Category: জাতীয়

  • শেক্সপিয়ার তথাকথিত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে লিখেছেন– বেনজীর আহমেদ

    শেক্সপিয়ার তথাকথিত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে লিখেছেন– বেনজীর আহমেদ

    বরিশালে শেক্সপিয়ারের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তিতায় র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেছেন, শেক্সপিয়ার তথাকথিত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে লিখেছেন, লিখেছেন শোষিতদের পক্ষে। শেক্সপিয়ারের কাছ থেকে বর্তমান প্রজন্মের অনেক কিছু শেখার আছে ।

    ‘শেক্সপিয়ার শুধু ইংরেজী সাহিত্যকেই সমৃদ্ধ করেনি, তিনি ইংরেজী ভাষাকেও সমৃদ্ধ করেছেন। সৃষ্টি করেছেন ১৭শ’র বেশী শব্দ।কারো কারো মতে এর সংখ্যা আরো বেশী বলে মন্তব্য করেন র‌্যাব মহাপরিচালক।

    সোমবার দুপুর সোয়া ২টায় সরকারী বরিশাল কলেজের ইংরেজী বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত শেক্সপিয়ারের ৪৫৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরকারী বরিশাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক খন্দকার অলিউল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. মুহসিনউদ্দিন, সরকারি বিএম কলেজের ইংরেজী বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধাপক এইচএম মাহবুবুল আলম।

    এছাড়া অনুষ্ঠানে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান, রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমীন, র‌্যাব-৮’র বিদায়ী অধিনায়ক উইং কমান্ডার হাসান ইমন আল রাজিব, নবাগত কমান্ডার অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

  • বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবে: এরশাদ

    বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবে: এরশাদ

    আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টিই সম্ভাবনাময় শক্তি জানিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, বিএনপির অনেক নেতাই এখন জাতীয় পার্টিতে (জাপা) যোগ দেবেন। দেশের সবখানেই এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষ আবার জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে শান্তিময় সরকার দেখতে চায়।

    আজ সকালে রাজধানীর বারিধারায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এটিএম আলমগীরের জাতীয় পার্টিতে যোগদান অনুষ্ঠানে এরশাদ এসব কথা বলেন।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আরও বলেন, এখন আর নির্বাচন হয় না। নির্বাচনের নামে সিল মারা হয়। আশা করি, আগামী নির্বাচনে কেউ সিল মারতে পারবে না। কারণ, সারাবিশ্ব এখন ওই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের মানুষও পরিবর্তন চায়।

    এসময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • তারেকের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার প্রমাণ চান রিজভী

    তারেকের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার প্রমাণ চান রিজভী

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে তার পাসপোর্ট জমা দিয়ে থাকলে তা জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। সোমবার সকালে দলের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিজভী বলেন, আপনারা ক্ষমতায় আছেন, হাইকমিশনতো সরকারের নিয়ন্ত্রণে। তাহলে তারেক রহমান জমা দিয়ে থাকলে সেটি প্রদর্শন করে সবাইকে দেখান। কই সেটা তো পারলেন না।

    তিনি বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশি করতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহারীয়ার আলম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারেক রহমানের পাসপোর্ট জমা দেয়ার যে উড়ো খবর দেয়া হয়েছে তার জন্য আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিএনপির এ নেতা বলেন, বিদেশে বাংলাদেশ হাইকমিশনে তারাই পাসপোর্ট জমা দেন যারা বিদেশীদের বিয়ে করে সে দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। যিনি বিএনপি ও জিয়া পরিবারেরে বিরুদ্ধে মিথ্যচার করছেন তার সন্তান ও পরিবারের সদস্যরাই বিদেশীদের বিয়ে করে সেসব দেশে আবাস গড়েছে।

    তিনি বলেন, আসলে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও অনর্গল মিথ্যা বলার যে একটি ‘সেন্টার অব এক্সসেলেন্স’ সেটি আবারও প্রমাণ করলো। প্রধানমন্ত্রীকে খুশী করতেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নির্জলা মিথ্যা কথাটি বলেছে। পাসপোর্ট সারেন্ডার করে তারাই যাদের ছেলে মেয়েরা বিদেশীদের বিয়ে করে বিদেশেই নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বিদেশেই বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত থাকে।

    টিউলিপের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকী গর্বের সঙ্গে নিজেকে বৃটিশ বলতেই ভালোবাসেন, বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে নয়। আওয়ামী নেতারা নিজেদের সন্তানদেরকে বিদেশীদের সাথে বিয়ে দিয়ে আত্মশ্লাঘা লাভ করেন। যারা বাংলা ভাষা, আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে মার্কেটিং করতে সদা তৎপর, অথচ তারাই কোন চেতনায় বিদেশীদের কাছে সন্তানদের বিয়ে দিচ্ছেন। সেই চেতনাটি কী সেটি ক্ষমতাসীনদেরকে পরিস্কার করা উচিৎ। পৈশাচিক একদলীয় শাসনের বর্বর আস্ফালনে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে যাতনা দিচ্ছেন জনগণকে।

    সরকারেরর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জুলুম ও নিপীড়ণের বেড়াজালে দেশকে বন্দী করার জন্যই আজ আওয়ামী সরকার স্বৈরাচারী হিসেবে আন্তর্জাতিক খেতাবপ্রাপ্ত হয়েছে। মেগা প্রজেক্টের নামে দুর্নীতির টাকা আর সম্পদে ভরপুর হওয়াতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবাজ হিসাবেও খেতাবপ্রাপ্ত। অন্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করলে নিজেদের পাপকে ঢেকে রাখা যায় না, সেটি বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে।

    রিজভী বলেন, জিয়া পরিবারের কেউ বিদেশীদের বিয়ে করেননি। পৃথিবীর কোন দেশে তাঁরা কোন নাগরিকত্ব গ্রহণও করেননি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের পাসপোর্ট হাইকমিশনে জমার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে উড়ো, অবান্তর কথা বলেছে, তার জন্য আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, কিন্তু তারা নিজেরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসকারী দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ দপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমদ।

  • বাসে ধর্ষণের চেষ্টা, রাজধানীতে তুরাগ পরিবহন বন্ধ

    বাসে ধর্ষণের চেষ্টা, রাজধানীতে তুরাগ পরিবহন বন্ধ

    বাসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় রাজধানীতে তুরাগ পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গত শনিবার রাজধানীর বাড্ডায় তুরাগ বাসে উত্তরা ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা করা হয়। উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তুরাগ পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। আটক গাড়িও ফেরত দেয়া হবে না।

    রবিবার বিকেলে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা তিনজনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীর স্বামী। মামলায় তুরাগ পরিবহনের ওই বাসের অজ্ঞাত চালক, হেলপারসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ওসি আবু বকর সিদ্দীক।

    শনিবার দুপুরে উত্তরা ৬নং সেক্টরে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে আসার জন্য উত্তর বাড্ডা থেকে তুরাগ পরিবহনের একটি বাসে উঠেন। এ সময় বাসে যাত্রী ছিল মাত্র ৭-৮ জন। এ সময় পরবর্তী স্টপেজগুলোতে বাস সামনে যাবে না বলে যাত্রীদেরকে নামাতে থাকে এবং নতুন কোনো যাত্রী উঠানো বন্ধ রাখে। পরে ওই ছাত্রীর সন্দেহ হলে তিনি বাস থেকে নামতে চেষ্টা করলে বাসের হেলপার দরজা বন্ধ করে দেয়। কনট্রাক্টর তার হাত ধরে টানাটানি শুরু করে। কনট্রাক্টর-হেলপারের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে নেমে আসেন ওই ছাত্রী। তিনি অন্য একটি বাসে চড়ে ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এসে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান।

  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য সফর শেষ করে আজ সোমবার দেশে ফিরেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি আজ সকাল ১০টা ৪৭ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল রোববার স্থানীয় সময় রাত আটটায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাউনাইন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ এপ্রিল সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে গালফ শিল্ড-১ শীর্ষক একটি যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সৌদি আরব সফর করেন। সফরের দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) যোগ দিতে ১৬ এপ্রিল লন্ডন যান।

    লন্ডনে থাকার সময় একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক ছাড়াও কমনওয়েলথ উইমেন ফোরাম, যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের (ওডিআই) অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেন শেখ হাসিনা। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেওয়া সংবর্ধনা ও নৈশভোজেও তিনি যোগ দেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী এশীয় নেতৃবৃন্দের একটি গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা লন্ডনে তাঁকে সংবর্ধনা দেয়।

  • তিন মাসের মধ্যে চালু পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংক

    তিন মাসের মধ্যে চালু পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংক

    আগামী তিন মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পুলিশের বিশেষ ব্যাংক। ওই ব্যাংকের নাম হল কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ। ব্যাংক প্রতিষ্ঠার শর্ত হিসেবে আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪০০ কোটি টাকা জমা দেয়া হবে। একই সংঙ্গে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সব ধরনের চূড়ান্ত কাগজপত্র দাখিল করা হবে। পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে এরই মধ্যে ওই টাকা তোলা হয়েছে। ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এরই মধ্যে ২৭ হাজার টাকা করে নিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

    গত সপ্তাহে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের অতিরিক্ত এমডি মাশিউল হক চৌধুরী। পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র  এসব তথ্য জানিয়েছে। সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে প্রধান কার্যালয়সহ ছয়টি কার্যালয়ের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হবে। ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে হবে গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড টাওয়ারে।

    আগামী ২ বছরের মধ্যে ব্যাংকটিকে ব্যাপকভাবে প্রসারের পরিকল্পনা রয়েছে। সারাদেশে পুলিশ সদস্যদের বেতনও এই ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া হবে। আপাতত পুলিশ সদস্যরাই হবেন এই ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার। বাইরে থেকে কাউকে শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত করা হবে কিনা সে বিষয়ে তিন বছর পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সূত্রমতে, কমিউনিটি ব্যাংকের লভ্যাংশ যাবে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে। ট্রাস্টের মাধ্যমে ওই টাকা ব্যয় হবে পুলিশ সদস্যদের কল্যাণে। কোনো পুলিশ সদস্য আহত হলে তার চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ করা হবে ওই লভ্যাংশ থেকে। নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যরাও আর্থিক সহায়তা পাবেন। তাছাড়া তাদের সন্তানের শিক্ষা সহায়তাও এখান থেকে দেয়া হবে। ব্যাংকটির পরিচালনায় থাকবেন পুলিশরাই।

    পরিচালনা পরিষদের প্রধান হবেন আইজিপি। পরিষদের সদস্যরা কেউই স্থায়ী নন। পদাধিকারবলে (পুলিশে যার যে পদ) পরিচালনা বোর্ডের পদবি নির্ধারণ করা হবে। কেউ চাকরি থেকে অবসর নিলে তিনি পরিষদের পদে বহাল থাকতে পারবেন না। এতে অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় এখানে স্বচ্ছতার মাত্রা অধিকতর হবে। তাই অন্যান্য ব্যাংকে আস্থার সংকট থাকলেও এই ব্যাংকে তা থাকবে না। এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকে সব ধরনের গ্রাহক লেনদেন করতে পারবেন। তবে পুলিশ সদস্যরা স্বল্পসুদে ঋণ নেয়ার সুবিধা পাবেন। এ ক্ষেত্রে নিম্ন পদের পুলিশ সদস্যরা বেশি উপকৃত হবেন। কারণ বিদ্যমান ব্যাংকগুলোকে পুলিশ, সাংবাদিক ও অ্যাডভোকেটদের ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে অলিখিত বিধিনিষেধ আছে। তাই নিচের পদের পুলিশ সদস্যরা কোনো ব্যাংকে ঋণ নিতে চাইলে তারা ঋণ পান না।

    কিন্তু কমিউনিটি ব্যাংক থেকে তারা সহজেই ঋণ পাবেন। কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউহুল হক বলেন, ‘স্বপ্নের এই ব্যাংকটির কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে। গ্রাহকদের ব্যতিক্রমী সেবা দিয়ে ব্যাংকটিকে এক নম্বর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাইকে আন্তরিকভাবে সেবা দেয়ার প্রচেষ্টা থাকবে আমাদের।

    ’ উল্লেখ্য, পুলিশ সদস্যদের জন্য একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রস্তাবনা দেন পুলিশের তৎকালীন আইজি একেএম শহীদুল হক। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তখন বলেন, মূলধনের টাকা জোগাড় করতে পারলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর পরই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য মূলধন সরবরাহের কাজ শুরু করে পুলিশ সদর দফতর। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় এক লাখ ৬৬ হাজার পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে এ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

  • মেয়ে উপস্থাপক মা সভাপতি

    মেয়ে উপস্থাপক মা সভাপতি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের নেতৃত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে এটি ছিল এক বিরল দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একই অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ভুটানে অনুষ্ঠিত অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনা সভায় বুধবার এই ঘটনা ঘটে। অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার সংক্রান্ত তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে রাজকীয় ব্যাংকুয়েট হলে তিনদিনব্যাপী এই সম্মেলন বুধবার শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গেস্ট অব অনার হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। বুধবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা এবং অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিষয়ক বাংলাদেশ জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ডব্লিউএইচও’র চ্যাম্পিয়ন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক অফিসের আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম খেত্রপাল সিং আলোচনা অনুষ্ঠানে সহসভাপতি ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

    সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাসাও শেরিং তোবগায়ে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা বিশ্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। ভূটানের প্রধানমন্ত্রী অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ভূমিকারও প্রশংসা করেন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অটিজম বিষয়ে ডব্লিউএইচও’র চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এবং সূচনা ফাউন্ডেশন, অ্যাবিলিটি ভুটান সোসাইটি (এবিএস) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব আঞ্চলিক অফিসের টেকনিকেল সহায়তায় তিনদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে উদ্বোধনী ও সমাপনি অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে সরকারি নেতৃবৃন্দ, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কর্মীরা আলোচনায় অংশ নেবেন।

    সূত্র: বাসস।

  • বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলনে আগ্রহ হারাচ্ছে

    বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলনে আগ্রহ হারাচ্ছে

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ডাকা বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রথম দিকে বেশ সরব ছিলেন দলটির নেতাকর্মীরা। সে সময় নেয়া কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু আস্তে আস্তে যেন তারা ঝিমিয়ে পড়েছেন। খোদ দলটির কেউ কেউ মনে করছেন, এখন আর আন্দোলন তেমন হচ্ছে না।

    সম্প্রতি সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অসুস্থতা, তার মায়ের মৃত্যুর পাশাপাশি, পুলিশ হেফাজতে ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর অভিযোগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। কৌশলগত কারণে বিএনপি এখন ঢাকার বাইরে কর্মসূচি পালন করছে।

     

    গত ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া কারগারে যাওয়ার পর বিএনপির পক্ষ থেকে ওই মাসে টানা ১৩ দিন বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এর মধ্যে মানববন্ধন, কালো পতাকা প্রদর্শন, বিক্ষোভ-সমাবেশ ছিল উল্লেখযোগ্য।

    গত ৯ ফেব্রুয়ারি জুমার নামাজ শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরের দিন ঠিক একই স্থান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি দৈনিক বাংলার মোড় অতিক্রম করে ফকিরাপুল পানির ট্যাঙ্কির সামনে গেলে পুলিশ তা পণ্ড করে দেয়।

     

    ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ১৩ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি, ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি, ১৭ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, ১৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ, ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাইরে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে দলটি।

    ২৪ ফেব্রুয়ারি নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি পালনের সময় পুলিশি বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার থানাগুলোতে প্রতিবাদ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই দিন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন না করে দলটির নেতাকর্মীরা ফটোসেশনে ব্যস্ত থাকেন।

    এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পহেলা মার্চ সারাদেশে লিফলেট বিতরণ করে বিএনপি। ৬ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে আটক করা হয়। এদিন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা অস্ত্র উঁচিয়ে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে শফিউল বারীকে আটক করে নিয়ে যায়।

     

    দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় এসব কর্মসূচি চলাকালে তাদের বেশকিছু নেতাকর্মী গ্রেফতার হন। অনেকে হয়রানি আতঙ্কে গাঢাকা দেন। বিশেষ করে পুলিশ হেফাজতে ছাত্রনেতা জাকির হোসেন মিলনের মৃত্যুর অভিযোগ সামনে আসার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ১২ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আবারও সমাবেশের কথা বলা হলেও শেষপর্যন্ত সেটাও সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ঢাকার বাইরে সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপি তাদের আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখে। ইতোমধ্যে বরিশাল, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরে বিএনপি জনসভা করেছে।

    ঢাকার বাইরে জনসভা করলেও রাজধানীতে সেই পরিস্থিতি নেই বলে জানান দলের শীর্ষ নেতারা। যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে বিএনপির দফতরের দায়িত্বে থাকাকালে অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ কিছু সংগঠনকে ‘ভুঁইফোঁড়’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। সেসব সংগঠনের ব্যানারে বর্তমানে জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কেন্দ্রীক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

     

    গত ২০ মার্চ বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ দলীয়প্রধানের মুক্তি আন্দোলনের গতি বাড়ানোর তাগিদ দেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট দেশের উচ্চতর আদালত; আমরা পছন্দ করি আর না করি, তাদের রায় আমাদের মেনে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে সময় এসেছে কতদিন আর আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করব? একটা পর্যায় আসবে দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আর চাইবে না। তখন বাধ্য হয়ে আমাদের তাদের সঙ্গে থাকতে হবে।’

    এর আগে ১৬ মার্চ বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, চিকিৎসকরা প্রস্তুত হলে সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি এখন আঙুল বাঁকা করতে পারবে। একটু সময় দেন, আপনারা রেডি হলে আমরা আঙুল বাঁকা করতে পারব। চিকিৎসকদের মানুষ ভালোবাসে, বিশ্বাস করে।

     

    দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরামর্শে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে মহাসচিব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। চেয়ারপারসনের মুক্তি দাবির আন্দোলন চলাকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কয়েকদিন অসুস্থ ছিলেন, ওনার মাও ছিলেন লাইফ সাপোর্টে।এরপর মায়ের মৃত্যুতে সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে একেবারেই দূরে ছিলেন তিনি। ফলে ঢাকায় আন্দোলনের মাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে ঢাকার বাইরে যেসব কর্মসূচি চলছে তা আন্দোলনেরই অংশ।

     

    এছাড়া গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণও আন্দোলনের অংশ, জানান তারা।

    খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি ‘আন্দোলনের হালে পানি পাচ্ছে না’- বিভিন্ন মহলের এমন দাবি মানতে নারাজ দলটির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গোটা জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। আন্দোলন চলছে, প্রবল আন্দোলনে সরকারের পতন নিশ্চিত হবে এবং আমাদের নেত্রী মুক্তি পাবে, দেশের জনগণ মুক্তি পাবে।

     

    আন্দোলন প্রসঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অত্যাচার ও নির্যাতনের কারণে আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা আর পেছনে যেতে পারব না। আমরা পেছনে না গেলে আওয়ামী লীগও সামনের দিকে আসবে। আর সামনের দিকে আসলে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। কিন্তু আমরা সেই সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে চাই। তাই আমরা বারবার আন্দোলন ও ভোটের কথা বলি। আমাদের আন্দোলন ভোটের দাবি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।’

    গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দফতরের দায়িত্বে থাকা দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদর কাছে প্রশ্ন করা হয়, আপনাদের আন্দোলন চলছে না। এ প্রেক্ষাপটে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য তার প্যারোলে মুক্তি চাইবেন কিনা? এর জবাবে তিনি বলেন, ‘কে বললো আন্দোলন নেই? গতকাল রাজশাহীতে যে এত বড় জনসভা হলো। সেখানে জায়গা দেয় না, কিছুই দেয় না কিন্তু হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হলো। সেটি কি আন্দোলনের অংশ নয়?

     

    তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে নানা ধরনের কর্মসূচি থাকে। সেখানে (রাজশাহী) দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাওয়া হয়েছে। এটা তো কর্মসূচির অংশ হিসেবেই ঘোষণা করা হয়েছে। তার চিকিৎসার কথা বলা হয়েছে- এটা তো আন্দোলনেরই অংশ।’

    রিজভী সাংবাদিকদের কাছে উল্টো প্রশ্ন রাখেন, আপনাদের এ বিষয়ে কে জানালো? কীভাবে জানলেন? তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলন চলছে, অব্যাহত গতিতে চলছে। সামনে আরও তীব্র হবে।’

  • মানিকগঞ্জে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আসামি ধরতে যাওয়া পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার

    মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পলাতক আসামিকে ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পুলিশ সদস্য শাহীনুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে ওই নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

    নিহত শাহীনুর রহমান মানিকগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ঢাকার আশুলিয়ার গোয়াইলবাড়ি এলাকায়।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব গিলন্ড গ্রামের সালাম নামে এক আসামি গ্রেফতার হওয়ার পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশ সদস্য শাহীনুর ধাওয়া করলে নদীতে ঝাঁপ দেয় সালাম। তাকে ধরতে শাহীনুরও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এতে আসামি নদী থেকে উঠে পালিয়ে গেলেও পুলিশ সদস্য শাহীনুর নিখোঁজ হন। পরে ঢাকা ও মানিকগঞ্জের ডুবড়ি দলের দুইটি টিম কালিগঙ্গা নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

    নিখোঁজের প্রায় ২০ ঘণ্টা পর শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

  • যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

    যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী ‘টাইম’ ২০১৮ সালে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার টাইমের প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনও এ তালিকায় রয়েছেন।

     

    এছাড়াও সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি, বলিউডের অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন জায়গা পেয়েছেন টাইমের একশ প্রভাবশালীর তালিকায়।

     

    চলতি বছর নিয়ে টাইম ১৫ বারের মতো বিশ্বের একশ প্রভাবশালীর তালিকা তৈরি করেছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কার্যকলাপ, উদ্ভাবন ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘টাইম’ প্রত্যেক বছর একশ জনকে সবচেয়ে প্রভাবশালী হিসেবে বেছে নেয়।

    এ তালিকার ব্যাপারে টাইমের সম্পাদক বলেছেন, ‘এই একশজন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারী এবং পুরুষ। তবে তারা সবেচেয়ে ক্ষমতাবান নন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ক্ষমতা হচ্ছে সুনির্দিষ্ট কিন্তু প্রভাব অত্যন্ত সুক্ষ্ম।’

     

    টাইমের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রোফাইল লিখেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি।

    মীনাক্ষী লিখেছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯০ সালে; যখন তিনি বাংলাদেশে সামরিক শাসন অবসানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। আমাদের সর্বশেষ দেখা হয় ২০০৮ সালে; যখন দেশটিতে তিনি আবারো সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করছিলেন। একই বছরে তিনি নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

     

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই পরিচালক বলেন, তার বাবা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন; উত্তরাধিকারী হিসেবে শেখ হাসিনা লড়াই করতে কখনো ভয় পাননি। গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নৃশংস হত্যাযজ্ঞে যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে; তখন তিনি এই রোহিঙ্গা ঢলকে মানবিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন।

    মীনাক্ষী গাঙ্গুলি লিখেছেন, অতীতে কখনোই রোহিঙ্গাদের ব্যাপক স্রোত বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হয়নি। কিন্তু তিনি জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুখ ফিরিয়ে নেননি। এজন্য শেখ হাসিনা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।