Category: জাতীয়

  • জুলাইয়ে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা

    জুলাইয়ে হতে পারে এসএসসি পরীক্ষা

    বন্যার কারণে স্থগিত থাকা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হতে পারে। ঈদুল আজহার পরপরই নতুন করে এসএসসি-সমমানের পরীক্ষার রুটিন প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড।

    বুধবার (২২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, বন্যার কারণে পিছিয়ে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার আয়োজন কবে থেকে করা যায় সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। এ বিষয়ে আজ (২২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে শিক্ষা সচিব কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সে মোতাবেক আমরা প্রস্তুতি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    কবে থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে জানতে চাইলে অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, আমরা বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পানি কমে গেলেই পরীক্ষা শুরু হবে। ঈদের ছুটির পরপরই নতুন করে রুটিন প্রকাশ করা হবে। জুলাই থেকে এ পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের পর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের আহ্বায়কের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাকে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    তবে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের আগেই বন্যার পানি নেমে যাবে। আগামী ১৭ জুলাই ঈদের ছুটি শেষ হবে। এর এক বা দুদিন পর এসএসসি-সমমানের পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হবে। রুটিন প্রকাশের সাতদিন পর পরীক্ষা শুরু হবে।

    জানা গেছে, চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর বাইরে দাখিলে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

  • শুকরিয়া, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু করেছি’

    শুকরিয়া, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু করেছি’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব ষড়যন্ত্র-প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে লাখো শুকরিয়া। আমি বাংলাদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই- তারা আমার পাশে ছিলেন। তাদের সহযোগিতার জন্যই আজ পদ্মা সেতু মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

    বুধবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১১ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাইকা ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করা হয়। এরপর শুরু হয় ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের পেছনে কে বা কারা ছিল তা আমি বহুবার বলেছি। ক্ষুদ্র ব্যক্তিস্বার্থের জন্য দেশের মানুষের কেউ ক্ষতি করতে পারে এটা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল।

    ‘এই ষড়যন্ত্রকারীরা ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরের একটি গ্রুপ ছিল যারা অন্যায্যভাবে কিছু কিছু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল’- বলেন তিনি।

    সরকারপ্রধান বলেন, প্রাক-যোগ্য ঠিকাদার নির্বাচনের এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংক, কারিগরি কমিটিকে একটি প্রাক-যোগ্য ঠিকাদারকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্ত থাকার কারণে বাদ দিতে বলে এবং একটি প্রাক-যোগ্যতায় অযোগ্য ঠিকাদারকে যোগ্য করতে বলে। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে কারিগরি কমিটি প্রাক-যোগ্য কোয়ালিফায়েড দরদাতাকে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্তির কারণে বাদ দেয়। কিন্তু প্রাক-যোগ্যতা যাচাই-বাছাইয়ে অযোগ্য দরদাতাকে অভিজ্ঞতার জাল সার্টিফিকেট দেওয়ায় যোগ্য করতে অস্বীকৃতি জানায়।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাংক এ প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য করার লক্ষ্যে তার অনুকূলে পরোক্ষ চাপ দিতে থাকে। এরপরই তারা পদ্মা সেতুর কার্যক্রমে বাধা দিতে থাকে। এক পর্যায়ে বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেল চেয়ারম্যান লুইস মোরেনো ওকাম্পোকে ঢাকায় পাঠায়। ওকাম্পো ঢাকায় এসে সরকারবিরোধী বিভিন্ন ব্যক্তি-গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, তৎকালীন সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূইয়া এবং যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করার কথা বলেন।

    আমরা দুদককে তদন্ত করার নির্দেশ দিই। দুদক কোনো দুর্নীতি পায় না। পরে কানাডার আদালতেও প্রমাণ হয় পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি’- বলেন তিনি।

    ‘২০১২ সালের ৯ জুলাই মন্ত্রিপরিষদের এক বৈঠকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিই। আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পদ্মা সেতুর জন্য অর্থ না নেওয়ার কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর দেশের এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী ও অর্থনীতিবিদরা কীভাবে মনগড়া সমালোচনায় মেতে উঠেছিল, আপনারা দেখেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণকাজের গুণগত মানে কোনো আপস করা হয়নি। এ সেই নির্মিত হয়েছে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে। পুরো নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে। পদ্মা সেতুর পাইল বা মাটির গভীরে বসানো ভিত্তি এখন পর্যন্ত বিশ্বে গভীরতম। সর্বোচ্চ ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত এ সেতুর পাইল বসানো হয়েছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ বিবেচনায় ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। ভূমিহীনসহ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত সহায়তা, ভিটা উন্নয়ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য কর্মমুখী ও আয়বর্ধনমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষার জন্য পুনর্বাসিত এলাকাকে ‘পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছি।

    তিনি বলেন, বহুমুখী এ সেতুর উপরের ডেক দিয়ে যানবাহন এবং নিচের ডেক দিয়ে চলাচল করবে ট্রেন। সেতু চালু হওয়ার পর সড়ক ও রেলপথে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে। এতে এ অঞ্চলের মানুষের একদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে, অন্যদিকে অর্থনীতি হবে বেগবান। আশা করা হচ্ছে, এ সেতু জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ১ দশমিক দুই-তিন শতাংশ হারে অবদান রাখবে এবং প্রতি বছর দশমিক আট-চার শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসন হবে।

    তিনি আরও জানান, পদ্মা সেতু ঘিরে গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটে পার্ক। ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং দেশের শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে। এ সেতু এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে সংযোগের একটা বড় লিংক। তাই আঞ্চলিক বাণিজ্যে এ সেতুর ভূমিকা অপরিসীম। তাছাড়া পদ্মার দু’পাড়ে পর্যটন শিল্পেরও ব্যাপক প্রসার ঘটবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, হাজার হাজার মানুষের শ্রমে এই স্বপ্নের সেতু নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সিঙ্গাপুর, জাপান, ডেনমার্ক, ইতালি, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, নেপাল ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিশেষজ্ঞ এবং প্রকৌশলী এ সেতু নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

  • ট্রেনে কারও রেফারেন্সে বিশেষ সুবিধা নেওয়া যাবে না

    ট্রেনে কারও রেফারেন্সে বিশেষ সুবিধা নেওয়া যাবে না

    রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং আত্মীয়স্বজনের রেফারেন্সে (সুপারিশ) ট্রেনে কোনো প্রকার অবৈধ সুযােগ-সুবিধা দাবি করা যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রীর রেফারেন্সে ট্রেনে কোনো প্রকার অবৈধ সুযােগ-সুবিধা দেওয়া যাবে কি না, এমন কোনো তথ্য নির্দেশনায় নেই।

    রোববার (৮ মে) বিকেলে রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্ম-সচিব) মােহাম্মদ আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের অগােচরে তাদের রেফারেন্সে আত্মীয়, পরিবারের সদস্য, বন্ধু-বান্ধব পরিচয় উল্লেখ করে বিভিন্ন রেলস্টেশনে টিকিট দাবিসহ ট্রেনে উঠে বিশেষ সুবিধা দাবি করছেন। এছাড়া অনেকেই মন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের নিকট আত্মীয় পরিচয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকদের কাছে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ সুযােগ-সুবিধার জন্য মােবাইলে যােগযােগ করছেন। বিষয়টি মন্ত্রীকে অবহিত করা হলে তিনি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করার পাশাপাশি মােবাইল নাম্বারগুলাে আইন প্রয়ােগকারী সংস্থার নিকট প্রেরণ করে তাদের সঠিক পরিচয় জানার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

    ‘এছাড়া এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য এবং দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।’

    গত ৫ মে রাতে পাবনার ঈশ্বরদী রেল জংশন থেকে টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠেন ‘রেলমন্ত্রীর আত্মীয়’ পরিচয়দানকারী তিন যাত্রী। টিকিট না কাটলেও তারা রেলের এসি কেবিনের সিট দখল করেন। এতে রেলের ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) তাদের জরিমানা করেন। পরে ‘রেলমন্ত্রীর আত্মীয়’ পরিচয়দানকারী ওই তিন যাত্রী তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয় বলে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষর কাছে অভিযোগ করেন। এতে টিটিই শফিকুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার রাতেই সাময়িক বরখাস্ত করে রেল কর্তৃপক্ষ। সাময়িক বরখাস্তের আদেশ শুক্রবার (৬ মে) থেকে কার্যকর হয়েছে। পাশাপাশি কারণ দর্শানোরও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    এ ঘটনা তদন্তে শনিবার (৭ মে) সকালে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • সাদা চামড়া দেখলেই নালিশ করতে পছন্দ করেন অনেকে: প্রধানমন্ত্রী

    সাদা চামড়া দেখলেই নালিশ করতে পছন্দ করেন অনেকে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাদা চামড়া দেখলেই তাদের কাছে নালিশ করতে পছন্দ করেন কিছু শ্রমিক নেতা। কেন এই মানসিক দৈন্য? আমাদের সমস্যা আমরাই তো সমাধান করতে পারি।

    রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

    শ্রমিক নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সেসব শ্রমিক নেতাকে বলবো যে আপনারা বিদেশিদের কাছে গিয়ে কান্নাকাটি না করে আপনার যদি সমস্যা থাকে আমার কাছে আসবেন। আমি শুনবো। মালিকদের কাছ থেকে যদি কিছু আদায় করতে হয়, তাহলে আমি আদায় করে দেবো। আমিই পারবো। এটা আমি বলতে পারি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে শ্রমিকদের জন্য এত কাজ করেছি তারপরও আমরা দেখি আমাদের দেশের কিছু কিছু শ্রমিক নেতা আছেন তারা কোনো বিদেশি বা সাদা চামড়া দেখলেই তাদের কাছে নালিশ করতে খুব পছন্দ করেন। আমি জানি না এই মানসিক দৈন্যটা কেন বা এর সঙ্গে কি অন্য কোনো স্বার্থ জড়িত? কোনো দেনা-পাওনার ব্যবস্থা আছে? সেটা আমি জানি না।

    তিনি বলেন, তবে আমাদের দেশে কোনো সমস্যা হলে, অন্তত আওয়ামী লীগ সরকার যতক্ষণ ক্ষমতায় আছে, আমি যতক্ষণ ক্ষমতায় আছি, অন্তত এই নিশ্চয়তা দিতে পারি, যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারি আমরা নিজেরা। আমি এটা বিশ্বাস করি আমাদের দেশের মালিক-শ্রমিক তারা নিজেরা বসে আলোচনা করে সমস্যা হলে সমাধান করবেন। আমরা নিজের দেশের বিরুদ্ধে বা নিজের দেশের সম্পর্কে অন্যের কাছে কেন কাঁদতে যাব, বলতে যাব? আমরা তো এটা চাই না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আত্মমর্যাদা নিয়ে চলবে। আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আমাদের সব উন্নয়ন প্রকল্প, যেসব উন্নয়ন প্রকল্প একসময় বিদেশি অনুদানে বা বিদেশি সহযোগিতায় নির্ভরশীল ছিল, আজ আমাদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৯০ ভাগ আমরা নিজেদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে পদ্মা সেতু আমাদের নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ করেছি। যদি এটা করতে পারি তাহলে বাংলাদেশ কেন পারবে না? আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, কারও কাছে আমাদের হাত পেতে চলতে হয় না। দেশের সমস্যা, আমরা দেশেই সমাধান করতে পারবো।

    সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। সেই পরিকল্পনা আমি দিয়ে যাচ্ছি ২০৪১-এ বাংলাদেশ কেমন হবে। ২১০০ সালে বাংলাদেশ কেমন উন্নত হবে এই বদ্বীপ সেই পরিকল্পনা নিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করে আমরা তারই ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। পরে একের পর এক যারাই ক্ষমতায় আসুক তারা যদি এটা অনুসরণ করে এই বাংলাদেশকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ আমরা মোকাবিলা করেছি, পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমরা পারি করতে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন, কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। ২১ বছর অন্ধকারে ছিলাম। আবার ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত অন্ধকারে ছিলাম। কিন্তু ২০০৯ থেকে যে আলোর পথে যাত্রা শুরু হয়েছে এটা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের সব শ্রমিক, কৃষক, মেহনতি মানুষ তাদের কল্যাণ হোক সেই কামনা করি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শ্রমজীবী মানুষের সুরক্ষা এবং তাদের কল্যাণের জন্য যেসব আইন, নীতিমালা, বিধিমালা বা সুরক্ষা নীতিমালা সেগুলো কিন্তু আমরা সব করে যাচ্ছি। কারখানা সুরক্ষার জন্য আমরা কিন্তু শিল্প পুলিশও গঠন করে দিয়েছি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। সেভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনে করি সারা পৃথিবীতে ১০টা গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি আছে। তার মধ্যে ৭টা কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে। সেটা করার জন্য যা যা দরকার ছিল ট্যাক্স কমিয়ে দিয়ে, কোনোটা সম্পূর্ণ করমুক্ত শুল্কমুক্ত করে দিয়েই কিন্তু আমরা সব প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ আমরা মালিকদের জন্য করে দিয়েছিলাম। আমাদের শ্রমিকরা যেন সুন্দরভাবে নিরাপদভাবে কাজ করতে পারে, সে ব্যবস্থাটাও আমরা নিয়েছি।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় জনগণের জন্য কাজ করে, জনগণের জন্যই কাজ করবে। আমি মনে করি আমাদের দেশকে উন্নত করতে হলে এই শ্রমিক শ্রেণির অবদানটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শ্রমিক-মালিক উভয়েই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলবেন। সেটাই আমি চাই। শ্রমিক-মালিকের মধ্যে যদি সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক না থাকে তাহলে কখনো উন্নয়ন হয় না।

  • হজ ফ্লাইট শুরু ৩১ মে, বিমান ভাড়া ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা

    হজ ফ্লাইট শুরু ৩১ মে, বিমান ভাড়া ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা

    এবার হজ ফ্লাইট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছে আগামী ৩১ মে। হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

    বুধবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভা শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

  • ঈদের চেয়ে বেশি খুশি তারা

    ঈদের চেয়ে বেশি খুশি তারা

    সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভূমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দিচ্ছে সরকার। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এই ঘর পেয়ে ঈদের চেয়ে বেশি খুশি উপকারভোগীরা। তারা বলছেন, আমাদের ভাসমান জীবনে এটি বড় আশ্রয়। মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

    প্রধানমন্ত্রী তার এই ঈদ উপহার মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হস্তান্তর করবেন। ৪৯২টি উপজেলা ভিডিও কনফারেন্সে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হবে। চারটি উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কথা বলবেন। সেগুলো হলো-ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদরের খাজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদরের খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প।

    এরই মধ্যে এই চার স্পটে ঢাকা থেকে গণমাধ্যমের চারটি দল একদিন আগেই পরিদর্শনে গেছে। পরিদর্শক গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন, এ নিয়ে মানুষের মাঝে বেশ উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সবাই এ কর্মসূচিকে সাদরে গ্রহণ করেছেন। সবাই বলছেন, এটি অভাবনীয় উদ্যোগ। উপকারভোগীদের মধ্যে ঈদের চেয়ে বেশি খুশি দেখা গেছে। তারা বলছেন, এমন জমি কেনা ও ঘর তৈরি করা তাদের পক্ষে কখনই সম্ভব ছিল না। স্বপ্নেও তারা এটি ভাবেননি। তাই পরিচয়, নিরাপদ আশ্রয় ও মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ায় তারা বেজায় খুশি।

    বরগুনা সদরের খাজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে সাংবাদিক ফারজানা শোভা বলেন, আসলেই মানুষের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তারা স্বপ্নেও দেখেননি এটি। কখনো ভাবেননি এমন জমি ও সেমিপাকা ঘর পাবেন। একজন প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকের মুখে যে হাসি দেখলাম, ভাষায় বোঝানো যাবে না। খুশিতে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে গান লিখেছেন- ‘তুমি ছাড়া মা, আমাদের কেউ নেই’।

    তিনি বলেন, বরগুনা তো উপকূলীয় জেলা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা। এখানে ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভিকটিম আছে। তাদের জন্য এই আশ্রয়ণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বরগুনা সদরের খাজুরতলা গ্রামের আশ্রয়ণ প্রজেক্ট দেখেছি। সেখানে ২৬৯টি পরিবারকে ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। মূলত এখানে মোট ৫০১টি পরিবারের জন্য ঘর করা হবে।

    ফারজানা শোভা বলেন, সেখানে ১০ জন ভিক্ষুক, তৃতীয় লিঙ্গের ২২ জন, পাশে আবার হিন্দু-মুসলিম এক লাইনে, এভাবে নানা জাতের লোক আছে। তারাই আমাকে বলেছেন, এই যে নানা জাতপাতের লোক আমরা থাকি। কখনো ঝগড়া হয় না। একটা মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে।

    অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে উদাহরণ আমরা দেই, যে সম্প্রীতির কথা বলি, খাজুরতলা আশ্রয়ণ আসলেই সম্প্রীতির উদাহরণ।’ যোগ করেন শোভা।

    সাংবাদিক অমরেশ রায় বলেন, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বালিয়া আশ্রয়ণ প্রজেক্টে গিয়েছিলাম আমরা। সেখানে ১১০টি পরিবারকে জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪/৫ জন জেলে, বেশিরভাগ দিনমজুর, রিকশাচালক-কারোরই ঘর ছিল না। ভাড়া থাকতেন বা আত্মীয়ের বাড়ি থাকতেন। মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থাকতেন, এমনও পেয়েছি। তাদের মাঝে আনন্দ ও উৎসব দেখেছি। তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একজন তো বলেই ফেললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হলেন আমাদের আঁধার রাতের পরশপাথর’।

    চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে সাংবাদিক রবিউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, চট্টগ্রামের এই অঞ্চল ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকা। এখানে আশ্রয়ণের গুরুত্ব অনেক। ৯১ এর সাইক্লোনে এখানকার এক কোটি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন। নানা দুর্যোগে তারা গৃহসহ সহায়-সম্বল হারান। এই মানুষগুলো যখন আশ্রয় পান, তখন মূলত তারা জীবনের নিরাপত্তা পান, মাথা গোঁজার ঠাঁই পান।

    তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প দেখেছি। সেখানে ১২০টি পরিবারকে আশ্রয় দেওয়া হবে। এরই মধ্যে ৩২টি পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। আজ হস্তান্তর হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলায় তৃতীয় ধাপে প্রায় ১ হাজার ৪০০ পরিবার পাচ্ছে আশ্রয়। এর আগে দুই হাজার পরিবারকে দেওয়া হয়েছে এই উপহার।

    সাংবাদিক রবিউল বলেন, মানুষের মুখে মুখে এই উদ্যোগের সুনাম শুনেছি। সবাই বলছেন, এটি ভালো উদ্যোগ। উপকারভোগীরা তো ঈদের চেয়ে বেশি খুশি। এখানে জমির শতক ১৫-১৬ লাখ টাকা। সেক্ষেত্রে দুই শতকের দাম ৩২ লাখ টাকা। তারওপর পাকা ঘর। এটা তো এদের স্বপ্নেও ছিল না। তারা ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করছেন। এক বৃদ্ধা তো খুশিতে কেঁদে দিয়েছেন। এই বৃদ্ধা বলেন, ‘আমার বাকি জীবনটা নিশ্চিত ও নিরাপদ হয়ে গেলো। তার (প্রধানমন্ত্রী) জীবনটাও নিরাপদ হোক’।

    সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ ঘুরে সাংবাদিক স্বপ্নীল শাহরিয়ার শিশির বলেন, যে মানুষগুলোকে নিয়ে কেউ ভাবে না, তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ভেবেছেন, তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিলেন, এটা অভাবনীয়। এটা কিন্তু শুধু জমি বা ঘর দেওয়া নয়, তাদের কর্মসংস্থানসহ এগিয়ে নেওয়ারও পক্রিয়া। আমরা যেটা দেখেছি, তাতে সেখানে উপকারভোগীদের নিয়ে সমবায় সমিতিও করা হয়েছে। তাদের নানা কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ঈদের আগে জমিসহ সেমিপাকা এই ঘর পেয়ে মানুষের মাঝে ঈদের চেয়ে বেশি খুশি দেখেছি। নদীর ভাঙনে ঘরবাড়ি হারা মানুষগুলোর যে উপার্জন, তাতে তাদের জীবনধারণই কঠিন, বাড়ি করা তো আরও দুরূহ। তাদের জন্য এই ঘরবাড়ি স্বপ্নের চেয়েও বেশিকিছু। অনেকে তো নিজের গল্প বলতে গিয়ে কেঁদেও দিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান জানিয়েছেন, ঈদের আগ মুহূর্তে পবিত্র ঈদুল ফিতরের উপহার হিসেবে দেশের ৪৯২টি উপজেলায় একযোগে ৩২ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে ভূমিসহ সেমিপাকা ঘর। তৃতীয় ধাপে মোট ৬৫ হাজার ৬৭৪টি ঘর দেওয়া হবে। এর আগে দুই ধাপে এক লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি পরিবারকে দেওয়া হয়েছে এই ঘর।

  • দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো রাজনীতিকের জীবনে বড় পাওয়া

    দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো রাজনীতিকের জীবনে বড় পাওয়া

    দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানো একজন রাজনীতিবিদের জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এজন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের দুঃখী মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ভিডিও কনফারেন্সে একযোগে দেশের ৪৯২টি উপজেলায় ছিন্নমূল মানুষকে ভূমি ও গৃহদান অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতেই কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বার বার মনে পড়ছে আমার বাবার কথা। তিনি শুধু ভাবতেন, কীভাবে দেশের মানুষ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান পাবে। কীভাবে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হবে। জাতির পিতার পথ ধরে আমরা মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছি। এটা দেখে নিশ্চয়ই জাতির পিতার আত্মা শান্তি পাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সবসময় বলতেন, ‘আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে, এই হচ্ছে আমার স্বপ্ন।’ জাতির পিতা স্বাধীনতার পর দেশের ভূমিহীন-গৃহহীন, ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে দেশের প্রতিটি নাগরিকের বাসস্থান পাওয়ার অধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমিও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি। কুষ্ঠুরোগী, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, চা শ্রমিক, ছিন্নমূলসহ সমাজের প্রতিটি অবহেলিত ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বসস্থানের ব্যবস্থা করছি। এটা জাতির পিতার আদর্শের আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীরও দায়িত্ব।

    শেখ হাসিনা বলেন, সারাদেশে ৮ লাখের ওপর মানুষ পেয়েছি, যারা ছিন্নমূল। আমরা প্রতিটি মানুষকে ঘরবাড়ি করে দেবো। শুধু খাস জমি নয়, জমি কিনেও ঘর করে দিচ্ছি বিনামূল্যে। জানি না পৃথিবীর কেউ এই উদ্যোগ নিয়েছে কি না। আমি জাতির পিতার আদর্শের কর্মী, শুধু তার কন্যা নয়। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য ঘরবাড়ি নিশ্চিত করবো।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে ভালো লাগে ঘর পাওয়া মানুষের মুখের হাসি। জাতির পিতা তো দুঃখী মানুষের মুখেই হাসি ফোটাতে চেয়েছেন। এই বাংলাদেশ যেন বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করছি। ‍উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। যে জাতি রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করে, সে জাতি পিছিয়ে থাকতে পারে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিব যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তুলছিলেন, তার চলার পথ বাধাগ্রস্ত করতে অনেক চেষ্টা হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে তাকে তো সপরিবারে হত্যাই করলো। আমরা কিন্তু খুনি দুষ্কৃতকারীদের মুখে ছাই দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছি। আমি জানি, দুঃখী মানুষের মুখের এই হাসি দেখে আমার বাবার আত্ম শান্তি পাবে। আপনারা দোয়া করবেন, এই দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াবেন, তাদের মুখে হাসি ফোটাবেন। এটাই একজন রাজনীতিকের জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া। টাকা-পয়সা কোনো কাজে আসবে না। করোনায় তো প্রমাণ পাইছেন। ধন, সম্পদ, অর্থ কিছু না। সম্পদের পেছনে ছুটে নিজেকে মানুষের কাছে অসম্মানিত করার অর্থ হয় না। বরং মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে সেটা বড় পাওয়া।

    তিনি বলেন, আমরা আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। বাংলাদেশের মতো দেশ, যেখানে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে, যেখানে অনেক বড় দেশ কল্পনাও করতে পারে না, আমরা কিন্তু করেছি। করোনার টিকা থেকে শুরু করে সবকিছু। করোনার টিকা কেনার টাকা হিসেব শুধু তার করলে হবে না। এটা দেওয়ার পক্রিয়ায় কত হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আমরা কিন্তু বিনা পয়সায় দিয়েছি। অনেক উন্নত দেশ এটা দিতে পারে নাই।

    তিনি আরও বলেন, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াবো। কারো কাছে ভিক্ষা চেয়ে নয়। আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্বে উন্নত সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে আমরা চলবো।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং সরকারের পদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    ৪৯২টি উপজেলায় একযোগে যুক্ত ছিল এই অনুষ্ঠানে। ভিডিও কনফারেন্সে চারটি উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। সেগুলো হলো- ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদরের খাজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদরের খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প।

    এদিন সারাদেশে ৩২ হাজার ৯০৪টি পরিবারকে একটি সেমিপাকা ঘরসহ দুই শতক জমির দলিল হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • দেশে শিক্ষার মান ভালো: শিক্ষামন্ত্রী

    দেশে শিক্ষার মান ভালো: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষায় বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের কিছু বিষয় আমরা বুঝিই না। বুঝি না এই অর্থে যে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক রকমের কতগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষার মান ততটা খারাপ নয়। দেশের শিক্ষার মান ভালো, তবে আরও অনেক ভালো করার সুযোগ রয়েছে।

    কথাগুলো বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক রকমের কতগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাদের দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন বিশ্বমানের গবেষণায় কাজ করছে। শিক্ষায় বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা যেমন দেখা হয় তেমনি কত পাবলিকেশন হয়েছে, বিদেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় আছে কি না তা দেখা হয়। পাশাপাশি এমন বেশ কিছু ফ্যাক্টর থাকে। এরকম বেশ কিছু বিষয়ে হয়তো আমরা আগে মনোযোগী ছিলাম না।’

    তিনি বলেন, ‘এখন র‌্যাংকিংয়ের বিষয়টি অনেক বেশি আলোচিত হচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন আরও বেশি মনোযোগী হচ্ছে। আমি আশা করি আগামী দিনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে অনেক ভালো করবে।’

    পরে চাঁদপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে ১২০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ধান বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তাফাজ্জল হোসেন পাটোয়ারী, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান জুয়েল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আসিফ মহিউদ্দীন প্রমুখ।

  • বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সংসদীয় চর্চা প্রশংসনীয়

    বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সংসদীয় চর্চা প্রশংসনীয়

    জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য ও গভরনমেন্টস ব্যাকবেঞ্চার্স ক্লাবের চেয়ারম্যান দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমান।

    বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ সুদীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

    এসময় স্পিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসনের বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, বর্তমান সংসদে ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। এছাড়াও ২৩ জন নারী সংসদ সদস্য সরাসরি নির্বাচিত হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

    স্পিকার বলেন, মালয়েশিয়াসহ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের জনশক্তি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছে। মালয়েশিয়ার পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস, ভ্রাতৃত্ববোধ ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে।

    সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার সংসদ সদস্য ও গভরনমেন্টস ব্যাকবেঞ্চার্স ক্লাবের চেয়ারম্যান দাতো স্রি তাজউদ্দিন আব্দুল রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সংসদীয় চর্চা প্রশংসনীয়।

    বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে অভিহিত করে আব্দুল রহমান বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উভয় দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

    এসময় অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম, মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের কাউন্সিলর আমির ফরিদ আবু হাসান ও সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • শিল্প নগরীতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৮ লাখের বেশি

    শিল্প নগরীতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৮ লাখের বেশি

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে শিল্প নগরীতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৪১ হাজার ২১৭ কোটি টাকা এবং কর্মসংস্থান হয়েছে আট লাখের অধিক লোকের।

    বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
    গণভবন থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, আমাদের সরকারের নীতি এবং কর্মসূচির ফলে বর্তমানে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান প্রায় ৩৫ শতাংশ। দেশব্যাপী পরিবেশবান্ধব শিল্পের প্রসার ঘটছে এবং নারীদের অংশগ্রহণ জোরদার হচ্ছে। এতে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির অনেক সূচকে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে। এরই মধ্যে আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হয়েছি।

    বাংলাদেশ ৭৬৬টি পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সাল থেকে সব নির্বাচনেই দেশের মানুষ আমাদের প্রতি আস্থা রেখেছে, সমর্থন দিয়ে আসছে, আমি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের এই সমর্থনের ফলে আজকের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত আছে। আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

    পরিবেশবান্ধব শিল্পকারখানা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন সরকার প্রধান। তিনি বলেন, প্রতিটি কারখানা গড়ে তোলার সময় পরিবেশকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

    শিল্পে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ঘোড়াশাল এবং পলাশে দুটি পুরোনো ইউরিয়া সার কারখানার স্থলে পরিবেশবান্ধব নতুন ‘ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা’ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করি। এ কারখানায় দৈনিক দুই হাজার ৮০০ মেট্রিক টন (বার্ষিক প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন) ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে। প্রকল্পটিতে জাপান ও চীন সরকার ঋণসহায়তা প্রদান করায় আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ১৯৫৭ সালে শেখ মুজিব ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (ইপসিক) প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে বিসিক নামে পরিচিত। বিসিককে শক্তিশালী করতে আজ আমরা তেজগাঁওয়ে বিসিকের বহুতল ভবন এবং মাদারীপুরে সম্প্রসারিত বিসিক শিল্প নগরী নির্মাণ উদ্বোধন করছি।