Category: জাতীয়

  • অভিযোগ প্রমাণিত হলে এমপি বদিও ছাড় পাবে না : কাদের

    অভিযোগ প্রমাণিত হলে এমপি বদিও ছাড় পাবে না : কাদের

    কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, বদির বেয়াই যেমন ছাড় পায়নি, ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগ, বিএনপি যে দলেরই হোক কেউ রেহাই পাবে না।

    ঈদকে সামনে রেখে শনিবার দুপুরে আশুলিয়ার বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার আব্দুল্লাহপুর ও নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাদেশে সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব এবং পুলিশ। এই অভিযানে রাজনৈতিক মতলবে একটি মহল খুশি না হতেও পারে। কিন্তু দেশের মানুষ অনেক খুশি। কারণ এদেশের তরুণ সমাজ মাদকের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা স্রোতের মত দেশে সুনামির মত মাদক ঢুকে পড়েছে পাড়া মহল্লায়। এই অবস্থায় জনগণ এরকম একটি অভিযান চেয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হচ্ছে এবং তদন্ত করে র‌্যাব ও পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।

    বন্দুকযুদ্ধ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদদের সঙ্গে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোও যুক্ত। এদের কাছে অস্ত্র রয়েছে। তাই যখনই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতারে যাচ্ছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য গুলি ছুড়ছে। এখন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আত্মরক্ষা করেছে মাত্র।

    তিনি বলেন, গুলি চালায় এটাই বন্দুকযুদ্ধ। মাদক ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে, তাই তাদের কাছে অস্ত্র থাকে।

    আগামী অক্টোবর মাসে আব্দুল্লাহপুর থেকে আশুলিয়ার ডিইপিজেড পর্যন্ত সাড়ে আটশ কোটি টাকা ব্যয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী সুজব আহম্মেদ, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রাসেল হাসান, ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাভার সার্কেল, খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুর রহমান, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন, আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন খাঁন, পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি ইমাম হোসেন প্রমুখ।

  • স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার মান ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে উন্নত’ এক সময় এমন তথ্য শুনলে অনেকেই আষাঢ়ে গল্প ভেবে বাঁকা চোখে তাকাতেন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখন আন্তজার্তিক সংস্থার গবেষণায়ও এ তথ্য প্রমাণিত যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান ওই দুটি দেশ থেকে উন্নত।

    বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মেডিকেল জার্নাল দ্য লানসেটের গত বুধবার (২৩ মে) প্রকাশিত এক গবেষণা জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিশ্বের মোট ১৯৫ দেশের সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি, মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু ও পুষ্টি অবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্যসেবার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।

    বিশ্বের ১৯৫টি দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ১৪৫ ও পাকিস্তানের ১৫৪তম। এ দুটি দেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও মায়ানমারের অবস্থানও পিছনের সারিতে।

    প্রতিবেদন অনুসারে গত বছরের ১৯ মে প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৯তম। অর্থাৎ, বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় এবার আরও ৬ পয়েন্ট উন্নতি করেছে। আর ভারতের বর্তমান অবস্থান ১৪৫। গত বছর তাদের অবস্থান ছিল ১৫৪। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় ভারত ৯ পয়েন্ট এগিয়েছে।

    তালিকায় সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা ও গুণগত মানে আইসল্যান্ড প্রথম, দ্বিতীয় নরওয়ে, তৃতীয় নেদারল্যান্ড, চতুর্থ লুক্সেমবার্গ, পঞ্চম অস্ট্রেলিয়া, ষষ্ঠ ফিনল্যান্ড, সপ্তম সুইজারল্যান্ড, অষ্টম সুইডেন, নবম ইতালি এবং দশম এনডোরা।

    এরপরে অবস্থান যথাক্রমে আয়ারল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রিয়া, কানাডা, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, জার্মানি, স্পেন ও ফ্রান্স। তালিকায় ২০তম তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুর। চীনের অবস্থান ৪৮তম। শ্রীলংকা রয়েছে ৭১তম অবস্থানে। বাংলাদেশ ১৩৩তম ও ভুটান ১৩৪তম। তবে নেপাল (১৪৯তম), পাকিস্তান (১৫৪তম) ও আফগানিস্তানের (১৯১তম) চেয়ে ভাল অবস্থানে আছে ভারত।

    তালিকায় সবার নিচে রয়েছে সেন্টাল আফ্রিকান রিপাবলিকান।

  • গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে

    গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, একদিকে জনগণকে ভয় পাইয়ে দিতে সরকারি চক্রান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে অন্যদিকে নিরীহ লোকদের ধরে হত্যা ও হত্যার ভয় দেখিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলছে ঈদের আগে রমরমা বাণিজ্য। প্রত্যেক ঈদ মওসুমে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এ ধরনের রমরমা বাণিজ্য করার সুযোগ করে দেয়া হয়, এখন গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে।’

    আজ দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় রিজভী আহমেদ বলেন, এখন দেশজুড়ে মাদকবিরোধী যে অভিযান চলছে সেখানে পুলিশ তাদের ইচ্ছামতো সাধারণ মানুষের বিশেষ করে কোথাও কোথাও বিএনপিসহ বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ধরে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে, হয়রানি করছে এবং দাবিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদেরকে নির্মমভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে, হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। যদিও বলা হচ্ছে তালিকা করে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরা হচ্ছে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা। আসলে মাদক ব্যবসায় যারা গডফাদার তারা মূলত আওয়ামী লীগেরই লোক, আর সেই কারণেই তারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে রিজভী বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা সংশোধন করেছে ইসি, যা গভীর ষড়যন্ত্রমূলক এবং ভোটের ময়দান ধ্বংসের সামিল। এর ফলে ভোটের মাঠে সমান সুযোগ থাকবে না। এটি ভোটারদের প্রতি চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’

  • মোহাম্মদপুরে র‌্যাবের মাদকবিরোধী অ‌ভিযান, আটক শতাধিক

    মোহাম্মদপুরে র‌্যাবের মাদকবিরোধী অ‌ভিযান, আটক শতাধিক

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিহারি ক্যাম্পকে (জেনেভা ক্যাম্প) ঘিরে মাদকবিরোধী অ‌ভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। শনিবার সকাল ১১টা থেকে ক্যাম্পটি ঘিরে র‌্যাবের বেশ কয়েকটি ইউনিট এ অভিযান পরিচালনা করে।

    এ ব্যাপারে র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান মুফতি মাহমুদ খান জানান, অভিযানে কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি। মাদক ব্যবসায় জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    অভিযানে শতাধিক মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • ‘স্যাটেলাইটের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতে পারত বিএনপি’

    ‘স্যাটেলাইটের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতে পারত বিএনপি’

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম বলেছেন বাংলাদেশি চ্যানেলগুলো প্রতিবছর ১৪০ মিলিয়নের মতো খরচ করে। নিজস্ব স্যাটেলাইট হওয়ার কারণে এটি এখন থেকে সাশ্রয় হবে। এটি একটি জাতীয় গৌরবের বিষয়। আর একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এই জাতীয় গৌরবের অংশিদার হতে পারতেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি ধন্যবাদ জানিয়ে। কিন্ত সেই গৌরবের অংশিদার হতে পারেননি। এটি একটি অদ্ভুত রাজনৈতিক কালচার।

    আজ সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ৭-৮ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নির্মাণ খরচ উঠে আসবে। এরপর থেকে যা হবে তা লাভ। ইতিমধ্যেই যে সকল দেশে ফুট প্রিন্টিং আছে সে সব দেশের সাথে ব্যবসায়ীক আলাপ চলছে। এটাতো দৃশ্যমান লাভ। আরেকটি লাভ হলো আমরা বিশ্বে স্যাটেলাইটের জন্য ৫৭তম দেশ হয়েছি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের অর্ন্তভুক্ত করার জন্য কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন কাজ সম্পন্ন করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়নোর জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সারাদেশে তথ্য অভিযান পরিচালনা করেছে।

    টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় এবং জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদন সংবাদপত্র ও টিভিতে বেশী বেশী প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। মতবিনিময় কালে সাংবাদিকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার চিত্র তুলে ধরলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সেসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

  • ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি-লিট) উপাধি পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে অবস্থিত কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে তাকে সম্মানসূচক এ ডিগ্রি দেয়া হয়।

    শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এবং গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং অার্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় তার স্বীকৃতি হিসেবে শেখ হাসিনাকে এ উপাধি দেয়া হয়।

    বিশেষ সমাবর্তন ও ডি-লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, গওহর রিজভী, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীসহ বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।

  • এক কাতারে শেখ হাসিনা-মোদি-মমতা

    এক কাতারে শেখ হাসিনা-মোদি-মমতা

    পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক কাতারে দাঁড়ালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ১০টায় শান্তিনিকেতনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সবুজ কলি সেন। এরপর শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্র ভবনে তাকে স্বাগত জানান নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বভারতীতে উপস্থিত রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও।

    এর আগে, দুই দিনের সরকারি সফরে কলকাতার উদ্দেশ্যে শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় বিমানবন্দরে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মূখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • দুই প্রতিবেশী দেশ একসাথে চলতে চাই: শেখ হাসিনা

    দুই প্রতিবেশী দেশ একসাথে চলতে চাই: শেখ হাসিনা

    মুক্তিযুদ্ধ ও ছিটমহল বিনিময়সহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌহর্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দুই প্রতিবেশী দেশ সব সময় একসাথে চাই।

    ভারত সফরে শান্তিনিকতেনের বিশ্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

    মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কোনো দিন ভুলে যাওয়ার নয়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতে এক কোটি বাংলাদেশি শরণার্থীকে আশ্রয় ও মুক্তিযুদ্ধাদের ট্রেনিং দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কবি গুরুর হাতে গড়া এই শান্তিনিকেতন। তিনি শুধু ভারতের কবি নন, তিনি আমাদেরও (বাংলাদেশ) কবি। তার (রবীন্দ্রনাথ) অধিকাংশ কবিতা বাংলাদেশে বসে লেখা। তাই কবি গুরুর ওপর বাংলাদেশের অধিকারও বেশি বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

    ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময় বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সোহার্দ্য ও আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে ছিটমহল বিনিময়- বিশ্বে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

  • বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী আজ

    বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী আজ

    হুজাইফা রহমানঃ

    আজ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রতিভাবান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৯তম জন্মজয়ন্তী। কবি’র স্মৃতি বিজড়িত কুমিল্লার ত্রিশালে জাতীয়ভাবে তিনদিনব্যাপী নজরুল মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ্যাডঃ আবদুল হামিদ খান। বাংলাদেশ সহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে নজরুল জন্মজয়ন্তী। এছাড়া কাজী নজরুলের জন্মভূমি ভারতের আসানসোলের চুরুলিয়ায় তিনদিনব্যাপী নজরুল মেলার আয়োজন করেছে। সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    কাজী নজরুল ইসলাম (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ – ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনি বাংলা সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখযোগ্য। বাঙালি মনীষার এক তুঙ্গীয় নিদর্শন নজরুল। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি । পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ – দুই বাংলাতেই তাঁর কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল মানুষের ওপর মানুষের অত্যাচার এবং সামাজিক অনাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ। বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সংগীতজ্ঞ, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক হিসেবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নজরুল সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার। তাঁর কবিতা ও গানে এই মনোভাবই প্রতিফলিত হয়েছে। অগ্নিবীণা হাতে তাঁর প্রবেশ, ধূমকেতুর মতো তাঁর প্রকাশ।

    যেমন লেখাতে বিদ্রোহী, তেমনই জীবনে – কাজেই “বিদ্রোহী কবি”, তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে উভয় বাংলাতে প্রতি বৎসর উদযাপিত হয়ে থাকে। নজরুল এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মীয়। স্থানীয় এক মসজিদে সম্মানিত মুয়াযযিন হিসেবেও কাজ করেছিলেন। কৈশোরে বিভিন্ন থিয়েটার দলের সাথে কাজ করতে যেয়ে তিনি কবিতা, নাটক এবং সাহিত্য সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞান লাভ করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। এসময় তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। এসময় তিনি ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। প্রকাশ করেন বিদ্রোহী এবং ভাঙার গানের মতো কবিতা; ধূমকেতুর মতো সাময়িকী। জেলে বন্দী হলে পর লিখেন রাজবন্দীর জবানবন্দী , এই সব সাহিত্যকর্মে সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ছিল সুস্পষ্ট। ধার্মিক মুসলিম সমাজ এবং অবহেলিত ভারতীয় জনগণের সাথে তার বিশেষ সম্পর্ক ছিল। তার সাহিত্যকর্মে প্রাধান্য পেয়েছে ভালোবাসা, মুক্তি এবং বিদ্রোহ। ধর্মীয় লিঙ্গভেদের বিরুদ্ধেও তিনি লিখেছেন।

    ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক লিখলেও তিনি মূলত কবি হিসেবেই বেশি পরিচিত। বাংলা কাব্যে তিনি এক নতুন ধারার জন্ম দেন। এটি হল ইসলামী সঙ্গীত তথা গজল , এর পাশাপাশি তিনি অনেক উৎকৃষ্ট শ্যামা সংগীত ও হিন্দু ভক্তিগীতিও রচনা করেন। নজরুল প্রায় ৩০০০ গান রচনা এবং অধিকাংশে সুরারোপ করেছেন যেগুলো এখন নজরুল সঙ্গীত বা “নজরুল গীতি” নামে পরিচিত এবং বিশেষ জনপ্রিয়। মধ্যবয়সে তিনি পিক্স ডিজিজে আক্রান্ত হন। এর ফলে আমৃত্যু তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। একই সাথে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে তিনি সপরিবারে ঢাকা আসেন। এসময় তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

  • নয় জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১

    নয় জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১

    দেশব্যাপী মাদকবিরোধী অভিযানে দেশের ৯ জেলায় পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১১ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত ঢাকা, ঝিনাইদহ, শেরপুর, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা ও সাতক্ষীরায় এসব ‘বন্দুকযুদ্ধে’র ঘটনা ঘটে।

    ঢাকা
    রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার বিজি প্রেস হাইস্কুল মাঠ এলাকায় বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কামরুল ইসলামনামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।

    র‌্যাবের দাবি, নিহত কামরুল তেজগাঁও রেল লাইন বস্তি এবং মহাখালী সাততলা বস্তি এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার নামে বিভিন্ন থানায় ১৫টির বেশি মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র মামলা রয়েছে।

    র‌্যাব আরও জানায়, ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র-গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া দুই পক্ষের গুলি বিনিময়কালে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার (এসআই) মো. মিজানুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামরুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে এলে রাত পৌনে ২টার দিকে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    কক্সবাজার 
    জেলার রামুতে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বেয়াই আকতার কামাল (৪১) নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, কামাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।

    শুক্রবার ভোরে উপজেলার খুনিয়াপালংয়ের দুই নম্বর ব্রিজ এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী সিকদার।

    নিহত কামাল এমপি বদির বড় বোন শামসুনাহারের দেবর এবং টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

    ওসি আরও জানান, ভোরে ইয়াবার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কামালের মরদেহ খুঁজে পায়। ঘটনাস্থল থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবা, দেশীয় তৈরি এলজি ও চার রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    এদিকে, পুলিশ মহেশখালী থানা জানায়, জেলার মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে মোস্তাক আহামদ (৩৭) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। নিহত মোস্তাক আহামদ ওই ইউনিয়নের মুন্সিরড়েইল গ্রামের আনোয়ার পাশার ছেলে। তার বিরুদ্ধে তিনটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার বড়মহেশখালী ইউনিয়নের দেবেঙ্গাপাড়া পাড়াতলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপের গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানের খবর পেয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী মোস্তাকের লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় চারটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, সাত রাউন্ড গুলি ও ৩০ রাউন্ড গুলি খোসার উদ্ধার করা হয়েছে।

    কুমিল্লা
    জেলার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের মহিষমারা এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কামাল হোসেন প্রকাশ ফেন্সি কামাল (৫১) নামের একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত কামাল তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী।

    বুড়িচং থানার ওসি মনোজ কুমার দে জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১ রাউন্ড কার্তুজসহ একটি পাইপগান ও ৫০ কেজি গাঁজা। নিহত ওই মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বুড়িচং ও কোতয়ালী মডেল থানায় ১২টির অধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

    ময়মনসিংহ
    সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাজন নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্য। ঘটনাস্থলে থেকে ৪শ’ পিস ইয়াবা, একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশের দাবি, নিহত রাজন এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় আট থেকে নয়টি মাদকদ্রব্য মামলা রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর পুরোহিত পাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বন্দুকযুদ্ধে আহত ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান।

    সাতক্ষীরা
    জেলার কলারোয়া উপজেলায় বন্দুকযুদ্ধে ইউনুস আলী দালাল নামের একজন নিহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইউনুস উপজেলার দক্ষিণ ভাদিয়ালি গ্রামের আব্দুল্লাহ দালালের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, রাতে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর-বড়ালি সীমান্তে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে ইউনুস নিহত হয়। বাহিনীর দাবি, সে একজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী।

    ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শ্যুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে বলেও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

    নেত্রকোনা 
    সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের মনাং গ্রামে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত এবং তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

    এ ব্যাপারে নেত্রকোনা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. ফখরুজ্জামান জুয়েল জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মনাং গ্রামে  মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় দুই মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়। তাদেরকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন।

    অভিযানে আধা কেজি হেরোইন, ৩ হাজারের অধিক ইয়াবা ও দু’টি পাইপগান উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

    ঝিনাইদহ
    জেলার কালীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শামীম হোসেন নামের একজন মাদকব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এসময় চার পুলিশ আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কালীগঞ্জের সুগার মিল এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ৫০০ পিস ইয়াবা ও ১৭ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

    কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ীর নিহত হওয়ার কথা জানান।

    গাইবান্ধা
    জেলার ফুলছড়ি উপজেলার পুলবন্দি ফলিয়া ব্রিজ এলাকায় শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জুয়েল মিয়া (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। জুয়েল মিয়া সদর উপজেলার ব্রিজ রোড মিস্ত্রি পাড়া এলাকার মৃত নছিম উদ্দিনের ছেলে।

    পুলিশ জানান, জুয়েল মিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    শেরপুর
    শুক্রবার ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালু ডাকাত নামের একজন নিহত হয়েছেন। এসময় উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত কালু ডাকাত মাদক ব্যবসার পাশাপাশি শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন।