Category: অপরাধ

  • স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, স্বীকারোক্তি নেয়ার আবেদন

    স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, স্বীকারোক্তি নেয়ার আবেদন

    স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা : দিহানের স্বীকারোক্তি নেয়ার আবেদন
    রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একমাত্র অভিযুক্ত তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার জন্য আদালতে তোলা হয়েছে।

    শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে হাজির করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করা হয়। আদালত সূত্র জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    এর আগে, ওই স্কুলছাত্রীকে (১৭) ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তার ‘বন্ধু’ তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা আলামিন। এ ঘটনায় হাসপাতাল থেকে আটক দিহানের তিন বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

    কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, গত রাতে তানভীর ইফতেফার দিহানকে (১৮) আসামি করে ছাত্রীর বাবা ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়, এক কিশোরীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় এনেছেন এক তরুণ। কিশোরীর শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। খবর পেয়ে নিউমার্কেট অঞ্চল পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান ওই তরুণকে আটকে রাখার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।

    এরপর কলাবাগান থানার পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে ওই তরুণকে আটক করে। খবর পেয়ে ওই তরুণের তিন বন্ধু হাসপাতালে গেলে পুলিশ তাদেরকেও আটক করে। পরে চারজনকে কলাবাগান থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ পরে ওই ছাত্রীর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

    পুলিশের এসি আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক তরুণ দাবি করেছে, মেয়েটি তার পূর্বপরিচিত। বাসার সবাই ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে তাকে ডলফিন গলিতে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান তিনি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপরই মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তিনি তাকে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

    পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে মেয়েটির শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

  • শেবাচিমের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর উপদেষ্টা জালাল তালুকদার এর উপর হামলা।

    শেবাচিমের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর উপদেষ্টা জালাল তালুকদার এর উপর হামলা।

     

    বরিশাল শেরেই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অফিস সহায়ক, ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীর উপদেষ্টা মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার এর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার সার্জারী ওয়ার্ড এর ইন্টার্ন চিকিৎসক ডাঃ আশিক এ হামলা চালায়।

    সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকায় মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার ট্রলিতে করে এক মুমূর্ষু রুগীকে নিয়ে সার্জারী ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য লিফটে উঠে।এরপর ডাঃ আশিক এসে রুগীসহ ট্রলি লিফট থেকে নামাতে বলে। মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার লিফট থেকে নামাতে অস্বীকার জানালে ডাঃ আশিক মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদারকে এলোপাতাড়ি কিলঘুসি দিতে থাকে। এরপর লিফটম্যান সহ অন্যান্য কর্মচারীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পর মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার নিজের কর্মস্থল জরুরী বিভাগে যায়। তারপর ডাঃ আশিক জরুরি বিভাগে এসে আবার মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার এর উপর হামলা চালায়। এরপর মোঃ জালাল উদ্দিন তালুকদার গুরুতর আহত অবস্থায় সার্জারী ইউনিটে ভর্তি হলে সেখানে বসে আবারও হুমকি দেয় এবং বলে মামলা আমি ভয় পাই না, এর আগেও ১০/১২ টা মামলা দেখছি।

    এ ব্যাপারে ডাঃ আশিককে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি।

    শেরেই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ বাকির সাংবাদিকদের জানান, এ রকম অপ্রীতিকর ঘটনা খুবই লজ্জাজনক। সুষ্ঠ ভাবে তদন্ত করে যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে এবং সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দেন।

  • বরিশালে গ্রামীণ ফোনের ডিলার অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি

    বরিশালে গ্রামীণ ফোনের ডিলার অফিসে দুর্ধর্ষ চুরি

    গ্রামীণ ফোনের জেলার গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার ডিলার অফিসে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি সংঘঠিত হয়েছে। সংঘবদ্ধ চোরেরা নগদ সাত লাখ টাকা, বিপুল পরিমান রিচার্জ কার্ডসহ মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়েছে।

    খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন।

    তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গ্রামীণ ফোনের দুই উপজেলার ডিলার ও গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু ভূঁইয়া জানান, উত্তর বিজয়পুরস্থ অফিসের পেছন দিয়ে কৌশলে একাধিকস্থানের দরজা ও কলাপসিবল গেট ভেঙ্গে সংঘবদ্ধ চোরেরা অফিসের ভিতরে প্রবেশ করে।

    গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

  • দীপকে কীর্তনখোলা নদীতে ফেলে হত্যা করলো বন্ধুরাই

    দীপকে কীর্তনখোলা নদীতে ফেলে হত্যা করলো বন্ধুরাই

    বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে ট্রলারে চড়ে বন্ধুর জন্মদিন পালনের সময় নদীতে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়নি দীপ ঘোষের (১৬)। তাকে ট্রলার থেকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দ্বীপ ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবার দায়ের হওয়া অপমৃত্যু মামলা তদন্ত করতে গিয়ে ভিডিও ফুটেজ দেখে পুলিশ হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দ্বীপের বন্ধু রিয়াদ হোসেনকে (১৭) গত মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার রিয়াদ তার বন্ধু দ্বীপকে নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করে গত বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। রিয়াদ নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। অপমৃত্যু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রুম্মন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসআই রুম্মান জানান, গত ৩ নভেম্বর কীর্তনখোলা নদী থেকে দ্বীপের লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা মন্টু ঘোষ অপমৃত্যু মামলা করেন। মামলা তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনার সময় ট্রলারে জন্মদিন পালন উৎসবের মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ গত ২৪ নভেম্বর সংগ্রহ করা হয়। ফুটেজে দেখা যায়, রিয়াদ নামে এক তরুণ তার বন্ধু দ্বীপকে কোলে তুলে নদীতে ফেলে দিচ্ছে। রিয়াদ ও তার বন্ধুরা যখন বুঝতে পারে দ্বীপ সাঁতার জানে না, তখন তারা দ্বীপকে উদ্ধারে নদীতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু স্রোতের টানে দ্বীপ ভেসে যাওয়ায় তাকে উদ্ধার করতে পারেনি বন্ধুরা।

    উল্লেখ্য, গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যার পর ট্রলারে বন্ধুর জন্মদিন উৎসব পালনের সময় নগরী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় দ্বীপ। পরদিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার লাশ উদ্ধার করে। দ্বীপ নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার মন্টু ঘোষের ছেলে।

  • নগরীর ডাক্তারপাড়া খ্যাত বাটারগলিতে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং,বিপাকে এলাকাবাসী

    নগরীর ডাক্তারপাড়া খ্যাত বাটারগলিতে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং,বিপাকে এলাকাবাসী

    স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর ডাক্তারপাড়া খ্যাত বাটারগলিতে সড়কের দুপাশে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের কারনে বিপাকে পড়েছে ওখানকার বাসিন্দারা।বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে সন্ধানাগাধ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভীরে সগরম হয়ে উঠে শহরের ওই এলাকাটি।এতে সকলেই যাতায়াতের সুবির্ধাতে মোটরসাইকেল,কেউ তিনচাকার যানবাহন নিয়ে কেন্দ্রমুখী হচ্ছে বাটারগলিতে।

    একপর্যায়, রোগীর স্বজনরা তাদের যানবাহন নিয়ে পড়ে তোপেড় মুখে।এর প্রধান কারন হল,সড়কটির আয়তনের ক্ষেত্র বিবেচনা করলে,হাতে গোনা গুটি কয়েক গাড়ি রাখার সক্ষমতা রাখে।সেখানে প্রতিদিন অর্ধশত মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন ভারি যানবাহন রেখে সড়কটির হযবরল অবস্থা বানিয়ে ফেলে। যদিও অত্র এলাকাবাসী এর দায় দিচ্ছেন ডায়াগনস্টিক মালিকদের দিকে।

    জানা যায়,শহর জনপদের প্রানকেন্দ্র বাটারগলিতে পুর্বথেকেই গড়ে উঠেছে গুটি কয়েক ডায়াগনস্টিক সেন্টার।এখানে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান চিকিৎসকরা নিয়মিত চেম্বার করার প্রক্কালে স্বনামধন্য হয়ে উঠেছে অত্র ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলি। এর মধ্য কনিকা ডায়াগনস্টিক সেন্টার,গ্লোব ডায়াগনস্টিক সেন্টার,কে এশিয়া ল্যাব,ন্যাশনাল মেডিকাল সার্ভিস,লস্কর ভিলা(প্রাইভেট চেম্বার)সহ চিকিৎসকদের বিশেষ প্রাইভেট চেম্বার রয়েছে।

    যদিও সরেজমিন দেখা গিয়েছে,ন্যাশনাল মেডিক্যাল সার্ভিস ও কে-এশিয়া ল্যাবের মধ্যস্থানে রয়েছে একটি ফাঁকা স্থান।তবে সেই স্থানে অত্র ভবন মালিক আব্দুল খালেক ওরফে সেন্টুমিয়ার নির্দেশে গেটটি সর্বদা তালা তালা মারা থাকে।একমাত্র তার পরিচালিত ডায়াগনস্টিক ল্যাবের স্টাফদের গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন প্রবেশ নিষেধ করা হয়। এতে রোগীদের যানবাহন এবং গাড়িগুলো উপায়ন্তর না পেয়ে সড়কে রেখে চলে যায়।
    অন্যদিকে লস্কর ভিলা নামক একটি ভবনের সম্মুখে গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান থাকলেও সেটাও থাকে গেটলকের ন্যায়।যদিও ওই ভবনটিতে কিছু প্রাইভেট চিকিৎসকরা নিয়মিত শতশত রোগী দেখেন। এতে চরম বিপাকে পড়ে অত্র এলাকাবাসী।প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা গ্লোব-কনিকা নামক ডায়াগনস্টিক গুলো আয় করে নিলেও তাদের গাড়ি পার্কিং নিয়ে নেই মাথাব্যাথা।এছাড়া সড়কটিতে শৃঙ্খলামত গাড়ি দেখভাল করার নেই কোন স্টাফ।

    মোদ্দকথা,এলাকাবাসীকে একটি বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে ফেলে বহাল তবিয়তের ন্যায় তারা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম।

    এ ব্যাপারে দীর্ঘদিন বসবাসকারী বাটারগলির বাসিন্দা সৈয়দ রিয়াজ জানান, আমরা গুটিকয়েক পরিবার দীর্ঘদিন যাবত এখানে বাস করে আসছি।প্রতিদিন আমাদের এই যত্রতত্র পার্কিং এর জন্য ভোগান্তি পোহাতে হয়।এমনকি রোগীর স্বজনদের সাথে আমাদের ঝুট ঝামেলা লেগেই থাকে।এনিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ল্যাব মালিকদের অবহিত করলেও তারা তোয়াক্কা না করে বরংচ নিজেদের ইচ্ছেমত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলোর সামনে স্ব স্ব জায়গা থাকলেও সেগুলা তারা খুলছেনা।এতে সড়কের উপর রোগীরা গাড়ি রেখে চলে যাচ্ছেন। তারা এমনভাবে গাড়িগুলো রাখে একটি শিশু যাওয়ার ঠাঁই থাকেনা।এমনকি যদি কোন দুর্ঘটনাও ঘটে ফায়ারসার্ভিসের গাড়িও বটে সড়কের মুখ থেকে ফিরে যাবে।আমি চাই সড়কের উপর শৃঙ্খলা বজায় রেখে বিকল্প পদ্ধতিতে তারা গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা করুক।নাহলে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে অপ্রিতীকর ঘটনা।

    অত্র এলাকার বাসিন্দা,সৈয়দ মাহিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,এখানে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির স্টাফরা(রিপ্রেজেন্টিভ) যেভাবে সড়কে গাড়ি রেখে এবং পথরোধ করে ধুমপান করে,মনে হয় এটি একটি বিনোদন কেন্দ্র।যদিও একাধিকবার ডায়াগনস্টিক কতৃপক্ষ তাদের ৯ টার পর আসার সময় বেধে দেন।সেখানে বিকাল নাগাদই নেমে আসে হাসি,তামাশা আর আড্ডার প্রশান্তির স্থান।তাছাড়া আমাদের পরিবারের মা-বোনেরা নিয়মিত আসা যাওয়ার প্রাক্কালে ব্রিবতকর অবস্থায় পড়ে।এমনকি সড়কটির প্রধান মুখে রিকশা থেকে নেমে বাড়িতে পৌঁছাতে হয়।

    যদি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোন সুরাহা না দেয় তাহলে ঘটে যেতে পারে অপ্রিতীকর ঘটনা।তাই সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং দ্রুতসম্ভব সমাধান করার আশা করছি।

    অত্র এলাকার বসবাসকারী বাসিন্দা, সৈয়দ সাজদা,রাজু,কনক,লিটন,স্বপন, জসীম,রফিক, মজিদ মাস্টার সহ সকলে অভিযোগ করে বলেন,প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল গুলো সড়কের দুপাশে অশৃঙ্খল ভাবে সারিবদ্ধ করে রাখে। এতে যাতায়াত সহ প্রয়োজনীয় কাজে আমরা এলাকাবাসীর বাধার সম্মুখীন হই।তাই সকল ডায়াগনস্টিক মালিকদের প্রতি অনুরোধ যে আপনারা, পার্কিং এর ব্যবস্থা করুন নাহয় এর বিকল্প পদ্ধতিতে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করুন।সেক্ষেএে কিছুটা হলেও আমরা ভোগান্তি থেকে রেহাই পাব।

  • বরিশালে যাত্রীবাহী বাসে ড্রাম ভর্তি নারীর লাশ উদ্ধার

    বরিশালে যাত্রীবাহী বাসে ড্রাম ভর্তি নারীর লাশ উদ্ধার

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা লোকাল বাসট্যান্ডে যাত্রিবাহী লোকাল বাসের মধ্যে থেকে ড্রাম ভর্তি অজ্ঞাত নারীর(৩০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে লাশটি উদ্ধার করেন গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা।

     

     

    বাসের হেলপার-সুপারভাইজারের বরাত দিয়ে স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে নথুল্লাবাদ বাসষ্ট্যান্ড থেকে পিএস ক্লাসিক নামের একটি বাস(বরিশাল-জ ১১-০১০৬) বিকেল ৬.৪৬ এর সময় ভুরঘাটার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।

     

     

    পথিমধ্যে গড়িয়ারপাড় নামক স্থান থেকে একটি ড্রাম নিয়ে অজ্ঞাত এক যাত্রী লোকাল বাসে উঠে। বাসটি ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে আসার পর সকল যাত্রীর সাথে ওই লোকটি ড্রাম না নিয়ে বাস থেকে নেমে যায়।

     

     

    পরবর্তীতে ড্রামটি বাসের মধ্যে দেখতে পায় বাসের হেলপার-সুপারভাইজার। রাত সাড়ে আটটার দিকে বাসের হেলপার-সুপারভাইজার ড্রাম খুলে লাশটি দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়।

     

     

    গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন, জানান, খবরপেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে ড্রামের মধ্যে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, লাশের মাথায় জখমের চিহ্ন রয়েছে।

     

    নিহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • মেঘনায় ম্যাজিস্ট্রিটের ওপর জেলেদের হামলা, আহত ৫

    মেঘনায় ম্যাজিস্ট্রিটের ওপর জেলেদের হামলা, আহত ৫

    মেঘনায় অভিযান টিমের ওপর হামলা চালিয়েছে জেলেরা। এতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিট ও মৎস্য কর্মকর্তাসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।

     

     

    আহতরা ভোলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মৎস্য কর্মকর্তার অবস্থা কিছুটা গুরুতর। তিনি মাথায় ও হাতে আঘাত পেয়েছেন। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোর রাতের দিকে মেঘনার বঙ্গের চর নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

     

     

    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম জানান, রাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু আব্দুল্লাহ খানের নেতৃত্বে মৎস্যবিভাগের একটি টিম নদীতে অভিযানে নামে।এ সময় একটি মাছ ধরার ট্রলার দেখে অভিযান টিম তাদের ধাওয়া করে।

     

    এক পর্যায়ে অভিযান টিমকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে জেলেরা। এতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু আব্দুল্লাহ খান ও ভোলা সদর সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানসহ ৫ জন আহত হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

     

     

     

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রিট আবু আব্দুল্লাহ জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে যখন আমাদের অভিযান চলছিলো, তখন জেলেরা অভিযান টিমকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার পর তাদের ধাওয়া করা হলে তারা মেহেন্দিগঞ্জের দিকে পালিয়ে যায়। হামলাকারীরা বরিশাল অঞ্চলের জেলে হতে পারে বলেও জানান তিনি।

     

     

    এদিকে, অভিযান টিমের ওপর হামলার ঘটনায় ভোলা সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

     

     

    উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে

  • রবিউল ইসলাম রিপনের গ্রাসকৃত জমি  উদ্ধার এবং নিজের  জীবন বাঁচাতে প্রশাসনের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন

    রবিউল ইসলাম রিপনের গ্রাসকৃত জমি উদ্ধার এবং নিজের জীবন বাঁচাতে প্রশাসনের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ড আইনজীবী এ্যাড : রবিউল ইসলাম রিপনের গ্রাসকৃত জমি উদ্ধার এবং নিজের জীবন বাঁচাতে ও জমি উদ্ধার দাবীতে সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ রবিবার বেলা ১২ টায় প্রেসক্লাব কার্যলয়ে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নগরীর ২৭ নং ওয়ার্ড কুদ ঘাটা বাসিন্দা করছেন ফাতেমা বুলবুল।
    লিখিত বক্তব্য ফাতেমা বুলবুল বলেন ২৭ নং ওয়ার্ড সোনা মিয়ার পুল তার তার স্বামী মো: মনির হাওলাদার ২০১৬ সালে ক্রয় করেন ।
    আমার স্বামী মো : মনির হাওলাদার ডেফিলিয়া নিবাসী মো: আলাউদ্দিন শরিফের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন । এ্যাড : রবিউল ইসলাম রিপনের বাড়ীর পার্শ্বে উক্ত জমি থাকার কারনে আলাউদ্দিন শরিফ জামায়াতে ইসলামের নেতা হাওয়ার কারনে আমাদের জমির বুঝ পাচ্ছি না। ক্ষমতাসীন দলের দাপট দেখিয়ে এ্যাড: রবিউল ইসলাম রিপন ও তার ভাই শিপন জামায়াত নেতা মো: আলাউদ্দিন শরিফেকে দূরে সরিয়ে রাখেন। আমি জমি মেপে বুঝ নিতে চাইলে এ্যাড :রবিউল ইসলাম রিপন ও শিপন আমাদের অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেন, জীবন নাশের হুমকী দেন এবং তারা পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন । পাঁচ লক্ষ টাকা না দিলে জমিতে বুঝ পাওয়া যাবে না এমন কথা বলে এবং ক্ষমতার দাপট দেখায়।
    আপনারা যদি এই আইনজিবী সম্বন্ধে জানতে চান তবে জানতে পাবেন এই ব্যাক্তি কোর্ট বাউন্ডারিতে এসে খালি গায়ে থাকে। অধিক রাতে নিজ বাড়ীতে ফিরেন সোনামিয়ার পুল বাজারে রাতে একা একা হাটেন এবং পা দিয়ে রাস্তা মাপেন। করোনাকালীন সময়ে টি সি বির পন্য দিতে আসলে রহস্য জনক কারনে ট্রাক ড্র্ইভার, ডিলার এই আইনজীবির হাতে লাঞ্চিত হয়েছিলেন। র‍্যাব সহ ম্যাজিষ্টেট এসে রিপনকে ধরে নিয়ে যায়। দুর্ভাগ্য ২৭ নং ওয়ার্ড বাসীর, সেই আর টি সি বির পন্য আসে নি। রিপন এবং শিপন দুই ভাইয়ের অত্যাচারে সোনামিয়ার পুল বাজারের শতাধিক ব্যবসায়ি অতিষ্ঠ। বড় ব্যাবসায়ি মন্টু হাওলাদারের শতাধিক সারের বস্তা খেয়ে ফেলছে এই সহদর। এ্যাড:রবিউল ইসলাম রিপনের প্রশ্রয়ে ছোট ভাই শিপন নারীদের কে ভোগ্য বস্তু হিসেবে ব্যবহার করে। মহানগর “সুখী” নামের এক ছাএীকে নিজের স্ত্রী থাকা সও্বেও বিবাহ করে স্ত্রীর মর্যাদা দিচ্ছে না। মেয়েটির কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে। শিপন পেশায় কিছুই করেন না, বড় ভাইয়ের প্রশ্রয়ে চাঁদা বাজি করে সংসার চালায় এবং বহু নারীদের ইজ্জত লুন্ঠন করেছে। আমি নিজেও আতংকিতো।
    আমি আপনাদের সহযোগিতায় আমার স্বামীর কস্টর্জিত টাকা দ্বারা “”” জমিটুকু উদ্ধার করতে চাই এবং আইনজীবী এ্যাড: রবিউল ইসলাম রিপন ও শিপন এর অত্যাচার থেকে বাঁচতে চাই আমার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য প্রধান প্রধানমন্ত্রী ও বরিশাল সিটি কপোরাশেনের মাননীয় মেয়র সহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা কামনা করছি।

  • নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে একজনকে জেল

    নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে একজনকে জেল

     

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি ।। নলছিটিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) মামুন খান(৩০) নামের এক জেলেকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সাজাপ্রাপ্ত মামুন খান উপজেলার মালিপুর গ্রামের বাসিন্দা। একই সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারঃ) মো. সাখাওয়াত হোসেন’র নেতৃত্বে দিনভর নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আনুমানিক প্রায় ৯ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ৫০ কেজি মা ইলিশসহ একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জাল উপজেলার ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধারকৃত মাছ নান্দিকাঠি মারকাজুল কুরআন মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে পৌছে দেওয়া হয়। অভিযানে আরও ছিলেন সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রমনী কান্ত মিস্ত্রি,নলছিটি পুলিশ ফাড়িতে কর্মরত এএসআই সুজন হাওলাদার,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নাজির নাজিম উদ্দিন খান,মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী এসএম সোয়েব ও শাহিন পঞ্চায়েত। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারঃ) মো. সাখাওয়াত হোসেন।

  • বরিশাল বিমান বন্দর ম্যানেজারের দূর্নীতির চলছে মহাউৎসব

    বরিশাল বিমান বন্দর ম্যানেজারের দূর্নীতির চলছে মহাউৎসব

    বরিশাল থেকে ঢাকা বিমানে যাতায়াতের জন্য বরিশাল তথা দক্ষিণবঙ্গে একটিমাত্র বিমানবন্দর রয়েছে বরিশালে। এই অঞ্চলের ভিআইপি, ট্যুরিষ্ট, শিল্পীপতি ও বিলাসী মন মানসিকতার অধিকারী লোকজন স্বল্প সময়ে আরামদায়ক ভ্রমনপথ হিসেবে বিমানে চলাচল পছন্দ করেন।
    যাত্রীসেবার মান উন্নত থাকলেও বিমানবন্দরের ম্যানেজার রথীন্দ্রনাথ চৌধুরী’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে।
    সরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধানে দেখা যায় বিমানবন্দর রানওয়ের দুই পাশে ছোট ছোট পুকুরে লিজ দিয়ে মাছ চাষ করার কারনে বাজপাখির উপদ্রব বেড়েছে যা বিমান চলাচলে দুর্ঘটনার কারণ এবং বাজপাখির উপদ্রবের কারনে ১ ঘন্টা পরে বিমান ল্যান্ড করার সত্যতা পাওয়া গেছে । রানাওয়েসহ বিমানবন্দরের সামনের ঘাস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। যা অনুসন্ধানে আরো তথ্য পাওয়া যায় যে, ঘাস ক্রয়কারী ব্যাক্তির সংখ্যা প্রায় ১০০ জন, এবং প্রত্যেকের কাছে ১২০০ টাকা করে ঘাস বিক্রির প্রমান রয়েছে, এবং শাহাদাত নামের এক কৃষক এর কাছে ৪০ হাজার টাকার ঘাস বিক্রির প্রমান পাওয়া যায়।

    এছাড়াও বিমানবন্দরে ৬ সদস্যের ব্লাকে টিকিট বিক্রির একটি সিন্ডিকেট রয়েছে যা, ম্যানেজার রথীন্দ্রনাথ চৌধুরীর নিয়ন্ত্রণাধীন।
    বিমানবন্দরের সামনে সেগুন গাছ বিক্রি ও নিজ বাসায় ফার্নিচারের জন্য সাড়ে সাত ফুটের একটি সেগুন গাছ নিয়ে যাওয়া ও টেন্ডার ছাড়া বিমান বন্দর এরিয়ার গাছ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে ।

    এছাড়া বিমানবন্দরে কোন অস্ত্রাগার নেই, দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেন্টিন সমস্যা, যাত্রীদের কাছে মালামাল পৌছানোর বেল্ট নষ্ট দীর্ঘদিন যাবৎ , এ ব্যাপারে তাকে বেশ কয়েকবার বলার পরেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই ম্যানেজারের।
    ডরমেটরি সমস্যা, রানওয়েতে অহরহ মানুষের যাতায়াত সহ আরও নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান।
    এতসব অভিযোগ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা থাকলেও বিমানবন্দরের ম্যানেজার রথীন্দ্রনাথ চৌধুরী এগুলো মানতে নারাজ। তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি উপরস্থ কর্মকর্তাদের দোহাই দিয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ না করে মোবাইলে সাংবাদিকদের বলেন কিছু কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে, তবে তিনি মাছ চাষ, গাছ বিক্রি ও ঘাস বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন এসব টাকা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে জমা রয়েছে যার পরিমান আনুমানিক দেড়লক্ষ টাকার মত হবে যা বিমানবন্দরের প্রয়োজনীয় খাতে খরচ করা হয়।কিন্তু তথ্য অনুযায়ী যে আরো লক্ষ লক্ষ টাকার দূর্নীতি করে যাচ্ছে। যা তদন্ত করা হলে তার এসব অপকর্মের ও লক্ষ লক্ষ টাকার দূর্নীতি বেড়িয়ে আসবে।

    তবে ম্যানেজার রথীন্দ্রনাথ চৌধুরী বলেন, এসব কাজ কোন দূর্নীতির মধ্যে পরে না, দেশের সকল বিমানবন্দরেই এরকম চলে। এসব নিয়ে ভাবার সময় নাই।……