Category: জাতীয়

  • শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

    শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

    আজ ১৬ জুলাই। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস। ১/১১-এর অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    সেদিন ভোরে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। এ অবস্থায় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং তাকে বন্দি অবস্থায় ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে।

    তৎকালীন অবৈধ ও অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীলনকশা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আইনবহির্ভূতভাবে নামঞ্জুর করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

    শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সাহসিকা বঙ্গবন্ধুকন্যা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন অবৈধ সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

    শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জেগে উঠলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ষড়যন্ত্র মারাত্মক প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়।

    আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যদিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।

    আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হারানো স্বপ্ন ও সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হচ্ছে তারই সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে। এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিতার ন্যায় আপসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়। জনগণের মুক্তি আন্দোলনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক জেল-জুলুম ও অত্যাচার-নির্যাতন। অসংখ্যবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। তবে জনগণের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সকল ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে অকুতোভয় নির্ভীক সেনানীর মতো নিরবচ্ছিন্নভাবে পথ চলেছেন শেখ হাসিনা। সব বাধা-বিপত্তি জয় করে আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়; বিশ্ব দরবারেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল জনগণের প্রাণপ্রিয় এ নেত্রী।

    শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের। আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন দিনটি ‘শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।

    এ বছরও দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনসমূহ পৃথক কর্মসূচি নিয়েছে।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন গভর্নর আবদুর রউফের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন গভর্নর আবদুর রউফের শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। শুক্রবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    শ্রদ্ধা জানানো শেষে নবনিযুক্ত গভর্নর বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের রেস্ট হাউজে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে সই করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান, ইডি সিরাজুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ওয়ালিদ হোসেন, উপ-সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) শাহিদা সুলতানা, গভর্নরের একান্ত সচিব মো. জয়নুল আবেদীন বশির, সোনালী ব্যাংকের জিএম মো. আব্দুল কুদ্দুস, খোকন চন্দ্র বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা।

  • আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে পদ্মা সেতুতে রেললাইন বসানোর কাজ

    আগামী সপ্তাহেই শুরু হতে পারে পদ্মা সেতুতে রেললাইন বসানোর কাজ

    আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হতে পারে পদ্মা সেতুতে রেললাইন বসানোর কাজ। আগামীকাল শনিবার সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের এ বিষয়ে একটি মিটিং হবে। মিটিংয়ের পরই সিদ্ধান্ত জানানো হবে—কবে থেকে রেললাইন বসানোর কাজ শুরু হবে। তবে আগামী সপ্তাহ থেকেই এই কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন।

    আজ শুক্রবার পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শনকালে মাওয়া স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রেলপথ মন্ত্রী এই তথ্য জানান। রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে আমাদের গর্বের পদ্মা সেতু অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয়েছে।’

    মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘এই সেতুতে রেল সংযোগের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প সরকারের দশটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের একটি। ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মিত হবে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা আছে। সময়মতো বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি অংশ ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত, দ্বিতীয় অংশ মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এবং তৃতীয় অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত।’

    এ সময় বিভিন্ন অংশের কাজের অগ্রগতি তুলে ধরে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘মাওয়া থেকে ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি ৮০ শতাংশ, ঢাকা থেকে মাওয়া অংশের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর সেকশনের কাজের অগ্রগতি ৫১ শতাংশ এবং সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ। ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত নতুন লাইনে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে।’

    রেলমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত রেললাইন নির্মিত হলে ঢাকা থেকে ফরিদপুর–রাজবাড়ী হয়ে খুলনা, যশোর, দর্শনা, বেনাপোল পর্যন্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া, খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত নতুন লাইন যেটি এই বছর ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হয়ে যাবে, ফলে তা মোংলা পর্যন্ত চালানো সম্ভব হবে।’

    সেতুতে রেললাইন বসানোর সময় কম্পনের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে। তাঁরা সমস্ত কিছু দেখে সম্ভাব্য সমাধান করবেন।’

    প্রকল্প পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসানসহ কনসালটেন্সি সুপারভিশন সার্ভিসের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • করোনায় দুইজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০৫১

    করোনায় দুইজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০৫১

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ হাজার ২২৫ জনে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪৩৩ জনে।

    শুক্রবার (১৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮০টি ল্যাবরেটরিতে ৯ হাজার ১৩০ টি নমুনা সংগ্রহ করা হলেও ৯ হাজার ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

    মহামারি শুরু থেকে দেশে এ পর্যন্ত এক কোটি ৪৪ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৭৬টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৯ লাখ ৫৫ হাজার ৫৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, করোনাভাইরাস থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন এক হাজার ৯৫৭ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন ১৯ লাখ ২১ হাজার ১২৩ জন।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • ২৫ দিনের জেল হেফাজতে পি কে হালদার, করা হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা

    ২৫ দিনের জেল হেফাজতে পি কে হালদার, করা হবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা

    বাংলাদেশের তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে ভারতে গ্রেফতার পি কে হালদারসহ পাঁচজনকে আরও ২৫ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন দেশটির আদালত।

    শুক্রবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টায় ব্যাঙ্কশালের বিশেষ সিবিআই আদালতে তাকে উঠানো হয়। এসময় শুনানি শেষে বিচারপতি জীবন কুমার সাঁধু এই আদেশ দেন।

    একই সঙ্গে পি কে হালদারের মেডিকেল পরীক্ষা করিয়ে পরবর্তী শুনানির দিনে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

    এদিকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি পি কে হালদার। এসময় চুপ ছিলেন তিনি।

    এর আগে মঙ্গলবার (১২ জুলাই) আদালতে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গ্রেফতারের প্রায় ৬০ দিনের মাথায় এই অভিযোগপত্র দেওয়া হলো।

    ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, জেল হেফাজতে পি কে হালদারের মেডিকেল পরীক্ষা করিয়ে আগামী শুনানির দিনে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। ১০ আগস্ট অভিযুক্তদের আদালতে হাজির করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত তথ্য পাওয়া গেছে তা অভিযোগপত্রে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক অভিযোগপত্র হয়েছে ১০০ পাতার। তবে এতে নতুন কোনো নাম যোগ করা হয়নি। এছাড়া সামনে তদন্ত করে আরও যে তথ্য পাওয়া যাবে তা সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট করা হবে।

    ইডির আইনজীবী জানান, ভারতে এখন পর্যন্ত ৪১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং বাড়ি-জমি মিলিয়ে ১৮টি স্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য আনুমানিক পাঁচ কোটি টাকা। এ বিষয়গুলো অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা আছে।

    এর আগে এই আইনজীবী জানিয়েছিলেন, পি কে হালদারসহ মোট ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কলকাতার আদালতে চার্জ গঠন করা হয়েছে। তবে নতুন কোনো ধারায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়নি। প্রাথমিক চার্জশিটে ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২’ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।

    ইডি বলেছে, একাধিক ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে ভারতের বিনিয়োগ করেছিলেন পি কে ও তার সহযোগীরা। কোম্পানির ডিরেক্টর হিসেবে উঠে এসেছিল প্রায় ৫৫ জন প্রভাবশালী বাংলাদেশির নাম।

    যদিও গেলো ৫ জুলাই শুনানির দিন ইডি জানিয়েছে, পি কে হালদার মামলায় তদন্তের আওতার বাইরে রাখা হবে আলোচিত বাংলাদেশি প্রভাবশালীদের নাম।

    ইডির আইনজীবী জানান, আলোচিত কোম্পানি দুটির ডিরেক্টররা প্রত্যেকেই স্লিপিং পার্টনার হিসেবে ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এখনই আমরা করছি না।

    গত ১৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে পি কে হালদারসহ তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে ইডি।

  • বিএনপি পতিত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে: কাদের

    বিএনপি পতিত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে: কাদের

    জনগণ দ্বারা বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি একটি পতিত রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপি রাজনীতির পথ পরিহার করে সব সময় ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করে আসছে।

    শুক্রবার(১৫ জুলাই) ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রচারিত বিএনপি মহাসচিবের বিভ্রান্তিকর এবং দুরভিসন্ধিমূলক বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের ডাকে জনগণ কখনোই সাড়া দেয়নি, তারপরও বিএনপি নেতারা দিবাস্বপ্নের ঘোরে আচ্ছন্ন হয়ে আছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের তার বিবৃতিতে বলেন, তারা জনকল্যাণকর রাজনীতির পথ পরিহার করে সব সময় ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা করে আসছে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি কখনই জনগণকে ক্ষমতার উৎস মনে করে না। বরং তারা তাদের রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থে জনগণকে বিভ্রান্ত করার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

    বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার কায়েম করা হয়েছে,- মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বিবৃতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের তার বিবৃতিতে বলেন এদেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ও রাজনীতির প্রতিভূই হচ্ছে বিএনপি। হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধ ও অসাংবিধানিক রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলকারী স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এদেশে ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু হয়। জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তার উত্তরসূরি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান প্রত্যক্ষ মদদে একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালায়।

    বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিচারহীনতার অপসংস্কৃতির চৌহদ্দি ডিঙিয়ে বিচারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত করেছে। একই সঙ্গে স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় বহুমাত্রিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হয়েছে।

  • যুবসমাজ ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণের প্রধান কারিগর: প্রধানমন্ত্রী

    যুবসমাজ ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণের প্রধান কারিগর: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন আজকের যুব সমাজই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র মুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ ও আত্মমর্যাদাশীল ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রধান কারিগর।

    শুক্রবার বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুবসমাজের আইকন ছিলেন। দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমেই আমাদের যুব সমাজের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, যুবরাই জাতির প্রাণশক্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। বঙ্গবন্ধু এটা অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। বঙ্গন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমরা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে যুবসমাজকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছি।

    ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পরেও বর্তমান সময় পর্যন্ত যুবসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন কারিগরি, বৃত্তিমূলক এবং কৃষিভিত্তিক বহুমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার জন্য, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

    এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পর্কীয় সকল কার্যক্রমের সমন্বয়সাধন, দক্ষতার পারস্পারিক স্বীকৃতি, অভিন্ন প্রশিক্ষণ কারিকুলাম প্রণয়ন ও সনদায়ন এবং পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সরকার সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সাথে কাজ করছে।

    বাণীতে ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • সাবেক বিচারপতি ও ভাষাসৈনিক কাজী এবাদুল হক মারা গেছেন

    সাবেক বিচারপতি ও ভাষাসৈনিক কাজী এবাদুল হক মারা গেছেন

    সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষাসৈনিক কাজী এবাদুল হক মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহির রাজিউন)।

    বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দিনগত রাত ১২টার পর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

    সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ব্যারিস্টার মুহাম্মদ সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের জানাজা আজ জুমার নামাজের পর ২টা ৩০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

    বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। তার স্ত্রী অধ্যাপক শরিফা খাতুনও ২০১৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তার মেয়ে বিচারপতি কাজী জিনাত হক হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি।

    ১৯৩৬ সালে ফেনীতে জন্ম নেওয়া বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ১৯৫২ সালে ফেনীতে ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে তিনি ফেনী ভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন।

    অধ্যাপক শরিফা খাতুনও ভাষা আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা রাখেন। বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বাংলা ভাষার পক্ষে প্রচারণা চালান। স্কুলের ছাত্রীদের সংগঠিত করেন।

  • দেশে বন্যাজনিত রোগে আক্রান্ত ১৮৩৬৯, মৃত্যু ১১৮

    দেশে বন্যাজনিত রোগে আক্রান্ত ১৮৩৬৯, মৃত্যু ১১৮

    সারাদেশে বন্যায় পানিবাহিতসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৩৬৯ জন এবং ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে দেশের বন্যা পরিস্থিতি বিষয়ক বিবৃতি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ মে থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে বন্যাজনিত বিভিন্ন রোগে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৩৬৯ জন এবং ১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এর মধ্যে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৩০৯ জন এবং একজন মারা গেছেন। আর.টি.আই (চোখের) রোগে আক্রান্ত ৮৪৯ জন। বজ্রপাতের শিকার হয়েছেন ১৫ জন এবং ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন ২১ জন এবং দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও পানিতে ডুবে ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    একই সময়ে চর্ম রোগে আক্রান্ত এক হাজার ৯৮০ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে ৩১৮ এবং নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন ৪৬৫ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৮৮১ জন এবং তাদের মধ্যে নয় জন মারা গেছেন।

    জেলা ভিত্তিক মারা যাওয়া তালিকায় রয়েছে টাঙ্গাইলে একজন, ময়মনসিংহে ছয় জন, নেত্রকোনায় ১৯ জন, জামালপুর নয় জন, শেরপুরে সাত জন, লালমনিরহাট সাত জন, কুড়িগ্রামে পাঁচ জন, সিলেট জেলায় ১৮ জন, সুনামগঞ্জে ২৯ জন, মৌলভীবাজারে সাত জন এবং হবিগঞ্জে ১০ জন রয়েছেন।

  • করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

    করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯ হাজার ২১৭ জন।

    একই সময়ের মধ্যে ১ হাজার ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৯২ হাজার ৫৮ জন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৫৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ১৭ হাজার ৪১৯ জন।

    এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৭ হাজার ৫২৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৭ হাজার ৪৪৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।