Category: জাতীয়

  • গ্রামীণ বাজার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছেন এমপিরা

    গ্রামীণ বাজার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছেন এমপিরা

    নির্বাচনকে সামনে রেখে একের পর এক প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা পাচ্ছেন এমপিরা। এবার গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বরাদ্দ পাচ্ছেন তারা। নেয়া হচ্ছে এক হাজার ৭৩০ কোটি টাকার প্রকল্প।

    নির্বাচনী এলাকায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি পূরণে এমপিদের দাবির প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এ প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়। সব প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

    পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদকাল ধরা হয়েছে চলতি বছর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। দেশের ৪৯১টি উপজেলার প্রতি উপজেলায় কমপক্ষে ১টি করে তিনতলা চার হাজার থেকে ১০ হাজার বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট মোট ৫২০টি গ্রামীণ বাজার নির্মাণ করা হবে।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পরে প্রথমবারের মতো এমপিদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে ২০১০ সালের মার্চে চার হাজার ৮৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন করে। ওই সময় প্রত্যেক এমপিকে ১৫ কোটি টাকা ব্যয় করার জন্য বরাদ্দ দিয়েছিল সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় গত দশম সংসদে নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে ছয় হাজার ১৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এমপিদের। ২০১৫ সালের মে মাসে তার অনুমোদন দেয় সরকার।

    এতে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে এমপিরা বরাদ্দ পেয়েছেন ২০ কোটি টাকা করে, যা আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই শেষ হয়ে যাবে। তাই নির্বাচনের আগে দেশব্যাপী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গত মাসে ৬৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য আলাদা প্রকল্পের অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা এমপিরা পছন্দমতো মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশান, গীর্জা, প্যাগোডা, গুরুদুয়ারা এবং খেলার মাঠ উন্নয়নে ব্যয় করতে পারবেন।

    স্থানীয় সরকার বিভাগ বলছে, গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি কৃষির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে হলে গ্রামীণ হাট/বাজার নির্মাণ জরুরি। গ্রামাঞ্চলে হাট/বাজারের পূর্ণ সুবিধা গ্রামীণ কৃষক ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা (ব্যবসায়ী) পান না।

    বর্তমান বাজারব্যবস্থায় কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে স্বল্পমূল্যে উৎপাদন স্থলেই উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করতে বাধ্য হয়।

    অন্যদিকে স্থায়ী অবকাঠামো না থাকায় গ্রামীণ বাজারে মালামালের সরবরাহ অপ্রতুল থাকায় ভোক্তাদের বেশি দামে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে হয়। আলোচ্য প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামীণ বাজার চার হাজার থেকে ১০ হাজার বর্গফুট নির্মাণ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভৌত অবকাঠামো সুবিধা প্রদান করা হলে কৃষি ও অকৃষি পণ্যের সহজ বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষক প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে তার পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এক্ষেত্রে ভোক্তারাও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সহজে ও ন্যায্য মূল্যে কেনার সুবিধা পাবে।

    প্রকল্পটি দেশের সব উপজেলায় বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পল্লী অঞ্চলের কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ, কৃষিপণ্য ন্যায্য মূল্যে প্রাপ্তি, ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পরিবহন ব্যয় হ্রাস ও প্রকল্প এলাকায় উন্নত হাট/বাজার অবকাঠামো তৈরি হবে। এর মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে পল্লী এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাস পাবে বলেও মনে করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

    এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌতঅবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে এই প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। গুরুত্ব বিবেচনায় একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার সুপারিশ করা হয়েছে।

  • মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে দলে অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না- সাদিক আবদুল্লাহ

    মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে দলে অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না- সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২৩ ও ৭নং ওয়ার্ডে সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বিকেলে ২৩নং ও পরে রাতে ৭নং ওয়ার্ডে কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়। ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠিত সভাপতি আলহাজ মুনসুর আহমেদ খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. একেএম জাহাঙ্গীর, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সচেতন সকলকে আমাদের নতুন সদস্য হিসেবে নিতে হবে। কোন ক্রমেই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তিকে সদস্য হিসেবে নেয়া যাবে না। তিনি উপস্থিত নেতা কর্মিদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আমার দাদা বরিশালের মাটি ও মানুষের সাথে বেড়ে উঠেছে। আমার বাবা বরিশালের মানুষের সেবায় আজীবন কাজ করে গেছে। আমিও আপনাদের সেবায় নিয়োজিত হতে চায়।

    আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার, রেশমী বেগমসহ আরো অনেকে। পরে রাতে নগরীর ৭নং ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফারুক হুমায়ন এর সভাপতিত্বে সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহনগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, জাতীয় পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম তোতা, মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাসান মাহামুদ বাবু, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, প্রচার সম্পাদক গোলাম সারোয়ার রাজিব, উপ-দপ্তর সম্পাদক কাজী মুনির উদ্দিন তারিক, নিগার সুলতানা হনুফা, রফিকুল ইসলাম খোকন, সুমন সেরনিয়াবাত, ইমরুল আহমেদ, মো. আসলামসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • ঢাকা সিটির জন্য বিশ্বমানের পরিকল্পনা হচ্ছে : সাঈদ খোকন

    ঢাকা সিটির জন্য বিশ্বমানের পরিকল্পনা হচ্ছে : সাঈদ খোকন

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ‘আমরা ঢাকা সিটির জন্য বিশ্বমানের পরিকল্পনা করছি। উন্নত বিশ্বের সিটিগুলোর অভিজ্ঞতা আমরা নিচ্ছি। গত জুলাইয়ে আমরা বিশ্বব্যাংককে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম সেখানে ঢাকার বিভিন্ন সমস্যা উঠে এসেছিল। আমরা সেগুলো সমাধানে কাজ করছি। যেখানে বিভিন্ন দাতা সংস্থা আমাদের সহায়তা করছে। বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, আমরাও বিশেষভাবে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর নগরী গড়তে কাজ করছি।’

    শনিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে মেয়রদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা আয়োজন করে বিশ্ব ব্যাংক। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘বিল্ডিং নলেজ নেটওয়ার্ক অ্যান্ড পার্টনারশিপ ফর সাসটেইনেবল আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বাংলাদেশের প্রায় ৩২২ জন পৌর মেয়র অংশ নেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিশ্বব্যাংক সহযোগিতায় ছিল মিউনিসিপল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি), বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব সুইস এজেন্সি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমাও ফান, সুইডারল্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর রেন হলিন্সট্রিন মিউনিসিপল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আব্দুল বাতেন সভার বিভিন্ন সেশনে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে সিটি লিডারশিপ অ্যান্ড গুড গভরনেন্স বিষয়ক আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন ক্লেমশন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসন জেমস এইচ স্পেনসার।

    এই অধিবেশনে নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভি বলেন, ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে নারায়াণগঞ্জ। ঢাকার কাছে হলেও উন্নয়ন তেমন হয়নি। এটা আলোর নিচেই অন্ধকার। উন্নয়ন কিছুই হয়নি তা নয়, কিছু কিছু উন্নয়ন হয়েছে, পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের এখানে স্থানীয় সরকারকে কীভাবে দুর্বল করে রাখা যায় এর চিন্তা করা হয়। কিন্তু উন্নত রাষ্ট্রে স্থানীয় সরকারকে কীভাবে শক্তিশালী করা তা ভাবা হয়। আইভী বলেন, দেশের প্রত্যেক পৌরসভা ও সিটিতে সমস্যার ধরণ ও চিত্র ভিন্ন। বাংলাদেশের সব মেয়র প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    স্থানীয় সরকারের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশন বিভিন্ন প্রকল্প জমা দিয়ে টাকা পাচ্ছে। সে তুলনায় পৌরসভা খুব কম টাকা পায়। তবে আগের চেয়ে অনেকটাই টাকা বাড়ানো হয়েছে।’ আইভী বলেন, ‘আমরা স্বাবলম্বী হতে চাই। সড়ক, জনপদ, রেলসহ অন্যান্য খাস জমি আমাদের ব্যবহারের জন্য দেয়া হোক। আমরা এ জমিগুলো ভাড়া দিয়ে অর্থ পেতে পারি।’ এ সময় পৌরসভাগুলোতে সরকারের বাজেট বাড়ানোর অনুরোধ করেন আইভী। বক্তব্য শেষে উপস্থিত মেয়ররা আইভীকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। জবাবে আইভী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী থাকলে আপনাদের এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতেন। আমি এ বিষয় কিছু বলতে চাই না। আপনারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

    দ্বিতীয় সেশনে ফিলিপাইনের মেয়র মেল সেনেন এস সারমিনতো বলেন, ‘মেয়রদের উচিত সুশাসন নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন ত্বরান্নিত করতে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা।’ এ সময় তিনি ফিলিপাইনের অবস্থা তুলে ধরে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার পক্ষে মত দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সল্টলেক সিটির মেয়র রালফ বেকার বলেন, ‘বাংলাদেশের শাসনের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শাসন আলাদা। আমরা বিকেন্দ্রীকরণ ক্ষমতার চর্চা করি। প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে অনেক লোক আসে অসংখ্য সমস্যা নিয়ে আসে। আমাদের কাজ হলো কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে এর প্রতিকার করা। আমার শহর কীভাবে গতিশীল করব সেই লক্ষ্যে কাজ করি। আমি মনে করি এটা বাংলাদেশেও প্রযোজ্য। আমরা শহরে সর্বত্রই যোগাযোগের আওতায় এনেছি। আমাদের শহরে যখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছিল, কর আদায় হচ্ছিল না তখন ব্যবসায়ীদের আন জানালে তারা এগিয়ে আসে উন্নয়নের জন্য।’

    এই সেশনে আরও বক্তব্য দেন ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু। তিনি তার পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, আমরা ৩০ হাজার টাকার বিলবোর্ড আয়কে কয়েক লাখে নিয়ে গেছি। আগে এ টাকাটা এককভাবে নিত বাড়িওয়ালারা, এখন সেটা পৌরসভাও পাচ্ছে। দিনের তৃতীয় সেশনে শহর পরিকল্পনা ও টেকসই অবকাঠামো বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশে নগর পরিকল্পনা নেই। পৌরসভার নিজস্ব আয় কম। পৌরসভার মোট ব্যয়ের ৩২ থেকে ৩৫ শতাংশ তারা বহন করতে পারে। বাকি অর্থের জন্য সরকার ও দাতা সংস্থার দিকে চেয়ে থাকতে হয়।

    এ সেশনের সভাপতিত্ব করেন বিশ্বব্যাংকের ইভারজেলিন কিম কুইনসো। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানার্স এর প্রফেসর ড. আখতার মাহমুদ, ক্যার্লিফোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর রবার্ট কারবেরো।অনুষ্ঠানে আগত মেয়রদের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার আবেদন জানানো হয়। তারা বলেন, স্থানীয় সরকারের বাজেট বাড়াতে হবে। পৌরসভাগুলোকে নিজস্ব আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি পৌরসভাকে ২০০ একর জমি বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানান তারা। এ জমি ব্যবহার করে পৌরসভাগুলো সেখানে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করবে।

    শিল্পকারখানা গড়ে তুলবে। পৌরসভার আয়ের একটা পথ বের করবে। অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় শুরু হয়। আগামীকাল শেষ হবে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলন।

  • আইসিটি লিডার অব দ্য ইয়ার পলক

    আইসিটি লিডার অব দ্য ইয়ার পলক

    তথ্যপ্রযুক্তিতে অসামান্য অবদানের জন্য ওয়ার্ল্ড এইচআরডি কংগ্রেসের ‘আইসিটি লিডার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শনিবার বিকেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে গত বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে জুনাইদ আহমেদ পলককে যুব বিশ্ব নেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়। সংস্থাটি পলকসহ ৪০ বছরের কম বয়সী বিশ্বের অন্যান্য যুব বিশ্ব নেতাদের নামের একটি তালিকা করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।

    পেশাদারী কর্ম সম্পাদন, সমাজের প্রতি অঙ্গীকার এবং আগামীর পৃথিবী রূপায়ণে সম্ভাব্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জুনাইদ আহমেদ পলককে ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার ২০১৬’ মনোনীত করা হয়।

    উল্লেখ্য, জুনাইদ আহমেদ পলক ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি নির্বাচিত সরকারের সংসদ সদস্য এবং ডাক এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • রোহিঙ্গাদের ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটছে মিয়ানমার

    রোহিঙ্গাদের ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটছে মিয়ানমার

    উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ছেড়ে আসা আবাদি জমি থেকে ধান কেটে নিতে শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার। স্থানীয কর্মকর্তাদের বরাত ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এএফপি বলছে, মিয়ানমার সরকারের এই পদেক্ষেপের ফলে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় পালিয়ে যাওয়া ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গার রাখাইনে ফেরা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াতে পারে। গত আগস্টের শেষের দিকে শুরু হওয়া সহিংসতায় মিয়ানমারের এই সীমান্ত অঞ্চলের বেশির ভাগই এখন জনমানবশূন্য। রোহিঙ্গাবিরোধী মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ ‘জাতিগত নিধন’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে ‘রাষ্ট্রহীন সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা’দের রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সংখ্যা ৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। উত্তর রাখাইনের রোহিঙ্গাদের শত শত গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, রাখাইনের উগ্র বৌদ্ধদের সহযোগিতায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী সেখানে হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ করছে।

    আন্তর্জাতিক ব্যাপক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসনের অঙ্গীকার করেছে। যারা সেদেশের বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণ দেখাতে পারবেন শুধুমাত্র তাদেরকেই ফেরত নেয়া হবে বলে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি জানিয়েছেন।

    তবে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসনের এই পরিকল্পনা এখনো আঁধারেই রয়েছে। দেখা দিয়েছে বেশ কিছু প্রশ্নের; কে তাদেরকে ফেরার অনুমতি দেবে, তাদেরকে কীভাবে ফেরত নেয়া হবে এবং কীভাবে তারা ওই অঞ্চলে বসবাস করবেন যেখানে রোহিঙ্গাবিরোধী বিদ্বেষ এখনো আকাশচুম্বী।

    রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, শনিবার রাখাইনের মংডুর ৭১ হাজার একর জমির ধান কাটতে শুরু করেছে সরকার। ব্যাপক সহিংসতায় মংডুর অধিকাংশ এলাকা থেকে পালিয়েছে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা।

    মংডু কৃষি বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা থেইন ওয়েই বলেন, আমরা আজ থেকে মিও থু জি গ্রামের জমি থেকে ধান কাটতে শুরু করেছি। আমরা বাঙালিদের কিছু ধানক্ষেত কাটতে যাচ্ছি; যারা বাংলাদেশে পালিয়েছেন। বৌদ্ধ অধ্যুষিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী হিসেবে ডাকা হয়।

    তবে দেশটির সরকার এই ধান কী করবে বা প্রক্রিয়া কি হবে সেবিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে পারেননি ওই কর্মকর্তা। ফসল কাটার কাজে সহায়তা করার জন্য দেশের অন্যান্য অংশ থেকে শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করতেই একাজ করা হচ্ছে বলে মিয়ানমার সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ফিল রবার্টসন বলেন, ফসল কাটায় সরকারি কর্মকর্তার নেতৃত্ব দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যে রোহিঙ্গারা এসব জমিতে বীজ বপন করেছিলেন সেটার চেয়ে ফসল কাটতেই বেশি মনযোগী মিয়ানমার সরকার।

    এসব বলপ্রয়োগের অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের রাখাইন থেকে বার্তা দেয়া হচ্ছে যে, ‘তোমাদের যা ছিল; এখন তা আমাদের এবং তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে না।’

    সূত্র : এএফপি, গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার।

  • আমরা মানুষ, এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের ফেরত নয় – শেখ হাসিনা

    আমরা মানুষ, এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের ফেরত নয় – শেখ হাসিনা

    ‘শিশু, নারী এবং নিরীহ মানুষের কী দোষ? তারা তো দায়ী নয়। সাধারণ জনগণকে আক্রমণের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমর্থন করা উচিত নয়।’ কথাগুলো বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে বিবিসিকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তাদের (মিয়ানমারের) এটি বন্ধ করা উচিত। পাশাপাশি মিয়ানমার সরকারের উচিত ধৈর্যের সঙ্গে এ অবস্থা মোকাবিলা করা। তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় সংসদে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মিয়ানমারকে তাদের সব নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং তাদের জন্য একটি ভালো পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে।’

    মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধির জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করুন, যাতে তারা তাদের জনগণকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা বিনয়ের সঙ্গে তাদের আশ্রয় দেব, যাতে তারা খাদ্য, চিকিৎসা পায়।’
    কত দিন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেবেন—বিবিসির সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যত দিন তাদের ফেরত না নেওয়া হবে। তারা মানুষ। এমন ভয়াবহ অবস্থায় আমরা তাদের ফেরত পাঠাতে পারি না। আমরা মানুষ।’

  • ‘সব হারিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বেদনা বুঝি’ – শেখ হাসিনা

    ‘সব হারিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বেদনা বুঝি’ – শেখ হাসিনা

    মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়ে সব হারিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব হারিয়ে যারা বাংলাদেশে এসেছেন তাদের বেদনা বুঝি।

    আজ মঙ্গলবার বেলা পৌঁনে ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালংয়ে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা আমরা বুঝি। ’৭৫-এ বাবা-মা হারিয়ে আমাদেরও রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে। ’৭১-এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ওপর এভাবেই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। পাক হানাদার বাহিনী আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল, আমাদের দেশের মানুষকেও ভারতে আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের মানুষদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মানুষ উপায় না পেয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। তাই আমাদের যতটুকু সামর্থ আছে সাহায্য করছি। এ বিষয়ে আমরা কমিটিও করে দিয়েছি। ’

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আমি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। তবে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার আমরা সেটি করবো। ’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তাতে কি তাদের বিবেককে নাড়া দেয় না? একজনের ভুলে এভাবে লাখ লাখ মানুষ ঘরহারা হচ্ছে। আমরা শান্তি চাই। ’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৬ কোটি মানুষের দেশ। সবার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছি। সেখানে আরও ৫/৭ লাখ মানুষকেও খেতে দিতে পারবো। ’

    এ সময় স্থানীয়দের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যারা যুবক তারা হয়তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। কিন্তু আমরা দেখেছি। তাই রোহিঙ্গাদের যেন কোনও কষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ’

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, কক্সবাজার-৩ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আবু রেজা মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন নদভী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম ও মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

    এর আগে বেলা সোয়া ১০টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে করে তিনি কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে গাড়ি বহরে কুতুপালংয়ের উদ্দেশে রওনা হন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ক্যাম্পে পৌঁছান।

  • সরকারি হলো আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    সরকারি হলো আরও ৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    আরও পাঁচটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়েছে। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

    বিদ্যালয়গুলো হলো গাইবান্ধার ফুলছড়ি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পলাশবাড়ী এস এম মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সৈয়দপুরের তুলশীরাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

    আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি হওয়া এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অন্য বিদ্যালয়ে বদলি হতে পারবেন না। সর্বশেষ গত ১০ আগস্ট তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করে আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    উল্লেখ্য, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই, সেখানে একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করা হচ্ছে।

  • ‘আব্দুল জব্বারের গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে’

    ‘আব্দুল জব্বারের গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে’

    বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী এবং ষাট ও সত্তর দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট এই শিল্পীর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে গাওয়া গান ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে।

    jagonews24

    শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

  • আব্দুল জব্বারের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে : রাষ্ট্রপতি

    আব্দুল জব্বারের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে : রাষ্ট্রপতি

    স্বাধীন বাংলা বেতারের কণ্ঠশিল্পী একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য শিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

    বুধবার এক শোক বার্তায় প্রয়াত শিল্পীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

    শোক বার্তায় তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তার কণ্ঠে গান মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিকামী দেশবাসীকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। তার মৃত্যুতে দেশ একজন বরেণ্য শিল্পীকে হারালো। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি। এই বরেণ্য শিল্পীর অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।