Category: অপরাধ

  • বাকেরগঞ্জে নারী ইউপি সদস্য পারভীনের ক্যাডার বাহিনীর হামলায় আহত-১

    বাকেরগঞ্জে নারী ইউপি সদস্য পারভীনের ক্যাডার বাহিনীর হামলায় আহত-১

    বাকেরগঞ্জে সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে গুরুতর আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত ঐ বৃদ্ধকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার ৪নং দুধল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কবিরাজ গ্রামের হাওলাদার বাড়ির মৃত হাতেম হাওলাদার’র বড় ছেলে নুর হোসেন হাওলাদার তার বাড়ির নির্মাণ কাজের জন্য নির্মাণ সামগ্রী পার্শ্ববর্তী ব্যবসায়ী জাকির সিকদারের কাছ থেকে ক্রয় করেন। এতেই ঘটে বিপত্তি। ইতিপূর্বে ৪নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য পারভিনের স্বামী ইট-বালু নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসায়ী মোঃ সেলিম গাজী নুর হোসেন হাওলাদারকে তার কাছ থেকে ক্রয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু নুর হোসেন হাওলাদার তার পরিচিত এক ব্যবসায়ীর কাজ থেকে নির্মাণ সামগ্রী ক্রয় করলে ক্ষিপ্ত হন সেলিম গাজী ও তার স্ত্রী পারভীন। এরই ধারবাহিকতায় গতকাল বৃদ্ধ নুর হোসেন হাওলাদার তার ক্রয়কৃত ইট-বালু তার জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা দিয়ে ভ্যানযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে পরিবহনের চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেম্বর ও তার স্বামী সেলিম গাজী বাধা প্রদান করেন। পাশপাশি রাস্তাটি তাদের একক মালিকানাধীন বলে দাবি করেন। অথচ চলাচলের রাস্তায় একাধিক অংশীদার রয়েছে বলে ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগে জানান। এদিকে নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনে বাধা দেয়ায় উভয়ের মধ্যে তর্ক বিতর্কের জেরে নারী ইউপি সদস্য পারভীন ও তার স্বামী সেলিম বৃদ্ধ নুর হোসেনের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে বৃদ্ধ নুর হোসেন শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হলে স্থানীয়সহ তার পরিবার তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে অবস্থা বেগতিক দেখে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষ পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী নুর হোসেনের পরিবার সরশী পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এছাড়াও মারধরের অভিযোগ এনে মেম্বর দম্পতিও বাকেরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। সরশী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ তারিক হাসান রাসেল জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি দেখভাল করছি। এলাকাবাসী জানান, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৪নং দুধল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার পারভিন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। সালিশের নামে চাঁদা আদায়, জমি দখল, দালালি, মাদকসেবিদের আশ্রয় প্রশ্রয়সহ নানা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে এলাকায় গড়ে তুলেছেন তার নিজস্ব বাহিনী। কেউ তার কথার অবাধ্য হলেই নেমে আসে নির্যাতন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৪নং ওয়ার্ড কবিরাজ গ্রামের হাওলাদার বাড়ির নুর হোসেন’র ওপর হামলা চালায় পারভিনের ক্যাডার বাহিনী। তবে অভিযুক্ত সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পারভীন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকান করে জানান, আমরা হামলা করিনি। উল্টো তারাই আমাদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। এতে আমি ও আমার স্বামী আহত হয়েছি।

  • অনিয়মের আখড়া বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি কার্যালয় অফিস টাইমে কর্মকর্তারা বাসায়: কর্মচারীরা ব্যস্ত টিকিট চুরিতে

    অনিয়মের আখড়া বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি কার্যালয় অফিস টাইমে কর্মকর্তারা বাসায়: কর্মচারীরা ব্যস্ত টিকিট চুরিতে

    নিজস্ব প্রতিবেদক ।। বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনিয়ম-অভিযোগের অন্ত নেই। উপরোক্ত সংশ্লিষ্ট মহলের সঠিক তদারকি না থাকায় এখানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আঞ্চলিক কার্যালয়কে অনিয়ম- দুর্নীতির আখরায় পরিনত করেছেন। আর বছরের পর বছর এভাবে চললেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছেনা কোন ব্যবস্থা। আর এই সুযোগে টিকিট বিক্রী করে টাকা আত্মসাৎ, অফিসের টাইমে বাসায় অবস্থান করা ও কোন প্রকার ছুটি না নিয়েই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এখন এখানকার নিত্যদিনের ঘটনা।

    অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি রকেট ঘাটে গিয়ে টিকিট বিক্রীর টাকা আত্মসাতের চিত্র দেখা গেছে। গত ২ জুন ২০২১ ইং তারিখে বরিশাল বিআইডব্লিউটিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রান্তিক সহকারী মুমিদুল ইসলাম সজল যাত্রীদের নিকট থেকে ১২০ টাকা করে নিয়ে ৬০ টাকা মূল্যের টিকিট হাতে দিচ্ছেন। আর যাত্রী সাধারণ সেই টিকিট নিয়েই তাদের গন্তব্যস্থলে যাচ্ছেন। আর এর ফলে সরকার মাসে হারাচ্ছে বিপুল অঙ্কের রাজস্ব।

    সূত্রে জানাগেছে, এ টিকিট চুরি বানিজ্যের সাথে বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তারাও জড়িত। তাদেরকেও মাসিক এই চুরির ভাগ দেয়া হয়। আর তাই দিনের পর দিন এই চুরির ঘটনা ঘটলেও উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেননা। এ বিষয় বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি আঞ্চলিক কার্যালয় সরেজমিনে গেলে সেখানে থাকে আরো চমক। অফিস টাইমে কোন প্রকার ছুটি না নিয়েই ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন ও সহ-ব্যবস্থাপক এমরান থাকেন তাদের বাসভবনে। দীর্ঘ ৫ দিন আঞ্চলিক কার্যালয়ে গেলে একই চিত্র দেখা যায়। বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত ব্যবস্থাপক-সহ ব্যবস্থাপক সরকারি কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই মাসের পর মাস এভাবেই অফিস ফাকি দিচ্ছেন। আর তাদের অগোচরে কর্মচারীরা টিকিট বিক্রী করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করছে। এ ব্যাপারে একাধিকবার কল করলেও ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন ও সহ ব্যবস্থাপক এমরান কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    জানাগেছে, ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিনের বদলির আদেশ আসলেও তিনি বরিশাল ত্যাগ করেননি। উল্টো বদলির আদেশ বাতিলের জন্য তদ্বির-লবিং শুরু করেছেন এবং এক প্রকার সফলও হয়েছেন।

    এদিকে প্রান্তিক সহকারী মুমিদুল ইসলাম সজলের বিরুদ্ধে জানাগেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মুমিদুল ইসলাম সজল শাস্তিমূলক বদলি হয়ে বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রান্তিক সহকারি হিসেবে যোগদান করেন মাত্র ৩ মাস পূর্বে। তিনি এর আগে পাটুরিয়া ঘাটে কর্মরত ছিলেন। সেখানে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি করতে করতে একপর্যায়ে দুদকের হাতে আটক হন। পরে তাকে শাস্তিমূলক বদলি করে বরিশালে পোস্টিং দেয়া হয়। কিন্তু টাকার লোভ কি আর সামলানো যায়? তাই বরিশাল এসেই শুরু করেন তার চুরি কারিশমা।

    এ বিষয় বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • স্টারলিং ডিজাইন্স লি. গার্মেন্টসে ফের ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের হুমকি

    স্টারলিং ডিজাইন্স লি. গার্মেন্টসে ফের ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের হুমকি

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের অতর্কিত হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়া গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বিশ্বাসপাড়া চন্দ্রায় অবস্থিত স্টারলিং ডিজাইন্স লি. গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আবারও ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের হুমকি দিচ্ছে বিপথগামী শ্রমিকরা। এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানায় একটি জিডি করেছেন ফ্যাক্টরির কর্তৃপক্ষ। জিডি সূত্রে জানা যায়, গেল ঈদ- উল ফিতরে অতিরিক্ত ছুটির দাবিতে মিরপুর ও আশুলিয়ায় আন্দোলন করে গার্মেন্টস শ্রমিকরা । তাদের দাবির প্রেক্ষিতে মালিক ও শ্রমিক মিলে সমন্বয় করে তিনদিনের বেশি ঈদের ছুটি দিতে পারবে জরুরি সভা করে এ কথা জানান শ্রমপ্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান। শ্রমপ্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্টারলিং ডিজাইন্স লি. কর্তৃপক্ষ ঈদের ছুটি তিনদিনের সঙ্গে মিলিয়ে আরো পাঁচদিন সমন্বয়ের মাধ্যমে আটদিন ছুটি ঘোষণা করেন। কিন্তু কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মচারী ১০ দিন ছুটির দাবিতে কাজে যোগদান না করে ফ্যাক্টরিতে ব্যাপক ভাঙচুর করে। অন্য শ্রমিকরা কাজে যোগদান করতে চাইলেও তারা বাধা প্রদান করে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি শান্ত করার বিবেচনা করে ১০ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতেও উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিকরা ১২ দিনের ছুটি দাবিতে ফ্যাক্টরির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফ্যাক্টরির বিভিন্ন জিনিসপত্র, চেয়ারটেবিল, জানালার গ্লাস, অফিসের গ্লাস, কম্পিউটার মেশিন, সিসি টিভি ক্যামেরা, মনিটরসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। ব্যাপক ভাঙচুরের মুখে ফ্যাক্টরি বাঁচানোর স্বার্থে ম্যানেজমেন্ট বাধ্য হয়ে ১২ দিনের ছুটি ঘোষণা করে। উক্ত ভিডিও ফুটেজ দেখে বিজেএমইএ, শ্রমিক ফেডারেশন, সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতনরা ফ্যাক্টরির শ্রমিকদের এধরনের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পরে ফ্যাক্টরির ম্যানেজমেন্ট উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিকদের ফ্যাক্টরি ভাঙচুরের ভিডিও ফুটেজ দেখে যাচাইবাছাই করে বেশি উচ্ছৃঙ্খল ৪৮ জন শ্রমিককে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করে। কিন্তু উচ্ছৃঙ্খল চাকরিচ্যুত শ্রমিকগণ আবারও ফ্যাক্টরিতে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালানোর পাঁয়তারা করছেন বলে জানান স্টারলিং ডিজাইন্স লি. কর্তৃপক্ষ।

  • কর্ণকাঠীতে আবারও সেই কিশোর গ্যাংদের তান্ডব

    কর্ণকাঠীতে আবারও সেই কিশোর গ্যাংদের তান্ডব

    কর্ণকাঠীতে আবারও সেই কিশোর গ্যাংদের তান্ডবের শিকার অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলার মুখ ২৪.কম এর স্টাফ রিপোর্টার হানিফ হাওলাদার রিয়াজ। রবিবার সন্ধায় মাদক সেবন করায় বাধা দেওয়ায় পারভেজ ওরফে (ডেন্ডি পারভেজ) ও শাকিল ওরফে ধর্ষক (শাকিল) ও সিয়াম এর নেতৃত্বে ১০/১৫ জন রিয়াজ এর উপর হামলা চালায়।হামলার সময় পকেট থেকে টাকা ছিনতাই ও মোবাইল ফোন ভাংচুর করে।

    এর আগেও এদের নামে কিশোর গ্যাং, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা ও সেবন সহ রয়েছে বহু অভিযোগ। ধর্ষণ মামলায় জেলও খেটেছে তারা কিছু দিন চুপ থাকলেও আবারও তাদের পরিচয় জাগিয়ে তুলতে বিভিন্ন মানুষের উপর হামলা চালায় তারা।

    কিছু দিন আগে ৭নং চরকাউয়া ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছালাম হাওলাদার এর উপর হামলা চালিয়েছে এই গ্রুপটি। এলাকার সম্মানিত লোকদের সালিসিতে জরিমানা করা হয় তাদের, ভুক্তভোগীরা ভয়ে তাদের সামনে মুখ খুলছেন না কেউ। কিভাবে একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছে তারা কে দেয় তাদের সেল্টার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এলাকার সাধারণ মানুষ এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়, তাদের উপর পুলিশের জোর নজরদারীর দাবী করে।

  • প্রেমিকাকে ধর্ষণ করল ৩ বন্ধু , ভিডিও ধারণ,

    প্রেমিকাকে ধর্ষণ করল ৩ বন্ধু , ভিডিও ধারণ,

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রেমিকার ধর্ষণের ভিডিও ধারণের মামলায় ধর্ষকসহ তিন বন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১ মে) দিবাগত রাতে ওই তিন বন্ধুকে পৃথক পৃথক স্থান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ধর্ষণের ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর চড়কপাড়ার আব্দুল মালেকের ছেলে মো. মুন্না (২৫), একই গ্রামের পাঠানপাড়ার শওকত আলীর ছেলে মো. আলাল (২৫) ও আমজাদের মোড়ের শহিদুল ইসলামের ছেলে তৌফিক ইসলাম তুহিন (২০)। এরা তিনজনই পরস্পরের বন্ধু।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুরের বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর চড়কপাড়ার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীর সঙ্গে গত ২০১৮ সালে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মো. মুন্নার। একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর পাঠানপাড়ার আলালের বাড়িতে প্রেমিকাকে ডেকে বিয়ের মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে প্রেমিক মুন্না। এসময় সে কৌশলে ওই ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে রাখে। এরপর ২০২০ সালের ২৪ জানুয়ারি একই গ্রামের আশিকুর রহমানের সঙ্গে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীর বিয়ে হয়। তাদের সুখের সংসার ভালই চলছিল। এ অবস্থায় গত ১০ এপ্রিল রাতে মুন্নার বন্ধু তুহিন ওই ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে জানায় মুন্নার সঙ্গে তার ধর্ষণের একটি ভিডিও ক্লিপ রয়েছে।
    এ কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গত ১৪ এপ্রিল ওই ছাত্রী শহরের প্লাজা মার্কেটে একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে তুহিনের সাথে দেখা করে। তুহিন একটি ফেসবুক আইডি থেকে ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপসটি দেখায় ওই ছাত্রীকে। এসময় সেটি ডিলিট করার জন্য অনুরোধ করলে তুহিন ২ লাখ টাকা অথবা দৈহিক মেলামেশা করার প্রস্তাব দেয় তাকে। এতে অসম্মতি জানিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যায় ওই ছাত্রী।

    গতকাল শনিবার (১ মে) আবারও তুহিন মোবাইল ফোনে ওই ছাত্রীকে টাকা অথবা দৈহিক মেলামেশার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে ভিডিও ক্লিপ ইন্টারনেট ও ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। এ ঘটনার পর বিকেলে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে সাবেক প্রেমিকসহ তিন বন্ধুকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার পর পরই শহরের পাঁচমাথা মোড় থেকে তৌফিক ইসলাম তুহিন, আমজাদের মোড় থেকে মো. আলাল এবং নিজ বাড়ি থেকে মো. মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়।

    এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত খান জানান, ভিকটিমকে আজ রবিবার সকালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে এবং গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটি নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনসহ পর্নোগ্রাফি আইনে রুজু হয়েছে।

  • শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল

    শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল

    শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল
    নওগাঁর রানীনগর উপজেলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও এক প্রাইভেট ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

    ফেসবুকে দেখা গেছে শনিবার থেকে বিভিন্ন আইডি ও লাইক পেজে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এ ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। দ্রুত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও স্কুলছাত্রীর অভিভাবকরা।

    জানা গেছে, ওই শিক্ষক ১০-১২ বছর আগে ওই বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর থেকেই তিনি ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়াতেন। চলিত বছরে তিনি সহকারী শিক্ষক লাইব্রেরিয়ান ও তথ্য বিজ্ঞান শিক্ষক হয়েছেন। এরই মাঝে ওই স্কুলের এক প্রাইভেটের ছাত্রীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে।

    এ বিষয়ে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে মর্মে গত বছর স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়। সেই সময় স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার হস্তক্ষেপে বিষয়টি ধামচাপা দেওয়া হয়। তারপর থেকেই বিষয়টি আর আলোর মুখ দেখেনি।

    এরপর হঠাৎ করে শনিবার ফেসবুকে ইংরেজিতে লেখা ‘ইসলাম ইসলাম’ নামে এক আইডি থেকে ৫ মিনিট ১০ সেকেন্ডের শিক্ষক-ছাত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হয়। পরে সেই আইডির ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট দেওয়া ছবি ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে ভাইরাল হয়।

    এছাড়া ফেসবুকের লাইক পেজ ‘তুমি নেই সারাদিন’সহ বিভিন্ন পেজ ও আইডি থেকে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি দেখে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এ ঘটনা জানাজানি হলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের অনেক অভিভাবক জানান, শিক্ষক যদি ছাত্রীর সঙ্গে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হন সেই বিদ্যালয়ে আমাদের মেয়েরা কীভাবে নিরাপদ। তাই দ্রুত ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

    এ ব্যাপারে রানীনগর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে বিধি মোতাবেক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রানীনগর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গোলাম হোসেন গোল্লা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে পরে জানাব।

    এ ব্যাপারে রানীনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এ ব্যাপারে রানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হবে।

  • হামলা চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিলো হেফাজত

    হামলা চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিলো হেফাজত

    সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে হামলা ভাংচুর চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়েছে তার অনুসারী এবং স্থানীয় হেফাজত নেতাকর্মীরা। শনিবার সন্ধ্যায় মামুনুলকে কক্ষের ভেতর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ সোনারাগাঁ থানার কর্মকর্তারা তখন সেখানেই ছিলেন। এর আগে শনিবার বিকেলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ওই রিসোর্টে একজন নারীসহ ঘেরাও করে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় কিছু লোকেরা।

    পুলিশ এমনটি জানালেও মামুনুল হকের অভিযোগ, ‘দ্বিতীয় স্ত্রীসহ অবকাশযাপনে গেলে কিছু লোক তাঁকে নাজেহাল করে। এপর সন্ধ্যা সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হেফাজতের একদল নেতা–কর্মী, মাদ্রাসাছাত্র মিছিল নিয়ে এসে রয়েল রিসোর্ট নামের ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রটিতে ভাঙচুর চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    এর আগে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তবিদুর রহমান বলেছিলেন, এখানে মামুনুল হক একজন নারীকে নিয়ে উঠেছেন, এই খবর পেয়ে এলাকার লোকজন ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু নেতা-কর্মী তাঁর কক্ষটি ঘিরে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশও আসে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এখানে রয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এসেছেন।

    মামুনুলকে ঘেরাওয়ের খবরে বিকেলে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ‘রয়েল রিসোর্ট’ নামে ওই অবকাশ যাপনকেন্দ্রটিতে যান। সেখানে মামুনুল সংবাদকর্মীদের বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে অবকাশ যাপনে তিনি ওই রিসোর্টে যান। সেখানে তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে।

    মামুনুল বলেন, ‘মাস্তান প্রকৃতির লোকেরা এসে আমাকে আমার ওয়াইফসহ নাজেহাল করেছে। আমাকে আক্রমণ করেছে।’

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শনিবার দুপুরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁয়ে যান। জাদুঘর ঘুরে দেখে তিনি বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ওই রিসোর্টে যান।

    মামুনুল বলেন, ‘আমার বক্তব্য পরিষ্কার, আমরা এখানে একটু রিফ্রেশমেন্টের জন্য এসেছিলাম। এখানে অনেক উচ্ছৃঙ্খল লোক এসেছে। আপনারা দেখেছেন। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

    স্থানীয় আলেমদের কাউকে জানিয়ে তিনি এখানে এসেছেন কি না, জানতে চাইলে মামুনুল বলেন, ‘না, আমি জানাইনি। যেখানে যাই মানুষজন ভিড় করে। এ জন্য আমি একটু আলাদা করে এসেছিলাম।’

  • নগরীর টোকাই মাস্তান,চোরা জলিল আটক

    নগরীর টোকাই মাস্তান,চোরা জলিল আটক

    বরিশাল শহরের চাদমারী ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল এর সামনে থেকে এম্বুলেন্স ছিনতাই,বিদুৎএর পাওয়ার স্টেশন কাজে চাদাবাজি ,তথ্য প্রযুক্তি ডিজিটাল আইনে সহ একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট এর ফেরারী আসামী চোরা জলিল কে বিএমপি পুলিশের চৌকস সাব ইন্সপেক্টর রিয়াজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশের টিম এর হাতে গ্রেপ্তার হয়,,স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনগন এর মাঝে স্বস্তির নিশ্বাস পাওয়ায়,সকল ব্যবসায়ীরা বিএমপি পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও কোতোয়ালী মডেল থানার ইন্সপেক্টর নুর ইসলাম এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায়,এই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী চোরা জলিল একসময় আন্তনগর ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য ছিলো।

    রাজাপুর এর সাতুরিয়ার কুখ্যাত সন্ত্রাসী মিজান ও মোর্শেদ এর ডান হাত হয়ে কাজ করতো,পরবর্তীতে মিজান ক্রসফায়ার এ নিহত হলে,,চোরা জলিল বরিশাল শহরের সাধুর বটতলা বিএনপির মুজিবর রহমান সরওয়ার এর ক্যাডার বাহিনীর অন্যতম পুলিশ কামালের সেল্টারে বরিশাল এ আত্মপ্রকাশ করে।এর পর একে একে নেতৃত্ব বদল করে, বিভিন্ন নেতাদের কিলিং মিশনের কন্টাক নিতো।

    চোরা জলিল এর সহযোগী ঢাকার মোহাম্মদপুর এর মোস্তফা গ্রুপের সদস্য কালা শহীদ এর মাধ্যমে এসব কিলিং মিশন এর কাজ সম্পাদন করতো।

    বাউফল কালাইয়া ইউনিয়নের মৃত মইনুদ্দিন আকন এর ২য় স্ত্রীর সন্তান,,এই চোরা জলিল এর সম্পর্কে নাম অপ্রকাশ করার শর্তে আরো অনেক অজানা তথ্য প্রকাশ করতে আগ্রহী স্থানীয় বস্তিবাসী ও জনগন।

    বর্তমানে ইয়াবার ব্যবসা করে,রাতারতি বেশ টাকার মালিক হয়েছে,আর নিজেকে অনলাইন সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেড়ায় এই স্কুল এর বারান্দার গন্ডি না পেরোনো এই সন্ত্রাসী।

  • নগরীতে সেই চোরা জলিলের নেতৃত্বে এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাই, মামলা

    নগরীতে সেই চোরা জলিলের নেতৃত্বে এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাই, মামলা

    বরিশাল নগরীতে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে দিবালোকে একটি এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বরিশাল ‘ল’ কলেজের সামনে ফিল্মিস্টাইলে এ ঘটনা ঘটে। যে ঘটনায় গতকাল ১০ মার্চ বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। আসামীরা হলো যথাক্রমে, বেতাগী থানার গাবতলীর বাসিন্দা মোঃ ইউনুস মিয়ার পূত্র স্বাধীন ওরফে সোহাগ(২৩), শেবাচিম হাসপাতালে পিছনের বাসিন্দা রাসেল ওরফে জামাই রাসেল(৩৫), নগরীর ব্যাপ্টিষ্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মৃত মইন উদ্দিন আকনের পূত্র আঃ জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল(৩৮), বামনা থানার কালিকাবাড়ী গ্রামের শামসুল হকের পূত্র কামাল (৪০), সাইফুল(৩২), রুবেল (২৩)সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। মামলাটি দায়ের করেন ছিনতাই হওয়া এ্যাম্বুলেনসটির চালক মোঃ মিঠু জম্মাদার (২৫)। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামীরা অত্যন্ত অসৎ, সন্ত্রাসী, দাঙ্গা হাঙ্গামাকারী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, দস্যুতাকারী, পরসম্পদলোভী ও পরবৃত্ত লোভী প্রকৃতির লোক। মামলার বাদী মোঃ মিঠু জম্মাদার একজন পেশাদার ড্রাইভার। তার ভাই আসাদ জম্মাদারের মালিকানাধীন এ্যাম্বুলেন্স মাইক্রোবাস টয়োটা জাপান, যার নম্বর ঢাকা মেট্রো চ-১৯-০০৫২ গাড়িতে গত ৪ মার্চ সকালে অজ্ঞাত ব্যাক্তির ০১৪০৮-৭৫২১৯৭ নম্বরের মুঠোফোন থেকে ড্রাইভার মোঃ মিঠু জম্মাদারের ব্যবহৃত ০১৭৮১-২০..৯৬ নম্বরে কল করে বরিশালে রোগী নিয়া যাবার কথা বলে নলছিটির কুমারখালী বাজারে যাইতে বলে। বাদী তাদের দেয়া ঠিকানায় দুপুর ১২টার দিকে পৌছালে অজ্ঞাতনামা ২জন ব্যাক্তি বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে যাইবে বলিয়া এ্যাম্বুলেন্সে ওঠে। মামলার বাদী তাদের নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের সামনে আসলে নগরীর ব্যাপ্টিষ্ট মিশন রোডের বাসিন্দা মৃত মইন উদ্দিন আকনের পূত্র আঃ জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল(৩৮), বামনা থানার কালিকাবাড়ী গ্রামের শামসুল হকের পূত্র কামাল (৪০) এ্যাম্বুলেন্সে উঠে বলে সদর হাসপাতালের সামনে যাইতে হবে। বাদী তাদের নিয়ে বরিশাল সদর হাসপাতালের সামনে গেলে সাইফুল ও রুবেল গাড়ীতে উঠে বরিশাল ‘ল’ কলেজের সামনে নিয়া যায়। সেখানে নিয়ে স্বাধীন ওরফে সোহাগ(২৩), রাসেল ওরফে জামাই রাসেল(৩৫) এর নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩জন ব্যাক্তি আকষ্মিকভাবে গাড়ীর সামনে এসে দাড়ায় এবং গাড়ীতে থাকা অন্যান্য আসামীদের সহযোগীতায় মামলার বাদী মোঃ মিঠু জমাদ্দারকে কিল, ঘুষি, চর-থাপ্পর মারতে থাকে। এসময় বাদী আসামীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে স্বাধীন ওরফে সোহাগ, রাসেল ওরফে জামাই রাসেল ও জলিল আকন ওরফে চোরা জলিল তাদের কোমরে থাকা ধারালো চাকু বের করে মিঠুর ঘাড়ে ও পেটে ঠেকিয়ে বলে যে, (প্রকাশের অযোগ্য) তোর জীবন এখানেই শেষ করে দেব। কোন চিৎকার চেচামেচি করবিনা। এসময় প্রানভয়ে মামলার বাদী এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার মোঃ মিঠু জমাদ্দার নিশ্চুপ হয়ে গেলে ২নং আসামী শেবাচিম হাসপাতালে পিছনের বাসিন্দা রাসেল ওরফে জামাই রাসেল মিঠুর হাত থেকে গাড়ীর চাবি ছিনিয়ে নিয়ে ড্রাইভিং সিটে বসে অন্যান্য সকল আসামীদের সাথে নিয়ে দ্রুত গাড়ী চালিয়ে সটকে পরে। পরোবর্তিতে মিঠুর ডাক চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।

  • প্র‌কৌশলী প‌রিচ‌য়ে প্রতারণা, এলজিইডির অফিস সহকারী আটক

    প্র‌কৌশলী প‌রিচ‌য়ে প্রতারণা, এলজিইডির অফিস সহকারী আটক

    এলজিইডির অফিস সহকারী হয়ে নিজেকে প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে ভবন মালিকদের কাজ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকালে আবদুস সবুর খান নামে এক প্রতারককে হাতেনাতে ধরেছে নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

    আটক আবদুস সবুর ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আনইলবুনিয়া এলাকার মৃত আবদুস সোবাহান খানের ছেলে ও বানারীপাড়া উপজেলা প্রকৌশল দপ্ত‌রের (এলজিইডি) অফিস সহকারী ব‌লে প্রাথ‌মিকভা‌বে জানা গে‌ছে।

    তিনি বরিশাল নগ‌রের বৈদ্যপাড়া এলাকার বসবাস করে আস‌ছেন।
    বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, আবদুস সবুর নগরের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ভবন মালিকদের নানাভাবে হয়রারি করে আসছিলেন। প্ল্যান পাস করিয়ে দেওয়া ও ক্রুটির কারণে আটকে থাকা প্ল্যান ছাড়িয়ে দেওয়ার নামে ভবন মালিকদের কাজ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

    সম্প্রতি নগরের ২৩নম্বর ওয়ার্ডের আ‌জি‌জিয়া হাউ‌জিংয়ে আঞ্জুমান আরা বেগম নামে এক ভবন মালিকের কাছে যান সবুর এবং নি‌জে‌কে সি‌টি কর‌পো‌রেশ‌নের ফ‌রিদ মাহামুদ না‌মে এক প্র‌কৌশলী হি‌সে‌বে প‌রিচয় দেন। এসময় প্ল্যান বহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণ করার অভিযোগ তুলে আঞ্জুমান আরা বেগমকে হয়রা‌নি শুরু ক‌রেন সবুর এবং প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেস্টা করেন।

    এতে ওই ভবন মালিকের সন্দেহ হলে বিসিসি কর্তৃপক্ষকে জানান।
    পরবর্তীতে বিসিসি কর্মকর্তারা তাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কৌশলে নগর ভবনে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সবুর তার সব অপকর্মের কথা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরসহ যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন।

    এ‌দি‌কে, বানারীপাড়া উপ‌জেলা প্র‌কৌশলী মো. হুমায়ুন ক‌বির জানান, সবুর বর্তমা‌নে নির্বাহী প্র‌কৌশলী