Category: আন্তর্জাতিক

  • অস্ত্র বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    অস্ত্র বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ এক টুইটার বার্তায় বলেন, মার্কিন সরকার সমরাস্ত্র বিক্রি করে বিশ্বকে অশান্ত করে তুলছে এবং অস্ত্র বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিশ্বের প্রধান সমরাস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে যে দাবি করে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের এই সমরাস্ত্র রফতানির কারণে বিশ্ব শান্তি বিপন্ন হয়ে উঠছে।

    চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে ইন্টারনেটে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখানো হয়, গত ৬৭ বছরে আমেরিকা থেকে বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার কোটি ডলারের সমরাস্ত্র রফতানি করা হয়েছে।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলায় প্রমাণিত হয়েছে, এত বেশি অস্ত্র রফতানি করা সত্ত্বেও আমেরিকা নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি।

    টুইটার বার্তায় জারিফ আরো বলেন, আমেরিকা বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৩৫ শতাংশ খরচ করে। তা সত্ত্বেও তারা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে পারেনি ওয়াশিংটন। ওইদিন সৌদি আরবের ‌মাত্র ১৫ নাগরিক মিলে আমেরিকার ৯,০০০ মানুষকে হতাহত করেছে।

    চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় বলেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার সমরাস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনায় সবুজ সংকেত দিয়েছেন।

    বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র
    নিউ ইয়র্ক টাইমস২৮ ডিসেম্বর ২০১৬

    দুনিয়াজুড়ে গত বছর অস্ত্র বিক্রির পরিমাণ কমলেও এ খাতে আয় বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ২০১৫ সালে সারা বিশ্বে ৮০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি হয়েছে, আগের বছর যার পরিমাণ ছিল ৮৯ বিলিয়ন ডলার।

    এর মধ্যে কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ৪০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বক্রি করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ৪ বিলিয়ন ডলার বেশি। সরবরাহকারীদের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফ্রান্স বিক্রি করেছে ১৫ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র; যা ২০১৪ সালের তুলনায় ৯ বিলিয়ন ডলার বেশি।

    ‘কনভেনশনাল আর্মস ট্রান্সফারস টু দ্য ডেভেলপিং নেশনস, ২০০৮-২০১৫’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের মতো গত বছরও উন্নয়নশীল দেশগুলোই ছিল অস্ত্রের মূল ক্রেতা। এর মধ্যে কাতার সবচেয়ে বেশি, ১৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনেছে গত বছর। মিসর ১২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনতে চুক্তি করেছে। পিছিয়ে নেই সৌদি আরবও, গত বছর তারা এ খাতে ব্যয় করেছে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। অস্ত্র কেনার তালিকায় এরপরের দেশগুলোর নাম দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাক।

    অন্য দিকে বিক্রির তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সের পর আছে রাশিয়া ও চীনের নাম। পরের স্থানগুলোয় আছে সুইডেন, ইতালি, জার্মানি, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও ইসরাইল। রাশিয়া গত বছর ১১ দশমিক এক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে বলে ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস; এর বেশির ভাগ কিনেছে ভেনিজুয়েলা।

    ২০১৪ সালে অস্ত্র বিক্রি খাতে রাশিয়ার আয় ছিল ১১ দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার। চীন গত বছর বিক্রি করেছে ছয় বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র, যা তাদের ২০১৪ সালের আয়ের দ্বিগুণ। ন্যাটো জোটের বন্ধু দেশগুলো অস্ত্র উৎপাদনে তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে; এর মধ্যে জার্মানি উন্নততর নৌ সরঞ্জাম আর যুক্তরাজ্য আধুনিক যুদ্ধবিমানের উৎপাদন বাড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বাজারজাত করছে।

    অবশ্য বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব বজায় থাকায় অস্ত্র কেনাবেচায় একটি বড় অংশ বাকিতে চলছে বলে এ কংগ্রেসনাল রিপোর্টের অন্যতম রচয়িতা ক্যাথরিন এ থিওহারি জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসির এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বাজেট ঘাটতিতে উদ্বিগ্ন অনেক দেশই নতুন অস্ত্র কেনার ইচ্ছা বাদ দিয়েছে বা কমিয়ে এনেছে।

  • যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের পাইপ লাইনে পরপর ৭০ বার বিস্ফোরণ

    যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের পাইপ লাইনে পরপর ৭০ বার বিস্ফোরণ

    গ্যাসের পাইপ  লাইনে বিস্ফোরণের জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বেশ কয়েকজন। যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন শহরের ওই ঘটনার পর বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গেছে, লরেন্স, আন্ডোভার এবং উত্তর অ্যান্ডোভার এলাকায় পর পর ৭০ টি বিস্ফোরণ ঘটেছে।

    পুরো এলাকা বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। আশেপাশরে বাড়ি থেকে কয়েকশ মানুষকে বের করে নিয়ে এসেছে দমকল বাহিনীর কর্মীরা। বর্তমানে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।

    ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রশাসন। ধোঁয়ার উৎস সন্ধান করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকজন দমকল কর্মী। তাছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন অসুস্থ।

    জানা গেছে লরেন্স জেনারেল হাসপাতালে ছয় জনের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, কমবেশি ৭০টি  বিস্ফোরণ হয়েছে গ্যাসের পাইপ লাইনে।

    আর তার জেরেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর মধ্যে কোনো নাশকতার ছক আছে বলে মনে করছে না প্রশাসন। গ্যাসের লাইনে চাপ বেশি হয়ে যাওয়াতেই এমনটা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • নেইমারকে নিয়ে এত কথা কেন : পিএসজি সভাপতি

    নেইমারকে নিয়ে এত কথা কেন : পিএসজি সভাপতি

    সবেমাত্র এক বছর হলো বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) গিয়েছেন ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার। কিন্তু গত ৬ মাস ধরেই তার দল বদলের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে নেইমারের সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে বলা হচ্ছে স্প্যানিশ লিগ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের নাম। বার্সেলোনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবটি ইতিমধ্যে নেইমারকে নিয়ে বেশ কিছু বিবৃতিও দিয়েছে। এতেই চটে গেছেন পিএসজি সভাপতি নাসের আল খেলাইফি।

    গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নেইমার এবং রিয়াল মাদ্রিদ প্রসঙ্গে খেলাইফি বলেছেন, ‘আমি এসব মোটেও পছন্দ করি না। আমরা রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে কথা বলেছি। এটা হতাশাজনক। অন্য ক্লাবগুলো আমাদের খেলোয়াড়দের নিয়ে কথা বলে, এটা ঠিক না। আমাদের ভালো একটা সম্পর্ক আছে। তারা পিএসজিকে সম্মান করে। আমরা রিয়াল মাদ্রিদ এবং তাদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে সম্মান করি। আমি মনে করি, পর্দার পেছনে কিছু না করার সবার জন্যই ভালো হবে।’

    ২০১৭ সালে রেকর্ড ২২ কোটি ২০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফিতে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে নাম লেখান নেইমার। এরপর সতীর্থ এডিনসন কাভানিসহ বেশ কয়েজনের সঙ্গে তার বিবাদের সৃষ্টি হয়। দর্শকরাও দুয়োধ্বনি শুনিয়ে দেয় নেইমারকে। এরপরেই স্পেনের সংবাদ মাধ্যমে খবর বের হয়, ২৬ বছর বয়সী নেইমারকে পেতে ৩১ কোটি ইউরো খরচ করতে প্রস্তুত রিয়াল। তবে গত জুলাইয়ে এসব প্রতিবেদন পুরোপুরি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দেয় স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি।

  • মুসলিমদের প্রতিটি বাড়িতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারি!

    মুসলিমদের প্রতিটি বাড়িতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারি!

    মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের উপরে চরম নির্যাতন চালাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিনের নির্যাতন এখন মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে বলেও উঠছে অভিযোগ। চীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ জমা পড়ল জাতিসংঘে। অভিযোগ করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

    চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বাস করে উইঘুর নৃগোষ্ঠীর মুসলিমরা। এই সম্প্রদায় চীনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ। অনেক উইঘুর নৃগোষ্ঠেীর মানুষকে ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে বলেও শোনা যায়। ক্যাম্পে থাকা ব্যক্তিদের উপরেও চলে নির্মম অত্যাচার।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে উইঘুর সম্প্রদায়ের মানুষদের নির্বিচারে আটক করে নিরাপত্তারক্ষীরা। বাধা দেওয়া হয় নিত্যদিনের ধর্মীয় অনুশাসনে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক স্বার্থেও ব্যবহার করা হয় তাঁদের।

    আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে ডিজিটাল উপায়ে সম্প্রতি জিনজিয়াং প্রশাসন উইঘুরদের উপরে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। উইঘুর মুসলিমদের প্রতিটি বাড়িতে বসানো হয়েছে কিউআর কোড। এই উপায়ে দূরে থেকেও ডিজিটাল পদ্ধতিতে নজরদারি চালানো হয় প্রতিটি বাড়িতে।

    এই উপায়ে কোন বাড়িতে কে কখন ঢুকছে বা বাইরে বেরোচ্ছে তার উপরে চলে নজরদারি। বাইরে থেকে কেউ আসলেও সেদিকেও নজর রাখে প্রশাসন। কেন আসা হয়েছে? সেই প্রশ্নই করা হয় আগন্তুককে। উত্তর সন্দেহজনক হলেই নিরাপত্তারক্ষীরা তুলে নিয়ে যায়। যদি সন্দেহ দৃঢ় হয় কিন্তু প্রমাণ না মেলে তাহলে ডিএনএ টেস্টের মতো পরীক্ষার সম্মুখীনও হতে হয়।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন যে বাড়িতে সাধারণ গল্প করা হলে বা গান গাইলে সেটাও রেকর্ড করা হয়। প্রশাসনের যদি কিছু বেগতিক মনে হয় তাহলেই চলে নির্যাতন।

    যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়টি অনৈতিক মনে হচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে জিনিজিয়াং প্রদেশে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে ইসলামিক জঙ্গিরা। সেই কারণেই নিরাপত্তাজনিত কারণে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে ক্যাম্পে অত্যাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে জিনজিয়াং প্রশাসন।

  • ঘানায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কফি আনান

    ঘানায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কফি আনান

    নিজভূমি ঘানায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঘানার রাজধানী আক্রায় রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয় নোবেল শান্তি বিজয়ী এ কূটনীতিকের। শেষকৃত্যে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্তেনিং গুতরেসসহ বিশ্বনেতারা অংশ নেন।

    জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতরেস কফি আনানকে ‘ব্যতিক্রমী বিশ্বনেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, আনান ছিলেন মহৎ, সাহসী এবং সততা, আত্মোৎসর্গকারী এক ব্যক্তি।

    আনানের স্ত্রী ন্যানে মারিয়া শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বলেন, আমার ভালবাসা, তুমি আবার ফিরে এলে তোমার আবাসে। যেখান থেকে তুমি তোমার দীর্ঘযাত্রা শুরু করেছিলে। কিন্তু তোমার প্রজ্ঞা ও পরদুঃখকাতরতা আমাদের পথ চলতে নির্দেশনা দেবে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৮ আগস্ট বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগে সুইজারল্যান্ডে ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ নেতা। ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালনকালে বিশ্বশান্তিতে অবদানের জন্য ২০০১ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন কফি আনান।

  • নাইট ক্লাবে আজান-দরুদ পড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন যুবক

    নাইট ক্লাবে আজান-দরুদ পড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন যুবক

    নাম গুশ মিফতাহ। তিনি ইন্দোনেশিয়ার একজন ধর্মপ্রচারক। নাইট ক্লাবে উপস্থিতদের আজান, কালিমা ও দরুদ পড়িয়ে প্রশংসায় ভাসছেন এই যুবক।

    এ ঘটনা এক সপ্তাহ আগের। ইন্দোনেশিয়ার বাতি শহরের অবস্থিত সবচেয়ে বড় নাইট ক্লাব ‘বসি ভিভিআইপি ক্লাব’ এ উপস্থিত অতিথিদের সামনে স্টেজে উঠেন ওই যুবক। এরপর মাইক নিয়ে তিনি আজান দেন। আজানের পরে তিনি কালিমা পড়েন এবং দরুদ পড়েন। তার সঙ্গে উপস্থিত অতিথিদেরও পড়তে অনুরোধ করলে সবাই একসঙ্গে দরুদ পড়েন।

    এই ঘটনার দৃশ্য ভিডিও করা হয়। এক সপ্তাহ আগে গুশ মিফতাহ সেই ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকউন্টে ও ইউটিউবে প্রকাশ করেন।

    মিফতাহর ওই ভিডিও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সামাজিক মাধ্যম ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

    গুস মিফতাহ স্থানীয় একটি ইসলামিক বোর্ডিং ‘ওরা আজি পেসান্ত্রেন’ এর প্রধান কর্মকর্তা।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নাইট ক্লাবের স্টেজে গায়ক বা জকি’র স্থানে দাঁড়িয়ে মিফতাহ। তার হাতে মাইক্রোফোন। সামনে বসে আছেন কয়েকশ অতিথি।

    মিফতাহ অতিথিদের উদ্দেশে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে প্রথমে ‘আল্লাহু আকবর’, আল্লাহু আকবর’ বলে আজানের কিছু অংশ উচ্চারণ করেন। এরপর তিনি কালিমা ও পরে দরুদ পড়া শুরু করেন।

    একপর্যায়ে মিফতাহ উপস্থিত অতিথিদের ও তার সঙ্গে দরুদ পড়তে আহ্বান জানালে সবাই মিলে দরুদ পড়া শুরু করেন।

  • রোনালদো-মেসিতে পার্থক্য যেখানে

    রোনালদো-মেসিতে পার্থক্য যেখানে

    লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো—এ দুজনের মধ্যে সেরা কে? এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। দুজনের মধ্যে পার্থক্য কী কী, এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ঠিক ততটাই সোজা। একজন ডান পা নির্ভর, একজন বাঁ পাকে পুঁজি করে খেলেন। একজন ভয়ংকর এক গোলস্কোরার। আরেকজন প্লে মেকার হয়েই খেলতেই বেশি স্বচ্ছন্দ। খেলার ধরন, আকার আকৃতি, ব্যক্তিগত জীবন মিলিয়ে পার্থক্যের কমতি নেই। তবে কার্লোস তেভেজ দুজনের মধ্যে মূল একটি পার্থক্য খুঁজে পেয়েছেন।

    স্বল্প কয়েকজন খেলোয়াড়, যাঁরা এ প্রজন্মের সেরা দুজনকে সঙ্গী পেয়েছেন তাঁদের একজন তেভেজ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০৬ সাল থেকেই মেসির সঙ্গী ছিলেন তেভেজ। আবার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ওয়েইন রুনি ও রোনালদোর সঙ্গে ভয়ংকর এক ত্রয়ীর অংশও ছিলেন।

    ১০টি ব্যালন ডি’অর জেতা এ দুজনের মধ্যে পার্থক্য করার অধিকার তাই আছে এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তেভেজ বলেছেন, ‘লিওনেল মেসিকে আমি কখনো জিমে যেতে দেখেনি। ওকে বল থামানো কিংবা ও ধরনের কোনো অনুশীলনও করতে দেখেনি। এসব ওর স্বভাবগত।’

    এটুকু পরেই মনে হতে পরে মেসি তাহলে অনুশীলন করেন না! না, মেসিরও দুর্বলতা আছে এবং সেটা কাটাতে কঠোর পরিশ্রমই করেন আর্জেন্টাইন, ‘পেনাল্টি নেওয়ার জন্য ও অনুশীলন করত। আগে তো ও পেনাল্টি নিত না আর এখন সে সব কোনায় মারে।’

    রোনালদোর ব্যাপার উল্টো। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড সবকিছুই নিখুঁত করায় বিশ্বাসী। আর এ জন্য রোনালদো কঠোর পরিশ্রম করেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো সব সময় অনুশীলন শেষে জিমে যাবেই। ওর জন্য ব্যাপারটা একদম বাধ্যবাধকতার মতো। সবকিছুতে সেরা হওয়ার প্রতিজ্ঞার মতো। ও সব সময় সবার আগে হাজির হতো মাঠে।’

    নিজেকে নিখুঁত করতে রোনালদোর আত্মত্যাগের গল্প করতে যা বলেছেন তেভেজ যা বলেছেন, তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য, ‘অনুশীলনের সময় যখন নয়টায় ঠিক করা হতো, আমি আটটায় যেতাম। কিন্তু তখনো রোনালদো মাঠে থাকত। সাড়ে সাতটায় উপস্থিত হলেও ওকে সেখানে দেখতাম। আমি তখন নিজেকে প্রশ্ন করতে শুরু করলাম, “কীভাবে আমি এ লোকটাকে টপকাতে পারি?” তাই একদিন আমি ছয়টায় হাজির হলাম। কিন্তু রোনালদো তখনো অনুশীলন করছিল! চোখেমুখে ঘুম লেগে আছে, তবু সে সেখানে।’

    নিজেকে সেরা বানাতে হলে কতটা নিবেদন থাকতে হয়, সেটা আরও একবার জানা গেল তেভেজ ও রোনালদোর সুবাদে।

  • স্ত্রীর দাফনে যোগ দিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নওয়াজ শরীফ

    স্ত্রীর দাফনে যোগ দিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন নওয়াজ শরীফ

    স্ত্রী কুলসুম নওয়াজের (৬৮) দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও তার কন্যা মরিয়ম নওয়াজ প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। আজ বুধবার দেশটির সরকার ও দলীয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

    মঙ্গলবার লন্ডনে কুলসুম নওয়াজ মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তার স্বামী ও মেয়ে দুই মাস আগে পাকিস্তানে এলে দুর্নীতির দায়ে তাদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়।

    পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে শরীফ তার দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) পার্টির পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে এসেছিলেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মঙ্গলবার রাতে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর নওয়াজ ও তার মেয়ে মরিয়ম একটি বিমানে করে লাহোর নগরীতে পৌঁছান। সেখানে সাবেক ফার্স্ট লেডিকে দাফন করা হবে।

    বুধবার পিএমএল-এন শরীফ ও তার মেয়েকে বিমানে চড়া অবস্থায় একটি ছবি প্রকাশ করে।

    রাওয়ালপিন্ডির কেন্দ্রীয় জেলখানার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নওয়াজ ও তার মেয়েকে জানাজা ও দাফনে অংশ নেয়ার জন্য ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি দেয়া হয়েছে। তবে বিশেষ বিবেচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সময় বাড়াতে পারে।’

    স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার কুলসুম নওয়াজকে দাফন করা হবে। নওয়াজ ও তার মেয়েকে দাফনকাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত প্যারোল দেয়া হতে পারে।

    কুলসুম নওয়াজ (৬৮) তার স্বামীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে পাশে ছিলেন। নওয়াজ শরীফ তিন তিনবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

  • সাইকেল চালিয়ে হজ্জ্বে যাচ্ছেন মুসলিস আবদুল্লাহর পরিবার!

    সাইকেল চালিয়ে হজ্জ্বে যাচ্ছেন মুসলিস আবদুল্লাহর পরিবার!

    প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মুসলিম হজ ও ওমরা পালনে সৌদি আরব গমন করে থাকেন। সাধারণত আকাশপথেই এই ধর্মীয় কাজটি পালন করতে যান তারা।

    তবে বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে পাঁচ সদস্যের এক পরিবার বাইসাইকেল চালিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে হজ পালন করার জন্য।

    দেড়মাস আগে রওয়ানা দিয়ে এরইমধ্যে ৩ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে তারা মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে এসে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তাদের আরও পাড়ি দিতে হবে ১০ হাজার কিলোমিটার পথ।

    এই যাত্রায় তাদের পাড়ি দিতে হবে ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ। তাদের এই পুণ্য যাত্রায় বেশ কিছু দেশ পাড়ি দিতে হবে মুসলিস পরিবারকে। মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার পর তারা পৌঁছাবেন থাইল্যান্ডে। সেখান থেকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পেরিয়ে সৌদি ভূমির মক্কায় পৌঁছাবেন তারা।

    তার পুণ্যের যাত্রায় রয়েছেন মুসলিস আবদুল্লাহ (৪৭), তার স্ত্রী জুলিয়ান্তি হুসিন (৪৭), তাদের সন্তান মির্জা হাকিম (১৫), আহমদ জাকি হাফিজ (১১) এবং ছয় বছর বয়সী অলিভিয়া ইয়ুমনা রয়েছেন। তাদের দিক-নির্দেশনায় সঙ্গে আছেন মুসলিসের বন্ধু মোহামেদ দামাহুরি মুতালিব (৬২)।

    এ বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে মুসলিস আবদুল্লাহ বলেন, একটি স্বপ্ন দেখার পর সাইকেল চালিয়ে মক্কায় পৌঁছে হজ-ওমরা পালন করার চিন্তাটা আমার মাথায় আসে।

    এই পুণ্যযাত্রীরা আশা করছেন, তারা আগামী হজ মৌসুমের আগেই মক্কায় গিয়ে পৌঁছাবেন। কোথাও নিতান্তই প্রয়োজন পড়লে ফ্লাইটেও চড়তে পারেন তারা।

  • তেলেঙ্গানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ৪৩

    তেলেঙ্গানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ৪৩

    ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাজ্যের জাগতিয়াল জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পরিবহনের জাগতিয়ালগামী বাসটি ৫৫ জন যাত্রী নিয়ে শনিভরপেত গ্রামের ঘাট রোডে নিয়ন্ত্রণ হারালে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ২৩ জন মারা যায়। গুরুতর আহত ২৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়।

    এদিকে, তেলেঙ্গানার ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যক পরিবারকে ১০ লাখ রুপি এবং আহতদের ফ্রি চিকিৎসার ঘোষণা দিয়েছেন।