Category: আন্তর্জাতিক

  • দাঙ্গায় নিহত ছেলে, তবুও শান্তি চান মসজিদের ইমাম বাবা

    দাঙ্গায় নিহত ছেলে, তবুও শান্তি চান মসজিদের ইমাম বাবা

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রামনবমীর শোভাযাত্রার নামে তাণ্ডবে নিহত হয়েছে ১৬ বছরের ছেলে। বাবা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেরই আসানসোলের একটি মসজিদের ইমাম। ছেলের এই করুণ মৃত্যুর পরও শান্তির পথে অবিচল বাবা। প্রকাশ্য সমাবেশে মাওলানা ইমদাদুল রশিদি বলেছেন, যদি এ মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার কেউ চেষ্টা করে, তবে তিনি শহর ছেড়ে যাবেন।

    মসজিদের ইমাম মাওলানা ইমদাদুল রশিদির ১৬ বছরের ছেলে সিবতুল্লা রশিদি নিখোঁজ হয় গত মঙ্গলবার। আসানসোলের রেইলপাড় এলাকা থেকে সাম্প্রদায়িক গোলযোগের সময় রাস্তা থেকে এক দল মানুষ ওই কিশোরকে তুলে নিয়ে যায়। পরদিন বুধবার গভীর রাতে তার লাশ পাওয়া যায়। আর পরিবারের লোকেরা বৃহস্পতিবার তার লাশ শনাক্ত করে। কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    রশিদি বলেন, ‘ও (ছেলে) যখন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, তখন গোলযোগ চলছিল। একদল দুষ্কৃতকারী ওকে তুলে নিয়ে যায়। আমার বড় ছেলে পুলিশকে বিষয়টি জানায়। কিন্তু ওকে থানাতেই অপেক্ষা করতে হয়। পরে আমরা জানতে পারি, পুলিশ একটি লাশ উদ্ধার করেছে। সকালে ওকে আমরা শনাক্ত করি।’

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আসানসোলের ঈদগাহ ময়দানে নিহত সিবতুল্লাহর কবর দেওয়া হয়। সেখানে জড়ো হওয়া মানুষদের উদ্দেশে মাওলানা রশিদি বলেন, ‘আমি শান্তি চাই। আমার ছেলেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি চাই না কোনো পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারাক। আমি চাই না কারও বাড়ি পুড়ে যাক।’

    আসানসোলের নূরানি মসজিদের ইমাম রশিদি বলেন, প্রতিশোধ নেওয়ার কোনো চেষ্টা হলে আমি আসানসোল ছেড়ে যাব। আপনারা যদি আমাকে ভালোবাসেন, তবে একটি আঙুল ওঠাবেন না।’ ছেলের করুণ মৃত্যুতেও নিজের দায়িত্বের কথা ভোলেননি মাওলানা রশিদি। মানুষের প্রতি, শান্তির প্রতি তাঁর আস্থার কথা বলেছেন।

    মাওলানা রশিদি বলেন, ‘গত ৩০ বছর ধরে আমি ইমামের দায়িত্ব পালন করছি। আমার দায়িত্ব মানুষকে সঠিক বার্তা দেওয়া। শান্তির বার্তা দেওয়া। আমাকে ব্যক্তিগত ক্ষতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। আসানসোলের মানুষ এমন অন্যায় করতে পারে না। এটা একটি ষড়যন্ত্র।’

    আসানসোল পৌরসভার মেয়র জীতেন্দ্র তেওয়ারী বলেন, ‘ইমাম সাহেব উত্তেজিত যুবকদের শান্ত করেছেন। তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর জন্য আমরা গর্ব বোধ করি। সন্তান হারানোর মতো গভীর যন্ত্রণার পরও তিনি শান্তির আবেদন করেছেন।’

    আসানসোল পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার মোহাম্মদ নাসিম আনসারী বলেন, সদ্য সন্তান হারানো বাবার কাছে এমন কথা সত্যিই অপ্রত্যাশিত। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা ভারতের জন্য তিনি একটি উদাহরণ।’

  • জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই প্রথম দেশে মালালা

    জঙ্গি হামলার ঘটনার পর এই প্রথম দেশে মালালা

    শান্তিতে নোবেলজয়ী পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনের কর্মী মালালা ইউসুফজাই নিজের দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, তালেবানের গুলিতে আহত হওয়ার ঘটনার পর এই প্রথম পাকিস্তানে ফিরলেন মালালা।

    নারীশিক্ষার পক্ষে প্রচারাভিযান চালানোয় ২০১২ সালে মালালাকে গুলি করে তালেবান। গুলি তাঁর মাথায় লাগে। পরে চিকিৎসার জন্য তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হয়। সৌভাগ্যক্রমে রক্ষা পান তিনি।

    ২০ বছর বয়সী মালালা এখন নারীশিক্ষা ও মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।

    পাকিস্তান সফরকালে মালালা তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসির সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন।

    পাকিস্তানের প্রত্যন্ত সোয়াত উপত্যকায় জন্ম নেওয়া মালালা তালেবানের বাধার পরও নারীশিক্ষা বিস্তারে কাজ করে যাওয়ায় ২০১২ সালে জঙ্গিরা তাঁকে গুলি করে। ২০১৪ সালে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৭।

    স্পর্শকাতর হওয়ায় মালালার পাকিস্তান ফেরার বিষয়ে অনেক তথ্যই গোপন রাখা হয়েছে বলে দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, চার দিন দেশে থাকবেন মালালা। এ সময় শহীদ খাকান আব্বাসির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।

    কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ইসলামাবাদের বেনজির ভুট্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মালালাকে নিয়ে যাওয়া হয়। তালেবানদের হামলায় বেঁচে যাওয়ার পর আবারও তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

    সম্প্রতি এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মালালা বলেন, তিনি তাঁর দেশের নদী ও পাহাড়গুলোকে খুব মিস করছেন। দেশের মাটিতে পা রাখতে চান।

    গত বছরে কানাডার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাত থেকে দেশটির সম্মানসূচক নাগরিকত্বের সনদ গ্রহণ করেন ১৯ বছর বয়সী মালালা।

    হামলার ঘটনার পরও নারীশিক্ষা ও নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। মালালা ফান্ড নামের বিশেষ তহবিল গঠন করে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, জর্ডানের মতো দেশে নারীশিক্ষায় বিনিয়োগে কাজ করছেন।

  • কেন্দ্র থেকে বিজেপির যাওয়ার সময় হয়ে গেছে: মমতা

    কেন্দ্র থেকে বিজেপির যাওয়ার সময় হয়ে গেছে: মমতা

    ব্যাগপত্র গুছিয়ে বিজেপির এখন কেন্দ্রের ক্ষমতা থেকে যাওয়ার সময় হয়ে এসেছে। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী দলগুলির শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে দেখা করার পরই এই মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকে তীব্র নিশানা করে মমতা জানান, নোট বাতিল থেকে শুরু করে ব্যাংক জালিয়াতি-প্রতিটি বিষয় তৃণমূল স্তরের মানুষের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এবং বিজেপির এখন ব্যাগপত্র গুছিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে।

    এদিন, দিল্লির সংসদ ভবনে বসেই সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা জানান, ‘মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে। আমি প্রায় সব রাজ্যেই ঘুরেছি। আমি মানুষের মনের কথা জানি। নোট বাতিল, ব্যাংক প্রতারণা, পণ্য পরিষেবা কর (জিএসটি)-এর মতো বিষয়গুলি তৃণমূল স্তরের মানুষদের জীবনে অনেক প্রভাব ফেলেছে। বিজেপির এখন ব্যাগপত্র গুছিয়ে যাবার সময় এসে গেছে’।

    এদিন, সকালের দিকে সংসদের সেন্ট্রাল হলে গিয়ে প্রথমে দলীয় সাংসদদের সাথে দেখার করেন মমতা। পরে পৃথকভাবে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের সাথে দেখা করেন। যাদের মধ্যে ছিলেন নাশ্যনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) প্রধান শারদ পাওয়ার ও দলের নেতা প্রফুল প্যাটেল, শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাওয়াত, রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) নেত্রী ও লালু প্রসাদের কন্যা মিশা ভারতী, দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাঝাগাম (ডিএমকে) নেত্রী কানিমোঝি, সমাজবাদী পার্টি (এসপি) রামগোপাল যাদব, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) সাংসদ কবিতা।

    এরপরই সংবাদ সম্মেলনে করে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে সব বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের কথা জানান মমতা। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি একসাথে কাজ করুক। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের উচিত প্রতিটি রাজ্যে শক্তিশালী বিরোধী দলগুলিকে সহায়তা করা, যাতে প্রতিটি জায়গায় বিজেপির বিরুদ্ধে একজন করে প্রার্থী দেওয়া যায়।

    রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে মমতা জানান, ‘রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বৈঠক করলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতি নিয়েই আলোচনা হবে। এতে গোপনীয়তার কিছু নেই। ২০১৯ সালে লোকসভার নির্বাচন অত্যন্ত আকর্ষণীয় হবে’। বুধবারও বিজেপি নেতা শত্রুঘ্ন সিনহা, যশবন্ত সিংসহ একাধিক শীর্ষ নেতার সাথে দেখা হবে বলে এদিন জানান মমতা।

    তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, প্যাটেল আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলসহ আমি সকলের সাথেই যোগাযোগ রাখি। রাহুল আমাকে মাঝেমধ্যেই এসএমএস করেন। আমি কাউকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাই না। আসলে গান করতে যেমন হারমোনিয়াম ও তবলার প্রয়োজন, তেমনি ভারতের উন্নয়নেও বিভিন্ন ধারনা নিতে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সহায়তা প্রয়োজন। বিজেপির চেয়ে বেশি সাম্প্রদায়িক দল এই দেশে আর কেউ নেই বলেও অভিমত মমতার। তার অভিযোগ বিজেপি হিন্দুত্ব’এর অর্থকেই অসম্মান করে তুলেছে।

    তবে অসুস্থ থাকার কারণে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা হয়নি মমতার। এবিষয়ে মমতা নিজেই জানান, ‘তিনি (সোনিয়া) এই মুহূর্তে হাসপাতালে রয়েছেন, তাকে সুস্থ হতে দিন। আমি তাকে বিরক্ত করতে চাই না’।

  • জুয়া খেলায় স্ত্রীকে বাজি, অতঃপর…

    জুয়া খেলায় স্ত্রীকে বাজি, অতঃপর…

    হারতে হারতে শেষ নিজের কাছে থাকা সব অর্থ। কিন্তু জুয়ার আসর থেকে উঠতে চান না। বাধ্য হয়ে তাই নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাজি রেখেছিলেন। কিন্তু এবারও হেরে গেলেন। আর তাতেই বিপত্তি।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এবেলার খবর, ঘটনার সূত্রপাত ২০১৫ সালে। দিল্লির বুলেন্দশহরের বাসিন্দা মহসিন নামে এক ব্যক্তির জুয়া খেলার প্রবল নেশা ছিল। পরপর বেশ কয়েকটি খেলায় হেরে যাওয়ার পর ইমরান নামে এক ব্যক্তির কাছে নিজের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বাজি হিসেবে ধরে মহসিন। কিন্তু সেই খেলাতেও হেরে যান তিনি।

    মহসিনের স্ত্রীর অভিযোগ, এর পরেই ইমরান বাড়িতে ঢুকে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই নারী প্রতিবাদ করে স্থানীয় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন। সেখানে রায় দেয়, মহসিনের একটি সন্তানকে ইমরান তার সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবে। পঞ্চায়েতের নির্দেশ মতো মহসিনের একটি সন্তানকে নিয়ে চলে যায় ইমরান।

    এর পরেই মহসিনের স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে দেন। থানায় নিজের প্রাক্তন স্বামী মহসিনসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। কিন্তু পুলিশি তদন্তে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় ওই নারী সিজেএম কোর্টে পিটিশন জমা দেন। গতকাল সোমবার আদালত পুলিশকে মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। পরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। পুলিশি তদন্তে কী উঠে আসে, সেটাই এখন দেখার।

  • পদত্যাগ করছেন অং সান সু চি

    পদত্যাগ করছেন অং সান সু চি

    মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি যেকোনো মুহূর্তে অবসরে যেতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। দলটির কার্য নির্বাহী কমিটির এক বৈঠকে সু চি সম্ভব হলে নিজেকে সরিয়ে নিতে চান বলে জানানোর পর এ গুঞ্জন আরো জোরালো হয়েছে।

    তবে রোববার এনএলডি’র এক মুখপাত্র সু চির পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত বলেছেন, ‘খবর বেরিয়েছে যে অং সান সু চি অবসরে যাবেন। আমি বললাম, না। তবে দলের কর্মীরা যদি কঠোর পরিশ্রম করেন, তবেই তিনি অবসরে যাবেন। এটা তিনি (সু চি) সব সময়ই বলেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তিনি শিগগিরই অবসরে যাবেন।’

    শনিবার এনএলডি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে সু চি বলেন, সম্ভব হলে তিনি পদত্যাগ করতে চান।

    এর আগে শনিবার দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এনএলডি’র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির (সিইসি) সদস্যদের এক বৈঠকে সু চি বলেন, সম্ভব হলে তিনি পদত্যাগ করতে চান। এনএলডি প্রধান সু চির এ মন্তব্যের পর দেশটির গণমাধ্যমে তার পদত্যাগের ব্যাপারে খবর প্রকাশিত হয়।

    এনএলডি’র মুখপাত্র ইউ মিও নিউন্ত শনিবারের ওই বৈঠকের ব্যাপারে বলেন, ‘নেইপিদোতে যে বৈঠক হয়েছে সেটি ছিল শুধুমাত্র সামাজিক সমাবেশ। বৈঠকে রাজনৈতিক কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘এটি ছিল অনিয়মিত একটি আলোচনা। সিইসির সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে এ বৈঠক হয়েছে। প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউ উইন মিন্ত দেশের শীর্ষ এ পদের দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা কার্যনির্বাহী কমিটির পুরনো এবং নতুন সদস্যদের সঙ্গে সামাজিক আড্ডা দিয়েছি।’

    এনএলডির এই মুখপাত্র বলেন, ২০০৮ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির সংবিধানে সংশোধনী আনে। এতে সরকারি কর্মকর্তারা দলীয় রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না বলে বিধান করা হয়। যে কারণে সামাজিক সমাবেশ অবৈধ নয়।

    এনএলডির সংসদ সদস্য ইউ ন্যা মিও তুন বলেন, ‘ধৈর্য এবং প্রভাব বিবেচনায় অবশ্যই তিনি (সু চি) দেশের প্রধান থাকবেন। তার (বয়স এবং কাজের চাপ বিবেচনায়) প্রতি আমাদের সহানুভূতি নেই; বিষয়টি তেমন নয়। তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এতে দ্বিমত করবেন না।’

    দলটির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তিনি বলেছেন তার বয়স বেড়েছে। কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহ দিতেই তিনি অবসরে যেতে চান বলে জানিয়েছেন।’

    গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া সফর করেন মিয়ানমারের এ নেত্রী। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় পরিশ্রান্ত-ক্লান্ত দেখা যায় ৭৩ বছর বয়সী সু চিকে। এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইউ উইন হতেইন সু চির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। ইউ উইন হতেইন বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় অধিকাংশ সময়ই বিছানায় কাটিয়েছেন সু চি।

    এনএলডির কার্যনির্বাহী কমিটির এ সদস্য বলেন, দীর্ঘ বিমান ভ্রমণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন সু চি। এসময় তার সঙ্গে কথা বলা থেকেও বিরত থাকা হয়। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ও একটি বৈঠকে বক্তৃতা দেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়।

  • ১৫ দিন ধরে ২ কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৭

    ১৫ দিন ধরে ২ কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৭

    দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে ভারতের ছড়িশগড় পুলিশ৷ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ছড়িশগড় ও মধ্যপ্রদেশের সীমান্তবর্তী কোরিয়া জেলায়৷

    অভিযোগ, ১৫ দিন ধরে নয় যুবক মিলে সেই দুই কিশোরীকে লাগাতার গণধর্ষণ করে৷ পরে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে৷ বাকি দু’জনের খোঁজ করা হচ্ছে৷

    পুলিশ জানিয়েছে, আটকেরা হল অভিজিত পাল(২০), আসরাফ আলি(২৩), মনোজ কুমার(২৮), হেমরাজ পানিকা(২০), অবনীশ(২৮), জিতেন্দ্র কুমার রাই(২৬) এবং রাকেশ কুমার(২৩)৷ এদের মধ্যে অভিজিত এক কিশোরীর পূর্বপরিচিত৷

    ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা সেই কিশোরীকে বিয়ে করবে বলে খোংগাপানি এলাকার একটি শুনশান জায়গায় নিয়ে যায়৷ কিশোরীর সঙ্গে তার বন্ধুও ছিল৷ তাকেও সঙ্গে করে নিয়ে যায় অভিজিত৷ সেখানে অভিজিতের আরও আট বন্ধু হাজির হয়৷ এরপর নয়জন মিলে ১৫দিন ধরে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ করে৷

    কোরিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিবেদিতা শর্মা জানিয়েছেন, গত ৪ মার্চ অভিজিত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই কিশোরীকে ডাকে৷ তাকে কোরিয়া থেকে নিয়ে যায় লেদরি ও বিজুরি গ্রামে৷ এই ১৫দিনে অভিজিত ও তার আট বন্ধুরা মিলে তাকে গণধর্ষণ করে৷ সেই কিশোরীর সঙ্গে এক বন্ধুও গিয়েছিল৷ তাকেও তুলে নিয়ে যায় তারা৷ সোমবার গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বিজুরি রেল স্টেশনের কাছে উদ্ধার করা হয়৷

    এই ঘটনায় পুলিশ সাত জনকে গ্রেফতার করেছে৷ বাকি দু’জন পলাতক৷ তাদের খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ৷ আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির গণধর্ষণ, অপহরণ, জোর করে আটকে রাখা, বিয়ের জন্য বাধ্য করা ইত্যাদি এবং পসকো ধারায় মামলা দায়রে করেছে৷

  • ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ অমিতাভ

    ভারতীয় আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ অমিতাভ

    সম্প্রতি টুইটার ব্লগে ভারতীয় আইন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিগ বি। স্পষ্ট ভাষায় লিখলেন, “বাবার মৃত্যুর পরে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সব কিছুর অধিকারই তাঁর”।  কড়া ভাষায় এভাবেঈ নিজের মতামত জানিয়ে দিলেন অমিতাভ বচ্চন।

    আসলে অমিতাভ আক্রমণ করেছে ভারতীয় ‘কপিরাইট ল’ আইন ব্যবস্থাকে। ১৯৫৭ সালে প্রস্তাবিত এই আইন অনুযায়ী, সাহিত্য, নাটক, সঙ্গীত বা কোনও শিল্পকর্মের স্রষ্টার মৃত্যুর ৬০ বছর পরে তার কোনও সৃজনকর্মের অপরেই আর তার বা তার পরিবারের অধিকার থাকবে না। তা যে কেউ পুনরুপস্থাপন করতে পারবেন। এই আইনি ব্যবস্থাকে সমর্থন করতে নারাজ বিগ বি।

    প্রসঙ্গত, অমিতাভ বচ্চনের বাবা,স্বনামধন্য কবি হরিবংশ রাই বচ্চন। তার রচিত কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল ‘মধুশালা’, ‘অগ্নিপথ’, ‘রুকে না তুম’। উল্লেখ্য হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু হয় ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি।

    তাই বাবা হরিবংশ রাই বচ্চনের রচিত কবিতাগুলিও আর তার পরিবারের থাকবে না। তার রচিত সমস্ত কবিতা হয়ে যাবে বিশ্ববাসীর। এবং তা নিয়ে যে যা খুশি করতে পারে। এটা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

  • এবার মহাকাশ বাহিনী গঠন করতে আগ্রহী ট্রাম্প!

    এবার মহাকাশ বাহিনী গঠন করতে আগ্রহী ট্রাম্প!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মহাকাশযুদ্ধের জন্য ‘মহাকাশ বাহিনী’ নামে বিশেষ একটি বাহিনী গঠন করতে ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে ট্রাম্প জানান, এমন একদিন আসবে যেদিন ‘মহাকাশ বাহিনী’ নামে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর আলাদা একটি শাখা থাকবে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো আজ জানিয়েছে, স্যান ডিয়েগোতে এক অনুষ্ঠানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে ট্রাম্প এ কথা জানান।

    এ সময় ট্রাম্প আরও বলেন, মহাকাশ নিয়ে আমার নতুন কৌশল হচ্ছে, জল, স্থল এবং আকাশের মতো মহাকাশও আমাদের কাছে এক যুদ্ধক্ষেত্র। তাই সেখানে যুদ্ধ করার জন্য মহাকাশ বাহিনী নামেও আমাদের একটি আলাদা বাহিনী থাকবে। আর সেটা হবে এক বড় ব্রেকিং স্টোরি।
    এদিকে, ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার কয়েক সপ্তাহ আগেই বলেছিলেন, মহাকাশে সংঘটিত হবে এমন যেকোন যুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবে যুক্তরাষ্ট্র।

  • বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের

    নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

    তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের  উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

    ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

    তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

    উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

  • ৩৪ বছর পর বিমান দুর্ঘটনায়,শোকে ভাসছে দেশ

    ৩৪ বছর পর বিমান দুর্ঘটনায়,শোকে ভাসছে দেশ

    আজ (সোমবার) নেপালের কাঠমন্ডুতে বেসরকারি বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় বহু বাংলাদেশির প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। শোকে ভাসছে দেশ। আজ (সোমবার) নেপালের কাঠমান্ডুতে বেসরকারি বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় বহু বাংলাদেশির প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ৩৪ বছর আগে ১৯৮৪ সালের ৪ আগস্ট বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফকার এফ-২৭ (ফ্লাইট নাম্বার এস-২ এবিজে) তৎকালীন জিয়া আন্তজার্তিক বিমানবন্দরের অদূরে বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরছিল।

    নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলের। যাত্রীদের মধ্যে দুইজন বিদেশি ও ৪৩ জন বাংলাদেশি যাত্রী ছিলেন। ওই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম বেসামরিক নারী পাইলট কানিজ ফাতেমা রোকসানা নিহত হন।

    ১৯৮৪ থেকে ২০১৮ তিন দশকের বেশি সময় পর আজ (সোমবার) একই ধরনের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। ৩৪ বছর পর বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এতো বেশি বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশের বেসরকারি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স নেপালের কাঠমুন্ডুতে বিধ্বস্ত হয়। এয়ারলাইন্সটি ৬৭ জন যাত্রী, দুইজন পাইলট ও দুইজন কেবিন ক্রু নিয়ে বাংলাদেশ সময় ১২টা ৫১ মিনিটে নেপালের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমুন্ডু বিমানবন্দরে রানওয়েতে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এয়ারলাইন্সটিতে আগুণ ধরে গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে অদূরে একটি ফুটবল মাঠে গিয়ে পড়ে।

    নিহতদের সংখ্যা সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া না গেলেও অর্ধশতাধিক নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এপি বলছে, এ পর্য়ন্ত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন।

    এদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ বলেন, ‘হতাহতের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। ফ্লাইটে দুই শিশুসহ ৬৭ জন আরোহী ছিলেন। এদের মধ্যে পাইলট ও ক্রু ছিলেন চারজন। আরোহীদের মধ্যে ৩৩ জন বাংলাদেশি, নেপালি ৩২, একজন মালদ্বীপ এবং একজন চীনা নাগরিক ছিলেন।’
    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর প্রশিক্ষণ বিমান ডিসি-৩ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৭৯ সালের ১৮ নভেম্বর সাভার বাজারে এফ ২৭-২০০ (এস২-এবিজি) দুর্ঘটনায় পড়লেও চারজন যাত্রীর কেউ হতাহত হয়নি।

    ১৯৮০ সালের ৩ এপ্রিল সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্ট থেকে ছেড়ে ১০০মিটার উচ্চতায় বিমানের ইঞ্জিন বিকল হলে বোয়িং ৭০৭-৩২০সি (ফ্লাইট এস২-এবিকিউ) রানওয়েতে ফিরে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ৭৪ জন যাত্রী থাকলেও কেউ হতাহত হয়নি।

    ১৯৯৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এফ২৮-৪০০০ (এস২-এসইজে) ৮৯ জন ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার সময় সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে রওনা হয়। কুয়াশার কারণে সিলেট বিমানবন্দরের অদূরে জরুরি অবতরণ করে। ওই ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

    ২০০৪ সালের ৮ অক্টোবর এফ২৮-৪০০০ (এস২-এসইএইচ) ৭৯ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে বৃষ্টিপাতের কারণে পিচ্ছিল থাকার কারণে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। তবে কেউ হতাহত হয়নি।

    ২০০৫ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে ডিসি১০-৩০ ইআর (এস২-এডিএন) ২১৬ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণের সময় হেলে পড়ে ও বিমানের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। তবে কেউ হতাহত হয়নি।

    ২০০৭ সালের ১২মার্চ বাংলাদেশ বিমানের এ ৩১০-৩০০ (এস২-এডিই) ২৩৬ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়। এ সময় ল্যান্ডিং গিয়ার অকেজো হয়ে যাওয়ায় রানওয়ের শেষ প্রান্তে গিয়ে থেমে যায়। তবে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।