Category: আন্তর্জাতিক

  • এবার মার্কিন অস্ত্রাগারে যুক্ত হচ্ছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র

    এবার মার্কিন অস্ত্রাগারে যুক্ত হচ্ছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র

    আন্তর্জাতিক মহলকে উত্তপ্ত করে সামরিক শক্তিতে ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো। আর সেই ধারাবাহিকতায় রাশিয়া-চীনের পর এবার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যুগে প্রবেশ করছে অন্যতম পরাশক্তির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ডেপুটি সেক্রেটারি অব ডিফেন্স প্যাথ্রিক শানাহান জানিয়েছেন, শিগগিরই তাদের অস্ত্রাগারে মহাকাশের এ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিটি যোগ করা হবে।

    এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, হাইপারসনিক যোগ করছি আমাদের অস্ত্রাগারে। আর সেটা খুব শিগগির। যে সময় লাগবে আশা করেছিল মানুষ, তার আগেই।

    এদিকে বুধবার দেশটির সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমরা খুব দ্রুত হাইপারসনিক নিয়ে মহাকাশে উড়তে যাচ্ছি এবং যা মানুষের প্রত্যাশার তুলনায় বেশি আধুনিকও হবে। এছাড়া সংবাদমাধ্যম বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন ঘোষণা রাশিয়া এবং চীনের মনোযোগের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। যদিও তাদের হাইপারসনিক প্রোগ্রামের উন্নয়ন হয়েছে আগেই।

    সাধারণত, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঘণ্টায় তিন হাজার ৮০০ মাইলের বেশি গতিতে চলে। যা শব্দের গতির তুলনায় কমপক্ষে পাঁচগুণ বেশি। সর্বপ্রথম রাশিয়া বিশ্বের সর্বাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘কিনঝালের’ সফল পরীক্ষা চালিয়েছিল।

  • রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ইইউ

    রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ইইউ

    রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের পর বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার জেরে মিয়ানমারের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় কমিশনে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে আলোচনা চলছে।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বার্তা সংস্থা থমসন রয়টার্স জানিয়েছে, এটা হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক বাজার থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারাতে হতে পারে মিয়ানমার। এছাড়া মিয়ানমারের লাভজনক বস্ত্রশিল্প নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে পারে। চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে শত শত মানুষ।

    তবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর হবে না। রোহিঙ্গা নিধন বন্ধের জন্য মিয়ানমারকে সুযোগ দেবে সংস্থাটি।

    সম্প্রতি জাতিসংঘের প্রতিবেদন প্রকাশের পর মিয়ানমারের দু’টি সামরিক ইউনিটের বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। ইইউ’ও এবার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে।

    এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ।

    তবে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি ইইউ। গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের শীর্ষ ছয় জেনারেলকে বিচারের মুখোমুখি করার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।

  • ব্যাঙের সঙ্গে অদ্ভুত মিল ট্রাম্পের!

    ব্যাঙের সঙ্গে অদ্ভুত মিল ট্রাম্পের!

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। সেটা সরাসরি হোক বা টিভিতে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের দিকে ভালোভাবে তাকিয়ে থাকলে একটা বিষয় লক্ষ্য করতে পারবেন। সেটা হচ্ছে- ট্রাম্পের থুতনি ও মুখের সঙ্গে ব্যাঙের অদ্ভুত মিল।

    মাইকেল মিচেল নামে একজন কৌতুকের ছলেই এই বুদ্ধিদীপ্ত কাজটিই করেছেন। তিনি ট্রাম্পের থুতনি ও মুখকে লেজবিহীন উভচর প্রাণি ব্যাঙের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

    মিচেল টুইটারে ট্রাম্পের ব্যাঙ আকৃতির কিছু মুখভঙ্গি পোস্ট করেছেন বলে ইন্ডিপেন্ডেন্টের ইন্ডি হান্ড্রেট তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে সেই ছবিগুলোর নিচে রসাত্মক কিছু কথা লিখেছেন তিনি। যেমন একটি ছবিতে তিনি লিখেছেন- মুখে ব্যাঙের ছবি আঁকা ট্রাম্প আমাদের তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। অপর একটি পোস্টে লিখেছেন- গুগলে ‘‘ডেনাল্ড ট্রাম্প’’ লিখে সার্স দেয়ার পর প্রেসিডেন্ট ব্যাঙ বলছেন, ‘যারা এই নিচু মানের আতিথেয়তায় কষ্ট পেয়েছেন, প্রতিজ্ঞা করছি তাদের জন্য এর চেয়ে ভালোকিছু করা হবে।’

    এছাড়া ট্রাম্পের ছবিসহ অন্য একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ব্যাঙ ঘোষণা দিচ্ছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আমরা যা কিছু করতে পারি সবই করবো, আমরা অবশ্যই জলাভূমি সোয়াম্প রক্ষা করবোস সেখানে আমার পরিবার আছে।’

    টাইম ম্যাগাজিনে আরেকটি ছবি আর্ট করে মিচেল ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ব্যাঙ। তিনি সাংবাদিকদের বলছেন, ‘আমি তাই করেছি, মুখে ব্যাঙ আকিঁয়ে অন্যরাও তা করতে পারে।’

    মাইকেল মিচেলের এই কৌতুকের পর অন্যরাও তার সঙ্গে যোগ দেন। তারাও ট্রাম্পের ব্যাঙ আঁকানো মুখের অবয়ব নিয়ে মজা করতে থাকেন টুইটারে।

  • রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত ভারতের : জাতিসংঘ

    রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত ভারতের : জাতিসংঘ

    রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে ভারতের দাঁড়ানো উচিত বলে মনে করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। গত সোমবার নিজের প্রথম ভারত সফরে আসেন জাতিসংঘের মহাসচিব। ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ, গ্লোবাল সলিউশন’ শীর্ষক সম্মেলনে যোগ দিয়ে মঙ্গলবার এসব কথা তিনি।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত প্রত্যেকটি ব্যক্তির কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। এছাড়া বাংলাদেশকে মানবিকতার খাতিরে ভারতের সহায়তা দেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি।

    এছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গে এই সমস্যার সমাধানের জন্য নিজেদের প্রভাবকেও কাজে লাগাতে পারে ভারত। তার কথায়, এই ধরনের ‘বৈষম্যমূলক পরিস্থিতি’র মধ্যে বিশাল সংখ্যক মানুষের জনসংখ্যাকে ধরে রাখা মানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়া আর ‘সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো।

    তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মতো একঘরে হয়ে পড়া সম্প্রদায় আমি কখনও দেখিনি। রোহিঙ্গাদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের হাল অত্যন্ত খারাপ। তাদের কোনও সুযোগই নেই। এছাড়া, মিয়ানমারের সমাজে তাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ বর্ণবৈষম্যমূলক মনোভাব কাজ করে।

    জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের রিফিউজি করে রাখাটা আমার কর্তব্য নয়। আমার কর্তব্য রিফিউজি হিসেবে তারা যে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তার সমাধান করা। এর থেকে বোঝা যায় রোহিঙ্গা সম্বন্ধে সকলের কী পরিমাণ নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। এছাড়া, সোশ্যাল মিডিয়াতে কয়েকজন সন্ন্যাসীর উসকানিমূলক বক্তব্যের ফলে সামগ্রিকভাবে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মনোভাবের বৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশে দশ লাখের বেশি মানুষ রয়েছে। তাদের মিয়ানমারে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। ভয়ঙ্করভাবে ধর্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেন মহাসচিব।

    জাতিসংঘের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ জানায়, এই মুহূর্তে বিশ্বের যা পরিস্থিতি তাতে ভারতের অবস্থানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত এমনকি অধুনিক পৃথিবীতে চলা একাধিক দ্বন্দ্বের সমাধানের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক স্তরে অত্যন্ত জরুরি অবস্থান নিতে পারে।

    গত বছর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। সূত্র: এনডিটিভি

  • জার্মানিতে  উদ্বোধন হলো ইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ কলোনিয়া জামে মসজিদ।

    জার্মানিতে উদ্বোধন হলো ইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ কলোনিয়া জামে মসজিদ।

    শনিবার জার্মানিতে উদ্বোধন হলো ইউরোপের সবচেয়ে বড় মসজিদ কলোনিয়া জামে মসজিদ। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান এটি উদ্বোধন করেন। মসজিদটিতে একসঙ্গে চার হাজার লোক নামাজ পড়তে পারবেন। মসজিদ কমপ্লেক্সে রয়েছে বিশাল হল রুমবিশিষ্ট সেমিনার কক্ষ, অমুসলিমদের সামনে ইসলামের উদার ও শান্তির পরিচয় তুলে ধরতে পরিচিতি রুম ও বিশাল ক্লাস রুম।

  • শামিকে খুন করতে চান হাসিন?

    শামিকে খুন করতে চান হাসিন?

    ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামি ও তার স্ত্রী হাসিন জাহানের বিতর্ক যেন থামছেই না।  স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এবার সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামনে এলো ভয়ঙ্কর অভিযোগ। হাসিন জাহান নাকি শামিকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন! এমনই অভিযোগ করেছেন ভারতের তারকা পেসার।

    স্ত্রীর কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে শামি নিজের সুরক্ষা বাড়ানোর আবেদন করেছেন আমরোহার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হেমন্ত কুমারের কাছে। ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একজন বন্দুকধারীর আবেদন করেছেন শামি। তার দাবি, বিভিন্ন জায়গা থেকে তাকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তার অভিযোগের তীর স্ত্রীর দিকেই।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ থেকে শামি ও হাসিনের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। যত দিন গড়িয়েছে দু’ জনের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছে। চলেছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। আর তারই জের ধরে এবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনলেন শামি।

  • জাতিসংঘের অধিবেশনে অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরবিতে ভাষণ

    জাতিসংঘের অধিবেশনে অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরবিতে ভাষণ

    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে আরবিতে বক্তব্য দিলেন অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারিন নেইসল।
    নিজের ভাষণে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি আরবিতে আপনাদের সামনে কথা বলতে পারি! কেন আমি সেটা করবো? কারণ, আরবি হলো জাতিসংঘের ৬টি আনুষ্ঠানিক ভাষার একটি। আমি ভিয়েনায় আরবি শিখেছি। এটি একটি সুন্দর ভাষা।
    প্রাচীন আরব সভ্যতার অংশ। যুদ্ধের বছরগুলোতে আমি লেবাননে পড়াশুনা করেছি। সেখানে দেখেছি যে কিভাবে মানুষ সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জীবন যাপন করে চলছে। এটাই হয়তো জীবনের রহস্য।’
    নিজের সূচনা বক্তব্যের প্রথম তিন মিনিট তিনি আরবিতে কথা বলেন। এরপর ফরাসি, স্প্যানিশ ও সবশেষে ইংরেজিতে কথা বলেন। নিজের বক্তব্যে নেইসল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর শরণার্থীদের মর্মস্তুদ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ রাজনৈতিক দলকে মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করার অনুরোধ জানান।
    তবে শরণার্থী নিয়ে নেইসলের এই আবেগঘন বক্তব্য বিস্ময়কর আরেকটি কারণেও। অস্ট্রিয়ারই নতুন জোট সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কার্জ। এতে রয়েছে উগ্র-দক্ষিনপন্থী দল ফ্রিডম পার্টি। এই দলটির রাজনৈতিক ভিত্তিই হলো অভিবাসন ও শরনার্থী বিরোধীতা। নেইসল নিজে অবশ্য স্বতন্ত্র পার্লামেন্ট সদস্য। কিন্তু তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে ফ্রিডম পার্টি! অভিবাসীদের নিয়ে তার অনেক বাগাড়ম্বর নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিকভাবে তাকে রক্ষণশীল ভাবা হয়। এ কারণে তার মুখ থেকে শরণার্থীদের মর্মবেদনা শোনাটা বেশ বিস্ময়করই বটে।

  • মুনকে জোড়া কুকুর উপহার দিলেন কিম

    মুনকে জোড়া কুকুর উপহার দিলেন কিম

    কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির আলো ছড়িয়ে আলোচনা শুরু করেছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।  উত্তর কোরিয়ার প্রধান নেতা কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনকে উপহারও দিয়েছেন।  তবে কিমের উপহার বেশ বিস্ময়কর। দেশ দু’টির কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে কোরিয়ার শিকারি জাতের দু’টি কুকুর উপহার দেওয়া হয়েছে। এ জাতের কুকুরের নাম পুংসান কুকুর। নাম সংগাং (ডান) ও গোমি (বাম)।

    গত শনিবার দেশ দু’টির সামরিক শক্তিহীন যুদ্ধবিরতির গ্রাম পানমুজম দিয়ে শিকারি জাতের এ প্রাণী দু’টি স্থানান্তর করা হয়।

    এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় ভবন ব্লু  হাউস বিবৃতিতে জানায়, গত মাসে পিয়ংইয়ংয়ে মুন ও কিমের বৈঠকে কিমের স্ত্রী রি সোল জু এ কুকুর দু’টি উপহারের পরামর্শ দেন। এ সময় রি বলেছিলেন, কুকুর দু’টির বংশবৃদ্ধির সনদও রয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলছে, সিউল চিড়িয়াখানায় নেওয়ার আগে কুকুর দু’টিকে প্রাথমিকভাবে ব্লু  হাউসে তোলা হয়। যাতে সবাই কুকুর দু’টিকে আদর করতে পারে।

    উল্লেখ্য, দেশ দু’টির কূটনৈতিক সম্পর্কে কুকুর উপহার দেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২০০০ সালে উত্তর কোরিয়ার সাবেক প্রধান নেতা কিম জং ইল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জুং কে পুংসান জাতের দু’টি কুকুর উপহার দিয়েছিলেন।

  • বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ৬০০

    বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ৬০০

    বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টাকালে কমপক্ষে ৬০০ জনকে আটক করার দাবি করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
    ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো দিয়ে ভারতের প্রবেশ করার চেষ্টা করছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা। এ জন্য সব রাজ্যকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, স্ব স্ব রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের সংখ্যা জানাতে। তাদের ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে তাদের বায়োমেট্রিক ডাটা সংগ্রহ করতে। খবর অনলাইন দ্য হিন্দু।
    ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ভারতে বর্তমানে বসবাস করছে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা। এর মধ্যে শুধু জম্মুতেই আছে প্রায় ৫৭০০ রোহিঙ্গা। এর মধ্যে আবার মাত্র ১৬ হাজার রোঙ্গিা জাতিসংঘের অধীনে নিবন্ধিত। ২০১২-১৩ সালে যখন রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস নির্যাতন করা হয় তখন এসব রোহিঙ্গা দেশ ছেড়েছিল। ওই একই রকম হামলা গত বছর আবার শুরু হয়। ফলে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা এসে আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে।
    বিএসএফের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বছরের ৩০ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৩৮ জন অনুপ্রবেশকারীকে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক করে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে আটক করা হয়েছিল ১৫৮৭ জনকে। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৮৭১ জনে।

  • রাহুল গান্ধীর প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!

    রাহুল গান্ধীর প্রেমে হাবুডুবু খেতেন কারিনা!

    শাহিদ কাপুরের সঙ্গে কারিনার প্রেম ও পরে বিচ্ছেদ, সাইফ আলি খানের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ে। এসব ঘটনার কথা প্রায় কমবেশি সকলেরই জানা। তবে আরও একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যার প্রেমে কাপুর কন্যা নাকি এক সময় হাবুডুবু খেতেন!

    উনি হলেন ভারতের কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। হ্যাঁ খবরটা কিন্তু এক্কেবারে খাঁটি। এক সময় রাহুল গান্ধীকে ভীষণ পছন্দ ছিল কারিনার। তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ডেটে যাওয়ারও স্বপ্ন দেখতেন।

    সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই এর লেখা ‘নেতা অভিনেতা’ নামে একটি বইতে উঠে এসেছে অভিনেতা, অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে নানান তথ্য। সেখান থেকেই উঠে এসেছে যে কারিনা কাপুর নাকি রাহুল গান্ধীকে এক সময় ভীষণ পছন্দ করতেন। তবে একথা শুধু রশিদ কিদওয়াইয়ের লেখা বইতেই নয়, ২০০২ সালে সিমি গারেওয়ালের একটি শোতে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ডেটে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন কারিনা। যদিও বিষয়টি নিয়ে যাতে কোনও রকম বিতর্ক তৈরি না হয় সে বিষয়েও সচেতন ছিলেন কাপুর কন্যা।

    তবে অবশ্য শুধু কারিনা নন, রাহুল গান্ধীও নাকি কারিনার সব ছবির ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দেখতে যেতেন। একথাও প্রকাশ্যে এনেছেন সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই। যদিও পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে যখন সাংবাদিকরা তার রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করার প্রসঙ্গ তোলেন, তখন অবশ্য কারিনা তার বয়ান বদলে ফেলেন।

    কারিনা বলেন, ও অনেক পুরনো কথা, এই কাপুর ও গান্ধী দুই পরিবারই এদেশে ভীষণ বিখ্যাত তাই বলেছিলাম। যে উনার সঙ্গে একবার দেখা করে কথা বলতে চাই, তবে আমি উনার সঙ্গে ডেট করতে কখনওই চাইনি।

    তবে এখানেই শেষ নয় সাংবাদিক রশিদ কিদওয়াই তার বই ‘নেতা অভিনেতা: বলিউড স্টার পাওয়ার ইন পলিটিক্স’-এ লিখেছেন, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও অভিনেতা পৃথ্বিরাজ কাপুরের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল। ফলে ইন্দিরাও ছিলেন কাপুর পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

    দুই পরিবারের বন্ধুত্বকে আত্মীয়তার রূপ দিতে চেয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেজন্য রাজ কাপুরের মেয়ে ঋতুর সঙ্গে রাজীব গান্ধীর বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে বলিউডের প্রতি বিশেষ কোনও আকর্ষণ থেকে তিনি এই চেষ্টা করেছিলেন তেমনটা নয়। কাপুর পরিবারের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই এমনটা চেয়েছিলেন তিনি।