Category: জাতীয়

  • অবশেষে চলে গেলেন রাজীব

    অবশেষে চলে গেলেন রাজীব

    অনেক চেষ্টার পরও বাঁচানো গেলো না কলেজছাত্র রাজীব হোসেনকে। দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা রাজীব মারা গেছেন।

    সোমবার (১৬ এপ্রিল) দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন আইসিইউর চিকিৎসকরা। আইসিইউ’র চিকিৎসক ডা. রেজার বরাত দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন রাজীবের চাচা আল আমিন। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়াও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    রাজীবের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে খবর পেয়ে মধ্যরাতেই ঢামেকে ছুটে আসেন তার স্বজনরা। এদের মধ্যে আল আমিন ছাড়াও রয়েছেন রাজীবের মামা জাহিদুল ইসলাম ও খালাতো বোন রাবেয়া।

    আল আমিন বলেন, চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন লাইফ সাপোর্টে থাকা রাজীবের অবস্থার অবনতি হয় ১১টা ৩০ মিনিটে। রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে বিআরটিসি বাসের সঙ্গে স্বজন পরিবহনের বাস টক্কর দিতে গেলে বাস দু’টির চিপায় পড়ে ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় রাজীবের। সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের এ ছাত্রকে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরদিন ঢামেকে নিয়ে আসা হয়। সেখানে সরকারের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামের রাজীব তৃতীয় শ্রেণিতে থাকাকালে মাকে এবং অষ্টম শ্রেণিতে থাকাকালে বাবাকে হারান। এরপর মতিঝিলে খালা জাহানারা বেগমের বাসায় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেন। মহাখালীর তিতুমীর কলেজে স্নাতকে ভর্তি হওয়ার পর যাত্রাবাড়ীতে মেসে ভাড়ায় থেকে পড়াশোনা করছিলেন রাজীব। এর পাশাপাশি তিনি একটি কম্পিউটারের দোকানেও কাজ করছিলেন। নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট দুই ভাইয়ের খরচও চালাতে হতো রাজীবকে।

    রাজীবের হাত বিছিন্ন করে ফেলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ৪ এপ্রিল বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ (৩৫) ও স্বজন বাসের চালক খোরশেদকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়। ৫ এপ্রিল দু’জনকে আদালতে তোলা হলে তাদের দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। ৮ এপ্রিল দু’জনকে পাঠানো হয় কারাগারে। সোমবার দুই আসামির পক্ষ থেকে জামিন আবেদন করা হলেও নামঞ্জুর করেন আদালত।

  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৬ মে প্রকাশ হতে পারে

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ৬ মে প্রকাশ হতে পারে

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ৬ মে প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা  এ কথা জানান।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার সরকার বলেন, তাঁরা আগামী ৩ থেকে ৭ মের মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। এখন সরকারপ্রধান যেদিন সম্মতি দেবেন, সেদিন ফল প্রকাশ করা হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ৪ ও ৫ মে ছুটির দিন । এ কারণে ৬ মে ফল প্রকাশের জন্য তাঁদের বলা হয়েছে। ৬ মে ফল প্রকাশ করা হবে, এটা ধরেই তাঁরা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

  • ইউনাইটেডে চিকিৎসা নিতে চান খালেদা, জানালেন রিজভী

    ইউনাইটেডে চিকিৎসা নিতে চান খালেদা, জানালেন রিজভী

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গুরুতর অসুস্থ রয়েছেন দাবি করে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে তার ব্যক্তিগত চিকিৎকদের তত্ত্বাবধানে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।

    সোমবার (১৬ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবর কিভাবে জেনেছেন -এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘সব সময় এটা বলা যায় না, কয়েকদিন আগে তার (খালেদা জিয়া) আইনজীবী গিয়ে দেখা করেছেন। তারা দেখেছেন। তার আত্মীয়স্বজনরা দেখা করেছেন। তাদের মাধ্যমে জেনেছি।’

    বেগম খালেদা জিয়া যেহেতু অসুস্থ এ অবস্থায় যদি জামিন না হয় সে ক্ষেত্রে প্যারোলে মুক্তি চাইবেন কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আইনগত দিক, আমাদের রাজনৈতিক আন্দোলন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে জানানো হবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার গোলাম আকবর, সহ দফতর সম্পাদক মনির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ওই রায়ের পর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া।

  • আ.লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত

    আ.লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ‘জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করেছে। আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হোসেন তওফিক ইমাম কো-চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন।

    নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা।

  • আ.লীগের ছেলেরা ধর্ষণ করে আর ছবি তোলে : এরশাদ

    আ.লীগের ছেলেরা ধর্ষণ করে আর ছবি তোলে : এরশাদ

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, বর্তমান অবস্থা থেকে মানুষ মুক্তি চায়। দুর্বিষহ অবস্থায় মানুষ কথা বলতে পারে না, লিখতে পারে না, রাতে মানুষ গুম হয়ে যায়, খুন হয়, মেয়েরা ধর্ষিত হয়, ব্যাংক লুট হয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ছেলেরা মেয়েদের ধর্ষণ করে আর ছবি তোলে। পুলিশ মামলা নেয় না। আজ বাবা-মায়েরা মেয়েদের ঘরে রাখতে পারে না। কম বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয়।

    সোমবার বিকেলে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কুমড়ীরহাট এস সি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেন এরশাদ।

    তিনি বলেন, আমি ছয় বছর জেলে ছিলাম, ভোট করতে পারিনি। আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এই বিশাল জনসভা দেখার জন্য। আজ আমি সত্যি অভিভূত। এই জনসভা আমাকে নতুন জীবন দিয়েছে। আমি বলতে পারি এখান থেকে জাতীয় পার্টির যাত্রা শুরু হলো। লালমনিরহাট তিন আসনে আমাদের কেউ হারাতে পারবে না।

    জনসভায় মানুষের ঢল দেখে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই জনসমুদ্র দেখে আমার মনে হচ্ছে ৯৪ বছর বয়স থেকে আজ আমার বয়স ৪০ বছরে নেমে এসেছে। এখন আমার বয়স ৪০।

    এ সময় তিনি লালমনিরহাট-২ কালীগঞ্জ-আদিতমারী আসনের জাতীয় পার্টির এমপি হিসেবে রোকন উদ্দিন বাবুলের নাম ঘোষণা করেন। হিন্দু ভাইদের জন্য ৩০টি আসন রিজার্ভ রয়েছে আর হিন্দু মহিলা সংরক্ষিত আসন হবে ৩০টি বলে ঘোষণা করেন এরশাদ।

    জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা ও রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন- মেজর (অব.) খালেদ আকতার, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ আসনের এমপি শামিম হায়দার পাটোয়ারী।

  • সৌদিতে সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

    সৌদিতে সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সোমবার সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন এক বিশাল যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে ‘গাল্ফ শিল্ড-১’ শীর্ষক এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    সৌদি বাদশা ও দুই পবিত্র মসজিদের হেফাজতকারী সালমান বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কুচকাওয়াজে বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশ নিচ্ছে।
    উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বন্ধু দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সমন্বয় ও সহযোগিতায় সৌদি আরব মাসব্যাপী এ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে।
    বাদশাহ সালমান বন্ধু দেশগুলোর বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এই সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করবেন।

    সামরিক মহড়ার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল সুবাইয়ে বলেছেন, ২৪টি দেশের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অংশগ্রহণে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মহড়ার আয়োজন করেছে।
    এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, মিশর, জর্ডান, সুদান, মৌরিতানিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শাদ, জিবুতি, নাইজার, কমরোস, আফগানিস্তান, ওমান, গায়ানা, তুরস্ক ও বুরকিনাফাসো যোগ দিয়েছে।

    গত ১৮ মার্চ এই মহড়া শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে।
    আবদুল্লাহ বলেন, প্রচলিত ও অপ্রচলিত এই দুই ধরনের সামরিক অভিযান নিয়ে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।

    মুখপাত্র বলেন, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে, এমন বৈরী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথ সামরিক যুদ্ধাভিযান পরিকল্পনার ধারণা কার্যকর করা হচ্ছে এই মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
    বিশ্লেষকেরা অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ও এতে ব্যবহৃত অস্ত্রের গুণগত মানের নিরিখে এটিকে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বৃহত্তম সামরিক মহড়া হিসেবে গণ্য করছেন।
    প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিতে আজ বিকেলে লন্ডনের উদ্দেশে দাম্মাম ত্যাগ করবেন।

  • বিসিসি নির্বাচনে সাদিককে মননীত করার দাবী কেন্দ্রে তুলে ধরবেন মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনে সাদিককে মননীত করার দাবী কেন্দ্রে তুলে ধরবেন মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    কেন্দ্রীয় নেতা বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বরিশাল মহানগর আওয়মীলীগকে ঢেলে সাজাতে নেতাকর্মীদের পরামর্শ দিয়েছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের সদস্য সংগ্রহ অভিযান আরও জোরদারের তাগিদ দিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বলেছেন। রোববার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বরিশাল সার্কিট হাউজে আয়োজিত মহানগর আ’লীগের বর্ধিত সভায় এসব পরামর্শ দেন।

    প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি বলেন- বরিশালকে উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বরিশাল শহর একদিন আধুনিক সিঙ্গাপুরে রূপ নেবে। আসন্ন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে দখিনা আ’লীগের কর্ণধর সাংসদ হাসানাত বলেন- নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাকে মনোনীত করার যে দাবি উঠেছে তা তিনি কেন্দ্রে তুলে ধরবেন। তবে মনোননের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    তাছাড়া ওই নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিষয়টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিতে মহানগরের শীর্ষ নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

    ওই সভায় বরিশাল মহানগর আ’লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, বরিশাল মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ উল্লেখযোগ্য।

  • গাজীপুর সিটি নির্বাচন : অর্থ-সম্পদে এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    গাজীপুর সিটি নির্বাচন : অর্থ-সম্পদে এগিয়ে জাহাঙ্গীর

    গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত দুই মেয়র প্রার্থী রিটার্নিং অফিসারের কাছে তাদের যে সম্পদ ও দায়-দেনার হিসাব দিয়েছেন তাতে অর্থ-সম্পদের দিক দিয়ে এগিয়ে আছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম।

    রোববার মনোনয়নপত্র বাছাইকালে রিটার্নিং অফিসার তাদের দুইজনসহ মোট ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

    নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম একজন ব্যবসায়ী। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএ এলএলবি। তার সম্ভাব্য বার্ষিক আয় ৩০ লাখ টাকা। এ ছাড়া তিনি অনারেবল টেক্সটাইল কম্পোজিট লিমিটেড ও জেড আলম অ্যাপারেলস লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

    হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার নগদ অর্থের পরিমাণ ৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৮ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৯৭১ টাকা। তার ব্যবসায়িক পুঁজি ৭৫ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৭ টাকা। অনারেবল টেক্সটাইল মিলে শেয়ার ৪৭ লাখ ৫০ হাজার ও জেড আলম অ্যাপারেলস লিমিটেডে শেয়ার ২০ হাজার টাকা। তার সঞ্চয়পত্র রয়েছে ১০ লাখ টাকার। তার দুটি গাড়ি, ৩৫ ভরি স্বর্ণ, ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী, আসবাবপত্র এক লাখ ৫০ হাজার টাকা, একটি বন্দুক ও একটি পিস্তল রয়েছে যার মূল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫০ টাকা।

    এছাড়া স্থাবর সম্পত্তি কৃষি ১৪১৫ দশমিক ১৫ শতক, অকৃষি জমি ৩৩ দশমিক ৭১২৪ শতক। ৭ দশমিক ৪৩৭ শতক জমিতে একটি আবাসিক ভবন রয়েছে। অপর দিকে তিনি দায় দেখিয়েছেন জমি বিক্রির জন্য বায়না বাবদ ৮ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে ২০০৪ সালে জয়দেবপুর থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা ছিল যা থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। এছাড়া একই থানায় অপর একটি মামলা হলেও সে মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পান।

    অপরদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার তার হলফনামায় দেখিয়েছেন- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছেন। তার ব্যবসা ও গৃহ সম্পত্তি থেকে বার্ষিক আয় ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাত থেকে আয় ৬৩ হাজার টাকা, বাড়ি ভাড়া থেকে ৫ লাখ ২২ হাজার ৯০০ টাকা, ব্যবসা থেকে আয় ৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা থেকে আয় ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা। তার নগদ অর্থ রয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমা ৬০ লাখ ৪৯ হাজার ৬০১ টাকা। তার একটি গাড়ি রয়েছে যার মূল্য ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নিজের স্বর্ণ রয়েছে ২১ তোলা। তার একটি পিস্তল, একটি শর্টগান রয়েছে এবং স্ত্রীর নামেও রয়েছে একটি একনালা বন্দুক। স্ত্রীর নামে নগদ রয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে রয়েছে ৫৮ হাজার ৫৪২ টাকা। স্বর্ণ আছে ৩২ তোলা।

    হাসান উদ্দিন সরকারের স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৭৭ লাখ ৮৪ হাজার ১৮৮ টাকা। কৃষি জমি আছে ৫০০ দশমিক ৫৩১ শতক। যার মূল্য ৯৪ হাজার ৪৬৪ টাকা। সাড়ে ৭ শতক বাণিজ্যিক সম্পত্তিতে ৫টি দোকান রয়েছে। টঙ্গীতে ৯০ শতক জমিতে ৩২টি সেমিপাকা ঘর আছে যার বার্ষিক আয় ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৮৪৯ টাকা। একটি একচালা টিনসেড ঘর যার বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা। এছাড়া ২৯শ বর্গ ফুটের একটি চার তলা অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। তার স্ত্রীর নামে কৃষি জমি রয়েছে ২০৮ দশমিক ৮৩৫ শতক। যার মূল্য ৬১ হাজার ৩১৯ টাকা। অকৃষি জমি রয়েছে ৭০ শতাংশ, যার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। বারইপাড়া ও ভাওয়ালগড় এলাকায় রয়েছে ২৭ শতক জমি যার মূল্য ৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৫০ টাকা। বাদাম টঙ্গীতে সেমিপাকা ৩২টি ছাপড়া ঘর রয়েছে যার ভাড়া বাবদ আয় ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

    হাসান উদ্দিন সরকার চেকের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করেছেন ২৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। তার নামে ঢাকার তেঁজগাও থানায় ২০১৫ সালে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এবং ২০১৮ সালে টঙ্গী থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার মামলটি থেকে তিনি খালাস পেয়েছেন। টঙ্গী থানার মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

  • আমরা সবাই ধর্ষিত হচ্ছি: এরশাদ

    আমরা সবাই ধর্ষিত হচ্ছি: এরশাদ

    বর্তমান সরকারের শাসনামলের চিত্র তুলে ধরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমার শাসনামলে মানুষ নিরাপদে ছিল। খুন হতো না। আর এখন খুনের মহোৎসব চলছে। নারী ও শিশু ধর্ষণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর ফলে আমরা সবাই ধর্ষিত হচ্ছি।’ তিনি বলেন, নারী হয়ে জন্ম নেওয়াটাই যেন অভিশাপ।

    আজ রোববার দুপুরে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘বর্তমানে সর্বত্র দলীয়করণ, লুটপাট। ব্যাংকে টাকা নেই। নির্বাহী বিভাগ কারও কথা শোনে না। দেশের মানুষ অশান্তিতে আছে। অস্থিরতার মধ্যে বাস করছে। মানুষের শ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষ মুক্তি চায়, মানুষ পরিবর্তন চায়।’

    আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ছিয়ানব্বই সালে আমাদের সমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর আমার সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছে। আমার দল ভাঙা হয়েছে। আর বিএনপির সরকারের শাসনামলে আমাকে জেলখানায় নেওয়া হয়। আমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। আমাকে ইফতার করতে দেওয়া হয়নি। আল্লাহর রহমতে জনগণের ভালোবাসায় আমি বেঁচে আছি, ভালো আছি।’

    প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘হাসিনার কথা ছাড়া এখন কিছু নড়ে না। একদলীয় শাসন চাই না, জনগণের শাসন চাই। দুঃশাসনের বেড়াজাল ভেঙে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এবার সেই সুযোগ এসেছে।’

    রংপুর অঞ্চলের জাতীয় পার্টির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এরশাদ বলেন, ‘রংপুর ছিল জাতীয় পার্টির দুর্গ, এখন নেই। আসন কমে গেছে। সে আসন ফিরিয়ে আনতে হবে। সামনে নির্বাচন, এ নির্বাচনে বৃহত্তর রংপুরের ২২টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে হবে। ২২টি আসন পেলে আমরা এবার ক্ষমতায় যাব।’

    দেশে মাদকদ্রব্যের বেচাকেনা বেড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা প্রকাশ করে এইচ এম এরশাদ বলেন, ‘আমার সময়ে ইয়াবা নামে কোনো মাদক ছিল না। এখন চায়ের দোকানেও মাদক পাওয়া যায়। মাদক তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।’

    বক্তব্য শেষে এরশাদ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হিসেবে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলের মিঠাপুকুর উপজেলা সভাপতি এস এম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীরের নাম ঘোষণা করেন।

    জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব সাংসদ এ বি এম রুহুল আমীন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ ইয়াসিরসহ উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা বক্তব্য দেন।

  • প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    প্রতিটি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ২৩টি জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং বিভাগীয় শহরে আরো ৪টি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।  আজ রবিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইডিইবি) মিলনায়তনে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্ততায় তিনি এ কথা বলেন।

    নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার কিন্তু কারিগরি শিক্ষা হলো অগ্রাধিকারের অগ্রাধিকার। কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন সম্ভব নয়। ভিশন ২০২১ অর্জন করার লক্ষ্যে এবং দেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষা বিস্তারের কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ১৪ শতাংশ ভর্তি হার নিশ্চিত হয়েছে। এই হার ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যুগোপযোগী জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং শিক্ষা প্রশাসনের আধুনিকায়ন করা হয়েছে ।

    ন্যাশনাল স্কিলস ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল পুনর্গঠন করে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস।