুভিধা বঞ্চিত মানুষের বন্ধু হিসেবে ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছেন ইকবাল হোসেন তাপস। বর্তমান সংসদের প্রধান বিরোধি দল জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন তাপস দলের একমাত্র মনোনীত মেয়র পদ প্রার্থী। বরিশাল মহানগরীকে আধুনিকায়ন করা,পরিচ্ছন্ন রাজনিতীতে সাধারন মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার স্লোগান নিয়ে ইকবাল হোসেন তাপস প্রচার প্রচারনায় বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

    লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করলেও মুলত তিনি দলমত নির্বীশেষে নগরের সর্বোসাধারনের সমার্থন আদায়ের চেস্টা করছেন। বেকার যুবসমাজের একটি বিরাট অংশ তাপসেরর প্রতি আকৃষ্ট বলে জানা গেছে। শহরকে নিয়ে নিজের কর্মপরিকল্পনা জনসাধারনের নিকট তুলে ধরছেন। ভোটারদের সাথে মতবিনিময় ও সোস্যাল মিডিয়ায়ও প্রচারনায় রয়েছেন তাপস। তিনি বরিশাল রাজনিতীতে নতুন মুখ হলেও ব্যবসায়, শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্টানে বিগত দিনে অনেক লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করে দেয়ার সুবাধে বড় দুই দলের মধ্য তিনি এখন শক্ত প্রার্থী হয়ে হয়ে দাড়িয়েছেন।

    জাপার কেন্দ্রীয় সুত্র বলছে এবার তারা ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন প্রার্থী দিতে সক্ষম হয়েছেন। ভোট যুদ্ধে তাপসই হবে তিন দলের অন্যতম ট্রামকার্ড।

    এদিকে সরকারিদল ও সংসদের প্রধান বিরোধি দলের দুই তরুন নতুন মুখ যখন গোটা বরিশালকে প্রচারনা যুদ্ধে অবর্তীন হচ্ছে এমন প্রেক্ষাপটে সাধামাটা প্রচারনা চালিয়ে মাঠে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী। সুত্র বলছে খুলনার সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনের পরিবেশের জন্য কেন্দ্রী কমিটি মনোনয়ন বিষয়ে কৌশলী ভুমিকা পালন করছে। একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে থাকলেও দলের একজন নারী নেত্রীকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে ।

    একমসয়ের বৃহৎ এই দলটির নেতারা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের চেয়ে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে দৈন্যদশায় রয়েছেন। তবে যথাসময় যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেয়া হবে এমনটি জানিয়ে অপর একটি অসমার্থিত সুত্র বলছে,ভোট যুদ্ধে বরিশাল বিএনপিতে দলের যুগ্ন-মহাচিব এ্যড.মুজিবুর রহমান সরোয়ারের বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে সকলে একত্রিত হয়ে সরোয়ারের পক্ষেই অবস্থান নিতে পারেন বলে সুত্রটি দাবী করছে।

    সিটি নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে এখন সবখানে তরুনদের জয়জয়কার। সেদিক বিবেচনায় এনে দলগুলোর উচিত তরুনদের সুযোগ করে দেয়া। ভিন্নমত পোষন করে অপর একজন বিশ্লেষক খুলনা সিটি নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন পুরান চাল ভাতে বলে। তাই দলের ত্যাগী নেতাদের বিষয়ে দলগুলো চিন্তাভাবনা করতে পারে।

    তবে রাজনৈতিক দলগুলো যাদেরকেই মনোনয়ন দেয় না কেনো,শান্তিপুর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃস্টির প্রতি সবাই একমত পোষন করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান।

  • ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মালেক খান ও তার স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা

    ঝালকাঠী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মালেক খান ও তার স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা

    গত ৩ই জুন ঝালকাঠি জেলার বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত লিডার মোঃ মালেক খান (৫০) (পিএল নং ২৩৯৭) ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫) কে  স্ত্রীকে প্রতারণার দায়ে ১ বছরের সাজা প্রদান করেন বরিশাল বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালত।

    মনোয়ারা বেগমের সম্পর্কে ভাগ্নি জামাই মোঃ মালেক খান (৫০) ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫) ও ছেলে মোঃ রাকিব খান (২৫) ।

    আসামীরা মালেক খান, স্ত্রী রওশন আরা ও ছেলে মোঃ রাকিব খান অসৎ লোক। মনোয়ারা বেগমের মেঝ মেয়ে রমিজা কে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালে চাকুরী দেওয়ার নামে প্রতারনামূলক ও অসৎ উদ্দেশ্যে সরলতার সুযোগে মালেক খান ও তার স্ত্রী রওশন আরা  ২০১৫ সালে ২৯ই মে শুক্রবার অনুমানিক সন্ধ্যার সময় বরিশালের কোতয়ালী থানাধীন বাংলাবাজারস্থ আর্শেদ আলী কন্ট্রাকটর গলির বাসিন্দা সেলিমের ভাড়াটিয়া বাসায় এসে স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে নগদ ৪ লক্ষ ৫হাজার টাকা বুঝে নেয়।ঐ রাতেই চাকুরী নিশ্চিত করার জন্য টাকা নিয়ে ঢাকা যাচ্ছে বলে জানান।

    ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে  শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সম্ভাব্য চাকুরীজীবীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু রমিজার নাম না থাকার  মালেক খান ও তার স্ত্রীর কাছে কারন জানতে চায়।তখন আসামীরা বলে বিষয়টি দেখছি বলে বেশ কিছুদিন মোবাইল ফোন বন্ধ রাখে। যখন বাসায় গিয়ে টাকা চাওয়া হলে বলে ১৫ দিনের মধ্যে টাকা দিয়ে দিবে।অাবার ২৯ ই নভেম্বর টাকা চাইলে বলে, সকল টাকা সংগ্রহ করতে পারেনি তাই আগামী ৯ ডিসেম্বর সব টাকা এক সাথে ফেরত দিবো।

    ৯ ডিসেম্বর আবার টাকা চাইলে বলে ভবিষৎতে আবার নিয়োগ দিলে চাকরী দিয়ে দিবে।তখন টাকা ফেরত চায় রমিজার মা। এক তারিখ থেকে অন্য তারিখ টাকা পরিশোদের কথা বলে ও তালবাহানা শুরু করে। ২০১৬ সালের ৮ই ফ্রেবুয়ারী মালেক খানকে ফোন দিয়ে টাকা চাইলে তিনি টাকার কথা অস্বীকার করেন। শুধুৃ তাই নয়  টাকা ফেরত দিবে না বলে প্রাণের নাশের হুমকি প্রদান করেন। আসামীরা প্রতারনার অাশ্রয় নেয়ার জন্য ভাড়াটিয়া বাসা পরিবর্তণ করে। এদিকে কোন উপায় না পেয়ে রমিজার মা স্বজনের সাথে আলোচনা করে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    বিজ্ঞ আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিয়ে দন্ড বিধি আইনের ৪০৬/ ১০৯ ধারামতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করার অাদেশ জারী করে। মামলায় ৫জন সাক্ষী ও নিরপেক্ষ ২জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়। মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিঅাই) ।মামলাটি সার্বিক তদন্ত ও প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে ঘটনায় বরিশাল বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন আদালত ঝালকাঠী জেলার বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত লিডার মোঃ মালেক খান (৫০) পিএল নং ২৩৯৭  ও তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরু (৪৫)এর বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৪০৬/ ১০৯ ধারায় অপরাধ করিয়েছে প্রাথমিক তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানে সত্যতা পাওয়া যায়। আদালত মোঃ মালেক খান ও স্ত্রী রওশন আরা বেগম হিরুকে প্রতারণার দায়ে ১বছর সাজা প্রদান করিয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর

    খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর

    মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বির্তকিত বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে নড়াইলের আদালতে দায়েরকৃত মানহানি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করেন জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদ।

    এর আগে ৩০ মে খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার জামিনের আবেদন করলে বিচারক শেখ আব্দুল আহাদ জামিন শুনানির দিন নির্ধারণ করেছিলেন ৫ জুন।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বির্তক রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর নাম উল্লেখ না করে তাকে ইঙ্গিত করে কটূক্তি করেন খালেদা জিয়া। এ ঘটনায় রায়হান ফারুকী ইমাম ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে একইদিন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামেও মানহানি মামলা দায়ের করা হয়। এ দু’টি মামলা দায়ের করেন শহীদ শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কালিয়ার শেখ আশিক বিল্লাহ।

  • বিএনপিতে মাদকের গডফাদারদেরও খোঁজা হবে: কাদের

    বিএনপিতে মাদকের গডফাদারদেরও খোঁজা হবে: কাদের

    বিএনপিতে যারা মাদকের গডফাদার রয়েছে তাদের খোঁজা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবাদুল কাদের। তিনি বলেন, ‘যারা মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে কথা বলে সেই বিএনপিতেও মাদকের গডফাদার আছে, এগুলো খোঁজা হবে। বিএনপির ঢাকা উত্তর কমিটিতে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী আছে বলে পত্রিকায় বক্তব্য ছাপা হয়েছে, এগুলোও খোঁজা হবে।’

    মঙ্গলবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

    বিএনপি নিজেদের খোঁড়া খাদের কিনারায় মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগামী নির্বাচনে তাদের নোংরামির জবাব দেবে জনগণ। তারা পরাজয়ের গভীর খাদে পতিত হবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একরামকে নিয়ে কথা হয়, একরাম কার লোক? একরামকে অন্যায়ভাবে মারা হয়েছে প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনাদের (বিএনপি) মধ্যেও মাদক সম্রাট রয়েছে। এবার তাদের খোঁজা হবে।

    বাংলাদেশ পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, নাইজেরিয়ার রাজধানী ও যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানীর পর ঢাকার অবস্থান। এতে আমাদের লজ্জা হয়। কত সূচকে এগিয়ে যাচ্ছি, এখানে পেছনে! এগুলো নিয়ে কেউ কথা বলে না।