Category: জাতীয়

  • সিটি নির্বাচনে স্থানীয় এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না

    সিটি নির্বাচনে স্থানীয় এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্থানীয় এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে ওই সিটি করপোরেশনের বাইরের অন্য এমপিরা প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। আর নির্দেশনা তখনই কার্যকর হবে যদি সিটি নির্বাচনের আগে আচরণবিধি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

    মঙ্গলবার দুপুরের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।

    এদিন রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণের তারিখ আগামী ৩০ জুলাই নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া আগামী ২৮ জুন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১-২ জুলাই। প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জুলাই। এবং ১০ জুলাই প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

  • ৩৮তম লিখিত ও ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ

    ৩৮তম লিখিত ও ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ

    ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ও ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের তারিখ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। আগামী ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএস এবং ৮ আগস্ট ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সিন্ডিকেট সভায় আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার এই সময় নির্ধারণ করা হয়।

    সভায় শেষে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক জানান, ৩৮তম ও ৩৯তম বিসিএসের পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩ আগস্ট ৩৯তম বিসিএসের পরীক্ষা নেব ও ৮ আগস্ট ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে। ৮ থেকে ১৩ আগস্ট এই বিসিএসের কম্পোলসারি বিষয়ের পরীক্ষা হবে।

    এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। পাশাপাশি ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের কাজ চলছে।

  • ৩ সিটিতে ভোট ৩০ জুলাই

    ৩ সিটিতে ভোট ৩০ জুলাই

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।

    মঙ্গলবার দুপুরের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, আগামী ২৮ জুন মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১-২ জুলাই। প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জুলাই এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১০ জুলাই।

  • খালেদার জামিন স্থগিত : রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি মঙ্গলবার

    খালেদার জামিন স্থগিত : রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি মঙ্গলবার

    কুমিল্লায় হত্যা ও নাশকতার দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

    রাষ্ট্রপক্ষের করা স্থগিত আবেদনের ওপর আগামীকাল মঙ্গলবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বারজজ আদালতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, চেম্বার আদালতে স্থগিতের আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    এর আগে সকালে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ কুমিল্লার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। তবে, নড়াইলের মানহানির মামলায় আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।

    রোববার কুমিল্লায় নাশকতার দুই মামলা ও নড়াইলের মানহানির মামলার ওপর শুনানি শেষ হয়। হাইকোর্টে আদেশের পর কুমিল্লার মামলার বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়ে রুল দিয়েছেন, অন্যটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। ওই মামলায় আপিলের পর খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। যেটি গত ১৭ মে বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

    কিন্তু তার আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্তত আরও ছয়টি মামলা রয়েছে; যেগুলোতে জামিন পেলেই কেবল তিনি মুক্তি পেতে পারেন। এর মধ্যে কুমিল্লায় তিনটি ও নড়াইলে একটি, বাকিগুলো ঢাকার।

  • ক্ষমতায় চিরদিন থাকব না, আজ আছি কাল নাও থাকতে পারি: ওবায়দুল কাদের

    ক্ষমতায় চিরদিন থাকব না, আজ আছি কাল নাও থাকতে পারি: ওবায়দুল কাদের

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ক্ষমতায় চিরদিন থাকব না, আজ আছি কাল নাও থাকতে পারি।  কিন্তু আমি মানুষের মাঝে আছি, থাকব। সুখের মুহূর্তে, দুঃখের মুহূর্তে সব সময় জনগণের মাঝে আছি। আমি কোন অন্যায় করিনি। আপনারা জনগণকে খুশি করুন। জনগণ আপনাদের খুশি করবে, ভালোবাসবে।

    আজ রবিবার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে আমি একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছি- এমপি হয়েছি, মন্ত্রী হয়েছি। চট্রগ্রাম ডিভিশানে একজন, ইতিহাসে আর কেউ সাধারণ সম্পাদক হয়নি, তারপরেও আমি সংবর্ধনা নেয়নি, গেইট করতে দেয়নি। আমার এগুলো দরকার নেই। কারো ভালো না লাগলে চলে যান, তবে দলে থেকে কোন অপকর্ম সহ্য করা হবে না। কারো মনে কষ্ট দিয়ে নেতা হওয়ার চেষ্টা করবেন না।

    বিলবোর্ডে ছবি দিয়ে নেতা হওয়া যায় না, কাজ লাগবে, কৃতি লাগবে। যারা আমার ছবির সাথে আপনাদের ছবি দিয়ে গাছের উপরে বিলবোর্ড টাঙ্গিয়েছেন, অতিসত্তর আপনারা এসব বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলুন, নচেৎ আমি নিজে এসব বিলবোর্ড নামিয়ে ফেলব। বিলবোর্ড দিয়ে জনপ্রিয়তা নির্ণয় করা যায় না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি ঢাকা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসে নেতা হইনি। আমি তৃণমূল থেকে বড় নেতা হয়েছি, আমার নেত্রী আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করেছেন। নেত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এখানে আমার জন্ম, আপনারা আমাকে ভালোবাসেন এবং ভোট দেন বলেই আমি এমপি হই, মন্ত্রী হই।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি ভারত সফরে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিয়েছি, এমনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে পাশাপাশি বসে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি, আমার জীবনে এর চেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কী হতে পারে। এসফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই সফরে দেশের জনগণের স্বার্থের কথা তুলে ধরেছি।

    তিনি আজ কবিরহাট পৌরসভায় ইফতার পার্টিতে যোগ দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, নোয়াখালী জেলা আ. লীগের সহসভাপতি আবু তাহের, নোয়াখালী পৌর সভার মেয়র সহিদ উল্যাহ খান সোহেল, কবির হাট পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান।

    কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খাঁনের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন বসুরহাট পৌর সভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন প্রমুখ।

  • দে‌শে কেউ এখন নিরাপদ নয়: ফখরুল

    দে‌শে কেউ এখন নিরাপদ নয়: ফখরুল

    দে‌শে কেউ এখন নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করে বিএন‌পির মহাস‌চিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দে‌শে চলমান যে সংকট তা পুরো জা‌তির জন্য সংকট। আজকে দেশের যে অবস্থা তা কোনো ব্য‌ক্তি বা দ‌লের জন্য নয়, গোটা জাতির জন্য হুম‌কি হ‌য়ে দাঁড়ি‌য়ে‌ছে। দে‌শে কেউ এখন নিরাপদ নয়। তাই এ অবস্থায় আমরা য‌দি ঐক্যবদ্ধ না হ‌তে পা‌রি তাহ‌লে জা‌তি ক্ষমা কর‌বে না।

    আজ রাজধানীর একটি হোটেলে নাগ‌রিক ঐক্য আয়োজিত ইফতা‌র মাহ‌ফি‌লে তিনি একথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও ব‌লেন, আমরা (বিএন‌পি) ম‌নে ক‌রি নির্বাচন হতে হলে লে‌ভেল প্লে‌য়িং ফিল্ড তৈ‌রি হ‌তে হ‌বে, সংসদ ভে‌ঙে দি‌তে হ‌বে, সেনাবা‌হিনী মোতা‌য়েন কর‌তে হ‌বে। ‌নির্বাচন হ‌বে নির্দলীয় সরকা‌রের অধী‌নে। তাছাড়া নির্বাচন অর্থবহ হ‌বে ব‌লে ম‌নে ক‌রি না।

  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির ইফতারে প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির ইফতারে প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আজ বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য ও বিদেশী কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্তকর্তাদর সম্মানে ইফতার পার্টির আয়োজন করেন।

    বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এই ইফতার পার্টিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ এবং সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ যোগ দেন। রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী রাশিদা খানম এবং পরিবারের সদস্যরাও ইফতারে অংশ নেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতি তাঁকে স্বাগত জানান।মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিদেশী কূটনীতিক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, এ্যাটর্নি জেনারেল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইনজীবী, সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বিশিষ্ট নাগরিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ এতে যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।

    ইফতারের পূর্বে দেশ ও জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল কবির মোনাজাত পরিচালনা করেন। সূত্র: বাসস

  • মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছি, জয়ী হতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছি, জয়ী হতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সরকার মাদকের বিরুদ্ধে অলআউট যুদ্ধে নেমেছে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে।
    রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অপরদিকে আগামী ৭ জুনের মধ্যে শ্রমিকদের মে মাসের বেতন পরিশোধ ও ১০ জুনের মধ্যে উৎসব ভাতা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি (মাদকের বিরুদ্ধে) আমরা অলআউট যুদ্ধে নেমেছি। এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতেই হবে। আমরা সব ধরনের প্রচেষ্টা নেব। কোনো প্রচেষ্টাই ফাইনাল নয়। যা করলে আমরা মনে করি, ভালো হবে আমরা সেখানেই যাব।
    অভিযান কতদিন চলবে ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই অভিযান চলবে। এটা বিশেষ বলে কোনো কিছু না। যে পর্যন্ত আমরা (মাদক) নিয়ন্ত্রণ করতে না পারব, সেই পর্যন্তই অভিযান চলবে। নির্দিষ্ট সময় সীমা এটার মধ্যে নেই। যতদিন মাদক পুরোপুরি নির্মূল না হবে, ততদিন অভিযান চলবে।
    মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সরকারি অধিদফতর ব্যর্থ কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যর্থতা আর সফলতা বলে কোন কথা না। এমন প্রশ্ন আসেনি। প্রশ্নটা হচ্ছে আমরা মাদকের ভয়াবহতায় আক্রান্ত হয়েছি, এটা বাস্তবতা। এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। আমরা সেই অনুযায়ী সর্বাত্মকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সামাজিকভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। বিভিন্ন সমাজপতিদের, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এবং জনগণকে এর সাথে সম্পৃক্ত করেছি। গোয়েন্দাদের মাধ্যমে আমরা যে লিস্ট তৈরি করেছি তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসছি।
    তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। জিরো টলারেন্সের অর্থ হচ্ছে আমরা সব কিছুই করব। আপনাদের কাছেও যদি কোন তালিকা থাকে তা আমাদেরকে দিন। আমাদেরকে সমৃদ্ধ করুন। আমরা ব্যবস্থা নেই। এই অভিযান থেকে কেউ বাদ যাবে না বলে আবারও উল্লেখ করেন তিনি।
    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আপনারা ইতিমধ্যেই প্রমাণ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি (শেখ হাসিনা) উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। এখানে আমাদের একজন সংসদ সদস্য জেলে রয়েছেন। সরকারদলীয় বা বিরাট সমাজপতি সেগুলো এখানে বিবেচ্য নয়। সে যেই হোক অপরাধ করলেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
  • খালেদার তিন মামলা রোববারের কার্যতালিকার শীর্ষে

    খালেদার তিন মামলা রোববারের কার্যতালিকার শীর্ষে

    কুমিল্লায় হত্যা ও নাশকতার অভিযোগে করা দুটি এবং নড়াইলের মানহানির পৃথক অপর মামলাসহ তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন হাইকোর্টের রোববারের কার্যতালিকার শীর্ষে রয়েছে।

    রোববারের কার্যতালিকায় দেখা যায়, খালেদা জিয়ার তিনটি আবেদনই শুনানির জন্য বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের কার্যতালিকার এক থেকে তিন নম্বরে রয়েছে।

    কুমিল্লায় বাসে অগ্নিসংযোগ করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি ওই দিনই শেষ হয়। আগামীকাল রোববার এই মামলায় জামিন আবেদনের উপর আদেশ দেয়ার দিন ধার্য করেন আদালত। কুমিল্লায় অপর একটি নাশকতার মামলা এবং নড়াইলে মানহানির মামলায় আগামীকাল শুনানি অনুিষ্ঠত হবে।

    আদালতে সেদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরোদ্দোজা বাদল, কায়সার কামাল প্রমুখ। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মমতাজ উদ্দিন ফকির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ, ড. মো. বশির উল্লাহ, এ কে এম দাউদুর রহমান মিনা, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মো. মাহমুদুল করিম রতন ও মো. শফিকুজ্জামান রানা।

    এর আগে গত ২২ ও ২৩ মে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়। ২০ মে কুমিল্লা ও নড়াইলের তিন মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আবেদন করেন।

    এখন কুমিল্লার নাশকতার মামলা ও নড়াইলে মানহানির মামলায় শুনানি শেষ হলে আদালত জামিন বিষয়ে আদেশ দেবেন।

    এ ছাড়াও আগামী ২৮ মে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে সমগ্র জাতির মানহানি এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে জন্মদিন পালনের অভিযোগে করা দুটি পৃথক মামলায় খালেদা জিয়ার করা জামিন আবেদনের ওপর হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চে শুনানি হবে।

    গত ২২ মে আদালতের অনুমতি নিয়ে জামিন আবেদন দায়ের করার পর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই দুই মামলার শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ১৬ মে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

    খালেদা জিয়ার কারামুক্তির জন্য এসব মামলাসহ মোট ৬টি মামলায় জামিন নিতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। পাশাপাশি ৪টি মামলায় হাজিরা পরোয়ানা প্রত্যাহারের প্রয়োজন রয়েছে। যার মধ্যে একটিতে আদালত ইতোমধ্যেই হাজিরা পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছেন।

  • প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদায়নে স্থবিরতা

    প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক পদায়নে স্থবিরতা

    আইনি জটিলতায় আটকে গেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ-পদোন্নতি কার্যক্রম। তাই সংকট নিরসনে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সেই কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার প্রধান শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ সংকটের কারণে সহকারী শিক্ষককে ওই পদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে বলে শ্রেণিকক্ষে নানা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক ছাড়া বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ সাধারণত সহকারী শিক্ষক চালিয়ে নিচ্ছেন। সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিলে কর্মঘণ্টার বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয় প্রশাসনিক কাজে। ফলে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হয়। এর মাশুল দিচ্ছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।

    এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য এক বছর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে পদায়ন করার ঘোষণা দেন। এ প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠাতে বলা হয়। সেই তালিকার ভিত্তিতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রতিষ্ঠানে পদায়ন কার্যক্রম শুরু করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক নেই এমন প্রায় ২০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থা হলেও গত এক বছরে মাত্র ১৫ জেলায় চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। এসব জেলার মধ্যে ২০১৭ সালের ২৩ মে ঢাকা মহানগরে ৮৭ জন, ১২ জুলাই ভোলার ১১৬ জন, ২২ জুলাই লক্ষ্মীপুরে ১১৭ জন, ২৫ অক্টোম্বর মেহেরপুরে ৭৮ জনকে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ১৮ জানুয়ারি নেত্রকোনায় ৩১৬ জন, ৮ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে ২৭৬ জন, ১৩ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়ায় ১৫২ জন, ২৭ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জে ২৬৮ জনকে পদায়ন করা হয়।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, চলতি দায়িত্ব কার্যক্রমে নানা ধরনের অনিয়ম ওঠায় ডিপিই থেকে পদায়নের দায়িত্ব মাঠ পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। জ্যেষ্ঠতা নির্বাচনে অনিয়ম করা হয়েছে উল্লেখ করে অনেক শিক্ষক আদালতে মামলাও করেছেন। এরপর চলতি বছরের মার্চে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মাঠ পর্যায়ে পদায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই নির্দেশনা মোতাবেক কিশোরগঞ্জে আংশিক ১৯৪ জন, শেরপুরে ১৭০ জন, ময়মনসিংহে ৫৯২ জন, দিনাজপুরে ৫৬৮ জন, মাগুরায় ১২৪ জন, যশোরে ৩৮০ জন এবং গোপালগঞ্জে ১৯১ জনকে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে বসানো হয়।

    ডিপিই থেকে জানা গেছে, বর্তমানে কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জ, পঞ্চগড়, সুনামগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, নোয়াখালী ও কিশোরগঞ্জের চার উপজেলার জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা ও ফরিদপুরের তালিকা যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, জয়পুরহাট ও ঝালকাঠির ফাইল চলমান। জামালপুর, মাদারীপুর, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, হবিগঞ্জ, চট্রগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজবাড়ী, নাটোর খাগড়াছড়ি, নীলফামারী ও মুন্সীগঞ্জসহ ১৭ জেলার তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে। ঢাকা, গাজীপুর, রংপুর, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, ঝালকাঠি, বরগুনা, খুলনা, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটসহ ১২ জেলার গ্রেডেশন তালিকা পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে তালিকা তৈরি করা হবে। সিলেট, মৌলভীবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, পাবনা, নড়াইল, কক্সবাজার ও ফেনীসহ আট জেলার তথ্য-উপাত্তে কিছু ভুল পাওয়া গেছে। তা সংশোধনের জন্য জেলায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আগামী ৩০ মে’র মধ্যে বাকি জেলার জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

    ডিপিই’র একাধিক কর্মকর্তা জানান, প্রতি সপ্তাহে দুটি করে জেলায় প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্বে বসানের প্রজ্ঞাপন জারি করার কথা থাকলেও নানা কারণে এ কাজে বিলম্ব হচ্ছে। অধিকাংশ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্যে নানা ভুল-ভ্রান্তি থাকছে। তা আবারো সেই জেলায় পাঠানো হয়, তারপর তা সংশোধন করে পাঠানো হয়। তারা জানান, এ কার্যক্রমে একটি জেলার ফাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ একাধিক কর্মকর্তার শতাধিক সাক্ষর প্রয়োজন হয়। কেউ ছুটিতে থাকলে ফাইল আর উপরে-নিচে উঠা-নামা করে না। অনেকে আবার দীর্ঘদিন ছুটিতে থাকায় পুরো প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে পড়ে। এরপর তালিকা চূড়ান্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে সেখানেও অনেক সময়ক্ষেপণ হয়। এসব কারণে চলতি দায়িত্বে পদায়নের কাজে স্থবির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

    জানা গেছে, আইনি জটিলতায় ২০১১ সাল থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রধান শিক্ষক পদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় বিধি মোতাবেক নিয়োগ ও পদোন্নতি সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীনে চলে যায়। নিয়ম অনুযায়ী, এ পদে ৩৫ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ ও ৬৫ শতাংশ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেয়ার কথা থাকলেও নিয়োগ বিধি না থাকায় ২০১১ সাল থেকে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। সারা দেশের ৬৪ হাজার সরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০ হাজারই চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়া। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া সম্ভব হলেও আইনি জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছে না মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে প্রতি বছর পিএসসি আয়োজিত বিসিএস পরীক্ষার নন-ক্যাডার থেকে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। শুধু তাই নয়, যাদের সুপারিশ করা হচ্ছে তাদের অনেকে অন্য দফতর, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করায় তাদেরও পাওয়া যাচ্ছে না।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, প্রধান শিক্ষকের পদ দ্বিতীয় শ্রেণি হওয়ায় বিধি মোতাবেক পিএসসি’র মাধ্যমে নিয়োগ ও পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। ফলে এ প্রক্রিয়ায় নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, পিএসসি’র একটি বিসিএস প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই বছর পার হচ্ছে। সেখান থেকে নন-ক্যাডারে কিছু সুপারিশ আসলেও তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এ প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণ করে নিয়োগ দেয়া জরুরি। বর্তমানে পদোন্নতি প্রাপ্তদের চলতি দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক পদে বসিয়ে এ সমস্যা দূরীকরণের চেষ্টা চলছে। এছাড়া শিক্ষক নিয়োগে জাতীয়ভাবে একটি কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কাজের জন্য একটি নির্ধারিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। চলতি দায়িত্ব দেয়ার ক্ষেত্রেও তা করতে হচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা প্রয়োজন। ডিপিই থেকে তালিকা পাঠানোর পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে তা চূড়ান্ত করা হয় বলে জানান এ অতিরিক্ত সচিব।