Category: জাতীয়

  • আ’লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা রোববার

    আ’লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা রোববার

    স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। রোববার (২৬ জুন) বিকেল ৩টায় গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার (২৫ জুন) দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বৈঠকে সব সদস্যদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিধি মেনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

  • মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি

    মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি

    মাদকের অপব্যবহার রোধে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।শনিবার (২৫ জুন) ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২২’ (২৬ জুন) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বেই কম-বেশি মাদকের অপব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। কোনো দেশে মাদকাসক্তদের সংখ্যা ও মাদকের অপব্যবহার বেড়ে গেলে, সে দেশের নিরাপত্তা, সুশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। মাদকের অপব্যবহার ও পাচাররোধে সম্মিলিত উদ্যোগ খুবই জরুরি।চতুর্থ শিল্প বিপ্লব নিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশ্বিকীকরণের প্রভাব ও তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় উৎকর্ষ তথা ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। অন্যদিকে, প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে আন্তর্জাতিক মাদক চোরাকারবারীরা এর উৎপাদন, বিপণন ও পাচারে তথ্যপ্রযুক্তিকে অন্যায়ভাবে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে মাদকসহ অনেক জীবননাশকারী দ্রব্য সহজেই মাদকসেবীদের হাতের নাগালে চলে আসছে।‘বর্তমানে যুবসমাজ গতানুগতিক ড্রাগসের পরিবর্তে সিনথেটিক ড্রাগসের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা শরীরের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইন প্রয়োগকারী সব সংস্থাকে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’আবদুল হামিদ আশা করেন নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দেশে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধের পাশাপাশি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে দেশের যুবসমাজ।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করছে।‘মাদকাসক্তদের যথাযথভাবে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ন্যাশনাল গাইডলাইন ফর ম্যানেজমেন্ট অব সাবস্ট্যান্স ইউজ ডিজওর্ডার্স, বাংলাদেশ প্রণয়ন করা হচ্ছে।’শক্ত পারিবারিক বন্ধন সন্তানকে মাদক ও জঙ্গিবাদের কুপ্রভাব থেকে দূরে রাখে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের যুবসমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে সমাজের সব স্তরে মাদকের কুফল সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন।‘শক্ত পারিবারিক বন্ধন সন্তানকে মাদক ও জঙ্গিবাদের কুপ্রভাব থেকে দূরে রাখে, তাকে সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।’এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন তিনি।

  • মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদক নির্মূল করার জন্য আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাদকের চাহিদা শিগগিরই অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন তিনি।রোববার (২৬ জুন) ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে মাদকাসক্তদের সুচিকিৎসার প্রয়োজন। এজন্য আমাদের সরকার বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরই মধ্যে মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত বেসরকারি ও পরামর্শ কেন্দ্রগুলোকে সরকারি অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি তাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা বাড়াতে বিদ্যমান সরকারি কেন্দ্রগুলোতে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ঢাকার কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করাসহ ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগে দুইশ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচাররোধে আমাদের সরকার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা সরকার গঠনের পর মাদক নিয়ন্ত্রণে নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করি। মাদক অপরাধ দমনে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ ঘোষণা অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ দেশের সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এরই মধ্যে অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন সৈয়দ আবুল হোসেন

    প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করলেন সৈয়দ আবুল হোসেন

    বহু অভিযোগ-অনুযোগ সয়েছেন তিনি। অবশেষে সব দায় কাঁধে নিয়ে সরে গিয়েছিলেন। ধরেছিলেন ধৈর্য। আশায় বুক বেঁধেছিলেন, নিশ্চয়ই সময় আসবে। যে অপবাদ তাকে দেওয়া হয়েছিল, সেটাও ভুল প্রমাণ হবে। যে অপবাদের জেরে বন্ধ হয়েছিল পদ্মা সেতু প্রকল্প, সেই কাজটাও সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

    তবে অপবাদটা আগেই আদালতে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে পদ্মা সেতুর নির্মাণও। কাজ শেষে শনিবার (২৫ জুন) মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয়েছে। সব অপবাদ ঘুচে যাওয়ায় আর পদ্মা সেতুর নির্মাণ শেষ হওয়ায় এখন সৈয়দ আবুল হোসেনই যেন পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভার মানুষ।

    এ নির্ভার মানুষটিকেই দেখা গেলো পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে বক্তব্য শেষে পদ্মা সেতুর ম্যুরাল ও উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনস্থলে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ডেকে নেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে। এসময় সৈয়দ আবুল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর পাশে এসে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়ান। এর পরেই দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করছেন তিনি। এসময় আবুল হোসেনের গায়ে স্নেহের হাত বুলিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোনাজাত থেকে ম্যুরাল ও ফলক উন্মোচন পর্যন্ত আবুল হোসেনকে প্রধানমন্ত্রীর পাশেই দেখা যায়। সবসময় তিনি ছিলেন হাস্যেজ্জ্বল। আবুল হোসেন ছাড়াও সেখানে সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

    পাঁ ছুয়ে সালাম করার এ মুহূর্ত অল্পসময়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। অবশ্য বিভিন্নজন এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করছেন। তবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বীরের মতো এ রকম ফিরে আসা গর্বের বলে মনে করছেন অনেকেই।

    এরআগে সুধী সমাবেশে বক্তৃতার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার পর্যায়ে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়। সেই অপবাদ সহ্য করেছেন আমার পরিবারের সদস্য ছোট বোন শেখ রেহানা, তার পুত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, আমার দুই সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, আমার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, সাবেক যোগাযোগ সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াসহ কয়েকজন সহকর্মী। তারা চরম মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছিলেন। আমি তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’

    পদ্মা সেতুর নির্মাণের পরিকল্পনার পর্যায়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রকল্প থেকে সরে যায় বিশ্বব্যাংক। এরপর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে।

  • বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ: বাইডেন

    বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ: বাইডেন

    বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    শুক্রবার (২৪ জুন) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলামের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অভিমত ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত।

    বাইডেন বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছেন তিনি।

    বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র এ বছর একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে।

  • রোববার ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে চলবে গাড়ি

    রোববার ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে চলবে গাড়ি

    আর কয়েক ঘণ্টা পরই স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ গাড়ি চলাচল শুরু হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে, রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে নির্ধারিত টোল দিয়ে সেতু পার হতে পারবে যানবাহনগুলো। এ সেতুর মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চল থেকে খুব সহজেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত করা যাবে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পদ্মা সেতুতে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। এ সেতুর ওপর যে কোনো ধরনের যানবাহন দাঁড়ানো ও যানবাহন থেকে নেমে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তোলা বা হাঁটা সম্পূর্ণ নিষেধ।

    এছাড়া তিন চাকার যানবাহন (রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, অটোরিকশা ইত্যাদি), পায়ে হেঁটে, সাইকেল বা নন-মটোরাইজড গাড়িযোগে সেতু পারাপার হওয়া যাবে না। গাড়ির বডির চেয়ে বেশি চওড়া এবং ৫ দশমিক ৭ মিটার উচ্চতার চেয়ে বেশি উচ্চতার মালামালসহ যানবাহন সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার করা যাবে না। সেতুর ওপরে কোনো ধরনের ময়লাও ফেলা যাবে না।

    সরকার নির্ধারিত টোল হার অনুযায়ী, পদ্মা সেতু পারাপারে মোটরসাইকেলে ১০০ টাকা, কার ও জিপে ৭৫০ টাকা, পিকআপে এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাসে এক হাজার ৩০০ টাকা টোল পরিশোধ করতে হবে।

    বাসের ক্ষেত্রে ছোট বাস (৩১ আসন) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা, বড় বাস (থ্রি-এক্সেল) প্রতি দুই হাজার ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

    এছাড়া ছোট ট্রাককে (পাঁচ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাকে (পাঁচ টনের বেশি ও সর্বোচ্চ আট টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৮ টনের বেশি ও সর্বোচ্চ ১১ টন) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাকে (থ্রি-এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (ফোর-এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা। আর ট্রেইলার (ফোর-এক্সেলের অধিক) ছয় হাজারের সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য এক হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে।

    শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে নির্ধারিত টোল দেন। ১১টা ৫৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে সেতু দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জাজিরার অভিমুখে রওনা করে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বাংলাবাজার ঘাটের জনসভাস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।

    ২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।

    পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ দশমিক ১০ মিটার। পদ্মা সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি।

    বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। এক শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার স্বপ্নের কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড।

  • ৯০ মিনিটের নদীপথ পার ৬ মিনিটে

    ৯০ মিনিটের নদীপথ পার ৬ মিনিটে

    প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উদ্বোধন হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এতে পদ্মা পাড়ি দেওয়ার ভোগান্তি নিরসনের পাশাপাশি বাঁচবে সময়। লঞ্চ-ফেরিতে আগে যেখানে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো, এখন সহজেই ৬-৭ মিনিটে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে চলে যাওয়া যাবে নদীর এপার থেকে ওপার। বহুল প্রতীক্ষিত সেতু উদ্বোধনে তাই দক্ষিণবঙ্গবাসীর উচ্ছ্বাস সবচেয়ে বেশি।

    এতদিন শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে লঞ্চ, স্পিডবোট আর ফেরিতে করে নদী পারাপার হলেও এখন সেতু হয়ে দক্ষিণবঙ্গ থেকে ঢাকা আর ঢাকা থেকে দক্ষিণবঙ্গ যাতায়াত করা যাবে।

    ঘাট সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ নৌরুটে লঞ্চে পারাপারে ৫০ মিনিট থেকে একঘণ্টা সময় নেয়। ফেরিতে যানবাহন পারাপারে সময় লাগে দেড়ঘণ্টার কিছুটা বেশি। নদীর স্রোতের ওপর নির্ভর করে সময় কমবেশি হয়।

  • পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে দেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে: শিক্ষামন্ত্রী

    পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে দেশ নতুন যুগে প্রবেশ করেছে: শিক্ষামন্ত্রী

    স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবে। তাই উদ্বোধনের এই দিনে চাঁদপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে শহরের হাসান আলী স্কুল মাঠ থেকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির নেতৃত্বে বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। পরে এটি চাঁদপুর স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়।

    জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই শোভাযাত্রায় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, পিবিআই পুলিশ সুপার নূর রেজওয়ানা পারভীন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাসিরউদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলাল, জেলা পরিষদ প্রশাসক ওচমান গনি পাটোয়ারী, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ অংশ নেন।

    এসময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশ আজ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। কারণ, তার হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। এই জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    এদিকে, বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে চাঁদপুরে স্টেডিয়ামে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জড়ো হন। সেখানে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

  • মঙ্গলবার থেকে টানা ১৯ দিনের ছুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

    মঙ্গলবার থেকে টানা ১৯ দিনের ছুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

    ঈদুল আজহা, আষাঢ়ী পূর্ণিমা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে আগামী মঙ্গলবার থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট ১৯ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি পাঠদান বন্ধ থাকবে। গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ছুটি তালিকায় গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মে নির্ধারিত ছিল। শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ছুটি প্রদানের সুবিধার্থে আগে নির্ধারিত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৬-২৩ মের পরিবর্তে ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই সমন্বয়পূর্বক নির্ধারণ করা হলো।

    এতে বলা হয়, এমতাবস্থায় আগামী ২৮ জুন থেকে ৫ জুলাই গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ৬ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ঈদুল আজহা এবং আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে বিদ্যালয়ে সরাসরি পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

  • রোববার থেকে কলেরা টিকা দেওয়া শুরু

    রোববার থেকে কলেরা টিকা দেওয়া শুরু

    ডায়রিয়া ও কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে কলেরা টিকাদান কর্মসূচি। আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে প্রথম ডোজের এই টিকা কর্মসূচি। মুখে খাওয়ার এই টিকা গর্ভবতী নারী ছাড়া ১ বছর বয়স হতে সব বয়সের মানুষকে দেওয়া হবে। আর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পাঁচটি স্থানে চলবে টিকাদান কর্মসূচি।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

    সিডিসি জানিয়েছে, কাল থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ১ম ডোজের টিকা কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামীকাল ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) সম্মেলন কক্ষে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    সিডিসি আরও জানিয়েছে, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা শহরের ৫টি স্থানে (যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখান) প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকা প্রদান করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকা প্রদান এবং টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এছাড়াও টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিডিডিআরবি দায়িত্ব পালন করছে।