Category: জাতীয়

  • প্রধানমন্ত্রীকে ৭ জুলাই সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ

    প্রধানমন্ত্রীকে ৭ জুলাই সংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ

    সম্প্রতি বিভিন্ন পুরস্কার এবং অর্জনের জন্য আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেবে আওয়ামী লীগ। আগামী ৭ জুলাই দলের পক্ষ থেকে এই গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান।

    ধানমন্ডিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি সংবর্ধনার বিষয়টি জানান।

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন অর্জন ও সাফল্যের জন্য দলের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। ৭ জুলাই এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপণসহ বিভিন্ন অর্জনের কারণে এই গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে।

    আজকের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়টি ঠিক করা হয়। এ ছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সামনে আরও চারটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন সামনে থাকায় দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মহিবুল হাসান চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহম্মেদ প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • কী করবেন সোহেল তাজ, জানাবেন ঈদের পর

    কী করবেন সোহেল তাজ, জানাবেন ঈদের পর

    দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজ। তবে সোহেল তাজ দেশের বাইরে থাকলেও মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। কিছু কিছু স্ট্যাটাসে ছবিও জুড়ে দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়ে আলোচনার জন্ম দেওয়া সোহেল তাজ। বৃহস্পতিবার ফেসবুকে জানালেন ভবিষ্যতে তিনি কী করতে চান, তা আগামী ঈদুল ফিতরের পর জানাবেন। কী করতে চান তা প্রকাশ করবেন।

    বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘বেশ কিছু দিন ধরে ভাবছি আমার জন্মভূমি, মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু কী করা যায় এবং বিশেষ করে যুবসমাজের জন্য পজিটিভ কিছু করা যায় কি না। অনেক চিন্তাভাবনা করে একটি সমাধান পেয়েছি—ঈদের পর জানাব!’

    নিজের ভেরিফাইড পেজে সোহেল তাজ আরও বলেন, ‘অনেকেই কমেন্ট করছেন যে আমার দেশে আসা উচিত—আমি বেশির ভাগ সময়ই দেশে থাকি।’

    সোহেল তাজের এ স্ট্যাটাসে মুহূর্তেই হাজারো লাইক ও কমেন্ট পড়েছে। রাজনীতিবিমুখ এই মানুষটিকে রাজনীতিতে ফিরে আসতে অনুরোধ করেছেন অনেকে। তরুণ ও যুবকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় প্রয়াত চার নেতার একজন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের সন্তান সোহেল তাজ। ঈদের পর তিনি কী করেন তা জানতে ঈদ পর্যন্তই অপেক্ষা করতে হবে।

  • মাদকের পৃষ্ঠপোষক সাংসদের ভাই!

    মাদকের পৃষ্ঠপোষক সাংসদের ভাই!

     

    রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ চুয়াডাঙ্গায় ১১৯ জন নারী-পুরুষ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এই অবৈধ ব্যবসার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সাংসদ আলী আজগরের ছোট ভাই আলী মুনছুর। তিনি দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদকও। দর্শনা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন ওরফে নফর তাঁর সহযোগী।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে এই জেলায় ১১১ জনকে মাদক পাচারকারী ও ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাতে পুলিশ ও বিজিবির ১৬ জনসহ সাতজন পৃষ্ঠপোষক এবং পাঁচ ভারতীয়ের নাম ছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ১১১ জনের মধ্যে ২৬ জনেরই নাম নেই। কিন্তু নতুন করে ৩৪ জনের নাম সংযোজিত হয়েছে তালিকায়। এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ প্রতিবেদনে থাকা পুলিশ ও বিজিবির সদস্য এবং সাত পৃষ্ঠপোষকের পাঁচজনেরই নাম নেই।

    আবার জেলা পুলিশের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী আলমডাঙ্গা উপজেলায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা ২১। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় এদের মাত্র তিনজনের নাম আছে। আবার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের প্রতিবেদনে ওই তিনজনের মধ্যে মিজানুর রহমান ও আনোয়ার হোসেনকে কৃষক বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গত ৭ মে আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশ মিজানুরকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করেছে এবং তিনি এখন জেলা কারাগারে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নাম আসার বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন আলী মুনছুর। তিনি  বলেন, ‘আমার ভাই সাংসদ আলী আজগর তাঁর নির্বাচনী এলাকায় স্মরণকালে ব্যাপক উন্নয়ন করার কারণে জনপ্রিয়। তাঁকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র চলছে। যাঁরা তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁরা প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দেখিয়েছেন।’

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ ও বিজিবির কিছু অসৎ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির আত্মীয়স্বজন ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সহায়তায় মাদকদ্রব্য এনে সারা দেশে সরবরাহ করে আসছেন। এতে চুরি-ডাকাতি, অপহরণ ও খুনের মতো ঘৃণ্য সামাজিক অপরাধ বাড়ছে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও ব্যক্তিনিরাপত্তা ক্রমশ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

    জেলা পুলিশের উদ্যোগে গত বছরের ৬ মার্চ চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ মাঠে করা মাদকবিরোধী সমাবেশে জেলার চার উপজেলার ৪৩০ জন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করেন। তাঁরা ভবিষ্যতে আর মাদক ব্যবসা করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। কিন্তু কয়েক মাস পর তাঁদের অনেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের পরনে ছিল মাদকবিরোধী সমাবেশে পাওয়া পোশাক। পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানও বিষয়টি স্বীকার করেন।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী সদর থানা এলাকায় ৪৪টি স্থানে মাদক বিক্রি হয়। জেলা থেকে প্রধানত সাতটি রুটে মাদক পাচার ও পরিবহন হয়ে থাকে। মাদকের সবচেয়ে বড় মোকাম সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের আকন্দবাড়িয়া গ্রাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সদর উপজেলায় যে ২৩ জন মাদক পাচারকারী ও ব্যবসায়ী আছেন, তাঁদের সাতজনের বাড়ি এই আকন্দবাড়িয়ায়। তাঁরা হলেন রশিদা বেগম, রহিমা খাতুন, ওয়াসিম, সায়েরা বেগম ওরফে ছোটবুড়ি, ইমাম হোসেন, একরামুল হক ও মহিদুল।

    আকন্দবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) জামাল উদ্দিন বলেন, মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিরা একে আর দশটি পেশার মতোই স্বাভাবিক মনে করেন। অপরাধ মনে করেন না। তাই এটা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের সচেতনতা তৈরি করা দরকার। তিনি জানান, গ্রামটিতে গত চার বছরে মাদকের কারণে অন্তত তিনজন মারা গেছেন। অনেকেই অসুস্থ। সহজলভ্য হওয়ায় শিশুদেরও একটি অংশ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।

    জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানা ঘেঁষে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত সুইপার কলোনি। মাদকের বেচাকেনার একটি বড় জায়গা এই কলোনি।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে চুয়াডাঙ্গায় ১৯ ও ২০ মে রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জোনাব আলী ও কামরুজ্জামান খান নামের দুজন নিহত হয়েছেন। দুজনই জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। জেলা পুলিশের তথ্যমতে, কামরুজ্জামান খানের বাড়িতেই ছিল মাদকের আখড়া। জোনাব আলী ছিলেন শীর্ষ মাদক পাচারকারী। তাঁরা নিহত হওয়ার পর বাকি মাদক ব্যবসায়ীরা গা-ঢাকা দিয়েছেন। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তালিকায় এ দুজনের নাম নেই।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাকে অসম্পূর্ণ উল্লেখ করে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, ওই তালিকায় স্থানীয়ভাবে বড় অনেক মাদক পাচারকারীর নাম নেই। স্থানীয়ভাবে আরও ৯৬ জনকে চিহ্নিত করে ২১৫ জনের একটি সম্পূরক তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    পুলিশ সুপার বলেন, চলমান অভিযানের পর শীর্ষ ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ বিভাগ শূন্য সহনশীলতা নীতিই অনুসরণ করছে। প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

  • দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    দেশে কোনো লোডশেডিং নেই, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    দেশে কোনো বিদ্যুৎতের লোডশেডিং নেই বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

    বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের একটি হোটেলে বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এমন দাবি করেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো লোডশেডিং নেই। সম্প্রতি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত একটি পরিসংখ্যান চালানো হয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে দেশের ৮৬ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষই বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট।

    ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে আমাদের খরচ হবে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এরসঙ্গে ৪০০ একর জায়গা, সাড়ে তিন বছর সময়, ট্রান্সমিশন খরচ ইত্যাদি প্রয়োজন। ফলে বিদ্যুতের দাম আরও বেড়ে যাবে। ফলে সে তুলনায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে এ খরচটা অনেকাংশে কমে যাবে।

    আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে নেপাল ও ভূটান থেকেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে বলেও এসময় জানান প্রতিমন্ত্রী।

    এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যক্ষ ড. সায়েদ ফরহাত আনোয়ার প্রমুখ।

  • সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পায় : প্রধানমন্ত্রী

    সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পায় : প্রধানমন্ত্রী

    তারকা ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানের রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পেয়ে থাকেন। এটা নতুন কিছু নয়। কারো আকাঙ্ক্ষা থাকলে নিশ্চয়ই আসবে। তারা আমাদের দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, খেলাটাকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। পৃথিবীর সব দেশেই এটা দেখা যায়। তার মানে এই নয় যে তৃণমূলের নেতারা মনোনয়ন পান না। আমরা সবাই তৃণমূল থেকে এসেছি। স্কুলজীবন থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। আমরা সেলিব্রেটি হয়ে আসিনি। কাজেই আমরা তো আছিই।

    বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাস ভবন গণভবনে ভারত সফর শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসির সাবেক সভাপতি এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আগের দিনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের দল নেতা সাকিব আল হাসান।

    মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক সংবাদ সম্মেলনে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন মাশরাফি-সাকিব। একনেকের সভা শেষে মুস্তফা কামাল বলেছিলেন, ‘নড়াইল থেকে নির্বাচন করতে পারেন মাশরাফি, করলে আপনারা ভোট দেবেন। তাকে সহযোগিতা করবেন।’ আর সাকিব প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তার (সাকিব) বয়স হয়েছে। সে নির্বাচন করতেই পারে। অবশ্য মাশরাফি ও সাকিব দুজনই এখনও জাতীয় দলের নিয়মিত খেলোয়াড়। মাশরাফি এখনও ওয়ানডে খেলে যাচ্ছেন আর সাকিব তিন ফরম্যাটেই বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার।

  • মোমবাতি আর হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে: ফখরুল

    মোমবাতি আর হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে: ফখরুল

    কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অারও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে ন্যূনতম মানবিক আচরণও করা হচ্ছে না। পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে যেখানে খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে, সেখানে কোনও জেনারেটর নেই। প্রায় বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমবাতি ও হাতপাখা দিয়ে চলতে হয় খালেদা জিয়াকে। এই যে অমানবিকতা ও হৃদয়হীন আচরণ, এর কোনও তুলনা নেই।

    তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রতি রাতে জ্বরে অাক্রান্ত হচ্ছেন, হাঁটুর ব্যথায় হাঁটতে পারছেন না। তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

    বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে  মির্জা ফখরুল ইসলাম অালমগীর এসব কথা বলেন।

    কারাবন্দি দলীয় চেয়ারপারসনের শারিরীক অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা দেখা করেছেন। তারা দেখেছেন তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। এমন অসুস্থ যে তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না। কারাগারের স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানির অভাব, গুমোট আবহাওয়া ও নিয়মিত বিদ্যুৎহীনতার কারণে দেশনেত্রীর শ্বাসকষ্ট ও জ্বর লেগেই আছে। প্রতি রাত্রে তার জ্বর আসছে। এটা যে কোনো সুস্থ মানুষের জন্য অত্যন্ত এলার্মিং। জ্বরটা যাচ্ছে না। পরিত্যক্ত এই কারাগারে এখন কোনো জেনারেটর নেই; প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বাতি জ্বলে না, মোমবাতি ও হাতপাখা দিয়ে কাজ চালাতে হয়। এই যে অমানবিকতা, এই যে হৃদয়হীনতা- এটার তুলনা নেই!

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যখন কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলাম, সেখানে কখনও বিদ্যুৎ যেতে না। কারণ, সেখানে সার্বক্ষণিক জেনারেটরের ব্যবস্থা ছিল। এখন খালেদা জিয়াকে যেখানে রাখা হয়েছে সেটা কোনও দিক দিয়ে কারাগারের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না। সাধারণ প্রথম শ্রেণির বন্দি হিসেবে খালেদা জিয়ার যে প্রাপ্য অধিকার, সেটুকুও তিনি পাচ্ছেন না।

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • ১৪ রমজান

    ১৪ রমজান

    জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলার মুখ ২৪ ডটকম এর সৌজণ্যে প্রতিদিনের সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী –

  • সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে: প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচন সম্পন্ন করার দায়িত্ব নির্বাচন কশিশনের ওপর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে।

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    ভারত সফর নিয়ে পূর্বনির্ধারিত বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। লিখিত বক্তব্য শেষ করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়।

    ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে ভারত আশ্বাস দিয়েছে। আর তিস্তার বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে তাদের মধ্যে এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে।

    এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সফরের মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

  • আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

    আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি: সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

    সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে শুরুতেই মাদকবিরোধী সাম্প্রতিক অভিযান নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অভিযান নিয়ে এই প্রশ্নের উত্তরে শেখ হাসিনা বলেছেন, এ অভিযানে নিরীহ কেউ হয়রানির শিকার হয়নি। আর এ অভিযান হঠাৎ করে শুরুও হয়নি।

    সম্প্রতি ভারত সফর সম্পর্কে অবহিত করতে আজ বুধবার বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। এর আগে তিনি ভারত সফর সম্পর্কে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জাতির কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এ অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ হাজারের ওপর গ্রেপ্তার হয়েছে। কোন পত্রিকায় কত গ্রেপ্তার হয়, তা বলা হয় না।

    শেখ হাসিনা বলেন,‘ যখন কোথাও পুলিশ, র‍্যাব কোথাও অভিযানে যায়, আর সেখানে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকলে, কোনো নিরীহ ব্যক্তি শিকার হলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি বলেন, ভেজালবিরোধী-মাদকবিরোধী অভিযান বন্ধ করে দিই। ছেলে মাকে, বাবাকে হত্যা করছে মাদকের কারণে। এ ধরনের অভিযান চালাতে গেলে কিছু ঘটনা ঘটে।’

    মাদকের গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে-ই গডফাদার হোক ধরা হবে। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। জানেন তো। কার ভাই, কার আত্মীয় তা দেখা হবে না।’

    গত শুক্রবার দুই দিনের সরকারি সফরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা যান প্রধানমন্ত্রী। ওই দিনই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ভবন’ উদ্বোধন করেন। এ সময় হাসিনা ও মোদির মধ্যে বাংলাদেশ ভবনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগদান করেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত শনিবার পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

    সাম্প্রতিক সফরে শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা এই সফরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি এবং কলকাতায় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বোন শেখ রেহানাও ছিলেন।

  • মাশরাফি নির্বাচন করবে, ভোট দিয়েন : পরিকল্পনামন্ত্রী

    মাশরাফি নির্বাচন করবে, ভোট দিয়েন : পরিকল্পনামন্ত্রী

    পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘নড়াইল থেকে নির্বাচন করবেন মাশরাফি। সে ভালো মানুষ। তাকে ভোট দিয়েন। তবে কোন দল থেকে নির্বাচন করবেন সেটি বলব না।’

    মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। কামাল বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে সবাই তাকে সহায়তা করবেন।’

     ‘সাকিবেরও বয়স হয়েছে। সেও নির্বাচন করতে পারে। সে করলে আপনারা দু’জনকেই সহায়তা করবেন।’ 

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি বিএনপি থেকেও সে দাঁড়ায় তারপরও তাকে সহায়তা করবেন। মাশরাফি বিপিএলে আমার দলের (বিপিএলে) ক্যাপ্টেন ছিল। সবকিছুতে ওর নিজের একটা মতামত থাকে এবং ও সেটা থেকে বের হয় না, নিজের মধ্যেই থাকে। এটা ভালো গুণ।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘মাশরাফি প্রথমবার আমাকে চ্যাম্পিয়ন করল, পরেরবার একেবারে শেষের দিক থেকে প্রথম। তবে যাই হোক, ওটা ওর দোষ ছিল না। হি ওয়াজ মিস গাইডেড।’

    কোন দল থেকে এবং কোন আসন থেকে মাশরাফি নির্বাচন করবেন? সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি সব জানি। কিন্তু এখন বলব না। রোজার দিন, তাই মিথ্যা বলতে পারব না। এ বিষয়ে এখন আর কিছুই বলব না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভোট ব্যাংক হলো যারা ক্রিকেট পছন্দ করেন। আমি যখন নির্বাচন করি তখন আমার বয়স ৪৮ বছর। তখন আকরাম খানসহ সবাই আমার নির্বাচনী এলাকায় গিয়েছেন। আমি ক্রিকেটের শীর্ষ পদে ছিলাম, আবার পদত্যাগও করেছি। আমি পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট শেষ হয়ে যেত।’

    সভায় ফরিদপুরের মধুখালী থেকে মাগুরা শহর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের একটি প্রকল্প পাস হয়। জাতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের বাড়িও মাগুরায়। নির্বাচনে সাকিব আল হাসানের অংশগ্রহণ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাকিবেরও বয়স হয়েছে। সেও নির্বাচন করতে পারে। সে করলে আপনারা দু’জনকেই সহায়তা করবেন।’