Category: জাতীয়

  • বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণ মানুষ জানতে চায় : এরশাদ

    বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কারণ মানুষ জানতে চায় : এরশাদ

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, গত ৩-৪ মাসে দেশে ৭২টি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অথচ প্রতিটি মানুষের ছিলো বিচার পাওয়ার অধিকার। জাতি অাজ জানতে চায় কেনো এই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।
    আজ রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাপা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ অায়োজিত ইফতার মাহফিলের পূর্বে অালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    সৈয়দ অাবু হোসেন বাবলা এমপির সভাপতিত্বে ও জহিরুল অালম রুবেলের পরিচালনায় এসময় অারো বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল অামিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন অাহমেদ বাবলু, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, মীর অাব্দুস সবুর অাসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন অাহমেদ মিলন প্রমুখ।

    এরশাদ বলেন, রমজান মাস অাসলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য বৃদ্ধি হয়। অতি মুনাফার জন্য ব্যবসায়ীরা মানুষের রক্ত শোষণ করে। অথচ পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রেই পবিত্র এ রমজান মাসে সরকারসহ সকল ব্যবসায়ীরা ভূর্তকি দিয়ে থাকেন। শুধু অামরাই ব্যতিক্রম

    তিনি বলেন, অামাদের নো ম্যানস ল্যান্ডে এখনও সাড়ে ৪ লাখ মিয়ানমানের রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। তারা ইফতার ও সেহেরি ঠিকমত করেছে কিনা তার খোঁজ কেউ রাখে না। তাদেরকেও বাংলাদেশে নিয়ে অাশার জন্য সরকারের প্রতি অাহ্বান জানান এরশাদ।

    সাবেক এ রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যাংকে টাকা নেই। এর হিসেবও নেই। টাকাগুলো গেলো কোথায়? কে দেবে এর হিসেব! অনেকেরই বিদেশে ৪-৫ বাড়ি। অথচ দেশের মানুষ ঠিকমত খেতে পারছে না। দেশের সর্বত্রই এ বৈষম্য। এ বৈষম্য দূরকরণ করতে হলে জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। অার জাতীয় পার্টি ক্ষমতা নিতে প্রস্তত।

  • গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি

    গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি

    আওয়ামী লীগের দূর্গ বলে খ্যাত শেখ হাসিনার নির্বাচনী গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় বিএনপি।

    এই আসন থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যতবার জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রায় ততবারই এ আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

    শুধু ১৯৮১ সালের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী লক্ষ্মী কান্ত বল ও ১৯৮৬ সালের উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    অপরদিকে ১৯৯৬সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভাবে কোটালীপাড়া উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান হাওলাদার নির্বাচিত হন। তবে তিনি নির্বাচিত হয়ে পরবর্তীতে শপথ নেননি।

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারের হত্যার পর দীর্ঘ বছর ধরে এ আসনের জনগন অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত ছিল। আর এ সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এ আসনের তেমন কোন উন্নয়ন করেনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেন। এর পর এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে।

    তারপর ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত আবারো উন্নয়ন বঞ্চিত হয় এ আসনের জনগণ। এরপর আবার আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে। তাই দেশের অন্যান্য আসনের তুলনায় রাজনৈতিক কারনে গোপালগঞ্জ-৩ আসন একটু ব্যাতিক্রম।

    কারণ এ আসনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান। এলাকার মানুষ মনে প্রাণে বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসেন, ভালবাসেন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকাকে। সে কারনে মানুষ তাঁর দল আওয়ামী লীগকে ভালবেসে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়।

    গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া -টুঙ্গিপাড়া) কোটালীপাড়া উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা এবং টুঙ্গীপাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন গঠিত।

    বিগত সংসদ নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বরারবরই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে আসছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এ আসনে বিএনপি বা অন্য কোন দল থেকে যে বা যারা ভোটে অংশ নিয়ে থাকেন তারা শুধু নিয়ম রক্ষার নির্বাচনই করে থাকেন। আর তাই নির্বাচনী প্রার্থীতা নিয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে যেমন লবিং হয়ে থাকে তাও এখানে থাকে না।

    এক কথায় উত্তাপ বিহীন নির্বাচনই হয়ে থাকে এখানে। কিন্তু নির্বাচনী আমেজের কোন কমতি থাকে না। জেলার অন্য দুটি সংসদীয় আসনে মতই এ আসনের ভোটাররাও বাংলাদেশের তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও এ আসনের এমপি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মনে প্রাণে ভালবাসেন। তাকে বার বার সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী করে এমপি নির্বাচিত করেন। এখানকার ভোটার তাকে ভোট দিয়ে গর্ববোধ করেন। কেননা, এখানকার ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ আসনের ভোটারদের নিয়ে গর্ববোধ করেন।

    গোপালগঞ্জের নির্বাচনী এলাকা-০৩ টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের তৃনমূল পর্যায় থেকে শেখ হাসিনাকে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছেন বলে নেতাকর্মী সূত্রে জানাগেছে।

    এখানে আওয়ামী লীগের অন্য কোন প্রার্থী নেই। বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এসএম জিলানী। তবে, জোট-মহাজোট নির্বাচন হলে এ আসনে মহাজোটের একক প্রার্থী হবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আর জোটের প্রার্থী হতে পারেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম জিলানী। মহাজোট থেকে বেড়িয়ে জাতীয় পার্টি একক ভাবে নির্বাচন করলে সে ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হবেন এ জেট অপু শেখ। ২০১৪ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ জেট অপু শেখ জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

    এস এম জিলানী রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীক কারণে ঢাকায় অবস্থান করেন। তবে মাঝে মধ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন। নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন । তবে এ আসনের বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এস এম জিলানীর যথেষ্ঠ কদর রয়েছে।

    নির্বাচন নিয়ে কথা হলে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি এস, এম জিলানী বলেন, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিবে। আর আগামী নির্বাচনে এ আসনে দল আমাকে মনোনয়ন দিবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদী। আর জনগণ যদি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, তবে এই আসনে বিএনপি এবার চমক দেখাবে।

    জাতীয় পার্টির সম্ভব্য প্রার্থী এ জেট অপু শেখ বলেন, গত নির্বাচনে এ আসন থেকে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। আগামী নির্বাচনে দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি প্রার্থী হবো। ১৯৮৬ সালে উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী ফিরোজ রশীদ জয়লাভ করেছিলেন। এখানে জাতীয় পার্টির অনেক ভোট রয়েছে। আমি প্রার্থী হলে জয়লাভ না করতে পারলেও একটি সন্মানজনক ভোট পাবো।

    উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-০৩ আসন থেকে তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন করবেন। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

    জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হাজরা মন্নু বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৪র্থ বারের মত সরকার গঠনে সর্বাত্বক ভুমিকা পালন করবে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার জনগন।

    তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে কোটালীপাড়াবাসী এলাকার উন্নয়নে জননেত্রীর কাছে কোন কিছু চাইলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে তা পূরণ করেন। যে কারণে এ এলাকার ভোটাররা এবারও তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করবেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা আবরও প্রধানমন্ত্রী হবেন। উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এ দেশে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী দরকার।

    কোটালীপাড়ার কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলাম বাদল বলেন, গোপালগঞ্জ-০৩ আসন থেকে বরাবরই বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। আর বরাবরই তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। আগামী নির্বাচনেও তিনিই আমাদের একমাত্র ভরসা।

    জেলা পরিষদ সদস্য দেবদুলাল বসু পল্টু বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিনই এ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বলে আমরা আশা রাখি। কারণ এখানকার ভোটাররা তাকে মনে প্রাণে ভালবাসেন। আর এ কারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিপুল ভোটে জয়ী করেন।

    বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও যুব লীগ নেতা মৃনাল কান্তি বিশ্বাস স্বপ্নীল বলেন, কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়ার ভোটারদের প্রাণের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। নেত্রীর বাইরে এই অঞ্চলের মানুষ ভুল করেও কিছু চিন্তা করে না। তিনি ব্যতিত আমাদের অন্য কোন প্রার্থী নেই বা সম্ভাবনাও নেই। বঙ্গবন্ধু যেমন এ এলাকার মানুষদের মনে প্রাণে ভালবাসতেন। তিনিও একই ভাবে আমাদের ভোটারদের ভালবাসেন।

    উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাবুল হাজরা বলেন, জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের এ আসন থেকে নির্বাচন করেন এটা আমাদের গর্বের। তিনি এ আসন থেকে এবারও নির্বাচন করবেন এটাই আমরা আশা করছি এবং এ বছর তাকে স্মরণ কালের স্মরণীয় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করবো।

    উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান হাজরা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি এখন বিশ্বনেত্রী। দেশের উন্নয়নে আমাদের সকলের উচিৎ তাকে ভোট দিয়ে আবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা।

     

  • কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী

    কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে নির্বাচনের বিশাল সম্পর্ক আছে।  কাদেরের বক্তব্য, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার গভীর ষড়যন্ত্র।  এটা জবরদস্তিমূলক, একতরফা নির্বাচনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের জবাবে রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    এ সময় রিজভী বলেন, আমি ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশে বলতে চাই-বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মানেই জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক, খালেদা জিয়া মানেই বিএনপি, খালেদা জিয়া মানেই গণতন্ত্র।  তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে।  খালেদা জিয়াবিহীন কোনো জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি যাবে না, যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আসাদুল করীম শাহীন, মুনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

  • ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন

    ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিন মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। রবিবার সকালে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বিভাগে এ জামিন আবেদন দাখিল করা হয়েছে।

    বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল জানান, নিম্ন আদালতে এসব মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়েছিলাম। কিন্তু জামিন আবদনের শুনানি গ্রহণ করলেও অধিকতর শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। যা সচরাচর অন্য মামলার ক্ষেত্রে দেখা যায় না। এ কারণে হাইকোর্টে আমরা জামিন চেয়েছি।

    তিনি আরও জানান, কুমিল্লার ২টি নাশকতার এবং নড়াইলের একটি মানহানির মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়ছেন খালেদা জিয়া। বিচারপতি এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চে জামিন আবেদন শুনানির জন্য অনুমতি চান খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরে আদালত আবেদন দাখিলের অনুমতি দেন।

    উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। এ মামলার অপর আসামি খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানাও করা হয়। বর্তমানে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া।

  • ৮ জুনের মধ্যে সব রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ করার নির্দেশ

    ৮ জুনের মধ্যে সব রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ করার নির্দেশ

    ঈদকে সামনে রেখে ৮ জুনের মধ্যে সব রাস্তা সংস্কারের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যানজট নিরসন ও ভোগান্তি কমাতে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ এবং স্থানীয় প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, রাস্তাকে চলাচল এবং ব্যবহার উপযোগী রাখতে হবে। বর্ষাকালে বৃষ্টি হবে তবে বৃষ্টিকে অজুহাত করে রাস্তার মেরামত কাজ সঠিকভাবে হবে না এটা আমি শুনব না।

    শনিবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় সড়ক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করা নিয়ে আয়োজিত এক সমন্বিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সূত্রাপুরে সাসেক-এর সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারউজ্জামান, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক, সড়ক পরিহন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদের তিনদিন আগে সড়কে ট্রাক, লরিসহ ভারী যানবাহন চলাচল করবে না। এছাড়া গার্মেন্টস মালিকরা যেন তাদের শ্রমিকদের একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে ধাপে ধাপে ছুটি দিতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী। সভায় মহাসড়ক দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক করতে কর্মকর্তাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় স্থানে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।

    বিএনপির নির্বাচনে অংশ গ্রহণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনে না আসলেও গণতন্ত্রের ক্ষতি হবে না। তবে আমরা চাই তারা নির্বাচনে আসুক। একতরফা নির্বাচনের ফাঁদে আমরা পড়ব না। বিএনপি না আসলেও অন্য দলগুলোর অংশগ্রহণে নির্বাচন হবে।

    এর আগে মন্ত্রী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রায় ফোর লেনের উন্নীতকরণ কাজের পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

  • ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য: তোফায়েল

    ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য: তোফায়েল

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভালকে খারাপ আর খারাপকে ভাল বলাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য।  তিনি আরও বলেন, বিএনপি এমন একটি দল যার কোনো নীতি নেই। সারাদেশের মানুষ খুলনা সিটির নির্বাচন নিয়ে প্রশংসা করেছে, কিন্তু এই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা রকম কথা বলছে বিএনপি।

    শনিবার দুপুরে ভোলা সদরের ইলিশা ইউনিয়নে জেলেদের মধ্যে জেলে পুনর্বাসনের চাল বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন রংপুর, কুমিল্লা, গাইবান্ধা ও খুলনার নির্বাচন সফলতার সঙ্গে করেছে। কোথাও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু বিএনপি স্বপ্ন দেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। তাদের সে স্বপ্ন কোনোদিনই পূরণ হবে না। সংবিধান অনুসারে নির্বাচন হবে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নে বিশ্বাস করে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ সম্মানিত হয়েছে প্রসংশিত হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলামসহ দলীয় অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা।

  • জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না

    জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের সঙ্গে বারবার প্রতারণা করা যায় না। যারা ভাবছেন জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে ক্ষমতায় টিকে থাকবেন তা ভুলে যান। জনগণ রাস্তায় নামলে টিকতে পারবেন না।

    শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বেগম খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে তিনি বলেন, হাইকোর্ট জামিন দিলো, আপিল বিভাগও জামিন দিলো। কিন্তু সরকার অন্যান্য মামলা নিয়ে যেভাবে পরিকল্পনা করছে তাতে বোঝা যায় তারা খালেদা জিয়াকে বন্দী রেখে নির্বাচন করতে চায়।খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে যে নির্বাচনের পরিকল্পনা করা হয়েছে জনগণ তা মেনে নিবে না।

    আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে হয় না উল্লেখ করে মোশাররফ বলেন, কোটা আন্দোলন দেখুন। কোনো নেতাও ছিল না। সময় আসছে। জনগণ আর আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। নিজেরাই রাস্তায় নেমে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবে।

    তিনি বলেন, সরকার বলেছিল রমজানে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়বে না। রমজানের অথচ দুদিনের মধ্যে সব বেড়ে গেছে। তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

    সভায় আরো বক্তব্য দেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম প্রমুখ।

  • কারামুক্তির জন্য খালেদাকে সব মামলাতেই জামিন নিতে হবে: নৌমন্ত্রী

    কারামুক্তির জন্য খালেদাকে সব মামলাতেই জামিন নিতে হবে: নৌমন্ত্রী

    শুধু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেই হবে না, কারাগার থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য অন্য সব মামলায়ই জামিন পেতে হবে। শুক্রবার সকালে মাদারীপুর সার্কিট হাউসে অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব মামলা রয়েছে, আইনগতভাবে সেসব মামলায় জামিনের পর তিনি মুক্তি পাবেন। এছাড়া খালেদা জিয়া কখনওই কারাগার থেকে মুক্ত হতে পারবেন না।

    মন্ত্রী শাজাহান খান আরও বলেন, খালেদা জিয়া অনেক অপরাধ করেছেন বলেই বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একদিকে, যেমন এতিমদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন, অন্যদিকে, মানুষ পুড়িয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। এমনকি গাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরেও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছেন। এসব মামলায়ও তাকে জামিন নিতে হবে।

    মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়দুর রহমান কালু খান, জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা শাখার চেয়ারম্যান পল্লবী হাসান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নামতে হবে: ফখরুল

    গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নামতে হবে: ফখরুল

    গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে একযোগে সংগ্রামে নেমে পড়তে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে। তাই আপনারা সংগঠিত হন। যখনই প্রয়োজন হবে তখনই যাতে রাস্তায় নেমে আসতে পারেন।

    শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টন ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত এক সিডি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, যদি বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন না হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে যদি মুক্তি দেয়া না হয়, যদি সংসদ ভেঙে দেয়া না হয়, যদি সেনাবাহিনী মোতায়েন না হয়’ তাহলে আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে এবং বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। সেই আন্দোলন তখন সফল হবে যখন গণতন্ত্র ও বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে পারবো। আর জাতীয় ঐক্যের মধ্যে দিয়েই এ পাথর (সরকার) সরাতে হবে। এ দানবকে সরাতে হবে। তারা (সরকার) দানবের চেয়েও খারাপ অবস্থান নিয়েছে।

    তিনি বলেন ‘দানবকে সরাতে হলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দল-মতনির্বিশেষে সমস্ত রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং সকল ব্যক্তির ঐক্য সৃষ্টি করে তাদেরকে পরাজিত করতে হবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’

    খুলনা নির্বাচনে যে অনিয়ম হয়েছে তার তদন্ত হওয়া উচিত- ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের এ বক্তব্যে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন তদন্ত করবে না। কারণ ইসি সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, আমরা কথা বলছি, কাজ করছি, আন্দোলন করছি এবং আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা জেলে গেছে। কিন্তু এরপরও আমরা বেগম জিয়াকে বাইরে আনতে পারিনি। এটা একদিকে যেমন ব্যর্থতা অন্যদিকে সরকারের ভয়ঙ্কর রূপ প্রকাশিত হয়েছে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী নির্বাচন বেগম জিয়া অংশগ্রহণ করলে তাদের ভরাডুবি কেউ ঠেকাতে পারবে না। সেই কারণে অত্যন্ত সু-পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে নির্বাচনের আগে মিথ্যা মামলায় তাকে কারাগারে আটক করেছে।

    ‘কোটি জনতার মা’ পর্ব-১’ সিডি উদ্বোধন এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন খান উজ্জ্বল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ- সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী মনির খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী নাসির প্রমুখ।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, জাসাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসান উল্লাহ চৌধুরী, মাকসুদুর রহমান টিপু, মহানগর বিএনপি নেতা মীর হোসেন মিরু, ইকবাল হোসেন নান্টু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন স্বেচ্ছা সেবক দল নেতা আক্তারুজ্জামান বাচ্চু।

  • সংখ্যালঘুদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু আওয়ামী লীগ

    সংখ্যালঘুদের সবচেয়ে ভালো বন্ধু আওয়ামী লীগ

    কিছু ভুলত্রুটি থাকা সত্ত্বেও সংখ্যালঘুদের জন্য আওয়ামী লীগই সবচেয়ে ভালো বন্ধু বলে মন্তব্য করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার ঢাকায় পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    এসময় কাদের বলেন, ‘আমাদের ভুলত্রুটি আছে। কিন্তু আমাদের চেয়ে বেটার বন্ধু মাইনরিটিদের এ দেশে আর কেউ নেই। শেখ হাসিনার চেয়ে বড় বন্ধু, আপনজন এই দেশে কি আপনাদের আর কেউ আছে? ছোটখাটো কিছু বিষয়ে মান-অভিমান করে গুটিয়ে থাকলে আপনাদের, আমাদের শত্রুরাই উপকৃত হবে।’

    এসময় তিনি দেশের হিন্দু ধর্মালম্বীদের সংখ্যালঘু না ভেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, বিএনপির আমলে আপনাদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে সেটা ওই সরকারের কেন্দ্রীয় পলিসির অংশ। আমাদের আমলে যে ছোট-খাটো ঘটনা ঘটেছে সেটা শেখ হাসিনা সরকারের পলিসির অংশ না। আওয়ামী লীগেও দুর্বৃত্ত আছে। কেউ কোনো অন্যায় করলে আমি তাদের দুর্বৃত্ত বলি। জমি, বাড়ি, সম্পত্তি দখল এ ব্যাপারে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স। আপনাদের জন্য বিকল্প আমরাই। আমাদের বিকল্প পাকিস্তানের দোসররা। ভুল করে পাকিস্তানের দোসরদের আমাদের বিকল্প ভাববেন না। কেউ হুমকি দিলে শক্ত হয়ে দাঁড়াবেন। বাড়ির সামনে এসে দুই-তিন জন হুমকি দিলে পালিয়ে চলে গেলে হবে না।