Category: আন্তর্জাতিক

  • বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপের মালিকানা দাবি মিয়ানমারের, রাষ্ট্রদূতকে তলব

    বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপের মালিকানা দাবি মিয়ানমারের, রাষ্ট্রদূতকে তলব

    বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপের একটি অংশকে মিয়ানমার নিজেদের বলে দাবি করেছে। এ দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও-কে তলব করা হয়েছে। শনিবার (৬ অক্টোবর) তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে এই বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কক্সবাজারের সর্বদক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ ইউনিয়ন সেন্টমার্টিনের একটি অংশ মিয়ানমারের বলে তাদের সরকারের কয়েকটি ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে। এমনকি দ্বীপের মানুষজনকেও দাবি করা হয়েছে মিয়ানমারের।

    বিষয়টি জানতে পেরে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত উ লুইনকে তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর তার হাতে কূটনৈতিক প্রতিবাদপত্র ধরিয়ে দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রধান অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ। একইসঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদও জানানো হয়।

    বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,  সেন্টমার্টিন কখনোই মিয়ানমারের অংশ ছিল না। এমনকি ব্রিটিশ আমলেও এটা মিয়ানমারের অংশে পড়েনি। ১৯৩৭ সালে মিয়ানমার যখন ব্রিটিশ-ভারত থেকে ভাগ হয়ে যায়, তখনো এই দ্বীপ মিয়ানমারের মধ্যে ছিল না। মিয়ানমার কিসের ভিত্তিতে এই দ্বীপের অংশ তাদের বলে দাবি করছে তা রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চাওয়া হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

    বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা বলেন, মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইট সম্প্রতি তাদের দেশের যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ দেখানো হয়। এ বিষয়ে মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে প্রশ্ন করেছি, তিনি বলেছেন, ভুলক্রমে এটা হতে পারে।

  • বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় : শ্রিংলা

    বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় : শ্রিংলা

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বাংলাদেশের জনগণই ঠিক করবে তারা কি করবে। এ বিষয়ে ভারতের কোনো বক্তব্য নেই।

    শুক্রবার চাঁদপুরের ফরক্কাবাদ ডিগ্রি কলেজের মহাত্মা গান্ধি ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি এদেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশ দিন দিন এগিয় যাচ্ছে। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, পাওয়ার প্ল্যান্টসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে।

    রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে তাদের অবস্থানে ফিরিয়ে দিতে হবে। রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ভারত তিন দফায় তাদের মানবিক সহায়তা প্রদান করেছেন। আমাদের এ মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আমরা আগামী শীতে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের জন্য গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করবো।

    তিনি বলেন, ভারত চায় রোহিঙ্গারা নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাক। সকল মৌলিক অধিকার ভোগ করুক। রোহিঙ্গা সমস্যার শুরু থেকে ভারত বাংলাদেশের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। ভারত রোহিঙ্গাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান।

  • ভারতীয় রুপির বিপরীতে ডলারের পাশাপাশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি টাকা

    ভারতীয় রুপির বিপরীতে ডলারের পাশাপাশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি টাকা

    গেল সপ্তাহে নিম্নমুখী ধারায় রুপির রেকর্ড মূল্যপতন হয়েছে।বৃহস্পতিবার একটা পর্যায়ে ১০০ রুপির দাম নেমে দাঁড়িয়েছিল ১১৩ টাকা। অতীতে কোনো সময় এতো কম দামে রুপি পাওয়া যায়নি।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা শক্তিশালী হলে পণ্য আমদানি-রফতানিতে তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। তবে ভ্রমণ কিংবা চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে যাবেন তারা লাভবান হবেন। কারণ রুপি কিনতে এখন আগের চেয়ে টাকা কম লাগবে। রুপির এ মান ধারাবাহিক কমতে থাকলে এক সময় টাকা আর রুপি সমান হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ইন্টারনেট মানি এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) এক মার্কিন ডলারে বিনিময়ে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য দাঁড়ায় ৭৩ দশমিক ৬৬ রুপি। চলতি বছরের শুরুতে (১জানুয়ারি) যা ছিল ৬৩ দশমিক ৮৮ রুপি। এ হিসেবে ১০ মাসের ব্যবধানে রুপির মান কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ। এখন এক ডলারে পাওয়া যাবে ৭৩ দশমিক ৬৬ রুপি। যা রুপির ইতিহাসে সর্বনিম্ন দর।

    ডলারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি মুদ্রাও শক্তিশালী হচ্ছে। ৪ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি রুপিতে মান দাঁড়ায় এক টাকা ১৩ পয়সা। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ১১৩ টাকায় ১০০ রুপি পাওয়া গেছে।

    অন্যদিকে ১০০ রুপিতে মিলেছে ৮৯ টাকা। টাকার বিপরীতে রুপির এ দর এযাবৎকালের সর্বনিম্ন।

     

    আমদানি-রফতানিকারকদের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে পণ্য বেশিরভাগ কেনাবেচা হয় ডলারে। ফলে টাকা শক্তিশালী হলে বা রুপির মান কমলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে খুব একটা প্রভাব পড়ে না। তবে যারা ভারত ভ্রমণ করবেন কিংবা কাঁচা টাকা ভাঙান তারা লাভবান হবেন।

    অ্যাসোসিয়েশন অব মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী এনএস ভেঙ্কটেশ বলেন, তেলের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতীয় মুদ্রা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ীদের কাছে আকর্ষণ হারাচ্ছে মুদ্রাটি। তবে ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী উল্লেখ করে তিনি রুপির মান ৬৯-এর কাছাকাছি স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    ভেঙ্কটেশ বলেন, রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) রুপির উত্থান-পতনের বিষয়টি দেখছে। ফলে মুদ্রা বিনিময় বাজারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।

    এদিকে রুপির এ দরপতন ঠেকাতে ইতিমধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক-আরবিআই।

    বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও মার্কিন ডলারের বাড়তি চাহিদার কারণে রুপির এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তেল সংস্থাগুলোকে বাজার থেকে দশ বিলয়ন মার্কিন ডলার তোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে মুদ্রা আহরণকারী সংস্থাগুলোকেও বিশেষ ছাড় দিয়েছে। শিগগিরই ঋণ নীতিতেও পরিবর্তন আনছে আরবিআই। গত চার বছরের মধ্যে বর্তমানে তেলের দাম সবচেয়ে বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এদিকে রুপির মান কমায় বিদেশ ভ্রমণকারীদের জন্য সুখবর বলছেন দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা জানায়, ডলারের বিপরীতে রুপির মান কমায় এখন ওই দেশে ভ্রমণের খরচ কমেছে। প্রতিবছরই রেকর্ড পরিমাণ পর্যটক বাংলাদেশ থেকে ভারত ঘুরতে যায়। এখন চলছে ভারত ভ্রমণের সুবর্ণ সময়। এ সুযোগ অনেকে গ্রহণ করছেন। এখন ভারত সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করেছে। ডালের মানও রুপির তুলনায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ভারতে ভ্রমণ আরও বাড়বে।

    ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের সপ্তম বৃহৎ বৈচিত্র্যময় দেশ ভারত। যার আয়তন প্রায় ৩৩ লাখ বর্গ কিলোমিটার, যেখানে বসবাস করেন ১৩২ কোটিরও বেশি মানুষ। মরুভূমি থেকে বরফ সবই আছে ভারতে। আয়তন ও বৈচিত্র্যের কারণে নিয়মিত প্রচুর পর্যটক যায় ভারতে। প্রতি বছরই এ সংখ্যা বাড়ছে।

    ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মোট ২০ লাখ বাংলাদেশি ভারত সফর করেছে। তার মানে দেশটির বিদেশি পর্যটকদের এক-পঞ্চমাংশ বাংলাদেশি। ২০১৩ সালে যেখানে সোয়া পাঁচ লাখ বাংলাদেশি ভারত সফর করেছিল, সেখানে ২০১৭ সালে তা দাাঁড়ায় ২০ লাখে।

  • ইমরান খান ডেকেছেন, রাজনীতিতে আসতে ইচ্ছুক শোয়েব আখতার

    ইমরান খান ডেকেছেন, রাজনীতিতে আসতে ইচ্ছুক শোয়েব আখতার

    পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি নাম উঠলেই মনে ভেসে ওঠে তার কথা। তিনি পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়ের আখতার। শোয়েব আখতারকে মনে পড়লেই চোখে ভাসে বল হাতে দানবের মতো তাঁর ছুটে আসা। তার বিভীষিকাময় বিমারগুলোর কথাই মনে হয়। কিন্তু সেই মানু্যটির ভেতরে যে আরেকটা অন্য মানু্য রয়েছে, সেটা এতদিন অজানাই ছিল।

    রাওয়ালপিন্ডিতে সম্প্রতি নিজের এলাকায় বেকার যুবকদের শোয়েব আখতার প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে শোয়েব জানান, ‘আমি কিছুই করিনি। ছেড়ে দিন এসব কথা। আমার নিজের হয়ে কিছু বলতে ভাল লাগে না। তবে এটা ঘটনা, আমার ভেতর থেকে যেটা ইচ্ছে করে, সেটা আমি করেই ছাড়ি।’

    ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ তিনি। এটা সবারই জানা। ইমরান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শোয়েব গিয়েছিলেন ইসলামাবাদে। ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে। কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? শোয়েব হেসে উত্তর দেন, ‘ইমরান খান খুব ভালবাসেন আমাকে। আমার সব কাজের খোঁজ রাখেন। আসতে বলছেন রাজনীতিতে।’

    তা হলে আপনি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে শোয়েবের উত্তর, ‘ইচ্ছা রয়েছে। এখনও চূড়ান্ত কিছু ঠিক করিনি। তবে আরও ২-৩ বছর পর রাজনীতিতে আসতেই পারি।’

  • যে সকল মুসলিমরা এ পর্যন্ত নোবেল পুরুস্কার পেয়েছেন

    যে সকল মুসলিমরা এ পর্যন্ত নোবেল পুরুস্কার পেয়েছেন

    নোবেল পুরস্কার হচ্ছে আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। নোবেল পুরস্কার সর্বপ্রথম প্র্রবর্তিত হয় ১৯০১ সালে।

    পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে সফল ও অনন্যসাধারণ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণে দৃষ্টান্তমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ওই বছর থেকে ধারাবাহিক এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সর্বোচ্চ এ পুরস্কারের সুদীর্ঘ ইতিহাসে মোট ১২ জন মুসলিম ব্যক্তিত্ব নোবেলের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

    তাদের ব্যাপারে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো। মুহাম্মদ আনওয়ার সাদাত মুহাম্মদ আনওয়ার সাদাত (১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) মিশরের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি আনওয়ার সাদাত ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম মুসলমান।

    ১৯৭৩ সালে মিশরের সিনাই উপদ্বীপ উদ্ধারের জন্য ইয়ম কিপুর যুদ্ধে তিনি মিশরের নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৭ সালে ছয়দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল তা দখল করে নিয়েছিল। এরপর তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় বসেন এবং মিশর-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির কারণে আনোয়ার সাদাত ও ইজরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিম ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

    মুহাম্মদ আবদুস সালাম (১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন)আবদুস সালাম প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুস সালাম। তিনি পাকিস্তানী তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। ১৯৭৯ সালে স্টিভেন ওয়াইনবার্গ ও শেল্ডন লি গ্ল্যাশোর সঙ্গে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। দুর্বল তড়িৎ তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।

    এ তত্ত্বের মাধ্যমে তড়িৎ চৌম্বক বল এবং দুর্বল নিউক্লীয় বলকে একীভূত করা সম্ভব হয়েছিল। নাজিব মাহফুজনাজিব মাহফুজ (১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) নাজিব মাহফুজ নোবেল বিজয়ী মিশরীয় সাহিত্যিক। ১৭ বছর বয়স থেকে নাজিব মাহফুজ লেখালেখি শুরু করেন। ১৯৩৯ সালে তার প্রথম উপন্যাস ‘আবাসুল আকদার’ প্রকাশিত হয়। জীবনে মোট ৩০টি উপন্যাস লিখেলও ১৯৫৫ থেকে ১৯৫৭ সালের মধ্যে প্রকাশিত ‘কায়রো ট্রিলজি’ তাকে আরবি সাহিত্যের অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরে।

    এতে তিনি ইংরেজ শাসন থেকে স্বাধীন হওয়ার সময়কালীন মিশরের ঐতিহ্যবাহী শহুরে জীবনধারা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলেন। উচ্চ মার্গীয় এ উপন্যাসের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৮ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। উপন্যাসের পাশাপাশি ১০০ টিরও বেশি ছোটগল্প রচনা করেছেন। অধিকাংশগুলো ইংরেজিতে অনুদিত হয়েছে।

    ইয়াসির আরাফাত (১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) তার পুরো নাম মুহাম্মদ আবদেল রহমান আব্দেল রউফ আরাফাত আল-কুদওয়া আল-হুসাইনি। প্রচলিত ও প্রসিদ্ধ নাম ইয়াসির আরাফাত। তিনি ছিলেন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী একজন নেতা। ১৯৯৪ সালে ঐতিহাসিক অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের পর আইজাক রবিন, শিমন পেরেজ ও ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভকারী প্রথম ফিলিস্তিনি মুসলমান তিনি। আহমদ জুয়েল হাসান আহমদ জুয়েল হাসান (১৯৯৯ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) ফেমটোসেকেন্ড স্পেকট্রোস্কোপি ব্যবহার করে মাইক্রোস্কোপি আবিষ্কারের জন্য রাসায়নিক ক্ষেত্রে গবেষণা করে ১৯৯৯ সালে তিনি রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম মুসলিম রসায়নবিদ ও দ্বিতীয় মুসলিম বিজ্ঞানি হিসেবে নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    শিরিন এবাদিশিরিন এবাদি (২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) তিনি প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে শান্তিতে নোবেল লাভ করেন। এছাড়াও তিনি প্রথম ও একমাত্র ইরানী যাকে শান্তির জন্য এ সম্মান দেওয়া হয়। শিরিন এবাদি ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদান রাখার জন্য তিনি এ পুরস্কার লাভ করেন। মুহাম্মদ আল-বারাদেয়িমুহাম্মদ আল-বারাদেয়ি (২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) মুহাম্মদ আল-বারাদেয়ি মিশরের উপরাষ্ট্রপতি এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এর ডিরেক্টর জেনারেল ছিলেন। তিনি দ্বিতীয় মিশরীয়, যাকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারে প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৫ সালে তিনি ও আইএইএ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    ড. মুহাম্মদ ইউনুসড. মুহাম্মদ ইউনুস (২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) ড. মুহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি একমাত্র ও প্রথম বাঙালি মুসলিম, যাকে শান্তির জন্য এ সম্মান দেওয়া হয়। আরেকটু ফারাক করে বললে, তিনি একমাত্র ও প্রথম বাংলাদেশি এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তৃতীয় বাঙালি। ওরহান পামুকওরহান পামুক (২০০৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) ওরহান পামুক একজন তুর্কি ঔপন্যাসিক, চিত্রনাট্য সম্পাদক ও শিক্ষক।

    ২০০৬ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হন। তুরস্কের অন্যতম প্রধান লেখক ওরহানের বই বিশ্বের ৬০টিরও অধিক ভাষায় ও ১০০টিরও বেশি দেশে এবং ১৪ মিলিয়নের বেশি বিক্রি হয়েছে। ফলশ্রুতিতে তিনি তুরস্কের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কথাসাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। তার সর্বাধিক প্রসিদ্ধ উপন্যাস হচ্ছে ‘নিউ লাইফ’। তাওয়াক্কুল কারমানতাওয়াক্কুল কারমান (২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) তাওয়াক্কুল কারমান একজন ইয়েমেনি সাংবাদিক ও ইয়েমেনের আল-ইসলাহ রাজনৈতিক দলের প্রবীণ সদস্য।

    একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবেও কারমান দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তিনি ‘উইমেন জার্নালিস্ট উইথআউট চেইন্স’ নামক নারী সাংবাদিকদের একটি দলকে নেতৃত্ব দেন। ২০০৫ সালে তিনি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ২০১১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন। তিনিই প্রথম ইয়েমেনীয় ও প্রথম আরবি নারী হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি দ্বিতীয় মুসলিম নারী ও দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে নোবেল শান্তি পদক লাভ করেন।

    মালালা ইউসুফ জাইমালালা ইউসুফ জাই (২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন) মালালা একজন পাকিস্তানি শিক্ষা আন্দোলনকর্মী। তিনি সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তান

  • পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি)

    পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি)

    পুলিশ প্রধানদের সম্মেলনে (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব চিফস অব পুলিশ-আইএসিপি) যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র গেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

    আইএসিপির বার্ষিক সম্মেলনটি আগামী ৬-৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বিষয়টি জানায়।

    সম্মেলনে যোগ দিতে পুলিশের আরও দুই সদস্য আইজিপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। তারা হলেন, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শামসুন্নাহার এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

    সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিবেন। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের পুলিশ এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হবে।

    এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সন্ত্রাসবাদ দমনে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ও আলোচনায় স্থান পাবে।

  • বার্সেলোনা থেকে মমতার জন্য জার্সি পাঠালেন মেসি

    বার্সেলোনা থেকে মমতার জন্য জার্সি পাঠালেন মেসি

    ভারতের পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির জনপ্রিয়তা শুধু সে দেশেই নয়, সীমান্ত পেরিয়ে তা পৌঁছে গেছে সূদূর স্পেনেও। আর তার প্রমাণ হলো মমতা ব্যানার্জির জন্য বার্সেলোনার ফুটবল তারকা এবং বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির পাঠানো জার্সি।

    নিজের সই করা জার্সিতে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছেন মেসি। মমতা ব্যানার্জির পরিচিতি মূলত ‘‌দিদি’ নামে। আর তাই দশ নম্বর জার্সির পিছনে সেই দিদি নামটিও লেখা রয়েছে। খুব দ্রুত মমতা ব্যানার্জির হাতে এই বার্তা এবং জার্সিটি তুলে দেওয়া হবে।

    সম্প্রতি বার্সেলোনার লিজেন্ডরা একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে এসেছিলেন কলকাতায়। মোহনবাগান লিজেন্ডদের সঙ্গে সেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৮ সেপ্টেম্বর যুবভারতীতে। সেদিনই বার্সার দুই সাবেক তারকা খেলোয়াড় জুলিয়ানো বেল্লেত্তি এবং হারি লিটমানেন ‘দিদি’ লেখা ১০ নম্বর জার্সিটি তুলে দেন ফুটবল নেক্সট ফাউন্ডেশনের কর্ণধার কৌশিক মৌলিকের হাতে।

    সেই জার্সিতে মেসি লিখেছেন, ‘‌আমার অন্যতম প্রিয় বন্ধু দিদির জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা।’‌ এছাড়া মেসি নিজে সেই জার্সিতে সইও করেছেন। এই প্রসঙ্গে কৌশিকের বক্তব্য, ‘‌বার্সার তারকা ফুটবলাররা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সরাসরি জার্সিটি তুলে দিতে পারেননি। তাই তারা মেসির পাঠানো এই উপহারটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে যোগাযোগ করেছি। তিনি সময় দিলেই তার সঙ্গে দেখা করে আমরা জার্সিটি মমতা ব্যানার্জির হাতে তুলে দেব।

  • ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ!

    ইন্টারপোলের প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ!

    আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন) প্রেসিডেন্ট মেং হংওয়েই নিখোঁজ রয়েছেন। চীনে যাওয়ার পর এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ রয়েছেন তিনি। তবে ইন্টারপোল ও চীনা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।

    শুক্রবার রাশিয়ান সংবাদ মাধ্যম এমনটি জানিয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে তদন্তে নেমেছে ফরাসি পুলিশ।

    ৬৪ বছর বয়সী মেং চীনের নাগরিক। তার স্ত্রী ফ্রান্সের লিওন শহরে বসবাস করেন। তার স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত সেপ্টেম্বরের শেষ চীনে যাওয়ার পর থেকে মেং নিখোঁজ রয়েছেন।

    ইন্টারপোলের ৯৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম কোনো চীনা নাগরিক হিসেবে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন মেং। ২০১৬ সালের নভেম্বরে চার বছর মেয়াদে তাকে এ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

  • আইপিএলে অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন কোহলি!

    আইপিএলে অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন কোহলি!

    ভারতের বর্তমান ক্রিকেট দলে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি। জাতীয় দলের পাশাপাশি আইপিএলে দীর্ঘ ছয় মৌসুম ধরে বেঙ্গালুরুকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি। তবে দলটির ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্তারা ব্যাটসম্যান কোহলির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হলেও অধিনায়ক কোহলিতে খুশি নন। তাই আপাতত যা খবর, আসন্ন আইপিএলে বেঙ্গালুরুর অধিনায়কত্ব হারাতে পারেন তিনি।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিরাটের জায়গায় বেঙ্গালুরুর ক্যাপ্টেন কে হবেন? এক্ষেত্রে ফ্রাঞ্জাইজি সূত্র থেকে যা জানা যাচ্ছে, আপাতত এবি ডি ভিলিয়ার্সের দিকেইনেজর রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে সরিয়ে গ্যারি কার্স্টেনকে কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে বেঙ্গালুরু। আশিস নেহরা থাকছেন। আইপিএলের প্রতিটা মৌসুমেই হেভিওয়েট টিম গড়ে বেঙ্গালুরু। কিন্তু টুর্নামেন্ট শেষে সাফল্যের নিরিখে ঝুলিতে কিছুই থাকে না। প্রচুর খরচ করে টিম গড়েও দিনের শেষে ফলাফল শূন্য। আর সে জন্য কিছু অংশে বিরাটের নেতৃত্বকেই দায়ি করছেন কর্তারা।

    কিছুদিন আগেও একবার খবর রটেছিল কোহলিকে নেতৃত্ব থেকে সরাচ্ছে বেঙ্গালুরু। পরে অবশ্য ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে সেই খবরের সত্যতা অস্বীকার করা হয়। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। যদিও এখনও সরকারিভাবে বিরাটকে নেতৃত্ব থেকে সরানোর খবর প্রকাশ করেনি বেঙ্গালুরু। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন অধিনায়ক হিসাবে বেঙ্গালুরুর পক্ষে ডি ভিলিয়ার্সের নাম ঘোষণা করা হবে।

    চলতি বছরের মে মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার সুপারস্টার ব্যাটসম্যান জাতীয় দলের হয়ে সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। আপাতত বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলছেন তিনি। কয়েকদিন আগে এবি ডিভিলিয়ার্স জানিয়েছিলেন, এবার পাকিস্তান সুপার লিগেও তাকে দেখা যাবে।

  • ইরানি জনগণ যুক্তরাষ্ট্রকে চড় মারবে: খামেনি

    ইরানি জনগণ যুক্তরাষ্ট্রকে চড় মারবে: খামেনি

    ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। চলছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আর বাকযুদ্ধ। তারই জের ধরে এবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা করে ইরানি জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের গালে আরেকটি চড় মারবে। বৃহস্পতিবার রেভ্যুলুশনারি গার্ডের প্রধান কর্মকর্তা ও বাসিজ মিলিশিয়াদেরি একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইরানের জনগণ স্পর্শকাতর একটি সময় পার করছে। তিনি আরও বলেন, ‘স্রষ্টার দয়ায় আমরা নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা করব এবং নিষেধাজ্ঞাকে মোকাবেলার মানে হচ্ছে আমেরিকাকে পরাজিত করা। নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা করার ফলে আমেরিকা অবশ্যই ইরানি জনগণের কাছ থেকে আরেকটি চড় খাবে।’

    খামেনি বলেন, ‘দেশ, অঞ্চল ও বিশ্বের বিশেষ করে ইরানের জনগণের অবস্থা স্পর্শকাতর হয়ে পড়েছে। স্পর্শকাতর এই হিসেবে যে, একদিকে আমরা ক্ষমতাবান দাম্ভিক ও সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার রাজনীতিবিদদের চিৎকার শুনছি, আরেকদিকে দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা এবং দুর্বল জনগণের একটি বৃহৎ অংশের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে।’

    উল্লেখ্য, পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার শর্তে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ২০১৬ সালে ইরানের চুক্তি হয়েছিল। ওই চুক্তি থেকে মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এরপরই ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।