Category: অপরাধ

  • ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার ঢাবি শিক্ষার্থী, এসবি সদস্য বরখাস্ত

    ক্যাম্পাসে মারধরের শিকার ঢাবি শিক্ষার্থী, এসবি সদস্য বরখাস্ত

    এসময় রায়হান কৌশলে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে আব্দুর রবকে মোড়ে অবস্থিত পুলিশ বক্সে আটকে রাখেন। পরে বিভিন্ন হল থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সেখানে ভিড় করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. আব্দুর রহিম ও পুলিশের রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।

    পরে রমনা জোনের অতিরিক্ত পুলিশ উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন-অর-রশিদ সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। এরই মধ্যে এসবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা আমাকে অভিযুক্তর বরখাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন। এখন বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

  • ঝালকা‌ঠি‌তে নিষিদ্ধ ঔষধ রাখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১ বছ‌রের জেল

    ঝালকা‌ঠি‌তে নিষিদ্ধ ঔষধ রাখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ১ বছ‌রের জেল

    ঝালকাঠিতে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও প্যাথেডিন ইনজেকশনসহ সাইদুর রহমান (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    বুধবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার কেওড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পিপলিতা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তাকে ঝালকাঠি কারাগারে পাঠানো হয়।সাইদুরের কাছ থেকে ৪৮০ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ভায়াগ্রা ও ৮০ পিস প্যাথেডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

    ঝালকাঠি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর কাদের জানান, তিনি জেলা সদরের দক্ষিণ পিপলিতা এলাকার প্রয়াত নুর মোহাম্মদের ছেলে এবং পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার আতা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ‌্যাল‌য়ের শিক্ষক সাইদুর রহমান নিজের বাড়িতে বসেই যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও নেশাজাতীয় প্যাথেডিন ইনজেকশন বিক্রি করতেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ওই বাড়িতে অভিযান চালান। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে ৪৮০ পিস যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ভায়াগ্রা ও ৮০ পিস প্যাথেডিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

  • পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ থেকে ডিজেল চুরি, আটক ৫

    পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ থেকে ডিজেল চুরি, আটক ৫

    পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের বিদেশি লাইটার জাহাজ থেকে তিন হাজার ২০০ লিটার ডিজেল চুরির সময় আটক তিনজন ও ঘুষ দিতে এসে আরও দুজনকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) ভোর রাতে বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের খাপড়াভাঙ্গা নদী থেকে তাদের আটক করা হয়।


    আটকরা হলেন- আহমেদ মিম (৩৪), খলিল হাওলাদার (৪০), তাইজুল (৪০), আক্কাস আলী (৪০) ও রাজীব হাওলাদার (৩৫)।


    কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্দ করা হয়।

    দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি পায়রা বন্দরে আগত বিদেশি জাহাজ থেকে চোরাই তেল ক্রয় করে আসছে। পরে আবার এসব তেল গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের কাছে বিক্রি করতেন তারা।

  • আগৈলঝাড়ায় স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের দুই মাস পর উদ্ধার

    আগৈলঝাড়ায় স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের দুই মাস পর উদ্ধার

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অপহরণের দুই মাস পর অপহৃতা স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশাল ওসিসিতে প্রেরন করা হয়েছে।

    আগৈলঝাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, উপজেলার বারপাইকা গ্রামের রিপন বাড়ৈর মেয়ে ও বারপাইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী পিংকি বাড়ৈ ৫ জানুয়ারী প্রাইভেট পরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। তাকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে ৯ জানুয়ারী স্কুল ছাত্রীর মা অঞ্জলী বাড়ৈ বাদী হয়ে আগৈলঝাড়ায় থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

    স্কুল ছাত্রীর মা অঞ্জলী বাড়ৈ জানান, বাড়ি থেকে প্রাইভেট পরতে গেলে আমার স্কুল ছাত্রী মেয়ে পিংকিকে শেরপুর সদর থানার মোতালেব মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া অপহরণ করে নিয়ে যায়। 

    ওই সাধারন ডায়েরীর অভিযোগে আগৈলঝাড়া থানার উপপরিদর্শক মিল্টন মন্ডল অভিযান চালিয়ে শেরপুর সদর থানা এলাকা থেকে অপহৃতা স্কুল ছাত্রী পিংকিকে ৮ মার্চ রাতে উদ্ধার করলেও অপহরনকারী সোহাগকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

    উপপরিদর্শক মিল্টন মন্ডল জানান, স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। স্কুলছাত্রীকে  বৃহস্পতিবার সকালে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশাল ওসিসিতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • আমতলীতে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    আমতলীতে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

    আমতলীর পাতাকাটা গ্রাম থেকে বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে মামুন হাওলাদার (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    আমতলী থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই মনিরুল ইসলাম এএসআই আমিরুল ও এএসআই সোহরাফ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামের একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করার সময় মামুন হাওলাদারকে আটক করে। এ সময় তার শরীর তল্লাশি করে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃত ব্যবসায়ী পাতাকাটা গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে। আমতলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মিজানুর রহমান বলেন, ১ কেজি গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মামুন হাওলাদারকে বুধবার রাতে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা পর বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • বরগুনায় খুঁটিতে বেঁধে ২ কিশোরকে নির্যাতন, অভিযুক্ত কারাগারে

    বরগুনায় খুঁটিতে বেঁধে ২ কিশোরকে নির্যাতন, অভিযুক্ত কারাগারে

    বরগুনার বামনায় রিকশার গ্যারেজে আটকে রেখে দুই সহোদর কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় তারা বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় সেলিম হোসেন নামে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বশিরুল আলম।

    গ্রেফতার সেলিম খুলনার খালিশপুরের শেখ ওমর আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি রামনা ইউনিয়নে শ্বশুর বাড়িতে থাকেন। নির্যাতনের শিকার দুই কিশোর শের-ই বাংলা সমবায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

    সপ্তম শ্রেণির ছাত্র বলে, ‘মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগে আমার স্কুল ব্যাগে ঘুষি মারে এক সহপাঠী। এ সময় ব্যাগে থাকা আমার একটি মোবাইল ফোন ভেঙে যায়। এর বিচার চাইতে ওইদিন স্কুল ছুটির পর সহপাঠীর বাবা সেলিম হোসেনের দোকানে যাই। এ নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে সহপাঠীর বাবা ও তার মামা আরাফাত আমাকে চড় থাপ্পড় মারতে থাকেন।

    ঘটনাটি শুনে আমার বড়ভাইও সেখানে যায়। সহপাঠীর বাবা ও মামা আমাদের রিকশার গ্যারেজে আটকে রেখে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু হানিফ আমাদের ছাড়িয়ে আনেন।

    এ বিষয়ে শিক্ষক আবু হানিফ বলেন, মারধরের খবর শুনে গিয়ে দেখতে পাই ওদের দুজনকে গ্যারেজে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। পরে আমি তাদের কাছ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ছাড়িয়ে আনি।

    এ বিষয়ে বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বশিরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে অভিযুক্ত সেলিম হোসেনকে আটক করি।

    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দুই কিশোরের নানা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় সেলিম হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছি। মামলার অন্য আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • গরু চুরি করে পালাতে গিয়ে গাড়ি উল্টে চোরের মৃত্যু

    গরু চুরি করে পালাতে গিয়ে গাড়ি উল্টে চোরের মৃত্যু

    নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গরু চুরি করে পালাতে গিয়ে পিকআপ ভ্যান উল্টে গিয়ে এক চোরের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরো দুই চোর গুরুত্বর আহত হয়েছে।

    নিহত মো. নাছির (৪০) চট্টগ্রামের বাঁশখালি গ্রামের বাসিন্দা। আহতরা হলেন বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামাল উদ্দিনের ছেলে রুবেল ওরফে চোরা রুবেল (২২) ও হাতিয়ার পশ্চিম বড়দেইল গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে রাহাত (২৩)।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) ভোর রাতে উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানঘাট টু সোনাপুর সড়কের সুলতান নগর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিকআপ ভ্যান ও চুরি হওয়া তিনটি জীবিত গরু এবং একটি মৃত গরু  জব্দ করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের তিন সদস্য ভোর রাতে উপজেলার পরিষ্কার বাজার এলাকার ছেরাজুল ও সেলিমের বাড়ি থেকে ৪ গরু চুরি করে। পরে গরু বোঝাই গাড়িটি সোনাপুর টু চেয়ারম্যানঘাটের সুলতান নগর গ্রামে পৌঁছলে গাড়ির একটি চাকা লিকেজ হয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এ সময় গাড়ির চাপায় গরু চোর নাছির ও একটি গরু ঘটনাস্থলে মারা যায়।

    ওসি জিয়াউল বলেন, অপর দুই গরু চোর গুরুত্বর আহত হওয়ায় তারা ঘটনাস্থল থেকে পালাতে পারেনি। আহতদের আটক করে পুলিশ পাহারায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

  • বরিশালে স্কুলে বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়ে বিয়ের আয়োজন

    বরিশালে স্কুলে বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়ে বিয়ের আয়োজন

    মোফাজ্জেল হোসেন খান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ওই বিদ্যালয়ের পাশে একই নামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে।

    ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আশরাফুজ্জামান খান রনি জানিয়েছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিদ্যালয় মাঠে বিয়ের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। সকালে তিনটি ক্লাস হয়েছে।

    তবে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেছে, সকালে স্কুলে আসলে শিক্ষকরা আমাদের বাসায় ফিরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে তারা ধমক দিয়ে পাঠিয়ে দেন। বিদ্যালয়ের মাঠে দেখেছি বিশাল বিয়ের প্যান্ডেল। করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া হয়নি। এখন স্কুল খোলার পরও বিয়ের জন্য যদি স্কুল বন্ধ রাখা হয় তাহলে আমাদের শিক্ষা কীভাবে চলবে?

    জানা গেছে, ওই এলাকার ইয়ার হোসেন সিকদারের মেয়ের সঙ্গে পশ্চিম চর হোগলা গ্ৰামের আবুল হোসেনের ছেলের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

    ইয়ার হোসেন সিকদার জানান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তাকে বিয়ের আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে। তাছাড়া আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

    এ বিষয়ে জানতে মোফাজ্জেল হোসেন খান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি ধরেননি। এ ছাড়া ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দেননি।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল লতিফ হাওলাদার বলেন, বিয়ের অনুমতি চেয়ে আমাদের কাছে আবেদন করেছিল। তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। স্কুল চলাকালীন মাঠে বিয়ের আয়োজন করার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু মাঠটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এজন্য আমরা সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারি না।

    তবে মোফাজ্জেল হোসেন খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অর্চণা রাণী জানিয়েছেন, মাঠে বিয়ের আয়োজন করায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশালের বিদ্যালয় পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোনো স্কুল বন্ধ করে বিয়ের আয়োজন করা সম্পূর্ণরুপে আইন বিরোধী। এই কাজ করা অপরাধ। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।

    বরিশাল নগরীর উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকায় একটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক ছুটি দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান করছে ম্যানেজিং কমিটি। বুধবার রাত থেকে স্কুলে বিয়ের আনুষ্ঠানের প্যান্ডেল করার কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) সকালে শিক্ষার্থীরা স্কুলে এলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে বাসায় ফেরত পাঠানোর অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

    মোফাজ্জেল হোসেন খান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ওই বিদ্যালয়ের পাশে একই নামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চলছে।

    ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আশরাফুজ্জামান খান রনি জানিয়েছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিদ্যালয় মাঠে বিয়ের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। সকালে তিনটি ক্লাস হয়েছে।

    তবে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেছে, সকালে স্কুলে আসলে শিক্ষকরা আমাদের বাসায় ফিরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে তারা ধমক দিয়ে পাঠিয়ে দেন। বিদ্যালয়ের মাঠে দেখেছি বিশাল বিয়ের প্যান্ডেল। করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়া হয়নি। এখন স্কুল খোলার পরও বিয়ের জন্য যদি স্কুল বন্ধ রাখা হয় তাহলে আমাদের শিক্ষা কীভাবে চলবে?

    জানা গেছে, ওই এলাকার ইয়ার হোসেন সিকদারের মেয়ের সঙ্গে পশ্চিম চর হোগলা গ্ৰামের আবুল হোসেনের ছেলের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

    ইয়ার হোসেন সিকদার জানান, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তাকে বিয়ের আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে। তাছাড়া আমার মেয়ে এই বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

    এ বিষয়ে জানতে মোফাজ্জেল হোসেন খান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল দিলে তিনি ধরেননি। এ ছাড়া ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দেননি।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল লতিফ হাওলাদার বলেন, বিয়ের অনুমতি চেয়ে আমাদের কাছে আবেদন করেছিল। তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। স্কুল চলাকালীন মাঠে বিয়ের আয়োজন করার কোনো সুযোগ নেই। যেহেতু মাঠটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এজন্য আমরা সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারি না।

    তবে মোফাজ্জেল হোসেন খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অর্চণা রাণী জানিয়েছেন, মাঠে বিয়ের আয়োজন করায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে সমস্যা হচ্ছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশালের বিদ্যালয় পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোনো স্কুল বন্ধ করে বিয়ের আয়োজন করা সম্পূর্ণরুপে আইন বিরোধী। এই কাজ করা অপরাধ। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।

  • চবির হল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

    চবির হল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

    জানা যায়, শহীদ আব্দুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের একজন কর্মীর গায়ে হাত তোলা নিয়ে উত্তেজনার শুরু। সেই ঘটনার জের ধরে সোহরাওয়ার্দী এবং শাহ আমানত হলে দুই গ্রুপের কর্মীরা অবস্থান নেন। বিজয় ও সিএফসি উভয় গ্রুপই শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।


    এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে বর্তমান সভাপতি রেজাউল হক রুবেল পদ নিয়ে বসে আছে। সভাপতি হয়ে সে যত অপকর্মে লিপ্ত আছে সব আমাদের জানা আছে। অথচ পূর্ণাঙ্গ কমিটির দাবিতে আন্দোলন করলেও নানা টালবাহানা শুরু করে। ইদানিং সে এবং তার ছেলেরা কমিটি না দিতেই এসব উস্কানি দিচ্ছে।

    শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সিএফসি গ্রুপের নেতা রেজাউল হক রুবেলের সঙ্গে ফোন একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, দুই গ্রুপের উত্তেজনা বন্ধ করতে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা হল দুটিতে তল্লাশি চালাই। তল্লাশিতে পুলিশ আমাদের সহায়তা করেছে। এ সময় আমরা দুই হল থেকে রামদা, কিরিচ, গুলতি, কাচের বোতল ও রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছি।

    এর আগে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের র‍্যাগ ডে উদযাপনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে। পরে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ বিজয় এবং সিএফসির মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে প্রশাসন। বুধবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত ও সোহরাওয়ার্দী হলে চালানো অভিযানে রামদা, কিরিচ, গুলতি, কাচের বোতল ও রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    জানা যায়, শহীদ আব্দুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের একজন কর্মীর গায়ে হাত তোলা নিয়ে উত্তেজনার শুরু। সেই ঘটনার জের ধরে সোহরাওয়ার্দী এবং শাহ আমানত হলে দুই গ্রুপের কর্মীরা অবস্থান নেন। বিজয় ও সিএফসি উভয় গ্রুপই শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।


    এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে বর্তমান সভাপতি রেজাউল হক রুবেল পদ নিয়ে বসে আছে। সভাপতি হয়ে সে যত অপকর্মে লিপ্ত আছে সব আমাদের জানা আছে। অথচ পূর্ণাঙ্গ কমিটির দাবিতে আন্দোলন করলেও নানা টালবাহানা শুরু করে। ইদানিং সে এবং তার ছেলেরা কমিটি না দিতেই এসব উস্কানি দিচ্ছে।

    শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সিএফসি গ্রুপের নেতা রেজাউল হক রুবেলের সঙ্গে ফোন একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, দুই গ্রুপের উত্তেজনা বন্ধ করতে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আমরা হল দুটিতে তল্লাশি চালাই। তল্লাশিতে পুলিশ আমাদের সহায়তা করেছে। এ সময় আমরা দুই হল থেকে রামদা, কিরিচ, গুলতি, কাচের বোতল ও রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছি।

    এর আগে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের র‍্যাগ ডে উদযাপনে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে। পরে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

  • বাবা-মাকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিল মেম্বার

    বাবা-মাকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিল মেম্বার

    ভুক্তভোগী মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করে বলেন, ছেলের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এ ঘটনার বিচার চাই।

    ভুক্তভোগী মা মর্জিনা বেগম বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ছেলের কাছে জমা টাকা চাইলে সে মারধর করে। কোনো উপায় না দেখে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছি।

    অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মঞ্জুর আলম বলেন, ঘর থেকে বাবা-মাকে বের করে দেওয়ার ঘটনাটি সত্য নয়। আর এই বিষয়টি আমাদের ব্যক্তিগত। তাই এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না।

    আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জে. আর সারোয়ার জানান, আজ মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় জমানো টাকা ফেরত চাওয়ায় বাবা-মাকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মঞ্জুর আলমের বিরুদ্ধে।

    মঙ্গলবার (৮ মার্চ) রাতে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জে. আর সারোয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন দুপুরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ইউপি সদস্যের বাবা আব্দুল করিম।

    অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মঞ্জুর আলম।

    জানা গেছে, আব্দুল করিম দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের বালাপুকুর এলাকার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। শ্বশুরের অন্য সন্তান না থাকায় নাতি মঞ্জুর আলমকে বাড়ির প্রায় ৩০ শতাংশ জমি লিখে দেন। ওই বাড়িতে মঞ্জুর আলম বাবা ও মাকে নিয়ে বসবাস করছেন। সম্প্রতি মঞ্জুর আলম পরকীয়ায় জড়িয়ে এক নারীকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। প্রথম স্ত্রী থাকার পরও কেন দ্বিতীয় বিয়ে করেছে জানতে চাইলে মা-বাবাকে গালিগালাজ করে মঞ্জুর আলম। পরে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ছেলের কাছে জমানো টাকা ফেরত চাইলে মারধর করে।

    ভুক্তভোগী মো. আব্দুল করিম অভিযোগ করে বলেন, ছেলের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এ ঘটনার বিচার চাই।

    ভুক্তভোগী মা মর্জিনা বেগম বলেন, আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ছেলের কাছে জমা টাকা চাইলে সে মারধর করে। কোনো উপায় না দেখে ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছি।

    অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মঞ্জুর আলম বলেন, ঘর থেকে বাবা-মাকে বের করে দেওয়ার ঘটনাটি সত্য নয়। আর এই বিষয়টি আমাদের ব্যক্তিগত। তাই এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না।

    আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জে. আর সারোয়ার জানান, আজ মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।