Category: আন্তর্জাতিক

  • আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট

    আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট

    ইউসুফ দাউড়। যার বয়স মাত্র ১৪ বছর। এই কিশোর বয়সেই ইউসুফ স্বপ্ন দেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট হবার। ইউসুফ যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় বসবাস করে। সে ও তার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ইউসুফ ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবার জন্যে তার পরিকল্পনা ও প্রচারণা শুরু করেছে। বিবিসির এক ভিডিও বার্তায় ইউসুফকে নিয়ে তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ভিডিও বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    ইউসুফ বলেন, আমি টেলিভিশনে প্রেসিডেন্ট বুশের ছবি দেখেছি। ২০১৫ সালে আমি একটি ভিডিও তৈরি করি। সেটি করেছিলাম রিপাবলিকান রাজনৈতিক বেন কার্সনের এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে। তিনি জর্জ ডাব্লিউ বুশের মতো পোশাক পরতেন। রিপাবলিকান ওই রাজনৈতিক বর্তমানে ট্রাম্পের মন্ত্রীসভার সদস্য।

    বেন কার্সন বলেছিলেন, বলেছিলেন কোন মুসলিম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডন্ট হতে পারবেন না। এই জাতির জন্যে আমি কখনো কোন মুসলিমকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চাইবো না।

    তার ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ইউসুফ বলেন, এটা আমার মোটেও পছন্দ হলো না। কারণ আমি তো প্রেসিডেন্ট হতে চাই। তিনি আমার স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়েছেন। তখন আমি মাকে বললাম, আমার হোমওয়ার্ক করতে এবং তারপর আমি একটা ভিডিও বানাবো। যার শিরোনাম হবে ‘আমি হবো আমেরিকার প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট’। এবং আপনি এটা নিজের চোখে দেখবেন।

    এরপর ইউসুফ ভিডিওটি তৈরি করে। পরে এটি ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরতে ইউসুফ একটি ইউটিউব চ্যানেল চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে ইউসুফ তার পরিকল্পনা প্রকাশ করে ভিডিও ছাড়ে।

    ভিডিওতে ইউসুফ জানায়, আমি হাইস্কুলে পড়ালেখা শেষ করে কলেজে পড়তে চাই। অপরাধ বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চাই। তারপর ল’ স্কুলে যেতে চাই। ল’ স্কুল শেষ করে তারপর কয়েক বছর আমি স্থানীয় কিছু অফিস চালাতে চাই। তারপর রাজ্যে, তারপর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এবং তারপর প্রেসিডেন্ট।

    ইউসুফ বলেন, আপনি যদি কিছু বদলাতে চান, জনগণের সঙ্গে কথা বলতে চান, তাহলে তাদেরকে সম্মান করতে হবে। আমার মনে হয় আমাদের এটার অভাব আছে। বিশেষ করে আজকের পৃথিবীর রাজনীতিতে। আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের জন্য অপেক্ষা করছি যিনি জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে না।

    যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণ ও ধর্ম বৈষম্য নিয়ে ইউসুফ বলেন, কৃষ্ণাঙ্গদের যে সীমা ছিল ওবামা সেটা ভেঙেছেন। মুসলমানদের নিয়ে যে সীমা আমি সেটা ভাঙবো। আমরা সবাই আমেরিকান, আমরা সবাই সমান।

  • ইয়েমেনের মানুষ! ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা সিদ্ধ করে খাচ্ছে

    ইয়েমেনের মানুষ! ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা সিদ্ধ করে খাচ্ছে

    প্রায় তিন বছর ধরে দেশটি যুদ্ধবিধ্বস্ত। কম-বেশি সবাই প্রায় সেই যুদ্ধে ভুক্তভোগী। জাতিসংঘের হিসাব বলছে, ইয়েমেনে অন্তত দুই কোটি মানুষের অনাহারে দিন কাটে। গত তিন বছরের যুদ্ধে দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে।

    ছবিটি গত ২৫ আগস্ট তোলা বলে জানানো হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, হাজ্জাজ প্রদেশের জেলা আসলামে একটি পরিবার কিছু পাতা সংগ্রহ করে সিদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত করছে। তাদের পাশে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে ক্ষীণকায় কয়েকটি শিশু।

    এপির প্রতিবেদক জানিয়েছেন, এ রকম অবস্থা স্থানীয় অনেকের। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের অব্যাহত হামলা এবং ইরানের মদদপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীদের প্রতিরোধের কারণে ইয়েমেনে বহু এলাকায় আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলো ত্রাণ পৌঁছাতে পারছে না।

    আবার এত বিপুল পরিমাণ ত্রাণের চাহিদা মেটাতে জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

  • নার্সকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডাক্তারকে জুতাপেটা!

    নার্সকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডাক্তারকে জুতাপেটা!

    বা:মু:প্র: শেখ সুমন

    শ্লীলতাহানির অভিযোগ এক ডাক্তারকে জুতাপেটা করলেন নার্সেরা। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারের কাটিহার জেলার এক হাসপাতালে। জানা গেছে, কর্তব্যরত অবস্থায় দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া এক নার্সকে শ্লীলতাহানি করেন ওই চিকিত্সক। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন ওই হাসপাতালের নার্সেরা।

    ওই চিকিত্সক জাভেদকে কাছে পেয়ে জুতাপেটা শুরু করেন তারা। পালানোর চেষ্টা করেও রেহাই পাননি ওই চিকিত্সক। ভিডিও দেখা গেছে, নার্সদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে। হাতে মারের সাথে কেউ কেউ জুতাপেটাও করছেন।

    এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত হবে। অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  জাভেদকে ওই হাসপাতালেই গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। নার্সেদের হাতে চিকিত্সকের এই পেটানোর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। চিকিত্সকের এমন আচরণে নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনরা।

  • নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার সফরের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল উত্তেজনা

    নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার সফরের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল উত্তেজনা

    বা:মু:প্র/ শেখ সুমন :

    নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সমর্থনে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি র‌্যালির পাশাপাশি ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচির সমর্থনে বিএনপির মানববন্ধন, আলোচনা সভা ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    জাতিসংঘে ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসবেন শেখ হাসিনা। ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘে ভাষণ প্রদানের পর লন্ডন হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। ৫ দিনের এই সফরের সময়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়ই ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশে বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। এটি অনুষ্ঠিত হবে মিডটাউন ম্যানহাটানে হোটেল হিল্টনের বলরুমে। এই সমাবেশের বাইরেও বিক্ষোভ ও কাল পতাকা দেখাবে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের লোকজন। এজন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ। এর আগে জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে হাজারো নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগসহ যুবলীগ, শ্রমিক লীগ। একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি, যুবদল, জাসাস। এসব সংগঠনের পক্ষে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন এ সংবাদদাতাকে জানান, বিনা চ্যালেঞ্জে কিছুই করতে দেয়া হবে না শেখ হাসিনাকে। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করবো।

    জাতিসংঘে শেখ হাসিনার ভাষণের সময়ে বাইরে আওয়ামী লীগ করবে শান্তি সমাবেশ, অপরদিকে বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবাদ সমাবেশের। বিএনপির কর্মসূচির জন্যেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান বিএনপি নেতা গোলাম ফারুক শাহীন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান আগেই এয়ারপোর্ট, জাতিসংঘসহ সর্বত্র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সংগ্রহ করেছেন।

    আওয়ামী লীগের পক্ষে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, প্রতিবাদের নামে জামায়াত-শিবিরের প্ররোচনায় বিএনপি যদি কোন অসভ্য-অগণতান্ত্রিক আচরণের চেষ্টা করে তাহলে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আগের মতো এবারও শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে।

    পক্ষ ও বিপক্ষের কর্মসূচির সমর্থনে ১৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে আওয়ামী লীগ আর যুবলীগের ব্যানারে দুটি র‌্যালি এবং বিএনপির ৩ গ্রুপের ৩টি র‌্যালি হয়েছে কাছাকাছি দূরত্বে। সকলেই পরস্পরের বিরুদ্ধে স্লোগান আর বক্তব্য দিলেও তা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়নি। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির র‌্যালি চলাকালে তা থেকে ৪/৫ গজের মধ্যেই প্রদীপ রঞ্জন করের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন কিন্তু কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। বিএনপির কর্মসূচি শেষ হলেই প্রদীপ কর ও আব্দুর রহিম বাদশা’র নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের র‌্যালি শুরু হয় ডাইভার্সিটি প্লাজায়।

    স্টেট বিএনপির এ র‌্যালিতে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্লোগানের পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া বিএনপি কখনো সে নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূইয়া, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জসীমউদ্দিন, সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি সাইদুর রহমান, মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, শ্রমিক দলনেতা রফিকুল মাওলা প্রমুখ।

    অপরদিকে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় বক্তব্য দেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, আব্দুর রহিম বাদশা, এডভোকেট শাহ বখতিয়ার, কাজী কয়েস, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলম, কায়কোবাদ খান, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শাহীন আজমল, মুক্তিযোদ্ধা আর আমিন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রায় একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কাল পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি সভা হয় নিকটস্থ কাবাব কিং পার্টি হলে। বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান জিল্লু এবং পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপি নেতা পারভেজ সাজ্জাদ।

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ বশির, প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ডা. মজিবর রহমান মজুমদার, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, আনোয়ার হোসেন এবং ফিরোজ আহমেদ, মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি রাফেল তালুকদার, বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম মজনু, বাসিত রহমান, শাহাদৎ হোসেন রাজু, হেলালউদ্দিন, এমলাক হোসেন ফয়সল, কাজী আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

    অধ্যাপক দেলোয়ার বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার নির্বাচিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প নেই। এ দাবির সমর্থনে বিশ্বজনমত গড়তেই জাতিসংঘের সামনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে হবে।

    বিএনপির অপর অংশের আরেকটি প্রস্তুতি সভা হয় ইত্যাদি পার্টি হলে। ডা. মজিবর রহমান, সৈয়দ এম রেজা, মোহাম্মদ বশীর প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

  • ২০৪৭ সালে আবার ভাগ হবে ভারত: বিজেপি নেতা

    ২০৪৭ সালে আবার ভাগ হবে ভারত: বিজেপি নেতা

    বা:মু:প্র: শেখ সুমন

    ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং টুইটারে লিখেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে বিভক্ত হয়েছিল ভারত। ২০৪৭ সালে একই ঘটনা ঘটবে। গত ৭২ বছরে জনসংখ্যা ৩৩ কোটি থেকে ১৩৫.৭ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যার এ বিস্ফোরণ খুবই ভীতিকর। সংবিধানের ৩৫ এ ধারা (এ ধারায় মুসলিম অধ্যুষিত) জম্মু–কাশ্মীর রাজ্যকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে) নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক চলছে। একটা সময় আসবে যখন ভারতকে এ নামে ডাকাই কঠিন হয়ে পড়বে।

    সম্প্রতি দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাসীন দলের নেতা গিরিরাজ সিং বলেছিলেন, ‘জনসংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলা ভারতের এক বড় সমস্যা। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সড়ক থেকে সংসদ পর্যন্ত আলোচনা হওয়া উচিত। ভারতে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের সংজ্ঞাও নির্ধারণ করতে হবে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর আইন প্রণয়ন না করলেও দেশকে ভুগতে হবে। তাই আইন প্রণয়নের দাবিতে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।’ সূত্র: জিনিউজ

  • মিয়ানমারে জেল ভেঙে পালাল বন্দিরা

    মিয়ানমারে জেল ভেঙে পালাল বন্দিরা

    মিয়ানমারে কারাগার ভেঙে বেশ কিছু বন্দী পালিয়েছে। পুলিশ তাদের খুঁজছে। কারাগারে প্রবেশ করা একটি ট্রাক ছিনতাই করে ও গেট ভেঙে রবিবার তারা পালায়।

    দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কারেন রাজ্যের হাপা এন কারাগারে বন্দী পালানোর এই ঘটনা ঘটে।

    কারা কর্মকর্তা খিন থেট বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, বন্দীরা একজন কারা কর্মকর্তাকে আহত করে। এরপর তারা ট্রাকে করে পালিয়ে যায়। তিনি এলাকাবাসীকে অপরিচিত বা রহস্যজনক কাউকে এলাকায় দেখলে পুলিশকে খবর দিতে বলেন।

    প্রদেশটির পুলিশ প্রধান আং মায়াট বলেন, ৪১ জন বন্দী পালিয়েছে। তবে ইতিমধ্যে তিনজনকে পুনরায় আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।

  • কুপিয়ে হত্যা! ভিন্ন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায়

    কুপিয়ে হত্যা! ভিন্ন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায়

    ভারতে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী তরুণীকে বিয়ে করায় দিনে দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। শুক্রবার ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের নালগোন্দা জেলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ব্যক্তি ছয় মাস আগে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ওই তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন।

    হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিরইয়ালগুদা শহরে দিবালোকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য, প্রণয় কুমার এবং তার স্ত্রী আমরুথা ভারশিনি হাসপাতাল থেকে ফেরার সময় রাস্তায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি চাপাতি নিয়ে তাদের ওপর আক্রমণ চালায়।

    সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, এক যুবক পেছন থেকে প্রণয় কুমারের গলায় আঘাত করছে। এ সময় প্রণয় মাটিতে পড়ে গেলেও তাকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করতে থাকে ওই হামলাকারী। এমনকি ওই নারী তার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।

    ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির স্ত্রী যখন তার স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন; তখন ওই হামলাকারী চাপাতি ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রণয় কুমার।

    প্রণয় এবং আমরুথা আলাদা আলাদা ধর্মের। পরিবারের বাধা স্বত্বেও বিয়ে করেন তারা। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের কেউ জড়িত বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

  • ‘মনমর্জিয়া’ মুক্তির পর যা বললেন তাপসী

    ‘মনমর্জিয়া’ মুক্তির পর যা বললেন তাপসী

    তাপসী পান্নু। ভারতীয় দক্ষিণী সিনেমার এ অভিনেত্রী এখন বলিউডের ও নিয়মিতমুখ। পিংক, মুল্ক’র পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘মনমর্জিয়া’ সিনেমা। যেখানে তাপসীর অভিনয় বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    এনিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাপসী বলেন, ‘আমার মনে হয় না, ক্যারিয়ারের যে পর্যায়ে আছি তাতে বছরে একটি অথবা দুটি সিনেমাই যথেষ্ট। যেদিন পর্যন্ত প্রত্যেকটি সিনেমা দর্শক আমাকে না চিনবে আমি বছরে একাধিক সিনেমা করা বন্ধ করব না। আমার মনে হয়, এখনো সবাই আমাকে চেনে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমি তারকা হতে চাই। এর মানে এই নয়, আমি কম সিনেমায় অভিনয় করব। আমার পারফরম্যান্সে কোনো ঘাটতি হবে না কিন্তু আমি তারকা হতে চাই। আমি চাই দর্শক তাদের কষ্টের টাকা কোনো দ্বিধা ছাড়াই আমার সিনেমার টিকেট কেনার জন্য খরচ করবে। আর সেদিনই আমি মনে করব, আমি একজন বড় তারকা হয়েছি।’

    গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে তাপসী অভিনীত মনমর্জিয়া সিনেমাটি। এতে আরো অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন ও ভিকি কৌশল। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অনুরাগ কাশ্যপ।

  • কোনও টাকাই নেই দেশ চালানোর মত: ইমরান খান

    কোনও টাকাই নেই দেশ চালানোর মত: ইমরান খান

    ঋণে ডুবে আছে পাকিস্তান। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বারবার একথা বলছেন ইমরান খান। এবার দেশের ব্যুরোক্র্যাটদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়েও একথাই বললেন তিনি।

    ইসলামাবাদে ব্যুরোক্র্যাটদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সরকারের কাছে দেশ চালানোর মত কোনও টাকাই নেই।

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানকে ঋণের বোঝা থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে। আমাদের নিজেদের ও দেশের দ্রুত পরিবর্তন প্রয়োজন। সরকার যেমন সাধারণ মানুষের দায়িত্ব নেবে, ঠিক তেমনই সাধারণ মানুষকেও সরকারকে আপন করে নিতে হবে। তার কথায়, হয়ত আল্লাহ পরিবর্তন চেয়েছেন বলেই এই সমস্যায় ফেলেছেন।

    দেশের আমলাদের সব রকম সুরক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বলেন, তার দলকে কোনও আমলা সমর্থন না করলেও দেশের স্বার্থে তিনি সবার পাশে দাঁড়াবেন।

    কিছুদিন আগেই প্রবাসী পাকিস্তানিদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তার আবেদন দেশের পানির সমস্যা মেটাতে অর্থ সাহায্য করুন প্রবাসী পাকিস্তানিরা। যাতে সেই টাকা দিয়ে দেশের বাঁধ সংস্কার করে উন্নতি সাধন করা যায়।

    নতুন বাঁধ এবং খাল খননের জন্য প্রয়োজন বিপুল অঙ্কের টাকা। যা পাকিস্তান সরকারের হাতে নেই। সেই অর্থাভাব মেটাতেই ইমরান খানের এই আরজি। দেশের পানির সমস্যা মেটাতে ও কৃষিকাজে গতি আনতে বেশ কয়েকটি বাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। তার জন্যই প্রবাসী নাগরিকদের সাহায্য করার কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

  • ‘ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল’ আরেক বারমুডা!

    ‘ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল’ আরেক বারমুডা!

    এই সমুদ্রপথ দিয়ে গেলে আর কোনো জাহাজ নাকি ফিরে আসে না। উড়ন্ত বিমানও নাকি উধাও হয়ে যায়। না, বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নয়- এটা জাপানের ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল। এটাকে ‘ডেভিল সি’ বলা হয়ে থাকে।

    প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের উপকূলের কাছেই এ ‘ডেভিল সি’র ভৌগোলিক অবস্থান। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমে। এটি জাপানের দক্ষিণে। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ১০০ কিমি. দূরে মিয়াকের কাছেই নাকি আজব সব ঘটনা ঘটে।

    সেই পঞ্চাশের দশক থেকেই নাকি এখানে অসংখ্য জাহাজ উধাও হয়ে গেছে। খোঁজ করতে গিয়েও নাকি ফিরে আসেননি কেউ। তাই এ অঞ্চলকে এশিয়ার বারমুডা ট্রায়াঙ্গলও বলা হয়ে থাকে। জাপান ও ফিলিপিন্সের সীমান্তে জাপানের ইয়োকাহামা থেকে ফিলিপিন্সের গুয়াম পর্যন্ত, গুয়াম থেকে মারিয়ানা, আবার সেখান থেকে ইয়োকাহামা পর্যন্ত এই ‘ডেভিল সি’।

    ১৯৫২-৫৪ সাল নাগাদ নাকি পরপর বেশ কয়েকটি জাহাজ হারিয়ে যায়। এ সময় প্রায় ৭০০ সৈন্যও গায়েব হয়ে যান। কারও নাকি আর খোঁজই মেলেনি। এ ছাড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও নাকি ৫০০টি বিমান, ১০টি যুদ্ধজাহাজ, ১০টি নৌযান ওই এলাকায়ই ধ্বংস হয় বা হারিয়ে যায়।

    রহস্য সন্ধানে কায়ো মারু নামে একটি জাহাজ পাঠিয়েছিল জাপান। সেখানে নাকি বিজ্ঞানীরাই ছিলেন। কিন্তু রহস্যভেদ করতে গিয়েও তারাও আর ফিরে আসেননি। ‘ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল’-এর রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা, নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানা যুক্তি। ৩১ জন বিজ্ঞানীর খোঁজ না মেলার কথা রটে যাওয়ার পর থেকে অনেকেই বলতে থাকেন, সমুদ্রের তলদেশে নাকি ড্রাগন রয়েছে। সেই থেকে নাম ‘ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল’।

    সায়েন্টিফিক আমেরিকানের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন ট্রায়াঙ্গলের এ স্থানটিতে প্রায় ৩৭,০০০ মাইল এলাকাজুড়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ রয়েছে।

    এখানে প্রচুর পরিমাণে গরম লাভা ও কার্বন ডাইঅক্সাইড রয়েছে। তবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো ড্রাগন ট্রায়াঙ্গল নিয়ে বিপরীত মতও রয়েছে। যারা ভিন্নমত পোষণ করেন তাদের দাবি এগুলো আসলে কাল্পনিক।